

ঢালিউডের
আলোচিত অভিনেত্রী পরীমণি ব্যক্তিগত জীবন, গ্রেপ্তার, চলমান আইনি লড়াই এবং ভবিষ্যতে
বিয়ে নিয়ে সাম্প্রতিক এক সংবাদ সম্মেলনে খোলামেলা বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন
নীরব থাকার কারণ ছিল সত্য একদিন না একদিন প্রকাশ পাবে এমন বিশ্বাস।
পরীমণি
বলেন, আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই। মানুষ আমাকে কোনো পুরুষের
সঙ্গে দেখতে চায় না। আমাকে সিঙ্গেল এবং আমার সন্তানদের সঙ্গে দেখতে চায়। কেন এমনটা
হয়, আমি জানি না।
গ্রেপ্তারের
প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর এতদিন এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেননি।
তার ভাষ্য, আমার শুধু মনে হয়েছে, সত্য একদিন না একদিন প্রকাশ হবেই। যতই চাপা দেওয়ার
চেষ্টা করা হোক, কোনো না কোনোভাবে তা সামনে আসে। যেমন কোনো অপরাধই নিখুঁত নয়, তেমনি
কোনো সত্যও চিরদিন চাপা থাকে না।
অভিনেত্রীর
দাবি, তাকে গ্রেপ্তারের সময় আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। তিনি বলেন,
সে সময় তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল না এবং বাসায় তল্লাশি চালানোর অনুমতিও
সংশ্লিষ্টদের কাছে ছিল না।
পরীমণি
জানান, পরবর্তী সময়ে পুরো ঘটনার বিবরণ শুনে তার কাছে অনেক কিছুই পরিকল্পিত বলে মনে
হয়েছে। তবে তিনি ধৈর্য ধরে আইনি প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রেখেছেন।
তিনি
বলেন, এই ছয় বছরে ধৈর্যই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। এখন মনে হচ্ছে ঘাড় থেকে সব বোঝা নেমে
গেছে। অনেক স্বস্তি অনুভব করছি।
মামলা
প্রসঙ্গে পরীমণি বলেন, এটি কোনো ব্যক্তি করেননি। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানুষকে বিরক্ত
করা, ব্ল্যাকমেইলসহ নানা অভিযোগ আনা হয়েছিল।
চলমান
আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি কখনো রাষ্ট্রকে চাপ দিইনি বা আহাজারি করিনি।
আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী। যতদিন সময় লাগুক, যত বছর আদালতে হাজিরা দিতে হোক, আমি দেব।
আমার বিশ্বাস, একদিন আদালত আমাকে নির্দোষ ঘোষণা করে আমার সম্মান ফিরিয়ে দেবে।
দেশে
শিল্পীদের নিরাপত্তার বিষয়ে পরীমণি বলেন, শুধু শিল্পী নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের
নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তার মতে, শিল্পী, রিকশাচালক বা অন্য যেই হোক, সবার
নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া উচিত। আমরা সবাই হেনস্তামুক্ত জীবন চাই।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কোনোভাবেই উদ্বিগ্ন নয় বিশ্বব্যাংক। বরং বাংলাদেশে কর্মসংস্থান বাড়াতে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে চায় সংস্থাটি। অন্তর্বর্তী সরকারকে সব বিষয়ে সহায়তা দিয়ে পাশে থাকতে চায় বিশ্বব্যাংক।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও আইএফসির কান্ট্রি ম্যানেজারের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক। তিনি জানান, আমরা বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে জেনেছি। যার ফলে আমরা বাংলাদেশের অর্থনীতির সংস্কারে কীভাবে সহযোগিতা করবো সেটিও আলোচনা করেছি। কারণ জটিল কিছু সংস্কার বাংলাদেশের প্রয়োজন। এখানে আর্থিক খাতে সংস্কার প্রয়োজন, বাণিজ্যে সংস্কার প্রয়োজন- আমরা এগুলোতে বিনিয়োগে আগ্রহী।
পাশাপাশি তিনি এটাও বলেন, আমরা এখন এ দেশে বেসরকারি খাতে চাকরির বাজার সৃষ্টিতে কাজ করতে আগ্রহী। বিশেষ করে যুবকরা এখানে বড় সম্পদ। এছাড়া এখানে জলবায়ু পরিবর্তন অনেক বড় ঝুঁকি, সেখানে অন্তর্বর্তীমূলক বিনিয়োগ প্রয়োজন। আমরা বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক গড়তে কাজ করছি আর আমরা মোটেই বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। আমি অনেক দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতায় বলতে পারি, এটি কখনোই আমাদের উদ্বেগের বিষয় নয়।
অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের স্থবির অর্থনীতিকে চালু করার জন্য যত রকমের সহযোগিতা দরকার বিশ্বব্যাংক তা দেবে। আইএফসি ও বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা চেয়েছি আমরা। তারা বলেছে, বাংলাদেশের মানুষের জন্য তারা যে কোনো কিছুই করতে পারে। নিয়মকানুন মেনে তারা বিনিয়োগ করবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ শিক্ষার্থীদের জন্য শোক জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। পাশাপাশি এ সময়ে যা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা সংস্কারেও পাশে থাকবে সংস্থাটি।
মন্তব্য করুন


লাইসেন্স
জালিয়াতি করে প্রায় ১৭ বছর ধরে শত শত ফ্লাইট পরিচালনার অভিযোগে এয়ার কানাডার এক
সাবেক পাইলটকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পিল অঞ্চলের পুলিশ। চার মাসের দীর্ঘ তদন্ত শেষে
মঙ্গলবার (৯ জুন) ৫৯ বছর বয়সী সাবেক ক্যাপ্টেন জিওফ্রে ওয়ালের বিরুদ্ধে জালিয়াতিসহ
বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়।
পুলিশ
জানিয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ভুয়া লাইসেন্স ব্যবহার করে ৯ শতাধিক অভ্যন্তরীণ
ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করেছেন এই পাইলট।
তদন্তে
জানা গেছে, জিওফ্রে ওয়ালের একটি বৈধ বাণিজ্যিক পাইলট লাইসেন্স থাকলেও, যাত্রীবাহী
উড়োজাহাজের ক্যাপ্টেন বা প্রধান চালক হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চস্তরের 'এয়ারলাইন
ট্রান্সপোর্ট পাইলট লাইসেন্স' তাঁর ছিল না। গত বছর অবসরে যাওয়ার আগপর্যন্ত তিনি এই
ভুয়া সনদ দিয়ে এয়ার কানাডা এবং কানাডার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে প্রতারিত
করেছেন। এই জালিয়াতির ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে একটি জালিয়াতি, দুটি জাল নথি তৈরি ও ব্যবহার,
তিনটি ভুয়া ট্রেডমার্ক রাখা এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এ
বিষয়ে পিল রিজিওনাল পুলিশের প্রধান নিশান দুরাইয়াপ্পা এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ
করে বলেন, ঘটনাটি জনমানুষের আস্থা ও নিরাপত্তার মূলে বড় ধরনের আঘাত হেনেছে। অভিযুক্ত
ব্যক্তি ৯০০টিরও বেশি ফ্লাইটে লাখ লাখ যাত্রীর জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলেছেন। অন্যদিকে,
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা ফ্লাইট সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রধান ও পেশাদার পাইলট
হাসান শাহিদি এই ঘটনাকে 'ব্যতিক্রমী ও অত্যন্ত বিরল' বলে আখ্যায়িত করেছেন।
তবে
এয়ার কানাডা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিলেও যাত্রীদের
নিরাপত্তা কখনোই বিঘ্নিত হয়নি। সংস্থাটির দাবি, লাইসেন্স জালিয়াতি করলেও জিওফ্রে
ওয়াল তাঁর সব প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন এবং বড় উড়োজাহাজ চালানোর ক্ষেত্রে
উচ্চস্তরের দক্ষতা প্রদর্শন করেছিলেন। প্রতি ছয় মাস পরপর বাধ্যতামূলক সিমুলেটর প্রশিক্ষণ
এবং বছরে একবার ফ্লাইট পরীক্ষায় তিনি সফলভাবেই উত্তীর্ণ হন। বিষয়টি জানার পরপরই তাঁকে
দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং ‘ট্রান্সপোর্ট কানাডা'কে অবহিত করা হয়। এয়ার
কানাডা আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার পর তাদের সব পাইলটের লাইসেন্স পরীক্ষা করা হয়েছে এবং
অন্য কারও ক্ষেত্রে এমন কোনো জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও চাষিদের সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। শনিবার সকালে কুমিল্লায় এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
তিনি বলেন, দেশের যেসব এলাকায় সাম্প্রতিক বন্যায় কৃষক ও চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেসব এলাকার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। সরকার তাদের প্রয়োজনীয় সকল সহায়তা করবে।
কুমিল্লা টাউন হল মাঠে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি মেলার উদ্বোধনী উপলক্ষে একটি র্যালিতে অংশ নেন। মেলায় ফলজ ও বনজ স্টল পরিদর্শন করেন তিনি।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়ম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের লুটপাটের অভ্যাস অনেকের এখনও যায়নি। তবে সবাইকে মনে রাখতে হবে, সরকার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঘোষণা করার পর প্রধানমন্ত্রী নিজেই এর অগ্রগতি নিয়মিত তদারকি করছেন। তাই এ কর্মসূচিতে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।
কুমিল্লা সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেছেন, কুমিল্লার পরিবেশ সংরক্ষণ রক্ষা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার এ কর্মসূচিতে সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ জরুরি। আমরা আশা করব, মেলায় সর্বস্তরের মানুষ আসবেন। তাদের পছন্দের বৃক্ষ কিনবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রশাসক রোজী আকতার, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান
আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ ফাঁসির আসামিকে নিয়ে রায় দিয়েছেন
যেখানে বলা হয়েছে মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে কোনো ফাঁসির আসামিকে কনডেম সেলে
নেয়া যাবেনা ।
রুল শুনানিতে আদালত এ বিষয়ে
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও এস এম শাহজাহান বিশেষজ্ঞ মত নেন। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি
জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন শুনানি করেন। আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন মোহাম্মদ শিশির
মনির। রুল শুনানি শেষে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।
মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত
হওয়ার আগে দণ্ডিত বা দণ্ডিতদের কনডেম সেলে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালের ২
সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুমিল্লা কারাগারের কনডেম সেলের
তিন কয়েদি। তারা হলেন- সাতকানিয়ার জিল্লুর রহমান, সুনামগঞ্জের আব্দুল বশির ও খাগড়াছড়ির
শাহ আলম। ওই রিট শুনানি করে ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার
আগে দণ্ডিতদের কনডেম সেলে রাখা কেন আইনত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং মৃত্যুদণ্ডাদেশ
প্রাপ্তদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা সংক্রান্ত কারাবিধির ৯৮০বিধিটি কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা
করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় রুলে। সেই সঙ্গে কনডেম সেলে রাখা বন্দিদের কী ধরনের
সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়, সে বিষয়ে প্রতিবেদন চান আদালত।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা
অনুসারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন নিতে হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির
৪১০ ধারা অনুসারে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামি হাইকোর্টে
আপিল করার সুযোগ পান। হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি আপিল
বিভাগে আবেদন করতে পারেন।
আপিল বিভাগের রায়েও মৃত্যুদণ্ড
বহাল থাকলে সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ (পুনর্বিবেচনা)
আবেদন করার সুযোগ আছে। এ ছাড়া সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে মৃত্যু-দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি
রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন। ক্ষমার এই আবেদন রাষ্ট্রপতি যদি নামঞ্জুর
করেন অথবা দণ্ডিত যদি আবেদন না করেন তাহলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে পারে সরকার।
অথচ বিচারিক আদালতে মৃত্যু দণ্ডাদেশের পরপরই সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কনডেম সেলে বন্দী
রাখা হচ্ছে।
রিটকারী আইনজীবী মোহাম্মদ
শিশির মনির বলেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক সাজা কার্যকর করার
আইনগত বিধান নেই। এজন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন
নিতে হয়।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের
১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের সুযোগ রয়েছে। এসব প্রক্রিয়া
শেষ করতে ১০-১২ বছর পার হয়ে যায়। কিন্তু বাংলাদেশে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার
পরই সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে নির্জন কনডেম সেলে বন্দী রাখা হয়। অথচ অনেকের পরবর্তীতে
সাজা কমে। অনেকে খালাসও পান। রুল শুনানি শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ ছিল।
মন্তব্য করুন


বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসছে।
নিয়োগ পদ্ধতি শিক্ষক নিবন্ধন সনদের পরিবর্তে সরাসরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হবে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া করবে সরকারি কর্ম কমিশনের আদলে গঠিত একটি কর্তৃপক্ষ।
তবে এ নিয়ে বর্তমানে আইন তৈরির কাজ চলছে বলে জানা গেছে।
বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সনদের ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। এজন্য প্রিলিমিনারি, লিখিত, মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হয়। আর উত্তীর্ণ প্রার্থীরা বিজ্ঞপ্তির পর সনদের ভিত্তিতে আবেদন করলে আবেদনপত্রের ভিত্তিতে নিয়োগে সুপারিশ করে থাকে এনটিআরসিএ।
এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস এম মাসুদুর রহমান বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন আইন তৈরির বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আইনটি পাস হলে শিক্ষক নিয়োগে আর কোনো নিবন্ধন সনদের দরকার হবে না। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে।
এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর এনটিআরসিএর জন্য নতুন আইন তৈরি সংক্রান্ত একটি বৈঠক হয়।
শিক্ষক নিয়োগে নতুন আইন প্রসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক অনুবিভাগ-২) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন আইন তৈরির কাজ চলমান। আশা করছি, আইনটি পাসের জন্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদে তোলা হবে।
এদিকে এনটিআরসিএর একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নির্বাচন এবং নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে সুপারিশ কর্তৃপক্ষ সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে। তবে এই নতুন আইন কার্যকর হতে দেড় থেকে দুই বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আর এই সময় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আগের নিবন্ধন সনদের ভিত্তিতে হবে।
কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে এনটিআরসিএর সনদধারীরা গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আবেদন করলে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। এ ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব-৩৫ বা নিবন্ধন সনদের মেয়াদ ৩ বছর রয়েছে এমন সব প্রার্থীরা আবেদনের সুযোগ পান। ফলে অনেকেই বঞ্চিত হয়ে থাকেন। তবে নতুন আইন কার্যকর হলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বয়স উল্লেখ থাকবে। এতে বঞ্চিত হতে হবে না কাউকে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সাল থেকে শিক্ষক নিয়োগের জন্য নিবন্ধন সনদ দিয়ে আসছে এনটিআরসিএ। প্রথম দশকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি। তবে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর এতে পরিবর্তন আসে। সনদ দেয়ার পাশাপাশি নিয়োগের জন্য সুপারিশের ক্ষমতা দেয়া হয় এনটিআরসিএকে।
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, রাজনৈতিক দলের ব্যাপারে যে রিউমার বা কথাবার্তা
শোনা যাচ্ছে, অনেকেই শুনতে চাচ্ছেন আমাদের থেকে, কথা হচ্ছে এ বিষয়ে এর আগেও আমরা স্পষ্টভাবে
বলেছি যে এখনই রাজনৈতিক দল খোলার কোনো অভিপ্রায় আমাদের নেই। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে
যা আছেন তাদের ক্ষমতার অভিলাস নেই।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া আরও
বলেন, আপনারা জানেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যারা আছেন তাদের পেশাগত জীবন আছে। সবাই
সেখানে ফিরে যেতে চাই। দেশের মানুষ গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে দায়িত্ব দিয়েছেন সেটা
যথাযথভাবে পালন করা, মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফল ঘটিয়ে একটি নির্বাচনের মাধ্যমে
গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর
তেরখাদিয়া এলাকায় জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শক অধিদপ্তরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি এসব
কথা বলেন।
উপদেষ্টা আসিফ আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
বলেন, আমরা যে সংস্কারের কথা বলেছি, সেটা ছিল এক দফা সংস্কার। শেখ হাসিনার সরকারের
পতন হয়েছে অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে। এক দফার মূল অংশ ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ। এই
ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপের জন্য যে সংস্কারগুলো অত্যাবশ্যকীয় সেগুলো করার ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হয়েছে। এগুলো জনগণের ম্যান্ডেটের ভিত্তিতেই হয়েছে। জনগণ নির্বাচন বা ক্ষমতার
পালাবদলের জন্য অভ্যুত্থানে আসেনি। যদি আসত তাহলে ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের আগেই আসত
বলে আমি মনে করি। অভ্যুত্থান হয়েছে স্পষ্টভাবে এই ফ্যাসিবাদী সরকারের বিলুপ্তের জন্য।
যে ব্যবস্থা বিদ্যমান আছে যদি এটার সংস্কার করে দিয়ে যেতে না পারি তাহলে যে দলই ক্ষমতায়
আসুক স্বৈরতান্ত্রিক একটা সিস্টেমের মধ্যে সে নিজেও স্বৈরাচার হতে বাধ্য হবে। সে কারণে
আমরা মনে করি, দেশের জনগণ যেভাবে দেশকে গড়তে চাইবে, পুনর্গঠনের যে প্রস্তাবনা মানুষের
মধ্য থেকে আসবে সেটার বাস্তবায়ন করা আমাদের দায়িত্ব।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান
পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবদুর রহিম খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, শ্রম
ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এএইচএম সফিকুজ্জান, আইএলও-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর টুওমো
পুটিআইনেন প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, রাজশাহী নগরীর তেরখাদিয়া
এলাকায় ১৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহীতে নবনির্মিত জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা
বিষয়ক গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি দক্ষিণ এশিয়ায় পেশাগত স্বাস্থ্য
ও নিরাপত্তা বিষয়ক একটি উল্লেখযোগ্য স্থান হতে চলেছে। দেশের শিল্প কলকারখানাসমূহে নিরাপদ
কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ ও শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে এই প্রতিষ্ঠানটি।
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুরের
রায়পুরে মা ও তিন মেয়েকে হত্যার ঘটনায় গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত ঘাতক অন্তর মজুমদারের
(২৮) মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে স্বজনরা তাদের মরদেহ নিতে রাজি
হয়নি।
একপর্যায়ে
বাধ্য করে দূর সম্পর্কের চাচাতো ভাই টিটু মজুমদারের কাছে তার মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
শুক্রবার
(২৬ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াকুব বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন।
পুলিশের
এসআই মো. ইয়াকুব বলেন, অন্তর নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর থানাধীন চরভাটা এলাকার
চরবজলুল করিম গ্রামের কার্তিক মজুমদারের ছেলে। তার মরদেহ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানা
পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
কিন্তু
স্বজনরা কোনোভাবেই নিতে রাজি ছিল না। পরে ওই থানা পুলিশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন
পরিষদের চেয়ারম্যানে মাধ্যমে নিহতের দূর সম্পর্কের এক চাচাতো ভাইকে আনা হয়। ময়নাতদন্তের
পর বিকেলে তার কাছে অন্তরের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
১০০
শয্যাবিশিষ্ট লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. অরুপ
পাল বলেন, সুরুতহালের পর নিহত অন্তরের মরদেহের
ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।
পরে
মরদেহ আমরা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছি।
রায়পুর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, গণপিটুনিতে অন্তর মজুমদারের মৃত্যুর
ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। রায়পুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাত
আসামিদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত,
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা নদীর পাড় এলাকার আমির হোসেন মাস্টারের
পাঁচতলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে ঢুকে শাহিনুর বেগম ও তার তিন মেয়েকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে
জখম করেন অন্তর মজুমদার। এতে ঘটনাস্থলেই শাহিনুর বেগম (৩৮), তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার
(২১), মেঝো মেয়ে নাফিসা আক্তার ইকরা (১৭) ও ফাতেমা আক্তার শিফা (৯) মারা যায়।
ঘটনার
পরপরই স্থানীয় জনতা অন্তরকে ধরে গণপিটুনি দেয়। এতে তারও মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর
(এপিপি) সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক ছয়জনকে ভিডিও ফুটেজ
দেখে শনাক্ত করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে আজ
বুধবার (২৭ নভেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, হত্যার ঘটনায়
সন্দেহভাজন অন্তত ছয়জনকে আটক করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। ভিডিও ফুটেজের
মাধ্যমে এই ছয়জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সংঘর্ষ চলাকালে ভাঙচুর
ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২১ জনকে আটক করেছে সিএমপি। বন্দরনগরে ককটেলসহ আওয়ামী
লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের
সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে মঙ্গলবার সাইফুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি
নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিক্ষোভকারীরা ওই আইনজীবীকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন।
ঘটনার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের
পক্ষ থেকে মঙ্গলবার হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি সবাইকে শান্ত ও সতর্ক
থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
আইনজীবীকে হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন এবং তিনি এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া
গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে সিএমপি জানিয়েছে, চট্টগ্রামে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা ও আইনজীবী হত্যার অভিযোগে ৩০ জনকে আটক করা
হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নগরের কোতোয়ালি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে যৌথ বাহিনী।
মন্তব্য করুন


আবহাওয়া অফিস ঢাকাসহ দেশের ৬ অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা করছে ।
আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর এবং মাদারীপুর জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম
অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
রোববার (১৪ এপ্রিল) রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া অফিসের অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বাড়তি অংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তার কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে।মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
এ অবস্থায় সোমবার (১৫ এপ্রিল) দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
মন্তব্য করুন


শনিবার
(১০ আগস্ট) বিকেলে সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ
জাহাঙ্গীর আলম কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পরিদর্শন করেন।
এ
সময় কুমিল্লা সেনানিবাসের সিনিয়র কর্মকর্তারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক
খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান, কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো: সাইদুল ইসলাম ।
থানা পরিদর্শন শেষে সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেনের সাথে কথা বলেন।
উল্লেখ্য যে, সরকার পতনের পর সারাদেশে হামলা-সহিংসতায় থানাগুলোতে
লুটপাট-ভাংচুর হয়। এর ফলে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে। সম্প্রতি সেনাবাহিনীর
পাহারা ও সহযোগিতায় থানায় আবার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসতে শুরু করেছে।
মন্তব্য করুন