

বাংলাদেশ থেকে উড়ে যাওয়া একটি বিশাল আকৃতির বেলুন ভারতের আসাম রাজ্যের কাছাড় জেলায় পড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) জেলার বরখোলা এলাকার একটি কৃষিজমি থেকে বেলুনটি উদ্ধার করে ভারতীয় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরখোলা এলাকায় একটি অস্বাভাবিক বড় বেলুন নামতে দেখে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে গ্রামবাসী বিষয়টি গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (ভিডিপি) জানায়। পরে ভিডিপির মাধ্যমে খবর পেয়ে কাছাড় জেলার সিনিয়র পুলিশ সুপার পার্থ প্রতীম দাসের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেলুনটি উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত বেলুনটির গায়ে বাংলায় লেখা ছিল—‘ঘিলাছড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট’। এছাড়া বেলুনটিতে তিনজন ব্যক্তির ছবিও সংযুক্ত ছিল। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে বেলুনটি কীভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভূখণ্ডে পৌঁছাল এবং এর পেছনে কোনো নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে ভারতীয় পুলিশ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একই দিন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ঘিলাছড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আনোয়ার চৌধুরীর উপস্থিতিতে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতীকীভাবে বেলুন ওড়ানো হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই অনুষ্ঠান থেকেই বাতাসের তোড়ে বেলুনটি উড়ে গিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের আসাম রাজ্যে পড়ে।
মন্তব্য করুন


ভালোবাসা
কোনো সীমান্ত মানে না, মানে না ভাষা কিংবা সংস্কৃতির ভিন্নতা—এই
কথাটিকেই যেন বাস্তবে প্রমাণ করেছেন ফ্রান্সের এক তরুণী ও লক্ষ্মীপুরের এক তরুণ দম্পতি।
.
লক্ষ্মীপুর
সদর উপজেলার রাজিবপুর এলাকার সমসের উদ্দিন খলিফা বাড়ির মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে আরিফুল
ইসলাম রাসেল ২০১১ সালে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডে যান। পরে ২০১৩ সালে তিনি ফ্রান্সে
পাড়ি জমান। সেখানেই পড়ালেখার সূত্রে সিনথিয়ার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে সেই পরিচয়
রূপ নেয় গভীর সম্পর্কে। পারিবারিক সম্মতিতে ২০১৭ সালে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে সিনথিয়া
ইসলাম নাম ধারণ করে রাসেলের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। সিনথিয়ার পূর্ব নাম ছিল ‘অম’।
বর্তমানে তাদের সংসারে রয়েছে দুটি সন্তান—আমেনা ইসলাম (৬) ও আলিফ ইসলাম (৪)।.
সম্প্রতি
স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরে এসেছেন রাসেল। গ্রামীণ মেঠোপথে হাঁটা,
হাওয়াই মিঠাই খাওয়া, স্থানীয়দের সঙ্গে গল্পে মেতে ওঠা—সবকিছুতেই
মুগ্ধ ফরাসি এই তরুণী। গ্রামের পরিবেশ ও মানুষের আন্তরিকতায় তিনি আপ্লুত বলে জানান
স্থানীয়রা। মেঘনা নদী এলাকা ও লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রসহ কক্সবাজার ভ্রমণের
ছবিও তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন।.
রাসেল
জানান, ২০২৪ সালে ‘রাসেল এন্ড সিনথিয়া’ নামে একটি ফেসবুক পেজ খোলা হয়। বর্তমানে
সেখানে প্রায় ২১ লাখ ফলোয়ার রয়েছে। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ বাংলাদেশি এবং ৬০ শতাংশ বিদেশি
ফলোয়ার। আরব দেশগুলো থেকেই তাদের সবচেয়ে বেশি অনুসারী রয়েছে।.
প্রেমের
শুরুটা সহজ ছিল না। ভাষাগত সমস্যার কারণে শুরুতে গুগল ট্রান্সলেটের সাহায্যে কথা বলতে
হতো তাদের। এক বছরের চেষ্টায় এই বাধা কাটিয়ে ওঠেন তারা। সিনথিয়াও আগ্রহ নিয়ে বাংলা
ভাষা শেখার চেষ্টা করছেন।.
রাসেল
বলেন, ‘আমার মাতৃভূমি বাংলাদেশ, আর আমার স্ত্রী ও সন্তানদের আরেকটি দেশ ফ্রান্স। ভবিষ্যতে
আমরা ছয় মাস বাংলাদেশে ও ছয় মাস ফ্রান্সে থাকার পরিকল্পনা করছি, যাতে সন্তানরা দুই
দেশের সংস্কৃতিই জানতে পারে।’.
সিনথিয়া
ফরাসি ভাষায় বলেন, বাংলাদেশে পরিবারের বন্ধন ও মানুষের পারস্পরিক ভালোবাসা তাকে সবচেয়ে
বেশি আকৃষ্ট করেছে। বাংলা ভাষায় তিনি গর্বের সঙ্গে বলেন, “আমার দেশ বাংলাদেশ।”
শাশুড়ির হাতে তৈরি পিঠা তার প্রিয় খাবার।.
ভালোবাসা,
বিশ্বাস ও পারিবারিক বন্ধনে গড়া এই দম্পতির গল্প এখন লক্ষ্মীপুরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
সীমান্ত, ভাষা আর সংস্কৃতির সব বাধা পেরিয়ে তাদের এই প্রেমের গল্প যেন বিশ্ববাসীর জন্য
এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।.
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগন্ডা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে সীমান্তবর্তী শীতার্ত ও দুস্থ মানুষের মাঝে শীতকালীন কম্বল বিতরণ করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ) ব্যাটালিয়নের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মোট ৬০০টি শীতকালীন কম্বল বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবি, সরাইল সদর দপ্তরের রিজিয়ন কমান্ডার ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সেক্টর কমান্ডার রকিবুল হাসান, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজসহ অন্যান্য পদবীর কর্মকর্তা, জেসিও এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার বিজিবি সদস্যরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় সীমান্ত রক্ষা ও চোরাচালান দমনের পাশাপাশি মানবিক দায়িত্ব পালনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শীত মৌসুমে সীমান্তবর্তী দরিদ্র ও দুস্থ জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানো বিজিবির নিয়মিত কার্যক্রমেরই অংশ এই কম্বল বিতরণ। এ ধরনের মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে বিজিবির বিশ্বাস ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা। কম্বল পেয়ে শীতার্ত মানুষ বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গত বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, বিএসপি, এসইউপি, এনডিসি, পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
গত ১৪ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ হতে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন সেনা অঞ্চলের মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় ১১ পদাতিক ডিভিশন দল চ্যাম্পিয়ন এবং ২৪ পদাতিক ডিভিশন দল রানার-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। প্রতিযোগিতায় ১১ পদাতিক ডিভিশন এর কর্পোরাল মোঃ সোলাইমান তনু শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় এবং ১১ পদাতিক ডিভিশন এর এনসি (ই) রবিন চন্দ্র দাস শ্রেষ্ঠ নবীন খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ এবং চট্টগ্রাম সেনানিবাসের সকল অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার এবং অন্যান্য পদবীর সৈনিকবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যামের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে শারীরিক সক্ষমতা, খেলাধুলার মান উন্নয়ন এবং খেলোয়াড় সুলভ মনোভাবের বিকাশ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য আরো মজবুত হবে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
চাটখিলে তাহাজ্জুদের নামাজরত অবস্থায় আকরাম হোসেন (১২) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষার্থী
মৃত্যুবরণ করেছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের
নিজ বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর
আগে ভোর রাতে উপজেলার বিষ্ণুরামপুর এলাকার নুরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নামাজের সময় এ
ঘটনা ঘটে। আকরাম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের ফারুক হোসেনের বড়
ছেলে।
জানা
যায়, ভোরে মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাহাজ্জুদের নামাজে অংশ নেয় আকরাম।
সালাম ফেরানোর আগ মুহূর্তে হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে শুরু করে সে। পরে সহপাঠী
ও শিক্ষকরা তাকে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে
মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় মাদ্রাসার পাশের মসজিদের মুয়াজ্জিন ও আকরামের মামা মাওলানা বোরহান
উদ্দীনও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আকরামের সহপাঠী আব্দুল হান্নান গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা
এক সঙ্গে খেলাধুলা করতাম। তাকে হারানোর পর আমাদের মধ্যে এক ধরনের শূন্যতা বিরাজ করছে।
মাদ্রাসা
শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত গণমাধ্যমকে বলেন, আকরাম খুবই ভালো শিক্ষার্থী
ছিল। কখনো তার নামে কোনো অভিযোগ পাওয়া যেত না। খুবই নম্র এবং ভদ্র ছিল।
আকরামের
মামা মাওলানা বোরহান উদ্দীন বলেন, আকরামকে বিকেল সাড়ে ৪টায় লক্ষীপুরের কমলনগরে তার
পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তাকে হারিয়ে তার বাবা-মা বাকরুদ্ধ হয়ে গেছেন।
মাদ্রাসার
মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মহিউদ্দিন বলেন, আকরাম ১৫ পারা শেষ করে ১৬ পারায় ছিল। খুব শিগ্গির
তার হিফজ সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। আমরা একজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে হারালাম। আল্লাহ
তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুক। তার পরিবারকে ধৈর্য ধরার তাওফীক
দিক।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড পড়ে নিহত পথচারী আবুল কালামের স্ত্রী আইরিন আক্তার পিয়া মেট্রোরেলেই চাকরি পাচ্ছেন।আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ডিএমটিসিএলের এক কর্মকর্তা জানান, “বিয়ারিং প্যাড দুর্ঘটনায় নিহত আবুল কালামের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার স্ত্রী আইরিন পিয়াকে মেট্রোরেলে চাকরি দেওয়া হবে। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা যাচাই করে উপযুক্ত পদ নির্ধারণ করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা চাইছি যেন পরিবারের প্রতি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দ্রুত সহায়তা দেওয়া যায়, যাতে তারা আর্থিক ও মানসিকভাবে কিছুটা স্বস্তি পান।”
গত ২৬ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের পশ্চিম পাশে ৪৩৩ নম্বর পিলার থেকে বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে পথচারী আবুল কালাম আজাদের (৩৫) মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহত আবুল কালাম আজাদ রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। ঘটনার পর তার স্ত্রী “আইরিন আক্তার পিয়া” বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
দুর্ঘটনার পরপরই সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্ঘটনার পর পুরো প্রকল্প এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে এবং যান্ত্রিক সরঞ্জামের নিয়মিত পরিদর্শন বাড়ানো হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা আর না ঘটে।
মন্তব্য করুন


শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী আয়েশা সিদ্দিকা রূপালিকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ শুক্রবার (১৪ মার্চ) ভোরে উপজেলার তেঁতুলতলা এলাকার নিজবাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক। আয়েশা সিদ্দিকা রূপালি তেঁতুলতলা গ্রামের আব্দুর রহিমের মেয়ে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল আমীন।
