

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারীতে ছাত্রীকে
প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে ছাত্রীর মাকে নিয়ে আলামিন নামে এক গৃহশিক্ষক পালিয়েছেন
বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত চার দিন থেকে তাদের খোঁজ পাচ্ছেন
না পরিবারের লোকজন। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই নারীর স্বামী অমল ভুইমালি।
শনিবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় আদিতমারী
থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ উন নবী অভিযোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত
করেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২ জুলাই) উপজেলার
পলাশী ইউনিয়নের নামুড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত গৃহশিক্ষক আলামিন উপজেলার পলাশী
ইউনিয়নের মদনপুর সবজি বাজার এলাকার ওসমান আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অমল ভুইমালির
দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশুকন্যা অপর্না রায় অনুরাধাকে প্রাইভেট পড়াতেন আলামিন।
একপর্যায়ে অমল ভুইমালির স্ত্রী কাকলি রানীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ওই
শিক্ষক। বিষয়টি টের পেয়ে অমল ভুইমালি সপ্তাহ দুই আগে ওই শিক্ষককে তার মেয়েকে পড়াতে
নিষেধ করে দেন। পরে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর কাকলি রানীকে নিয়ে পালিয়ে যান গৃহশিক্ষক
আলামিন।
অমল ভুইমালি জানান, আমার স্ত্রীকে নিয়ে
গৃহশিক্ষক আলামিন পালিয়েছে। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আমি গরিব মানুষ। পুলিশ চার দিনেও
আমাকে কোনো সহযোগিতা করল না। শিশুটিকে নিয়ে বিপাকে আছি।
আদিতমারী থানার ওসি মাহমুদ উন নবী জানান,
এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। ওই গৃহশিক্ষককে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চান্দিনায় গরুর গোবর ফেলাকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের হাতে খুন হলো আপন বড় ভাই হানিফ মিয়া (৩৫)।
বুধবার (২৭ মার্চ) দুপুরে চান্দিনা উপজেলা সদরের আনিছ মোহাম্মদ এর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চান্দিনা থানার এস.আই মো. গিয়াস উদ্দিন।
নিহত হানিফ মিয়া ওই এলাকার আনু মিয়ার ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় হানিফ। হত্যাকারি আনিছ মিয়া নিহতের আপন ছোট ভাই।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা দুই ভাইয়ের পৃথক গরুর খামার আছে। বাড়ির পাশের একটি অন্যের খালি জায়গায় দুই ভাই দীর্ঘদিন যাবৎ গরুর গোবর ফেলে আসছে। বুধবার দুপুরে ওই স্থানে গরুর গোবর ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। চরম উত্তেজনার মধ্যে মেঝ ভাই আনিছ মিয়া বড় ভাই হানিফ মিয়াকে মারধর করে এক পর্যায়ে তাকে কাঠের চোখা টুকরো দিয়ে আঘাত করায় ওই কাঠের চোখা অংশ বাম চোখের ভিতর দিয়ে মাথায় ঢুকে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. আরিফুর রহমান জানান, তার শরীরের বিভিন্ন অংশের ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রচন্ড রক্তক্ষরণ ও মস্তিস্কে আঘাত জনিত কারণে মৃত্যু ঘটে তার।
ঘটনাস্থল থেকে চান্দিনা থানার এস.আই মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, ঘটনার পরপর হত্যাকারী পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থাসহ হত্যাকারীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


ডাকাতির প্রস্তুতিকালে রাজশাহীর কাটাখালী এলাকা থেকে কিশোর গ্যাং ‘জনি বাহিনী’র প্রধানসহ ৯ জনকে আটক করেছে র্যাব। রাজশাহীর ভয়ংকর কিশোর গ্যাং হিসেবে পরিচিত জনি বাহিনী।
শনিবার (৮ জুন) দিনগত রাতে জনি বাহিনীর ৯ জনকে আটক করা হয় কাটাখালীর শ্যামপুর পশ্চিমপাড়া থেকে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ধারালো চাকু ও ৩টি টিপ চাকু উদ্ধার করেছেন র্যাব।
র্যাব-৫ রাজশাহীর সিপিএসসি মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাদের ৯ জনকে আটক করে। আটককৃতরা হলো: জনি বাহিনীর প্রধান জনি ইসলাম (২৩), আবদুল মান্নান খাঁ (২০), আবু হানিফ (১৯), কুরমান আরী (২২), মাসুম আলী (২৭), মো. সাগর (২০), টিপু সুলতান (২০), নুরমান ইসলাম (২০) ও সুজন আলী (৩০)।
রোববার দুপুরে র্যাব-৫ এর সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটককৃতরা চাঁদাবাজি, জমিদখল ও ভাড়ায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল। এলাকায় তারা ‘জনি গ্যাং’ বা ‘জনি বাহিনী’ হিসেবে পরিচিত। অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধে ১০টি মামলা রয়েছে বাহিনীর প্রধান জনির বিরুদ্ধে।
র্যাব-৫ এর সদর দপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, জনি বাহিনীর সদস্যরা শনিবার রাতে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় খবর পেয়ে জনি বাহিনী’র প্রধানসহ ৯ জনকে আটক করে নিজ কার্যালয়ে নিয়ে যায় র্যাব।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার দুপুরে তাদের কাটাখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া আটককৃতদের নামে মামলা দেওয়া হয়। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


গত ২০ এপ্রিল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন চুয়াডাঙ্গায় ৪২ দশমিক ৩
ডিগ্রি, মোংলায় ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি, ঈশ্বরদীতে ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি, খুলনায় ৪১ দশমিক
২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যান্য স্থানেও মৃদু
থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে, এখনো যা বিদ্যমান আছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) আবহাওয়াবিদ মো.
শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ আজ (২৫ এপ্রিল) হতে
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া জলীয়বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি
বাড়তে পারে।
এর
আগের আরও তিনবার তথা গত ৩, ১৯ ও ২২ এপ্রিল তিন দিনের ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি করা
হয়েছিল। তবে প্রথম দুইবার তাপমাত্রা বাড়ার আভাস ছিল।
চলতি
মাসে টানা তাপপ্রবাহ চলছে। মাঝে অতিতীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেলে বর্তমানে কিছুটা
কমেছে।
২০২৩
সালের ১৬ এপ্রিল আগের ৫৮ বছরের মধ্যে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ, ৪০ দশমিক ৬
ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় ১৯৬৫ সালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ ডিগ্রি
সেলসিয়াসে।
এর আগে ১৯৬০ সালে ঢাকার সর্বোচ্চ
তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতে
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এই রেকর্ড
এখনো ভাঙেনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় তিনদিন ব্যাপী জাতীয় পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।
বুধবার বিকেলে কান্দিরপাড় টাউন হল মাঠে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় জাতীয় পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানটি প্রতিদিন বিকেল তিন টা থেকে রাত নয় টা পর্যন্ত চলবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
কুমিল্লার ৬টি উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন ৭০টি পরিবার নিজ বসতভিটায় বিশেষ আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় সেনাবাহিনীর নির্মিত ঘর পেয়েছে।
আজ বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ঘোলপাশায় ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ঘরগুলো উপহার হিসেবে হস্তান্তর করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
এসময় কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার, ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ এনামুল হক, ২৩ বীরের অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেনসহ সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জেলার বুড়িচংয়ে ২৯, ব্রাহ্মণপাড়ায় ১০, সদর দক্ষিণে ৬, চৌদ্দগ্রামে ১০, মনোহরগঞ্জে ১০ ও নাঙ্গলকোটে ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর ২৪ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এসব গৃহনির্মাণ বাস্তবায়ন করে।
ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সঙ্গে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোলপাশা ইউনিয়নের কুমাল্লা গ্রামের উপকারভোগী মো. আলম মিয়ার বাড়ির সামনে থেকে অনুষ্ঠানটি সংযুক্ত হয়।
২০২৪ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন কুমিল্লা জেলার ৭০টি পরিবারের মধ্যে এ ঘরগুলো হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


রাজধানীর কদমতলী এলাকা
থেকে হত্যা মামলায় সুজন (২৪) ও মো. বশির (৫৫) নামে পলাতক ২ আসামিকে গ্রেফতার করেছে
র্যাব-১০।
৭ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১০ এর অধিনায়ক এডিশনাল ডিআইজি মো. ফরিদ উদ্দিন।
র্যাব-১০ এর অধিনায়ক
এডিশনাল ডিআইজি মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ৬ নভেম্বর সোমবার রাতে
র্যাব-১০ এর একটি দল রাজধানী কদমতলী থানার মাদবর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভোলা
জেলার বোরহানউদ্দিন থানার হত্যা মামলার পলাতক ২ আসামিকে গ্রেফতার করে।
তিনি আরও জানান,
আসামিরা ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেছেন। তারা মামলার পর
থেকে রাজধানীর কমদতলীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করেছিলেন।
গ্রেফতারের পর তাদের
থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লাসহ সারা দেশে আলোচিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জান্নাতুন নাঈম ফারিহার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় প্রধান আসামি নিহতের স্বামী মেহেদী হাসান হৃদয়ের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
আজ ২০ মে বুধবার সোয়া ১১টার দিকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (১ নং আমলী আদালত) মমিনুল হকের আদালতে এ রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অমর্ত্য মজুমদার আসামিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। বিবাদী পক্ষের আইনজীবী মাসুদ সালাউদ্দিন ও মাহবুবুল হক খন্দকারসহ আরও কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড নামঞ্জুর করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানান। অপরদিকে, বাদী পক্ষের আইনজীবী তাফসীরুল আলমসহ ১০/১৫ জন আইনজীবী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে মামলার বাদী নিহত ফারিহার বাবা স্কুল শিক্ষক মো: হানিফ মজুমদার, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও আত্মীয়স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ফারিহার মায়ের আহাজারিতে আদালত প্রাঙ্গণ ভারী হয়ে ওঠে। তিনি তাঁর মেয়ে হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন এবং মেহেদী হাসান হৃদয়ের বাসায় থাকা ফারিহার ব্যবহা্য জিনিসপত্র উদ্ধারের জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে আর্তনাদ জানাতে থাকেন।
মামলার প্রধান আসামি মেহেদী হাসান হৃদয়ের সাথে আদালত প্রাঙ্গণে কথা হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, "আমি ঘটনার দিন বাড়িতে ছিলাম না। আমি মেঘনা উপজেলার ছোট সাতমোরা গ্রামে নানার বাড়িতে ছিলাম।"
অভিযুক্ত মেহেদী হাসান হৃদয়ের মামা মোটর পার্টস ব্যবসায়ী মো: আবদুর রহমান জানান, মেহেদী এবং তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে ফারিহার ওপর কোনো চাপ ছিল না। মেয়ের মা সবসময় মেহেদী বেকার থাকায় বিরক্ত হতেন এবং তাকে অপমান করে কথা বলতেন। মেহেদীর মুন্সেফবাড়ির বাসাতেই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। মেহেদী হাসান হৃদয়ের নানা মো: আফজল মিয়া বলেন, "মেহেদী ঘটনার দিন আমার গ্রামের বাড়ি মেঘনার ছোট সাতমারা গ্রামে ছিল। আমরা যদি এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকি, তাহলে আল্লাহ যেন আমাদের বিচার করেন।"
এর আগে, গত ৫ মে মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামে একটি বহুতল ভবনের স্বামী ও শ্বশুরের ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের কান্দাল গ্রামে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ফারিয়া ও হৃদয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার বাসিন্দা আবদুর রহিমের ছেলে হৃদয়ের সঙ্গে ১৫ লাখ টাকা দেনমোহরে ফারিয়ার বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর থেকেই তাঁর স্বামী ও পরিবারের লোকজন ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল। ফারিয়ার পরিবার সেই টাকা দিতে না পারায় তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দেয় এবং এ নিয়ে একাধিকবার ফারিয়াকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
এদিকে, মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী তাফসীরুল আলম অভিযোগ করে বলেন, "আমরা যেভাবে এজাহার জমা দিয়েছিলাম, পুলিশ সেভাবে এজহার গ্রহণ করেনি। এতে করে মামলার ভিত দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে। তারপরেও আমরা আশা করছি, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।"
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়ের করা একাধিক ফৌজদারি মামলার আসামিরা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরেই অধরা রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এসব আসামি ও তাদের সহযোগী একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র গড়ে তুলে ভুক্তভোগীকে ধারাবাহিকভাবে হুমকি, চাঁদাবাজি, অপহরণের চেষ্টা এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার মতো নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে।
মামলার বাদী পেশাজীবী ও জাতীয় অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জানান, তার দায়ের করা জি আর মামলা নং ৪১(৮৫০)/২৪ (তারিখ: ১৪ নভেম্বর ২০২৪)–এ আদালত নামীয় ও অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে বিচার প্রক্রিয়া বিঘ্নিত না করা এবং সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন কুমিল্লা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১।
তবে অভিযোগ রয়েছে, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীর দাবি, আসামিরা একটি সংগঠিত সিন্ডিকেট তৈরি করে বিভিন্নভাবে তাকে ও তার পরিবারকে টার্গেট করে আসছে। তারা কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে, কখনো আবার সরাসরি হুমকি দিচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এই চক্রটি ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত অনুভূতিতে আঘাত করে মানহানিকর তথ্য ছড়াচ্ছে এবং সাইবার মাধ্যমে হয়রানি চালাচ্ছে। এ বিষয়ে থানার মাধ্যমে তদন্তের জন্য বিষয়টি সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানান। এছাড়া ফেসবুকে আপত্তিকর ছবি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং মব তৈরি করার চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে।
ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, আসামিরা একটি ভুয়া প্রশাসনিক পরিচয় ব্যবহারকারী “স্যার চক্র” নামে একটি প্রতারক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। এমনকি মিথ্যা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কথা বলে তাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
এছাড়া, একাধিকবার অপহরণের চেষ্টা, হত্যার উদেশ্য আহত করা,অপহরণ, মুক্তিপন করে চাঁদা দাবি, এবং পেশাগত কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সকল কিছুর প্রমানিক প্রমাণিত নথি পাত্রাদি অপরাধ করা মুহুর্তে কালীন অপরাধী ছবি সি সি ক্যামেরার আওতায় স্থির চিত্র রয়েছে। ভুক্তভোগী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জানায়, তার পিছনে প্রায় সময় এবং আশে পাশে সিনয় সন্দেহজনক লোকজন অবস্থান নিয়ে রহস্যময় ভাবে চলাফেরা করা সহ পেশাদার এই অপরাধী বে- আইনি ভাবে বিরোধিতা করে প্রায় সময় প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ষরজন্ত্র লাগামহীন ভাবে করেই চলছে এবং প্রতিটি সময়ে তারা বিভিন্ন বে আইনি ভাবে ও আইন বিরোধী কাজ করে ও পরিকল্পিত পরিকল্পনা মাফিক অপরাধ করার লক্ষে আমার গতিবিধি প্রতিনিয়ত নজরদারি করেই সব ঘটে জাওয়া অপরাধ গুলো অতীতে সংগথিত করে, চলমান করছে এবং আগামীতে কোন আইন আদালত পুলিশ প্রশাসন পরোয়া না করে বেপরোয়া ভাবে চলমান অপরাধ এইটাই স্পষ্ট ভাবে ইংগিত করে তারা অপুরনীয় ক্ষতি বা প্রান নাশ বিভিন্ন ষরজন্ত্র করতেই থাকবে। একপর্যায়ে তার বাসায় গোপনে ক্যামেরা স্থাপন করে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করা হয়, তার মোবাইল, ফেসবুক আই ডি,whats app,imo,massenger আই ডি হ্যাকিং করে তথ্য পাচার ও তথ্য বিভ্রান্তি সামাজিক পরিসরে বিভিন্ন মহলে বেপরোয়া ভাবে করেই চলছে।একাধিক বার এই বিড়াট চক্রটি পুলিশ হাতে গ্রেফতার হয়। তারপর তাদের অপরাধ না থামিয়ে আরো আধুনিক ভাবে চক্রটি নগরীর বুকে পেশাগত ভাবে একটির পর একটি ধরাছোঁয়ার বাহিরে লোকজন দিয়ে করে চলছে ও চালাবে।তাদের সকল অপরাধ আলামত মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্রর দায়ের করা মামলার সুত্র ধরে সকল কিছুর আমলজোগ্য ও অধতব্য সাইবার অপরাধ সব কিছুর আলামত পুলিশ জব্দ তালিকা জব্দ করে বিশেষ অপরাধ তদন্ত বিভাগ ( সি আই ডি পুলিশ) নিকট প্রেরন করেন ইতিমধ্যে। পুলিশের মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে।
আরও উদ্বেগ প্রকাশ করার বিষয় হলো, ভুক্তভোগীর বাসার সামনে কাফনের কাপড় রেখে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, যদি তিনি সংবাদ প্রকাশ বন্ধ না করেন, তাহলে তাকে কাফন পরতে হবে। এ ঘটনায় তিনি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আসামিরা বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে তাদের আত্মীয়স্বজন বা পরিচিতজন থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের নিরাপদ রাখার চেষ্টা করছে। ফলে আইন প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে—কিভাবে এত অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পরও তারা গ্রেপ্তার এড়িয়ে যাচ্ছে।
এদিকে, দস্যুতা সংক্রান্ত আরেকটি মামলা (এফআইআর-৫১, জি আর-৮১২; তারিখ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫)–তেও আসামিরা পলাতক রয়েছে। ওই মামলার কোনো মালামাল এখনো উদ্ধার হয়নি। দুটি মামলাই আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য হওয়ায় দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্নের দাবি জানিয়েছেন বাদী।
এছাড়া, সম্প্রতি আরও একটি সিআর মামলা (নং-৬১৫/২৬; তারিখ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে। এতে দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ১৪৩, ৩২৩, ৩০৭, ৩৮৫, ৩৬৫, ৪২০, ৫১১, ৫০০, ৫১১,৩৭৯, ৫০৬(২) ও ৩৪ ধারায় সংলিস্ট সাইবার সংক্রান্ত অপরাধ অভিযোগ আনা হয়েছে। আমলী আদালত সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট -১ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আমলজোগ্য মামলাটি সরাসরি নথি পাত্রাদি সহ সকল অপরাধ আলামত উপর ভিত্তি করে আমলে নিয়ে পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বাদী জানান, এসব ধারাবাহিক অপরাধের মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে তার সামাজিক সম্মানহানি করা হয়েছে এবং তাকে মানসিকভাবে চাপে রাখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় তিনি বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টারে লিখিত অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে আইজিপির অভিযোগ সেল থেকে ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে একটি স্মারক জারি করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে কুমিল্লার পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে পুলিশ সুপার বিষয়টি গ্রহণ করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এর মাধ্যমে কোতোয়ালি থানাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদ আনোয়ার বলেন, “পুলিশ হেডকোয়ার্টারের নির্দেশে আমরা বাদীর বাসায় গিয়েছি এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলাগুলোর বিষয়েও তদন্ত চলছে আসামি সহ আসামিদের অপরাধ সহজোগিতাকারী অজ্ঞাত আসামীদের কে গ্রেপ্তার অভিজান অব্যাহত আছে।”
তবে ভুক্তভোগীর অভিযোগ, এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি বরং আসামিরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং বিভিন্ন ছদ্মবেশে ধারণ করে পুনরায় অপরাধ সংঘটনের সক্রিয় প্র চেষ্টা চালিয়ে একেক সময় একেক অপ করছে।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমার এবং আমার পরিবারের সদস্যদের জীবন হুমকির মুখে রয়েছে।”
মন্তব্য করুন


হৃদয় চন্দ্র দাস:
কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ে খন্দকার
হক টাওয়ার মার্কেটে জমকালো আয়োজনে শুভ উদ্বোধন হলো oppo এক্সক্লুসিভ শো-রুম। শুভ
উদ্বোধন উপলক্ষে মাসব্যাপী প্রত্যেকটি মডেলের সাথে থাকছে আকর্ষণীয় গিফট অফার। তাই
দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন এবং বুঝে নিন আপনার পছন্দের ডিভাইসের সাথে আকর্ষণীয়
সব গিফট অফার।
মন্তব্য করুন