

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
ছাত্র সমাজে দুর্নীতি বিরোধী মনোভাব সৃষ্টি ও গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে দুর্নীতি দমন কর্তৃক চাঁদপুরের কচুয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার উপজেলার কোমরকাশা জামালিয়া কমপ্লেক্স দাখিল মাদ্রাসায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব শিক্ষা উপকরণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
মাদ্রাসার সুপার মো. আবু ছালেহ এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক মানিক সরকার।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মাদ্রাসার সহ-সুপার মো. বোরহান উদ্দিন,শিক্ষক গৌতম সরকার,শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাছান সহ আরো অনেকে। এসময় মাদ্রাসার শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও এলাকার গন্যমান্র ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ
বন্ধু নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আরও দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার
দিকে পাবনা-ঈশ্বরদী মহাসড়কের পাবনা সুগার মিলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের
সদস্যরা নিহতসহ আহতদের উদ্ধার করেন।
নিহতরা হলেন- উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের
আজমনগর গ্রামের রেজাউল হোসেনের ছেলে জিহাদ, কবির আনোয়ারের ছেলে বিজয়, ইলিয়াস হোসেনের
ছেলে শিশির, মাসুম হোসেনের ছেলে সিফাত ও ভাড়ইমারী গ্রামের ওয়াজ আলীর ছেলে শাওন। আহতরা
হলেন- একই গ্রামের জেটুর ছেলে শাহেদ ও সুমন আলীর ছেলে নাঈম।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, নিহতের
মধ্যে বিজয় হোসেন ঢাকার একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন কোম্পানির প্রাইভেটকার চালাতেন।
ছুটিতে নিজ গ্রামের বাড়িতে বেড়ানোর উদ্দেশে গিয়ে সেই গাড়িতে আরও ছয় বন্ধুকে নিয়ে
ঘুরতে বের হয়। দাশুড়িয়া-পাবনা মহাসড়কের পাবনা সুগার মিলের সামনে পৌঁছালে প্রাইভেটকারটি
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এ সময় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে
মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই গাড়িতে থাকা জিহাদ, বিজয় ও শিশির নামে তিন বন্ধু নিহত হন।
এ সময় আহত অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার
করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিফাত
ও শাওনের মৃত্যু হয়। শাহেদ ও নাঈম নামে আরও দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক
শামীম।
পাকশী হাইওয়ে থানার ওসি বেলাল হোসেন
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিস
ও ডিফেন্স স্টেশনের সদস্যদের সহযোগিতায় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আহত অবস্থায় ৪ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালে তাদের মধ্যে আরও ২ জন মারা যায়।
মন্তব্য করুন


পাহাড়ে অস্থিরতা ও মব জাস্টিসের বিরদ্ধে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের’ ব্যানারে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে আইন বিভাগের ১৫তম আবর্তনের সুইচিং মারমা বলেন, 'বর্তমানে পাহাড়ে যে অস্থিতিশীলতা চলছে তা ব্যক্তিগত ইস্যুকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি। এখন তা সামগ্রিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সামগ্রিক পর্যায় থেকে শুরু হয় বাঙালি বনাম পাহাড়িদের সংঘাত। এ ইস্যুতে সাধারণ ছাত্র ও সরকারের মাধ্যমে সমাধানে যাওয়া দরকার। আমরা যে যার জাতিসত্ত্বা নিয়ে বাংলাদেশে সুশৃঙ্খলভাবে বসবাস করতে চাই। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে যেতে চাই। আমরা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে একসাথে মিলে বসবাস করতে চাই।'
মোজ্জাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, 'স্বৈরাচারী দোসররা সারাদেশে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ছাত্র জনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছে। তারা পাহাড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। মব জাস্টিসের নামে যেসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে তাদের মধ্যে ছাত্রলীগের প্রেতাত্না রয়েছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেও ছাত্রলীগের অনেক প্রেতাত্নারা সুশীলরূপে চলাফেরা করছেন। আপনারা যদি ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন, তাহলে কঠিনভাবে প্রতিহত করা হবে। এ ক্যাম্পাসে স্বৈরাচারের দোসর, ছাত্রলীগের কোনো স্থান নাই।'
মানববন্ধনে কুবির অন্যতম সমন্বয়ক আবু রায়হান সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে ইনকিলাব জিন্দাবাদ বলে মানববন্ধনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


দুই হাত ছাড়াই জন্ম সিয়াম মিয়ার। তাই লিখতে শিখেছে পা দিয়ে। এভাবে লিখেই চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে সে। এই কিশোর জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার চাপারকোনা মহেশ চন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
সিয়াম উদানপাড়া গ্রামের দিনমজুর জিন্নাহ মিয়ার ছেলে। সংসারে অভাবের কারণে চতুর্থ শ্রেণিতে ওঠার পর তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। এক বছর পর এক শিক্ষকের চেষ্টায় সে আবার শ্রেণিকক্ষে ফিরে আসে। উচ্চবিদ্যালয় থেকে তার বেতন, পোশাক ও এসএসসির ফি মওকুফ করে দেওয়া হয়।
সিয়াম বলে, ‘যখন ছোট ছিলাম তখন সবাই বলত, আমি জীবনে কোনো দিন পড়াশোনা করতে পারব না। সারা জীবন এ রকম থাকব। এখনো অনেক মানুষ নানা কথা বলে। এগুলো শুনি না। আমি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। সবাইকে দেখাতে চাই, আমিও পারব।’
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব প্রতিবেদক:
জনপ্রিয় দৈনিক কুমিল্লা কাগজ–এর প্রকাশক ও সম্পাদক এবং জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আই–এর সিনিয়র রিপোর্টার আবুল কাশেম হৃদয় আজ শুধু একজন সাংবাদিক নন, তিনি কুমিল্লা তথা বাংলাদেশের গণমানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছেন।
দেশ-বিদেশে সাংবাদিক সমাজে তার নাম আজ এক পরিচিত ব্র্যান্ড—যাকে একনামে চেনে সবাই। দীর্ঘদিন ধরে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও সমাজের পক্ষে নিরলস কাজ করে তিনি যেমন সম্মান অর্জন করেছেন, তেমনি কুমিল্লা বিভাগের দাবিকে তিনি মানুষের হৃদয়ের দাবিতে পরিণত করেছেন।
“কুমিল্লা নামে বিভাগ চাই”—এই স্লোগান আজ কেবল একটি দাবি নয়, এটি এখন এক সামাজিক আন্দোলন। রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, ব্যবসায়ী মহল থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণ—সবাই আজ এক কণ্ঠে এক সুরে বলছে, কুমিল্লা বিভাগ চাই। আর এই ঐক্যের পেছনে রয়েছে সাংবাদিক আবুল কাশেম হৃদয়ের নিরলস প্রচেষ্টা, প্রেরণা ও নেতৃত্ব।
তার উদ্যোগে কুমিল্লা বিভাগের দাবিটি আজ দেশের প্রতিটি স্তরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মাঠ পর্যায়ের সভা–সমাবেশ কিংবা বিভিন্ন গণমাধ্যম—সবখানেই কুমিল্লা বিভাগের দাবি প্রতিধ্বনিত হচ্ছে আবুল কাশেম হৃদয়ের কণ্ঠে।
কুমিল্লা অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা—এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকুক এবং প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে দ্রুতই কুমিল্লা বিভাগ ঘোষণার মাধ্যমে মানুষের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হোক।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর অভিযানে ১,০৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
৩১ মার্চ ২০২৪ ইং তারিখ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন অশোকতলা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোঃ শাহ আলম শাহজাহান (৪০) নামক ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১,০৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত নগদ ৪,১৮,০৮০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ শাহ আলম শাহজাহান (৪০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার শুভপুর গ্রামের মোঃ আলী মিয়া এর ছেলে। আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা-৬ আসনের মনোনীত কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদের উপস্থিতিতে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় ধনাইতরী এলাকায় অনুষ্ঠিত এ উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সহ-সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম।প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, “দেশে ন্যায্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে অনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা প্রয়োজন। সব দলের অংশগ্রহণে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেশবাসীর প্রত্যাশা।তিনি বলেন, “বাস স্ট্যান্ড, টেম্পু স্ট্যান্ড দখল,বাজরে বাজারে চাঁদাবাজি কোনোভাবেই চলতে দেওয়া যাবে না। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, অথচ বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ঘুণে ধরা। আমরা একটি আদর্শ, ন্যায়নিষ্ঠ ও মানবিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই।কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, “হে মানুষ, তোমরা রবের দাসত্ব করো—এটাই মানবমুক্তির পথ।”
তিনি আরও বলেন, “জনগণের সেবক হবো তাদের কাছে আমরা জবাবদিহি করব, জনগণের প্রতিটি টাকার হিসাব ইনশাআল্লাহ পাইপাই করে বুঝিয়ে দেব।”বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বরোড অঞ্চল পরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী অধ্যাপক সাইফুল হক চৌধুরী, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি কবির আহমেদ পাটোয়ারী ।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি ইব্রাহিম খলিল, আমিনুল ইসলাম, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, আব্দুর রশিদ, মাওলানা নুরুজ্জামান, মাওলানা মাসুদ ও আব্দুর রহমান প্রমুখ।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জামায়াত নেতা আব্দুল হান্নান।
এর আগে বিকাল চারটায় সদর দক্ষিণ উপজেলা কনেশ তলা বাজারে নেতাকর্মীদের বেপক উপস্থিতিতে গণসংযোগ করেন কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সদর দক্ষিণ উপজেলা আমির মোঃ মিজানুর রহমান, সেক্রেটারি মু.ওমর ফারুক,কুমিল্লা মহানগর ওলামা বিভাগের সেক্রেটারি মাও:তাজুল ইসলাম, গলিয়ারা উত্তর ইউনিয়ন সভাপতি মিজানুর রহমান,আরও উপস্থিত ছিলেন মু.ইব্রাহিম,আব্দুল হালিম, খোরশেদ আলম, উপজেলা শ্রমিক কাল্যাণ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমসহ স্হানীয় নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় পলাতক স্বৈরাচার শেখ হাসিনার জন্মদিনে কেক কেটে অনুষ্ঠান করার অভিযোগে যুবলীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতের বিভিন্ন সময়ে বুড়িচং থানা পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের আটক করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন উপজেলার আবিদপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে মো. আনোয়ার, আবুল হাসেমের ছেলে মোখলেসুর রহমান এবং আবু মুসার ছেলে মো. শাহজাহান। তিনজনই মোকাম ইউনিয়ন যুবলীগের সক্রিয় সদস্য।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভারতে পলাতক শেখ হাসিনার জন্মদিনে রোববার সন্ধ্যায় মোকাম ইউনিয়নে একটি কেক কেটে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এ আয়োজনের নেতৃত্ব দেন বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য মো. মজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে দোয়া শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও মজিবুর রহমান নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, যুবলীগ নেতাদের উপস্থিতিতে কেক কাটা, শেখ হাসিনাকে নিয়ে স্লোগান ও দোয়া হচ্ছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
ভিডিও প্রকাশের পর রাতেই পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে। বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তিন যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করে।
বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আজিজুল হক বলেন, ভিডিওতে তাদের উপস্থিতি ও রাজনৈতিক কার্যক্রমের প্রমাণ মিলেছে। আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় কলেজ শিক্ষার্থীকে রাস্তা
থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামী মোঃ সাকিব আহম্মেদকে গ্রেফতার করেছে
র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২০ থেকে
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ী থানাধীন মেম্বার
বাড়ীতে কলেজ শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই শিক্ষার্থীর পিতা
বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১ টি মামলা
দায়ের করেন। (যার মামলা নং-২৪, তারিখ-৩০/০৯/২০২৪)।
উক্ত ঘটনায়
জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায়
তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১১ এর অভিযানে
আজ (৫ অক্টোবর) ভোর রাতে নরসিংদী জেলার পলাশ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষক
মোঃ সাকিব আহম্মেদকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার হাসনাবাদ এলাকার মোঃ রিপন মিয়ার ছেলে মোঃ
সাকিব আহম্মেদ (২৪)।
স্থানীয় সূত্রে
জানা যায়, শিক্ষার্থীর পিতা একজন ব্যবসায়ী। দাউদকান্দি উপজেলার
স্থানীয় একটি কলেজে একাদশ শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ছিল ওই শিক্ষার্থী। কলেজে
যাওয়া আসার সময় গ্রেফতারকৃত আসামী সাকিবের সাথে পরিচয় হয়। এরই প্রেক্ষিতে সাকিব ওই
শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাবসহ বিবাহের প্রস্তাব
দেয়। উক্ত প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে আসামী সাকিব তাকে বিভিন্ন ধরণের হুমকি ধামকি সহ অপহরণের
ভয় দেখায় এবং গতিবিধি অনুসরণ করতে থাকে। পরবর্তীতে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ
আনুমানিক ৯ টায় ওই শিক্ষার্থী কিছু জিনিস কেনার জন্য কুমিল্লা জেলার
দাউদকান্দি থানাধীন হাসনাবাদ এলাকায় পৌছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আসামী সাকিব ও তার
সহযোগীরা ওই শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে মাইক্রোবাস যোগে গাজীপুর
জেলার কোনাবাড়ী থানাধীন মেম্বারবাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে পূর্ব থেকে আসামী সাকিব একটি
রুম ভাড়া করে রাখে এবং গত ২০/০৯/২০২৪ তারিখ হতে ২৭/০৯/২০২৪ ইং তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন
সময় ওই শিক্ষার্থীকে ঐ ভাড়া বাসায় আটকে রেখে তার ইচ্ছার
বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে আসামী সাকিব ঐ বাসা থেকে পলায়ন করে আত্নগোপনে
চলে যায় এবং ওই শিক্ষার্থী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার বাসায় যোগাযোগ
করলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে।
র্যাব জানান,
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী ধর্ষণের ঘটনার সাথে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে
তথ্য প্রদান করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীকে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায়
হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহের নান্দাইলে চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভেতর থেকে এক নারীর ‘বাঁচাও বাঁচাও’ চিৎকারে চারপাশে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা অটোরিকশাটিকে ধাওয়া করে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে গিয়ে আটক করেন চালককে।
আজ বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে ময়মনসিংহ–কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের চণ্ডীপাশা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক চালকের নাম মো. আলমগীর হোসেন (৩৫), তিনি নেত্রকানার কেন্দুয়া উপজেলার কালিয়ান গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আলমগীর বিবাহিত। কিছুদিন আগে মোবাইল ফোনে তার সঙ্গে নান্দাইলের মুক্তা বেগম (২২) নামে এক তরুণীর পরিচয় হয়। দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে পরিবারের পছন্দে অন্যত্র মুক্তার বিয়ে হয়ে গেলে বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি আলমগীর।
মুক্তার বড় বোন মীম জানান, কয়েকদিন আগে বোন মুক্তা বাবার বাড়িতে বেড়াতে এলে আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। পরে বুধবার সকালে মীম আলমগীরের খোঁজ পেয়ে তার কাছে বোনের অবস্থান জানতে চাইলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আলমগীর জোর করে মীমকে সিএনজিতে তুলে দ্রুত চলে যেতে থাকেন। মীম বলেন, “চালক আলমগীর আমাকে সিএনজিতে তোলার পর হুমকি দিচ্ছিলেন যে, আঠারবাড়িতে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলবেন। তখনই আমি চিৎকার শুরু করি।”
নান্দাইল নতুনবাজার কলেজগেট এলাকায় পৌঁছানোর পর মীম প্রাণ বাঁচাতে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা অটোরিকশাটি ধাওয়া করেন। কিছু দূর গিয়ে তারা চালক আলমগীরকে আটক করতে সক্ষম হন।
অভিযুক্ত আলমগীর দাবি করেন, “আমি মুক্তাকে বিয়ে করেছি, আমাদের সংসারও চলছে। তার পরিবার আমাকে মারধর করেছিল। রাগের বশে মীমকে সিএনজিতে তুলি, অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।”
নান্দাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সরোজ মিয়া জানান, স্থানীয়দের সহায়তায় চালক আলমগীরকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই)
পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে কুমিল্লার রসমালাই। ২০২৪ সালে কুমিল্লার রসমালাই সহ মোট চারটি
পণ্য জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। পণ্যগুলো হলো টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম,কুমিল্লার
রসমালাই, বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল এবং কুষ্টিয়ার তিলের খাজা।
বৃহস্পতিবার (২ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় কুমিল্লার রসমালাই জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করেন। এসময় তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পঙ্কজ বড়ুয়াসহ জেষ্ঠ্য সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে জিআই সনদ প্রদর্শন করেন।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু:
মুশফিকুর রহমান বলেন, কুমিল্লার ইতিহাস ঐতিহ্যের ভাণ্ডার অনেক প্রাচীন। কুমিল্লার রসমালাই
জিআই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মধ্যদিয়ে এটির বৈশ্বিক স্বীকৃতি মিলেছে। এই স্বীকৃতির
মাধ্যমে পণ্যটির বাণিজ্যিকীকরণের সুবিধা বাড়লো। এই রসমালাই এখন দেশের বাইরেও রপ্তানি
করা যাবে। আমরা কুমিল্লার খাদি, বিজয়পুরের মৃৎশিল্প নিয়ে জিআই পণ্য হিসেবে অনুমোদনের
জন্য কাজ শুরু করবো। এছাড়াও কুমিল্লার বরুড়ার লতি, হোমনার শ্রীমদ্দির বাঁশি নিয়েও
পরবর্তীতে এগিয়ে যাবো।
কুমিল্লার রসমালাইয়ের জিআই স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে অনির্বাণ সেনগুপ্ত কুমিল্লা জেলা প্রশাসনসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
মন্তব্য করুন