

পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় ওটিটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ট্যাপম্যাড দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের সম্প্রসারণ যাত্রা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশের শীর্ষ টেলিকম অপারেটরগুলোর একটি রবি আজিয়াটা লিমিটেড – এর সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে।
পাকিস্তানে অসাধারণ সাফল্যের পর, ট্যাপম্যাড এখন বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য নিয়ে আসছে প্রিমিয়াম মানের লাইভ স্পোর্টস এবং বিনোদন অভিজ্ঞতা, যা দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নির্দেশ করে।
এই অংশীদারিত্বের ফলে রবি গ্রাহকরা ট্যাপম্যাডের বিশাল লাইভ ও অন-ডিমান্ড কনটেন্ট লাইব্রেরিতে অবিচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার উপভোগ করতে পারবেন। মোবাইল ব্যালেন্স বা সরাসরি বিলিংয়ের মাধ্যমে সহজেই সাবস্ক্রিপশন সক্রিয় করা যাবে, যা রবির শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ও ট্যাপম্যাডের উন্নত স্ট্রিমিং প্রযুক্তিকে একত্রিত করে যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে নির্বিঘ্ন এইচডি-মানের স্ট্রিমিং নিশ্চিত করবে।
ট্যাপম্যাডের সিইও ইয়াসির পাশা এ প্রসঙ্গে বলেন, “রবির সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্ব ট্যাপম্যাডের আঞ্চলিক সম্প্রসারণে আরেকটি মাইলফলক। বাংলাদেশের দর্শকগোষ্ঠী প্রাণবন্ত ও উৎসাহী, এবং আমরা আনন্দিত যে আমরা তাদের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম আনতে পারছি যা সুবিধা, সাশ্রয়ী এবং উন্নত মানের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।”
এই সহযোগিতার মাধ্যমে ট্যাপম্যাড সীমান্ত অতিক্রম করে ডিজিটাল বিনোদনের মান আরও উন্নত করছে।প্ল্যাটফর্মটির বিশাল ক্রীড়া ও বিনোদনমূলক কনটেন্ট সংগ্রহ স্থানীয় রুচি অনুযায়ী সাজানো, একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেছে যা পাকিস্তানসহ পুরো অঞ্চলে তাদের সাফল্যের পরিচায়ক।
রবি আজিয়াটার মার্কেটিং প্রধান শওকত কাদের চৌধুরী বলেন, “আমরা ট্যাপম্যাডের সঙ্গে অংশীদারিত্বে আনন্দিত। এর ফলে আমাদের ব্যবহারকারীদের জন্য প্রিমিয়াম মানের স্পোর্টস ও বিনোদন অভিজ্ঞতাকে আরও সহজলভ্য করবে। এই অংশীদারিত্ব আমাদের ডিজিটাল উদ্ভাবনের প্রতিশ্রুতি এবং গ্রাহকদের বিনোদন অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করার প্রচেষ্টাকে প্রতিফলিত করে।”
ট্যাপম্যাডের সিওও আলী রানা বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের জন্য এক উচ্ছ্বাসপূর্ণ সুযোগ।এখানে আমরা ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল দর্শকদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারব। আমাদের লক্ষ্য হলো ট্যাপম্যাডের সাফল্য নির্ধারণকারী আন্তর্জাতিক স্ট্রিমিং মান বজায় রাখা, পাশাপাশি স্থানীয় দর্শকদের প্রত্যাশা ও পছন্দ অনুযায়ী অভিজ্ঞতা সাজানো।”
ট্যাপম্যাড বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আরিফ আদিত্য বলেন, “এই অংশীদারিত্ব আমাদেরকে বাংলাদেশের নতুন দর্শকদের সঙ্গে যুক্ত হতে এবং তাদের জন্য এমন এক উচ্চমানের, ব্যবহারবান্ধব স্ট্রিমিং অভিজ্ঞতা দিতে সহায়তা করছে যা বৈশ্বিক উদ্ভাবন ও স্থানীয় প্রাসঙ্গিকতাকে একত্রে প্রতিফলিত করে।”
দক্ষিণ এশিয়ার ডিজিটাল বিনোদন শিল্পে প্রায় এক দশকের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ট্যাপম্যাড ইতোমধ্যে নিজেকে অঞ্চলের অন্যতম বিশ্বস্ত ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। প্রযুক্তি, অংশীদারিত্ব ও স্থানীয় কনটেন্টে ধারাবাহিক বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দক্ষিণ এশিয়ার দর্শকদের লাইভ স্পোর্টস ও অন-ডিমান্ড বিনোদনের অভিজ্ঞতাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে।
রবির শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো এবং ট্যাপম্যাডের পরীক্ষিত দক্ষতাকে একত্রিত করে, এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য সহজলভ্য ও উচ্চমানের ডিজিটাল বিনোদনের এক নতুন অধ্যায় সূচনা করছে।
ট্যাপম্যাড সম্পর্কে :
ট্যাপম্যাড হোল্ডিংস পিটিই লিমিটেড সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি আঞ্চলিক ওটিটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, যা লাইভ স্পোর্টস এবং অন-ডিমান্ড কনটেন্ট সরবরাহ করে। সহজ ব্যবহারযোগ্য ইন্টারফেস, নির্ভরযোগ্য স্ট্রিমিং এবং সাশ্রয়ী সাবস্ক্রিপশন প্ল্যানের মাধ্যমে ট্যাপম্যাড দক্ষিণ এশিয়ার লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারীর জন্য একটি বিশ্বস্ত বিনোদন সঙ্গী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামী
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ
ইউনূসকে অবহিত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
আজ
রোববার ( ০৭ ডিসেম্বর ) সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কমিশনারগণ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে
সাক্ষাৎ করে নির্বাচন আয়োজনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানান।
বৈঠকে
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত
ছিলেন।
জাতীয়
নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন
মিয়াও বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠকে সিইসি নাসির উদ্দিন জানান, নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সব
ধরনের প্রস্তুতি সঠিক ও সুন্দরভাবে এগোচ্ছে এবং ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন
ও একই দিনে গণভোট আয়োজনের জন্য কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। প্রস্তুতিকালে ইসিকে পূর্ণ
সহযোগিতা প্রদানের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান সিইসি ও অন্যান্য নির্বাচন
কমিশনাররা।
নির্বাচনের
প্রস্তুতিকালে সর্বাত্মক সহযোগিতা করায় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও
প্রধান উপদেষ্টার মাধ্যমে ধন্যবাদ জানান।
তিনি
বলেন, ইতোমধ্যে নাগরিকরা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছেন, যা দেশে নির্বাচনী
আমেজ সৃষ্টি করেছে।
এ
সময় নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সুষ্ঠু
ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে
সরকার।’
তিনি
বলেন, ‘জাতির জন্য প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনে আপনারা (ইসি) চালকের আসনে আছেন। আমাদেরকে
কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতেই হবে।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, জাতিকে একটি সুন্দর নির্বাচন দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতিকে আমরা ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যয়ে
এগিয়ে চলছি।
মন্তব্য করুন


সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য সেনাবাহিনী
সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে সেনারা মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। আগে এত
দীর্ঘ সময় মাঠে থাকতে হয়নি। তাই সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে, দূরত্ব থাকলে
তা দূর করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকালে ঢাকা
সেনানিবাসে ‘অফিসার্স অ্যাড্রেস’অনুষ্ঠানে
সেনা সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন সেনাপ্রধান। এতে পদস্থ কর্মকর্তারা
সরাসরি উপস্থিত ছিলেন এবং দেশের অন্য সব সেনা স্থাপনার কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি যুক্ত
হন।
সেনা সদস্যদের উদ্দেশে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
বলেন, সেনাবাহিনী একটি পেশাদার সংগঠন। মাঠে দায়িত্ব পালনের সময় পেশাদারি দেখাতে হবে।
প্রতিশোধমূলক কোনো কাজে জড়ানো যাবে না।
সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়ানো নিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, বিভ্রান্তিকর
বার্তা দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কেউ ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে সেনাবাহিনীর
ভাবমূর্তি নষ্ট করতে না পারে।
তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষ এখন সেনা
সদস্যদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে
এবং বাহিনীর চেইন অব কমান্ড অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী
বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও উৎসবমুখর জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের
প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি
ভবন যমুনায় ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য (এমইপি) মুনির সাতোরির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের
সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা প্রতিনিধিদলকে জানান, আমরা ইতিমধ্যেই
নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছি। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ফেব্রুয়ারির শুরুতে, রমজানের
ঠিক আগে।
তিনি উল্লেখ করেন, জনসাধারণ বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে
নির্বাচনী উৎসাহ বাড়ছে, কারণ দীর্ঘদিন পর-কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দশকেরও বেশি সময়
পর-ছাত্র সংসদ নির্বাচন আবার শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু,
স্বচ্ছ ও উৎসবমুখর।
তিনি যোগ করেন, কিছু শক্তি এখনো নির্বাচন বিলম্বিত
করার চেষ্টা করছে, তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে
দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
প্রধান উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, তরুণ ভোটাররা এবার
রেকর্ড সংখ্যায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে, কারণ ১৫ বছরেরও বেশি সময় পর অনেকেই প্রথমবারের
মতো ভোট দেবে।
তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য
এক নতুন সূচনা বয়ে আনবে। এটি আমাদের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে-জাতির জন্য
এক নতুন যাত্রা।
এক ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় প্রধান উপদেষ্টা ও ইউরোপীয়
আইনপ্রণেতারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক
রূপান্তরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অব্যাহত সমর্থন এবং চলমান রোহিঙ্গা মানবিক সংকট নিয়ে মতবিনিময়
করেন।
আগামী নির্বাচন বাংলাদেশে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত
হয়ে উঠতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন ইউরোপীয় আইনপ্রণেতারা। একজন আইনপ্রণেতা প্রধান উপদেষ্টা
ও তাঁর সরকারের গত ১৪ মাসের ‘অসাধারণ’ প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
একজন ডাচ আইনপ্রণেতা মন্তব্য করেন, বাংলাদেশ কতিপয়
দেশের মধ্যে অন্যতম, যেখানে ‘ঘটনাগুলো সঠিক পথে এগোচ্ছে।’
প্রধান উপদেষ্টা ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবিচল সমর্থনের
জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর
জন্য বাড়তি তহবিল প্রদানের আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


সিলেটের শ্রীমঙ্গল এলাকায় সম্প্রতি হাওর, ধানক্ষেত ও বাগানসংলগ্ন কৃষিজমি থেকে বেশ কিছু অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, ফসল ও মাছ রক্ষার জন্য পাতা জালেই বেশিরভাগ অজগর আটকা পড়ছে। সর্বশেষ নওয়াগাঁও এবং হাইল হাওরের ভূবন বেরি অঞ্চল থেকে দুটি বড় অজগর উদ্ধার করে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী ফাউন্ডেশনের সদস্যরা।
জেলেরা মাছ ধরার জাল তুলতে গিয়ে একটি অজগর দেখে আতঙ্কিত হয়ে ফাউন্ডেশনে খবর দিলে সংগঠনের পরিচালক স্বপন দেব সজলের নেতৃত্বে দল গিয়ে সাপগুলো উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত অজগরের কিছুটির দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১২ ফুট এবং ওজন প্রায় ২৫ কেজি। সব সাপই পরে বন বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তাদের ধারণা, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও আশপাশের পাহাড়ই অজগরের মূল আবাসস্থল হলেও খাদ্যাভাব ও পরিবেশগত চাপে সাপগুলো লোকালয়ে চলে আসছে। গত এক সপ্তাহে এলাকাটি থেকে মোট ৬টি অজগর উদ্ধার হয়েছে। স্থানীয়দের আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, বনভূমি কমে যাওয়া এবং আবাস সংকোচনের কারণেই অজগর মানুষের বসত এলাকায় প্রবেশ করছে ও জালে আটকা পড়ছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আপনারা সবাই আমার মা’র
জন্য দোয়া করবেন।
তারেক
রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজ এক পোস্টে বলেন, ‘আমার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম
খালেদা জিয়া, সর্বশক্তিমান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন (ইন্না
লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।’
তিনি
বলেন, ‘অনেকের কাছে তিনি ছিলেন দেশনেত্রী, আপসহীন নেত্রী; অনেকের কাছে গণতন্ত্রের মা,
বাংলাদেশের মা। আজ দেশ গভীরভাবে শোকাহত এমন একজন পথপ্রদর্শককে হারিয়ে, যিনি দেশের গণতান্ত্রিক
পথযাত্রায় অনিঃশেষ ভূমিকা রেখেছেন।’
‘আমার কাছে খালেদা জিয়া একজন মমতাময়ী
মা, যিনি নিজের সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশ ও মানুষের জন্য। আজীবন লড়েছেন স্বৈরাচার,
ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে; নেতৃত্ব দিয়েছেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র
প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘ত্যাগ ও সংগ্রামে ভাস্বর হয়েও, তিনি ছিলেন পরিবারের সত্যিকারের অভিভাবক;
এমন একজন আলোকবর্তিকা যাঁর অপরিসীম ভালোবাসা আমাদের সবচেয়ে কঠিন সময়েও শক্তি ও প্রেরণা
জুগিয়েছে। তিনি বারবার গ্রেফতার হয়েছেন, চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, সর্বোচ্চ নিপীড়নের
শিকার হয়েছেন। তবুও যন্ত্রণা, একাকিত্ব ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থেকেও তিনি অদম্য সাহস,
সহানুভূতি ও দেশপ্রেম সঞ্চার করেছিলেন পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মাঝে।’
তিনি
বলেন, ‘দেশের জন্য তিনি হারিয়েছেন স্বামী, হারিয়েছেন সন্তান। তাই এই দেশ, এই দেশের
মানুষই ছিল তাঁর পরিবার, তাঁর সত্তা, তাঁর অস্তিত্ব। তিনি রেখে গেছেন জনসেবা, ত্যাগ
ও সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিক্রমায় চিরস্মরণীয়
হয়ে থাকবে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘আপনারা সবাই আমার মা’র জন্য দোয়া করবেন। তাঁর প্রতি দেশবাসীর
আবেগ, ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় আমি ও আমার পরিবার চিরকৃতজ্ঞ।’
মন্তব্য করুন


যশোরের চৌগাছায় জমিতে কাজ করতে যেতে অস্বীকৃতি জানানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাবার হাতে কোদালের আঘাতে তরিকুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বাবা রবিউল ইসলাম (৫৭) পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের চাচা আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে চৌগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি ঘটে চৌগাছা উপজেলার সিংহঝুলি ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরপুর গ্রামে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০ জানুয়ারি রাতে তরিকুল বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় তার বাবা তাকে বোরো ধানের ক্ষেতে কাজ করতে যেতে বলেন। ছেলে কাজে যেতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে রবিউল ইসলাম কোদাল দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে তরিকুল গুরুতর আহত হন।
পরবর্তীতে তাকে প্রথমে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা আসাদুল ইসলাম জানান, তরিকুল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। ঘটনার দিন জমিতে কাজ করতে না যাওয়াকে কেন্দ্র করেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলে তিনি জানান।
চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার
পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে। তবে চাকরিতে এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে
যুক্ত হবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম তার ফেরিভাইড ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন,
জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে। চাকরিতে
এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে যুক্ত হবে না। পরিবারের কর্মক্ষম কোনো একজন ব্যক্তিকে একবারের
জন্যই যোগ্যতার বিচারে সরকারি-আধা সরকারি অথবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার
কথা বলা হয়েছে। কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটা বিবেচ্য হবে না। আহতদের ক্ষেত্রে
যারা সারাজীবনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (অন্ধ কিংবা অঙ্গহানী) এবং আর কখনো কর্মক্ষম
হতে পারবে না তাঁদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরকম আহতদের একটা বড় অংশই
তরুণ এবং বাকি জীবন তাঁদেরকে আন্দোলনের ক্ষত বয়েই বেড়াতে হবে, অনেককে দীর্ঘকাল চিকিৎসার
মধ্য দিয়ে যেতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের পুনর্বাসন এবং
এই পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তা দেওয়াটা আমাদের অঙ্গীকার ছিলো এবং রাষ্ট্রের দায়িত্বও
বটে। কয়েক হাজার পরিবার অচল হয়ে গিয়েছে এই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের ফলে। তাঁদের এই ক্ষতি
আমরা কোনোকিছু দিয়েই পূরণ করতে পারবো না। আর এই পরিবারগুলো যে কোনো সুযোগ সুবিধার চেয়ে
কেবল সকলের থেকে সম্মান ও মর্যাদা চায়।
মন্তব্য করুন


প্রধান
নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আগামী নির্বাচনে প্রবাসীরা
ভোট দিতে পারবেন। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে নির্বাচন কমিশন।
আজ
শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে সিলেট সার্কিট হাউসে সিলেট অঞ্চলের নির্বাচন কর্মকর্তাদের
সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি।
সিইসি
এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ঘোষিত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোট আয়োজন
করতে কাজ করছে কমিশন। নির্দিষ্ট নীতিমালার মাধ্যমে নির্বাচনের যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দল সরকার গঠন করলে এবং ফরিদপুরে বিভাগ গঠন করলে যদি
জনগণের উপকার হয়, উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয় তবে জেলাটিকে বিভাগ করা হবে।
নির্বাচনী
সফরের অংশ হিসেবে আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ
মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় যোগ দিয়ে তিনি ফরিদপুরবাসীকে এ আশ্বাস দেন।
বিএনপি
চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে দেশের সব ক্ষমতার উৎস জনগণ, সেই বিশ্বাস থেকেই
দল রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে চায়। জনসভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ফরিদপুরের
বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের জেলা থেকে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢল নামে। জনসভাস্থল ও আশপাশের
এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। তারেক রহমানের সফরকে ঘিরে জেলা শহরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ
বিরাজ করে।
তারেক
রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে এবং ফরিদপুরে বিভাগ গঠন করলে যদি জনগণের উপকার হয়
ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়, তাহলে ফরিদপুরকে বিভাগ করা হবে। ফরিদপুর অঞ্চলের দীর্ঘদিনের
সমস্যা নদীভাঙনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দ্রুত পদ্মা ও সংশ্লিষ্ট
নদীভাঙন সমস্যার কার্যকর সমাধান করা হবে। কৃষিখাতে পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান
বলেন, কৃষকদের জন্য বিশেষ কৃষক কার্ড চালু করা হবে, যার মাধ্যমে সহজে বীজ, সার ও কীটনাশক
পাওয়া যাবে।
নারী
ও শিশুদের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। এই জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী
করতে বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেবে। পাশাপাশি গ্রাম ও শহরের ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা
পৌঁছে দিতে হেলথকেয়ার কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে।
পানির
সংকট নিরসনে ফরিদপুর অঞ্চলে পদ্মা ব্রিজ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণের আশ্বাস দেন বিএনপি
চেয়ারম্যান।
ইতিহাসের
প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছিলেন এবং
২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচার হটিয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা হয়েছে।
একটি
দলকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এক গুপ্ত দলের নেতা মা-বোনদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।
ইতিহাস সাক্ষী, ১৯৭১ সালেও তাদের ভূমিকা ছিল কলঙ্কজনক। ভাষণে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন
সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, কৃষি, শিল্প ও কর্মসংস্থানে সঠিক নীতি ও সুশাসন
থাকলে এই অঞ্চল দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হতে পারে। তরুণদের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারম্যান
বলেন, তোমরাই আগামীর বাংলাদেশ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও।
জনসভা
শেষে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এদের অনেকেই বলেন,
ফরিদপুরের এই জনসমাগমই প্রমাণ করে জনগণ পরিবর্তন চায়। দীর্ঘদিন পর ফরিদপুরে এমন বড়
রাজনৈতিক সমাবেশ নতুন গতি এনে দিয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল।
মন্তব্য করুন


জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠান মালা-২০২৫ উদযাপনের অংশ হিসেবে সেনাসদরের নির্দেশক্রমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশন, কুমিল্লা এরিয়ার ব্যবস্থাপনায় প্রায় দেড় হাজার অসহায় গরীব ও অসুস্থ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়।
সোমবার
(২৮ জুলাই) কুমিল্লা নগরীর শাকতলা এলাকার দ্যা
ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্সে এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা সেনানিবাস হতে আগত মেডিসিন, সার্জারী, গাইনি, শিশু রোগ, অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ, মেডিকেল অফিসার ও প্যারামেডিক্স এর সমন্বয়ে বিশেষায়িত মেডিকেল দলের মাধ্যমে এই চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।
পুরুষ,
স্ত্রী ও শিশুসহ আনুমানিক প্রায় দেড় হাজার
স্থানীয় জনসাধারণকে বিনামূলো চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী প্রদান করা
হয়েছে।
এছাড়াও একটি ফিল্ড অপারেশন থিয়েটার স্থাপন করা হয়, যেখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক মাইনর অপারেশন করা হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে এই মহতী কার্যক্রমের পরিকল্পনা করায় স্থানীয় জনসাধারণ সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির বিষয়ে তারা দৃঢ় আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।
মন্তব্য করুন