

"সুস্থ দেহে সুন্দর মন, গড়ে তোলে ক্রীড়াঙ্গন" এই স্লোগানকে সামনে রেখে কুমিল্লায় জুনিয়র গ্রুপ সিনিয়র গ্রুপ আন্তহাউজ ভলিবল ও ফুটবল সেমিফাইনাল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সামরিক ভূমি ও সেনানিবাস অধিদপ্তরের আওতাধীন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বালক উচ্চবিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত জুনিয়র গ্রুপ ১২টি হাউস, দুটি ইভেন্ট ও সিনিয়র গ্রুপ ১২টি হাউস দুটি ইভেন্ট নকআউট পদ্ধতির প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব শেষে আজ ২২ নভেম্বর ২০২৩ উদ্বোধনী ম্যাচ শুভ উদ্বোধন করেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ক্রীড়া কমিটির সম্মানিত আহবায়ক জনাব নুরুন্নবী, সম্মানিত সিনিয়র শিক্ষক বৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, বিএনসিসি স্কাউট সহ দর্শক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সকলে ব্যাপক আগ্রহ, উৎসাহ, উদ্দীপনা, আনন্দঘন পরিবেশে জুনিয়র সেমিফাইনাল ভলিবল ম্যাচ উপভোগ করেন। ক্রীড়া কমিটির আহবায়ক সহকারী প্রধান শিক্ষক তাঁর বক্তব্যে বলেন," সুস্থ দেহে সুন্দর মন" প্রাচীন কালের বাক্যটি সত্য বলে প্রমাণিত, খেলাধুলা চর্চা করবে, খেলাধুলা করলে দেহ ও মন ভালো থাকে, দেহ ও মনের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ, সামাজিক গুণাবলী অর্জন, খেলাধুলা করলে সুঠাম দেহের অধিকারী হওয়া যায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, খেলাধুলা করলে নেতৃত্বের গুণাবলী অর্জন হয়, শিক্ষার্থীরা খেলার মাঠে বেশি বেশি সময় দিলে সমাজ সফলতার শীর্ষে পৌঁছাবে। পরিশেষে তিনি বলেন, জয় পরাজয় থাকবেই খেলোয়াড় সুলভ মানসিকতা নিয়ে খেলার পরামর্শ দেন। স্ট্রেচিং, ওয়ার্ম আপ ছাড়া কেউ খেলবে না, খেলা শেষে কুল ডাউন করে বাসায় ফিরবে।
দুইজন লাইন জাজ, একজন স্কোরার, একজন আম্পায়ার, রেফারী হিসেবে খেলা পরিচালনা করেন ঢাকা বাংলাদেশ ব্যাংক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক উক্ত বিদ্যালয়ের সম্মানিত সহকারী শিক্ষক(শারীরিক শিক্ষা) টিইউও, এমপিএড মাইনউদ্দিন সরকার।
তিন সেট ভলিবল খেলা পরিচালনা শেষে তিনি বলেন, আমি আমার কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, জুনিয়র, সিনিয়র আন্ত:হাউস ফুটবল ভলিবল প্রতিযোগিতা ২০২৩ আয়োজন করে দেয়ার জন্য, ২২ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সেমিফাইনাল চলবে, উৎসবমুখর পরিবেশে, দর্শকরা একটি চমৎকার ম্যাচ উপভোগ করেছে,জাতীয় নিয়ম অনুযায়ী দুই পয়েন্টের ব্যবধানে ২৫ পয়েন্টে গেম হয়,তিন সেটের খেলায় দুই সেট জয়ী মেঘনা ক হাউস ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ফাইনাল খেলবে, অভিভাবকদেরকে তিনি অনুরোধ করেন শিক্ষার্থীদেরকে খেলার মাঠে ব্যায়াম, শরীরচর্চা বিভিন্ন প্রকার খেলাধুলা, অনুশীলনের জন্য মাঠে পাঠাবেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, শিক্ষার্থীরা খেলার মাঠে থাকলে, আগামী দিনে একটি উন্নত জাতি হিসেবে এবং উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমরা প্রতিষ্ঠিত হতে পারব। খেলাধুলা ব্যতীত মেধা বিকাশ হয় না,সামাজিক গুণাবলী অর্জন হয় না, পরিশেষে ক্রীড়া কমিটির উপদেষ্টা সম্মানিত সিনিয়র শিক্ষক গণিত ও বিজ্ঞান জনাব ইমাম হোসেন , সিনিয়র শিক্ষক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি জনাব সিরাজুল ইসলাম মোল্লা সম্মানিত শিক্ষক জনাব কামাল আহমেদ, জনাব আরিফুর রহমান জনাব জাফর সাদিক জনাব কাজী দেলোয়ার হোসেন জনাব এনামুল হক জনাব সাইফুর রহমান সহ অন্যান্য শিক্ষকদের প্রশংসা করেন, ফলাফল ঘোষণায় উপদেষ্টা জনাব ইমাম হোসেন মহোদয় বলেন -আজকে অনেকদিন পর উৎসবমুখর পরিবেশে সুন্দরভাবে ভলিবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সবাই উপভোগ করেছি, তিনি ফিজিক্যাল টিচারকে ধন্যবাদ দেন, ষষ্ঠ শ্রেণি দুর্ভাগ্যক্রমে পরাজিত মেঘনা ক বনাম গোমতী গ ২-১ সেটের ব্যবধানে গোমতী গ হাউসকে হারিয়ে মেঘনা ক হাউস ফাইনালে উত্তীর্ণ। উভয় হাউসকে অভিনন্দন জানিয়ে আল্লাহ হাফেজ বলে অনুষ্ঠানের সমাপ্ত ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দক্ষিণে বন্যাকবলিত এলাকার বাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ফুরিয়ে আসছে ।
আর উঁচু জায়গার বাজারগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে শুকনো খাবারের চাহিদা বেড়ে গেছে। আর এতে টান পড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, ডাল, আলু, তেল, পেঁয়াজ, রসুনসহ প্রায় সব পণ্যের। বন্যার কারণে সরবরাহ ঠিকমতো নেই। সে কারণে বাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য নেই বললেই চলে।
এছাড়াও জরুরি ওষুধের সংকটও দেখা দিয়েছে। যার কারণে দূর-দূরান্তের বাজারগুলো থেকে চড়া দামে খাদ্যদ্রব্য সংগ্রহ করতে হচ্ছে স্বেচ্ছাসেবক এবং সাধারণ মানুষদের।
চৌদ্দগ্রামের বসুয়ারা গ্রামের আবুল বাশার জানান, এ উপজেলা ফেনী লাগোয়া। কুমিল্লায় সবচেয়ে বেশি বন্যাকবলিত এলাকা চৌদ্দগ্রাম। এখনো ৮০ শতাংশ গ্রাম পানির নিচে। ফেনীর উত্তরাংশ লাগোয়া অনেক গ্রামে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাদের জীবন কীভাবে চলছে বোঝা যাচ্ছে না। ওইসব এলাকার বাজারগুলোও পানির নিচে। টাকা থাকলেও তারা আজ অসহায়।
নাঙ্গলকোটের করপাতি গ্রামের আরিফ হোসেন বলেন, কোনো বাজারেই খাবার নেই। অনেক দূরে লাকসাম বাজারে গিয়ে শুকনো খাবার সংগ্রহ করছি। সেখানেও চড়া দাম। নাঙ্গলকোটের অনেক দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছাচ্ছে না। প্রবাসী ও স্থানীয় পেশাজীবীরা সহযোগিতা করছেন। এক সপ্তাহ ধরে মানুষ পানিবন্দি। বাজারেও পণ্য না থাকলে এভাবে আর চালিয়ে নেওয়া যাবে না।
এ উপজেলার আইটপাড়া গ্রামের জাবেদ হোসেন বলেন, শহরের কাছাকাছি এলাকায় মানুষ যথেষ্ট ত্রাণ পাচ্ছেন। আমাদের এলাকা দূরবর্তী হওয়ায় বাইরে থেকে সহযোগিতা পাচ্ছি না। আমাদের অনেক অনেক ত্রাণ দরকার।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কুমিল্লার লাকসাম, নাঙ্গলকোট, চৌদ্দগ্রাম ও মনোহরগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে। প্রায় পাঁচ সেন্টিমিটারের মতো পানি কমেছে ওইসব এলাকায়। অপরদিকে গোমতীর বাঁধ ভেঙে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বুড়িচংয়ের পর ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। গোমতীর পানি ঢুকছে দেবিদ্বার উপজেলাতেও।
মন্তব্য করুন


চিকিৎসক ছাড়াই ঝুঁকি নিয়েই রক্ত ট্রান্সফিউশন
করছিল একটি প্রতিষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লার
সিটি ব্লাড ব্যাংক অ্যান্ড ট্রান্সফিউশন মেডিসিন সেন্টার নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ঘটনাটি
ঘটে। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ বেড সরিয়ে ফেলার
নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন- কুমিল্লা জেলা
প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এনডিসি) কানিজ ফাতেমা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,
কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার আব্দুল কাইয়ুম ও জাকির হোসেন।
মেডিক্যাল অফিসার আব্দুল কাইয়ুম বলেন,
নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ওই প্রতিষ্ঠানে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি, এক শিশুর ব্লাড
ট্রান্সফিউশন করা হচ্ছিল। পাশে বসা শিশুর মা। কোনও চিকিৎসক ছাড়াই প্রতিষ্ঠানের লোকজন
এসে ব্লাড ব্যাগ ঝুলিয়ে দিয়ে গেছেন। এ ছাড়াও সেখানে ডে-কেয়ার সেন্টারের নামে অবৈধভাবে
বেড রেখে রক্ত নেওয়া ও দেওয়ার কাজ চলছিল। তাৎক্ষণিক ওই প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করি। ১০
হাজার টাকা জরিমানা করে বেড সরানোর জন্য বলি। এ ছাড়াও একই দিন আমরা সদর হাসপাতাল রোডের
গ্রামীণ মেডিক্যাল সেন্টার পরিদর্শন করি। এ সময় ওই প্রতিষ্ঠানের অপরিচ্ছন্ন ল্যাব ও
বিভিন্ন অনিয়মের জন্য ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


মোঃ মাসুদ রানা,কচুয়া প্রতিনিধিঃ
মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের পাঁচ উপজেলার অর্ধশত গ্রামে ঈদুল ফিতর নামাজ আদায় হচ্ছে। বুধবার (১০ এপ্রিল) পবিত্র ঈদুল উদযাপন করার লক্ষে ওই সব গ্রামের মুসল্লিরা নানা প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
মূলত বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে ঈদ উদযাপিত হয়ে থাকে। হাজীগঞ্জের পীরের অনুসারী হিসেবে ১৯২৮ সাল থেকে তাঁর পরিবারের সদস্যরা নির্ধারিত তারিখের এক দিন আগেই ঈদ উদযাপন করছেন। বুধবার হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরীফ জামে মসজিদে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই ঈদ জামাতে ইমামতি করবেন বর্তমান পীর মুফতি আল্লামা যাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।
ঈদের নামাজ পড়তে আসা ৯৫ বয়সি আব্দুল হামিদ বলেন, আমি জন্মের পড় থেকে সাদ্রা দরবার শরীফে ঈদের নামাজ করছি। আমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখি, আবার চাঁদ দেখে ঈদের নামাজ আদায় করি।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, জাকনী, প্রতাপপুর, বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুরের মুসল্লিরা এক দিন আগে ঈদ পালন করেন।
এ ছাড়া মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলার মতলব উত্তর উপজেলার সাড়ে পাঁচানী, দেওয়ানকান্দি পাঁচানী, সাতানী, লতুরদী, মোহাম্মদপুর, মোহনপুর, এখলাশপুর, দশানী, নায়েরগাঁও, বেলতলীসহ শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি গ্রামে এক দিন আগে ঈদ উদযাপন করেন মুসল্লিরা।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বিদ্যালয়ে বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনী শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এ বৃক্ষ রোপণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান জয়।
এসময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান,সহকারী শিক্ষক আসাদুজ্জামান,সুজন চৌধুরী,ছাত্রলীগ নেতা অন্তুর হোসেন,রাফি মজুমদার, মুজিব দেওয়ানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাসে ভারী ভর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যার প্রবল স্রোতে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে গোমতী নদীর উপর ইস্পাত ও কাঠের সংমিশ্রণে নির্মিত অস্থায়ী সেতু।
বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার আসমানিয়া বাজার সংলগ্ন ওই সেতুটি ভেসে যাওয়ার দৃশ্যটি বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় সেতুটির উপর দিয়ে পারাপাররত মানুষগুলোকে দিকবিদিক ছুটতে দেখা যায়। সেতুটি প্রথমেই পূর্বদিকে হেলে যায়, তারপর কিছুক্ষণ ভেসে তা নদীতে বিলিন হয়ে যায়।
সেতুটি ভেসে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে প্রায় ২২টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ। এতে করে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এলাকাসীর মাঝে। দুর্বল অবকাঠামোয় নির্মাণ ও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারনে সেতুটি এনিয়ে দুই বার ভেঙে যায় বলে জানান তারা।
পথচারীরা জানান, সেতুটি ভেঙে পড়ায় আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। বিকল্প নৌকায় যাতায়াত করতে গেলে এখন টাকা ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভিডিও দেখেছি, এখনো পরিদর্শনে যেতে পারিনি। প্রবল স্রোতে ও কচুরিপানার চাপে সেতুটি ভেসে যায়। তাছাড়া নতুন ব্রিজের কাজ চলমান হওয়ায় নদীর দুপাশ সরু হওয়ায় ওই অংশে স্রোতের চাপ বেড়ে যাওয়ায় অস্থায়ী সেতুটি ভেসে যায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে অস্থায়ী সেতুটি পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে অপহরণের একদিন পর এক কলেজ ছাত্রীকে (১৭) উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এ সময় অপহরণকারী সদস্যদের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার রাতে অপহরণের ঘটনায় ওই কলেজ ছাত্রীর বাবা থানায় মামলা করলে বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার সাতপাড় এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক বাবুল হোসেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, কলেজে আসা যাওয়ার পথে বাইখির-বনচাকী গ্রামের দিবস সরকার (২২) প্রতিনিয়ত প্রেমের প্রস্তাব ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) ওই ছাত্রী কলেজে অটোযোগে যাওয়ার পথে সকাল ১১টার দিকে কলেজের গেটের সামনে থেকে দিবস তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে ওই ছাত্রীর মুখে গামছা বেধে সাদা রঙের মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে চলে যায়। বুধবার রাতে অপহরণের ঘটনায় ওই কলেজ ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে চতুল ইউনিয়নের বনচাকী বাইখির গ্রামের দিবস সরকার (২২), পিজুস বিশ্বাস (২০), অসিম বিশ্বাস (৪৫) ও গুনবহা গ্রামের রমেশ পালকে (২৭) আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলায় আরো ২-৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। মামলা নম্বর ৩৪।
মামলার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার সাতপাড় এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে ওই কলেজ ছাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, অপহরণ হওয়া ওই কলেজ ছাত্রীকে বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার সাতপাড় এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।
এ সময় মামলার ১ নম্বর আসামি দিবস সরকারকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ওই কলেজ ছাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় বাকি বিল্লাহ (৩৫) উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ফেরী করে বিক্রি করেন নানান জিনিসপত্র। খেলনা থেকে শুরু করে নারীদের বিভিন্ন প্রসাধনীসহ নানান বাহারী রকমের সামগ্রী বিক্রি করেন তিনি। বাকী বিল্লাহ জীবন সংগ্রামে জীবিকা নির্বাহের যুদ্ধে এখনো ঠিকে আছেন তিনি। প্রতিদিন ৪শ থেকে ৫শ টাকা বিক্রি করেন। যা আয় হয়,তাই দিয়ে সংসার চলে তার। সে হবিগঞ্জের বানিয়াচোং উপজেলার সুজাতপুর গ্রামের অধিবাসী মৃত. সফিক মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, কচুয়া উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গ্রামীন জনপদে ফেরিওয়ালাদের আনাগোনা খুবই কম। এক সময় উপজেলার প্রতিটা গ্রামেই ফেরিওয়ালাদের বিচরন ছিলো চোখে পড়ার মতো। ফেরি ওয়ালারা বিক্রি করত জিনিসপত্র। তবে ফেরিওয়ালারা বিভিন্ন জিনিসপত্রের বিনিময়ে ক্রেতাদের নিকট থেকে পুরাতন পরিত্যক্ত মালামাল নিয়ে যেতো। গ্রামের শিশু থেকে শুরু করে বয়বৃদ্ধরাও ফেরি ওয়ালাদের হাক ডাক শোনার সাথে সাথে পরিত্যক্ত প্লাষ্টিক এবং লৌহজাত পন্য নিয়ে ছুটে যেতো ফেরিওয়ালাদের নিকট। কালের বিবর্তনে গ্রামীন জনপদ থেকে সেই ফেরিওয়ালাদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। আধুনিক জীবন ব্যবস্থার সবকিছুর পরিবর্তন হলেও প্রত্যান্ত অঞ্চলের গ্রামগুলোতে আজও ফেরিওয়ালাদের দেখা যায়। যুবক বাকী বিল্লাহ ছুটে চলেছেন গ্রামের মেঠো পথ ধরে। কচুয়ার প্রতিটি গ্রামে প্রতিদিন এভাবেই তাকে ছুটে চলতে হয়। অকালে পিতাকে হারানোর পর তিনি ছোট বেলা থেকেই ফেরি করে সংসার চালান। বিবাহিত জীবনে তার স্ত্রী ও একটি পুত্র সন্তান রয়েছে ।
ফেরিওয়ালা বাকী বিল্লাহ জানান, গৌরিপুর থাকেন তিনি। প্রতিদিন গৌরিপুর থেকে কাধেঁ করে ফেরির মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় যান। তার বাশির ডাকে শিশু থেকে শুরু করে নানা বয়সী মানুষেরা ভিড় করেন। পরে কথার ধরনের ক্রেতারা মালামাল ক্রয় করেন। প্রতিদিন ৪শ থেকে ৫শ টাকা বিক্রি করলে তার ৩শ টাকা আয় হয়। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ফেরিওয়ালারা আরো ব্যাপক আকারে সুবিধা পাবেন বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩জন আটক ও ডাকাতির ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার রাতে কচুয়া থানার এসআই আনোয়ার হোসেন ও সাইফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার বাতাপুকুরিয়া এলাকা থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদের আটক করেন।
আটককৃতরা হলেন, উপজেলার বাইছারা গ্রামের আব্দুল জলিল ভূঁইয়ার ছেলে শরীফ ভূঁইয়া(৩৪),বুধুন্ডা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে বাদশা মিয়া (১৯) ও মফিজুল ইসলামের ছেলে মো. নাঈম হোসেন (২০)।
কচুয়া থানার ওসি এম আবদুল হালিম জানান, সোমবার রাতে বাতাপুকুরিয়া এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নেয় অজ্ঞাত ডাকাতদল। পুলিশ গোপন সংবাদ পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতির ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ তাদের আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় মামলা দায়েরের পর মঙ্গলবার চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কৃষি জমিতে বোরো চারা রোপনে ব্যস্ততম সময় পার করছেন কৃষকরা। শীতের সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মাঠে মাঠে চলছে হাল-চাষ, জমির আইল নির্মাণ, সেচ, চারা রোপন ইত্যাদি কাজ। আগাম জমি প্রস্তুত করে কে বা কারা আগে ধানের চারা রোপন করবেন এমন প্রতিযোগীতা চলছে কৃষকদের মাঝে। কেউ জমিতে সার-গোবর দিচ্ছেন, কেউ শ্রমিকদের তদারকি করছেন, আবার কেউ চারা রোপন করছেন অনেকে জমির আগাছা বাছাই করে এক স্থানে স্তুপ করে রেখে তা পরিচর্চা করে জমিতে ব্যবহার করছেন।
কচুয়া উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৩০ হেক্টর। এ পর্যন্ত মোট লক্ষ্যমাত্রার ৭০ ভাগ আবাদ হয়েছে। তবে এখনও যেটুকু সময় বাকি আছে তাতে আশা করা হচ্ছে, এবারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আবাদ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এছাড়াও এবার বোরো ধানের আবাদ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলার প্রায় ৪ হাজার ৬শ বোরো চাষিকে বিনামূল্যে হাইব্রিড বীজসহ নানা ধরনের উপকরণ সহায়তা করা হয়েছে।
দহুলিয়া ও পালাখাল গ্রামের কৃষক কাজল, জসীম উদ্দিন ও জিলহজ জানান, গত বছর ব্যাপকভাবে বোরো ফসল ফলন হলেও পানি সেচ দেয়া নিয়ে অনেক ঘাটতি হয়েছে। এজন্য এবার আগাম জমি প্রস্তুত করে ধানের চারা রোপন শুরু করেছেন। যাতে আগে আগে পানি সেচ দিতে পারেন তারা। অনেক স্বপ্ন নিয়ে চারা রোপন করছেন তারা। এবার উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সরকারিভাবে ধানের বীজ পেয়েছেন বলে তাঁরা সকলেই জানান।
কচুয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. মেজবাহ উদ্দিন জানান, এবারের বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ১৩ হাজার ৩০ হেক্টর। ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৬শ’ কৃষকের মধ্যে হাইব্রীড বীজ ও উপসি বীজ সরকারিভাবে বিতরণ করা হয়েছে। গত মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় এবার স্থানীয় অধিকাংশ কৃষকরা ধান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আশা করা যাচ্ছে গত বছরের তুলনায় এবার বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা অনেক বেশি ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক মামলায় তিতাস গ্যাসের পিয়ন (অফিস সহায়ক) জহিরুল ইসলামের ৩ স্ত্রীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রায় এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
গতকাল রোববার (৭ জুলাই) বিকেলে কুমিল্লার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বেগম শামসুন্নাহার ৩টি মামলায় জহিরুলের ৩ স্ত্রীর বিরুদ্ধে এ রায় দেন।
অবৈধ সম্পত্তি অর্জনের অভিযোগে ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ঢাকার অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের ৩ স্ত্রীকে এই সাজা দেওয়া হয়। তবে ৩ স্ত্রীর সাজা হলেও স্বামী জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সকল মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয় তাকে।
অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার আনন্দপুর গ্রামে। স্ত্রীদের সঙ্গে প্রতিটি মামলাতেই দ্বিতীয় আসামি হিসেবে নাম ছিল জহিরুলের। রায় ঘোষণার সময় জহিরুল ও তার ৩ স্ত্রী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত ৩ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক ফজলুল হক।
দুদক কুমিল্লা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৯ ফ্রেব্রুয়ারি দায়েরকৃত পৃথক ৩টি মামলায় সেলিনা আক্তার, আকলিমা আক্তার ও আসমা আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ তদন্তপূর্বক মামলার বাদী ছিলেন, দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আক্তারুজ্জামান।
দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক ফজলুল হক জানান, স্থাবর, অস্থাবর অবৈধ সম্পত্তি অর্জনের দায়ে তিতাস গ্যাসের ঢাকা অফিসের অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী সেলিনা আক্তারকে ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং ১২ লাখ ১২ হাজার ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। দ্বিতীয় স্ত্রী আকলিমা আক্তারকে ৪ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩৪ লাখ ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া তৃতীয় স্ত্রী আছমা আক্তারকে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫১ লাখ ৯৯ হাজার ৮০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত। অর্থদণ্ডের টাকা রাষ্ট্রের কোষাগারে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মন্তব্য করুন