তিনি জানান, আয়শা সিদ্দিকা রূপালিকে গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নাশকতার অভিযোগে দায়ের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মাদারীপুরে আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী দীপ্তি (১৫) ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ইজিবাইকচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন খানকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।একই সঙ্গে আসামিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে মাদারীপুর আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফ এ এম রেজা জাকের এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় মামলার সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট “শরীফ সাইফুল কবির ” উপস্থিত ছিলেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাজ্জাদ মাদারীপুর সদর উপজেলার পূর্ব খাগদী এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে। আসামি এর আগে ১৯৯২ সালে শিশু হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজা খেটে ২০১১ সালে মুক্তি পান। মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৩ জুলাই মাদারীপুর শহরের পূর্ব খাগদী এলাকার একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে অজ্ঞাত এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন নিহতের বাবা মজিবর ফকির মরদেহ শনাক্ত করেন এবং তার মেয়ে দীপ্তির মরদেহ বলে জানান।
পরে মজিবর ফকির বাদী হয়ে মাদারীপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনাটি নিয়ে তদন্তে নামে র্যাব-৮’র সদস্যরা। তাদের তদন্তে বেরিয়ে আসে, ইজিবাইকচালক সাজ্জাদ হোসেন খান দীপ্তিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে। নিহত দীপ্তি মাদারীপুর সদর উপজেলার চরনচনা গ্রামের মজিবর ফকিরের মেয়ে। তিনি বলাইরচর শামসুন্নাহার বালিকা মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
র্যাবের তদন্তে জানা যায়, সাজ্জাদ হোসেন পূর্বে শিশু হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন এবং ২০১১ সালে মুক্তি পান। ২০১৯ সালের ১১ জুলাই বৃষ্টির দিনে জেলা শহরের ইটেরপুল থেকে চরমুগরিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে দীপ্তি তার ইজিবাইকে ওঠেন। এ সময় অন্যকোনো যাত্রী না থাকার সুযোগে দীপ্তিকে জোর করে পূর্ব খাগদি এলাকায় নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ ও হত্যা করেন। পরে মরদেহ বিদ্যুতের তার দিয়ে বেঁধে কয়েকটি ইটসহ পুকুরে ফেলে দেন। দুই দিন পর লাশটি ভেসে উঠলে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও দ্রুত বিচারের দাবিতে ফেটে পড়ে স্থানীয়রা। দীপ্তির বাবা মজিবর ফকির রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমার মেয়ের হত্যাকারী আজ আইনের কাছে জবাবদিহি করেছে। আমরা এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পেয়েছি।
মামলার পিপি শরীফ সাইফুল কবীর বলেন, মামলায় একমাত্র আসামি সাজ্জাদ হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। দীর্ঘ ছয় বছর বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। এটি ছিল অত্যন্ত নৃশংস একটি হত্যা ও ধর্ষণ মামলা। আমরা রায়ে সন্তুষ্ট।
মন্তব্য করুন


আইন উপদেষ্টা
ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সকল প্রলোভন পরিহার করে সৎ ও নির্ভীক
থেকে ওসমান হাদি ইনসাফ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন৷ তিনি নিজের কথা না ভেবে দেশের মানুষের
কথা ভাবতেন তাই শেষ বিদায়ের দিন হাদির জন্য মানুষের আহাজারি আর দোয়া ছিলো অতুলনীয়
আজ রোববার দুপুরে
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্টেট ইউনিভার্সিটির সপ্তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে
তিনি এসব বলেন।
এসময় আইন উপদেষ্টা
ওসমান হাদির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আল্লাহ হাদিকে বেহেশতের
সর্বোচ্চ জায়গায় স্থান দেবেন। হাদি এই নস্যাৎ পৃথিবীর চেয়ে ভালো জায়গায় অবস্থা করছেন
বলে বিশ্বাস করেন তিনি৷
আসিফ নজরুল
বলেন, হামলাকারীর চেয়ে দেশে সৃষ্টিশীল মানুষের সংখ্যা বেশি। দেশে আত্মত্যাগকারী তরুণের
সংখ্যা অনেক বেশি।
মন্তব্য করুন


ফুটবল ইতিহাসের
প্রথম বিশ্বকাপের ট্রফিটি নিয়ে বছরের পর বছর কম আলোচনা হয়নি। বারবার এটি চুরির চেষ্টা
হয়েছে। একবার জানা গিয়েছিল, ট্রফিটি গলিয়ে সেটি থেকে প্রাপ্ত সোনা নাকি বিক্রি করা
হয়েছে। ৬০ বছর পর ফিফা মিউজিয়ামে এর অংশবিশেষ পাওয়া গেছে।
ফরাসি শিল্পী
আবেল লাফ্লুরে তৈরি করেছিলেন জুলে রিমে ট্রফি। এটাকে গ্রিক দেবী নায়ক ‘নিকি’কে আকারে
ফুটিয়ে তোলা ছিল। ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে
এই ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্বাগতিকরা। ট্রফিটির উচ্চতা ছিল প্রায় ৩০ সেন্টিমিটার, ওজন প্রায়
চার কেজি এবং এটি সোনা দিয়ে মোড়ানো ছিল। বিশ্বকাপের পর থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত এই ট্রফি
নিয়ে নাটকীয়তা কম হয়নি।
বিশ্বযুদ্ধের
সময় নাৎসীদের হাত থেকে বিশ্বকাপ ট্রফি রক্ষা করতে ফিফার কর্মকর্তা এটিকে একটি পরিত্যক্ত
জুতার বাক্সে লুকিয়ে রেখেছিলেন। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে প্রদর্শনীর সময় এটি চুরি হয়েছিল।
পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি এবং তার কুকুর পিকলস ট্রফি উদ্ধার করে। ১৯৮৩ সালে ব্রাজিলের
রিও দে জেনেরিওতে এটি চুরি হলে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয় যে ট্রফিটি গলিয়ে স্বর্ণ বিক্রি
করা হয়েছে। যদিও ওই বিবৃতিতে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন।
যাই হোক, ফিফা
মিউজিয়ামের সাম্প্রতিক এক অনুসন্ধানে চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া গেছে। ট্রফির মূল চার-পাশের
লাপিস লাজুলি বেসটি ফিফার আর্কাইভে বহু বছর ধরে সংরক্ষিত ছিল! এটিকে কেউ চুরি করতে
পারেনি। আসলে ১৯৫৮ সালে ট্রফির বেস বদলানো হয়েছিল, এবং নতুন বেসে আটটি সাইড রাখা হয়েছিল
যাতে ভবিষ্যতের বিজয়ীদের নাম লেখা যায়। মূল বেসটি তখনই আর্কাইভে রাখা হয়েছিল, কিন্তু
সেটা দীর্ঘ সময় কারও নজরেই আসেনি।
এই মুহূর্তে
জুলে রিমে ট্রফির এই চার-পাশের বেসটি ফিফা মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হচ্ছে, যা ফুটবল ইতিহাসের
এক অমূল্য স্মারক। এটি আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় বিশ্বকাপের প্রাথমিক দিনগুলির উত্তেজনা,
চমক এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনার স্মৃতি। সময়ের সাথে বিশ্বকাপ ট্রফি আরও আধুনিক হয়েছে, আরও
মূল্যবান হয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের এই নিদর্শন মনে করিয়ে দেবে কিভাবে একটি বিশ্বকাপ
ট্রফি কীভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে।
মন্তব্য করুন


কৃষিতে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেয়ার
জন্য ২০১৯ সালের নীতিমালা অনুযায়ী কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে
সিআইপি'র সমমর্যাদায় Agricultural Important
Person এআইপি প্রবর্তন করেন সরকার।
২০২১ সালের এআইপি খেতাবে
ভূষিত হয়েছেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার
আদমপুর গ্রামের রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রাপ্ত
কৃষি পরিবেশ সমাজ উন্নয়ন সংগঠক, অধ্যাপক এম এ মতিন (মতিন সৈকত)।
২০২১ সালের পদকটি আগামী ৭
জুলাই ২০২৪ইং তারিখে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে মতিন সৈকত সহ অনান্য এআইপিদের
সন্মাননা সংবর্ধনা প্রদান করা হবে।
তিনি চার দশক ধরে কৃষি পরিবেশ
সমাজ উন্নয়নে বৈপ্লবিক অবদান রাখছেন। কৃষি উদ্ভাবন জাত/প্রযুক্তি বিভাগে মতিন সৈকত-কে
এআইপি সম্মাননা দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত হয়।
এআইপিগণ সিআইপিদের মতো সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে-
মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রশংসাপত্র, বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশ পাশ, বিভিন্ন
জাতীয় অনুষ্ঠানে নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ, বিমান, রেল, সড়ক ও জলপথে ভ্রমণকালীন সরকার
পরিচালিত গণপরিবহনে আসন সংরক্ষণ অগ্রাধিকার, ব্যবসা/দাফতরিক কাজে বিদেশে ভ্রমণের জন্য
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা প্রাপ্তির নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে উদ্দেশ্য করে
Letter of Introduction ইস্যু করবে, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্য সরকারি
হাসপাতালের কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার
সুবিধা পাবেন।
মতিন সৈকত একজন বহুমুখী সৃজনশীল
উদ্ভাবক-উদ্যোক্তা। সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতি
স্বরূপ তিনি ১৯৮৭ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির
অভিনন্দন পত্র পেয়েছেন। পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ব্যাবহার এবং সম্প্রসারণে
অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১০ এবং ২০১৭ সালে মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী মতিন সৈকত-কে দুইবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যাক্তিগত ক্যাটাগরিতে
২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক প্রদান করেন।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে
মতিন সৈকত ছয়বার সরকারিভাবে চট্টগ্রাম বিভাগে শীর্ষ স্থান অর্জন করেন। বিষমুক্ত ফসল,
নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে মতিন সৈকত নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।
বেকারত্ব দূরীকরণ, কর্মসংস্থান
সৃষ্টিতে সমবায় ভিত্তিতে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মতিন সৈকত সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে তুলেন
আপুসি, আপুবি, বিসমিল্লাহ, আদমপুর আদর্শ মৎস্য চাষ প্রকল্প।
প্লাবন ভূমিতে মৎস্য চাষে
দাউদকান্দি মডেল এবং নিরাপদ খাদ্য উপজেলা দাউদকান্দি মডেলের অন্যতম অংশীজন তিনি। সারাদেশে
বোরোধান উৎপাদন করতে সেচের পানির জন্য কৃষককে যখন ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা বিঘাপ্রতি সেচ
খরচ দিতে হয়। সেখানে মতিন সৈকত বিঘাপ্রতি এককালীন
মৌসুমব্যাপী মাত্র দুইশ টাকার বিনিময়ে ত্রিশ বছর যাবত বোরোধান লাগানো থেকে পাকা ধান
কাটা পর্যন্ত যার যতোবার সেচের পানির প্রয়োজন ততোবারই সেচের পানি সরবরাহ করে জাতীয়
দৃষ্টান্ত স্হাপন করেন।
বোরোধানের জমিতে ধান উৎপাদনের
পাশাপাশি মৎস্য চাষ করে বিঘাপ্রতি ১০/ ১৫ হাজার
টাকা মুনাফা পাচ্ছেন কৃষক। মতিন সৈকতের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে সরকার কালাডুমুর নদী পূনঃখনন
করে দিয়েছেন।
এছাড়া মতিন সৈকত খাল-নদী
পূনঃখনন জলাভূমি সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী, পাখি
প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা
হয় -
তিনি নিজ এলাকা দাউদকান্দি কুমিল্লায় ২০০৬ সালে ১০,০০০ কৃষক নিয়ে আইপিএম-আইসিএম
ক্লাব গঠন করেন। তার এ উদ্যোগের ফলে ২০১৭ বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) দাউদকান্দি
উপজেলাকে বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করে। তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ
তিনি ২০১০ ও ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক এবং ২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন