

চিনির বাজারদর সহনীয় ও স্থিতিশীল রাখতে অপরিশোধিত ও পরিশোধিত চিনির ওপর বিদ্যমান রেগুলেটরি ডিউটি ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
এ সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সংস্থাটি।
বুধবার (৯ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরিচালক (জনসংযোগ) সৈয়দ এ মোমেন।
এনবিআর বলছে, বৈশ্বিক যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার ফলে বাংলাদেশি মুদ্রার ব্যাপক অবমূল্যায়ন, সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং বন্যা পরিস্থিতির কারণে শিশু খাদ্যসহ ও বেশ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়ে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণপূর্বক কর ছাড়ের মাধ্যমে চিনির বাজার দর সহনীয় ও স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অপরিশোধিত ও পরিশোধিত চিনির ওপর বিদ্যমান রেগুলেটরি ডিউটি ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এনবিআর জানায়, রেগুলেটরি ডিউটি ১৫ শতাংশ কমানোর মাধ্যমে আমদানি পর্যায়ে প্রতি কেজি অপরিশোধিত চিনির ওপর শুল্ক কর ১১ টাকা ১৮ টাকা এবং পরিশোধিত চিনির ওপর শুল্ক কর ১৪ টাকা ২৬ টাকা কমানো হয়েছে।
এর ফলে শুল্ক হ্রাসের সমপরিমাণ দাম কমে আসবে বলে মনে করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
তাছাড়া, এই শুল্ক কর হ্রাসকরণের ফলে অবৈধ পথে চিনির চোরাচালান নিরুৎসাহিত হবে এবং বৈধ উপায়ে আমদানি বাড়বে। এতে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বাড়বে।
মন্তব্য করুন


দেশের
হাওর ও জলাভূমির অস্তিত্ব রক্ষায় কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
হাওর
বা জলাভূমি অবৈধ দখল, ভরাট কিংবা পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করলে অনধিক ২
বছরের কারাদণ্ড অথবা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রেখে ‘বাংলাদেশ হাওর
ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করা হয়েছে।
আইন,
বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে গতকাল বুধবার
এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ১৫ জানুয়ারি ) সকালে আইন মন্ত্রণালয়ের পাবলিক রিলেশন্স অফিসার এ তথ্য
জানান।
অধ্যাদেশে
অপরাধের ধরন অনুযায়ী শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, জারিকৃত
‘সুরক্ষা আদেশ’ লঙ্ঘন, হাওর-জলাভূমি ও কান্দার অবৈধ দখল, ভরাটকরণ, অননুমোদিত
খনন কিংবা পানির প্রবাহ ব্যাহত করে এমন অবকাঠামো নির্মাণের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক
২ (দুই) বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ (দশ) লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা
হয়েছে। অধ্যাদেশে এসব অপরাধকে ‘আমলযোগ্য’ ও ‘অ-জামিনযোগ্য’
হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
অধ্যাদেশ
অনুযায়ী, হাওর ও জলাভূমি এলাকা থেকে অনিয়ন্ত্রিত পানি উত্তোলন, মাটি, বালু বা পাথর
আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া পরিযায়ী পাখি শিকার, সংরক্ষিত জলজ প্রাণী ধরা, জলাবন
বিনষ্ট করা এবং বিষটোপ বা কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
অধ্যাদেশের
মাধ্যমে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই গঠিত ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি
উন্নয়ন অধিদপ্তর’কে ব্যাপক ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
এখন থেকে হাওর ও জলাভূমি সংশ্লিষ্ট এলাকায় যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি উন্নয়ন প্রকল্প
গ্রহণের আগে এই অধিদপ্তরের মতামত গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
অধিদপ্তর
নিশ্চিত করবে, প্রস্তাবিত প্রকল্পের ফলে পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জনসাধারণের জীবিকার কোনো
ক্ষতি হবে কি না।
সরকার
চাইলে বিশেষ কোনো হাওর বা জলাভূমিকে ‘সংরক্ষিত এলাকা’
হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। সংরক্ষিত এলাকার পানির প্রবাহ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর
কোনো স্থাপনা থাকলে অধিদপ্তর তা অপসারণ বা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিতে পারবে।সংবিধানের
১৮ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদের নিরাপত্তা
বিধানের অংশ হিসেবে এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি অবিলম্বে সারা দেশে কার্যকর
হবে বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চাল বিক্রি করার জন্য এখন থেকে বস্তায় ধানের জাত ও মিল গেটের মূল্য লিখতে হবে। সেই সঙ্গে লিখতে হবে উৎপাদনের তারিখ ও প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের নাম। এমনকি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের অবস্থান (জেলা ও উপজেলা) উল্লেখ করতে হবে। থাকবে ওজনের তথ্যও। চালের উৎপাদনকারী মিল মালিকদের গুদাম থেকে বাণিজ্যিক কাজে চাল সরবরাহের প্রাক্কালে চালের বস্তার ওপর উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্য এবং ধান/চালের জাত উল্লেখ করতে হবে। বস্তার ওপর এসব তথ্য কালি দিয়ে লিখতে হবে।
চাল উৎপাদনকারী মিল মালিকের সরবরাহ করা সব প্রকার চালের বস্তা ও প্যাকেটে ওজন (৫০/২৫/১০/৫/১) উল্লেখ থাকতে হবে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা প্রতিপালন করতে হবে। এক্ষেত্রে মিল গেট দামের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান চাইলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করতে পারবে।
এ বিষয়ে গত ২১ ফেব্রুয়ারি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ শাখা থেকে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।
এমন নির্দেশনা সোমবার (১৪ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হবে।
ইতোমধ্যে নির্দেশনার কপি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, সব বিভাগীয় কমিশনার, সব জেলা প্রশাসক, সব জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, সব উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষর করা এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেশের চাল উৎপাদনকারী কয়েকটি জেলায় পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে বাজারে একই জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল ভিন্ন ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রি হচ্ছে।
চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে বা হঠাৎ বৃদ্ধি পেলে মিলার, পাইকারি বিক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। এতে ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পছন্দমতো জাতের ধানের চাল কিনতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এ অবস্থার উত্তরণের লক্ষ্যে চালের বাজারমূল্য সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে ধানের নামেই যাতে চাল বাজারজাতকরণ করা হয় তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এবং এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম মনিটরিংয়ের সুবিধার্থে নির্দেশনায় কয়েকটি বিষয় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
এর ব্যত্যয় ঘটলে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ, বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩-এর ধারা ৬ ও ধারা ৭ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনটির ধারা-৬-এর অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার সুযোগ রয়েছে। আর ধারা-৭-এর শাস্তি হিসেবে রয়েছে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে পাচার অর্থ ফিরিয়ে আনতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন ।
বুধবার (২১ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এ বৈঠক এর সময় ড. ইউনূস পাচার অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতা চান।
শফিকুল আলম বলেন, ‘আমরা বৈশ্বিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানি যে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর টাকা পাচার হয়ে গেছে। যুক্তরাজ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ বাড়িঘর করেছেন। পাচার হওয়া এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কীভাবে ফেরত আনা যায় সে বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন ড. ইউনূস।’
তিনি আরো বলেন, সরকার পাচার হওয়া অর্থ ফেরত এনে দেশ পুনর্গঠনের কাজে লাগাতে চায়।
বুধবার ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক ছাড়াও জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
মন্তব্য করুন


এখন
থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত
বাকিতে বা ঋণে গ্যাস আমদানির সুযোগ পাওয়া যাবে।
রোববার
(১১ জানুয়ারি) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এলপিজি আমদানিকারকদের
ঋণসুবিধা সহজ করতে এই সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সার্কুলারে
উল্লেখ করা হয়, এলপিজি সাধারণত বাল্ক পরিমাণে আমদানি করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে তা সিলিন্ডারে
ভরে বাজারজাত করা হয়।
এই
প্রক্রিয়ায় মজুত, সিলিন্ডারজাতকরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে তুলনামূলক বেশি সময় লাগে। এসব
বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এলপিজিকে বাণিজ্যিক ঋণের ক্ষেত্রে শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে গণ্য
করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যমান
বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বিধিমালা অনুযায়ী, শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে সরবরাহকারী বা
ক্রেতার ঋণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত সময়সীমা পাওয়া যায়। এই সুবিধাই এখন
এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
বাংলাদেশ
ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে
ক্রেতার ঋণ (বায়ার্স ক্রেডিট) সংগ্রহে সহায়তা করে। পাশাপাশি অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের
মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
বাজারে
এলপিজি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই নির্দেশনার ফলে আমদানি করা গ্যাসের
দাম কমে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন


তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সাম্প্রতিক অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সিন্ডিকেট ও বাজার কারসাজি দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজির দাম সামান্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার আগেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বিষয়টি কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে দাম বাড়িয়ে দেন।
উপদেষ্টা জানান, এলপিজির দামে এ ধরনের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির পেছনে কোনো বাস্তব কারণ নেই। এটি সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত কারসাজির ফল। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—দেশের প্রতিটি জেলায় এলপিজির বাজার তদারকিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য। জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে এসব অভিযান পরিচালনা করবে।
বাসাবাড়িতে তিতাস গ্যাস সরবরাহ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ফাওজুল কবির খান বলেন, বর্তমানে গ্যাস সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। শীত মৌসুমে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে।
এদিকে, গত কয়েক দিন ধরে এলপিজির বাজারে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চলতি জানুয়ারি মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করেছে। নতুন এই দাম গত ৪ জানুয়ারি (রবিবার) সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াল দুই হাজার ১৯ কোটি ৬১ লাখ ৯০ হাজার ডলার বা ২০ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারে।
দুই সপ্তাহ ব্যবধানে বৈদেশিক মুদ্রার এ রিজার্ভ আবারো ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সাপ্তাহিক নির্বাচিত অর্থনৈতিক সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে। অন্যদিকে, গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াল দুই হাজার ৫৩২ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার ডলারে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রধানত আমদানি ব্যয় মেটানো তথা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে ব্যবহার হয়। এ রিজার্ভ আর্থিক খাতের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক ঋণ, প্রবাসী আয়, বৈদেশিক ঋণ বা সহায়তা রিজার্ভের উৎস। আবার আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক ঋণ-সুদ পরিশোধ, বিদেশে চিকিৎসা, শিক্ষাসহ হাজারো খাত রয়েছে ব্যয়ের ক্ষেত্রে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, জানুয়ারির শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে তা নেমে আসে ১৯ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলারে (বিপিএম৬)। আগের সপ্তাহেও রিজার্ভের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৯৯৩ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার ডলার। মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এসে ১৬ কোটি ১০ লাখ ৫০ হাজার যোগ হয়ে আবারো তা ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
করোনা মহামারির মধ্যে আমদানি কমে গিয়েছিল। তবে প্রবাসীরা দেশে ফেরার সময় সঞ্চিত অর্থ নিয়ে আসেন। অনেকে বিদেশে থেকেও বাড়িতে স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠিয়ে দেন। এতে বাড়ে রিজার্ভ। ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন অতিক্রম করে। করোনার পর যখন দেশে দেশে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার শুরু হয়, তখন উল্টো অবস্থা তৈরি হয়। আমদানি ব্যয় বাড়তে থাকে। মূল্যস্ফীতি বাড়ে। রাশিয়া-ইউক্রেইন যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তোলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিজার্ভ বিক্রি করে আমদানি ব্যয় সামাল দিতে হয়।
বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ব্যাংকের একাধিক সূত্র বলছে, ওই সময়ে রিজার্ভ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ছিল হুন্ডি বন্ধ হয়ে যাওয়া। তখন অধিকাংশ দেশ করোনা মহামারির বিস্তার রোধে অন্য দেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে যেমন ডলার বাড়তে থাকে। আবার আমদানি কমে যাওয়ার কারণে খরচের খাতও ছোট হয়ে আসে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, চাঁদপুর প্রতিনিধি :
প্রাণিসম্পদে ভরবো দেশ,গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ এই স্লোগানে চাঁদপুরের কচুয়ায় দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ৫০টি স্টলের মাধ্যমে প্রদর্শনী করা হয় এবং অতিথিবৃন্দ স্টলগুলো পরিদর্শন করেন। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
ইউএনও এহসান মুরাদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুব উল আলমের পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা খানম,উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাওকাত হোসেন সুমন,বীর মুক্তিযোদ্ধা জাবের মিয়া ,কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রিয়তোষ পোদ্দার,উপজেলা কৃষি অফিসার মেজবাহ উদ্দিন,মৎস কর্মকর্তা মাসুদুল হাছান,আইসিটি কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন,সমবায় অফিসার দেলোয়ার হোসেনসহ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে এক বিরল প্রজাতির বিশাল মাছ, যার ওজন
প্রায় ২০০ কেজি। স্থানীয়ভাবে এটি ‘মাইট্যা’ মাছ নামে পরিচিত, তবে বৈজ্ঞানিকভাবে
এটি ‘সেইলফিশ’ বা মার্লিন প্রজাতির। সমুদ্রের অন্যতম দ্রুতগামী এই মাছের
বিশেষত্ব হলো পিঠের উপরের পাখনাটি, যা পাখির ডানার মতো প্রসারিত। এই কারণে স্থানীয়
জেলেরা এটিকে ‘পাখি মাছ’ বা ‘পাখি মাইট্যা’
নামে ডাকে।
রবিবার
(১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় টেকনাফ মৎস্য বন্দরে আনা এই মাছটি দেখা ও ওজন করার পর লোকজনের
মধ্যে উৎসাহ এবং কৌতূহলের ঢেউ দেখা দেয়। মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, গভীর সমুদ্রের এই মাছ
সাধারণত উপকূল সংলগ্ন এলাকায় খুব একটা ধরা পড়ে না।
ট্রলার
মালিক সব্বির আহমেদ জানান, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালেই তিনি ১১ জন মাঝিমাল্লা ও
জেলের সঙ্গে সেন্টমার্টিন দ্বীপের পশ্চিমে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে জাল ফেলেন। তখনই অন্যান্য
মাছের সঙ্গে এই বিশাল মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি বাজারে আনার পর ওজন করে দেখা গেছে প্রায়
২০০ কেজি। স্থানীয় ব্যবসায়ী সৈয়দ আলমকে মাছটি ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
সৈয়দ
আলম জানিয়েছেন, টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ফিশারিতে বরফের মাধ্যমে মাছটি সংরক্ষণ করা
হয়েছে। বড় আকারের হওয়ায় স্থানীয় বাজারে এই মাছের জন্য উপযুক্ত দাম পাওয়া কঠিন।
তাই বিশেষ ব্যবস্থা নিয়ে অধিক লাভের আশায় এটি চট্টগ্রামের বাজারে পাঠানো হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বাংলাদেশে আরো মার্কিন বিনিয়োগকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেছেন, তার সরকার বিদেশি বিনিয়োগ
আকর্ষণ এবং দেশের ব্যবসায় পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকায় তিনি
একটি মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে বলেন, ‘আপনারা সঠিক সময়ে এদেশে এসেছেন।’
এক্সিলারেট এনার্জির প্রধান নির্বাহী
কর্মকর্তা (সিইও) এবং ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান স্টিভেন কোবোসের
নেতৃত্বে মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব গ্রহণ
করায় প্রধান উপদেষ্টার প্রশংসা করে স্টিভেন কোবোস বলেন, এটি বাংলাদেশে ব্যবসায় আস্থা
বাড়াবে।
তিনি বলেন, ‘আপনার দায়িত্ব গ্রহণের
পর থেকে আমেরিকান কোম্পানিগুলোর বাংলাদেশে আগ্রহ অনেক বেড়েছে।’
কোবোস আরো জানান, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস
কাউন্সিলের সদস্যসহ শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কোম্পানিগুলো দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশে ব্যবসার
সম্ভাবনা নিয়ে অনেক আগ্রহী।
এক্সিলারেট এনার্জির সিইও কোবোস বলেন,
তার কোম্পানি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে আরো বিনিয়োগের পরিকল্পনা
করছে।
তিনি বলেন, কোম্পানিটি দেশে তরলীকৃত
প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বৃদ্ধি করতে চায়। বর্তমানে এক্সিলারেট বাংলাদেশের
দুটি অফশোর ফ্লোটিং স্টোরেজ এবং রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে (এফএসআরইউ) বিনিয়োগ করেছে, যা
প্রতিদিন ১.১ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করে। দেশের দৈনিক গ্যাস সরবরাহের প্রায় ৩৪
শতাংশ এখান থেকে আসে।
সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরের
সময় প্রধান উপদেষ্টা ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
সেখানে এ সংগঠনের ৫০ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে কিছু শীর্ষস্থানীয় আমেরিকান
বহুজাতিক কোম্পানিও ছিল। ড. ইউনূস উপস্থিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের
আমন্ত্রণ জানান।
সাক্ষাৎকালে স্টিভেন কোবোসের সঙ্গে
প্রতিনিধিদলে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার হাসসহ এক্সিলারেট এনার্জির
উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ছিলেন। পিটার সম্প্রতি এক্সিলারেট এনার্জিতে স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজার
হিসেবে যোগদান করেছেন। এছাড়া প্রতিনিধিদলে কোম্পানিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেরেক ওয়ং
ও র্যামন ওয়াংডি এবং বাংলাদেশের আবাসিক ব্যবস্থাপক হাবিব ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী ও জ্বালানি সচিব সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.
মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইর্মা ভ্যান
ডুরেন সৌজন্য সাক্ষৎ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে অধ্যাপক ইউনুস ডাচ রাষ্ট্রদূতকে
ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, নেদারল্যান্ডসের নেতৃত্ব ও ব্যবসায়ী সম্পম্প্রদায়সহ দেশটির
সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে।
এ সময় ডাচ রাষ্ট্রদূত তাঁর দেশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে বলেন, নেদারল্যান্ডস কৃষি, সামুদ্রিক সম্পদ, শিল্প, যুব, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি, শ্রম, পরিবেশ এবং বন্যা ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী।
অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চাকাঙ্ক্ষী সংস্কার
কর্মসূচির বাস্তবায়নে ড. ইউনূস নেদারল্যান্ডস সরকারের সহযোগিতা চান।
বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, শ্রম খাত, নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগ, বেসামরিক প্রশাসন ও ব্যবসায় পরিবেশ-প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সাক্ষাৎকালে রোহিঙ্গা সঙ্কটের বিষয়েও আলোচনায় উঠে আসে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, কক্সবাজারের আশ্রয়
শিবিরগুলোতে বেড়ে ওঠা রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ এমনভাবে দিতে হবে যেন
তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হয়।
ইর্মা ভ্যান ডুরেন উল্লেখ করেন- কৃষি, পানি ও
নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ সম্ভাবনাময় বেশ কিছু খাতে আরও বেশি ডাচ বিনিয়োগ নিয়ে আসার
জন্য সেদেশের ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ জানাবেন।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি
বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক (সিনিয়র সচিব) লামিয়া মোরশেদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
মহাপরিচালক কাজী রাসেল পারভেজ, ডাচ উপ-রাষ্ট্রদূত থিজ ওয়ুডস্ট্রা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন