

কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন সাওয়ালপুর এলাকা হতে ১২৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৩ জানুয়ারী ২০২৪ইং তারিখ রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন সাওয়ালপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১২৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার পশ্চিম জালুয়াপাড়া গ্রামের মোঃ মানিক মিয়া এর ছেলে মোঃ জসিম উদ্দিন (৪৫)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে দীর্ঘদিন যাবত কুমিল্লা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিল সহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সহবরাহ করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এলাকা বাংলাদেশ সচিবালয় এবং প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’ ও এর আশপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, মানববন্ধন ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
আজ বুধবার (৫ নভেম্বর) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স ১৯৭৬ (অর্ডিন্যান্স নং III/৭৬)-এর ২৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশনা বহাল থাকবে।
নিষিদ্ধ এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশ সচিবালয় ও এর সংলগ্ন এলাকা, প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল। এর মধ্যে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং ও মিন্টো রোড ক্রসিং পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা অন্তর্ভুক্ত।
ডিএমপি জানিয়েছে, নির্ধারিত এলাকায় কোনো ধরনের সভা, সমাবেশ, গণজমায়েত, মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট বা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না। জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ
সচিব আলী ইমাম মজুমদার।
সোমবার (১২ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের
জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।
১৯৫০ সালে কুমিল্লার নানুয়া দিঘিরপাড়ে
জন্মগ্রহণ করেন আলী ইমাম মজুমদার। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগে ১৯৬৯
সালে স্নাতক ও ১৯৭৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।
আলী ইমাম মজুমদার ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ
সিভিল সার্ভিসের প্রশাসন ক্যাডারের সদস্য হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। চাকরিজীবনে তিনি
প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সহকারী কমিশনার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ
উপজেলা ও জেলায় বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী
কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিমান
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বও পালন
করেন।
২০১৬ সালে তিনি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
বাংলাদেশ (টিআইবি)-র ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ও ২০২০ সাল থেকে মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব
পালন করছেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস লুটপাট হওয়া সম্পদ ও অর্থ পুনরুদ্ধারের পর সেই
সম্পদ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে একটি তহবিল গঠনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ
সোমবার (১৯ মে) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস বিফ্রিংয়ে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, লুটপাট হওয়া অর্থ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি তহবিল
গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা, যা জনকল্যাণে ব্যবহার করা হবে।
এর
আগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারের অগ্রগতি নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত
হয়।
সভায়
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সভাপতিত্ব করেন।
প্রেস
ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, এই তহবিল বর্তমান আইন অনুযায়ী
গঠিত হবে। তবে প্রয়োজনে তহবিল গঠনের জন্য আইন সংশোধন করা হবে।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের গভর্নর আরও বলেন, আমি আশা করি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে এই তহবিল গঠন
করা সম্ভব হবে। তবে পরবর্তী নির্বাচিত সরকারকে তা চালিয়ে নিতে হবে।
মন্তব্য করুন


নারী
শিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চার নারীর
হাতে রোকেয়া পদক ২০২৫ তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
আজ
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের হাতে
রোকেয়া পদক তুলে দেন তিনি।
পদকপ্রাপ্তরা
হলেন নারী শিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব, নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার)
কল্পনা আক্তার, মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস ও নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া)
ঋতুপর্ণা চাকমা।
জাতীয়
পুরস্কার সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সুপারিশে এ চারজনকে রোকেয়া পদকের জন্য মনোনীত
করা হয়। গত বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) তাদের নাম অনুমোদনের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে
পাঠানো হয়েছিল। ৯ ডিসেম্বর নারী জাগরণ ও শিক্ষার পথিকৃৎ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের
জন্ম ও মৃত্যুদিন। ১৯৩২ সালের এ দিনে মারা যান তিনি। দিনটি জাতীয়ভাবে রোকেয়া দিবস
হিসেবে পালিত হয়। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদ্যাপন
করছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশের সকল নাগরিককে কয়েকজন
বিচ্ছিন্ন উগ্র গোষ্ঠীর দ্বারা সংঘটিত নব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে দৃঢ় সতর্ক থাকার
আহ্বান জানিয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, সহিংসতা, ভীতি প্রদর্শন, অগ্নিসংযোগ
ও জানমাল ধ্বংসের সকল কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তারা দৃঢ় ও দ্ব্যর্থহীনভাবে নিন্দা প্রকাশ
করে।
আজ শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া
বিবৃতিতে জানানো হয়, ইতিহাসের এই সংকটময় সময়ে বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক গণতান্ত্রিক রূপান্তরের
মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। যারা বিশৃঙ্খলাকে পুঁজি হিসেবে নেয় এবং শান্তির পথ উপেক্ষা
করে—এমন অল্প কয়েকজনের কারণে এই অগ্রযাত্রা কোনভাবেই ব্যাহত হতে দিতে পারি না এবং দেওয়া
হবে না। আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট কেবল রাজনৈতিক অনুশীলন নয়; এগুলো একটি গুরুতর জাতীয়
অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকার অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে সেই স্বপ্নের সঙ্গে, যার জন্য শহীদ
শরিফ ওসমান হাদি তার জীবন উৎসর্গ করেছেন। হাদির আত্মত্যাগ ও স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে
হলে সংযম, দায়িত্বশীলতা এবং ঘৃণা প্রত্যাখ্যানের প্রতি অবিচল অঙ্গীকার প্রয়োজন বলে
সরকার উল্লেখ করেছে।
সংবাদমাধ্যমের ওপর সাম্প্রতিক হামলার প্রসঙ্গে অন্তর্বর্তী
বিবৃতিতে জানানো হয়, দ্য ডেইলি স্টার, প্রথম আলো ও নিউ এজ-এর সাংবাদিকদের পাশে রয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকার। সাংবাদিকরা যে সন্ত্রাস ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন, তার জন্য গভীর
দুঃখও প্রকাশ করা হয়েছে। সন্ত্রাসের মুখেও
সাংবাদিকদের সাহস ও সহনশীলতা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, সাংবাদিকদের
ওপর হামলা মানেই সত্যের ওপর হামলা এবং এ ঘটনায় পূর্ণ ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস দেওয়া
হয়েছে।
এছাড়াও, ময়মনসিংহে এক হিন্দু ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার
ঘটনায় গভীর নিন্দা জানিয়ে সরকার বলেছে, নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের সহিংসতার স্থান নেই।
এই নৃশংস অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতির শেষাংশে সংকটময় এই মুহূর্তে প্রত্যেক নাগরিকের
প্রতি আহ্বান জানিয়ে সরকার বলেছে, সহিংসতা, উসকানি ও ঘৃণাকে প্রত্যাখ্যান ও প্রতিরোধের
মাধ্যমে শহীদ হাদির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।
মন্তব্য করুন


দেশের
বর্তমান বন্যা পরিস্থিতির বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তিনি উপদেষ্টা পরিষদের
সদস্যদের বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত কেবিনেট সভায় এই নির্দেশনা দেন
তিনি।
দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে
উপদেষ্টারা এই জেলাগুলো পরিদর্শন করবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক প্রেস
ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘আজ কেবিনেট বৈঠকে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা
হয়েছে এবং ড. ইউনূস উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনের কথা
বলেছেন।’
তিনি আরো জানান, ১০ জেলা বন্যাকবলিত হয়েছে এবং সর্বশেষ হিসাবে ৩৬ লাখ মানুষ
বন্যাকবলিত হয়েছে।
আবহাওয়া
অধিদপ্তরকে উদ্ধৃত করে শফিকুল আলম জানান, দীর্ঘ সময় ধরে অতিবৃষ্টির কারণে বন্যা
পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ
এবং তাদের স্বপ্নের প্রতি আমরা দায়বদ্ধ। সেই স্মৃতি জাতির সামনে তুলে ধরা আমাদের কর্তব্য।
আমরা চেষ্টা করছি তাদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র
করে বই প্রকাশ ও চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি পর্যায়ে বহুমাত্রিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঐতিহাসিক ঘটনাটি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে প্রামাণ্যচিত্র,
বিশ্লেষণধর্মী প্রকাশনা ও সৃজনশীল কাজ চলছে।
আজ সোমবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর তথ্য ভবনে চলচ্চিত্র
ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি) আয়োজিত প্রকাশনা উৎসব ২০২৫-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মোড়ক
উন্মোচনের পর উপদেষ্টা প্রকাশনা উৎসবের বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
সরকারি
সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের যৌথ প্রচেষ্টায় মানসম্পন্ন প্রকাশনা ও চলচ্চিত্র নির্মাণ
সম্ভব হবে-আশা প্রকাশ করে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে জুলাই
গণ-অভ্যুত্থান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং শহীদদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে জীবন্ত
হয়ে উঠবে।
তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম জানান, ডিএফপির নিজস্ব বাজেট এবং চলতি অর্থবছরের বিশেষ
বরাদ্দ থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক চলচ্চিত্র নির্মাণ ও গবেষণাধর্মী বই প্রকাশের
কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ‘গ্রাফিতিতে বাংলাদেশ’শীর্ষক
বইয়ের দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয়েছে এবং আরও কয়েকটি গ্রন্থ প্রকাশের কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত
প্রকাশিত বইগুলো মূলত বর্ণনামূলক হলেও এবার আমরা বিষয়গুলো বিশ্লেষণধর্মীভাবে উপস্থাপন
করব। গত এক বছরের অগ্রগতি, স্বপ্ন পূরণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে পর্যালোচনামূলক প্রকাশনা
আনা হবে। পিআইবি, পিআইডি, বিটিভি, বাংলাদেশ বেতারসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
ইতিহাস সংগ্রহ, ডকুমেন্টেশন ও প্রচারে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। পাশাপাশি, বেসরকারি উদ্যোগেও
এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হয়েছে।
ডিএফপি
মহাপরিচালক খালেদা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
সচিব মাহবুবা ফারজানা, প্রধান তথ্য অফিসার মো. নিজামূল কবীর, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের
মহাপরিচালক ফায়জুল হক, পিআইবি মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক
মো. আবদুল জলিল এবং জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামান এনডিসি।
মন্তব্য করুন


তুষার ধস আর ‘রকফলের’ ঝুঁকি নিয়েই হিমালয়ের
২২ হাজার ৩৪৯ ফুট উচ্চতার আমা দাবলাম চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বাংলাদেশের যুবক
তৌফিক আহমেদ তমাল।
তিনি চতুর্থ বাংলাদেশি হিসাবে শুক্রবার
(২৫ অক্টোবর) নেপালের ওই পর্বত চূড়ায় ওঠেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই।
তমাল কুমিল্লার সন্তান, কুমিল্লার পথিকৃত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রয়াত শরীফ আহমেদ অলীর সন্তান।
তৌফিক আহমেদ তমাল তার ফেসবুকে আমা দাবলামের
চূড়ায় পৌঁছে বাংলাদেশের পতাকা হাতে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেই সঙ্গে তার নিজের অভিজ্ঞতাও
শেয়ার করেন।
তিনি জানান, আমা দাবলাম পৃথিবীর অন্যতম
কঠিন পর্বতগুলোর মধ্যে একটি, চূড়ায় উড়লো বাংলাদেশের পতাকা। আমরা ২২ তারিখ বেজক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু করি। ২৩ তারিখ রাতে
থাকি ক্যাম্প-১। পরদিন সকালে আবার যাত্রা শুরু। সুজন হুট করেই শারীরিক ভাবে কিছুটা
অসুস্থ বোধ করায়, ক্যাম্প-২ থেকে সামনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। অত:পর আবহাওয়ার অনিশ্চয়তার
কারণে, সিদ্ধান্ত নেই আজই বের হবো, পরে রাত ১১:৪৫ এ ক্যাম্প-০২ থেকে সামিট পুশ দেই,
মিংমা তেনজেনের সঙ্গে। ২৫ তারিখ আমরা পৌঁছে যাই আমা দাবলামের চূড়ায়। আমা দাবলামের এই
অভিযানের সময় ২ দিনের কিছু বেশী।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মোহাম্মদ ইসহাক দার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) বৈঠকে দুই নেতা
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান
বৃদ্ধি, তরুণ প্রজন্মের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সার্কের মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবনের
ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপপ্রধানমন্ত্রী দার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
মোহাম্মদ শেহবাজ শরিফের শুভেচ্ছা পৌঁছে দিয়ে বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী আপনাকে আন্তরিক
শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসও উষ্ণ শুভেচ্ছা
জানিয়ে শরিফের সঙ্গে অতীতে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘প্রতি বার আমাদের
সাক্ষাতে সার্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অভিন্ন, সার্ক আমাদের উভয়ের
কাছেই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত।
ইসহাক দার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির
সুযোগ তুলে ধরে বলেন, আমাদের দুই অর্থনীতি পরিপূরক। বহু ক্ষেত্রে আমরা একসঙ্গে কাজ
করতে পারি। তিনি দারিদ্র্য বিমোচন ও কমিউনিটি ভিত্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে অধ্যাপক
ইউনূসের ভূমিকার উচ্চ প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশ সৌভাগ্যবান যে, আপনার মতো একজন সরকারপ্রধান
রয়েছে— আপনি এমন একজন নেতা যিনি বিশ্বকে অনুপ্রাণিত
করেন।
সফরকালে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের বাণিজ্য ও জ্বালানি উপদেষ্টাসহ কয়েকজন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বিভিন্ন
রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আহ্বান
জানিয়ে বলেন, আমি সার্ককে উৎসাহিত করি এবং পাকিস্তানসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের
সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের একটি হিসেবে দেখি।
তিনি সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে
ধরে বলেন, যখন পাকিস্তানি শিল্পীরা বাংলাদেশে গান পরিবেশনা করেন, সবাই তাদের প্রশংসা
করে। এই চেতনার ওপরই আমাদের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
১৩ বছর পর বাংলাদেশ সফরে আসা পাকিস্তানের
কোন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন ইসহাক দার। তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে নৌ ও বিমান যোগাযোগ
উন্নত করার প্রচেষ্টা চলছে।
ইসহাক দার বলেন, অক্টোবরের মধ্যে ফ্লাই
জিন্নাহ ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া পিআইএও বেসরকারিকরণের
পর ঢাকা রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে।
বৈঠকে উভয় নেতা আশাবাদ ব্যক্ত করেন
যে, বাণিজ্য বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা দক্ষিণ এশিয়াকে আরও স্থিতিশীল
ও সমৃদ্ধ করবে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক
বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
(সূত্র- বাসস)
মন্তব্য করুন