

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে হাজীপুরা স্টুডেন্ট ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত হাজীপুরা প্রিমিয়ার লীগ (এইচপিএল-৯) ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে স্থানীয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনাল খেলায় মৌলভী-বাড়ী চ্যালেঞ্জার্সকে ৮ উইকেটে পরাজিত করে চেয়ারম্যানবাড়ী ভিক্টোরিয়ান্স চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রিয় জাতীয়ত-াবাদী ছাত্রদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও দৈনিক আজকের জীবন পত্রিকার সম্পাদক সফিকুর রহমান সফিক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ক্রীড়া যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হলে তরুণরা খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাবে। তিনি আরও বলেন, যুবসমাজ জাগ্রত হলেই সমাজ পরিবর্তন সম্ভব। আগামী দিনের মানবিক ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সচেতন, দায়িত্বশীল ও জাগ্রত ছাত্র-যুবকদের বিকল্প নেই। একই সঙ্গে সুষ্ঠু রাজনীতির চর্চা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ছাত্র ও যুবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। হাজীপুরা স্টুডেন্ট ক্লাবের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার মৈশাতুয়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির, মৈশাতুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, মৈশাতুয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকদ-ে লর আহ্বায়ক মাইনুল ইসলাম সুমন, ডেন্টাল চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব ডা. শাহজাহান মজুমদার, ইউনিয়ন বিএনপি সদস্য মঞ্জুর রহিম প্রমুখ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সেলিম হাসনাত বিজয়, দ্বীন ইসলাম মজুমদার, ইকবাল হোসেন মুজাহিদ, মাহমুদুল হাসান রাহিম, সাইমন মিয়া, দেওয়ান সাদ্দাম ও ফারুক হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের মাঝে ট্রফি ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)“ বাহারুল আলম” বলেছেন, ফ্যাসিবাদ সরকার গত বছর ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে গেছে। যদি পলাতক ফ্যাসিবাদগোষ্ঠী আবার দেশে বিশৃঙ্খলা বা অপরাধের চেষ্টা করে, তবে জনগণই তাদের প্রতিরোধ করবে।
আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন ফেসবুক পেজে দেখা যাচ্ছে, আগামী ১৩ নভেম্বর ফ্যাসিবাদীদের পক্ষ থেকে আন্দোলন বা ব্লকেডের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইজিপি জানান, “পলাতক ফ্যাসিবাদগোষ্ঠী যে ফেসবুক পেজ থেকে অপপ্রচার চালাচ্ছে, সেই সব পেজের বিষয়ে গোয়েন্দা বিভাগ কাজ করছে।”
আইজিপি আরও বলেন, “দেশে আইন মান্যতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। ৯০ শতাংশ মানুষকে নিয়ম মেনে চলতে হবে, বাকি ১০ শতাংশ আইন না মানলেও তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। স্বাধীনতা মানে সামাজিক মাধ্যমে কাউকে গালাগাল করা বা রাস্তা বন্ধ রাখা নয়। এই ধরনের কৃত্য প্রতিরোধে নাগরিক সমাজেরও ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি নির্বাচনের নিরাপত্তা বিষয়েও বলেন, “২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেশে সন্ত্রাসী বা অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে ভোট প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে না পারে, তার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। এই প্রথম নির্বাচনের নিরাপত্তা বিষয়ে পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আনুমানিক দেড় লাখ পুলিশ নির্বাচনের সময় দায়িত্বে থাকবে এবং নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করবে।”
আইজিপি আরও যোগ করেন, “জনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচন বানচালের চেষ্টা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে আমাদের সব কর্মকাণ্ড আইনসঙ্গতভাবে পরিচালিত হবে। দেশের ভবিষ্যৎ ও জনগণের সুষ্ঠু ভোটের নিশ্চয়তা দিতে আমরা এটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।”
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বিচার ৯০ দিনের
মধ্যে সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।
সোমবার
(২২ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘শহীদ
শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার হবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এবং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল
আইন, ২০০২ এর ১০ ধারা অনুযায়ী পুলিশ রিপোর্ট আসার পর সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে বিচার
সম্পন্ন করা হবে’।
এর
আগে, শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার প্রক্রিয়া শেষ করতে দ্রুত বিচারিক ট্রাইব্যুনাল
গঠনের দাবি জানায় ইনকিলাব মঞ্চ। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর
শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ
আল জাবের।
জাবের
বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য একটি দ্রুত বিচারিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে। প্রয়োজনে
আন্তর্জাতিক পেশাদার তদন্ত সংস্থার সহায়তা নিতে হবে। কোনো তথাকথিত ‘বন্দুকযুদ্ধ’
নয়-আমরা চাই প্রকাশ্য বিচার।
মন্তব্য করুন


ছাত্র আন্দোলনে আহতদের মধ্যে ১০০ জন
পুলিশের চাকরি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সিআইডির প্রধান
কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সিআইডিতে
আজকে আমার একটা নরমাল ভিজিট ছিল। আমার সঙ্গে আইজিপি ছিলেন। আমরা অনেক বিষয়ে কথা বলেছি।
আপনারা জানেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় অনেকে নিহত এবং আহত হয়েছেন। যারা আহত
হয়েছেন তাদের কর্মসংস্থানের একটা ব্যবস্থা কিভাবে করা যায় সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।
পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা এই বিষয়ে একটা প্রপোজাল পাঠিয়েছি। যারা আহত হয়েছে তাদেরকে পুলিশে
চাকরি দেওয়ার বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সবাইকেতো আর পুলিশে নেওয়া যাবে না, তবে একেকজন একেকভাবে
আহত হয়েছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আহতদের মধ্যে ১শ’ জনকে আমরা পুলিশ বাহিনীতে নিব।
আমরা দ্রুত এই বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করব। আমরা আপাতত ১শ’ জন আহতকে দিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি,
পরবর্তীতে আমরা এই সংখ্যাটা আরো বাড়াব। আমরা আপাতত পুলিশে শুরু করছি পরবর্তীতে আমরা
আমার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সকল ডিপার্টমেন্টে এটা করে দিব। ট্রাফিক ব্যবস্থার একটা সমস্যা রয়ে
গেছে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে আমরা এক হাজার ছাত্রকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে প্রপোজাল পাঠিয়েছিলাম।
এখন পর্যন্ত ৪শ’ জন শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমরা আরো একটি প্রপোজাল পাঠিয়েছিলাম
যে, বিভিন্ন বাহিনীতে যারা অবসরে গিয়েছেন তাদের নিয়োগ দিয়ে ট্রাফিক শৃঙ্খলায় নিয়োজিত
করা। তবে অবসরপ্রাপ্তরা এই বিষয়ে রেসপন্স খুব কম দিয়েছেন। আমি ভেবেছিলাম তারা অনেকে
আসতে চাইবে। তবে আমরা আপাতত ৫০-৬০ জনের মত পেয়েছি। আমরা চেয়েছিলাম অন্তত ৫শ’ জন দিয়ে
শুরু করি।
শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সঙ্গে ট্রাফিক
ব্যবস্থাপনার বিষয়টা কেমন হবে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তারা যেন পড়াশোনা
ঠিক রাখতে পারে সেজন্য তাদেরকে আমরা সময়টা কম দিয়েছি। তারা যেন পড়াশোনাও করতে পারে
এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণেও কাজ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করেছি। তাদের সম্মানী দেওয়া হচ্ছে।
তারা রাস্তায় ২-৩ ঘণ্টা কাজ করবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিগত সরকারের
আমলে সব থেকে বড় সমস্যা ছিল মানি লন্ডারিং। মানি লন্ডারিং নিয়ে আমি সিআইডি প্রধানকে
সব থেকে বেশি ইন্সট্রাকশন দিয়েছি। আমি সিআইডি প্রধানকে বলেছি যে, তিনি যেন দ্রুত বাংলাদেশ
ব্যাংক থেকে রিজার্ভ চুরির ঘটনার প্রতিবেদন দেন। বিগত সরকারের আমলে মানি লন্ডারিং সব
থেকে বেশি হয়েছে। আমি সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছি মানি লন্ডারিং এর মামলাগুলোর প্রতিবেদন
যেন দ্রুত দেয়া হয়। তদন্তের
নামে সময়ক্ষেপন করে লাভ নেই। আমি একটা রিপোর্ট চাই যে কারা কারা মানিলন্ডারিং এর সঙ্গে
জড়িত। সেটা আমি সিআইডিকে বলেছি। যদি তদন্তের নামে দুই তিন বছর চলে যায় তাহলে তো এটার
কোন কার্যকারিতা থাকে না।
মন্তব্য করুন


পাবনার ঈশ্বরদীতে ৮টি কুকুরছানাকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার পর মা কুকুরটি বাচ্চাদের খোঁজে বিভিন্ন দিকে ছুটাছুটি করছে।
মঙ্গলবার
(২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের
দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল মা কুকুরটি। উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় তলায় এ দৃশ্য দেখা গেছে।
গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মা কুকুরটি উপজেলা
পরিষদের দ্বিতীয় তলায় ইউএনওর কক্ষের সামনে ঘুরঘুর করছে। এটিকে সেখান থেকে তাড়ানোর চেষ্টা
করেও সফল হয়নি কয়েকজন কর্মচারী। দুপুর ১২টার দিকে কুকুরটিকে আদর করে নিচে নামান কয়েকজন।
বিকেল পর্যন্ত কুকুরটি উপজেলা পরিষদের আশপাশে ঘুরঘুর করছিল।
৮টি
কুকুরছানাকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে নিশি বেগম নামের এক
নারীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, বাসার দরজার সামনে বারবার ডাকাডাকি করায় বিরক্ত হয়ে
৮টি ছানাকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে হত্যা করেন তিনি।
নিশি
বেগম ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নের স্ত্রী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত
নারীর স্বামীকে তার বরাদ্দকৃত সরকারি বাসা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার
(১ ডিসেম্বর) রাতেই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি চিঠি দিয়ে ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের
কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নকে তার কোয়াটার থেকে বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে।
কুকুরছানা
হত্যাকারী অভিযুক্ত নিশি বেগম বলেন, বাচ্চাগুলো এবং কুকুরটি আমার বাসার সিঁড়ির পাশে
থাকত। বাচ্চাগুলো আমাদের খুবই ডিস্টার্ব করত, তাই আমি বাজারের ব্যাগে ভরে পুকুরের পাশে
একটি গাছের পাশে রেখে আসি। এরপর হয়তো কোনোভাবে পুকুরের মধ্যে পড়ে যায়। আমি নিজে
বাচ্চাগুলোকে পুকুরে ফেলে দিইনি।
ঈশ্বরদী
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন বলেন, এটা খুবই অমানবিক। মা কুকুর ইতোমধ্যেই
অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাকে আমাদের লোকজন চিকিৎসা দিয়েছে। প্রাণী কল্যাণ আইন ২০১৯-এর অধীনে
কুকুরছানা হত্যার অপরাধে মামলার একটি বিধান রয়েছে। কুকুরছানা হত্যাকারী নিশি বেগমের
বিরুদ্ধে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। মামলা করারও সিদ্ধান্ত নিতে পারি।
ঈশ্বরদী
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এটি চরম অমানবিক ও নিষ্ঠুর
কাজ। শাস্তিস্বরূপ ওই কর্মকর্তাকে এক দিনের মধ্যে সরকারি কোয়ার্টার ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ
দেওয়া হয়েছে। মা কুকুরটির চিকিৎসার জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য সৈয়দা নীলিমা দোলা দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। শনিবার বিকেলে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি তার পদত্যাগপত্রও প্রকাশ করেন।
পদত্যাগপত্রে সৈয়দা নীলিমা দোলা এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান ও সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি লেখেন, দলের সব দায়িত্ব ও পদ থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন, কারণ এনসিপির মাধ্যমে আর মধ্যপন্থী রাজনীতির নতুন কোনো ধারা তৈরি সম্ভব নয় বলে তিনি মনে করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে—এই প্রত্যাশা থেকেই তিনি এনসিপির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলটির একাধিক সিদ্ধান্ত তার কাছে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এনসিপি ক্রমশ ডানপন্থী রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়ছে এবং সেই ধারাকেই পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনকেন্দ্রিক জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কোনো কৌশলগত জোট নয়। তার মতে, যদি সত্যিই এটি কৌশলগত হতো, তাহলে একের পর এক নেতাকর্মীর পদত্যাগ দেখা যেত না। তিনি অভিযোগ করেন, নেতাকর্মীদের না জানিয়ে এবং বিভ্রান্ত করে এই জোট গঠন করা হয়েছে। মনোনয়নের নামে প্রতারণা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
পদত্যাগপত্রে সৈয়দা নীলিমা দোলা আরও বলেন, দলে থেকে যাওয়া অনেকেই প্রশ্ন তুলতে পারেন—ক্ষমতা বা গুরুত্ব পাওয়ার পরও কেন তিনি চলে গেলেন। এর জবাবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, তাকে কোনো ধরনের ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। বরং তার প্রগতিশীল মানসিকতা ও ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের পরিচয়ই এতদিন এনসিপিকে শক্তি জুগিয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, যারা দল ছাড়ছেন তাদের ‘বামপন্থী’ হিসেবে চিহ্নিত করাও একটি পরিকল্পিত কৌশলের অংশ। তার প্রশ্ন—যদি বামপন্থীরা বেরিয়ে যায়, তবে যারা থেকে গেলেন তারা কি সবাই ডানপন্থী? এনসিপি কি আদৌ একটি সেন্ট্রিস্ট দল?
পদত্যাগপত্রের শেষাংশে তিনি উল্লেখ করেন, এনসিপিতে যোগ দেওয়ার আগেও তিনি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন এবং দলটিতে যুক্ত হওয়ার পরও সেই কাজ অব্যাহত রেখেছেন।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য গঠনের পর থেকেই এনসিপির একাধিক নেত্রী দল ছাড়ছেন। সৈয়দা নীলিমা দোলার পদত্যাগ সেই ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ ঘটনা।
মন্তব্য করুন


দেশব্যাপী সহিংসতার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের
নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদরাসা অনির্দিষ্টকালের
জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিদ্যালয় ও
কলেজগামী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল-কলেজ ও মাদরাসা) এবং
পলিটেকনিক ইনস্টিটিটিউটসমূহের শ্রেণি কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ
থাকবে।
তবে এখনো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে
কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, বৃহস্পতিবারের এইচএসসি ও সমমানের সকল বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করা হলো। স্থগিত
পরীক্ষার সময়সূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে। ২১ জুলাই থেকে পূর্ব ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা চলবে।
মন্তব্য করুন


র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) পদক পেলেন ১২০ র্যাব সদস্য।
সেবা ও সাহসিকতা এবং পেশাগত কাজে অসামান্য অবদানের জন্য তারা এ পদক পেলেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলায় র্যাব সদর দপ্তরে আয়োজিত র্যাব মেমোরিয়াল ডে অনুষ্ঠানে এ পদক তুলে দেন র্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেন।
এ সময় পদক প্রদান ছাড়াও দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত ৩৩ র্যাব সদস্যের পরিবারের হাতে সম্মাননা ও আর্থিক অনুদান তুলে দেন র্যাব মহাপরিচালক।
এছাড়া র্যাবের মহাপরিচালক আভিযানিক কার্যক্রমে শহীদ র্যাব সদস্যদের স্মৃতি স্মরণে তাদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের মতো জাতীয়ভাবে বাংলাসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ একসঙ্গে উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৯ মার্চ) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে জানানো হয়,সরকার জাতীয়ভাবে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ ১৪৩২ উদ্যাপন উপলক্ষে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার আয়োজন করছে। এ বছর বাঙালি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি অন্তর্ভূক্তিমূলক নববর্ষ শোভাযাত্রার আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
দেশের
সকল মানুষ যেন উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষ উদযাপন করতে পারে সে লক্ষ্যে আগামী ২৩ মার্চ
রোববার দুপুর ১২টায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সভাপতিত্বে
মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


শিল্প,
গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর
রহমান খান বলেছেন, দেশের প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা
করছে।
শনিবার
দুপুরে মাদারীপুরে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত ও স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন
শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তি আসন্ন নির্বাচনে বাধা
দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকার একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন
আয়োজন করবে। যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবে, তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
উপদেষ্টা
আরও বলেন, বাংলাদেশের কোনো দেশপ্রেমিক মানুষই নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করবে না। দেশের
প্রতিটি নাগরিকই আগামী নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এগিয়ে আসবে এবং সরকারকে সহযোগিতা
করবে।
এর
আগে তিনি মঠের বাজার এলাকায় জুলাই আন্দোলনে শহীদ নাইমুর রহমান ও শহীদ মামুনের কবর জিয়ারত
করেন এবং স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে শিবচর উপজেলায় হাউজিং প্রকল্প
ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্টের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।
এ
সময় মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আল নোমানসহ প্রশাসনের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা
বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত বিভিন্ন জেলায় গিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনের পাশাপাশি
জুলাই আন্দোলনের শহীদদের কবর জিয়ারত করা হচ্ছে এবং তাদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে
শপথ নিয়েছেন আরও চারজন। তাঁরা হলেন ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, আলী ইমাম মজুমদার, ড. মুহাম্মদ
ফাওজুল কবির খান ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকেল ৪টার
দিকে বঙ্গভবনে তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় আরও
উপস্থিত ছিলেন, কয়েকজন উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী, তিন বাহিনীর প্রধান,
বেসামরিক ও সামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের
আকার প্রধান উপদেষ্টাসহ ২১ জনে দাঁড়িয়েছে।
মন্তব্য করুন