

১২ সিটি কর্পোরেশন ও নরসিংদী পৌর এলাকা
ব্যতীত সব প্রাথমিক বিদ্যালয় আগামী ৪ আগস্ট থেকে খুলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই ওইসব
এলাকার স্কুলও খুলে দেওয়া হবে।
বুধবার (৩১ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, ১২টি সিটি কর্পোরেশন এবং
নরসিংদী জেলার পৌর এলাকাসমূহ ছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়, উপানুষ্ঠানিক
শিক্ষা ব্যুরোর আওতায় লার্নিং সেন্টারসমূহে আগামী ৪ আগস্ট রবিবার থেকে শ্রেণি কার্যক্রম
অনুমোদিত সময়সূচি অনুযায়ী চলবে। আদেশের আওতাভুক্ত সব জেলায় চলমান কারফিউয়ের সময়সীমা
বিবেচনায় রেখে শিখন-সময় সমন্বয়ের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা
স্থানীয় বাস্তবতার আলোকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকাল প্রায় ১১টার দিকে ত্রিশাল-বালিপাড়া আঞ্চলিক সড়কে একটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ছয় বছরের এক শিশুর মৃত্যু হলে এলাকায় দ্রুত খবর ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বেলা আড়াইটার দিকে স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং প্রায় তিনটা পর্যন্ত তারা সেখানে অবস্থান করেন। পরে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে আসে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, শেখবাজার মোড়ের কাছে আলামিনের দোকানের সামনে হাবিব নামে শিশুটি রাস্তা পার হতে গেলে একটি অজ্ঞাত যানবাহন তাকে চাপা দেয়। সে ভাটিপাড়া গ্রামের কামাল মিয়ার ছেলে। দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ লোকজন দ্রুত স্পিড ব্রেকার স্থাপনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেন।
খবর পেয়ে ত্রিশাল থানা পুলিশ ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
ত্রিশাল থানার ওসি মনসুর আহাম্মদ নিশ্চিত করেছেন যে হাবিব নামের শিশুটি দুর্ঘটনায় মারা গেছে। তিনি জানান, ঘটনার পর এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করলেও পুলিশ ও প্রশাসনের যৌথ প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠক মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আমীরে জামায়াত তাঁর বিদেশ সফরের নানা দিক নেতৃবৃন্দের সামনে তুলে ধরেন। আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের সফর দেশ ও জাতির জন্য ফলপ্রসূ হওয়ায় আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের প্রশংসা করা হয় এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে তাঁকে ধন্যবাদ জানানো হয়।
বৈঠকে দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ লক্ষ্য করছে যে, জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার লক্ষ্যে গণভোট আয়োজনের বিষয়ে সরকার গড়িমসি করছে, যা জাতির জন্য উদ্বেগজনক। কেউ কেউ গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে অনুষ্ঠানের মতো একটি ধারণা পোষণ করছেন। একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে গণভোটের গুরুত্ব মারাত্মকভাবে হ্রাস পাবে। এটি গণভোট প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তায় ফেলবে। কারণ, জাতীয় নির্বাচনে কোনো ভোটকেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত হলে গণভোটও স্থগিত হয়ে যাবে-যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এই প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ অন্তর্বর্তী সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছে যে, সরকার যেন অবিলম্বে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করে এবং আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোটের আয়োজন করে। পাশাপাশি, ওই গণভোটের ফলাফলের আলোকে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা
জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি নিয়মিতভাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অগ্রগতি
সম্পর্কে খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট
সবার প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর
দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করে বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার
চিকিৎসায় যেন কোনো ঘাটতি না থাকে, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা দিতে সরকার প্রস্তুত।’
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, গণতান্ত্রিক
উত্তরণের এই সময়ে বেগম খালেদা জিয়া জাতির জন্য ভীষণ রকম অনুপ্রেরণা। তাঁর সুস্বাস্থ্য
দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা ও সমন্বয়ে
সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে এক ব্যক্তির গ্রেপ্তার দাবি করে তার বাড়ির সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার সিংরুইল ইউনিয়নের কচুরি বেপারিবাড়ি এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।স্থানীয়দের সঙ্গে মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা জানান, ওই এলাকার মো. আব্দুল হেলিমের ছেলে ইলিয়াস, যিনি সোহেল মিয়া নামেও পরিচিত, ঢাকায় বসবাস করলেও এলাকায় এসে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। একসময় আর্থিকভাবে অসচ্ছল থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তার বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।তারা আরও অভিযোগ করেন, সোহেলের ছোট ভাই বিল্লালের নেতৃত্বে এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ মাদকচক্র গড়ে উঠেছে। সোহেল এর আগেও একাধিকবার মাদক সংশ্লিষ্ট ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হন। তবে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে দাবি এলাকাবাসীর।এ অবস্থায় দ্রুত সোহেল, তার ভাই বিল্লালসহ সংশ্লিষ্ট মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার এবং এলাকায় গড়ে ওঠা মাদকের আস্তানাগুলো উচ্ছেদের দাবি জানান তারা।মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পারভেজ আহমেদ জামিন, ইখলাস উদ্দিন, মুরাদ মিয়া, তানভীর হক, সুজন আহম্মেদ, রুবেল মিয়া ও আলিম উদ্দিন। বক্তারা অভিযোগ করেন, সিংরুইল ইউনিয়নে বর্তমানে ইয়াবা, গাঁজা ও মদসহ বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য সহজেই পাওয়া যাচ্ছে, যা এলাকার সামাজিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেলের বাবা আব্দুল হেলিম বলেন, এলাকায় অবৈধ মাটি ব্যবসার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার ছেলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল-আমীন জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় একজন কর্মকর্তাকে পাঠানো হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ দিতে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ।
আগামী ৯ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে বলে শনিবার (৪ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় এনটিআরসিএ।
এতে আরো বলা হয়, আবেদনের পর প্রার্থীদের প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
প্রিলিমিনারিতে ১০০ নম্বরের বহু নির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে প্রার্থীদের। এ ধাপে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞানে ২৫ করে মোট ১০০ নম্বর। পাস নম্বর ৪০। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১। ভুল উত্তরের জন্য ০.৫০ নম্বর করে কাটা পড়বে। লিখিত পরীক্ষায় প্রার্থীদের নির্ধারিত নিজ নিজ বিষয়ের ওপর পরীক্ষা দিতে হবে।
নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা বেসরকারি এমপিওভুক্ত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে চাকরির সুযোগ পাবেন।
এনটিআরসিএ ওয়েবসাইটে (http://www.ntrca.gov.bd) এ বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যাবে।
আবেদনের ওয়েবসাইট (http://ntrca.teletalk.com.bd)।
মন্তব্য করুন


ঘন
কুয়াশায় চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে যাত্রীবাহী দুটি লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এতে অন্তত ৪ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার
(২৫ ডিসেম্বর) রাত ২টার দিকে হাইমচর উপজেলা ও হরিণা এলাকার মাঝামাঝি স্থানে এ ঘটনা
ঘটে। পরে দুর্ঘটনাকবলিত লঞ্চের হতাহত যাত্রীদের ঢাকার সদরঘাটে আনা হয়।
এ
বিষয়ে সদরঘাট নৌ থানার ওসি সোহাগ রানা কালবেলাকে বলেন, ‘লঞ্চে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ জনের
লাশ পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৬-৭ জন। খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’
বিআইডব্লিউটিএ
সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার কবলে পড়া লঞ্চ দুটি হচ্ছে ঢাকামুখী এমভি জাকির সম্রাট-৩
এবং ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরিশালমুখী অ্যাডভেঞ্চার-৯।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, তারেক রহমানের জনসভায় যোগ দিয়ে ঝালকাঠি বিএনপির নেতাকর্মীদের একটি অংশ অ্যাডভেঞ্চার-৯
লঞ্চে করে ঝালকাঠি ফিরছিলেন। রাতে ঘন কুয়াশার মধ্যে সম্রাট নামক একটি লঞ্চের সঙ্গে
মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় ঝালকাঠিগামী অ্যাডভেঞ্চার-৯-এর সঙ্গে। এতে দুই লঞ্চের ৩০ যাত্রী
আহত হয়।
এ
বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ চাঁদপুরের উপপরিচালক বছির আলী বলেন, ‘ঘন কুয়াশায় এ দুর্ঘটনা ঘটতে
পারে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। নিহতদের
মরদেহ নিয়ে দুর্ঘটনার পর জাকির সম্রাট লঞ্চটি ঢাকা সদরঘাটে চলে গেছে।’
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ
ইসলাম বলেছেন, তরুণ প্রজন্ম মেধাভিত্তিক ও পেশাদার আমলাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
রোববার সাভারে বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন
প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাদের ৭৭তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে এ কথা বলেন
তিনি।
আমলাতন্ত্রের সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ
করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় আমলাতন্ত্রকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা
হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক বিবেচনায় পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
যা খুবই দুঃখজনক। এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসার সময় এসেছে। এ জন্য আমলাতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ
প্রয়োজন।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারি
চাকরিতে যোগ্যতা অনুযায়ী পদোন্নতি হওয়া উচিত। এর পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
কর্মমূল্যায়ন পদ্ধতিরও সংস্কারের প্রয়োজন।
রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা
নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার রাষ্ট্রীয় সংস্কারের ভিত্তি তৈরি করতে চায়। এজন্য বিভিন্ন
সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। কমিশনসমূহের প্রতিবেদন অনুযায়ী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার
ভিত্তিতে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সংস্কার ছাড়া
নির্বাচন হলে রাষ্ট্রের গুণগত পরিবর্তন হবে না।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট বর্ণনা
করে তিনি বলেন, এই আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের ওপর আস্থা
রেখেই জনগণ ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে। তিনি বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে
নবীন কর্মকর্তাদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তথ্য উপদেষ্টার সেশন পরিচালনার সময় বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের রেক্টর সাঈদ মাহবুব খানসহ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই সেশনে ৭৭তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের ২২টি ক্যাডারের ৬০৫ জন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দেশের
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়ার অন্যতম ধাপ ডিজিটাল লটারি আজ
অনুষ্ঠিত হবে। সরকারি ও বেসরকারি দুই পর্যায়ের স্কুলেই প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির
জন্য আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে এ লটারিতে।
আজ
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
ইনস্টিটিউটে লটারি শুরু হলেও ফল জানতে শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের সেখানে যেতে হবে না।
ঘরে
বসেই অনলাইনে নির্ধারিত আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে দ্রুত ফল জানা যাবে বলে জানিয়েছে
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
মাউশি
জানায়, গত ২১ নভেম্বর থেকে অনলাইনে স্কুলে ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। যা শেষ হয় ৫
ডিসেম্বর বিকেল ৫টায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সফলভাবে আবেদন করেছে মোট ১০ লাখ ৫৬ হাজার
৫৪ জন শিক্ষার্থী। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে চার হাজার ৪৮টি সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি গ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে সরকারি স্কুল ৬৮৮টি এবং বেসরকারি
স্কুল তিন হাজার ৩৬০টি।
অন্যদিকে,
সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে শূন্য আসন রয়েছে মোট ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি।
সরকারি স্কুলে শূন্য আসন ১ লাখ ২১ হাজার ৩০টি হলেও আবেদন জমা পড়েছে ৭ লাখ ১৯ হাজার
৮৫৪টি। প্রতি আসনে গড়ে প্রায় ছয়জন করে আবেদনকারী। অন্যদিকে বেসরকারি স্কুলে শূন্য আসন
১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি। এর বিপরীতে আবেদন করেছে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ১৯৬ জন শিক্ষার্থী।
ফলে সব শিক্ষার্থী সুযোগ পেলেও ৭ লাখ ৩৬ হাজারের বেশি আসন শূন্যই থেকে যাবে।
শিক্ষার্থী
ও অভিভাবকদের লটারির ফল জানতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে যাওয়ার প্রয়োজন নেই
বলে জানিয়েছে মাউশি। লটারির প্রক্রিয়া শেষ হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, অভিভাবক
ও শিক্ষার্থীরা অনলাইনে নির্ধারিত আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ফলাফল ডাউনলোড করতে
পারবেন। ওয়েবসাইট থেকে ফল ডাউনলোড করার পর প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা তা জেলা ও উপজেলা ভর্তি
কমিটির সভাপতি বরাবর ই-মেইলে পাঠিয়ে মাউশিকে অবহিত করবেন। এরপর ভর্তি কমিটির বৈঠক ডেকে
নিয়ম মেনে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি সম্পন্ন করা হবে।
মন্তব্য করুন


হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তির কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন
আজ
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিবের গণমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ
তথ্য জানানো হয়েছে।
এর
আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল নয়।
গতকাল
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাতে
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে যান তিনি। এ সময় বলেন,
দূরত্ব বজায় রেখে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের চিনতে পেরেছেন এবং আমাদের সালামের উত্তর দিয়েছেন।
নানা
রোগে আক্রান্ত প্রায় ৮০ বছর বয়সী
খালেদা জিয়া ফুসফুসে সংক্রমণ ও হৃদযন্ত্রের সমস্যার
কারণে গত ২৩ নভেম্বর
ফের হাসপাতালে ভর্তি হন।
মেডিক্যাল
বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সিসিইউতে তার চিকিৎসা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের
কথা জানিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯
মে) টোকিওতে বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’
শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন,
জাপানে বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে।
এটা আমার জন্য সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও প্রেরণার দিন। এটি শুধু
কাজ করার জন্য নয়, বরং জাপানকে জানারও দ্বার উন্মোচন করবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।
সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা দুটি সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী হন।
প্রথমটি বাংলাদেশের ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (বিএমইটি)
ও কাইকম ড্রিম স্ট্রিট (কেডিএস)-এর মধ্যে, যার একটি জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ;
দ্বিতীয়টি বিএমইটি ও জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট
কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস (জাপানে ৬৫টির বেশি কোম্পানির একটি ফেডারেশন) এবং জেবিবিআরএ
(জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি)-র মধ্যে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই অনুষ্ঠানটি একটি দ্বার উন্মোচনের প্রতীক।
তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ,
যার অর্ধেকই ২৭ বছরের নিচে।
তিনি বলেন, ‘সরকারের কাজ হলো তাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া।
শিজুওকার কর্মপরিবেশ উন্নয়ন সমবায়ের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থার
প্রতিনিধি পরিচালক মিতসুরু মাতসুশিতা বলেন, ‘অনেক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশিদের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছে
এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশি মেধাবীদের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের প্রতিভা
লালন করা আমাদের দায়িত্ব।
এনবিসিসি চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা স্মরণ করেন যে প্রায়
১৪ বছর আগে অধ্যাপক ইউনূস জাপানে এসেছিলেন এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের
সহায়তার গল্প বলেছিলেন।
তিনি বলেন, আমাদের ফেডারেশন তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের জন্য বাংলাদেশকে একটি
সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে দেখছে। তারা উভয় দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে আমরা এক লাখ বাংলাদেশি শ্রমিককে স্বাগত
জানাতে প্রস্তুত।
ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওয়াতানাবে জানান,
বাংলাদেশে তাদের প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল প্রতিবছর ১৫০০
শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়, এবং তারা এই সংখ্যা ৩০০০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা জাপানের চাকরির
বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিল্ড ওয়ার্কার
কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (জেইটিসিও) চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি জাপানের শ্রমবাজারে
বাংলাদেশিদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনও ভাষা শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে।
জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএলডব্লিউ) প্রতিমন্ত্রী
নিকি হিরোবুমি বলেন, জাপানে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে এবং সে কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সহায়তা
প্রয়োজন হবে।
তিনি বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাপানের জন্যও একটি আশাব্যঞ্জক দিক হতে পারে।’
স্বাগত বক্তব্যে জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী
বলেন,
২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট এক কোটি ১০ লাখ
পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরও দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারে।
মন্তব্য করুন