

সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এ লক্ষ্যে তিনি ‘চাঁদাবাজ ডটকম’ (chandabaj.com) নামে একটি বিশেষ ওয়েবসাইট এবং একটি জাতীয় হটলাইন চালুর ঘোষণা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নির্বাচনী প্রচারণাকালে দেওয়া তার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ভাইরাল ভিডিওতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, একটি বিশেষ ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে সাধারণ মানুষ প্রমাণসহ চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে পারবেন। তার দাবি, এই প্ল্যাটফর্ম অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং মানুষকে নির্ভয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সুযোগ দেবে।
তিনি আরও আশ্বস্ত করেন, অভিযোগকারীদের নাম-পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে। পর্যাপ্ত তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামনে তা উপস্থাপন করে রাজনৈতিকভাবে বয়কটের আহ্বান জানানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার ভাষায়, “আমরা একগাদা প্রমাণ নিয়ে ওদের মুখের ওপর গিয়ে বলবো—এই হলো প্রমাণ, আপনি এখন রাজনীতি ছেড়ে দেন।”
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, খুব শিগগিরই এই ওয়েবসাইট ও জাতীয় হটলাইনটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ওপর চলমান চাঁদাবাজির উৎপাত বন্ধ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই পরিকল্পনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেমন প্রশংসা কুড়াচ্ছে, তেমনি রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
ঢাকা-৮ আসনের এই প্রার্থী মনে করেন, শুধু কথার প্রতিবাদে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে না; বরং প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগ নিলেই অপরাধীদের কোণঠাসা করা সম্ভব। নির্বাচনে জয়ী হোন বা না হোন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে এই সেবাটি সচল রাখার অঙ্গীকারও করেন তিনি।
প্রযুক্তি ও জনসচেতনতার সমন্বয়ে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পথে ‘চাঁদাবাজ ডটকম’ একটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ,
বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা
হাসান বলেছেন, রাজধানীসহ সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারি
কর্মকমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৫ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার
(৪ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস
ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা জানান, রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আজ
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অতিরিক্ত দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তিনি
বলেন, গ্রামগঞ্জে মানুষ চিকিৎসা পায় না। তাদের তাদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসক
নিশ্চিত করার অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য।
সৈয়দা
রিজওয়ানা হাসান বলেন, পিএসসির মাধ্যমে ৩ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগের
প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এটার অতিরিক্ত হিসেবে আরও ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের
সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
প্রেস
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ডেপুটি প্রেস
সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, ডেপুটি প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর এবং সহকারী
প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ১৮ কোটি মানুষের বিজয় নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, আন্দোলনরত ৮ দলের ৫ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের লড়াই অব্যাহত থাকবে। ইসলামি দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ ঐক্য আমাদের জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নিয়ে যাবে। প্রয়োজনে আরও একবার ৫ আগস্ট সংঘটিত হবে।
আজ সোমবার (১ ডিসেম্বর) বিকেলে আন্দোলনরত ৮ দলের উদ্যোগে খুলনা নগরীর শিববাড়ী মোড়ে বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা ৮ দলের বিজয় চাই না, আমার বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। আমরা দুর্নীতিমুক্ত সমাজ, ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, তাঁবেদারি নয়- স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যেতে চাই। ৫ আগস্ট বিপ্লবের পরদিন থেকে একটি গোষ্ঠী প্রভাব বিস্তারের জন্য জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে। প্রশাসনিক ক্যু করার চেষ্টা করছে। চাঁদাবাজি, দুর্নীতি অরাজকতা অব্যাহত আছে। আগামী নির্বাচনে ছলে-বলে কৌশলে ক্ষমতায় যেতে কেউ কেউ ষড়যন্ত্রের জাল বিচ্ছাচ্ছে।
তরুণদের ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন এবং আগামীতে ইসলামী দলগুলোর হাতে দেশ তুলে দেওয়ার আহ্বান জানান জামায়াতের আমির।
যারা বিগত তিনটি সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি তাদের উদ্দেশ্য করে জামায়াতের আমির বলেন, এবার তোমাদের ভোট নিয়ে কেউ ছিনিমিনি করতে চাইলে আমরা তা হতে দেব না। সেদিন আমারও যুবক হয়ে তোমাদের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করব। তরুণ ভোটারদের উদ্দেশ্য করে বলেন, তোমাদের হাতে আমার দেশটা তুলে দিতে চাই। সেজন্য নিজেদের প্রস্তুত করো। তোমরা চাকরি করবে না, চাকরি দেবে।
তিনি বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী ৫৪ বছরে জনগণের লালিত স্বপ্ন অনেকাংশেই বাস্তবায়ন হয়নি। দৃশ্যমান কিছু উন্নয়ন হলেও এটা প্রকৃত উন্নয়ন নয়। দেশ ও জাতির মধ্যে ন্যায়বিচার ও সামাজিক সুশাসন আছে কিনা সেটা বিবেচ্য।
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা দুই ধারায় চলমান উল্লেখ করে আমির বলেন, এক ধারায় রয়েছে মাদ্রাসাশিক্ষা। অন্য ধারায় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা। মাদ্রাসায় খুনোখুনি হয় না। অস্ত্রবাজি হয় না। জ্ঞানের চর্চা হয়। পক্ষান্তরে ৫৪ বছরে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্তানদের লাশ পড়েছে। মদ-গাঁজার আসর বসেছে। মেয়েদের ইজ্জত লুট হয়েছে। অস্ত্রের ঝনঝনানি হয়েছে। সভ্য হতে হলে আমাদের দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে। কিছু দল ও ব্যক্তি দফায় দফায় দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করে ভাবমূর্তি বিনষ্ট করেছে।
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, অনেক স্থানে আমাদের ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। তবে জনগণ এখন আর পোস্টার দেখে ভোটের সিদ্ধান্ত নেয় না। তারা আমাদের ভালোবেসে বুকের মধ্যে স্থান দিয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির পীরসাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিম বলেন, অনেকে বলেন আমার নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নই। কিন্তু আমার নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। কিন্তু তারাই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে হিসাব নিকাশ করে দেখেছেন তাদের পায়ের তলে মাটি সরে গেছে। এবার নির্বাচন নিয়ে আপনারাই ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। গুন্ডামি করে, সেন্টার দখল করে, সন্ত্রাসী চালিয়ে ক্ষমতার চেয়ারে বসবেন। সেদিন ভুলে যান। সে সুযোগ আর আপনারা পাবেন না।
সমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশে দেখতে পাচ্ছি, বাংলাদেশ আজ দুই ভাগে বিভক্ত। ৭২ বাকশালপন্থি আর এক ভাগ ২০২৪ সালের বিপ্লবপন্থি শক্তি।
তিনি আরও বলেন, রক্তের সাগর পেরিয়ে ২৪-এর জুলাই বিপ্লবের পর যেই ফ্যাসিবাদ বিতাড়িত করা হয়েছে, সেই ফ্যাসিবাদ বাংলার মাটিতে আসবে না। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি কার্যকরে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলাম। জুলাই সনদকে চূড়ান্ত আইনি ভিত্তি দিতে গণভোটের আয়োজন করতে হবে। একসঙ্গে তালগোল পাকিয়ে এ মাহাত্ম্যকে নষ্ট করবেন না। জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন করা হোক।
মামুনুল হক বলেন, ব্যর্থ হলে ইন্টেরিম সরকার ইতিহাস আপনাদের ক্ষমা করবে না। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না। কলঙ্ক নিয়ে আপনাদেরও বিদায় নিতে হবে। বাংলার মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। দলীয় প্রতীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি হ্যাঁ ভোটের বাক্স ভরতে হবে। নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা দেখা দিলে সরকারকে তার দায় নিতে হবে।
তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় থেকে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে। তারা চেয়েছিল ৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে। ৮ দল ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজ থাকবে না। জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, এটাকে কেউ ভাঙতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।
বাংলাদেশ নেজামী ইসলামী পার্টির মহাসচিব মুফতি মুসা বিন ইজহার বলেন, খান জাহান আলীর শহর খুলনা, রূপালী শহর খুলনা। যারা সংস্কারের বিরুদ্ধে থাকবে, আগামী নির্বাচনে জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করবে। যারা এদেশে শরীয় আইন চায়না তাদের লাল কার্ড দেখাবে। সিসা ঢালা এই ঐক্য ধরে রেখে আমরা ইসলামী সংসদ গড়ে তুলব।
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানী বলেন, এ দেশের সংবিধান হবে আল্লাহর কোরআন। সংসদে হবে কোরআনের আইন। যে কোনো ষড়যন্ত্র আমরা মোকাবিলা করব। মানুষকে বোঝাতে হবে আল্লাহর আইন ছাড়া শান্তি সম্ভব না।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেছেন, যারা বলেছিলেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিবকে খুলনায় আসতে দেবে না। তারা এসে দেখে যান বাবরী চত্বর ইসলামি দলে ভরে উঠেছে। জাতীয় নির্বাচন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। ৫ আগস্টে জনগণ দেখেছে এ দেশের জনগণ হিন্দুত্ববাদ কায়েম করতে চায় না। বাংলাদেশের জনগণ চাঁদাবাজি দেখতে চায় না।
গণভোটের প্রশ্নে তিনি বলেন, গণভোটকে হ্যাঁ বলুন, ৮ দলের প্রতীকে সিল মারুন।
বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টি বিডিপির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন বলেন, আমরা দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছি। এদেশের মানুষ অন্য দেশের দালালি করতে চায় না। মানুষ দালালি নয়, মুক্তি চায়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির পীরসাহেব চরমোনাই মুফতী সৈয়দ মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুফতি মুসা বিন ইজহার।
খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টি বিডিপির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল আউয়াল ও মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আজাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন ও খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠক আজ ৫ জানুয়ারি সোমবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়। সম্মনিত আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সংগঠনের মগবাজারস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সংগঠনের নায়েবে আমীরগণ, সেক্রেটারি জেনারেল এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলগণসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বৈঠকে অভিমত প্রকাশ করা হয় যে, দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ এখনো সৃষ্টি হয়নি। প্রশাসনের মধ্যে কিছু কিছু সরকারি কর্মকর্তা একটি বিশেষ দলের পক্ষে কাজ করছে বলে বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযোগ আসছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে এখনো প্রকাশ্য দিবালোকে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে।
দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে। দেড় হাজার শহীদ, ত্রিশ হাজারের অধিক আহত ও পঙ্গুত্ববরণের মধ্য দিয়ে অর্জিত আমাদের এই প্রিয় নতুন বাংলাদেশকে কোনো ধরনের চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র বা কোনো গোষ্ঠীর হাতে জিম্মি হতে দেয়া যাবে না।
নির্বাচন কমিশন এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে এবং বিশেষ কোনো দলের দিকে ঝুঁকে না পড়ে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়।
অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের নিরপেক্ষতা শতভাগ নিশ্চিত করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের নিকট জোর দাবি জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা গেলে
২০২৬ সালে রমজান শুরু হওয়ার আগের সপ্তাহে দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
আজ
শুক্রবার (১৩ জুন) যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় (বাংলাদেশ
সময় বেলা ২টা) বৈঠকটি শুরু হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ৩টা) বৈঠক
শেষ হয়। বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বাংলাদেশ
সময় বিকেল ৪ টার দিকে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে যৌথ বিবৃতি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস
সচিব শফিকুল আলম, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিএনপি
নেতা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন
অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার এই অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন তারেক রহমান।
যৌথ
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অধ্যাপক ড. ইউনূস ও তারেক
রহমানের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টার কাছে আগামী বছরের
রমজানের আগে নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তাব করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, তিনি আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচন
অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা গেলে ২০২৬ সালের রমজান শুরু হওয়ার
আগের সপ্তাহেও নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেই সময়ের মধ্যে সংস্কার
ও বিচারের বিষয়ে পর্যাপ্ত অগ্রগতি অর্জন করা প্রয়োজন হবে।
বৈঠকে
ফলপ্রসূ আলোচনা হওয়ায় প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান।
মন্তব্য করুন


দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান
মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের
দুই সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার
দুদক কার্যালয়ে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা চেয়ারম্যানের সঙ্গে তারা কথা বলেন।
সাংবাদিকদের সাক্ষাৎ শেষে সমন্বয়ক হাসনাত
আবদুল্লাহ বলেন, অনেকের নামে দুদকে মামলা হচ্ছে এসবের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের
কোনো সম্পর্ক নেই। দুদক স্বাধীনভাবে তাদের কাজ করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, আমাদের নাম
ব্যবহার করে কেউ যদি কোথাও চাঁদাবাজি করে তাহলে তাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে
দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


কলা
সকলেরই প্রিয় ফল। স্ট্যামিনা বাড়াতে কলা খেয়ে থাকেন অনেকেই। এটি সব মৌসুমেই পাওয়া যায়।
কিন্তু কখনও কি ভেবেছেন, কলা কেন সোজা না হয়ে বাঁকা হয়? পৃথিবীতে প্রায় সব প্রজাতির
কলাই বাঁকা। কিন্তু কেন এমন? এর ব্যাখ্যায় বিভিন্ন মজার মজার তত্ত্ব থাকলেও রয়েছে বৈজ্ঞানিক
কারণ। চলুন জেনে নিই কলা সোজা হয় না কেন।
কলা
গাছে যখন মোচা ধরে অর্থাৎ ফুল আসে তখন মোচার পাপড়ির নীচে সারি সারি ছোট কলা গজাতে
থাকে। প্রতিটি পাতার নীচে একগুচ্ছ করে কলা থাকে। প্রথমে কলা মাটির দিকে চলে যায়। কয়েকদিন
পরে কলাগুলো বড় হওয়ার সময় ধীরে-ধীরে বাঁকতে থাকে। এই কারণকে বিজ্ঞানের ভাষায় ঋণাত্মক
জিওট্রপিজম বলা হয়।
কোনও
ফল যখন সূর্যের দিকে বেড়ে ওঠে তখন তাকে ঋণাত্মক জিওট্রপিজম বলা হয়। গাছের ফলের বৃদ্ধি
ফটোট্রপিজম, গ্র্যাভিটিজম ও অক্সিনের ওপর নির্ভর করে। সে হিসেবে অন্যান্য ফলের মতো
কলার পাতা ও ফল মহাকর্ষ বলের জন্য নিচের দিকে ঝুলে থাকে। কিন্তু কলা বড় হওয়ার সঙ্গে
সঙ্গে সূর্যের আলোর দিকে বাড়তে শুরু করে। এই দুই বলের দ্বন্দ্বে কলা ক্রমেই বিশেষ
বাঁকা আকার ধারণ করে।
কলাগাছ
ট্রপিকাল রেইনফরেস্ট গাছ হওয়ায়, এটিকে অনেক গাছের মাঝখানে ও নীচে থাকতে হয়। সেজন্য
সূর্যের আলো কলা গাছে পৌঁছতে পারে না। তাই কলা জন্মানোর জন্য গাছগুলো সেই পরিবেশে মানিয়ে
নেয়।
তবে,
বর্তমানে অনেক খোলা জায়গায় কলা গাছ হয়। আর তাই কলা গাছ রোদ পায়। যেহেতু কলা গাছ রোদ
কম পায় তাই সূর্যের আলো পাওয়ার জন্য কলার কুড়ি থেকে ফল মধ্যাকর্ষের দিকে বৃদ্ধি পায়।
প্রথমে মাটির দিকে, তারপর আকাশের দিকে বাড়তে থাকায় কলার আকার বাঁকা হয়ে যায়।
পৃথিবীতে
এক হাজারেরও বেশি প্রজাতির কলা রয়েছে। রং, আকৃতি বিশেষে অনেক ধরনের কলা পাওয়া যায়।
তবে সেই সব কলার মধ্যে বেশিরভাগ কলাই বাঁকা। তবে সোজা কলা পাওয়া যায় না এ ধারণা একেবারেই
ভুল। এমন অনেক প্রজাতির কলা আছে, যেগুলি সূর্যের দিকে বাড়ে না। অর্থাৎ ওদের বৃদ্ধির
ক্ষেত্রে ঋণাত্মক জিওট্রপিজমের কোনও ভূমিকা নেই।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
(বিজিবি) কোনো ধরনের লেথাল ওয়েপন (মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে না বলে জানিয়েছেন বিজিবির
ঢাকা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এস এম আবুল এহসান। তিনি জানান, দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার
সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই নির্বাচনে সারা দেশে ৩৭ হাজারেরও অধিক বিজিবি সদস্য
মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি কুইক রেসপন্স ফোর্স এবং বিজিবি হেলিকপ্টার ইউনিট সর্বদা প্রস্তুত
থাকবে বলে জানানো হয়।
আজ
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে
এসব তথ্য জানান তিনি।
নির্বাচনকালীন
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবির প্রস্তুতি
ও পরিকল্পনা নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
কর্নেল
এস এম আবুল এহসান বলেন, ‘আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বর্ডার গার্ড
বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি একটি অবাধ,
সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী মোতায়েন রয়েছে।’
তিনি
বলেন, ‘ঢাকা সেক্টরের অধীন ঢাকা ব্যাটালিয়ন (৫ ও ২৬ বিজিবি), নারায়ণগঞ্জ ব্যাটালিয়ন
(৬২ বিজিবি) এবং গাজীপুর ব্যাটালিয়নের (৬৩ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ৯টি জেলা এবং
৪টি সিটি করপোরেশনের মোট ৫১টি আসনে সর্বমোট ১৩৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য ৪২টি অস্থায়ী
বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া বিশেষ তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনার
জন্য বিজিবির বিশেষায়িত কে-৯ ডগ স্কোয়াড ইউনিট মোতায়েন থাকবে।
ডিজিটাল
ডিভাইসের ব্যবহার ও দায়িত্ব পালনের বিষয় জানিয়ে বিজিবির ঢাকা সেক্টর কমান্ডার বলেন,
নির্বাচনে বিজিবি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বডি ওর্ন ক্যামেরা, নাইট ভিশন ডিভাইস, মেটাল
ডিটেক্টর, এপিসি, আধুনিক সিগন্যাল ও যোগাযোগ সরঞ্জামাদি ব্যবহার করবে, যার মাধ্যমে
স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নির্বাচনী পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক
পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যাটালিয়ন এবং সেক্টর সদর দপ্তরে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা
হয়েছে। নির্বাচনের দিন বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে টহল পরিচালনা, গুরুত্বপূর্ণ
স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন, যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা
করবে, যাতে কোনো মহল নাশকতা বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে।
নির্বাচনকে
কেন্দ্র করে কোনো ধরনের শঙ্কা দেখছেন কি না জানতে চাইলে কর্নেল এস এম আবুল এহসান বলেন,
এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের শঙ্কা দেখছি না।
আমাদের
মহাপরিচালকের নির্দেশ, আমরা নির্বাচনের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কোনো
ধরনের লেথাল ওয়েপন (মারণাস্ত্র) ব্যবহার করব না।
মন্তব্য করুন


তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো.মান্নান ভূইয়াকে (৫৮) অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী। গত (২৮ নভেম্বর ) শুক্রবার রাত্রে সাহাপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তিতাস থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তি ওই ওয়ার্ডের মৃত মোহাম্মদ আলী ভূইয়ার ছেলে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (এস আই) মাহমুদুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও তিতাস থানা পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বাসার বহিঃ বাথরুমের ছাদ থেকে বস্তাবন্দি দেশীয় তৈরী পাইপ গান সদৃশ্য ১টি,সিসা কার্তুজ ৫টি, দুটি রামদা, ১টি পুরাতন চাপাতি ও ১টি লম্বা ছোড়া এবং ঘর থেকে দুই লাখ তেষট্টি হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে ঐ ব্যাক্তির স্ত্রী হাজেরা খাতুন জানায়,আমাদের গ্রামের আওয়ামী লীগের লোকদের সাথে মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে, তারই জেরে পরিকল্পিতভাবে আমার বাসার বাহিরে বাথরুমের ছাদে এইগুলো দিয়ে আমার স্বামীকে গ্রেফতার করিয়েছে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট আমি ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করছি।এ ঘটনায় তিতাস থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং মান্নান ভূইয়াকে আজ শনিবার(২৯ অক্টবর ) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
মন্তব্য করুন


জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি অধ্যাপক ইউনূসের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, বৈঠকে কমিশনের পক্ষ থেকে ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, কমিশন সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, সফর রাজ হোসেন, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আরও জানান, জুলাই সনদ অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে সন্ধ্যায় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠেয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা উপস্থিত থাকবেন।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন
বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে আজ
সকালে ঢাকায় পৌঁছেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর।
তাকে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের মুখপাত্র বাসস’কে এ
তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি
জানান, ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বহনকারী একটি বিশেষ ফ্লাইট
বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে
ঢাকায় অবতরণ করে।
দুপুর
২টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে খালেদা
জিয়ার জানাজার নামাজ হবে। এতে বিভিন্ন
দেশের অতিথি, রাজনৈতিক নেতা ও প্রতিনিধিরা
উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন