

ঈদযাত্রা স্বস্তি ও আরামদায়ক করতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে প্রথমবারের মতো ঈদ স্পেশাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ২টি বিশেষ ট্রেনই আসা-যাওয়ার পথে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ৭টি স্টেশনে থামবে।
ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে ৫ দিন এই রুটে অন্তত ২টি স্পেশাল ট্রেন চলবে। এই প্রথম এই অঞ্চলের মানুষ ট্রেনে চড়ে ঈদে বাড়ি যাওয়ার সুযোগ পাবেন। সড়ক পথের উপর বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ কিছুটা কমবে। স্বস্তিতে বাড়ি ফেরার আশা এ অঞ্চলের মানুষের।
তারা জানিয়েূছেন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মানুষজনের পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদে বাড়ি যেতে কি পরিমাণ দুর্ভোগ পোহাতে হয় সেটা বুঝানো মুশকিল। এবার সে ঝামেলা ও দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। ট্রেনে করে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি যাওয়া যাবে।
যে সকল স্টেশনে ট্রেন থামবে:
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল ৭টায় কক্সবাজারের উদ্দোশ্যে রওনা হয়ে পৌঁছাবে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। আবার কক্সবাজার থেকে সন্ধ্যা সাতটায় ছেড়ে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১০টা ৫ মিনিটে।
পথে ট্রেনটি ষোলোশহর, জানালীহাট, পটিয়া, দোহাজারী, সাতকানিয়া, চকরিয়া, ডুলাহাজারা ও রামু স্টেশনে থামবে।
কক্সবাজার রুটে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে গত ১ ডিসেম্বর থেকে। বিপুল যাত্রী চাহিদা থাকলেও গত ৩ মাস ধরে এই রুটে চলাচল করছে মাত্র দুটি ট্রেন। তাও চলছে কেবল ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচল করা কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস বিরতিহীন হওয়ায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোকজন দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের সুফল পাচ্ছেন না। এনিয়ে ক্ষোভ রয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন চালুর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন এটি আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো ছিল। সে স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবতায় রূপ দিয়েছেন। কিন্তু এখনো ট্রেনে চড়ে কক্সবাজার যাওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেছে। চট্টগ্রাম অল্পকিছু যাত্রী পরিবহনের সুযোগ রয়েছে। সেখানের টিকিট পাওয়াও দুর্লভ।
বিপুল চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসে চড়ে প্রতিদিন চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পান মাত্র ১১৫ জন করে যাত্রী। ঈদ যাত্রায় সেটি আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।
ঈদে বিপুল এ যাত্রী চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এবারের ঈদযাত্রায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে বিশেষ ট্রেন চালাবে রেলওয়ে। এতে ঈদযাত্রায় দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।
রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা তারেক মুহাম্মদ ইমরান বাংলানিউজকে বলেন, এবার প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ঈদযাত্রায় বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা হবে। ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল সাতটায় কক্সবাজারের উদ্দোশ্যে রওনা হয়ে পৌঁছাবে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। আবার কক্সবাজার থেকে সন্ধ্যা সাতটায় ছেড়ে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১০টা ৫ মিনিটে। ট্রেনটি থামবে ৭ টি স্টেশনে ।
ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু হবে আগামী ৩ এপ্রিল। অগ্রিম টিকিট মিলবে ২৪ মার্চ থেকে। গতবারের মতো এবারও ঈদযাত্রার কোনো টিকেট কাউন্টারে বিক্রি করা হবে না। অনলাইনেই টিকিট মিলবে শতভাগ ।
মন্তব্য করুন


ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে ফিরে আসছে।
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুরে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনকালে সদর উপজেলার বাঙ্গাখাঁ উচ্চ বিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, সেনাবাহিনীকেও ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যেন কার্যক্রমগুলো দ্রুত হয়। এছাড়া
সারাদেশে যে মামলাগুলো রয়েছে, এর মধ্যে অনেকগুলোই গ্রহণযোগ্য নয়। সে ক্ষেত্রে আমাদের আহ্বান রয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই যেন মামলাগুলো করা হয়। সেই মামলার ভিত্তিতেই যেন পুলিশসহ প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে ও জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রাষ্ট্রীয় সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে নাহিদ বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের ৬টি সংস্কার কমিটি হয়েছে। বৃহস্পতিবার কমিটির সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। অক্টোবর মাস থেকেই সংস্কার কমিটির কার্যক্রম শুরু হবে। শিক্ষা ও গণমাধ্যমসহ আরও কিছু সংস্কার কমিশন গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। কমিশনগুলো সংশ্লিষ্ট ও অভিজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে রূপরেখা তৈরি করবে। তখন সব রাজনৈতিক ও সামাজিক পক্ষ মিলেই আমরা রূপরেখা অনুযায়ী সংস্কার কার্যক্রম শুরু করব।
তিনি বলেন, অভ্যুত্থানের বড় দুর্যোগ এসেছে আমাদের দেশে। আমরা দেখেছি, এ দুর্যোগে দেশের জনগণ সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছে। ছাত্ররাসহ একত্রে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জনগণ ও প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করেছে। এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, এখন আমরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কার্যক্রমের দিকেই যাচ্ছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজটি এগিয়ে নিতে আমরা কাজ করছি। পানি কমছে, মানুষজনও আশ্রয়কেন্দ্র থেকে চলে যাচ্ছে। লক্ষ্মীপুরে পানি দেরি করে কমছে, কারণ এখানে খালগুলো দখল হয়ে গেছে। সে খালগুলো যদি দখলমুক্ত করা যায়, তাহলে তা দীর্ঘমেয়াদি সুরাহা হবে। এখানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের গৃহ নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে বরাদ্দ পাঠানো হয়েছে। সে বরাদ্দ অনুযায়ী খুব শিগগিরই গৃহ নির্মাণ করা হবে। জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি আমরা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের জন্য শিক্ষা-স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে এ জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করার জন্য সরকার সার্বিকভাবে কাজ করবে।
লক্ষ্মীপুরে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনকালে এসময় উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক রাজিব কুমার সরকার, জেলা পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমান, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভি দাশ ও সদর মডেল থানার ওসি ইয়াছিন ফারুক মজুমদার প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর জানান,অবরোধ-হরতালে পরিবহন বা স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগকারীদের ধরিয়ে দিলে অথবা সুনির্দিষ্ট তথ্য দিলে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। অবরোধ-হরতালে পরিবহন বা স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগকারীদের উপযুক্ত প্রমাণ অথবা সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ ধরিয়ে দিলে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন আইজিপি। তবে যিনি তথ্য দেবেন তার পরিচয় গোপন রাখা হবে।
এর আগে সোমবার (৬ নভেম্বর) ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, বিভিন্ন স্থানে যারা গাড়িতে আগুন দিচ্ছে, পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করছে, সহিংসতা ও নাশকতা করছে তাদের অনেককে আমরা হাতেনাতে গ্রেফতার করেছি। অনেক প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা পুলিশের হাতে তাদের ধরিয়ে দিয়েছেন। চলমান অবরোধের মধ্যে যারা যানবাহনে আগুন দিচ্ছে ও পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করছে তাদের ধরিয়ে দিলেই ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ঢাকা শহর অনেক বড়। অনেক মানুষের বসবাস এখানে। কিছু কিছু ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। পুলিশ কিন্তু অনেক ঘটনা নিবৃত করেছে। অনেককে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে। হাতেনাতে অনেককে আটক করেছে। হাতেনাতে আটক করার ক্ষেত্রে যারা আমাদের সহযোগিতা করেছেন তাদেরও আমরা নগদ পুরস্কার দেবো।
মন্তব্য করুন


বরিশালের
গৌরনদীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা টিফিনের রুটির
ভেতর থেকে একটি ধারালো ব্লেড উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে
রুটি খাওয়ার আগেই শিক্ষার্থীর নজরে ব্লেডটি পড়ায় সম্ভাব্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো
সম্ভব হয়েছে।
বুধবার
(২২ জুলাই) গৌরনদী পৌরসভার হরিসেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
বিদ্যালয়
সূত্রে জানা যায়, প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রী টিফিন খাওয়ার সময় রুটি ছিঁড়তে গেলে ভেতরে
একটি ধারালো ব্লেড দেখতে পায়। সে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান
শিক্ষক সাইফুন নাহারকে অবগত করে। পরে উপস্থিত অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও রুটির
মধ্যে থাকা ব্লেডটি দেখতে পান।
বৃহস্পতিবার
সকালে আলমতাজ নামের ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ব্লেডটি আগেই চোখে পড়ায় তার কোনো শারীরিক ক্ষতি হয়নি।
বিদ্যালয়ের
সিনিয়র শিক্ষিকা ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুন নাহার বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই
গৌরনদী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম মৃধাকে অবহিত করা হয়েছে।
এদিকে
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা টিফিনের খাবার নিয়ে এমন গাফিলতিতে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা।
তারা সরকারি টিফিনের মান ও নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ী
সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
রুটি
সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘আইল্যান্ড ট্রেডিং করপোরেশন’ এর প্রতিনিধি আরিফ হোসেনের মুঠোফোনে
যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ থাকায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গৌরনদী
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহিম জানান, বৃহস্পতিবার
সকালে আমি নিজে স্কুলটি পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে, তদন্তসাপেক্ষে
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


সারাদেশের
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক কোটি সাত লাখের বেশি শিক্ষার্থী বিনামূল্যে স্কুল ইউনিফর্ম,
জুতা, মোজা ও পাটের ব্যাগ পেতে যাচ্ছে।
বিএনপি
নেতৃত্বাধীন সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ
হিসেবে এই বড় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মূল কার্যক্রম শুরুর আগে আগামী জুলাই-আগস্ট মাসে
পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এই সামগ্রী বিতরণ শুরু হবে।
সোমবার
(৮ জুন) সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে এক সভা শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
ববি হাজ্জাজ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এসময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
ববি
হাজ্জাজ জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় মোট সাড়ে তিন লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে এই সুবিধার
আওতায় আনা হবে। কার্যক্রমটি কয়েক ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথম ধাপে অন্তত এক লাখ শিক্ষার্থীর
মধ্যে এই সামগ্রী বিতরণ করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে বাকি শিক্ষার্থীদের কাছে সামগ্রীগুলো
পৌঁছে দেওয়া হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পাইলট প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী
বলেন, পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ও ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে আগামী জানুয়ারি থেকে দেশের
সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুরোদমে সামগ্রী বিতরণ শুরু হতে পারে।
তিনি
জানান, সারাদেশের কোনো উপজেলা যেন বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে প্রতিটি উপজেলার একাধিক স্কুলকে
এই কর্মসূচিতে যুক্ত করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ২৫ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় এই পাইলট
প্রকল্পের আওতায় থাকবে।
বস্ত্র
ও পাট মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগে বড় ধরনের সহযোগিতা দেবে। তারা প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের
জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাঁচ লাখ পাটের স্কুল ব্যাগ উপহার হিসেবে দিচ্ছে।
এক
প্রশ্নের জবাবে ববি হাজ্জাজ জানান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে যে স্কুল
ব্যাগটি ওয়াটারপ্রুফ হবে। সেই চিন্তাভাবনা ও পর্যবেক্ষণ করেই তারা এগুলো তৈরি করেছেন।
যেহেতু এটা পাইলট প্রকল্প, তাই যদি কোনো ভুলত্রুটি থেকে থাকে, এখান থেকে তারা জানতে
পারবেন। যাতে পরে যখন পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রমে যাবেন তখন যেন সেটি ঠিক করে নেওয়া যায়।
এছাড়া
মাঠ পর্যায়ে প্রতিটি এলাকায় এই কার্যক্রম সফল করতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
মন্ত্রণালয় সার্বিক সহযোগিতা করছে বলেও জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।
ববি
হাজ্জাজ আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
মন্তব্য করুন


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (৬ অক্টোবর ২০২৪) সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে প্রধান
অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে 'সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৪' এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
করেন।
১ম পর্বের এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল ও
লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদবির যোগ্য কর্মকর্তাগণ পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত
হবেন।
পদোন্নতি পর্ষদের মূল্যবান বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা
ছাত্র-জনতার বিপ্লবে সিক্ত নতুন বাংলাদেশে সকলকে স্বাগত জানান। এসময় তিনি গভীর
শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত সকলের
প্রতি।
তিনি আরও স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী
সশস্ত্র বাহিনী তথা সেনাবাহিনীর শহিদসহ সকল বীর সেনানীদের যাঁদের আত্মত্যাগ জাতি
চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।
প্রধান উপদেষ্টা পদোন্নতির জন্য অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,
নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি
নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা
প্রদান করেন। এছাড়াও সৎ, নীতিবান এবং নেতৃত্বের অন্যান্য গুণাবলী সম্পন্ন
অফিসারগণই উচ্চতর পদোন্নতির দাবিদার বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাছাড়া রাজনৈতিক
মতাদর্শের উর্দ্ধে থেকে যে সমস্ত অফিসার সামরিক জীবনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যোগ্য
নেতৃত্ব প্রদানে সফল হয়েছেন সেই সকল অফিসারদেরকে পদোন্নতির জন্য নির্বাচন করার
নির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি বলেন, দেশের ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের
মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এবং একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রক্রিয়াকে
ত্বরান্বিত করে দেশকে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির হাত থেকে রক্ষা করেছে। ফলশ্রুতিতে
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আবারও দেশের মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ
করেছে বলে তিনি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি; প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারি, চীফ অব জেনারেল স্টাফ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার। শত কর্মব্যস্ততার মাঝেও উপস্থিত হয়ে নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করায় সেনাবাহিনী প্রধান প্রধান উপদেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সচিব উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর উপস্থিত কর্মকর্তাগণের সাথে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
মিরপুর-১১ নম্বরের কালশী বাউনিয়াবাদ বস্তিতে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার
সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগুন লেগেছে
বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেল কর্মকর্তা
আনোয়ারুল ইসলাম দোলন। দোলন বলেন, ‘পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। দুটি ইউনিট কাজ করছে।
তিনি
আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও এখন পর্যন্ত হতাহতের
কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।’
মন্তব্য করুন


রাজধানী
ঢাকায় ৭ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প হলে ফায়ার সার্ভিস নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানিয়েছেন
সংস্থাটির মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। তিনি বলেছেন,
ঢাকায় যদি ৭ মাত্রা বা তার বেশি ভূমিকম্প আঘাত হানে, তাহলে ফায়ার সার্ভিস নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত
হবে। একই সময়ে অসংখ্য স্থানে উদ্ধার তৎপরতা চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।
রবিবার
(২ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবাজার ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘অগ্নিনিরাপত্তা
বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
তিনি এ মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশ
ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্যদের জন্য দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণের
আয়োজন করে ফায়ার সার্ভিস।
ভূমিকম্প
মোকাবেলায় ফায়ার সার্ভিস দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ১০০টি স্টেশনকে নির্দিষ্ট পরিকল্পনার
আওতায় এনেছে জানিয়ে তিনি বলেন, বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে এসব স্টেশন থেকে জনবল ও সরঞ্জাম
দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পাঠানো হবে।
এ
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে একটি ড্রাই এক্সারসাইজও সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রয়োজনে হেলিকপ্টারের
মাধ্যমে ছোট আকারের উদ্ধার সরঞ্জাম ও ফায়ার ফাইটার পরিবহনের বিষয়েও কাজ চলছে।
দেশের
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেল ও টানেলের মতো নতুন অবকাঠামো ঘিরে বিশেষ ধরনের
ঝুঁকি তৈরি হয়েছে জানিয়ে জাহেদ কামাল বলেন, এসব স্থানে দুর্ঘটনা মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস
সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে এরই মধ্যে একটি ফায়ার
স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সহযোগিতায় তাত্ত্বিক ও
ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ
সময় তিনি আরো বলেন, শুধু ফায়ার সার্ভিস নয় দুর্যোগকালে গণমাধ্যমেরও আগাম প্রস্তুতি
থাকা প্রয়োজন। বিভিন্ন টেলিভিশন ও সংবাদমাধ্যম নিজেদের মধ্যে এলাকা ভাগ করে পরিকল্পনা
করলে সরকারের কাছে দ্রুত ও নির্ভুল তথ্য পৌঁছানো সহজ হবে এবং উদ্ধার কার্যক্রমও আরো
কার্যকর হবে।
ফায়ার
সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. শাহজাহান শিকদারের সঞ্চালনায় এ সময় প্রশিক্ষক হিসেবে
ছিলেন পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার, ঢাকা
বিভাগের উপপরিচালক ছালেহ উদ্দিন, ওয়ারহাউজের ইন্সপেক্টর মো. আনোয়ারুল ইসলাম, স্টেশন
অফিসার মো. তালহা বিন জসিম, স্টেশন অফিসার মো. আশেক আল মারুফ।
এছাড়া
আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাধারণ সম্পাদক
এম এম বাদশাহ্, প্রশিক্ষণ সম্পাদক শাহরিয়ার জামান দিপসহ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দুপুর পৌনে ৩টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মানুষের আস্থা ফেরাতে কাজ করবে নতুন সরকার।
এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আজকে আমার আবু সাঈদের (রংপুরে গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী) কথা মনে পড়ছে। যে আবু সাঈদের কথা দেশের প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশে দ্বিতীয় স্বাধীনতা এসেছে।’
দেশের কোথাও হামলা না করার আহ্বান জানিয়ে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, যদি আমাকে বিশ্বাস করেন তাহলে সারাদেশে চলমান হামলা বন্ধ না করেন। তা না করলে আমার এখানে প্রয়োজন নেই। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম সে বাংলাদেশ যেন পূর্ণতা পায়। এই স্বাধীনতার সুফল সবার ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।
এসময় তিনি তরুণ সমাজকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, তরুণ সমাজ যেন নিজেদের মতো করে দেশটা সাজাতে পারে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্তির পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে দেশের অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আজ বৃহস্পতিবার শপথ নিতে যাচ্ছে। এদিন রাত সাড়ে ৮টা শপথ অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। অলিম্পিক কমিটির আমন্ত্রণে বিশেষ অতিথি হিসেবে ফ্রান্সের প্যারিসে গিয়েছিলেন ড. ইউনূস। সেখানে তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন, তার একটি ছোট অস্ত্রোপচার হয়েছে। এরপর দেশে ফিরলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বিআরটিসি বাস উল্টে অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ইনচার্জ জাকির সিকদার।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকাগামী বিআরটিসি বাসটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের মাঝখানের আইল্যান্ডের ওপর উঠে যায়। একপর্যায়ে বাসটি উল্টে গেলে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্তত ১০ জন আহত হন।
বাসের এক যাত্রী জানান, হঠাৎ করেই বাসটি দুলতে শুরু করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাসটি আইল্যান্ডের ওপর উঠে উল্টে যায়। এ সময় যাত্রীরা চিৎকার করতে থাকেন। পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করেন।
পরে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ইনচার্জ জাকির সিকদার জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো ধরনের যানজটের সৃষ্টি হয়নি।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় রাজধানীসহ সারাদেশে এক হাজার ১৫১ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার এর আওতায় ২৯ ডিসেম্বর থেকে আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকাসহ সারাদেশের নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিজিবি টহল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।
ইসি জানিয়েছিল, ৩০০ সংসদীয় আসনে আগামী ৩ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগের জন্য আদেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।
এদিকে নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৩ জানুয়ারি থেকে সশস্ত্র বাহিনী মাঠে নামবে।
নির্বাচনকালীন সেনাবাহিনী মোতায়েনে গত ১৭ ডিসেম্বর নীতিগত অনুমোদন দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরদিন ১৮ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ও বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার লক্ষ্যে সেনা মোতায়েনে সশস্ত্র বাহিনীকে চিঠি দেয় ইসি।
গত ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের ৭ তারিখ রোজ রোববার ৩০০ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই হয় ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি করা হয় ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ছিল ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং অফিসাররা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয় ১৮ ডিসেম্বর।
মন্তব্য করুন