

দেশের ইতিহাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে আজ নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও
খনিজ
সম্পদ
মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য
কর্মকর্তা মীর
মোহাম্মদ আসলাম
উদ্দিন
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, আজ সোমবার (২২
এপ্রিল)
রাত
৯টায়
১৬
হাজার
২৩৩
মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের এ
রেকর্ড
হয়।
আজকের দিনের এর
আগে পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড
ছিল
গতকাল
রবিবার
১৫
হাজার
৬৬৬
মেগাওয়াট।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা
হয়, দেশের ইতিহাসে
বিদ্যুৎ উৎপাদনে
রেকর্ড হয়েছে। এ
সময় ১৬ হাজার
২৩৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
উৎপাদন হয়েছে। বর্তমানে
দেশব্যাপী চলছে
তীব্র দাবদাহ। জনজীবনে
স্বস্তি বজায়
রাখতে এই মুহূর্তে
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ
উৎপাদনে আন্তরিকভাবে
কাজ করে যাচ্ছে
বিদ্যুৎ বিভাগ।
মন্তব্য করুন


আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ স্বাক্ষরিত
এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম
অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে
অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
রোববার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ
নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


তীব্র তাপপ্রবাহে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে রাত ৮টার পর শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ ছাড়াও এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে রাখাসহ গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গতকাল সোমবার (২৯ এপ্রিল) রাতে বিদ্যুৎ বিভাগের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিগত ১৫ বছরে বিদ্যুৎ খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন সত্ত্বেও চলমান দাবদাহে বিদ্যুতের চাহিদা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তা সত্ত্বেও গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদানে বিদ্যুৎ বিভাগ আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং একইসঙ্গে গ্রাহকদের আরো পরিমিত ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ ব্যবহারে আহ্বান জানাচ্ছে।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। বাড়তি উৎপাদনের পরও লোডশেডিং এড়াতে পারছে না বিদ্যুৎ বিভাগ। শহরে স্বস্তি থাকলেও, গ্রামে ভোগান্তিতে গ্রাহকরা।
বিদ্যুৎ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, নিম্নহারে বিদ্যুৎ বিল পেতে দোকান, শপিংমল, পেট্রল পাম্প ও সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত বাতি ব্যবহারে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি বা এর ওপরে রাখতে আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনা এড়াতে হুকিং বা অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বিরত থাকতেও আহ্বান জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বেআইনিভাবে ইজিবাইক ও মোটরচালিত রিকশার ব্যাটারি চার্জিং থেকেও বিরত থাকতে গ্রাহকদের আহ্বান জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্যদের সাথে অর্থনৈতিক আলোচনায় বসার পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) এমন খবর দিয়েছে
যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।
মার্কিন রাজস্ব ও অর্থ দফতরের আন্তর্জাতিক
অর্থায়নবিষয়ক সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট নেইমার ওই পত্রিকাটিকে বলেছেন, আইএমএফ
এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে বাংলাদেশের নিরবচ্ছিন্ন সম্পৃক্ততার
জন্য মার্কিন সমর্থন বৃদ্ধির পরিকল্পনা করেছে ওয়াশিংটন। কারণ বাংলাদেশ আর্থিক খাতের
সংস্কার গভীরতর করে আর্থিক টেকসইমূলক উন্নতি এবং দুর্নীতি হ্রাস করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
জোরদার করতে চায়।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
আশাবাদী যে প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক দুর্বলতা
মোকাবেলা করতে পারবে এবং অব্যাহত প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করতে পারবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থী-জনতার
আন্দোলনের মুখে বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতন ঘটেছে
গত ৫ আগস্ট। ওই দিন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা।
তার পদত্যাগের তিন দিন পর বাংলাদেশে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন
সরকার দায়িত্ব নেয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর আগামী ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মাঝে প্রথমবারের মতো উচ্চ-পর্যায়ের অর্থনৈতিক সংলাপ
অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সাথে বাংলাদেশের
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ৮৪ বছর বয়সী নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বাংলাদেশের
অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রতিনিধি দলে যুক্তরাষ্ট্রের
অর্থ, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য দফতর ও ইউএসএইডের কর্মকর্তাদের অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। সংলাপে
বাংলাদেশের আর্থিক ও মুদ্রানীতির পাশাপাশি আর্থিক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা
হবে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমস বলেছে, ঢাকায় অনুষ্ঠেয়
সংলাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় বাংলাদেশের আর্থিক এবং মুদ্রানীতির পাশাপাশি
আর্থিক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করা হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সাথেও সাক্ষাৎ করবেন।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি
ও খাদ্য আমদানির মূল্য বৃদ্ধির পর থেকে বাংলাদেশের ৪৫০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি দ্রুত
স্তিমিত হয়ে পড়ে। ফলে গত বছর ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের বেলআউটের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা
তহবিলের কাছে যেতে বাধ্য হয়েছে বাংলাদেশ।
সূত্র : ফিন্যান্সিয়াল টাইমস
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে কৃষক কার্ড বিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ
রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১ টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে কৃষক কার্ড বিষয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত
হয়।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বৈঠকে উপস্থিত
ছিলেন কৃষি মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ও প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এ
বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল
মাহমুদ তিতুমীর, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ
এবং স্থানীয় সরকার ,সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে
আলমসহ আরো অনেকে।
আগামী পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড
বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলেও জানান আতিকুর রহমান রুমন।
মন্তব্য করুন


বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় বিএনপির দুই নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বজলুর রহমান নামের এক জামায়াত নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে পৌর শহরের ঈমান আলী সড়কে অবস্থিত তার নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক ব্যক্তি পাথরঘাটা পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বামনা–পাথরঘাটা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহেদ আহমেদ চৌধুরী জানান, তদন্তের অংশ হিসেবেই তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতেও যৌথবাহিনী পাথরঘাটার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক মামলার আসামি বিএনপি, এর সহযোগী সংগঠন এবং জামায়াত ও এর অঙ্গসংগঠনের মোট ১১ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাগুলোর আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে বাকি অভিযুক্তদের আটক করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন


ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় যৌথ বাহিনীর এক অভিযানে মাদক ও দেশীয় অস্ত্রসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই স্থানীয় নেতাকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নলছিটি থানার সূত্র জানায়, বুধবার গভীর রাতে সেনাবাহিনীর নলছিটি ক্যাম্পের একটি দল পৌর এলাকার অনুরাগ গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ক্যাপ্টেন তানভীর, সঙ্গে ছিলেন ক্যাপ্টেন সাইয়ার ও লেফটেন্যান্ট সৌরভ। অভিযানের সময় দুইজনকে আটক করা হয় এবং পরদিন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন গৌরিপাশা গ্রামের আনসার মল্লিকের ছেলে গিয়াস মল্লিক (৩৫) এবং একই এলাকার সোবহান আকনের ছেলে সোহরাব আকন (৩৫)। গিয়াস মল্লিক পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব এবং সোহরাব আকন ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একই পদে দায়িত্বে রয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৪২টি ইয়াবা ট্যাবলেট, প্রায় ৬০০ গ্রাম গাঁজা, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র এবং মাদক বিক্রির নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের নলছিটি থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের পৌর কমিটির সদস্যসচিব সোহেল খান বলেন, কোনো ব্যক্তির অপরাধের দায় সংগঠন নেবে না। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জেলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


সচিবালয়ে
নিজের কক্ষের অর্ধেক লাইট ও এসির ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
একই সঙ্গে সকল মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন
তিনি।
বৃহস্পতিবার
(৫ মার্চ) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান
রুমন। তিনি বলেন, সকালে প্রধানমন্ত্রী অফিসে
গিয়ে নিজের কক্ষের ৫০ শতাংশ লাইটের সুইচ অফ করে দেন এবং এসির তাপমাত্রা ২৫ দশমিক ১
মাত্রায় নিয়ে আসেন। এসির এই মাত্রায় বিদ্যুৎ খরচ কম হয়।
শুধু
তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রবেশ করেই কক্ষের অর্ধেক লাইট বন্ধ করে
দিতে এবং এসির তাপমাত্রা কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও তিনি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত
প্রেস সচিব।
সচিবালয়ের
১ নং ভবনটি প্রধানমন্ত্রীর দফতর। এই দফতরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ প্রধানমন্ত্রীর অধিনস্থ
বিভিন্ন বিভাগ রয়েছেন।
এছাড়াও
প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ের সকল মন্ত্রণালয়, সারাদেশে সরকারি অফিস-আদালত, বেসরকারি ভবন,
শপিংমল, বিপনী বিতানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি
আহ্বান জানিয়েছেন। লাইট কম ব্যবহার করে দিনের বেলা অফিস বা বাড়িঘরে সূর্যের আলোর ব্যবহার
করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
মন্তব্য করুন


বিভিন্ন
ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর একুশে পদকের জন্য নয়জন বিশিষ্ট
ব্যক্তি এবং একটি সংগীত দলের নাম ঘোষণা করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ তালিকায়
প্রথমবারের মতো কোনো রক ব্যান্ড স্থান পেল।
এ
বছর একুশে পদক পাচ্ছেন—ফরিদা আক্তার ববিতা (চলচ্চিত্র), অধ্যাপক
মো. আব্দুস সাত্তার (চারুকলা), মেরিনা তাবাসসুম (স্থাপত্য), আইয়ুব বাচ্চু (সংগীত),
অর্থি আহমেদ (নৃত্য), ইসলাম উদ্দিন পালাকার (নাট্যকলা), শফিক রেহমান (সাংবাদিকতা),
অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার (শিক্ষা) এবং তেজস হালদার যস (ভাস্কর্য)। এছাড়া এ
বছর একুশে পদক পাচ্ছে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ওয়ারফেইজ।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ০৫ ফেব্রুয়ারি ) বিকেলে ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
একুশে
পদক দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান। ভাষা আন্দোলনের স্মরণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে
বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতি বছর এই পদক প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


কনের গায়ে হলুদের আনন্দ শেষ হতে না হতেই বরের মৃত্যুর খবরে স্তব্ধ
দুই পরিবার। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীর বিয়ের আগের দিন সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ
হারান হবু স্বামী প্রকৌশলী জুলফিকার ইসলাম জিল্লু। জুলফিকার ইসলাম জিল্লু পাবনার ঈশ্বর্দীর
দাশুড়িয়ার নওদাপাড়া গ্রামের আনসারুল মুন্সির ছেলে।
জানা গেছে, রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়নের বড় ছয়ঘটি গ্রামের
কনে মেডিকেল শিক্ষার্থী অন্তরা খাতুনের গায়ে হলুদ শনিবার (২১ মার্চ) অনুষ্ঠান সম্পন্ন
হয়েছে। বর প্রকৌশলী জুলফিকার ইসলাম জিল্লুর গায়ে হলুদের দিন রবিবার সকালে অনুষ্ঠানের
পায়েস রান্নার জন্য নিজে গাড়ি চালিয়ে দুধ আনতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন।
জানা গেছে, জুলফিকার ইসলাম জিল্লুর গায়ে হলুদের দিন রবিবার সকালে
অনুষ্ঠানের পায়েস রান্নার জন্য নিজের গাড়ি চালিয়ে দুধ আনতে বাজারে যাচ্ছিলেন। তিনি
নাটোর-পাবনা মহাসড়কের গড়মাটি কলোনি রোড এলাকায় পৌঁছলে তার প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে
গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকটি ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে দুমড়ে-মুচড়ে
যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এই দুর্ঘটনার খবর পৌঁছাতেই মুহূর্তে বিয়ের আনন্দ পরিণত হয় শোকের
মাতমে। দুই পরিবারেই নেমে আসে নীরবতা আর কান্নার ঢেউ। কনে অন্তরা খাতুন রাজশাহী মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত। তিনি বাঘা উপজেলার চন্ডিপুর বড় ছয়ঘটি
গ্রামের মৃত আলাউদ্দিনের মেয়ে।
অন্তরা খাতুন দুই বছর বয়সে বাবাকে হারিয়ে দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই
করে বড় হয়েছেন। মা রওশন আরা অন্যের বাড়িতে কাজ করে এবং ভাই সোহেল রানা রাজমিস্ত্রির
কাজ করে তাকে পড়াশোনা করিয়েছেন। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেলে ভর্তি সুযোগ পান
অন্তরা। তার সংগ্রামী জীবনের ২০২২ সালে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে র্যাব-৫ সহ অনেকের
তাকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
রবিবার (২২ মার্চ) অন্তরার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, দরজায় তালা ঝুলছে।
ডেকোরেটরের কর্মীরা বিয়ের জন্য সাজানো প্যান্ডেল খুলে নিচ্ছেন। ‘বন্ধন ডেকোরেটর’ এর
মালিক হৃদয় আহমেদ বলেন, সবকিছু প্রস্তুত ছিল। কনের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানও হয়েছে। কিন্তু
বরের মৃত্যুর খবর আসার পর কেউ এই সাজানো প্যান্ডেল সহ্য করতে পারছিল না, তাই খুলে নেওয়া
হচ্ছে।
অন্তরার চাচি রোজিনা বেগম বলেন, রাতে বরপক্ষের লোকজন এসে মিষ্টিমুখ
করিয়ে গেছে। সকালে ক্ষীর খাওয়ানোর প্রস্তুতি চলছিল, তখনই দুর্ঘটনার খবর আসে। মুহূর্তেই
সব আনন্দ শেষ হয়ে গেল। প্রতিবেশী সালমা বেগম বলেন, এমন করে একটা বিয়ের আনন্দ শোক হয়ে
যাবে কল্পনাও করিনি। মনে হয় এটাই ছিল মেয়েটার ভাগ্য।
অন্তরার চাচা আব্দুর রহিম কথা বলতে গিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। শুধু
একটি দীর্ঘশ্বাস যেন ভেসে আসে তার বুকের ভেতর থেকে। একটি স্বপ্নময় বিয়ের আয়োজন মুহূর্তেই
পরিণত হলো এক বেদনাবিধুর স্মৃতিতে। উৎসবের রঙ মুছে গিয়ে চারদিকে এখন শুধু শোক আর নীরব।
মন্তব্য করুন


জুলাই
গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতা, ক্ষোভ ও
বিচারপ্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে।
রোববার
(১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির এক মতবিনিময়
সভায় তারা রাষ্ট্রীয় বিচারহীনতা, অবহেলা এবং পুনর্বাসনের অভাবের চিত্র তুলে ধরেন।
সভায়
নারায়ণগঞ্জের শহীদ আবুল হাসান সজলের ভাই রনি বলেন, আমার ভাইকে আমার চোখের সামনে গুলি
করা হয়েছে। আমাকে সে হাসপাতালে শুয়ে জিজ্ঞেস করেছে, হাসিনার পতন হইছে কি না? আমি বলছি,
পালাইছে। সে বলছে, আলহামদুলিল্লাহ। ভবিষ্যতে যে সরকারই আসুক, আমরা যেন বিচার পাই।
শহীদ
মিরাজের বাবা আব্দুর রব বলেন, আমার সন্তান মিরাজের বয়স ২৯ ছিল। মোবাইলে ভিডিও করে সে
সবাইকে দেখাতে চেয়েছিল। তাকে মেরে ফেলেছে। আমার আহ্বান, আগামীতে যারা পার্লামেন্টে
যাবে, সে সময় জুলাই সনদ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে বাস্তবায়ন করবেন।
সংক্ষিপ্ত
কিন্তু গভীর বেদনার ভাষায় শহীদ পরিবারের সদস্য তামান্না বলেন, আমার দুইটা সন্তান বাবা
বলে ডাকতে পারে না। আনোয়ারুল ইসলাম জীবন নামে একজন শহীদের ভাই অভিযোগ করে বলেন, আমার
ভাইকে আমার চোখের সামনে ৫ আগস্ট মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
আন্তর্জাতিক
ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে গিয়েছিলাম, সেখানে তামিম নামে একজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছে,
আমার ভাই কোন দল করত। আমি বলেছি, সে বিএনপি করত। আমার মামলা নেওয়া হয়নি, বরং আমাকে
লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি তারেক রহমান স্যারকে বলি, আমার ভাই বিএনপি করত, এটা কি অপরাধ?
আপনি যদি ক্ষমতায় আসেন, বাংলাদেশের সব শহীদের বিচার দৃশ্যমান করবেন। শহীদ পরিবারগুলো
যেন হেনস্তা না হয়। এই ইন্টেরিম সরকার কোনো বিচার করতে পারেনি। ছাত্রদের রক্তের ওপর
দিয়ে তারা ক্ষমতায় এসেছে। শহীদদের জন্য তারা কিছুই দৃশ্যমান করতে পারেনি।
জুলাইয়ে
গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ শাহিন বলেন, রাজপথে যখন আমরা আন্দোলনে নেমেছিলাম, জনাব তারেক রহমান
বলেছিলেন, ‘দফা এক, দাবি এক: খুনি হাসিনার পদত্যাগ’। হাসিনা যদি আমাদের দাবি মেনে নিত,
পদত্যাগ করত, এত রক্ত কখনোই ঝরত না। আহত ও নিহত পরিবারদের জন্য জনাব তারেক রহমান ছাড়া
আর কেউ কিছু দিতে পারবে না।
শহীদ
আহনাফের মা বলেন, আমার ছেলে ৪ আগস্ট মিরপুরে আন্দোলনরত অবস্থায় ডান বুকে গুলি লেগে
মারা যায়। তার স্বপ্ন ছিল ব্যান্ড শিল্পী হবে। তার কোনো স্বপ্নই পূরণ হলো না। জনাব
তারেক রহমান, আপনি যদি ক্ষমতায় আসেন তাহলে আমাদের সব শহীদের হত্যার বিচার করবেন। আমার
ছেলের খুনি তার নিজের ঘরে বসবাস করছে, তার কোনো বিচার হচ্ছে না। আজ আমাদের সন্তানের
রক্তের ওপর বসে যারা আমাদের সঙ্গে বেইমানি করছে, আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকার যে
শহীদদের হত্যার বিচার করবে, সেটা আমরা এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না। অনেকেই বলে, বিএনপি
ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হবে। আপনিও তো অনেক নির্যাতিত হয়েছেন। আপনি ক্ষমতায়
এলে যেন এই বিচার হয়। আপনার কাছে সব শহীদ যেন সমান থাকে শুধু নিজের দলের না। আমরা কোনো
দল করি না।
শহীদ
আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের মা বলেন, আমার ছেলে জীবিত থাকলে এবার ইন্টার পরীক্ষা দিত। আমার
ছেলে শহীদ হওয়ার ১৪ দিন পর আমার ছোট ছেলের ব্রেন ক্যানসার ধরা পড়ে। আমরা বিএনপি পরিবার
আমার ছেলের পুরো ক্যানসারের খরচ বহন করেছে। আমি কোনো রাজনীতি করি না। আমার ছেলে মারা
যাওয়ার সাত মাসের মাথায় আমার স্বামী স্ট্রোক করে মারা যায়। তারেক রহমান আমাকে ফোন করে
বলেছেন, তিনি আমার পাশে আছেন। গত ১৭ মাসে তাদের কাছ থেকে যে সহায়তা পেয়েছি, কৃতজ্ঞতা
থেকে তা স্বীকার করতেই হবে বিএনপির পরিবার আমাদের পাশে ছিল। কিন্তু এই ইন্টেরিম সরকার
কী করেছে? আমি স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে তিন দিন গিয়েছি। আমার ছেলে চিকিৎসা পায় না,
অথচ উনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিতে যান এটা কীভাবে হয়? আমাদের পরিবার পাশে না থাকলে আমার
ছেলের চিকিৎসা করতে পারতাম না। আমি তারেক রহমান স্যারের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।
শহীদ
শাহরিয়ার হাসান আলভির বাবা বলেন, আলভি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ৪ আগস্ট মিরপুরে
গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। রাষ্ট্রের জন্য আমরা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছি। কিন্তু
এই ১৮ মাসে একটি হত্যার বিচারও আমরা দেখিনি। ট্রাইব্যুনালের নামে সেখানে বাণিজ্য চলছে,
বিচার হচ্ছে না। তারেক রহমানের কাছে আমার দাবি, আমাদের শহীদ পরিবার কীভাবে ভালো থাকবে
সেটা উনি নিশ্চিত করবেন।
শহীদ
ইমাম হাসান তাইমের ভাই বলেন, যাত্রাবাড়িতে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল,
সেটা ছিল আমার ভাই। আমার বাবা একটা কথা বলেছিল, একটা মানুষকে হত্যা করতে কয়টা গুলি
লাগে, স্যার? গুলি করে পাখির মতো মানুষ মারা হয়েছে। আমাদের শহীদ পরিবারকে মনে হয় ইন্টেরিম
সরকারকে বলতে হবে, বিচার দাও, না হলে মানচিত্র খাবো। আমরা বিচারের জন্য প্রতিটি দ্বারে
দ্বারে গিয়েছি। আমি নাহিদ ভাইয়ের কাছে গিয়েছি, উনার কারণে আমার ভাইয়ের তিন খুনি পালিয়ে
গেছে। আমি আসিফ ভাইয়ের কাছেও গিয়েছি। তারেক রহমানের কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ, আপনি যখন
ক্ষমতায় যাবেন, শহীদদের হত্যার বিচার করবেন। অনেক শহীদের সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে
গেছে। আমি বহুবার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছি। আজ যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা যেন আমাদের সঙ্গে
অবিচার না করেন। আল্লাহ তায়ালা ছাড় দেন, কিন্তু ছেড়ে দেন না।
রংপুরে
শহীদ আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেন বলেন, আমার ছোট ভাই আবু সাঈদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের
মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। তার হত্যার বিচার এখনো হয়নি। যেসব হত্যা মানুষ চোখে দেখেনি,
সেগুলোর বিচার কীভাবে হবে? জনাব তারেক রহমানের কাছে আমার আবেদন, আহত ও নিহত পরিবারগুলোকে
যেন পুনর্বাসন করা হয়।
সবশেষে
মীর মুগ্ধের বাবা বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে দানব-নরপিশাচ মানুষ হিসেবে আখ্যায়িত করতে
চাই। আগামী দিনে যে সরকার আসবে, যারা আহত হয়েছে, শহীদ হয়েছে, শহীদ পরিবারের মধ্যে যারা
আর্থিক সংকটে আছে, তাদের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহ্বান জানাব। মতবিনিময় সভাজুড়ে
শহীদ পরিবারগুলোর বক্তব্যে উঠে আসে বিচারহীনতার ক্ষোভ, রাষ্ট্রীয় অবহেলার বেদনা এবং
ভবিষ্যতে একটি দায়বদ্ধ সরকারের প্রতি তাদের প্রত্যাশা।
মতবিনিময়
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভাপতিত্ব
করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এছাড়া তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও মঞ্চে না বসে অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের
সঙ্গে বসেন।
এ
সময় অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার তারেক রহমানের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করে নিজেদের দুর্দশার
কথা জানান। তিনি নিজেও অনেককে ডেকে নিয়ে কথা বলেন।
মন্তব্য করুন