

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে চা বিক্রির পাশাপাশি লেখাপড়া করে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে স্মৃতি পারভীন নামে এক ছাত্রী। প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চায়ের দোকানে চা বিক্রি করে রাতে পড়ালেখা করে জিপিএ-৫ পাওয়া স্মৃতির স্বপ্ন ভবিষ্যতে নার্স হয়ে অসহায় রোগীদের সেবা করা। কিন্তু ১৮ বছর বয়সী ছোট স্মৃতির নার্স হওয়ার ছোট স্বপ্ন বাস্তব রূপ পাওয়ার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে,স্মৃতি পারভীন উপজেলার ময়না গ্রামের হারুন শেখের মেয়ে। তিন ভাইবোনের মধ্যে স্মৃতি দ্বিতীয়। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের উপজেলার একমাত্র নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের কারিগরি শাখা থেকে সে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর আগে সে উপজেলার ময়না ইউনিয়নে অবস্থিত ময়না এ সি বোস ইনস্টিটিউশন থেকে মাধ্যমিকে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়।স্মৃতি পারভীন জানায়, প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ময়না বাজারে অবস্থিত চায়ের দোকানে চা বিক্রি করে। এরপর রাত ১০টা পর্যন্ত বড় বোন মনিকা পারভীন চা বিক্রি করে। এভাবে পালাক্রমে দুই বোন চায়ের দোকান চালায়। প্রতি কাপ চা ৫টাকা। এতে যা লাভ থাকে তাতেই সংসার চলে।
স্মৃতি আরও জানায়, তাদের বাবা তেমন কিছু করে না বললেই চলে। ওই চায়ের দোকানই তাদের উপার্জনের প্রধান অবলম্বন। ছোট ভাই এবং নিজের পড়ালেখার খরচ, সংসারের খরচ, ওষুধের খরচ চায়ের দোকান থেকেই চালানো হয়। স্মৃতির ইচ্ছে একজন নার্স হওয়ার। তবে সংসার খরচ চালানোর পর তেমন একটা টাকা অবশিষ্ট থাকে না। এজন্য নার্স হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে কি না তা ভবিষ্যতের আর বড় বোনের ওপর ছেড়ে দিয়েই দীর্ঘশ্বাস ফেলে চায়ের পেয়ালায় হাত লাগায় মেধাবী স্মৃতি।
মন্তব্য করুন


রমজান মাসে লোডশেডিং না
দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ৪ কার্গো অতিরিক্ত এলএনজি আমদানির করা হচ্ছে
বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
রবিবার (২ মার্চ) আসরের নামাজের পর রাজধানীর সার্কিট হাউজ জামে
মসজিদের সামনে সাংবাদিকদের উপদেষ্টা বলেন, রমজানে ৪ কার্গো অতিরিক্ত এলএনজি
আমদানির উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা আশা করছি রমজান মাসে ইনশাআল্লাহ কোনো লোডশেডিং হবে
না।
তিনি বলেন, আমাদের যে গ্যাস ছিল সেই গ্যাস ফুরিয়ে যাচ্ছে। আমরা
বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার করে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানি করছি। এবারের রোজা কিছুটা
গরমের মধ্যে পড়ছে। এ সময় আমাদের সেচের জন্য অনেক বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়। বিদ্যুতের
চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। শীতকালে আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা থাকে ৯ থেকে ১০ হাজার
মেগাওয়াট। সেচ ও গরমের কারণে এই বিদুতের চাহিদা গরমে ১৭ থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াট
হয়ে যায়। এর মধ্যে দুই হাজার মেগাওয়াট লাগে আমাদের সেচ কাজে। কিন্তু সেচ বন্ধ
করা যাবে না। সেচ বন্ধ হলে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হব।
বিদ্যুৎ চুরির বিষয়ে উপদেষ্টার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুধু
যে বিদ্যুৎ চুরি হয় তা নয়, গ্যাসও চুরি হয়। সেজন্য আমরা অবৈধ গ্যাস সংযোগ
বিচ্ছিন্ন করছি। বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ব্যবস্থা নিচ্ছি।
উপদেষ্টা বলেন, শীততাপ
নিয়ন্ত্রণ এবং অতিরিক্ত আলোকসজ্জ্বার জন্য ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লাগে।
এজন্য আমরা ইমাম সাহেব এবং মুসল্লিদের মাধ্যমে সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছি এসির
তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি রাখার জন্য। এই ২৫ ডিগ্রি বেশ ভালো তাপমাত্রা। এ তাপমাত্রায়
মানুষ খুব আরামে ইবাদাত করতে পারবে। জুয়েলারি শপেও যেন অতিরিক্ত আলোকসজ্জ্বা না করা হয়। এজন্য আমি
এবং আমার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের সহকর্মীরা সবার কাছে যাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৬২ হাজারের বেশি বাংলাদেশি। মোট ১৬১টি ফ্লাইটে
মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে পৌঁছান তারা। আজ (সোমবার, ১৮ মে) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ সম্পর্কিত
সর্বশেষ বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এয়ারলাইনস,
সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা ও সৌদি আরবের সূত্রে হজ বুলেটিনের
আইটি হেল্প ডেস্ক জানিয়েছে, গতকাল (রোববার, ১৭ মে) দিবাগত রাত ৩টা নাগাদ সৌদি পৌঁছেছেন
৬২ হাজার ৫২৮ জন হজযাত্রী। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৮২টি ফ্লাইটে ৩২ হাজার
৫০৮ জন বাংলাদেশি সৌদিতে পৌঁছেছেন।
এছাড়াও
সৌদি এয়ারলাইনস পরিচালিত ৫৭টি ফ্লাইটে জেদ্দায় পৌঁছেছেন ২১ হাজার ১৬১ জন হজযাত্রী।
সেই সঙ্গে ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস পরিচালিত ২২টি ফ্লাইটে আরও ৮ হাজার ৮৫৯ জন বাংলাদেশি
পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। সবমিলিয়ে সরকারি মাধ্যমে ৪ হাজার ৪৪৪
জন এবং বেসরকারি মাধ্যমে ৫৮ হাজার ৮৪ জন হজযাত্রী মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে পৌঁছেছেন।
এদিকে,
চলতি বছর হজ করতে সৌদি আরবে গিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের
মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলা। যাদের মধ্যে মক্কায় ১২ জন এবং মদিনায় ৫ জনের মৃত্যু
হয়েছে বলে জানিয়েছে হজ বুলেটিনের আইটি হেল্প ডেস্ক।
চাঁদ
দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে চলতি বছরের পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে গত
১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে জেদ্দার উদ্দেশে ছেড়ে যায় হজযাত্রীদের প্রথম ফ্লাইট। হজের
আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ৩০ মে থেকে হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে।
মন্তব্য করুন


গর্ভবতী থাকা অবস্থায় স্বামীর সাথে মনোমালিন্য হয় কোকিলা খাতুনের। তারপর মায়ের বাড়িতে চলে যান। কোকিলা খাতুনের মা আনোয়ারা খাতুন ঝিনাইদহ শহরে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কোকিলা খাতুনের প্রসব বেদনা উঠলে কালীগঞ্জ শহরের ডক্টরস ক্লিনিকে তাকে ভর্তি করেন আনোয়ারা খাতুন। গত ২৮ নভেম্বর কোকিলা একটি ছেলে শিশু সন্তানের জন্ম দেন।
ক্লিনিকের বিল পরিশোধ করতে না পেরে নগদ ৩০ হাজার টাকায় সন্তানকে বিক্রি করে দেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের হেলাই গ্রামের সোহাগ হোসেনের কাছে।
এ ঘটনা জানতে পেরে সন্তানকে ফেরত পেতে বৃহস্পতিবার সকালে থানায় এসে অভিযোগ করেন কোকিলা খাতুনের স্বামী আকাশ হোসেন। তারপর পুলিশ গিয়ে কালীগঞ্জ উপজেলার হেলাই গ্রাম থেকে নবজাতককে উদ্ধার করেন। বিকেলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন কালীগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু আজিফ।
উদ্ধার হওয়া নবজাতকের মা কোকিলা খাতুন জানান, অভাবের তাড়নায় ও খোঁজখবর না নেওয়ায় স্বামীর ওপর অভিমান করে ৭ দিন বয়সী শিশু ছেলেকে বিক্রি করে দেই। স্বামী দ্বিতীয় বিবাহ করার কারণে সে আমার কোনো খোঁজ খবর নেয় না। ক্লিনিকের সব খরচ মেটাতে এ ছাড়া আমার আর কিছুই করার ছিল না।
শিশুটিকে দত্তক নেওয়া সোহাগ আলী বলেছেন, আমি নিঃসন্তান। শিশুটিকে লালন-পালনের জন্য তার মায়ের কাছ থেকে কিনে নেই। শিশুর মা ও নানি আনোয়ারা খাতুনসহ এলাকার স্থানীয় কয়েকজনের উপস্থিতিতে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে শিশুটির ক্লিনিকের খরচ ও তার মাকে নগদ ৩০ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ৫৫ হাজার টাকায় কিনে নেই। পরে পুলিশের নির্দেশেই শিশুটিকে তার মাসহ পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছি।
ওসি আবু আজিফ বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি অভিযোগ করেন আকাশ হোসেন। গত ২৮ নভেম্বর তার স্ত্রী সিজারের মাধ্যমে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। আকাশ হোসেনকে না জানিয়ে তার স্ত্রী ও শাশুড়ি সন্তানকে দত্তক দেয়। পরে তার স্ত্রী কোকিলা খাতুন ভুল বুঝতে পারে এবং স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করে সন্তানকে উদ্ধার করে আনতে বলে।
মন্তব্য করুন


বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় রবিবার (২৫ আগস্ট ২০২৪) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জল, স্থল ও আকাশ পথে উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। মানবতার সেবায় পরিচালিত এই অভিযানকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ ২১ টি হেলিকপ্টার সর্টির মাধ্যমে উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উল্লেখ্য, হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ১৬ জন মুমূর্ষ রোগীকে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হতে উদ্ধারপূর্বক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৩ জন শিশু, ৬ জন অন্তঃসত্ত্বা নারী, ২ জন পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগী ও ৫ জন বার্ধক্য জনিত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি রয়েছেন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সত্ত্বেও ২,১৪৭ প্যাকেট ত্রান ফেনী সদর, ফাজিলপুর, ছাগলনাইয়া, সোনাগাজী, পরশুরাম ও মধুগ্রাম এলাকায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার এর মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও বন্যা দুর্গত এলাকায় সেনা সদস্যদের কার্যক্রম পরিদর্শনে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, বিপি, ওএসপি, বিএএম, এনডিসি, পিএসসি কুমিল্লা ও ফেনী জেলায় গমন করেন। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত সিসিএন শিক্ষা পরিবার তথা সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিসিএন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, সিসিএন মডেল কলেজের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুইদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদান দেয়া হয়েছে। দেশে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতিতে দূর্গত অঞ্চলের মানুষের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ওই অনুদান প্রদান করা হয়েছে। জানা যায়, সিসিএন পরিবারের প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একদিনের বেতন বন্যার্তদের সহযোগিতায় প্রদান করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং এই বিষয়ে সিসিএন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী কে অবহিত করেন। শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি একদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে যোগ করার ঘোষণা দেন। এদিকে কুমিল্লায় বন্যা পরিস্থিতির শুরু থেকেই সিসিএন শিক্ষা পরিবারের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীরাও বন্যা দূর্গতদের পাশে দাড়িয়েছে। তারা ত্রাণ সরবরাহ, বন্যা দূর্গতদের আশ্রয় কেন্দ্রে পৌছে দেয়া, জরুরী চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করাসহ বিভিন্ন ধরণের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানের প্রক্টরিয়াল টিম ও শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে জেলার বন্যাদূর্গত উপজেলা চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোট, মনোহরগঞ্জ, বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া এলাকা সহ অন্যান্য এলাকায় সেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের
ঘাটাইলে বিয়ের একমাসের মাথায় প্রেমিকের সঙ্গে পালানার তিনদিন পর সূচনা নামে এক নববধূর
মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার
(১৭ মে) বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সূচনা
আইনপুর গ্রামের সোহরাব আলীর মেয়ে।
নিহতের
পরিবার জানায়, পালানোর পরে শহরের কলেজপাড়া এলাকায় প্রেমিক সাওয়ালের চাচা ইউপি চেয়ারম্যান
গিয়াসউদ্দিন বাবুর বাসায় অবস্থান করছিলেন ওই তরুণী। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার করার
পর মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে যায় প্রেমিকের পরিবার। পরে সেখান থেকে পালিয়ে যায় সবাই।
তারা
আরও জানায়, একমাস আগে মধুপুর উপজেলার মাইজবাড়ি গ্রামের আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় সূচনার।
গত ১৪ মে রাতে ঘাটাইল উপজেলার সত্তুর বাড়ি গ্রামের সরোয়ারের ছেলে প্রেমিক সাওয়ালের
হাত ধরে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয় সূচনা। পরে উভয় পরিবারের সমঝোতায় বিয়ের আশ্বাস
দেয়া হয় সাওয়াল ও সূচনাকে। শনিবার রাতে তাদের নিয়ে আসা হয় সাওয়ালের চাচা ইউপি চেয়ারম্যান
গিয়াসউদ্দিন বাবুর বাসায়। রোববার বিকেলে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সূচনার মরদেহ।
তড়িঘড়ি করে নেওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে
পরিবারকে জানানো হয় তার মৃত্যুর বিষয়টি। জানানো হয় পুলিশকেও। পুলিশ হাসপাতাল থেকে তার
মরদেহ উদ্ধার করে।
সূচনার
বাবা সোহরাব আলীর অভিযোগ, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
সংগ্রামপুর
ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন বাবু জানান, সাওয়াল তার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। সমঝোতার জন্য
নিহত তরুণীকে তার বাসায় নিয়ে আসা হয়েছিল। ঘটনার দিন তিনি বাসায় ছিলেন না।
এ
বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) প্রভাষ কুমার বসু জানান, ঘাটাইল
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল
মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ৩৪ জন। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হিসেবে সন্দেহভাজন ৯৮০ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত এই সংখ্যা ৮১ হাজার ৮৪ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামরোগ নিশ্চিতের সংখ্যা ৫৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৮৩৩ জন।
১৫ মার্চ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত হাম রোগে আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৬ হাজার ১৭০ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬২ হাজার ২৯২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত সন্দেহে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত সন্দেহে থাকা ৫৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এখন পর্যন্ত মোট ৩৭ হাজার ৭৯৮ জন হাম আক্রান্ত সন্দেহভাজন রয়েছে ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ৮২২ জন।
মন্তব্য করুন


এখন
পর্যন্ত ১৪০টি দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সোমবার
(৮ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে
তিনি এ কথা বলেন।
ডেঙ্গু
রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের
এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) হস্তান্তর উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত
হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, ১৪০টি দেশে আমাদের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। এতে আমরা গর্বিত। এখন
দেশে টিকা তৈরি করতে পারলে সেটার পরিসর আরও বাড়বে। ওষুধ শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমরাও
সহযোগিতা করে যাব।
তিনি
বলেন, সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে আমরা নির্দেশনা পেয়েছি,
আমাদের শাখাগুলো বাড়াতে হবে। আমাদের অনেকগুলো জানালা খুলতে হবে। নাহলে একটি মন্ত্রণালয়
ভালোভাবে চলতে পারে না।
স্বাস্থ্য
প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, সামনে ডেঙ্গু মৌসুম আসছে, সে বিষয়ে আমরা সর্বাত্মক
প্রস্তুতি নিচ্ছি। পরিকল্পনা, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছি। পাশাপাশি
যারা আক্রান্ত হবেন, তারা যাতে যথাযথ চিকিৎসা পান, সেই ব্যবস্থা করছি।
প্রতিমন্ত্রী
বলেন, গত তিন মাসে স্বাস্থ্যখাতে কৌশলগত বড় পরিবর্তন এসেছে। আমরা সবাই দেশের স্বার্থে
একসঙ্গে কাজ করতে পারছি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, বাস্তবায়িত কার্যক্রম এবং গত তিন মাসে কুমিল্লায় সম্পাদিত বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে জেলা তথ্য অফিস, কুমিল্লার আয়োজনে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কুমিল্লা জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ নুরুল হক সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের চলমান কার্যক্রম এবং গত তিন মাসে বাস্তবায়িত কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলী রাজি মাহমুদ মিথুন। তিনি সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন এবং তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রেস ব্রিফিংয়ে কুমিল্লায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। এসময় সাংবাদিকরা সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়িত কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন, মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনসাধারণের মাঝে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ
ইসলাম বলেছেন, তরুণ প্রজন্ম মেধাভিত্তিক ও পেশাদার আমলাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
রোববার সাভারে বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন
প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাদের ৭৭তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে এ কথা বলেন
তিনি।
আমলাতন্ত্রের সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ
করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় আমলাতন্ত্রকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা
হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক বিবেচনায় পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
যা খুবই দুঃখজনক। এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসার সময় এসেছে। এ জন্য আমলাতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ
প্রয়োজন।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারি
চাকরিতে যোগ্যতা অনুযায়ী পদোন্নতি হওয়া উচিত। এর পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
কর্মমূল্যায়ন পদ্ধতিরও সংস্কারের প্রয়োজন।
রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা
নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার রাষ্ট্রীয় সংস্কারের ভিত্তি তৈরি করতে চায়। এজন্য বিভিন্ন
সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। কমিশনসমূহের প্রতিবেদন অনুযায়ী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার
ভিত্তিতে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সংস্কার ছাড়া
নির্বাচন হলে রাষ্ট্রের গুণগত পরিবর্তন হবে না।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট বর্ণনা
করে তিনি বলেন, এই আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের ওপর আস্থা
রেখেই জনগণ ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে। তিনি বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে
নবীন কর্মকর্তাদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তথ্য উপদেষ্টার সেশন পরিচালনার সময় বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের রেক্টর সাঈদ মাহবুব খানসহ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই সেশনে ৭৭তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের ২২টি ক্যাডারের ৬০৫ জন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন