

অন্তর্বর্তী
সরকার যে ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে-বিচার ও সংস্কার দৃশ্যমান করার মধ্য দিয়ে তাদের
নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন। এজন্য যতটুকু সময় প্রয়োজন অন্তর্বর্তী সরকার
ততটুকু সময় পেতে পারে।
আজ
শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের বিরতিতে এনসিপি’র সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমন কথা বলেন।
আখতার
হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে বিচার ও সংস্কারের দৃশ্যমান রোডম্যাপ সরকারকে উপস্থাপন
করতে হবে। আমরা নির্বাচন প্রলম্বিত করার পক্ষে নয়, তবে তার আগে বিচার এবং সংস্কারকে
যেন অবশ্যই দৃশ্যমান করা হয়। সে ব্যাপারে আমরা জোরালো বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। আমরা
এখন পর্যন্ত সংবিধানের বিষয়ে আলোচনা করেছি। এখন পর্যন্ত বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন,
জনপ্রশাসন, দুদক এবং পুলিশ সংস্কার কমিশনের মতো বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে পারিনি। তবে
পুলিশ সংস্কার কমিশিনের রিপোর্ট কেন অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি সে বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন
করেছি। আমাদের মতামতগুলো জানাতে চেয়েছি।
বর্তমান সংবিধানের অধীনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত সম্ভব
নয় উল্লেখ সম্ভব নয় উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীকে একচ্ছত্র
ক্ষমতায়ন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সাংবিধানিকভাবেই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ
তৈরি হয়েছে। আমরা ক্ষমতার ভারসাম্যের কথা বলেছি এবং সংবিধানের মৌলিক সংস্কারের কথা
আমরা বলেছি। কীভাবে নতুন একটি সংবিধান পুনর্লিখন করা যায়। গণপরিষদ নির্বাচনের বাস্তবতা
নিয়ে আমরা কথা বলেছি।
এনসিপি’র
দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ঐকমত্য কমিশনের ১৬৬টি বিষয়ের মধ্যে
১২৯টি বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। যেসব বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি সেসব বিষয়ে আমাদের অবজারভেশন
রয়েছে। এসব বিষয়ে সংযোজন, বিয়োজনের নোট আমরা ঐকমত্য কমিশনে দিয়েছি। আমরা মূলত এখন পর্যন্ত
তিনটি বিষয়ে কথা বলেছি। প্রথমত, প্রটেকশন অব সিটিজেন (নাগরিকদের নিরাপত্তা)। আমরা দেখেছি,
স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রে নাগরিকদের নিরঙ্কুশ অধিকার কখনো স্বীকৃত হয়নি। সেসব
বিষয়ে আমরা বিস্তারিত কথা বলেছি।
দ্বিতীয়ত,
আমরা শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে কথা বলেছি। আমরা প্রতিনিয়ত দেখেছি, যখনই ক্ষমতা
হস্তান্তরের একটি সময় এসেছে তখনই দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। একটা সরকার
থেকে অন্য সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর কীভাবে হবে এই বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা
হচ্ছে।
তৃতীয়ত,
সংসদের স্থিতিশীলতার নামে আর্টিকেল ১৭ দিয়ে আমাদের কন্ঠ রোধ করে রাখা হয়েছে- এ বিষয়ে
কথা হয়েছে। আমাদের সংসদকে আরো বেশি কীভাবে কার্যকর করা যায় ওই বিষয়টি নিয়ে আমাদের কথা
হয়েছে।
উক্ত বৈঠকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
এনসিপি’র
পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক
সরোয়ার তুষার, জ্যেষ্ট যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী,
মুখ্য সংগঠক (দাক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ।
মন্তব্য করুন


অনলাইনে ৩০০ ডলার থেকে ১০ হাজার ডলার বিনিয়োগ করলেই দিনপ্রতি আয় ৬ ডলার থেকে ২০০ ডলার। এছাড়াও এমএলএম পদ্ধতিতে রেফারেন্স বোনাস মিলবে ৩০ ডলার থেকে ১ হাজার ডলার পর্যন্ত।
উচ্চ মুনাফার প্রলোভেনের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব খুইয়েছেন অনেকে। মিরপুর মডেল থানার এমন একটি মামলার সূত্র ধরে তদন্তে নেমে চারজন সাইবার অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগ।
গ্রেপ্তাররা হলো—আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৬), মো. ইমরান শেখ (২৮), মো. মাহবুবুর রহমান সাদিক (৩২) ও শাহনেওয়াজ শরীফ শামীম (৩৪)।
গত ৩০ জানুয়ারি ঢাকার সাভার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি জানায়, উচ্চ রেফারেল কমিশন এবং ৩ মাসে জমা টাকা দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে বিপুলসংখ্যক মানুষ এই চক্রের ফাঁদে পা দেয়। বিভিন্ন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে প্রায় ৬-৭ কোটি টাকা প্রতারক চক্রের সদস্যরা হাতিয়ে নিয়েছেন।
যেভাবে প্রতারণা করতো-
গ্রেপ্তাররা অনলাইনে uscommunitytrad.com সাইটের মাধ্যমে তাদের ইনভেস্টমেন্ট সংগ্রহের মার্কেটিং কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। তারা সাধারণ গ্রাহকদের উচ্চ হারে মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্কিম প্যাকেজে ইনভেস্টমেন্ট করতে প্রলুব্ধ করেন।
তাছাড়াও একজন বিনিয়োগকারী যদি অন্য কাউকে বিনিয়োগ করাতে পারেন তাহলে প্যাকেজ ভেদে বিভিন্ন রকমের কমিশন দেওয়া হতো। সেখানে রয়েছে তাদের অসংখ্য বিনিয়োগ স্কিম প্যাকেজ।
ডিবি জানায়, প্রতারকরা প্রায় ৬ মাস ধরে সাধারণ মানুষকে অ্যাকাউন্ট তৈরি ও তাতে ক্রিপ্টোকারেন্সির সহায়তায় ডলার ডিপোজিট করতে সহায়তা করতেন। ডিপোজিট করা টাকা ডিজিটাল হুন্ডির মাধ্যমে দেশের বাইরে পাচার হয়ে যেত। যার প্রভাব পড়ে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রিপ্টোকারেন্সিতে লেনদেন অবৈধ।
যেসব স্কিমে নেওয়া হতো বিনিয়োগ
সিলভার প্যাকেজে ৩০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে বলা হতো প্রতিদিন রিটার্ন পাবে ৬ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ৩০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০০ দিন।
গোল্ড প্যাকেজে ৫০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন রিটার্ন ১০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ৫০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০১ দিন।
ডায়মন্ড প্যাকেজে ১০০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন রিটার্ন ২০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ১০০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০২ দিন।
প্লাটিনাম প্যাকেজে ২০০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন রিটার্ন ৪০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ২০০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০৩ দিন।
এক্সক্লুসিভ প্যাকেজে ৫০০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন রিটার্ন ১০০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ১০০০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০৪ দিন।
ভিআইপি প্যাকেজে ১০০০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে বলা হতো প্রতিদিন রিটার্ন ২০০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ১০০০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে। এই প্যাকেজের মেয়াদ ছিল ১০৫ দিন।
ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ বলেন, চক্রটি আমেরিকান কোম্পানির নাম ধারণ করে উচ্চ মুনাফার লোভ দেখিয়ে এমএলএম স্কিমে বিনিয়োগের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ভুক্তভোগীরা নির্ধারিত প্যাকেজের আওতায় ডলারের বিপরীতে টাকা বিনিয়োগ করতেন। আর সেই টাকা নিয়ে পলাতক হয়ে যান চক্রের সদস্যরা। এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা চারজনকে গ্রেপ্তার করেছি।
ডিবি সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতারণার নতুন কৌশল হিসেবে চক্রটি নতুন একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হ্যাচারি প্রজেক্টের কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে এক লাখ টাকা করে বিনিয়োগ গ্রহণ করছে। তারা এই টাকার বিপরীতে প্রতি মাসে আট হাজার করে পচিশ মাসে দ্বিগুণ মুনাফাসহ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এটি ছিল তাদের প্রতারণার নতুন একটি ফাঁদ।
গ্রেপ্তারদের মোবাইলে হ্যাচারি প্রজেক্টের নামে অন্য একটি স্কিমের তথ্য পাওয়া গেছে। যার মাধ্যমে লাখ টাকা করে নেওয়া শুরু করেছিলেন তারা।
ডিবিপ্রধান বলেন, আমরা গ্রেপ্তারদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছি। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত তাদের বিষয়ে তথ্য নিয়ে গ্রেপ্তার করা হবে। আর কত সংখ্যক লোকের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, বিষয়টি জানার চেষ্টা করা হবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া
আগামী মঙ্গলবার চিকিৎসার উদ্দেশ্যে লন্ডনে যাত্রা করবেন।
রোববার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসভবনে
সাক্ষাৎ শেষে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানান।
রাত ৮টায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির
উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম
খান, সালাউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ
টুকু ও অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন চেয়ারপারসনের বাসভবনে সাক্ষাৎ করতে যান।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, মহান আল্লাহ
তায়ালার অশেষ রহমতে দেশের গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী, যিনি জনগণের অত্যন্ত আদরের, দেশের
গণতন্ত্র সার্বভৌমত্ব ক্ষেত্রে আপসহীন তিনি তার চিকিৎসার জন্য আগামী ৭ জানুয়ারী লন্ডনের
উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন তার চিকিৎসার জন্য। সে কারণে আমরা জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ
এসেছিলাম তাকে বিদায় শুভেচ্ছা জানাতে। এবং সেইসঙ্গে আমরা তার সঙ্গে কথা বলেছি, আলাপ
করেছি। পরম করুনাময় আল্লাহ তাআলার কাছে এই দোয়া করেছি যে আল্লাহ তা'আলা যেন তাকে
সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। এবং আমাদের গণতন্ত্রের জন্য যে সংগ্রাম
চলছে সেই সংগ্রামে তিনি নেতৃত্ব দেন। এবং সেই সংগ্রাম সফল করবেন বাংলাদেশের মানুষের
সেই প্রত্যাশা। আমরা আল্লাহতালার কাছে দোয়া করি তার এই যাত্রা যেন সফল হয়। তিনি সুচিকিৎসা
নিয়ে যেন আমাদের মাঝে আবার ফিরে আসতে পারেন। তিনি যেন সুস্থভাবে যেতে পারেন এবং সুস্থভাবে
ফিরে আসতে পারেন আমরা সেই কামনা করেছি। নির্দেশনা দিয়েছেন একসঙ্গে কাজ কর, জনগণের
পক্ষে কাজ কর, গণতন্ত্রের জন্য কাজ কর। আশা করি তিনি দ্রুতই সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন।
এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার
সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দলটির স্থায়ী কমিটি সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমে সমর্থন দেওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাপানি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে তাদের অবস্থান অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে জাপানি রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত কিমিনোরি অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, জাপান সরকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক— এই তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করবে।
কিমিনোরি বলেন, ‘আমরা এই তিনটি স্তম্ভের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’
তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্বাচনী ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সংস্কার কার্যক্রমে টোকিওর ‘দৃঢ় সমর্থনের’ কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে অবদান রাখায় জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের প্রশংসা করে বলেন, ‘এই সম্পর্ক সবসময় খুব শক্তিশালী ছিল।’
সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে আরও জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি আমাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা দেয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ থেকে জাপানি কোন কোম্পানিও চলে যায়নি। তারা এখানে থাকতে আগ্রহী।’
তিনি নিক্কেইয়ের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ওই সম্মেলনে অধ্যাপক ইউনূস জাপানের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন এবং তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানাতে পারবেন।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনে প্রধান উপদেষ্টার পদক্ষেপের প্রশংসা করে জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, টোকিও এই বৈঠককে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।
অধ্যাপক ইউনূস মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিসংঘের গ্যারান্টিযুক্ত একটি নিরাপদ এলাকা তৈরির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন, যেখানে সংঘাত শেষ হওয়ার পর বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে তাদের বাড়িতে ফেরার পূর্বে সাময়িকভাবে পুনর্বাসিত করা যেতে পারে।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রথমবারের মতো সেনাসদরে গেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা সেনাসদরে পৌঁছালে সেনাবাহিনী
প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তাঁকে স্বাগত জানান।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টাকে জাতীয় নিরাপত্তার
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি সম্পর্কে ব্রিফ করা হয়। পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা কর্তৃক
প্রদত্ত মূল্যবান দিকনির্দেশনাসমূহ সম্মিলিতভাবে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং
বাস্তবায়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালনে অত্যন্ত সহায়ক হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
মো: তৌহিদ হোসেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো: জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারি লেফটেন্যান্ট
জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো: মাহবুব হোসেন, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী
প্রধান, পিএসও এএফডি, সামরিক ও অসামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, পুলিশ মহাপরিদর্শক এবং
গোয়েন্দা সংস্থাসমূহ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, র্যাব এর মহাপরিচালকগণ
ও সেনাসদরের কর্মকর্তাগণ।
(খবর বাসসের)
মন্তব্য করুন


ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার আগে নিজ বাসার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে
যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো.
সাজ্জাত আলী।
আজ শনিবার (৮ মার্চ) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ
সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
পুলিশের জনবলের স্বল্পতা থাকার তথ্য জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এক
সপ্তাহ পর ঢাকাবাসীর অনেকে নিকটাত্মীয়র সঙ্গে ঈদ করতে গ্রামে যাবেন। আপনারা যখন
বাড়ি যাবেন, তখন নিজ দায়িত্বে ফ্ল্যাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত
করে যাবেন। আজ শনিবার ৭ রমজান। তারাবিহ সাতটি হয়ে গেছে। ঢাকাবাসী তারাবিহর নামাজ
পড়তে যান। দেড় থেকে দুই ঘণ্টা তারাবিহতে সময় লাগে। সে সময়টায় রাস্তাঘাটে জনশূন্যতা
দেখা যায়। এ সময় বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান সযত্নে রেখে আসবেন। নগরীর যে ক্রাইম, সেটি
হচ্ছে স্ট্রিট ক্রাইম। মুঠোফোন টান দেওয়ার মতো সহজ কোনো ক্রাইম করা যায় কি না,
জানি না। পকেট থেকে মানিব্যাগ টান দেওয়া কিন্তু ঝুঁকি। এমনও মুঠোফোন আছে, যার দাম
লাখ টাকা। আমরা খবর পাচ্ছি, মুঠোফোনগুলো বর্ডারে নিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘উঠতি বয়সের ছেলেরা, আমরা যাদের কিশোর গ্যাং বলি, তারা
বাসের যাত্রী, প্রাইভেট কারের যাত্রী, মোটরবাইকের চালকদের মুঠোফোন কেড়ে নেয়। এ
ধরনের অপরাধকে বলা হয় স্ট্রিট ক্রাইম। ঢাকা শহর পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শহর।
এই শহরে নানা সমস্যা আছে। ইদানীং ঢাকা মহানগরীতে বড় ধরনের অপরাধ খুন, ডাকাতির মতো
অপরাধের সংখ্যা খুবই কম। বিগত বছরের পরিসংখ্যান দেখলে অথবা অন্য দেশের বড় বড় শহরের
অপরাধের চিত্রের সঙ্গে তুলনামূলক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, ঢাকা শহরের
অপরাধের চিত্র কম।
মন্তব্য করুন


যাত্রীদের জিম্মি করে বাংলাদেশ রেলওয়ের
রানিং স্টাফদের কর্মসূচি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
আজ মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) ট্রেন চলাচল
বন্ধের পর সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করতে এসে এ কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
বলেন, স্টাফদের দাবির বিষয়ে আমাদের আলোচনার দরজা সব সময় খোলা রয়েছে। প্রয়োজনে আমরা
তাদের সঙ্গে আবারও আলোচনা করব এবং অর্থ বিভাগেও তাদের এ দাবি দাওয়া নিয়ে আলোচনা করব।
যাত্রীদের ভোগান্তি যাতে কম হয় সেজন্য ইতোমধ্যে গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছি।
এরপরও কোনো যাত্রী যদি স্টেশনে আসেন তাদের সুবিধা বিবেচনা করে আমরা বিআরটিসি বাসের
ব্যবস্থা করে দিয়েছি। যাতে রেলের যে রুটগুলো আছে সেখানে যাত্রীরা যেতে পারেন।
রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির
খান বলেন, স্টাফদের যে দাবি মাইলেজ অ্যালাউন্সের দাবি, তা দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে।
তাদের এ দাবির অনেক অংশ আমরা ইতোমধ্যে পূরণ করেছি। বাকি দাবিগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা
করতে প্রস্তুত আছি। রেলতো কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি না, এখানে আলোচনার সুযোগ আছে। রেল
বন্ধের ফলে কিন্তু সরকারের অসুবিধা হচ্ছে না, অসুবিধা সাধারণ যাত্রীদের হচ্ছে। আমরা
চাই এর সমাধান দ্রুত হোক। কারণ সামনে ইজতেমা আছে।
পরিদর্শনকালে বিআরটিসির চেয়ারম্যান
তাজুল ইসলাম বলেন, কমলাপুর ও এয়ারপোর্ট স্টেশনে যাত্রীদের জন্য ১০টি করে মোট ২০টি গাড়ি
প্রস্তুত আছে। প্রয়োজন হলে বাস আরও বাড়ানো হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রেলপথ সচিব মো.
ফাহিমুল ইসলাম, রেলওয়ে ঢাকা বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আরিফ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


গ্রেপ্তার অভিযান
আরো জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব
ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা
কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও তিনি জানান।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর)
আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকার
উপদেষ্টা এ কথা জানান। সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা
সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, কমিটিতে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং
আমাদের সামনের যে ইভেন্ট আছে এই ইভেন্ট গুলোকে কিভাবে সুষ্ঠুভাবে শৃঙ্খলা বজায় রেখে
শেষ করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং আশা করি সামনের ইভেন্টগুলো শান্তিপূর্ণভাবেই পালন করা যাবে। এর
বাইরেও কিছু বিষয় নিয়ে যেমন গ্রেপ্তার অভিযান বৃদ্ধি করার জন্য, আমরা কিছু এক্টিভিটি
গত কিছুদিন লক্ষ্য করেছি। তার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার অভিযান আরো জোরদার করার ব্যাপারে
সিদ্ধান্ত হয়েছে তার ফলাফল হয়তো আপনারা দেখতে পাবেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জানিয়েছে,বাংলাদেশি ভোটার বিদেশে বসবাস করলেও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।
সম্প্রতি এ নিয়ে ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমানের স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র জারি হয়েছে যাতে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ২৭ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিধান রয়েছে।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য আবেদন:প্রবাসী ব্যক্তি ভোটদানের জন্য কমিশনের ঘোষিত সময়সূচির প্রজ্ঞাপন ঘোষণার দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদানের জন্য রিটার্নিং অফিসারের নিকট বিধি অনুসারে আবেদন করতে পারবেন।বিধান অনুযায়ী পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদান সংক্রান্ত রিটার্নিং অফিসার স্থানীয়ভাবে প্রচার করবেন। আর বিদেশে অবস্থিত দূতাবাস, হাইকমিশন ও মিশনসমূহ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পদ্ধতিগতভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর করণীয়: রিটার্নিং অফিসার উল্লিখিত আবেদন প্রাপ্তির পর পরই সংশ্লিষ্ট ভোটারের নিকট একটি পোস্টাল ব্যালট পেপার এবং তার সঙ্গে একটি খাম পাঠাবেন। এই খামের ওপর ভোটার থেকে যথারীতি পূরণকৃত খামটি ডাক বিভাগের উপযুক্ত কর্মকর্তার দ্বারা সার্টিফিকেট অব পোস্টিংয়ের মাধ্যমে ডাকযোগে প্রেরণের প্রত্যয়নসহ তারিখ উল্লেখ থাকবে। সার্টিফিকেট অব পোস্টিংয়ের মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালট পেপার গ্রহণ এবং চিঠির ওপর এ সম্পর্কে রাবার স্ট্যাম্পের সিল ব্যবহার করতে হবে। রিটার্নিং অফিসার সঙ্গে সঙ্গে ডাকযোগে ভোটদানের যোগ্য ব্যক্তিদের নিকট পোস্টাল ব্যালট পেপার প্রেরণ করবেন।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটের নিয়ম: যার নিকট ব্যালট পেপার প্রেরণ করা হবে তার নাম, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার নাম এবং ভোটার তালিকায় বর্ণিত ক্রমিক নম্বর ইস্যুকৃত ব্যালট পেপারের মুড়িপত্রে লিপিবদ্ধ করবেন।) উল্লিখিত ভোটার সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে যাতে ভোট প্রদান করতে পারেন তা নিশ্চিত করবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্তৃপক্ষকে ডাকযোগে ব্যালট পেপার প্রেরণ ও প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানের লক্ষ্যে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করতে হবে ।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে আয়নাঘর বলতে এখানে কোনো কিছু থাকবে না বলে বলেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন এখানে কোনো ভাতের হোটেলও থাকে না।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ডিবি কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ কথা বলেন।
৫ আগস্টের আগে ডিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন ইউনিটে টর্চার সেল বা আয়নাঘর ছিল, ডিবিতে এখনও কোনো আয়নাঘর আছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ডিবি কার্যালয়ে আয়নাঘর বলতে এখানে কোনো কিছু নেই। আর কোনো ধরনের আয়নাঘর থাকবেও না। এখন ডিবি পুকুরটা একটু ময়লা আছে। আমরা তাদের বলেছি দুপুরটা যেনো আয়নার মতো করে পরিষ্কার করা হয়। এখানে কোনো আয়নাঘর থাকবে না। এখানে কোনো ভাতের হোটেলও থাকে না বলে। এছাড়াও ডিবি পুলিশদের বলা হয়েছে, তারা সিভিল পোশাকে কোনো অভিযান বা আসামি গ্রেফতার করবে না। তারা অবশ্যই ডিবি জ্যাকেট ও আইডি কার্ড পড়ে অভিযানে যাবে। আইনের বাইরে কোনো কাজ করা যাবে না।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও বলেন, আপনারা দেখেন আমরা কোনো দুর্নীতি বা আইন বহির্ভূতভাবে কোনো কারছি না। আমরাদের কাছে যদি আমাদের কোনো দুর্নীতি বা অনিয়মের অভিযোগ থাকে, তাহলে প্রকাশ করে দেন। তবে অবশ্যই সত্যি ঘটনা প্রকাশ করবেন। আপনারা ভারতের বিষয়ে অনেক সত্যি সংবাদ প্রকাশ করেছেন। এজন্য আপনারা ধন্যবাদ পাওয়ার উপযুক্ত। আপনাদের সত্য সংবাদ প্রকাশের কারণে ভারতের অপপ্রচার অনেক কমে গেছে। এভাবে আপনারা সত্য সংবাদ প্রকাশ করলে, আমাদের জন্য অ্যাকশন নিতেও সুবিধা হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি। আলহামদুলিল্লাহ আগের চেয়ে পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হয়েছে। তবে কীভাবে আরও উন্নতি করা যায়, সে ব্যাপারে আমরা চেষ্টা করছি।
ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে গেছে স্বীকার করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গত কয়েকদিনে আমরা অনেক ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছি। আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছে। পর্যায়ক্রমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
লিবিয়াতে বাংলাদেশি প্রবাসীদের আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায় করা হচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, যারা লিবিয়া গিয়ে আটকে আছে। তারা কিন্তু আমাদের অনেক বড় সোর্স অব ইনকাম। তারা অনেক কষ্ট করে আমাদের দেশে টাকা পাঠাচ্ছে। তারা আমাদের বড় সম্পদ। তাদের জন্য আমরা সর্বোচ্চ কাজ করার চেষ্টা করছি। তবে তথ্য প্রয়োজন। ভুক্তভোগীদের আমাদের কাছে এসে অভিযোগ দায়ের করার অনুরোধ রইলো।
আরেক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় যতজন অপহরণের শিকার হয়েছিল। তাদের সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে। আপনারা জানেন, মিয়ানমারের আরাকান আর্মি বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় দখল করে রেখেছে। সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো নিযন্ত্রণ নেই। এখন আমাদের দু'পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রাখতে হচ্ছে। এখন মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আমরা সীমান্ত নিয়ে কোনো বৈঠকে বসতে পারছি না। আবার আরাকান আর্মি কোনো স্বীকৃতি পায়নি। ফলে আমাদের দু'পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সীমান্ত এলাকা শান্ত রাখার চেষ্টা করছি। আমাদের সীমান্ত আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।
সীমান্ত এলাকায় অপহরণ ও মাদক চক্র সক্রিয় আছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মিয়ানমার সীমানা এলাকায় অপহরণ চক্রের পাশাপাশি কয়েকটি মাদক চক্র সক্রিয় আছে। শুধু এক বদি ধরা পড়েছে। তবে বদি চক্রের অনেক সদস্য এখনও সক্রিয় রয়েছে৷ আমরা সবাইকেই আইনের আওতায় নিয়ে আসছে কাজ করে যাচ্ছি বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম ।
মন্তব্য করুন


রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) জানা যাবে আরবি ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র শবে বরাতের তারিখ। পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখার জন্য আগামীকাল জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে।
শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপি এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেলে সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) থেকে গণনা শুরু হবে শাবান মাসের। সেক্ষেত্রে শবে বরাত পালিত হবে ২৫ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাতে। চাঁদ দেখা না গেলে মঙ্গলবার রজব মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে, ১৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে শাবান মাস। এক্ষেত্রে শবে বরাত পালিত হবে ২৬ মার্চ দিনগত রাতে।
মন্তব্য করুন