

ঢাকাসহ
দেশের ১৯ জেলার ওপর দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা
ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব এলাকায়
বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে।
সোমবার
(১৩ জুলাই) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য জারি করা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে,
রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া,
যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট
জেলার ওপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে
যেতে পারে। এ সময় বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে।
এ
কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে।
অন্যদিকে,
আবহাওয়ার আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের সব বিভাগেই
দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
পাশাপাশি রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি
ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।
আবহাওয়া
অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝড়বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের প্রবণতা
অব্যাহত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


বেনাপোল প্রতিনিধি :
ঈদুল আজহা কুরবানির ঈদ উপলক্ষে
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে টানা পাঁচ দিন আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সেই সঙ্গে
কাস্টমস এবং বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
শুক্রবার সকাল থেকেই ছুটি
শুরু বলে জানান বন্দর সংশ্লিষ্টরা।
বেনাপোল কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ
স্টাফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান ও বন্দর কর্তৃপক্ষ এ তথ্য
নিশ্চিত করেন।
ঈদের বন্ধের আগেই পচনশীল
পন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাস সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে অনেক পন্যবাহি ট্রাক বন্ধে আটকা
পড়বে বলে জানান তিনি।
১৭ জুন ঈদুল আজহা। এ উপলক্ষে
১৪ থেকে ১৮ জুন বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকবে। তবে এই সময়ের
মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের
অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম বলেন, পাঁচ দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও দুই
দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। এ সময় সাধারণত যাত্রী যাতায়াত
একটু বেশি থাকে। সেজন্য ডেস্ক এবং অফিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক
রেজাউল করিম বলেন, ১৪জুন থেকে শুরু হচ্ছে সরকারি ছুটি। চলবে ১৮জুন। তবে ঈদের দিন ব্যাতিত
এসময় গুরুত্বপূর্ন পন্য আমদানি-রফতানি করা যাবে।
১৯ জুন সকাল থেকে আবার আমদানি-রফতানি বাণিজ্য শুরু হবে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


ঢাকাসহ
দেশের ১৯ জেলার ওপর দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা
ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব এলাকায়
বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে।
সোমবার
(১৩ জুলাই) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য জারি করা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে,
রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া,
যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট
জেলার ওপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে
যেতে পারে। এ সময় বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে।
এ
কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে।
অন্যদিকে,
আবহাওয়ার আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের সব বিভাগেই
দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
পাশাপাশি রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি
ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।
আবহাওয়া
অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝড়বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের প্রবণতা
অব্যাহত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
'ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা' এ স্লোগানে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ কুমিল্লা আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়েছে।
রোববার (১৭ মে) সকালে ভাষা সৈনিক শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে কুমিল্লা-৬ আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুল হক চৌধুরী এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন।
জেলা প্রশাসক মু: রেজা হাসানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলী রাজিব মাহমুদ মিঠুন, সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর বশির, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব এমদাদুল হক এমদু, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা বখতিয়ার হোসেন।
প্রতিযোগিতায় কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, লহ্মীপুর, চাঁদপুর ও নোয়াখালী জেলার বিজয়ী খেলোয়াড়গণ অংশগ্রহণ করবেন। প্রতিযোগিতার মধ্যে রয়েছে ফুটবল, ব্যাডমিন্টন, ক্রিকেট, দাবা, কাবাডি, মার্শাল আর্ট, অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার।
উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, শিশু-কিশোরদের মেধা ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। বর্তমান প্রজন্মকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার চর্চা বাড়াতে হবে। ক্ষুদে অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করলে ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।
কুমিল্লা স্টেডিয়ামের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাচ্চাদের খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করতে নতুন কুঁড়ির মতো এতো সুন্দর আয়োজন করেছেন, আর আপনারা এমন কাঁদামাখা মাঠে বাচ্চাদের খেলতে নামাচ্ছেন। এমন মাঠে হালচাষ করা যায়, খেলাধুলা নয়। তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে মাঠের পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে মাঠকে খেলাধুলায় উপযোগী করার নির্দেশ দেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদে খেলোয়াড়রা অংশ নেয়। উদ্বোধনের সময় বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। পরে অংশগ্রহণকারী শিশুদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা
এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে ‘ক্যানভা কে-১২
এডুকেশন’-এর গ্লোবাল লিড অ্যান্ডি শ’-এর
নেতৃত্বাধীন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের প্রতিনিধি দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের
লন্ডনে অনুষ্ঠিত ‘এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম ২০২৬’-এর সাইডলাইনে গতকাল লন্ডনের কুইন এলিজাবেথ-২
সেন্টারে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন উপস্থিত ছিলেন।
আজ
বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকায় প্রাপ্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা
জানানো হয়।
বৈঠকে
ক্যানভা কর্মকর্তারা ডিজিটাল শিক্ষাকে শক্তিশালী করা, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি,
শ্রেণিকক্ষের সম্পৃক্ততা বাড়ানো ও ভিজ্যুয়াল যোগাযোগ উন্নত করার মাধ্যমে ক্যানভার শিক্ষা
সেবা কীভাবে বাংলাদেশের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের উপযোগী করে সহায়তা করতে
পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত অবহিত করেন।
বৈঠক
চলাকালেই শিক্ষামন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ক্যানভাকে বাংলাদেশের দুটি বিদ্যালয়ের সঙ্গে
পরীক্ষামূলকভাবে যুক্ত করে দেন, যাতে সেখানকার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে
ক্যানভার প্রিমিয়াম শিক্ষা সেবা সরাসরি ব্যবহার শুরু করতে পারেন।
বিনামূল্যের
এই প্রিমিয়াম সেবা দেশের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর জন্য সম্প্রসারিত হবে বলে আশাবাদ
ব্যক্ত করে শিক্ষামন্ত্রী মিলন বলেন, ‘বর্তমান সরকার একটি বিশদ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ
করছে, যেখানে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সৃজনশীল, প্রযুক্তিনির্ভর, অন্তর্ভুক্তিমূলক
ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী করে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’
একই
দিন শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের ব্যবসা ও বাণিজ্য দপ্তরের আন্তর্জাতিক শিক্ষা
কৌশল বাস্তবায়ন শাখার প্রধান জোনাথন লেজারের নেতৃত্বে আরেকটি প্রতিনিধিদল বৈঠক করেন।
সেখানে
‘পিয়ারসন-ক্যামব্রিজ পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন’-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।
ওই
বৈঠকে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষতা বৃদ্ধি, বাজারভিত্তিক
পাঠ্যক্রম এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার (টিভিইটি) উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ
করা হয়।
মন্তব্য করুন


শান্তিতে নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বঙ্গভবনের দরবার হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন । শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাত ৯টা ২০ মিনিটে শপথ নেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ২৮ মিনিটে তিনি তার গাড়িবহর নিয়ে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।
এর আগে বিএনপির নেতারা, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।
তার আগে দুপুর ২টা ১১ মিনিটে ড. ইউনূসকে বহনকারী ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনীর প্রধান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী, ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
এরপর বিমানবন্দরে ড. ইউনূস বলেন, আমার ওপর যদি আস্থা এবং বিশ্বাস রাখেন তাহলে এটা নিশ্চিত করতে হবে কারও ওপর কোনো প্রকার হামলা করা যাবে না, বিশৃঙ্খলা করা যাবে না। যদি বিশৃঙ্খলা করা হয় তাহলে আমি এই দায়িত্বে থাকব না।
নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। যারা এটি করেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, তারা (সমন্বয়করা) দেশকে রক্ষা করেছে।
শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরো বলেন, দেশবাসী কাছে আমার ওপরে বিশ্বাস রাখেন, ভরসা রাখেন, দেশে কারও ওপর কোনো হামলা হবে না।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি করাকে স্বাভাবিক করাকে গুরুত্ব দিয়ে ইউনূস বলেন, যেজন্য আন্দোলন হয়েছে সেটার ফলাফল যেন ব্যর্থ না হয়। পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম সে বাংলাদেশ যেন পূর্ণতা পায়। যে বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ নতুন করে বিজয় পেল তা যেন পূর্ণতা পায়।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের
ভাঙ্গায় ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সোমবার
(২৯ জুন) সকালে ভাঙ্গা পৌরসভার হোগলাডাঙ্গী সদরদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী
হানিফ শেখ (২২) উপজেলার পুখুরিয়া এলাকার রফিক শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী।
অভিযুক্তের নাম সুমাইয়া আক্তার (২২)। তাদের বাড়ি ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের পুখুরিয়া
এলাকায়। তবে সম্প্রতি তারা হোগলাডাঙ্গী সদরদী গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় মাস আগে তারা বদিউজ্জামানের বাড়িতে ভাড়া ওঠেন। এরপর থেকেই
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ লেগে থাকত। রোববার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া
হয়। সোমবার সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামী হানিফ শেখের গোপনাঙ্গ কেটে
দেন তার স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার।
হানিফের
চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে
যান। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার
পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত সুমাইয়া আক্তারকে আটক করে। পরে খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে যায়।
ভাঙ্গা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, সংবাদ পেয়ে অভিযুক্ত সুমাইয়া
আক্তারকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক, সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা অনুদান পাবেন। তবে এ অনুদান পেতে আবেদন করতে হবে অনলাইনে ।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের এ টাকা দেওয়া হবে। বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন স্কুল–কলেজ, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা এ টাকা পাবেন। অনুদানের টাকা বিতরণে নীতিমালা (শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের অনুদান প্রদানের জন্য অনুসরণীয় নীতিমালা সংশোধিত-২০২০) অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের অনুদানের টাকা পেতে আবেদন করতে হবে।
আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি বিশেষ অনুদানের টাকা বিতরণে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে । ওই দিন থেকে অনলাইনে অনুদান পাওয়ার আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ মঞ্জুরির অনুদানের এ টাকা পেতে আবেদন করা যাবে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদ–এর অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এ টাকা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ আরো জানিয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি, এমপিওভুক্ত ও নন–এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসা, দৈব দুর্ঘটনা এবং শিক্ষা গ্রহণের কাজে ব্যয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে দুস্থ, প্রতিবন্ধী, অসহায়, রোগগ্রস্ত, অস্বচ্ছল ও মেধাবী, অনগ্রসর এলাকার শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।
দেশের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বা এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মেরামত ও সংস্কার, আসবাবপত্র সংগ্রহ, খেলাধুলার সরঞ্জাম ক্রয়, পাঠাগার স্থাপন ও প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী বান্ধব করার জন্য অনুদানের আবেদন করা যাবে। তবে বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অনগ্রসর এলাকার লেখাপড়ার মান ভালো থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে। আর বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক–কর্মচারীরা দুরারোগ্য ব্যাধি বা দৈব দুর্ঘটনার জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মাইক্রোক্রেডিটই
ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ।
তিনি মাইক্রোক্রেডিট’র জন্য আলাদা আইন করার
আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এনজিও ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে মাইক্রোক্রেডিটকে ব্যাংকিংয়ের ধারণা
গ্রহণ করতে হবে। আর এ ধারণা গ্রহণ করেই ঋণগ্রহিতাকে সেবা দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘মাইক্রোক্রেডিট এখনো এনজিও। এই এনজিও থেকে উত্তরণ
ঘটাতে হবে। এনজিও পর্যায়ে থেকে গেলে ব্যাংকিং মেজাজ আসবে না। মেজাজে আসতে হলে এটাকে
ব্যাংক হতে হবে। মাইক্রোক্রেডিট’র জন্য আলাদা আইন করতে
হবে।’
আজ শনিবার (১৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি
অথরিটির (এমআরএ) নতুন ভবন উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।
গ্রামীণ ব্যাংকের শুরুর সময়কার স্মৃতিচারণ করে প্রফেসর ইউনূস
বলেন, আমরা যখন গ্রামীণ ব্যাংক করলাম তখন আপত্তি উঠলো এটাকে ব্যাংক বলা যাবে কি না।
আমরা বললাম, আমাদেরটাই প্রকৃত ব্যাংক, তোমাদেরটা লোক দেখানো। ব্যাংক যে শব্দ থেকে উৎপন্ন
হয়েছে সেটা হলো ট্রাস্ট, তোমরা যেটা করছো সেটা ডিসট্রাস্ট। আমাদের ব্যাংকিং মানুষের
বিশ্বাসের ভিত্তিতে হয়েছে। জামানতবিহীন ব্যাংক, বিশ্বাসের ভিত্তিতে আমরা টাকা দেই।
আজ এমন সময় আমরা আলাপ করছি যখন জামানতওয়ালা ব্যাংক, যারা নিজেদের প্রকৃত ব্যাংক বলে
দাবি করত তাদের অনেকে আজ হাওয়া। টাকা নিয়ে লোপাট। ব্যাংক শেষ। আর মাইক্রোক্রেডিটের
পরিসংখ্যান দেখেন। কেউ পয়সা নিয়ে পালায় নাই। এই হলো পরিহাস।’
মাইক্রোক্রেডিটই ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘এটাই প্রকৃত ব্যাংকিং, আগামী দিনের ব্যাংকিং যেটাতে মানুষ
নিজের পরিচয়ে কাজ করবে, নিজের বিশ্বাসের ওপরে ব্যাংকিং চলবে, টাকার উপরে না।’
মাইক্রোক্রেডিটের জন্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে
প্রধান উপদেষ্টা নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্যের
পর প্রত্যেক এনজিও চেষ্টা করলো একইরকম কিছু করতে। ক্রমে ক্রমে প্রসার হতে আরম্ভ করল।
নানারকমের নতুন নতুন জিনিস, নানা আইডিয়া নিজেদের সুবিধার জন্য ঢোকাতে আরম্ভ করল। এটা
ভবিষ্যতের জন্য খারাপ হবে মনে করে একটি রেগুলেটরি অথরিটির প্রয়োজন হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের
সঙ্গে যোগাযোগ করলাম, তারা বলল ‘আমাদের কাজ না’। অর্থ মন্ত্রণালয় শুরুতে
গুরত্ব দিল না, পরে বলল ‘আচ্ছা কী করতে হবে জানাও’। তখন আমরা বললাম, ‘রেগুলেটরি অথরিটি
হওয়া দরকার, কারণ যে হারে বাড়ছে বড় রকমের সমস্যা হতে পারে।
‘তৎকালীন গভর্নর ফখরুদ্দীন সাহেব আমাদের সমর্থন করলেন। কিন্তু
বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে এটা হতে পারবে না। তারা ব্যাখ্যা চাইল। আমি বললাম, এটা বহু
দেশে বলেছি, এখনো বলি, গ্রামীণ ব্যাংকও ব্যাংক, অন্যান্য ব্যাংকও ব্যাংক। কিন্তু তফাত
অনেক। উদাহরণ দেই, আমেরিকান ফুটবলও ফুটবল। ইউরোপিয়ান ফুটবলও ফুটবল। কিন্তু খেলা ভিন্ন।
আপনি যদি ইউরোপিয়ান ফুটবলের রেফারিকে দিয়ে আমেরিকান ফুটবল খেলা চালাতে চান ইট উইল বি
অ্য ডিজাস্টার। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দিয়ে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ করবেন, সে তো ক্ষুদ্রঋণ
জানেই না। সে তো ইউরোপীয় ফুটবলের রেফারি,’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন।
তিনি আরোও বলেন, ‘অবশেষে ফখরুদ্দীন সাহেব রাজি হলেন। গভর্নরকে
দিয়ে এটা পরিচালনা করানোর ব্যাপারেও তাঁকে রাজি করাতে হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরে
এর অফিস করার আলোচনা ছিল। আমরা বললাম, আলাদা জায়গায় অফিস হতে হবে... আজকে নতুন ভবন
হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা এটিকে বোঝার চেষ্টা করেছেন, নিয়মকানুন করেছেন। তারা
যদি অন্যান্য ব্যাংকের রেগুলেটরি নিয়মের ওপর এটা স্থাপন করত তাহলে মাইক্রোক্রেডিট সেদিনই
শেষ হয়ে যেত, আর খুঁজে পাওয়া যেত না। আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের অভিনন্দন
জানাচ্ছি।’
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
কে হবে এ নিয়ে শুধু বাংলাদেশ না, যে দেশেই মাইক্রোক্রেডিট হয়েছে সে দেশই সমস্যায় পড়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি তাদেরকে বারে বারে বলে এসেছি তোমাদের এত কিছু
চিন্তা করতে হবে না। কারণ বাংলাদেশ এর সমাধান দিয়ে দিয়েছে। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি
অথরিটি শুধু যে বাংলাদেশের জন্য কাজ করেছে তা না এটা আন্তর্জাতিকভাবে অনেক দেশের জন্যে
সহায়ক হয়েছে।’
অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘রেগুলেটরের ওপর কড়া
না হয়ে ইউজার ফ্রেন্ডলি রেগুলেশন যেন হয় সেভাবে আইন করা, যেন কোনোকিছু চাপিয়ে না দেয়া
হয়। এমআরএ’কে এখন রেগুলশনের পাশাপাশি প্রমোশনাল অ্যাক্টিভিটিও দেখতে হবে।
সেভিংসের রিটার্ন, সার্ভিস চার্জ যেন সহজ হয় সেদিকে নজর দিন। উপকারভোগীদের জন্য যেন
সহজ হয়।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর তাঁর বক্তব্যে বলেন,
‘মাইক্রোক্রেডিট আজ অনেক দূর এগিয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের ১০ শতাংশ সমপরিমাণ সম্পদ
আছে মাইক্রোক্রেডিট সেক্টরে। সবচেয়ে বড় কথা, ব্যাংকিং খাতে যে জায়গাগুলোতে দুর্বলতা
আছে, মাইক্রোক্রেডিট সে জায়গায় শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। সদস্যদের সঞ্চয় বেড়ে ৬৮ হাজার
কোটি টাকার ওপর, পুঞ্জীভূত উদ্বৃত্ত বেড়ে ৬১ হাজার কোটি টাকার উপরে হয়েছে। এটা বড় অর্জন।
তারা নিজেদের সঞ্চয় ও উদ্বৃত্ত দিয়ে নিজেদের গড়ে তুলছে। বিদেশি সহায়তা, অনুদান নাই
বললেই চলে। দাতা তহবিল তিন হাজার কোটি টাকার মতো। এটা খুবই নগণ্য।’
‘বাংলাদেশে গ্রামীণ অর্থনীতি বাড়ছে। এজেন্ট ব্যাংকিং ছড়িয়ে পড়ছে।
মাইক্রোক্রেডিটের শাখা আছে ২৬ হাজারের মতো। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের শাখা ২০ হাজার ছাড়িয়েছে।
এখানে একটা সুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে ফরমাল সেক্টরের পদচারণা
বাড়ছে, বাড়বে। মাইক্রোফাইন্যান্স ইন্সটিটিউটটে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে টিকে থাকতে
হবে। মাইক্রোক্রেডিট আরও ফাংশনাল করতে রেগুলেটরি অথরিটি ও বাংলাদেশ ব্যাংক একসঙ্গে
কাজ করবে,’ বলেন তিনি।
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি নিয়ে নতুন আইনের খসড়া করা হয়েছে। সরকারের
কাছে শিগগিরই নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধান উপদেষ্টার
বিশেষ সহকারী ড. এম আনিসুজ্জামান চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


শক্তি-সামর্থ্যে
ধারে কাছে ছিল না কেপ ভার্দে। র্যাংকিংয়ের ৬৭ নম্বর দলের বিপক্ষে খেলা চূড়ায় থাকা
আর্জেন্টিনার।
আবার
আলবিসেলেস্তাদের নামের পাশে তিন বিশ্বকাপের বিপরীতে প্রথমবার ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে
অভিষেক কেপ ভার্দের।
অতীত
ইতিহাস আর পরিসংখ্যানের হিসেবে লড়াইটা তাই একপেশেই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মায়ামিতে
আজ যা হলো তাতে হাফ ছেড়ে বেঁচেছে আর্জেন্টিনা। স্কোরলাইন ৩-২ হলেও আলবিসেলেস্তাদের
কঠিন পরীক্ষা নিয়েছে প্রতিপক্ষরা। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের একদম চমকে দিয়েছে তারা।
জয়
কতটা কঠিন ছিল তার প্রমাণ পাওয়া যায় আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির কণ্ঠে। তার
মতে, ম্যাচটা অবিশ্বাস্য রকমের কঠিন ছিল। বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচ যে সহজ নয় তা ম্যাচ
শেষে স্বীকার করেছেন তিনি।
অতিরিক্ত
সময়ে জয় পাওয়ার পর স্কালোনি বলেছেন, ‘ম্যাচটি অবিশ্বাস্য রকমের কঠিন ছিল। লোকে যখন
বলে বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচই সহজ নয়, কথাটা আসলেই শতভাগ সত্যি। আজ তা আবারও প্রমাণিত
হলো।ম্যাচে দুইবার পিছিয়ে পড়েছিল কেপ ভার্দে। তবে প্রতিবারই সমতায় ফিরে আর্জেন্টিনার
নাভিশ্বাস তুলেছিল তারা।
দুর্দান্ত
পারফম্যান্সের জন্য তাই প্রশংসা পাচ্ছে স্কালোনির কাছে থেকেও। আর্জেন্টিনার কোচ বলেছেন,
‘প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানাতে চাই। আজ তারা মাঠে দেখিয়েছে কতটা দুর্দান্ত দল।’
শিষ্যদের
হাল না ছাড়ার মানসিকতার প্রশংসাও করেছেন স্কালোনি। তিনি বলেছেন, ‘সবকিছুর মাঝেও আপনাকে
সবসময় ইতিবাচক দিক খুঁজে নিতে হবে। আমাদের সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো—দলটি
কখনো হাল ছেড়ে দিতে জানে না।’
মন্তব্য করুন


ভারতের
পুণের ব্যবসায়ী কেতন অগ্রবাল হত্যা মামলায় অভিযুক্ত সিয়া গয়াল পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে
চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তার ভাষ্য, বিয়ে করতে তিনি রাজি নন—পরিবারের
কাছে এ কথা বলার চেয়ে কেতনকে পথ থেকে সরিয়ে দেওয়াই তার কাছে সহজ কাজ মনে হয়েছিল।
জানা
গেছে, গত ১৮ জুন লোণবলার লোহাগড় দুর্গ থেকে কেতন অগ্রবালকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যার
অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সিয়া গয়াল ও তার প্রেমিক চেতন চৌধরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে।
তদন্ত
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে সিয়া দাবি করেন, কেতন আলগা চুল ব্যবহার
করতেন, যা তার পছন্দ ছিল না। এ বিষয়ে জানার পরও কেন বিয়েতে রাজি হয়েছিলেন—এমন
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরিবারের সম্মান ও ভাবমূর্তির কথা ভেবেই বিয়েতে মত দিতে
বাধ্য হয়েছিলেন।
পুলিশের
জিজ্ঞাসাবাদে সিয়া আরও দাবি করেন, তিনি কেতনকে জানিয়েছিলেন যে তাকে বিয়ে করা সম্ভব
নয়। কিন্তু কেতন বিয়ে ভাঙতে রাজি হননি। এরপরই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে তদন্ত
সূত্রে জানা গেছে।
অন্যদিকে
কেতনের বাবা বিশাল অগ্রবাল দাবি করেছেন, তার ছেলে আলগা চুল ব্যবহার করতেন—এ
তথ্য সিয়ার পরিবার আগে থেকেই জানত। এ নিয়ে সিয়া বা তার পরিবারের কোনো আপত্তিও ছিল না।
তাই আগলা চুলের কারণে হত্যার দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে
তদন্তে আরও জানা গেছে, সিয়া ও চেতনের সম্পর্কের বিষয়ে তার পরিবার আগে থেকেই জানত। তবে
আর্থিক অবস্থার পার্থক্যের কারণে পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। তদন্তকারীদের ধারণা,
চেতনের কাছ থেকে সিয়াকে দূরে রাখতে কেতন অগ্রবালের সঙ্গে বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু
শেষ পর্যন্ত সেই ঘটনার পরিণতি ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে গড়ায়।
পুলিশ
জানিয়েছে, মামলার প্রকৃত কারণ জানতে সিয়া ও চেতনকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি
সিয়ার ভাই সাহিল গয়ালকেও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
মন্তব্য করুন