

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বারে শ্বশুরবাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার হওয়া করিম ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, স্ত্রী তাছলিমা বেগমের পরিকল্পনায় তার তিন ভাই ইসরাফিল, গোলাম হাক্কানী ও মোজাম্মেল হক মিলে করিম ভূঁইয়াকে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ সেপটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখেন।
আজ রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, আগের দিন শনিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার আমলী আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন চার ঘাতক।
পুলিশ জানায়, নিখোঁজের একমাস পাঁচদিন পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের শ্বশুর বাড়ির একটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় করিম ভূঁইয়ার (৪৮) গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত করিম ভূঁইয়া উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মন্ত্রীবাড়ি এলাকার মৃত আবুল কাশেম ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি গত ১৩ আগস্ট সকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
গ্রেপ্তারদের জবানবন্দী সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ আগস্ট রাতে স্ত্রী তাছলিমা বেগমের পরিকল্পনায় মাদক সেবনের লোভ দেখিয়ে করিমকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নেন শ্যালক ইসরাফিল। সেখানে প্রথমে তিন ভাই মিলে তাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করেন। এ সময় তার মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় স্ত্রী তাছলিমা সেই রক্ত মুছে ফেলেন। পরে বড় ভাইয়ের বিল্ডিংয়ের টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে মরদেহ ফেলে দেওয়ার কথা বলা হয়। তিনি রাজি না হওয়ায় প্রথমে মরদেহ বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়। সকালে মরদেহ ভেসে উঠলে আবারও স্ত্রী এবং ভাইয়েরা মিলে খাল থেকে তুলে এনে হাত-পা বেঁধে বড় ভাইয়ের টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেন।
মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের বড় ভাই আমির হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় ঘাতক স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও তার তিন ভাই ইসরাফিল, গোলাম হাক্কানী ও মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তারা শনিবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দেন।
দেবিদ্বার থানার ওসি সামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, স্ত্রী তাছলিমার পরিকল্পনায় মাদক সেবনের লোভ দেখিয়ে ভালো ব্যবহার করে ডেকে নিয়ে তিন ভাইসহ চারজনে মিলে করিম ভূঁইয়াকে হত্যা করে। নিহতের ভাই আমির হোসেন থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে। পরে সন্দেহভাজন আসামিদের ওপর নজরদারি ও গ্রেপ্তারের ভিত্তিতেই মরদেহ উদ্ধার এবং হত্যার রহস্য উদঘাটন করা হয়। নিহত করিম ভুইয়া প্রায় স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও মেয়েকে পাশবিক নির্যাতন করতেন। এতে তারা অতিষ্ঠ হয়ে এ হত্যাকান্ডটি ঘটায়।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নার্গিস আক্তারকে স্বপদে বহালের দাবীতে বিবৃতি দিয়েছে বিশিষ্ট নাগরিকরা। লিখিত এক বিবৃতিতে তারা জানান, আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল, বর্তমানে স্কুল এন্ড কলেজটি প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই ভালো পড়াশুনা এবং ভালো ফলাফল করে আসছিল। ৫ই আগস্ট ২০২৪ এর পর স্কুলটিতে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতির কারণে অধ্যক্ষ নার্গিছ আক্তারকে তাঁর দায়িত্ব পালন করতে দিচ্ছে না। আমরা মনে করি এটা অন্যায় । অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে তাহলে আইন-আদালতের মাধ্যমে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অধিকার করো আছে বলে আমরা মনে করি না । আর যেহেতু এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং এটি জেলা প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে, তাই জেলা প্রশাসকের কাছে অধ্যক্ষকে পূর্ণ নিরাপত্তাসহ কর্মস্থলে যোগদান করানোর দাবী জানাচ্ছি। ইতোমধ্যে অনেক দিন হয়ে গেছে, অধ্যক্ষবিহীন বা অধ্যক্ষের অনুপস্থিতে পড়াশুনা চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। তাই অবিলম্বে অধ্যক্ষ মহোদয়কে সম্পূর্ণ নিরাপত্তাসহ যোগদান করানোর জন্য জেলাপ্রশাসককে আহ্বান জানাই । বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন- সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জহিরুল হক দুলাল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান , কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ , মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. ফরিদ উদ্দীন, রাজনীতিবিদ আবদুর রাজ্জাক , সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবুল কাশেম , রাজনীতিবিদ শেখ আবদুল মান্নান , লেখক ও গবেষক আহসানুল কবীর, কবি ও কথাশিল্পী সফিকুল বোরহান , কবি ও প্রকাশক হালিম আবদুল্লাহ, কবি ও গীতিকার শিহাব উদ্দিন, চিত্রশিল্পী মো. শাহ আলম, নাট্যকর্মী নন্দন ভৌমিক, কবি ও কথাশিল্পী গাজী মোহাম্মদ ইউনুস , সাংস্কৃতিক কর্মী জসীম উদ্দিন আহমেদ, সংগীত শিল্পী নির্মল সূত্রধর , আইনজীবী স্বর্ণকমল নন্দী পলাশ ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১টি বিদেশী পিস্তল, ১টি ম্যাগজিন,
২ রাউন্ড গুলি ও ১টি মোটর সাইকেলসহ তিনজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা।
বৃহস্পতিবার রাতে কোতয়ালী মডেল থানার
এসআই (নিঃ) মো: মনির হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন
২নং দূর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নের আড়াইওড়া ভোলানগর গ্রামে রুপা ব্রিক ফিল্ডের পাশে সেলিম
মিয়ার মুদি দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপরে ১টি মোটর সাইকেলযোগে তিনজন ব্যক্তি চেকপোষ্টের
কাছাকাছি পৌঁছে পুলিশের উপস্থিতি দেখে মোটর সাইকেল দ্রুতগতিতে চালিয়ে পালানোর চেষ্টা
করলে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিদেরকে দেহ তল্লাশী করে মোঃ মোজাম্মেল এর প্যান্টের
নিচে কোমরে গোজা অবস্থায় ১টি বিদেশী পিস্তল ও ওমর ফারুক এর প্যান্টের ডান পকেট থেকে
১টি ম্যাগজিন ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: কুমিল্লা
জেলার আড়াইওড়া এলাকার আব্দুল আউয়াল এর ছেলে মো. মোজাম্মেল (২৯), বুড়িচং উপজেলার মোকাম
গ্রামের ইয়াছিন মিয়ার ছেলে ওমর ফারুক(৩২), একই এলাকার মোঃ তাজুল ইসলাম এর ছেলে শাহপরান
সোহাগ (৩০)।
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা
দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
আদর্শ সদর উপজেলায় বিভিন্ন বেকারি ও খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআই-এর
অভিযানকালে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ
বুধবার দুপুর থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা
প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন আক্তার শিফা, সালমান ফার্সি
এবং মো. আনিসুল হক।
এ
সময় বিএসটিআই কুমিল্লার মাঠ কর্মকর্তা ইকবাল আহাম্মদ, পরিদর্শক (মেট) আরিফ উদ্দিন প্রিয়,
পরীক্ষক (রসায়ন) মো. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লায়
বিএসটিআই-এর উপ-পরিচালক কে এম হানিফ জানান, মানসনদ গ্রহণ ব্যতীত পণ্যের মোড়কে স্ট্যান্ডার্ড
মার্ক (মান চিহ্ন) ব্যবহার, বিস্কুট, পাউরুটি ও কেক পণ্য উৎপাদন এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর
তথ্য প্রদানসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে নগরীর দেশয়ালিপট্টির মেসার্স বিক্রমপুর শশী ভান্ডারকে
২৫ হাজার টাকা, বিক্রমপুর ঘি স্টোরকে দুই হাজার টাকা এবং রাজগঞ্জ বাজার এলাকার মেসার্স
নিউ প্রিমিয়াম সুইটসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর শাসনগাছা এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক অজ্ঞাতপরিচয় পথচারীর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে সাতটার দিকে কুমিল্লা রেলস্টেশনের উত্তর পাশে শাসনগাছা রেলগেইট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী পর্যটন এক্সপ্রেস ট্রেনটি কুমিল্লা স্টেশন অতিক্রম করে শাসনগাছা এলাকায় প্রবেশ করলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় এক ব্যক্তি অসতর্কভাবে রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করেন। ট্রেনের ধাক্কায় তিনি ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
নিহতের বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে প্রচুর ভিড় জমে যায়। অনেকে মরদেহটি দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েন।
খবর পেয়ে কুমিল্লা রেলওয়ে ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসতর্কতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জিআরপি ফাঁড়ির ইনচার্জকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
মন্তব্য করুন


চিকিৎসক ছাড়াই ঝুঁকি নিয়েই রক্ত ট্রান্সফিউশন
করছিল একটি প্রতিষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লার
সিটি ব্লাড ব্যাংক অ্যান্ড ট্রান্সফিউশন মেডিসিন সেন্টার নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ঘটনাটি
ঘটে। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ বেড সরিয়ে ফেলার
নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন- কুমিল্লা জেলা
প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এনডিসি) কানিজ ফাতেমা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,
কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার আব্দুল কাইয়ুম ও জাকির হোসেন।
মেডিক্যাল অফিসার আব্দুল কাইয়ুম বলেন,
নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ওই প্রতিষ্ঠানে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি, এক শিশুর ব্লাড
ট্রান্সফিউশন করা হচ্ছিল। পাশে বসা শিশুর মা। কোনও চিকিৎসক ছাড়াই প্রতিষ্ঠানের লোকজন
এসে ব্লাড ব্যাগ ঝুলিয়ে দিয়ে গেছেন। এ ছাড়াও সেখানে ডে-কেয়ার সেন্টারের নামে অবৈধভাবে
বেড রেখে রক্ত নেওয়া ও দেওয়ার কাজ চলছিল। তাৎক্ষণিক ওই প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করি। ১০
হাজার টাকা জরিমানা করে বেড সরানোর জন্য বলি। এ ছাড়াও একই দিন আমরা সদর হাসপাতাল রোডের
গ্রামীণ মেডিক্যাল সেন্টার পরিদর্শন করি। এ সময় ওই প্রতিষ্ঠানের অপরিচ্ছন্ন ল্যাব ও
বিভিন্ন অনিয়মের জন্য ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় সেনাবাহিনীর অভিযানে অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।
আদর্শ সদর আর্মি ক্যাম্পে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২৭ জানুয়ারি রাত পৌনে ২ টায় সদর এলাকার পাথুরিয়া পাড়া একটি বাসভবনের নিকট অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক গোপন করে রাখার সন্দেহে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সংলগ্ন জঙ্গলের একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে ১× এলজি, ২× রাউন্ড শর্টগান এ্যামুনেশন, ২× রাউন্ড মেশিনগান এ্যামুনেশন এবং একাধিক বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।উদ্ধারকৃত অস্ত্রসমূহ কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।সেনাবাহিনীর এ অভিযানে স্থানীয় জনসাধারণ সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং এলাকায় সন্ত্রাস বিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মিজানুর রহমান মিনু :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০০ গ্রাম গাঁজা ও ১২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো: সাইফুল ইসলাম প্রকাশ সোনা মিয়া (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত সাইফুল উপজেলার গুনবতী ইউনিয়নের ঝিকড্ডা পশ্চিম পাড়ার মৃত এন্তু মিয়ার ছেলে।
সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ত্রিনাথ সাহা।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন কনকাপৈত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক মো: শরীফুর রহমান ও সহকারী উপ-পরিদর্শক মো: জাকির হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স সহ রোববার বিকাল সাড়ে তিনটায় উপজেলার গুনবতী ইউনিয়নের ঝিকড্ডা পশ্চিম পাড়া এলাকায় সাইফুল ইসলাম প্রকাশ সোনা মিয়ার বাড়ীতে তার টিনশেড বসতঘরে অভিযান চালিয়ে পেপারে মোড়ানো ৩০টি গাঁজার রোল (ওজন ৩০০ গ্রাম) ও নীল রঙের বায়ুনিরোধক পলিপ্যাকে সংরক্ষিত ১২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামকে আটক করা হয়। পরে আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ত্রিনাথ সাহা বলেন, রোববার বিকালে থানা পুলিশের অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবা সহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের শেষে সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চান্দিনায় সৎ মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শাহিন মুন্সি নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নের সব্দলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃতা হালিমা খাতুন (৩৪) সব্দলপুর গ্রামের এমদাদুল হক মুন্সির (৭৫) দ্বিতীয় স্ত্রী। গতকাল বুধবার গুরুতর আহত অবস্থায় কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার ( ৩০ অক্টবর ) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। অভিযুক্ত শাহিন মুন্সি মৃতার সৎ ছেলে এবং এমদাদুল হক মুন্সির চতুর্থ ছেলে। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এমদাদুল হক মুন্সির প্রথম স্ত্রী মারা যান প্রায় ৩ বছর আগে। তার চার ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। যারা সবাই বিবাহিত এবং ৪ ছেলে সৌদি আরব প্রবাসী। ছোট ছেলে শাহিন মুন্সি প্রায় আট মাস আগে দেশে ফেরেন। দুই মাস আগে এমদাদুল হক মুন্সি দাউদকান্দি উপজেলার জয়নগর গ্রামের হালিমা খাতুনকে বিয়ে করেন।
এমদাদুল হক মুন্সি জানান, ‘গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে আমি শৌচাগারে যাই। তখন আমার স্ত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন, পাশের কক্ষে ছোট ছেলে শাহিন ছিল। ঘরে ফিরে দেখি স্ত্রী রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় কাতরাচ্ছেন। চিৎকার দিলে পুত্রবধূসহ আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে অ্যাম্বুল্যান্সে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
তৃতীয় পুত্রবধূ শিরিনা আক্তার জানান, ‘আমরা অন্য ঘরে ঘুমাচ্ছিলাম। শ্বশুরের চিৎকার শুনে ছুটে এসে দেখি শাহিন ঘর থেকে বের হয়ে যাচ্ছে, শ্বশুর কান্নাকাটি করছেন। সৎ শাশুড়ি তখন রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে ছিলেন।’ বাতাঘাসী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান সিরাজ বলেন, ‘এমদাদুল হক মুন্সি আমার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। দ্বিতীয় বিয়েতে পরিবারের কারোর আপত্তি ছিল না। কী কারণে শাহিন সৎ মাকে হত্যা করেছে, তা কেউ বলতে পারছে না। ঘটনার পর সে পালিয়ে যায়।’
চান্দিনা থানার (ওসি) “জাবেদ উল ইসলাম” জানায়, মৃতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার স্বামী এমদাদুল হক মুন্সি বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শাহিন মুন্সির ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার
অভিযানে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ রোববার (২২ জুন) দুপুরে আদর্শ সদর
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
উক্ত অভিযানে সালাউদ্দিন সুইটস এন্ড
হোটেল-এ পচা-বাসি (ফাংগাসযুক্ত) মিষ্টি বিক্রির অভিযোগে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা
হয়। কান্দিরপাড়ের ফারক ফল বিতানকে বেশি দামে পণ্য বিক্রি ও ভাউচার সংরক্ষণ না করায়
৩,০০০ টাকা জরিমানা এবং ধর্মসাগরের পিৎজা জোন (ভুতের বাড়ি) রেস্টুরেন্টকে অস্বাস্থ্যকর
পরিবেশে খাবার সংরক্ষণের জন্য ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: কাউছার মিয়া। অভিযানে সহযোগিতা
করেন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো: আবুল কালাম আজাদ, অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং
কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক কারাতে প্রতিযোগিতায়
বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন কুমিল্লার মোফাজ্জল মাহিন চৌধুরী। জানা
যায়, আগামী ১ ও ২ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের রিচমন্ডে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বের
১৬টি দেশের সাত শতাধিক খেলোয়াড় এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন।
সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তথ্য জানান ‘দ্য রয়েল কারাতে-দো অ্যাসোসিয়েশন’-এর সভাপতি ও বাংলাদেশের একমাত্র নির্বাচিত খেলোয়াড় মোফাজ্জল মাহিন চৌধুরী।
মোফাজ্জল মাহিন চৌধুরী বলেন, লন্ডনের আন্তর্জাতিক
কারাতে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের একমাত্র অংশগ্রহণকারী হিসেবে সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত
গর্বিত। দেশের পতাকা বিদেশের মাটিতে উড্ডয়ন রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
মাহিন চৌধুরী আরও জানান, এর আগে তিনি ভারতের এশিয়ান
চ্যাম্পিয়নশিপসহ একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ১২টি আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদকসহ
জাতীয় ও আন্তঃজেলা পর্যায়ে অসংখ্য পদক অর্জন করেছেন। ভবিষ্যতে তিনি আন্তর্জাতিক মানের
মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।
দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনতে দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন এই তরুণ খেলোয়াড়।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি
কামাল উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মো. একরামুল হক, সহকারী যুগ্ম সম্পাদক কাউসার আকাশসহ
সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন