

নোয়াখালীর
বেগমগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে আবুল হোসেন
(৩২) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার
(১২ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাজার রোড এলাকা
থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
পরে
দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো
হয়। নিহত আবুল হোসেন একলাশপুর ইউনিয়নের মৃত বাবুলের ছেলে।
পুলিশ
ও স্থানীয়রা জানায়, আবুল হোসেনের ভাইয়েরা প্রবাসে থাকেন এবং তিনি বেকার ছিলেন। শুক্রবার
রাতে বাড়িতে এক ভাগনির বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল।
ওই
রাত থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। রোববার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের একটি ডোবায় একটি
লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন।
পরে
বেগমগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
বেগমগঞ্জ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান জানান, পরিবারের সদস্যদের
ভাষ্য অনুযায়ী, মৃগী রোগে আক্রান্ত আবুল হোসেন শুক্রবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন। দুইদিন
পানিতে থাকায় লাশ ফুলে গেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ
৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শীত শেষ বাড়ছে দিনের তাপমাত্রা।
শুক্রবার রাতে দেওয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরেরে এক পূর্বাভাসে জানা গেছে আগামী ৫ দিনে বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। আর মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপের অবস্থান দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে।
এ অবস্থায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
আর বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই সময়ের শুরুতে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।
মন্তব্য করুন


সিলেট
নগরীর সুবিদবাজার মিয়া ফাজিলচিশত এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে মাহদি আনজুম (১৫) নামে দশম
শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে নিহত শিক্ষার্থীর
'নিজ' হাতে লেখা একটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার
(৯ জুন) দুপুর ১টার দিকে ফায়ার সার্ভিস ও বিমানবন্দর থানা পুলিশ ওই এলাকার একটি বাসার
চতুর্থ তলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
মৃত
মাহদি আনজু ডা. রুলী বিনতে রহিমের ছেলে এবং সিলেট ক্যান্টমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের
শিক্ষার্থী ছিল। পাশাপাশি বিএনসিসি ও স্কাউট কার্যক্রমেও ছিল সক্রিয়।
মাহদির
ওই চিরকুটে ইংরেজিতে লেখা ছিল- আমার মৃত্যুর পর, অনুগ্রহ করে আমার দেহের ময়নাতদন্ত
করবেন না বা এ বিষয়টি নিয়ে বেশি অনুসন্ধান করবেন না। আমি নিজের ইচ্ছাতেই জীবন শেষ
করেছি। এর পেছনে অন্য কোনো কারণ নেই। আর একটি অনুরোধ-যদি সম্ভব হয়, আমার জন্য কোনো
আনুষ্ঠানিক শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করবেন না। আর যত দ্রুত সম্ভব আমাকে ভুলে গিয়ে নিজেদের
জীবন নিয়ে এগিয়ে যান।
পুলিশ
জানায়, অন্যান্য দিনের মতো রাতের খাবার খেয়ে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যায় মাহদি। পরদিন সকাল
গড়িয়ে গেলেও দরজা না খোলায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে দরজা ভেঙে
দেখা যায়, ঘরের ভেতরে ঝুলছে তার নিথর দেহ। তাৎক্ষনিক পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ মরদেহ
উদ্ধার করে এবং ওই সময় চিরকুটটি উদ্ধার করা হয়।
খবর
পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (উত্তর) দেবাশীষ
দাস, বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুর রহমান।
ওসি
শহিদুর রহমান জানান, পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল
কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে। স্কুলছাত্রের মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের
ঘাটাইলে বিয়ের একমাসের মাথায় প্রেমিকের সঙ্গে পালানার তিনদিন পর সূচনা নামে এক নববধূর
মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার
(১৭ মে) বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সূচনা
আইনপুর গ্রামের সোহরাব আলীর মেয়ে।
নিহতের
পরিবার জানায়, পালানোর পরে শহরের কলেজপাড়া এলাকায় প্রেমিক সাওয়ালের চাচা ইউপি চেয়ারম্যান
গিয়াসউদ্দিন বাবুর বাসায় অবস্থান করছিলেন ওই তরুণী। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার করার
পর মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে যায় প্রেমিকের পরিবার। পরে সেখান থেকে পালিয়ে যায় সবাই।
তারা
আরও জানায়, একমাস আগে মধুপুর উপজেলার মাইজবাড়ি গ্রামের আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় সূচনার।
গত ১৪ মে রাতে ঘাটাইল উপজেলার সত্তুর বাড়ি গ্রামের সরোয়ারের ছেলে প্রেমিক সাওয়ালের
হাত ধরে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয় সূচনা। পরে উভয় পরিবারের সমঝোতায় বিয়ের আশ্বাস
দেয়া হয় সাওয়াল ও সূচনাকে। শনিবার রাতে তাদের নিয়ে আসা হয় সাওয়ালের চাচা ইউপি চেয়ারম্যান
গিয়াসউদ্দিন বাবুর বাসায়। রোববার বিকেলে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সূচনার মরদেহ।
তড়িঘড়ি করে নেওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে
পরিবারকে জানানো হয় তার মৃত্যুর বিষয়টি। জানানো হয় পুলিশকেও। পুলিশ হাসপাতাল থেকে তার
মরদেহ উদ্ধার করে।
সূচনার
বাবা সোহরাব আলীর অভিযোগ, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
সংগ্রামপুর
ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন বাবু জানান, সাওয়াল তার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। সমঝোতার জন্য
নিহত তরুণীকে তার বাসায় নিয়ে আসা হয়েছিল। ঘটনার দিন তিনি বাসায় ছিলেন না।
এ
বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) প্রভাষ কুমার বসু জানান, ঘাটাইল
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল
মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস লুটপাট হওয়া সম্পদ ও অর্থ পুনরুদ্ধারের পর সেই
সম্পদ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে একটি তহবিল গঠনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ
সোমবার (১৯ মে) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস বিফ্রিংয়ে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, লুটপাট হওয়া অর্থ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি তহবিল
গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা, যা জনকল্যাণে ব্যবহার করা হবে।
এর
আগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারের অগ্রগতি নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত
হয়।
সভায়
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সভাপতিত্ব করেন।
প্রেস
ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, এই তহবিল বর্তমান আইন অনুযায়ী
গঠিত হবে। তবে প্রয়োজনে তহবিল গঠনের জন্য আইন সংশোধন করা হবে।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের গভর্নর আরও বলেন, আমি আশা করি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে এই তহবিল গঠন
করা সম্ভব হবে। তবে পরবর্তী নির্বাচিত সরকারকে তা চালিয়ে নিতে হবে।
মন্তব্য করুন


বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত
করতে আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ মঙ্গলবার সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে পুনঃতদন্ত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন
সরকার বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর
থেকেই কাজ করে যাচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা হিসেবে আমি
প্রথম থেকেই বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সোচ্চার ছিলাম
এবং এখনো রয়েছি। এ বিষয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রথমবার এবং গত ৪
নভেম্বর বিজিবি সদরদপ্তর পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বার ঘোষণা দেই, যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত
হয়েছে। শুধু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা হিসেবে নয়, একজন সাধারণ
নাগরিক ও সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্য হিসেবে আমি শুরু থেকেই বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার
দাবি করে আসছি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার
লক্ষ্যে জনগণের অধিকার, সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর। বিডিআর হত্যাকাণ্ডে
ন্যায়বিচার নিশ্চিতে আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। অবসরপ্রাপ্ত
বিচারক, সিভিল সার্ভিস, সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে এই
কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সদস্য সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। তবে সদস্য ৫ জন, ৭
জন, ৯জনও হতে পারে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য সংখ্যা একটু বেশি থাকবে।
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কী পুনঃতদন্তের
দিকে যাচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেই আদেশ দিতে পারে আদালত। আর আমরা হলো
একটা শুধু প্রেস ইনকোয়ারি করতে পারি।
কতদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে এমন
প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পাঁচ কার্যদিবসের সময় আমরা বলব। আগে কমিটি
গঠনের জন্য নামগুলো নিতে হবে। আপনারা জানেন এসব কমিটিতে সবাই আসতে চায় না। নাম সংগ্রহে
যদি সময় না লাগতো তাহলে অনেক তাড়াতাড়ি হয়ে যেত। নাম পাওয়ার পর তাদের সঙ্গে আলোচনা করে
তারপর আমরা সময়টা বলতে পারব।
কাজের পরিধি কী হবে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর
আলম বলেন, আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনার পর বলতে পারব।
প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও সচিবের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত ড. নাসিম আহমেদসহ
বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


তারে
এক সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের পাঁচজনই বাংলাদেশি।
স্থানীয়
সময় শনিবার ( ২০ জুন )সকালে দেশটির শাহানিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত
প্রবাসীরা হলেন—সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের
জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
তারা
একটি পিকআপ ভ্যানে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। এসময় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারালে ঘটনাস্থলেই
ছয়জন প্রাণ হারান। নিহত অপর ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক।
নিহতদের
মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
জালালাবাদ
অ্যাসোসিয়েশন কাতারের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ মালেক বলেন, দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে
পাঁচ প্রবাসরি মরদেহ দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, শুক্রবার, মে ২৯, ২০২৬, বিকাল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে বিভিন্ন সড়কের পরিস্থিতি দেখেন।
তিনি বলেন, রাজধানীর কুরবানির বর্জ্য অপসারণ প্রক্রিয়া ভালোভাবে হচ্ছে কিনা- তা দেখতে বেরিয়েছেন তিনি। নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি গুলশান এভিনিউয়ের বাসা থেকে বেরিয়ে গুলশান-১ নম্বর মোড় হয়ে হাতিঝিল, রামপুরা রোড, মালিবাগের আবুল হোটেল দিয়ে তালতলা মার্কেট হয়ে বাসাবোর দিকে গেছে। এরপর কমলাপুর স্টেডিয়াম, সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড, যাত্রাবাড়ী মোড়, ধোলাই খাল হয়ে শহীদ ফারুক সড়ক, দয়াগঞ্জ সড়ক দিয়ে নারিন্দা হয়ে রায়সাহেব বাজার মোড় দিয়ে আদালত সড়ক দিয়ে নয়া বাজার, বংশাল রোড হয়ে গুলিস্তান, শাহবাগ, এলিফেন্ট রোড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে নিউ মার্কেট হয়ে সায়েন্স ল্যাবরেটরি থেকে ডান দিকে কলাবাগান, মিরপুর রোড, সিটি কলেজের সামনে দিয়ে সীমান্ত স্কয়ার হয়ে জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড দিয়ে ধানমন্ডি সাত মসজিদ রোড, ২৭ নম্বর সড়ক দিয়ে মানিক মিয়া এভিনিউ হয়ে পান্থপথ, ফার্মগেট, বিজয় সরণি হয়ে মহাখালী সড়কের পরিস্থিতিও প্রধানমন্ত্রী দেখবেন।
উপ-প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় সিগন্যাল মেনে গাড়ি থামিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ৪৩টি ফিরতি ফ্লাইটের মাধ্যমে মোট ১৭ হাজার
৬৮৯ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন। এছাড়া সৌদি আরবে হজ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪২
জন হাজি মৃত্যুবরণ করেছেন।
মঙ্গলবার
(২ জুন) পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, মৃতদের মধ্যে ২৭ জন পুরুষ এবং ১৫ জন নারী রয়েছেন।
এর মধ্যে ৩২ জন মক্কায় এবং ১০ জন মদিনায় মারা গেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,
এ বছর হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় গত ২৬ জুন।
সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত তিনটি বিমান সংস্থা হজের ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম পরিচালনা
করছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১০টি, সাউদিয়া এয়ারলাইনসের ১৫টি এবং
ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ১৮টি ফ্লাইটে করে হাজিরা দেশে ফেরেন। হজ অফিস জানায়, ফেরত আসা
হাজিদের মধ্যে ২ হাজার ৮২ জন সরকারি এবং ১৫ হাজার ৬০৭ জন বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির
ব্যবস্থাপনায় দেশে এসে পৌঁছেছেন।
চলতি
বছরের ১৮ এপ্রিল প্রথম ফ্লাইটের মাধ্যমে হজ কার্যক্রম শুরু হয় এবং শেষ হয় ২১ মে।
হজ শেষে গত ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে, যা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তিনটি পণ্যবাহী গাড়ির সংঘর্ষে এক ট্রাকের হেলপার নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন। দুর্ঘটনার পর তিনটি গাড়ির চালকই ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।
শনিবার (২৭ জুন) রাত দেড়টার দিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা নতুন রাস্তা এলাকায় মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হেলপারের নাম সিয়াম (২৫)। তিনি ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ওসমানগঞ্জ এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, একটি কাভার্ডভ্যান মহাসড়কে চলন্ত অবস্থায় কোনো ধরনের সংকেত না দিয়েই হঠাৎ রাস্তার বাম পাশে থামার চেষ্টা করে। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি মালবোঝাই ট্রাক দ্রুতগতিতে এসে কাভার্ডভ্যানটির পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকের সামনের অংশ এবং কাভার্ডভ্যানটির পেছনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
সংঘর্ষে ট্রাকের হেলপার সিয়াম ও ট্রাকে থাকা আরও দুইজন গুরুতর আহত হন। এর কিছুক্ষণ পর একই দিক থেকে আসা আরেকটি কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটির পেছনে ধাক্কা দিলে ট্রাকটির পেছনের অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরে স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক হেলপার সিয়ামকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর দুইজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, ‘নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। রেকারের মাধ্যমে দুর্ঘটনাকবলিত তিনটি যানবাহন মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
মন্তব্য করুন


দেশের
চার বিভাগের জন্য বড় ধরনের দুঃসংবাদ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। টানা দুইদিন এই চার বিভাগে
ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে সংস্থাটি। সেইসঙ্গে ভূমিধসের ব্যাপারেও
সতর্ক করা হয়েছে।
সোমবার
(৬ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ বার্তা পাওয়া গেছে।
বিজ্ঞপ্তি
অনুযায়ী, সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ৪৮
ঘণ্টায় ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (১৮৮ মিলিমিটার) বৃষ্টি হতে পারে খুলনা,
বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কয়েক জায়গায়। এই অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীর
কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতাসহ পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসও হতে পারে।
এদিকে,
একইদিন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পৃথক আরেক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন
উত্তর উড়িষ্যা উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত মৌসুমি নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে
অগ্রসর হয়ে বর্তমানে অভ্যন্তরীণ উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড এলাকায় অবস্থান
করছে। এটি আরো পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দর,
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে
পারে।
এজন্য
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে
যেতে বলা হয়েছে। এ অবস্থায় উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
এছাড়া,
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিকের সই করা আরেক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে,
ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম,
কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে
৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে এসব এলাকায়
বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এ
অবস্থায় এই অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া
দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে
৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে
১ নম্বর নৌ সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন