

আসন্ন
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে
কর্তৃপক্ষ। ঈদে ঘরমুখো মানুষের ট্রেনযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে আগামী ৩ মার্চ থেকে অগ্রিম
টিকিট বিক্রি শুরু হবে। যাত্রীদের সুবিধার্থে এবারও শতভাগ আসন অনলাইনে বিক্রি করা হবে।
আজ
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষ
জানায়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৩ মার্চ থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। ফিরতি টিকিট
বিক্রি ২৩ মার্চ থেকে শুরু হবে।
রেলওয়ের
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবারও দুই অঞ্চলের টিকিট দুই ভাগে বিক্রি হবে। পশ্চিমাঞ্চলে চলাচল
করা সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে সকালে। আর পূর্বাঞ্চলে চলাচল করা সব
ট্রেনের টিকিট বিক্রি হবে দুপুরে।
মন্তব্য করুন


চলতি বছরেই নতুন একটি রোমান্টিক-অ্যাকশন ঘরানার সিনেমার শুটিংয়ে নামতে যাচ্ছেন শাকিব খান। ছবিটিতে পাকিস্তানের কোনো জনপ্রিয় নায়িকাকে দেখা যেতে পারে বলে জানা গেছে। নায়কের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।সূত্র অনুযায়ী, সিনেমাটির কাজ ও মুক্তি—দুটোই চলতি বছরের মধ্যেই করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে সম্ভাব্য কয়েকজন পাকিস্তানি অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আলোচিত নাম পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির।জানা গেছে, গত বছর হানিয়া আমির বাংলাদেশে আসার সময় শাকিব খানের বিপরীতে একটি সিনেমায় কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তখন প্রাথমিকভাবে হানিয়ার পক্ষ থেকেও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়। যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো চুক্তি হয়নি, তবু শাকিব-হানিয়া জুটিতে সিনেমা করার বিষয়টি তখন অনেকটাই এগিয়ে ছিল।বিশ্বস্ত সূত্র আরও জানায়, হানিয়া আমির শিগগিরই তার দীর্ঘদিনের প্রেমিককে বিয়ে করতে যাচ্ছেন। জমকালো আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর সময়সূচি মিললে শাকিব খানের সঙ্গে সিনেমাটিতে কাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণেই ছবিটি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি নির্মাতা বা শাকিব খানের টিম।সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, শাকিব খানের বিপরীতে হানিয়া আমির হোক কিংবা পাকিস্তানের অন্য কোনো পরিচিত মুখ—নায়িকা যে পাকিস্তানি হবেন, সেটি প্রায় নিশ্চিত। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে দর্শকদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।এদিকে শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স’-এর শুটিং ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এই ছবিতে তার সঙ্গে অভিনয় করছেন জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, তাসনিয়া ফারিণ, সাবিলা নূরসহ আরও অনেকে। পাশাপাশি শাকিব অভিনীত আরেকটি সিনেমা ‘সোলজার’ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকার
আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম মন্ডলসহ তিনজনকে আটক
করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ককটেল সদৃশ বস্তুসহ বিপুলসংখ্যক দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার
করা হয়।
আজ
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুবেল
হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ
ও যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোররাতে আশুলিয়ার বলিভদ্র তালপট্টি
এলাকায় অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। অভিযানে ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল এবং তার দুই সহযোগী স্বপন ও ফায়জুলকে আটক করা হয়। এসময় তাদের থেকে
বিপুলসংখ্যক দেশীয় অস্ত্র এবং ককটেল সদৃশ বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়, যা দিয়ে
