

রাজধানীর
বাড্ডা থানা এলাকায় একটি প্রাইভেটকার থেকে ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে ট্রাফিক পুলিশ।
এ সময় গাড়ির চালক গাড়ি রেখে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বুধবার
(৮ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট দেবু বড়ুয়া।
তিনি
জানান, বুধবার সকাল ১০টার দিকে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে একটি নিশান মডেলের
প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৫৩১৭) বেপরোয়াভাবে চলছিল। এ সময় দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক
পুলিশ গাড়িটিকে থামার সংকেত দেয়।
পরে
চালক গাড়ি থামিয়ে দ্রুত নেমে দৌড়ে পালিয়ে যান। এরপর পুলিশ গাড়িটির ব্যাগডালা খুলে সাদা
রঙের পাঁচটি বস্তা দেখতে পায়। বস্তাগুলো তল্লাশি করে মোট ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা
হয়।
সার্জেন্ট
দেবু বড়ুয়া আরও জানান, চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা যায়নি। উদ্ধার করা গাঁজা পরবর্তী
আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাড্ডা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায়
আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলবে।
মন্তব্য করুন


ঈদুল
আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবং কোরবানির পশুর হাটকেন্দ্রিক
যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
এ লক্ষ্যে ২৫-২৭ মে ও ২৯-৩১ মে, মোট ছয় দিন মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি চলাচল
বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রোববার
(২৪ মে) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো
হয়।
এতে
বলা হয়, ঈদ উপলক্ষে আনুমানিক এক কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়েন এবং প্রায় ৩০ লাখ মানুষ
রাজধানীতে প্রবেশ করেন।
ফলে
ঈদযাত্রা ও পশুর হাটসংলগ্ন এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া
হয়েছে।
ডিএমপির
নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত ছয় দিন মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ
থাকবে।
পশুবাহী
যানবাহন, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য, পচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ওষুধ, সার
ও জ্বালানি বহনকারী যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। এ ছাড়া রুট পারমিটবিহীন
বাস চলাচল করতে পারবে না।
আন্তঃজেলা
বাস টার্মিনাল থেকে যাত্রী নিয়ে বাসগুলোকে সরাসরি গন্তব্যে যেতে হবে। সড়কে দাঁড়িয়ে
যাত্রী ওঠানামা করানো যাবে না। অনুমোদিত কাউন্টার ছাড়া রাস্তা থেকে যাত্রী তোলা-নামানোও
নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ঈদযাত্রার
চাপ সামাল দিতে আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭ মে উত্তরার আব্দুল্লাহপুর থেকে কামারপাড়া হয়ে ধউর
ব্রিজ পর্যন্ত সড়ক একমুখী করা হবে। এ সময়ে এই পথে শুধু ঢাকা থেকে বের হওয়া যানবাহন
চলাচল করতে পারবে। ঢাকায় প্রবেশকারী যানবাহনকে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
এদিকে
যানজট কমাতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিহারের অনুরোধ জানিয়েছে
ডিএমপি। এর মধ্যে রয়েছে বনানী থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, যাত্রাবাড়ী
থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, শ্যামলী থেকে গাবতলী পর্যন্ত মিরপুর
রোড, ফুলবাড়িয়া থেকে বাবুবাজার ব্রিজ পর্যন্ত ঢাকা-কেরানীগঞ্জ সড়ক এবং আব্দুল্লাহপুর
থেকে ধউর ব্রিজ সড়ক।
কোরবানির
পশুর হাটকেন্দ্রিক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাটের নির্ধারিত সীমানার বাইরে সড়কের ওপর
পশু কেনা-বেচা, লোড-আনলোড করা যাবে না। পশুবাহী ট্রাক বা ক্রেতাদের গাড়ি হাটসংলগ্ন
সড়কে পার্কিং করলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পশুর হাট সঠিকভাবে পরিচালিত
না হলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনারও সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি
নগরবাসী, যানবাহনের মালিক-চালক এবং পশুর হাট সংশ্লিষ্ট সবাইকে এসব নির্দেশনা মেনে চলার
আহ্বান জানিয়েছে, যাতে ঈদযাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হয়।
মন্তব্য করুন


আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী তিন মাস আবহাওয়া পরিস্থিতিতে কি হতে পারে, সে বিষয়ে আগাম বার্তা দিয়েছে ।
অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এ পূর্বাভাসে দেশে আগামী তিনি মাসে শিলাবৃষ্টি, কালবৈশাখী ঝড়, মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ এবং বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে।
আগামী তিন মাসের মধ্যে দেশের পশ্চিম, উত্তর, উত্তরপশ্চিমাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ৪ থেকে ৮ দিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা অথবা মাঝারি ধরণের কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে। এর বাইরেও এই সময়ের মধ্যে দেশে ৩ থেকে ৫টি মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামী তিন মাসে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। বঙ্গোপসাগরে ২ থেকে ৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। তবে আগামী তিন মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে।
এছাড়া, আগামী তিন মাসের মধ্যে মৃদু তাপপ্রবাহ অর্থাৎ দেশের তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। সেই সঙ্গে মাঝারি ধরণের অর্থাৎ ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলেও জানায় সংস্থাটি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ ভূমি এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যত’- এই মূল প্রতিপাদ্যকে নিয়ে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলায় আজ থেকে শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী ‘ভূমি সেবা মেলা’-২০২৬।
মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে এই মেলার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও আদর্শ সদর উপজেলা ভূমি অফিস।
সকালে কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়ে আদর্শ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে শেষ হয়। পরে সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুম প্লাটফর্মের মাধ্যমে কুমিল্লা জেলা থেকে সংযুক্ত হন অংশগ্রহণকারীরা।
র্যালী ও মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান।
আদর্শ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাশিয়াত আকতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রসাসক মো. মোস্তক মিয়া, কুমিল্লা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এবিএম মশিউজ্জামান, আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা, আদর্শ জেলা এনডিসি মো. আসিফুল হক, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুলের সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসানসহ অন্যান্যরা।
জেলা প্রশাসক মু রেজা হাসান বলেন, ভূমি সংক্রান্ত সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ভূমি সেবা এখন অটোমেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনেক সহজ ও জনবান্ধব হয়েছে। মেলার মূল লক্ষ্য হলো নাগরিকদের এই নতুন সেবার সঙ্গে পরিচিত করা এবং সরাসরি সেবা প্রদান করা। ভূমি মেলার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ভূমি বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে সরাসরি তথ্য ও সেবা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাশিয়াত আকতার বলেন, মেলা আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো- ভূমি সেবা সহজীকরণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও নাগরিক সেবা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং প্রান্তিক পর্যায়ে সেবাগুলো পৌঁছে দেয়া।
তিনি বলেন, তিনদিনব্যাপী এই মেলায় বিভিন্ন স্টলের মাধ্যমে ভূমি সংক্রান্ত সেবা পদ্ধতি সম্পর্কে জনগণকে ধারণা দেয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করা হবে।
তিনি আগামী ২১ মে পর্যন্ত চলমান এই মেলায় জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে ভুয়া কর পরিদর্শক পরিচয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন করতে এসে দুই প্রতারক ধরা পড়েছেন। পরে তাদেরকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
আজ সোমবার (২৭ জুলাই) ১২টার দিকে কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে এ ঘটনা হয়।
আটককৃতরা হলেন– চান্দিনা উপজেলার বামতিয়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদ এবং দেবিদ্বার উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামের শামছুল হক।
কুমিল্লার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান জানায়, আবুল কালাম আজাদ নিজেকে কর পরিদর্শক পরিচয় দিয়ে অন্য এক ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য নির্বাচন অফিসে আসেন। অন্যদিকে শামছুল হক জাল সনদ ব্যবহার করে তার এক স্বজনের জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের চেষ্টা করেন। তাদের আচরণ ও কথাবার্তায় সন্দেহ হলে নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তারা প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেন।
পরে তাদেরকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
কুমিল্লা কোতয়ালী থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার জানান, নির্বাচন কমিশন অফিস আমাদের কাছে অফিশিয়ালি যে অভিযোগ করবে আমরা তার প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেব। তাদের অভিযোগ প্রস্তত হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


খাসির
মাংসের পরিবর্তে মুরগির মাংস পরিবেশন করায় ভারতের বিহারে একটি বিয়েবাড়ি রণক্ষেত্রে
পরিণত হয়েছে। কনেপক্ষের এই আয়োজনে ক্ষুব্ধ হয়ে বরপক্ষের লোকজন চড়াও হলে দুই পরিবারের
মধ্যে চরম সহিংস সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এই ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন
বলে জানা গেছে।
স্থানীয়
পুলিশ ও ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ৩টার
দিকে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ওরফে চাঁদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা বেশ শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন
হয়েছিল। বিপত্তির শুরু হয় বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের খাবার পরিবেশনের
সময়।
বরপক্ষের
একটি দল দাবি করে, বিয়ের মেন্যুতে খাসির মাংস রাখার কথা থাকলেও তাদের থালায় মুরগির
মাংস দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে বরপক্ষের কয়েকজন প্রথমে কনেপক্ষের
সাথে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।
মুহূর্তের
মধ্যেই সেই মৌখিক বিতর্ক হাতাহাতি এবং পরবর্তীতে একটি বড় ধরনের সহিংস সংঘর্ষে রূপ নেয়।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কনেপক্ষের কিছু সদস্য লাঠিসোঁটা নিয়ে বরপক্ষের অতিথিদের ওপর
চড়াও হন এবং এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে শুরু করেন।
সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনার বেশ কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে
কিছু মানুষ লাঠি দিয়ে একে অপরকে আঘাত করছেন, এমনকি কাউকে কাউকে খোলা তলোয়ার উঁচিয়েও
তাণ্ডব চালাতে দেখা গেছে।
খবর
পেয়ে স্থানীয় পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মারামারিতে গুরুতর
জখম হওয়া ১২ জনকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার
পর থেকে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত সহিংসতার পেছনে অন্য
কোনো কারণ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ ইতোমধ্যেই গভীর তদন্ত শুরু করেছে।
মন্তব্য করুন


সারা
দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
শুরু হয়েছে। প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্রের
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার
(১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে শুরু
হওয়া পরীক্ষা শেষ হয়েছে দুপুর
১টায়।
এসএসসি,
দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল)
পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২০
লাখ ২৪ হাজার ১৯২
জন। দেশজুড়ে ২৯ হাজার ৭৩৫টি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৭০০টি
কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা
মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়
জানিয়েছে, এসএসসিতে পরীক্ষার্থী ১৬ লাখ ৬
হাজার ৮৭৯ জন, দাখিলে
২ লাখ ৯০ হাজার
৯৪০ জন, এসএসসি (ভোকেশনাল)
পরীক্ষা দিচ্ছে ১ লাখ ২৬
হাজার ৩৭৩ জন। আর
বিদেশের ৮ কেন্দ্রেও অনুষ্ঠিত
হচ্ছে পরীক্ষা।
মন্তব্য করুন


যাত্রীদের জিম্মি করে বাংলাদেশ রেলওয়ের
রানিং স্টাফদের কর্মসূচি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
আজ মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) ট্রেন চলাচল
বন্ধের পর সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করতে এসে এ কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
বলেন, স্টাফদের দাবির বিষয়ে আমাদের আলোচনার দরজা সব সময় খোলা রয়েছে। প্রয়োজনে আমরা
তাদের সঙ্গে আবারও আলোচনা করব এবং অর্থ বিভাগেও তাদের এ দাবি দাওয়া নিয়ে আলোচনা করব।
যাত্রীদের ভোগান্তি যাতে কম হয় সেজন্য ইতোমধ্যে গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছি।
এরপরও কোনো যাত্রী যদি স্টেশনে আসেন তাদের সুবিধা বিবেচনা করে আমরা বিআরটিসি বাসের
ব্যবস্থা করে দিয়েছি। যাতে রেলের যে রুটগুলো আছে সেখানে যাত্রীরা যেতে পারেন।
রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির
খান বলেন, স্টাফদের যে দাবি মাইলেজ অ্যালাউন্সের দাবি, তা দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে।
তাদের এ দাবির অনেক অংশ আমরা ইতোমধ্যে পূরণ করেছি। বাকি দাবিগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা
করতে প্রস্তুত আছি। রেলতো কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি না, এখানে আলোচনার সুযোগ আছে। রেল
বন্ধের ফলে কিন্তু সরকারের অসুবিধা হচ্ছে না, অসুবিধা সাধারণ যাত্রীদের হচ্ছে। আমরা
চাই এর সমাধান দ্রুত হোক। কারণ সামনে ইজতেমা আছে।
পরিদর্শনকালে বিআরটিসির চেয়ারম্যান
তাজুল ইসলাম বলেন, কমলাপুর ও এয়ারপোর্ট স্টেশনে যাত্রীদের জন্য ১০টি করে মোট ২০টি গাড়ি
প্রস্তুত আছে। প্রয়োজন হলে বাস আরও বাড়ানো হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রেলপথ সচিব মো.
ফাহিমুল ইসলাম, রেলওয়ে ঢাকা বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আরিফ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
বাঁশখালীতে মাছবোঝাই একটি পিকআপের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক
যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার
(১ জুন) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার পিএবি সড়কের মনছুরিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত
মো. বাহাদুর আলম (২৮) কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের জাহিদা ঘোনা
এলাকার বাসিন্দা। তিনি এক সন্তানের জনক এবং চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে
কর্মরত ছিলেন।
আহত
ব্যক্তিরা হলেন, মহেশখালীর মো. নোমান (৩৫), মনি বেগম (২৪) এবং চকরিয়ার বদরখালী এলাকার
মো. হেলাল (২৩)।
বাঁশখালী
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. হেলাল উল্লাহ নূরী বলেন, চারজন
আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হলে একজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। বাকি তিনজনের অবস্থা গুরুতর
হওয়ায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাঁশখালী
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক বলেন, যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজিচালিত
অটোরিকশা চকরিয়ার মগনামা ঘাট থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। পথে মনছুরিয়া এলাকায় মাছবোঝাই
একটি পিকআপের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
তিনি
আরও বলেন, নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের
মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত পিকআপ ও অটোরিকশাটি জব্দ করেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


মেক্সিকোয়
এক নিখোঁজ নারীকে খুঁজতে প্রকাশ করা পোস্টারে অতিরিক্ত ফিল্টারযুক্ত ছবি ব্যবহারের
ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। নিখোঁজ নারীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে নেওয়া ছবিগুলো
এতটাই সম্পাদিত ছিল যে, পরিচিতজনদের অনেকেই পোস্টারে থাকা নারীকে বাস্তবের নারীর সঙ্গে
সহজে মিলিয়ে নিতে পারেননি।
৩০
বছর বয়সী গ্রেসিয়া গুয়াদালুপে ওরান্তেস মেন্দোসা গত ১২ এপ্রিল মেক্সিকোর চিয়াপাস রাজ্যে
নিখোঁজ হন। এরপর তাকে খুঁজে বের করতে দেশটির নিখোঁজ নারীদের সন্ধানে ব্যবহৃত জরুরি
ব্যবস্থা ‘আলবা প্রোটোকল’ চালু করে কর্তৃপক্ষ।
সন্ধান
কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গ্রেসিয়ার ছবি দিয়ে বিভিন্ন সতর্কবার্তা ও পোস্টার প্রকাশ করা
হয়। কিন্তু সেসব পোস্টারে ব্যবহৃত ছবিগুলো ছিল তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত
ফিল্টার দেওয়া ছবি। ফলে ছবিতে তার স্বাভাবিক মুখাবয়বের সঙ্গে বাস্তব চেহারার বেশ পার্থক্য
তৈরি হয়।
নিখোঁজ
হওয়ার কয়েক দিন পর ওকোসোকোয়াউতলা ও জিকিপিলাসের মধ্যবর্তী একটি মহাসড়কের পাশে গ্রেসিয়াকে
জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে জানা গেছে। এতে স্বস্তি ফিরলেও ঘটনাটি সামনে এনেছে গুরুত্বপূর্ণ
একটি প্রশ্ন—নিখোঁজ ব্যক্তিকে শনাক্ত করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সম্পাদিত
ছবি কতটা কার্যকর?
বিশেষজ্ঞদের
মতে, নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে ব্যবহৃত ছবির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত
তার বাস্তব চেহারার সঙ্গে মিল। মুখের গঠন, চোখ, নাক, চুল কিংবা ত্বকের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য
অতিরিক্ত ফিল্টার বা সম্পাদনার মাধ্যমে বদলে গেলে প্রত্যক্ষদর্শীদের জন্য তাকে শনাক্ত
করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে ফিল্টার ব্যবহার এখন অনেকের কাছেই
স্বাভাবিক বিষয়। তবে নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানের মতো পরিস্থিতিতে সেই ছবিই যদি প্রধান
শনাক্তকরণ উপকরণ হয়ে ওঠে, তাহলে অতিরিক্ত সম্পাদনা অনুসন্ধান প্রক্রিয়াকে উল্টো জটিল
করে তুলতে পারে।
গ্রেসিয়ার
ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত সুখবর মিলেছে। তবে ঘটনাটি মনে করিয়ে দিল—সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমের ছবিতে যতটা ‘সুন্দর’ দেখানো যায়, নিখোঁজের সন্ধানে ততটাই
গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে একজন মানুষের বাস্তব চেহারাটি।
মন্তব্য করুন


দেশের ইতিহাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে আজ নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও
খনিজ
সম্পদ
মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য
কর্মকর্তা মীর
মোহাম্মদ আসলাম
উদ্দিন
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, আজ সোমবার (২২
এপ্রিল)
রাত
৯টায়
১৬
হাজার
২৩৩
মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের এ
রেকর্ড
হয়।
আজকের দিনের এর
আগে পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড
ছিল
গতকাল
রবিবার
১৫
হাজার
৬৬৬
মেগাওয়াট।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা
হয়, দেশের ইতিহাসে
বিদ্যুৎ উৎপাদনে
রেকর্ড হয়েছে। এ
সময় ১৬ হাজার
২৩৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
উৎপাদন হয়েছে। বর্তমানে
দেশব্যাপী চলছে
তীব্র দাবদাহ। জনজীবনে
স্বস্তি বজায়
রাখতে এই মুহূর্তে
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ
উৎপাদনে আন্তরিকভাবে
কাজ করে যাচ্ছে
বিদ্যুৎ বিভাগ।
মন্তব্য করুন