

চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার অপরাধে ৩১ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এদের মধ্যে ১৯ জেলেকে ১২ দিন এবং ১২ জেলেকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও ৩ জেলেকে ৫ হাজার টাকা করে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৭ জন জেলে অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা রেখে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২১ অক্টোবর) রাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন অভিযানে অংশগ্রহণকারী সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।
সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, রোববার (২০ অক্টোবর) বিকেল থেকে সোমবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর হরিনা, বহরিয়া, গাজীর টেক ও আনন্দ বাজার এলাকায় জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স অভিযান চালিয়ে এসব জেলেদের আটক করে। এ সময় জেলেদের হেফাজতে থাকা মাছ ধরার ইঞ্জিন চালিত দুটি নৌকা, ২৫ কেজি ইলিশ এবং ১০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপস শীল এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকারিয়া হোসেন।
জেল ও জরিমানা প্রাপ্ত ৩৪ জেলে হলেন- মিলন শেখ (২৮), রফিক গাজী (৩৫), আল-আমিন মোল্লা (৩৬), সত্তর খাঁ (৪২), আবু তাহের পাটওয়ারী (৫৫), জাকির গাজী (২১), সুমন উকিল (২৮), আল-আমিন পাটওয়ারী (২২), রাসেল খালাসি (২৬), নুর মোহাম্মদ (৩২), সেলিম উদ্দিন (৩৩), দুলাল ঢালী (৪৯), জসিম পাটওয়ারী (২০), শাহজাহান শেখ (৫৫), মাসুদ বেপারী (২৩), শাহজাহান (৪৫), নাহিদ তালুকদার (১৮), মোহাম্মদ আলী শেখ (৩৯), সোহেল মিজি (২৭), মজিদ বেপারী (৪২), বজলুল হক হাওলাদার (২৭), সুজন গাজী (৩০), মো. ফারুক শেখ (৪০), মো. নাদিম (২১), আব্দুল কাদির (২৭), মো. জসিম খান (৩৫), সুমন গাজী (৩৩), মো. জাকির (২৫), মো. হান্নান গাজী (২৪), রফিক রাঢ়ী (৩০), আরিফ ঢালী (২২), হারুন দর্জি (৪০), মহসীন রাজন (১৯), মো. মো. রাব্বি সামি (২২)।
একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড। বাকি জেলা টাস্কফোর্সের ৩টি অভিযানে মৎস্য অধিদপ্তর চাঁদপুরের ৩টি হাই স্পিডবোটসহ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকারিয়া হোসেন, মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট চাঁদপুরের টেকনোলজিস্ট মো. হাসিব রানা, চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ প্রকল্প) এসএম মুশফিকুর রহমান, উপসহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. জামিল হোসেন, কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে পুলিশ
এবং নির্বাচন কমিশনসহ প্রধান প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে সহায়তা
করবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন
তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়,
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর সৌজন্য সাক্ষাতে
তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার, দুর্নীতি, বন্যা, রোহিঙ্গা সংকট এবং জুলাই-আগস্ট গণহত্যা
বিষয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বে তদন্ত বিষয়ে আলাপ করেন।
গোয়েন লুইস অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া
সংস্কার উদ্যোগে সহায়তায় আগ্রহের কথা জানান এবং বিপ্লব পরবর্তী প্রশাসনের প্রধান হিসেবে
অসাধারণ ভূমিকা নেওয়ায় ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানান।
জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের কথা উল্লেখ করে
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, এটা ছিল গোটা জাতির জন্য এক অনন্য আন্দোলন। তার সরকারের
প্রধান কাজ প্রত্যেকের জন্য একটা ভালো উদাহরণ স্থাপন করা। এটা দেশের অর্থনীতি এবং প্রায়
সকল প্রতিষ্ঠান সংস্কারের জন্য বিরাট সুযোগ।
গোয়েন লুইস পুলিশ প্রশাসনসহ নিরাপত্তা
বাহিনীর সংস্কার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তার সরকার পুলিশের সংস্কারের
সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে।
ড. ইউনূস বলেন, সরকার সারা দেশে সমন্বিত
তথ্যপ্রযুক্তি পদ্ধতি স্থাপনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি দেশে হয়রানি এবং দুর্নীতি হ্রাস
করবে। নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কারে সরকার একটি কমিশন গঠন করেছে। সুতরাং আগামীতে অবাধ ও
সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত
বিষয়ে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস বলেন, জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড
এবং ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন তদন্ত টিম ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা,
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আইএলও আহত এবং মানসিক ট্রমাতে থাকা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা
করছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা বিষয়ে
গোয়েন লুইস বলেন, বাংলাদেশের পূর্ব এবং দক্ষিণ অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বন্যা
পরবর্তী পুর্নবাসনে সহায়তা হিসেবে ৪ মিলিয়ন ডলার সরবরাহ করেছে।
তিনি বলেন, বন্যায় বাংলাদেশে প্রায়
১৮ মিলিয়ন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বিভিন্ন সংস্থা
ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় করেছে জাতিসংঘ।
দক্ষিণ এশিয়ায় আগাম বন্যা সতর্কতার
জন্য একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপনে জাতিসংঘের সহায়তা চান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা এবং জাতিসংঘের আবাসিক
সমন্বয়ক পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুতে আলাপ করেন।
তিন পার্বত্য জেলায় জাতিসংঘের সংস্থাগুলো
যে সাহায্য কাজ করেছে, তার চিত্র তুলে ধরেন গোয়েন লুইস।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলাপকালে ড. মুহাম্মদ
ইউনূস রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য অধিকতর সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে জাতিসংঘের সহায়তা চান।
মন্তব্য করুন


আগামী জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
গতকাল বৃহস্পতিবার ( ১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী ব্যারোনেস জেনি চ্যাপম্যানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারা কুক।
বৈঠকে আসন্ন নির্বাচন, অবৈধ অভিবাসন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, রোহিঙ্গা সংকটসহ বিমান ও নৌ খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের ইস্যু বিষয়ে আলোচনা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে সময়মতোই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তা হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক নতুন ভোটার প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। গত ১৬ বছরের স্বৈরতন্ত্রের সময়ে টানা তিনটি ‘কাটাছেঁড়া’ নির্বাচনের কারণে তারা ভোট দিতে পারেননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অধ্যাপক ইউনূস জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় কার্যক্রম স্থগিত থাকায় এবং পরে নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন বাতিল করায় আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে লাখো মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে ‘জুলাই সনদ’ বাংলাদেশে একটি ‘নতুন সূচনা’ করেছে।
ব্রিটিশ মন্ত্রী চ্যাপম্যান অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি জুলাই সনদ নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর চলমান সংলাপকেও ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের অপব্যবহার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। তিনি নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তাঁর সরকার নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আরও বেশি বাংলাদেশিকে বৈধ পথে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিতে উৎসাহিত করছে।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে দুই নেতা মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ক্যাম্পের তরুণেরা আশা-আকাঙ্ক্ষা হারিয়ে ক্রমশ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে। তিনি বলেন, তাদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
এ ছাড়া দুদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা জানান, বঙ্গোপসাগরে গবেষণার জন্য বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণা জাহাজ কিনছে।
মন্ত্রী চ্যাপম্যান দুদেশের বিমান যোগাযোগ আরও জোরদারের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এয়ারবাস ইন্টারন্যাশনালের প্রধান শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবেন।
মন্তব্য করুন


সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত চার বিচারপতি আজ শপথগ্রহণ করেছেন।
শপথগ্রহণ করা আপিল বিভাগের চার বিচারপতি হলেন, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ আপিল বিভাগের চার নবনিযুক্ত বিচারককে শপথবাক্য পাঠ করান।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা।
শপথ অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট উভয় বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং অন্যান্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
চার বিচারপতি নিয়োগ কার্যকরের মধ্য দিয়ে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়ালো ৬ জনে।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চার বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সোমবার (১২ আগস্ট) রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চারজন বিচারককে তাদের শপথগ্রহণের তারিখ থেকে আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। শপথগ্রহণের দিন থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত শনিবার (১০আগস্ট) দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের আগে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ছিল ৭। শনিবার রাতে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। পরদিন রোববার (১২ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।
বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।
বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট এই তিন বিচারপতি হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
মন্তব্য করুন


মোবাইল ফোন আমদানির ওপর আরোপিত শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে সরকার। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, আমদানিকৃত মোবাইল ফোনে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের ওপর করহার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।
প্রেস সচিব বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের মোবাইল ফোন শিল্প আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের বাজার শক্তিশালী হবে এবং ভোক্তারাও উপকৃত হবেন।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বিপুল পরিমাণ ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বিদেশ থেকে দেশে আনা হচ্ছে, যা সামান্য সংস্কার করে পুনরায় বাজারে বিক্রি করা হয়। এতে সাধারণ ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন এবং সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কর কমানোর ফলে দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের চাহিদা বাড়বে এবং বাজারে ফোনের দামও তুলনামূলকভাবে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই সব বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে ইতোমধ্যে ১২৩টি পাঠ্যবইয়ের ভুল সংশোধন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, এ পর্যন্ত মোট পাঠ্যপুস্তকের প্রায় ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি বইগুলো পৌঁছে দিতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ঠাকুরগাঁও-১
আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ
সোমবার ( ২৯ ডিসেম্বর ) জেলার দলীয় কার্যালয় থেকে রিকশায় চড়ে ডিসি অফিসে এসে জেলা রিটার্নিং
কর্মকর্তার কাছে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন তিনি।
মনোনয়ন
পত্র দাখিলের পূর্বে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীর বলেন, সকল ধর্মের মানুষদের নিয়ে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চাই।
তিনি
বলেন, অনেকেই বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছে।
কিন্তু আমরা অতীতেও কোন বিভেদ করিনি, সামনেও করবো না।
তিনি
বলেন, দুর্ভাগ্যবশত গত ১৫ বছরে বিভাজনের রাজনীতি করা হয়েছে। বিভক্ত করার চেষ্টা করা
হয়েছে। আমরা সেই জায়গা থেকে উঠে আসতে চাই। ন্যায়ের সাথে সামনে আমাদের কাজ করতে হবে।
মহাসচিব
বলেন, আমরা ২৪ এর আন্দোলনে অনেক তাজা প্রাণ হারিয়েছি। এই যে এতো যুদ্ধ শুধুমাত্র একটি
সুন্দর সমাজের জন্য। দুর্নীতিকে বাদ দিয়ে আমরা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করতে চাই।
তিনি
আরো বলেন, নিজের ধর্মের প্রতি যেমন আমরা আনুগত্য প্রকাশ করি। ঠিক একইভাবে অন্যের ধর্মের
প্রতিও সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।
মির্জা
ফখরুল বলেন, এবারের নির্বাচনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে
হবে সত্যিকার অর্থে উদার পন্থী একটি গণতান্ত্রিক দেশ প্রতিষ্ঠা করার। যেখানে নারী-পুরুষ
সকলের সমমর্যাদা থাকবে। হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলে মিলে যেন আমরা সুন্দর
একটি পরিবেশ তৈরি করতে পারি।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ
অন্যান্যরা।
মন্তব্য করুন


আজ বেলা ১১ টায় টঙ্গীর কামারপাড়া রোড়ে র্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্পে বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে ইজতেমা মাঠের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংক্রান্ত ব্রিফিং করেছেন র্যাব মহাপরিচালক (জিডি) এম খুরশীদ হোসেন।
এসময় তিনি বলেন, আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা-২০২৪ উপলক্ষে ইজতেমা মাঠসহ আশেপাশের এলাকায় যে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট র্যাবপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাবের ৫টি ব্যাটালিয়নের (১, ২, ৩, ৪ ও ১০) এর সমন্বয়ে আকাশপথে র্যাবের হেলিকপ্টার টহল, ডক স্কোয়াড টিম, ফুট পেট্রোলিং, মোবাইল টিম, টহল টিম, সাইবার মনিটরিংসহ ৭ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে এবার বিশ্ব ইজতেমায়।
এই বছরও দুই ধাপে ৩ দিন করে মোট ৬ দিন ইজতেমা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রথম ধাপে মাঠে থাকবেন জুবায়ের পন্থী ২-৪ ফেব্রুয়ারি এবং দ্বিতীয় ধাপে সাদ পন্থী ৯-১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।
রাজধানী ঢাকার সন্নিকটে তুরাগ নদীর তীরে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমায় বিদেশি মুসল্লিসহ সারাদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান অংশগ্রহণ করে থাকেন।
তিনি বলেন, বিদেশি মুসল্লিদের নিরাপত্তার জন্য বিদেশি খিত্তা এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধকল্পে সতর্ক দৃষ্টি ও নজরদারি রাখা হয়েছে। ইজতেমামুখী যানবাহন ও যাত্রীদের তল্লাশির জন্য চেরাগআলী বাসস্ট্যান্ড, টঙ্গী কালীগঞ্জ রোড, উত্তরা নর্থ টাওয়ার এর সামনে এবং আশুলিয়া কামারপাড়া এলাকায় নিয়মিত চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইজতেমা এলাকায় র্যাবের চিকিৎসা কেন্দ্র সার্বক্ষণিকভাবে সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। র্যাবের পর্যাপ্ত সংখ্যক মেডিকেল টিম এবং অ্যাম্বুলেন্সসহ সার্বক্ষণিকভাবে আগত মুসল্লিদের চিকিৎসা সেবা প্রদানে নিয়োজিত থাকবে।
তিনি বলেন, মাঠে আগত মুসল্লিদের জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করা হবে। বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতের দিনে আগত ও ঘরমুখী মুসুল্লিরা যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে জন্য র্যাবের নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা চলমান থাকবে। বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাষ্ট্র ও ধর্ম বিরোধী অপপ্রচার-গুজব রোধে র্যাবের সাইবার মনিটরিং টিম অনলাইনে নজরদারি অব্যাহত রাখছে। আসন্ন ইজমেতাকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্ট করতে কোন ব্যক্তি, স্বার্থান্বেষী মহলের অপচেষ্টা-অপপ্রচার কঠোর ভাবে দমন করতে প্রস্তুত রয়েছে র্যাব।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে র্যাব ডিজি বলেন, বিশ্ব ইজতেমাকে ঘিরে কোন ধরনের হুমকি বা নাশকতার আশংকা নেই। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে র্যাব। কুচক্রী মহলের অপচেষ্টা, সাইবার আপরাধ ও গুজব রোধে সচেষ্ট থাকবে র্যাব।
মন্তব্য করুন


সারা
দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
শুরু হয়েছে। প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্রের
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার
(১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে শুরু
হওয়া পরীক্ষা শেষ হয়েছে দুপুর
১টায়।
এসএসসি,
দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল)
পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২০
লাখ ২৪ হাজার ১৯২
জন। দেশজুড়ে ২৯ হাজার ৭৩৫টি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৭০০টি
কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা
মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়
জানিয়েছে, এসএসসিতে পরীক্ষার্থী ১৬ লাখ ৬
হাজার ৮৭৯ জন, দাখিলে
২ লাখ ৯০ হাজার
৯৪০ জন, এসএসসি (ভোকেশনাল)
পরীক্ষা দিচ্ছে ১ লাখ ২৬
হাজার ৩৭৩ জন। আর
বিদেশের ৮ কেন্দ্রেও অনুষ্ঠিত
হচ্ছে পরীক্ষা।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের বোমা তৈরির কারিগর ও হ-ত্যা মামলার আসামি কসাই সোহেলকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-২।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক এএসপি শিহাব করিম।
র্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক এএসপি শিহাব করিম বলেন, রাজধানীর গাবতলী গরুর হাট এলাকা থেকে জেনেভা ক্যাম্পের বোমা তৈরির কারিগর ও হত্যা মামলার আসামি কসাই সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


দেড়
যুগ পর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের
উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।
শুক্রবার
(২৬ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার পর চন্দ্রিমা উদ্যান থেকে তিনি স্মৃতিসৌধের পথে যাত্রা করেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তার সঙ্গে
রয়েছেন।
নেতাকর্মীদের
ভিড় ঠেলে তাকে বহনকারী লাল-সবুজের বাসটি চন্দ্রিমা উদ্যান থেকে সাভারের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
দীর্ঘ
নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাবা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমানের কবর জিয়ারতের পর তারেক রহমান জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি
সম্মান জানাতে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের সিদ্ধান্ত নেন।
দীর্ঘ
১৭ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তারেক
রহমান। দেশে ফিরে প্রথমে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মা সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে যান।
মন্তব্য করুন


পাহাড়ি ঢল আর ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট
বন্যায় বিপর্যস্ত দেশের ৯ জেলা। এমন অবস্থায় পানিবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য
হটলাইন নম্বর চালু করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) ফায়ার সার্ভিস
সদর দপ্তরের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়েছে, সারা দেশের বন্যাকবলিত
এলাকার উদ্ধারকাজ বিষয়ে যেকোনো সেবার জন্য ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন নম্বর ১০২ এবং কেন্দ্রীয়
নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নিয়মিত ফোন নম্বর ০২২২৩৩৫৫৫৫৫ চালু থাকবে। পাশাপাশি মনিটরিং সেলে
সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য ০১৭১৩-০৩৮১৮১ মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা যাবে। এর পাশাপাশি
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করেও ফায়ার সার্ভিসের এ সংক্রান্ত সেবা নেওয়া যাবে।
মনিটরিং সেলের পাশাপাশি বন্যাকবলিত
এলাকার ফায়ার স্টেশনগুলো এবং বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষের মাধ্যমেও ২৪ ঘণ্টা দুর্যোগে উদ্ধারবিষয়ক
সেবা নেওয়া যাবে।
গতকাল বুধবার বিকেল ৫টা থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে
অধিদপ্তরে স্থাপিত এই মনিটরিং সেলের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
মন্তব্য করুন