এলাকায় নাশকতা তৈরি পরিকল্পনা ছিল বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আশুলিয়া
থানা ওসি মো. রুবেল হাওলাদার বলেন, যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক তিনজনকে থানায় হস্তান্তর
করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। প্রচণ্ড গরমে মানুষের নাভিশ্বাস অবস্হা ।
তীব্র তাপদাহে ইতোমধ্যে সারা দেশে বেশ কয়েকজনের হিট অ্যাটাকে মৃত্যুও হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন নগরবাসীকে ব্যাগে পানির বোতল, টুপি, ফ্যান, ছাতার মতো জিনিসপত্র রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
তীব্র তাপপ্রবাহের এই পরিস্হিতিতে সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই অবস্থা থেকে সবাইকে বাঁচানোর জন্য তারা নিয়মিত ‘হিট অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইন’ চালাচ্ছেন। চেষ্টা করে যাচ্ছেন কেন ঢাকায় তাপমাত্রা বাড়ছে তা খুঁজে বের করার। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সেটার চেষ্টা সম্পর্কে বুশরা জানান, তার মতে, ঢাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপমাত্রা কমাতে আরও বেশি গাছ লাগানো জরুরি।
তিনি বলেন, আমাদের এখানে রাস্তার ধারে ২ লাখ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর উপযুক্তভাবে রক্ষণাবেক্ষণও করতে হবে। নগরে বনায়ন করা খুব জরুরি। এখানে যে ফাঁকা এবং পরিত্যক্ত জায়গাগুলো পড়ে আছে সেখানে সবুজায়ন করার দিকেও আমরা নজর দিয়েছি। আমাদের এখানে আরও অনেক পার্ক এবং সবুজে ঘেরা জায়গা দরকার। তাতে তাপমাত্রা যেমন কমবে, তেমনই পাখিসহ নানা প্রাণীও ফিরে আসবে।
হিট অফিসার আরো বলেন, ঢাকা শহরের প্রায় ৮০ শতাংশ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এর ফলে নানা রকম সমস্যার সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রাও। দিন দিন বাড়তে থাকা জনসংখ্যার ঘনত্বের কারণে সংকটে পড়া ঢাকার তাপমাত্রা গ্রামাঞ্চলের চেয়ে বেশি হচ্ছে।
নগরের তাপমাত্রা কমাতে ঢাকায় বনাঞ্চল তৈরির পরিকল্পনার বিষয়ে বুশরা আফরিন বলেন, ঢাকায় তাপমাত্রা কমানোর জন্য আমরা ‘টু অ্যাবেল ফরেস্ট’ অর্থাৎ দুটি বন করার চেষ্টা করছি। একটা হচ্ছে মিরপুর কল্যাণপুরের দিকে; অন্যটি বনানীর এক্সপ্রেসওয়ের পাশে।
তিনি বলেন, এই বন দুটি যে শুধু নগরের হিট কমাবে তা নয় পাশাপাশি দূষণ প্রতিরোধেও সহায়তা করবে। একই সঙ্গে তীব্র তাপপ্রবাহ কমাতে শহরের ফাঁকা জায়গাগুলোতে গাছ লাগনো হবেও বলে জানান তিনি।
বুশরা বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহে আমরা নিজেরা যদি সচেতন থাকি- আমরা যদি বাসা থেকে বের হওয়ার আগে আমাদের ব্যাগে একটা পানির বোতল, টুপি, ফ্যান, ছাতার মতো জিনিসপত্র সঙ্গে রাখি তাহলে কিন্তু অনেকটাই নিরাপত্তা পেতে পারি।
মন্তব্য করুন


ফেনী জেলার পরশুরামে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) পরিদর্শনকালে কুমিল্লা সেনানিবাসে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর বিবিধ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন সেনাপ্রধান। এরপর তিনি হেলিকপ্টার যোগে ফেনী জেলার পরশুরাম এবং সংলগ্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় তিনি উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত সেনা সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পরিদর্শনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়াসহ সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭, ২৪ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যগণ যথাক্রমে সিলেট, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা এলাকায় বন্যা দুর্গতদের উদ্ধারে মোতায়েন রয়েছে। মোতায়েনরত সেনাসদস্যগণ নিরলসভাবে পানিবন্দী মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেই সাথে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধান বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীকে এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
মন্তব্য করুন


মদিনার
পবিত্র মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন শেখ ফয়সাল নোমান
ইন্তেকাল করেছেন ।
সৌদি
আরবের দুই পবিত্র মসজিদভিত্তিক
ওয়েবসাইট ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ সামাজিক
মাধ্যমে এক পোস্টে জানিয়েছে,আজ মঙ্গলবার ফজরের
পর মসজিদে নববীতে তার জানাজা আদায়
করা হয়। এরপর তাকে
মদিনার ঐতিহাসিক জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে দাফন
করা হয় বলে জানা
গেছে।
শেখ
ফয়সাল নোমান দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে নববীর
মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
তার সুমধুর আজান ও ধর্মীয়
নিষ্ঠা বিশ্বের লাখো মুসলমানের হৃদয়ে
গভীর প্রভাব ফেলে।
শেখ
ফয়সাল নোমানের মৃত্যুতে মুসলিম উম্মাহ এক নিবেদিতপ্রাণ খাদেমকে
হারাল।
ইনসাইড
দ্য হারামাইন জানিয়েছে, শেখ ফয়সাল নোমান
১৪২২ হিজরিতে মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন নিযুক্ত হন। তিনি বংশ
পরম্পরায় মসজিদে নববীতে আজান দেওয়ার সৌভাগ্য
অর্জন করেছিলেন।
শেখ
ফয়সাল নোমান ১৪২২ থেকে ১৪৪৭
হিজরি পর্যন্ত ২৫ বছর ধরে
মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, পরিস্থিতি জটিল না হলে গ্যাস-বিদ্যুতের
দাম বাড়ানো হবে না। আমরা চাই দাম সহনীয় রাখতে। চেষ্টা করবো জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে।
আপাতত নির্বাহী আদেশে আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হবে না। যে সব প্রকল্প
চুক্তির প্রক্রিয়ায় রয়েছে, সেগুলো বন্ধ থাকবে।
রবিবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদ
সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বিদ্যুৎ জ্বালানি
ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর দুপুরে প্রথম সচিবালয়ে
আসেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, নির্বাহী আদেশে
আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হবে না। দাম সমন্বয় করতে হলে বাংলাদেশ এনার্জি
রেগুলেটরি কমিশনে পাঠানো হবে। অতিরিক্ত যেকোন ব্যয় বন্ধ করে মিতব্যয়িতা নীতি গ্রহণ
করতে হবে, কিন্তু কাজ কমানো যাবে না। কম অর্থে বেশি কাজ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী সোমবার দুই দিনব্যাপী সিভিল
সার্জন সম্মেলন উদ্বোধন করবেন।
আজ
বৃহস্পতিবার (৮ মে) এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা আগামী ১২ মে (সোমবার) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে তাঁর তেজগাঁওস্থ
কার্যালয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।
মন্তব্য করুন


গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে ৭ অক্টোবর ও ২৫ ফেব্রুয়ারিকে দুটি জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রতি বছর এই দুটি দিবস বিশেষভাবে পালিত হবে।
আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ওই পোস্টে বলা হয়, শহীদ আবরার ফাহাদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকাসহ দেশের সকল শিল্পকলা একাডেমিতে ‘ইউ ফেইলড টু কিল আবরার ফাহাদ’ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হবে। ঢাকার প্রদর্শনীতে উপস্থিত থাকবেন আবরার ফাহাদের বাবা।
পোস্টে আরও বলা হয়, বর্তমানে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের জীবন ও তাদের সৃষ্টিকে উদযাপনের জন্য একটি ক্যালেন্ডার তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। এ ক্যালেন্ডারে সাংস্কৃতিক উৎসবের পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী ও বিডিআর ম্যাসাকার দিবস অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। ফলে এখন থেকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রতি বছর ৭ অক্টোবর ও ২৫ ফেব্রুয়ারি এই দুটি দিবস বিশেষভাবে পালিত হবে।
মন্তব্য করুন


ঘন
কুয়াশায় চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে যাত্রীবাহী দুটি লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এতে অন্তত ৪ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার
(২৫ ডিসেম্বর) রাত ২টার দিকে হাইমচর উপজেলা ও হরিণা এলাকার মাঝামাঝি স্থানে এ ঘটনা
ঘটে। পরে দুর্ঘটনাকবলিত লঞ্চের হতাহত যাত্রীদের ঢাকার সদরঘাটে আনা হয়।
এ
বিষয়ে সদরঘাট নৌ থানার ওসি সোহাগ রানা কালবেলাকে বলেন, ‘লঞ্চে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ জনের
লাশ পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৬-৭ জন। খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’
বিআইডব্লিউটিএ
সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার কবলে পড়া লঞ্চ দুটি হচ্ছে ঢাকামুখী এমভি জাকির সম্রাট-৩
এবং ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরিশালমুখী অ্যাডভেঞ্চার-৯।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, তারেক রহমানের জনসভায় যোগ দিয়ে ঝালকাঠি বিএনপির নেতাকর্মীদের একটি অংশ অ্যাডভেঞ্চার-৯
লঞ্চে করে ঝালকাঠি ফিরছিলেন। রাতে ঘন কুয়াশার মধ্যে সম্রাট নামক একটি লঞ্চের সঙ্গে
মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় ঝালকাঠিগামী অ্যাডভেঞ্চার-৯-এর সঙ্গে। এতে দুই লঞ্চের ৩০ যাত্রী
আহত হয়।
এ
বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ চাঁদপুরের উপপরিচালক বছির আলী বলেন, ‘ঘন কুয়াশায় এ দুর্ঘটনা ঘটতে
পারে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। নিহতদের
মরদেহ নিয়ে দুর্ঘটনার পর জাকির সম্রাট লঞ্চটি ঢাকা সদরঘাটে চলে গেছে।’
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মাইক্রোক্রেডিটই
ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ।
তিনি মাইক্রোক্রেডিট’র জন্য আলাদা আইন করার
আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এনজিও ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে মাইক্রোক্রেডিটকে ব্যাংকিংয়ের ধারণা
গ্রহণ করতে হবে। আর এ ধারণা গ্রহণ করেই ঋণগ্রহিতাকে সেবা দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘মাইক্রোক্রেডিট এখনো এনজিও। এই এনজিও থেকে উত্তরণ
ঘটাতে হবে। এনজিও পর্যায়ে থেকে গেলে ব্যাংকিং মেজাজ আসবে না। মেজাজে আসতে হলে এটাকে
ব্যাংক হতে হবে। মাইক্রোক্রেডিট’র জন্য আলাদা আইন করতে
হবে।’
আজ শনিবার (১৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি
অথরিটির (এমআরএ) নতুন ভবন উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।
গ্রামীণ ব্যাংকের শুরুর সময়কার স্মৃতিচারণ করে প্রফেসর ইউনূস
বলেন, আমরা যখন গ্রামীণ ব্যাংক করলাম তখন আপত্তি উঠলো এটাকে ব্যাংক বলা যাবে কি না।
আমরা বললাম, আমাদেরটাই প্রকৃত ব্যাংক, তোমাদেরটা লোক দেখানো। ব্যাংক যে শব্দ থেকে উৎপন্ন
হয়েছে সেটা হলো ট্রাস্ট, তোমরা যেটা করছো সেটা ডিসট্রাস্ট। আমাদের ব্যাংকিং মানুষের
বিশ্বাসের ভিত্তিতে হয়েছে। জামানতবিহীন ব্যাংক, বিশ্বাসের ভিত্তিতে আমরা টাকা দেই।
আজ এমন সময় আমরা আলাপ করছি যখন জামানতওয়ালা ব্যাংক, যারা নিজেদের প্রকৃত ব্যাংক বলে
দাবি করত তাদের অনেকে আজ হাওয়া। টাকা নিয়ে লোপাট। ব্যাংক শেষ। আর মাইক্রোক্রেডিটের
পরিসংখ্যান দেখেন। কেউ পয়সা নিয়ে পালায় নাই। এই হলো পরিহাস।’
মাইক্রোক্রেডিটই ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘এটাই প্রকৃত ব্যাংকিং, আগামী দিনের ব্যাংকিং যেটাতে মানুষ
নিজের পরিচয়ে কাজ করবে, নিজের বিশ্বাসের ওপরে ব্যাংকিং চলবে, টাকার উপরে না।’
মাইক্রোক্রেডিটের জন্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে
প্রধান উপদেষ্টা নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্যের
পর প্রত্যেক এনজিও চেষ্টা করলো একইরকম কিছু করতে। ক্রমে ক্রমে প্রসার হতে আরম্ভ করল।
নানারকমের নতুন নতুন জিনিস, নানা আইডিয়া নিজেদের সুবিধার জন্য ঢোকাতে আরম্ভ করল। এটা
ভবিষ্যতের জন্য খারাপ হবে মনে করে একটি রেগুলেটরি অথরিটির প্রয়োজন হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের
সঙ্গে যোগাযোগ করলাম, তারা বলল ‘আমাদের কাজ না’। অর্থ মন্ত্রণালয় শুরুতে
গুরত্ব দিল না, পরে বলল ‘আচ্ছা কী করতে হবে জানাও’। তখন আমরা বললাম, ‘রেগুলেটরি অথরিটি
হওয়া দরকার, কারণ যে হারে বাড়ছে বড় রকমের সমস্যা হতে পারে।
‘তৎকালীন গভর্নর ফখরুদ্দীন সাহেব আমাদের সমর্থন করলেন। কিন্তু
বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে এটা হতে পারবে না। তারা ব্যাখ্যা চাইল। আমি বললাম, এটা বহু
দেশে বলেছি, এখনো বলি, গ্রামীণ ব্যাংকও ব্যাংক, অন্যান্য ব্যাংকও ব্যাংক। কিন্তু তফাত
অনেক। উদাহরণ দেই, আমেরিকান ফুটবলও ফুটবল। ইউরোপিয়ান ফুটবলও ফুটবল। কিন্তু খেলা ভিন্ন।
আপনি যদি ইউরোপিয়ান ফুটবলের রেফারিকে দিয়ে আমেরিকান ফুটবল খেলা চালাতে চান ইট উইল বি
অ্য ডিজাস্টার। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দিয়ে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ করবেন, সে তো ক্ষুদ্রঋণ
জানেই না। সে তো ইউরোপীয় ফুটবলের রেফারি,’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন।
তিনি আরোও বলেন, ‘অবশেষে ফখরুদ্দীন সাহেব রাজি হলেন। গভর্নরকে
দিয়ে এটা পরিচালনা করানোর ব্যাপারেও তাঁকে রাজি করাতে হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরে
এর অফিস করার আলোচনা ছিল। আমরা বললাম, আলাদা জায়গায় অফিস হতে হবে... আজকে নতুন ভবন
হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা এটিকে বোঝার চেষ্টা করেছেন, নিয়মকানুন করেছেন। তারা
যদি অন্যান্য ব্যাংকের রেগুলেটরি নিয়মের ওপর এটা স্থাপন করত তাহলে মাইক্রোক্রেডিট সেদিনই
শেষ হয়ে যেত, আর খুঁজে পাওয়া যেত না। আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের অভিনন্দন
জানাচ্ছি।’
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
কে হবে এ নিয়ে শুধু বাংলাদেশ না, যে দেশেই মাইক্রোক্রেডিট হয়েছে সে দেশই সমস্যায় পড়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি তাদেরকে বারে বারে বলে এসেছি তোমাদের এত কিছু
চিন্তা করতে হবে না। কারণ বাংলাদেশ এর সমাধান দিয়ে দিয়েছে। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি
অথরিটি শুধু যে বাংলাদেশের জন্য কাজ করেছে তা না এটা আন্তর্জাতিকভাবে অনেক দেশের জন্যে
সহায়ক হয়েছে।’
অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘রেগুলেটরের ওপর কড়া
না হয়ে ইউজার ফ্রেন্ডলি রেগুলেশন যেন হয় সেভাবে আইন করা, যেন কোনোকিছু চাপিয়ে না দেয়া
হয়। এমআরএ’কে এখন রেগুলশনের পাশাপাশি প্রমোশনাল অ্যাক্টিভিটিও দেখতে হবে।
সেভিংসের রিটার্ন, সার্ভিস চার্জ যেন সহজ হয় সেদিকে নজর দিন। উপকারভোগীদের জন্য যেন
সহজ হয়।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর তাঁর বক্তব্যে বলেন,
‘মাইক্রোক্রেডিট আজ অনেক দূর এগিয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের ১০ শতাংশ সমপরিমাণ সম্পদ
আছে মাইক্রোক্রেডিট সেক্টরে। সবচেয়ে বড় কথা, ব্যাংকিং খাতে যে জায়গাগুলোতে দুর্বলতা
আছে, মাইক্রোক্রেডিট সে জায়গায় শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। সদস্যদের সঞ্চয় বেড়ে ৬৮ হাজার
কোটি টাকার ওপর, পুঞ্জীভূত উদ্বৃত্ত বেড়ে ৬১ হাজার কোটি টাকার উপরে হয়েছে। এটা বড় অর্জন।
তারা নিজেদের সঞ্চয় ও উদ্বৃত্ত দিয়ে নিজেদের গড়ে তুলছে। বিদেশি সহায়তা, অনুদান নাই
বললেই চলে। দাতা তহবিল তিন হাজার কোটি টাকার মতো। এটা খুবই নগণ্য।’
‘বাংলাদেশে গ্রামীণ অর্থনীতি বাড়ছে। এজেন্ট ব্যাংকিং ছড়িয়ে পড়ছে।
মাইক্রোক্রেডিটের শাখা আছে ২৬ হাজারের মতো। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের শাখা ২০ হাজার ছাড়িয়েছে।
এখানে একটা সুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে ফরমাল সেক্টরের পদচারণা
বাড়ছে, বাড়বে। মাইক্রোফাইন্যান্স ইন্সটিটিউটটে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে টিকে থাকতে
হবে। মাইক্রোক্রেডিট আরও ফাংশনাল করতে রেগুলেটরি অথরিটি ও বাংলাদেশ ব্যাংক একসঙ্গে
কাজ করবে,’ বলেন তিনি।
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি নিয়ে নতুন আইনের খসড়া করা হয়েছে। সরকারের
কাছে শিগগিরই নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধান উপদেষ্টার
বিশেষ সহকারী ড. এম আনিসুজ্জামান চৌধুরী।
মন্তব্য করুন