

বাংলাদেশ থেকে উড়ে যাওয়া একটি বিশাল আকৃতির বেলুন ভারতের আসাম রাজ্যের কাছাড় জেলায় পড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) জেলার বরখোলা এলাকার একটি কৃষিজমি থেকে বেলুনটি উদ্ধার করে ভারতীয় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরখোলা এলাকায় একটি অস্বাভাবিক বড় বেলুন নামতে দেখে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে গ্রামবাসী বিষয়টি গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (ভিডিপি) জানায়। পরে ভিডিপির মাধ্যমে খবর পেয়ে কাছাড় জেলার সিনিয়র পুলিশ সুপার পার্থ প্রতীম দাসের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেলুনটি উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত বেলুনটির গায়ে বাংলায় লেখা ছিল—‘ঘিলাছড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট’। এছাড়া বেলুনটিতে তিনজন ব্যক্তির ছবিও সংযুক্ত ছিল। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে বেলুনটি কীভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভূখণ্ডে পৌঁছাল এবং এর পেছনে কোনো নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে ভারতীয় পুলিশ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একই দিন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ঘিলাছড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আনোয়ার চৌধুরীর উপস্থিতিতে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতীকীভাবে বেলুন ওড়ানো হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই অনুষ্ঠান থেকেই বাতাসের তোড়ে বেলুনটি উড়ে গিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের আসাম রাজ্যে পড়ে।
মন্তব্য করুন


সরকারি
অনুদানে নির্মাণাধীন চলচ্চিত্রের মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তথ্য ও সম্প্রচার
উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, সরকারি অনুদানে নির্মাণাধীন চলচ্চিত্রের মানোন্নয়নে
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সার্বিক সহযোগিতা করবে। এর অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে
চলচ্চিত্রের মানোন্নয়ন-বিষয়ক কর্মশালা আয়োজন করা হবে। কর্মশালায় চলচ্চিত্র বিষয়ে বিশেষজ্ঞ
ব্যক্তিবর্গকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।
এই
কর্মশালা চলচ্চিত্রের মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপদেষ্টা।
আজ
বুধবার (২০ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে সরকারি অনুদানের
জন্য মনোনীত পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রযোজকগণের কাছে অনুদানের প্রথম
কিস্তির মঞ্জুরিপত্র হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।
সরকারি
অনুদানের জন্য চলচ্চিত্র বাছাই প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার সঙ্গে
এবারে চলচ্চিত্র বাছাই করা হয়েছে। এ বছর অনুদানের জন্য মনোনীত চলচ্চিত্রসমূহের গল্পের
মধ্যে অনেক বৈচিত্র্য রয়েছে।
জুলাই
গণঅভ্যুত্থান নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের বিষয়ে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত
ঘটনাপ্রবাহের আলোকে সংবেদনশীলতা বজায় রেখে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে।
অনুদানে
নির্মিত চলচ্চিত্র সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, সরকারি অনুদানে নির্মিত
সকল চলচ্চিত্র বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে সংরক্ষণ করা হবে। ফিল্ম আর্কাইভ কর্তৃপক্ষ নিজস্ব
ব্যবস্থাপনায় এসব চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা করবে।
নির্ধারিত
সময়ের মধ্যে অনুদানের চলচ্চিত্র নির্মাণ কার্যক্রম সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন,
ইতঃপূর্বে অনেকেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুদানের চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে পারেননি।
এটি দুঃখজনক। তিনি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অনুদানের চলচ্চিত্র নির্মাণ কার্যক্রম
সম্পন্ন করার জন্য নির্মাতাদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে
তথ্য উপদেষ্টা সরকারি অনুদানের জন্য মনোনীত পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের
প্রযোজকগণের নিকট অনুদানের মঞ্জুরিপত্র হস্তান্তর করেন।
অনুষ্ঠানে
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, প্রধান তথ্য অফিসার মো. নিজামূল
কবীর, অতিরিক্ত সচিব মো. কাউসার আহাম্মদ, অতিরিক্ত সচিব নূর মো. মাহবুবুল হক, বাংলাদেশ
চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানিসহ অনুদানের জন্য
মনোনীত চলচ্চিত্রের প্রযোজকগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য
অনুষ্ঠানে সরকারি অনুদানের জন্য মনোনীত ১২টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে প্রথম কিস্তিতে
১৫ লাখ টাকা করে মোট ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার মঞ্জুরিপত্র প্রদান করা হয়।
এর
পাশাপাশি সরকারি অনুদানের জন্য মনোনীত ২০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে প্রথম কিস্তিতে
৬ লাখ টাকা করে মোট ১ কোটি ২০ লাখ টাকার মঞ্জুরিপত্র প্রদান করা হয়।
চলচ্চিত্র
নির্মাণ সাপেক্ষে প্রতিটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে চার কিস্তিতে মোট ৭৫ লাখ টাকা এবং
প্রতিটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে চার কিস্তিতে মোট ২০ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা
হবে।
মন্তব্য করুন


চব্বিশের
জুলাইয়ে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের আগের ১৫ বছরে ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের
অন্যান্য সংগঠনের সন্ত্রাসীদের হামলা ও তৎকালীন সরকারের নির্দেশে রাষ্ট্রীয় বাহিনী
কর্তৃক নিহতদের তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
আজ
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর
মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হামলায় শহীদ বুয়েট শিক্ষার্থী
আবরার ফাহাদের বাবা মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ, ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ ও মামা মোহাম্মদ মোফাজ্জল
হোসেন।
প্রধান
উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আগে আওয়ামী লীগ ও এর সংগঠনের
দলীয় সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহতের তালিকা করে প্রত্যেকটি ঘটনা তদন্তের অনুরোধ জানান
শহীদ আবরার ফাহাদের পরিবার।
এসময়
আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার বিচারকাজ ত্বরান্বিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নিতে
প্রধান উপদেষ্টাকে অনুরোধ জানান মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ।
মোহাম্মদ
বরকত উল্লাহ বলেন, দেশের জন্য কথা বলার কারণে তাঁকে সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে পিটিয়ে
হত্যা করে। সে দেশের স্বার্থে কথা বলেছিল, অসম পানি বণ্টনের বিরুদ্ধে বলেছিল,বলেন তিনি।
আবরার
ফাহাদের বাবা আরও বলেন, তাঁর মা এখনো ছেলের জন্য আর্তনাদ করেন। আর কোনো মায়ের যেন সন্তান
হারানোর কষ্ট পেতে না হয়, আর কোনো মায়ের বুক যেন খালি না হয়।
তিনি
আরও জানান, কুষ্টিয়ায় গড়াই নদীর ওপরে একটি সেতু তৈরির জন্য এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে
দাবি জানিয়ে আসছেন। সেতু না থাকায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে উল্লেখ করে
সেখানে একটি সেতু তৈরির জন্য উদ্যোগ নিতে প্রধান উপদেষ্টাকে অনুরোধ করেন মোহাম্মদ বরকত
উল্লাহ।
সকল
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আরও শিক্ষার্থীবান্ধব করতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ জানান
আবরার ফাহাদের ছোটভাই আবরার ফাইয়াজ।
বুয়েটের
তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ বলেন, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো শিক্ষার্থী
বান্ধব নয়। পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় ল্যাব, সরঞ্জাম ও অন্যান্য ব্যবস্থার সংকট রয়েছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চাই এ সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে
শিক্ষার্থী বান্ধব করতে পদক্ষেপ নেবে।
পাশাপাশি,
বুয়েটে র্যাগিং বন্ধে সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতেও অনুরোধ জানান তিনি।
আবরার
ফাইয়াজ বলেন, বুয়েটে নিপীড়নের ঘটনা এটাই প্রথম না। আগেও ঘটেছে। আগে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে
সেগুলোর তদন্ত ও বিচার করা প্রয়োজন।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আবরার ফাহাদকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে মারার ঘটনাটি পুরো
জাতিকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন হবেই। চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
আগে আওয়ামী লীগ ও এর সংগঠনের দলীয় সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহতের তালিকা করে প্রত্যেকটি
ঘটনা তদন্ত করা হবে। এর পাশাপাশি তৎকালীন সরকারের নির্দেশে রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার
করে যে হত্যাকাণ্ড হয়েছে সেগুলো নিয়েও তদন্তকাজ চলছে। সরকার ইতোমধ্যেই ব্যবস্থা নিয়েছে।
(সূত্র-
বাসস)
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী শহিদুল ইসলাম ওরফে বুইস্যাকে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাতে নগরের দুই নম্বর গেট এলাকা থেকে র্যাব-৭–এর একটি বিশেষ দল তাকে আটক করে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফফর হোসাইন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আজ রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।
র্যাব ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চুরি ও ছিনতাইয়ের মাধ্যমে অপরাধ জগতে প্রবেশ করেন শহিদুল। ভিড়ের মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা লাগিয়ে মানুষের কাছ থেকে মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়াই ছিল তার প্রাথমিক কৌশল। পরবর্তী সময়ে মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েন তিনি এবং প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে গড়ে তোলেন একটি সশস্ত্র বাহিনী।
চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশ এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত শহিদুলের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও মাদকসহ কমপক্ষে ২০টি মামলা রয়েছে। চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে গুলি চালানোর একাধিক অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যে উঠে এসেছে, তার একটি নিজস্ব *‘টর্চার সেল’*ও ছিল।
চাঁদা না দিলে গুলি
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, চাঁদার টাকা না পেলে শহিদুল ও তার সহযোগীরা প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার করত। গত ৪ অক্টোবর পাঁচলাইশের বাদুড়তলা এলাকায় একটি গ্যারেজের সামনে তার সহযোগী মুন্নার গুলি চালানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
এর আগেও গত বছরের ১০ নভেম্বর চান্দগাঁও থানার কাছাকাছি একটি মোটর গ্যারেজে চাঁদা না পেয়ে শহিদুল নিজেই গুলি চালান বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই সময় গ্যারেজ মালিকের কাছে প্রথমে ২০ লাখ টাকা এবং পরে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল বলে জানান ভুক্তভোগীরা। একই বছরের ১৯ অক্টোবর এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতের ঘটনাতেও শহিদুল ও তার সহযোগীদের নাম উঠে আসে।
৩০ সদস্যের বাহিনী, রয়েছে বিদেশি অস্ত্র
পুলিশ ও র্যাব জানায়, শহিদুল প্রায় ৩০ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন, যারা মাদক ব্যবসা, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে সক্রিয় ছিল। তার একাধিক সহযোগী বিভিন্ন মামলার আসামি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিশ্চিত করতে পারেনি শহিদুলের কাছে মোট কত অস্ত্র রয়েছে। তবে গত অক্টোবর মাসে তার সহযোগীদের কাছ থেকে দেশি-বিদেশি অস্ত্র, ম্যাগাজিন ও বিপুল পরিমাণ গুলি উদ্ধারের তথ্য রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে তার বাহিনীর হাতে অস্ত্র দেখা যায়।
‘টর্চার সেলে’ পাওয়া যায় লুট হওয়া গুলি
চান্দগাঁও ও বহদ্দারহাট এলাকার একটি ভবনকে শহিদুল তার নির্যাতন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। সেখানে অভিযান চালিয়ে আগেও তার বেশ কয়েকজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে উদ্ধার হওয়া কিছু গুলি ও খোসা থানার কাছ থেকে লুট হওয়া বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
সেসময় পুলিশ জানায়, যারা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানাত, তাদের ওই নির্যাতন কেন্দ্রে নিয়ে শারীরিকভাবে নিপীড়ন করা হতো। সেখানে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ও নজরদারির সরঞ্জাম পাওয়া যায়।
মেশিনে গণনা হতো চাঁদার টাকা
আরও জানা গেছে, শহিদুলের বাহিনী চাঁদাবাজি ও মাদক বিক্রির টাকা দ্রুত হিসাব করতে ব্যাংকে ব্যবহৃত টাকা গণনার যন্ত্র ব্যবহার করত। এক অভিযানে ওই যন্ত্রসহ নগদ অর্থ ও মাদক উদ্ধার করে পুলিশ।
শহিদুল ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার বাসিন্দা। পড়াশোনা তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার ছবি ও ভিডিও থাকলেও কোনো আনুষ্ঠানিক পদে ছিলেন না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি নিয়ে চট্টগ্রামে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, তার সহযোগীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


ভারতের
তামিলনাড়ুর শিবগঙ্গা বিভাগের কুম্মানগুদিতে দুটি সরকারি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১১
জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৬০ জন।
আজ
রোববার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এ ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ। খবর এনডিটিভির।
তামিলনাড়ুর
পুলিশ প্রধান বলেছেন, দুটি সরকারি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশুসহ ১১ জন নিহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর বাস দুটির সামনে দুমড়ে মুচড়ে যায়। আশপাশের মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে
ছুটে যান। পরে পুলিশও সেখানে উপস্থিত হয়। সাধারণ মানুষ এবং পুলিশ বাসের ভেতর থেকে অনেক
মানুষকে উদ্ধার করে।
এনডিটিভির
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি বাস তিরুপ্পুর থেকে কারাইকুদিতে যাচ্ছিল। অপরটি কারাইকুদি
থেকে দিনদিগুলে যাচ্ছিল। ছবিতে দেখা গেছে একটি বাসের চালকের আসনের পাশের অংশ পুরোপুরি
নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। দুর্ঘটনাস্থলের ভিডিও ছিল বেশ ভয়াবহ। এতে দেখা গেছে, নিহতদের সাড়িবদ্ধ
করে শুইয়ে রাখা হয়েছে। আহতদের শরীর থেকে রক্ত ঝরছে। অনেকে বাসের ভেতরে আটকে আছেন।
গত
সপ্তাহেও তামিলনাড়ুতে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয়জন মারা যায়। ওই ঘটনার রেশ কাটতে
না কাটতেই আরও ১১ জনের মৃত্যু হলো।
মন্তব্য করুন


আবদুল হান্নানের
বাবার নাম আবদুল করিম। তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার চাঁদ উদ্যান এলাকার বাসিন্দা।
গত শুক্রবার
দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ডিআর টাওয়ার ও বায়তুস সালাম
জামে মসজিদের মধ্যবর্তী স্থানে শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত
হন।
র্যাব-২-এর বিপ্লব বড়ই জানান, গুলিবর্ষণের ঘটনায় 'ঢাকা মেট্রো-ল ৫৪-৬৩৭৫' নম্বরের একটি মোটরসাইকেল ব্যবহার করা হয়েছিল। ওই মোটরসাইকেলের মালিক আবদুল হান্নান। ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে গতকাল শনিবার বিকেলে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে পল্টন থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান বলেন, র্যাব একজনকে থানায় হস্তান্তর করেছে এবং জানিয়েছে তিনি হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক।
মন্তব্য করুন


ত্রাণ ও পুনর্বাসনের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে হুঁশিয়ারি দিয়ে দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই আজম বলেছেন, ‘ত্রাণ ও
পুনর্বাসন কর্মসূচি সমন্বয় কমিটি প্রতিনিয়ত মনিটরিং করবে। সেটি আবার মানুষের
কাছে প্রকাশ্য তুলে ধরা হবে। তাই ১০ টাকার জিনিস এখন আর ১০০ টাকা দিয়ে কেনা যাবে
না।’
মন্তব্য করুন


এখন থেকে পাসপোর্ট পেতে আর পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হবে না। জাতীয় পরিচয় পত্রের (এনআইডি) ভিত্তিতে পাসপোর্ট পাওয়া যাবে।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠানো এ সংক্রান্ত নির্দেশনার সারসংক্ষেপ এ বলা হয়, পুলিশ ভেরিফিকেশন যথাসময়ে না পাবার কারণে বা পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় অনাবশ্যক কাগজপত্র যাচাইয়ের কারণে আবেদনকারীরা প্রায়শই ভোগান্তিতে পরার অভিযোগ পাওয়া যায়।
মূলত পাসপোর্টের আবেদনকারীর ভোগান্তি হ্রাস এবং যথাসময়ে পাসপোর্ট প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা তুলে দেয়ার জন্য অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এ অনুশাসন দিয়েছেন।
এতে আরও বলা হয়, নতুন পাসপোর্ট এর আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য যাচাই করে আবেদনকারীকে পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়াই পাসপোর্ট প্রদান করতে হবে।
এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিক ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য পাসপোর্টের নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্যে যাচাই করে পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়াই পাসপোর্ট প্রদান করতে হবে।
মন্তব্য করুন


১৬
ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে ৫৪ জন প্যারাট্রুপার বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড
গড়তে যাচ্ছেন। এই ৫৪ জনের মধ্যে একজন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা)
নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। তিনি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য
স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন।
আজ
রোববার ( ১৪ ডিসেম্বর ) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
সেখানে
বলা হয়, ‘১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে ৫৪ জন প্যারাট্রুপার বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে
বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন। এই ৫৪ জনের একজন আশিক চৌধুরী জাম্প করবেন ওসমান হাদির ছবি
আঁকা হেলমেট পরে। বিজয়ের দিনে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ভ্যানগার্ড ওসমান হাদির দ্রুত
আরোগ্য কামনায় সকলকে দোয়া ও প্রার্থনার আহ্বান জানাই।’উল্লেখ্য,
আগামী ১৬ ডিসেম্বর সকাল ১১টা থেকে ঢাকার তেজগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী,
নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী পৃথকভাবে ফ্লাই পাস্ট মহড়া পরিচালনা করবে। চলবে বিজয় দিবসের
বিশেষ ব্যান্ড-শো। পরে সকাল ১১টা ৪০ মিনিট থেকে ‘টিম বাংলাদেশ’
এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার স্বাধীনতার ৫৪ বছর উদযাপনে পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করবেন।
জনসাধারণের জন্য এই বিশেষ আয়োজন উন্মুক্ত থাকবে।
এর
আগে গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি।
তিনি
জাতীয় সংসদের ঢাকা-৮ আসনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
সেদিন রাত থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
মন্তব্য করুন


খুব শিগগিরই জাতীয় ঐকমত্য কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানিয়েছেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক
আলী রীয়াজ।
আজ রোববার (৫ অক্টোবর) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি
ভবন যমুনায় কমিশন সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক বৈঠকে এ কথা জানান তিনি।
প্রায় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে জুলাই সনদের
বিষয়বস্তু ও এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাব ও এবিষয়ে ঐকমত্য
কমিশনের অবস্থান সম্পর্কে সভাকে অবহিত করা হয়।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস ঐকমত্য কমিশনের কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন,
ঐকমত্য কমিশন সকল রাজনৈতিক দল থেকে ব্যাপকভাবে সহযোগিতা পেয়েছে। এছাড়া,
গণমাধ্যমগুলো ঐকমত্য কমিশনকে অকল্পনীয় সমর্থন দিয়েছে।
কমিশন সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড.
মুহাম্মদ ইউনূস কমিশনের সকল সদস্যদের ধন্যবাদ ও শুভ কামনা জানিয়েছেন। কমিশনের
কাজের চুড়ান্ত অগ্রগতি সম্পর্কে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাঁকে জানানোর নির্দেশ
দিয়েছেন।
আজকের বৈঠকে কমিশনের পক্ষ থেকে বৈঠকে ঐকমত্য
কমিশনের সহসভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, কমিশন সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড.
ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার
বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
পাশাপাশি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, আসিফ নজরুল ও আদিলুর রহমান খান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, বাংলাদেশের ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ, ন্যাশনাল ক্রিশ্চিয়ান ফেলোশিপ অব বাংলাদেশের সভাপতি বিশপ ফিলিপ পি অধিকারী, খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ড. বেনেডিক্ট আলো ডি রোজারিও, জাতীয় চার্চ পরিষদ বাংলাদেশ-এর সভাপতি খ্রিস্টোফার অধিকারীসহ দেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় খ্রিস্টান ধর্মের নেতারা তাঁদের শুভেচ্ছা বক্তব্যে বিশ্বজুড়ে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সুনাম এবং দেশের অর্থনীতি ও সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়নে তাঁর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনও সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আয়োজিত হবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।
আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে যিশু খ্রিস্টকে সার্বজনীন উল্লেখ করে বলেন, যিশু খ্রিস্টের ক্ষমা ও মানবসেবার মহান আদর্শকে সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষও এ বছর উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে বড়দিন উদযাপন করছে।
প্রধান উপদেষ্টাকে বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে জনগণ আপনার ওপর আস্থা রেখেছিল। আপনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে সে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। আমরা প্রার্থনা করি, একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আপনার প্রচেষ্টা সফল হবে।’
প্রধান উপদেষ্টা উপস্থিত নেতৃবৃন্দসহ সবাইকে বড়দিন ও আসন্ন নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘আপনারাই সমাজের প্রতিবিম্ব। আপনাদের দেখলে বুঝতে পারি, সবকিছু ঠিক আছে কি না।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা একটি সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে চাই। সে জন্যই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে জুলাই সনদ প্রস্তুত করা হয়েছে। এই সনদের ওপর গণভোটের মাধ্যমে দেশ আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটে জনগণ যে রায় দেবে, পরবর্তীতে সংসদ সেভাবেই সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করবে।
প্রধান উপদেষ্টা এ সময় আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করে তুলতে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে আড়াই কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার জন্য অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান ট্রাস্টের নেতৃবৃন্দ। দেশব্যাপী ৮০০টি চার্চের মধ্যে তিন ধাপে এ অনুদান বিতরণ করা হচ্ছে বলে জানান তাঁরা।
পরে বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন