

বিয়ের
সংবর্ধনা থেকে নবদম্পতির হেলিকপ্টারে করে নতুন জীবনের যাত্রা শুরু হওয়ার কথা ছিল। পরিকল্পনা
ছিল ডিকালব-পিচট্রি বিমানবন্দরে গিয়ে সেখান থেকে আটলান্টার একটি হোটেলে রাত কাটানো।
কিন্তু আনন্দের সেই মুহূর্ত নিমেষেই রূপ নেয় ভয়াবহ ট্র্যাজেডিতে।
বলছি
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের কথা। ডসনভিলের কাছে ‘দ্য
রিভিয়ার’ নামের একটি ভেন্যুতে ডেভ ও জেসনির বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল।
পরিবারের কয়েকশ' অতিথি ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন।
বর
একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। নাম ডেভ ফিজি। তিনি আটলান্টার বাসিন্দা এবং
ডেল্টা এয়ারলাইন্সের একজন পাইলট ছিলেন।
শুক্রবার
(২৯ জুন) ডসন কাউন্টির ডসনভিলের কাছে পাঁচ আসনের একটি 'রবিনসন' হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত
হয়ে ডেভ এবং ওই হেলিকপ্টারের পাইলট মারা যান। ডেভের স্ত্রী জেসনিকে আহত অবস্থায় উদ্ধার
করে কাছের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি এখনো চিকিৎসাধীন।
স্থানীয়
সময়, শুক্রবার (২৯ মে) রাতে আটলান্টার উত্তরে ডসনভিল এলাকার একটি ঘন বনাঞ্চলে এই দুর্ঘটনা
ঘটে।
২৬
বছর বয়সী ডেভ ফিজি এবং তার স্ত্রী জেসনি বিয়ের রিসেপশন শেষে 'রোবিনসন আর-৬৬' হেলিকপ্টারে
করে আটলান্টার একটি হোটেলে যাচ্ছিলেন। পথেই হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।
নববধূ
জেসনি দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ধ্বংসাবশেষের ভেতরে কয়েক ঘণ্টা আটকে ছিলেন। পরে জ্ঞান ফিরলে
তিনি নিজেই জরুরি সেবায় যোগাযোগ করেন এবং উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবারের
বরাত দিয়ে জানা যায়, জেসনি দুর্ঘটনার পর প্রথমে অচেতন হয়ে পড়েন এবং কয়েক ঘণ্টা পর জ্ঞান
ফিরে স্বামীর নিথর দেহ দেখতে পান।
পরিবারের
সদস্যদের দাবি, উড্ডয়নের আগে খারাপ আবহাওয়ার কারণে ফিজি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ
করেছিলেন। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে যায়।
বিধ্বস্ত
হেলিকপ্টারটির মালিকানা প্রতিষ্ঠান 'প্রেস্টিজ হেলিকপ্টারস'-এর অপারেশন ডিরেক্টর অ্যান্ডি
হুইটেকার বলেন, কোম্পানির ইতিহাসে এমন দুর্ঘটনা এই প্রথমবারই হয়েছে। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট
পাইলটও ওই রুটের বিষয়ে বেশ অভিজ্ঞ ছিলেন।
মার্কিন
ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড এরইমধ্যে এই দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আগামী
৩০ দিনের মধ্যে তারা একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
চাটখিল উপজেলায় পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে তার জেঠাতো
ভাই শাহাদাত হোসেনকে (২৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা
করা হয়েছে।
সোমবার
(৬ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালীর বিশেষ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক
ফারজানা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত
শাহাদাত হোসেন উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাবুল হোসেনের ছেলে
এবং নিহত শিশু আসমা আক্তারের জেঠাতো ভাই।
নারী
ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট সেলিম শাহী
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায়ে আসামিকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে
রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় শাহাদাত আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার
বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আসমা
আক্তার (৫)।
ঘটনার
নয় দিন পর আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে তার
মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ
ঘটনায় আসমার জেঠাতো ভাই শাহাদাত হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে আদালতে দেওয়া
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি জানান, ধর্ষণের পর বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায়
শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন এবং মরদেহ সেপটিক ট্যাংকিতে ফেলে রাখেন।
পরে
২০২২ সালের ৬ এপ্রিল নিহত শিশুর বাবা মাওলানা শাহজাহান চাটখিল থানায় শাহাদাত হোসেনকে
একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ
বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে
প্রমাণিত হওয়ায় শাহাদাত হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।
মন্তব্য করুন


পাঁচ
দিন বয়সী যমজ দুই মেয়ে সন্তানকে রেখে উধাও হয়েছেন মারিয়া নামে এক নারী। বর্তমানে শিশুদুটির
বেঁচে থাকা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দিশেহারা হয়ে পড়েছে নবজাতকের বাবা সাকিব হোসেন।
ঘটনাটি
ঘটেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌরশহরের ধারিয়াল গ্রামে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক
চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নবজাতক দুই সন্তানের নাম রাখা হয়েছে মাহা এবং মানহা।
স্থানীয়রা
জানান, আড়াই বছর আগে ঘাটাইল পৌর এলাকার ব্যবসায়ী ময়েন উদ্দিনের মেয়ে মারিয়ার সঙ্গে
ধারিয়াল এলাকার সোলায়মান হোসেনের ছেলে সাকিবের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে
তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তখন সাকিবের বয়স ছিলো ১৭ আর মারিয়ার ১৫ বছর। অসম এই বাল্যবিবাহ
তাদের উভয় পরিবারের সদস্যরা মেনে না নিলে একপর্যায়ে তারা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সাকিবের
পরিবার বিয়ে মেনে নিয়ে তাদের ঘরে তুলে নেন।
গত
১৩ আগস্ট স্থানীয় হাজী খোরশেদ আলী মেমোরিয়াল হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে যমজ দুই
মেয়ে সন্তান প্রসব করেন মারিয়া। পরে দুই সন্তানসহ মারিয়াকে সাকিব নিজ বাড়ি ধারিয়ালে
নিয়ে আসেন। কিন্তু গত ১৭ আগস্ট রাত থেকে কাউকে কিছুই না জানিয়ে নবজাতক দুই সন্তানকে
বাড়িতে একা রেখে নিরুদ্দেশ হয়ে যান মারিয়া। এখনো মা ফিরে না আসা নবজাতক দুটির বেঁচে
থাকা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নবজাতকের
বাবা সাকিব হোসেন বলেন, যমজ শিশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি। নবজাতকের জন্য অনেক সমস্যার
সমাধান করা গেলেও মায়ের অভাব কোনোভাবেই পূরণীয় নয়।
তিনি
অভিযোগ করে বলেন, মারিয়া কোথায় চলে গেছে তা আমি জানি না। নবজাতক দুটিকে বাঁচাতে মায়ের
খুবই প্রয়োজন। আমাদের বিয়ের বিষয়টি শ্বশুর-শাশুড়ি মেনে নেয়নি। তাদের প্ররোচনায় এই ঘটনা
ঘটে থাকতে পারে।
মারিয়ার
বাবা ময়েন উদ্দিন জানান, তার মেয়ে এখন কোথায় কী অবস্থায় আছে সেটি তার জানা নেই।
এ
বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকছেদুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে একটি
সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। শিশুদুটির মাকে খুঁজে বের করে তাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার
চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


জামালপুর
সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে শিক্ষার্থীদের উপহার দেওয়া ফ্রিজ বাসায় নিয়ে ব্যবহারের অভিযোগের
পর সমালোচনার মুখে ফিরিয়ে দিয়েছেন গণিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. আব্বাছ আলী।
মঙ্গলবার
(২৫ আগস্ট) দুপুরে ফ্রিজটি বিভাগীয় প্রধানের বাসা থেকে গণিত বিভাগে নিয়ে আসার হয়। এর
আগে চলতি মাসের ২০ আগস্ট ফ্রিজটি বিভাগ থেকে পশ্চিম নয়াপাড়ায় বাসায় ব্যবহারের জন্য
নিয়ে যান মো. আব্বাছ আলী।
শিক্ষার্থীরা
জানান, প্রায় এক বছর আগে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের গণিত বিভাগের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের
মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা ওয়ালটন কোম্পানির প্রায় ৯০ লিটার ধারণক্ষমতার একটি মিনি ফ্রিজ
কলেজকে উপহার দেন। ফ্রিজটি গণিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের কক্ষে রাখা হয়েছিল। বিভাগের
অন্যান্য শিক্ষকও সেটি ব্যবহার করতেন।
তবে
প্রায় এক মাস আগে বিভাগীয় প্রধান মো. আব্বাছ আলীর বাসার ফ্রিজ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের
দেওয়া ফ্রিজটি তিনি বাসায় নিয়ে যান।
এ
বিষয়ে গণিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. আব্বাছ আলী বলেন, ফ্রিজটি বিভাগে তেমন প্রয়োজন
পড়ে না। আমার বাসার ফ্রিজ নষ্ট হয়ে গেছে। পরিবারের সবাই ঢাকায় থাকে। আমি পশ্চিম নয়াপাড়ায়
একটি বাসা নিয়ে থাকি। আমার মেয়ে ঢাকা থেকে আমার জন্য রান্না করে পাঠায়। বাসায় ফ্রিজ
না থাকায় কলেজের ফ্রিজটি নিয়ে গিয়েছি। এখন আবার বিভাগে দিয়ে এসেছি।
এ
বিষয়ে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. শওকত আলম মীর বলেন, বিষয়টি আমার
সম্পূর্ণ অজানা ছিল। বিভাগ থেকে নিজ বাসায় ফ্রিজ নেওয়া একেবারেই ঠিক হয়নি। এ বিষয়ে
আমাকে আগে কেউ জানায়নি। বিষয়টি জানার পর ফ্রিজ অবারও বিভাগে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৬১০ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে ধ্বংস করা হয়েছে শতবর্ষী ২টি পুকুর ও ২২ একর প্রাকৃতিক জলাশয়। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও পলাতক, হত্যা মামলার আসামী আবু জাহের রাতের আঁধারে গোমতী নদীর মাটি কেটে এই জলাধার ও পুকুর ভরাট করেন—যা পরিবেশ আইন ও প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।
আইনের অপমান
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন ২০০০ অনুযায়ী, কোনো পুকুর, খাল, নদী কিংবা প্রাকৃতিক জলাশয় ভরাট করা সম্পূর্ণ বেআইনি। কিন্তু কারাগারের অভ্যন্তরের পুকুরসহ ২২ একর জলাশয় বুলডোজারের নিচে চাপা পড়েছে নিরব প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনে।
ঐতিহাসিক জলাধার, আজ শুধু স্মৃতি
ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৬৭ একর জমির মধ্যে দুটি পুকুর ও একটি ২২ একরের বিশাল জলাশয় রয়েছে। একসময় এ জলাশয়ে হাজারো অতিথি পাখির সমাগম হতো। পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছিল। এসব পুকুরে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দও গোসল করেছিলেন—স্মৃতি হিসেবে সেই ছবিও সংরক্ষিত আছে।
কিন্তু এখন সেই পুকুরগুলোর দুটি সম্পূর্ণভাবে ভরাট, অপরটি আংশিকভাবে ভরাটের প্রক্রিয়ায়। আর বিশাল জলাশয়টি রাতারাতি মাটি ফেলে সমতল করা হয়েছে।সেখানে গড়ে উঠেছে দশতলা চারটি ভবন।
ক্ষমতার ছত্রছায়ায় কাজ
সূত্র মতে, কারাগারের এই উন্নয়ন কাজটি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় প্রভাব খাটিয়ে সাবেক এমপি আবু জাহের ও তার ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জলাধার ভরাটের ঠিকাদার ছিলেন আবু জাহের নিজেই। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের অধিকাংশ অর্থাৎ কোটি কোটি টাকার কাজ তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে দখলে রেখেছেন।অধিকাংশ কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর নির্লিপ্ত?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের কুমিল্লা অঞ্চলের উপ-পরিচালক মুসাব্বির হোসেন মোহাম্মদ রাজিব জানান, “আমরা কারা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি। বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ পর্যন্ত গিয়েছে। কাজ বন্ধের সিদ্ধান্ত আছে, তবে তারা আমাদের অনুমতি না নিয়েই জলাশয় ভরাট করেছে।”
গণপূর্ত বিভাগ দায় এড়ালো
গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ৬১০ কোটি টাকার প্রকল্পটি তাদের তত্ত্বাবধানে হলেও জলাধার ভরাটের বিষয়ে তিনি বলেন,খতিয়ান নাল জমি উল্লেখ আছে। “পুকুর ভরাটের জায়গার কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে, তবে কারা কর্তৃপক্ষ ভালো বলতে পারবে।”
কর্তৃপক্ষের নীরবতা
সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুনের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে রিজার্ভ গার্ডের প্রধান কারারক্ষী জানান, তিনি ব্যস্ত। পরে তাঁর সরকারি নম্বরে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। একইভাবে জেলার আব্দুল্লাহ আল-আমিনের নম্বরেও যোগাযোগ করা হলে সাড়া মেলেনি।
এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনা এবং প্রাকৃতিক জলাধার রক্ষার দাবিতে পরিবেশবাদী ও সচেতন মহল সরব হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মন্তব্য করুন


ভারতের
উত্তরপ্রদেশে একই যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন আপন তিন বোন। ব্যতিক্রমী এই বিয়ের ঘটনা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত ১৭ জুলাই উত্তরপ্রদেশের অমরোহা
জেলার একটি স্থানীয় মন্দিরে হিন্দু ধর্মীয় রীতি মেনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানা গেছে, অমরোহার হাসানপুরের ধৌরিয়া গ্রামের বাসিন্দা তিন
বোন সরোজ, সাবিত্রী ও সন্তোষ দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের রিল
ও ভিডিও তৈরি করতেন। তাদের এসব ভিডিও ধারণের কাজে যুক্ত ছিলেন বিকাশ নামের ওই যুবক।
কাজ করতে গিয়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। একপর্যায়ে তিন বোনই বিকাশকে বিয়ে করার
সিদ্ধান্ত নেন।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিয়ের অনুষ্ঠানে শাড়ি ও ঘোমটা পরা
তিন বোন বরের পাশে পাশাপাশি বসে আছেন। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন
হওয়ার পর বিকাশ তিন বোনের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেন। এরপর অগ্নিকে সাক্ষী রেখে তারা
সাত পাক ঘোরেন। অনুষ্ঠানে একজন পুরোহিত ছাড়া দুই পক্ষের কোনো আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধুবান্ধব
উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে।
তিন
বোনের ভাষ্য, ছোটবেলা থেকেই তারা একসঙ্গে বেড়ে উঠেছেন। ফলে বিয়ের পর আলাদা হয়ে যাওয়ার
বিষয়টি তাদের কাছে অত্যন্ত কষ্টকর মনে হচ্ছিল। এ কারণে তারা বিচ্ছিন্ন না হয়ে একই ব্যক্তিকে
বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন।
বড়
বোন সরোজ বলেন, আলাদা হয়ে যাওয়ার চিন্তায় একসময় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। এমনকি
আত্মহত্যার কথাও তাদের মাথায় এসেছিল। পরে তারা সিদ্ধান্ত নেন, আলাদা না হয়ে তিনজন মিলে
একজনকেই বিয়ে করবেন।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
নবীনগরে পারিবারিক কলহের জেরে মারামারির ঘটনায় মামুন মিয়া (৪৫) নামের এক পল্লী চিকিৎসক
নিহত হয়েছেন। ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথির আঘাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র
জানিয়েছে।
বুধবার
(১২ আগস্ট) রাতে উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের মাঝিয়ারা গ্রামের মৃধাবাড়িতে এই মর্মান্তিক
ঘটনা ঘটে।
নিহত
মামুন মিয়া মাঝিয়ারা গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত বাবুল মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায়
একজন পল্লী চিকিৎসক ছিলেন এবং স্থানীয় মাঝিয়ারা বাজারে একটি হোমিওপ্যাথিক ওষুধের
দোকান পরিচালনা করতেন।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছু দিন ধরে পারিবারিক অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে
বিরোধ চলছিল। বুধবার রাতে এর জের ধরে মাঝিয়ারা মৃধাবাড়িতে কথাকাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষ মারামারিতে লিপ্ত হলে মামুন মিয়া গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলে
লুটিয়ে পড়েন এবং তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান,
খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং লাশ
উদ্ধার করে। এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রবাসীর স্ত্রী অভিযুক্ত হালিমা
আক্তার কে আটক করা হয়েছে।মামুন মিয়ার স্ত্রী নয়নতারা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে।
তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


বিশ্বকাপের
শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। নিজেদের টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর কান্না ধরে
রাখতে পারেননি নেইমার জুনিয়র। ম্যাচ শেষে জাতীয় দলের হয়ে আর না খেলার কথাও জানান তিনি।
এর একদিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ছেলে নেইমারকে উদ্দেশ্য করে আবেগঘন
একটি দীর্ঘ বার্তা দিয়েছেন তার বাবা নেইমার সিনিয়র।
২০২৬
বিশ্বকাপের জন্য নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে চূড়ান্ত দলে একবারই ডাক পান নেইমার।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ দিকে মাঠে নামার পর নরওয়ের বিপক্ষে প্রায় ৩০ মিনিট
খেলেন তিনি। সেই ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করে জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপে নিজের নবম
গোলের দেখা পান।
ইনস্টাগ্রামে
দেয়া দীর্ঘ বার্তায় ছেলে নেইমারের ফুটবলজীবনের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত নানা স্মৃতি
তুলে ধরেন তার বাবা। তিনি লেখেন, ‘বাবা, কী অসাধারণ এক যাত্রা! কত সুন্দর একটি পথ;
যেখানে ছিল চ্যালেঞ্জ, ছিল কষ্ট, কিন্তু ছিল ঈশ্বরের অশেষ আশীর্বাদও।’
তিনি
বলেন, ছোটবেলা থেকেই নেইমারের মধ্যে ভিন্ন কিছু দেখেছিলেন। তার ভাষায়, ‘ওটা শুধু প্রতিভা
ছিল না, ছিল একটি উদ্দেশ্য।’
নেইমারের
বাবা জানান, জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তাদের পরিবার নিজেদের বিশ্বাস
ও খ্রিস্টান ধর্মীয় মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিয়েছে। অনেক সময় প্রত্যাশার বিপরীতে গিয়ে
কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হলেও তারা বিশ্বাস রেখেছেন, আর সেই বিশ্বাসের প্রতিদানও পেয়েছেন।
ছেলের
ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাপের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, প্রথম গোল, প্রথম সাফল্য, পেশাদার
ফুটবলে অভিষেক, বড় বড় স্টেডিয়াম, শিরোপা, ব্রাজিল জাতীয় দল এবং বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি;
সবকিছুরই সাক্ষী তিনি। তবে তার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন একজন বাবা হিসেবে প্রতিটি মুহূর্তে
সন্তানের পাশে থাকতে পারা।
বার্তার
একপর্যায়ে ছেলেকে উদ্দেশ্য করে তিনি অনুরোধ করেন, ‘বাবা, ফুটবল খেলা চালিয়ে যাও। আবারও
বল পায়ে খেলার আনন্দ খুঁজে নাও, মাঠে হাসিমুখে ফিরে এসো। ঈশ্বর তোমাকে সুস্থ করে আরেকটি
সুযোগ দিয়েছেন।’
তিনি
আরও লেখেন, ‘সমালোচনা, প্রত্যাশা কিংবা জীবনের নানা চাপ নিজের কাঁধে বহন করো না। সব
সিদ্ধান্ত মানুষের হাতে থাকে না, কিছু সিদ্ধান্ত শুধুই ঈশ্বরের। আজকের একটি সিদ্ধান্ত
তোমার পুরো জীবনকে সংজ্ঞায়িত করে না। একটি স্বপ্ন পূরণ না হলেও তার মানে এই নয় যে সেটি
শেষ হয়ে গেছে।’
ভবিষ্যৎ
নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে নেইমারের বাবা বলেন, ‘সামনের দিনগুলোকে ভয় পেয়ো না। আজকে বাঁচো,
অনুশীলন করো, খেলো, হাসো, সন্তানদের সময় দাও, পরিবারকে ভালোবাসো। বাকিটা ঈশ্বরের ওপর
ছেড়ে দাও।’ বার্তার শেষাংশে তিনি বলেন, ট্রফি, গোল কিংবা খ্যাতির
চেয়েও তিনি দেখেছেন ঈশ্বরের অলৌকিক আশীর্বাদ। তার বিশ্বাস, নেইমারের জীবনে আরও অনেক
সুন্দর অধ্যায় এখনও লেখা বাকি।
শেষে
আবেগঘন ভাষায় তিনি লেখেন, ‘মনে রেখো, পৃথিবী তোমাকে ভালোবাসার আগেই ঈশ্বর তোমাকে ভালোবেসেছেন।
আর বাবা হিসেবে আমি সবকিছু আবারও করতে প্রস্তুত; প্রতিটি সফর, প্রতিটি ত্যাগ, প্রতিটি
নির্ঘুম রাত, প্রতিটি দুশ্চিন্তা এবং প্রতিটি প্রার্থনা।’
মন্তব্য করুন


রমজান
মাসে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। স্কুল খোলা
রাখার ব্যাপারে আগের জারি করা প্রজ্ঞাপনও স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের
করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আজ এ আদেশ দেন।
রবিবার
(১০ মার্চ) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ
আদেশ দেন।
এর
আগে রমজানের প্রথম ১৫ দিন মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল এবং প্রথম দশ দিন প্রাথমিক
স্কুল চালু রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে রমজানের
প্রথম ১০ দিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ক্লাস চলবে। জোহরের নামাজের জন্য
সোয়া একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে।
অন্যদিকে
রমজান উপলক্ষ্যে ৭ মার্চ থেকে সারা দেশের সব মাদরাসা ছুটি শুরুর কথা ছিল। তবে স্কুল-কলেজে
ছুটি ঘোষণার পর মাদরাসার ছুটির তালিকাও সংশোধন করে সরকার। এতে ১৫ দিন ছুটি কমানো হয়।
সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাদরাসায় ক্লাস-পরীক্ষা ২১ মার্চ পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়।
দেশের তিনটি সরকারি আলিয়া মাদরাসা এবং বেসরকারি ইবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল
মাদ্রাসায় শ্রেণি কার্যক্রমও চলবে বলে উল্লেখ করা হয়।
প্রসঙ্গত,
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১১ বা ১২ মার্চ পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে।
মন্তব্য করুন


রাতের তাপমাত্রা বাড়ার পাশাপাশি দেশের কিছু কিছু জায়গায় টানা ৩দিন বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বির্স্তৃত।
এই অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামীকাল বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলসহ রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
তাছাড়া বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সারাদেশে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে । বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহার করা গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা বাড়িয়ে গেজেট জারি করা হয়েছে। নতুন এ দাম চলতি ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর ধরা হয়েছে।
এর আগে গত বছরের ১৮ জানুয়ারি আবাসিক, সিএনজিচালিত যানবাহন, সার ও চা শিল্পে ব্যবহার ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল, যা ওই বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কার্যকর হয়।
সরকারি, আইপিপি ও রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের জন্য গ্যাসের পূর্ব মূল্য ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা যা বাড়িয়ে বর্তমান মূল্য করা হয়েছে ১৪ টাকা ৭৫ পয়সা।
ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট, স্মল পাওয়ার প্ল্যান্ট ও বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ছিল প্রতি ঘনমিটার ৩০ টাকা। এক্ষেত্রেও ৭৫ পয়সা বাড়িয়ে সেটা ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভতুর্কি সমন্বয়ে বিদ্যুতের সঙ্গে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে । গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেছিলেন, গ্যাসের দাম সমন্বয় গ্রাহক পর্যায়ে হচ্ছে না। বিদ্যুতের পর্যায় হচ্ছে। গ্যাসের আবাসিক পর্যায়ে ব্যবহারের ক্ষেত্রে দাম বাড়ছে না। শিল্পেও গ্যাসের দাম বাড়ছে না। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে যে গ্যাস দেওয়া হয় সেখানে আমরা কিছুটা সমন্বয় করছি।
তিনি বলেন যে গ্যাস বিদ্যুতে দেওয়া হয় সেখানে প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা বাড়বে, অর্থাৎ এটা ইন্টারনাল।
এ বছর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি আসবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ক্ষেত্রে ৬ হাজার কোটি টাকার মতো ভর্তুকি আসবে। এগুলো আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আমরা সমন্বয়ে যাবো।
মন্তব্য করুন