

সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির
(এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে তার ৮০০ টাকা পাওনা রয়েছে।
ভাইরাল
হওয়া ভিডিওতে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, আমি এখনো হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে টাকা পাব,
৮০০ টাকা। ভার্সিটিতে গাড়ি নিয়ে বসতাম আমি। এসেই বলতো, ভাই চা খাওয়ান, মামা চা খাওয়ান,
খাওয়াইতাম।
ভিডিওর
আরেক অংশে তিনি হাসনাত আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন অভিযোগ ও সমালোচনামূলক মন্তব্য
করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্টের ঘটনার সময় শেখ হাসিনার বাসভবন থেকে মালামাল
নেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং বর্তমান রাজনীতিতেও এ ধরনের ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ
অবস্থানে রয়েছেন।
তার
ভাষ্যে, সেই চোরের ঘরে চোর ৫ আগস্টে শেখ হাসিনার বাড়ি থেকে বস্তা নিয়ে যায়। ওই চোরের
ঘরে চোরে সংসদে বড় বড় কথা বলে। চোর তো সংসদেই বসে আছে। পবিত্র জায়গাকে অপবিত্র করে
ফেলছে।
তবে
ভিডিওতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এছাড়া হাসনাত আবদুল্লাহ
বা তার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লেও এর বক্তব্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই
করা সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের
ভাঙ্গা উপজেলার ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে তিন
সন্তানসহ এক মা ছিলেন। প্রবাসফেরত ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন তারা। এ ছাড়া নিহত অন্যজন
প্রাইভেট কারের চালক।
নিহতরা
হলেন ঝিকরগাছার উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আরিফ (২৫) ও রাকিব
(১৮), মেয়ে আয়েশা (২৮) এবং স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৫০)। এ ছাড়া প্রাইভেট কারের চালক
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার গৌরীপুর গ্রামের জাহিদ (৩২)। পুলিশ জানিয়েছে, এদের মধ্যে
আরিফ মালয়েশিয়া প্রবাসী। গত রাতে দেশে ফিরলে তাকে আনতে প্রাইভেট কারে নিয়ে যান মা নুরজাহান
বেগম, ভাই রাকিব এবং বোন আয়েশাসহ পরিবারের সদস্যরা। ফেরার পথেই তিন সন্তানসহ নুরজাহানের
মৃত্যু হয়। একই সঙ্গে প্রাইভেট কার চালক জাহিদও প্রাণ হারান। এ ঘটনায় আহত তিন বছরের
শিশু তাসফিয়া ও সাত বছরের শিশু হোসাইন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা নিহত আয়েশার সন্তান।
আজ
মঙ্গলবার ( ০২ জুন ) ভোরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রাম নামক
স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে দুর্ঘটনার পর নিহতের পরিচয় তাৎক্ষণিক জানাতে পারেনি পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুরে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়,
ভোরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয় প্রাইভেট
কারটি।
ঘটনাস্থলেই
প্রবাসী আরিফ, তার মা নুরজাহান, বোন আয়েশা এবং চালকের মৃত্যু হয়। আহত অবস্থায় ফরিদপুর
মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান রাকিব।
আয়েশার
স্বামী ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘আমার স্ত্রীর ভাই আরিফ দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ায় ছিল। গতকাল
আমার শাশুড়ি, আমার স্ত্রী, সন্তান এবং আরিফের ছোট ভাই রাকিব যশোর থেকে একটি প্রাইভেট
কার নিয়ে তাকে আনতে ঢাকা বিমানবন্দরে যায়। বাড়ি ফেরার পথে ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রামে
সড়ক দুর্ঘটনায় আমার স্ত্রী, শাশুড়ি এবং
স্ত্রীর দুই ভাই মারা যান।’
নিহত
চালক জাহিদের ভাই মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমার ভাই গতকাল গাড়ি নিয়ে ঢাকা বিমানবন্দরে
প্রবাসী যাত্রী আনার জন্য গিয়েছিল। সকালে তার মৃত্যুর খবর পাই। এখন লাশ নিয়ে ফিরছি।’
নিহতদের
লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান। তিনি জানান, এ ঘটনায় শিবচর হাইওয়ে থানায় একটি মামলা
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দায়িত্ব
গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মাত্র ১৮ ঘণ্টার এই সংক্ষিপ্ত সফর শেষে চীনের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া ত্যাগ করছেন প্রধানমন্ত্রী।
সোমবার
(২২ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া ত্যাগ করছেন।
এর
আগে গত রোববার (২১ জুন) রাতে সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি
রেগুলার ফ্লাইটে মালয়েশিয়া পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা
রহমান।
বিমানবন্দরে
মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর
এই সফরসঙ্গী দলে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা পদমর্যাদার ১০ জনসহ মোট ২৩ জন অফিশিয়াল
ডেলিগেশন ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, মালয়েশিয়ার এই সফল সফর বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের
ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। মালয়েশিয়ার কর্মসূচি শেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান ও তার প্রতিনিধি দল সরাসরি চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।
চীনেও
দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।
মন্তব্য করুন


সাতক্ষীরা-৪
(শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী
নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি
হয়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর প্রথমে সেটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে তৈরি
বলে দাবি করা হলেও পরে দলটির স্থানীয় নেতারা ভিডিওতে দেখা যাওয়া তরুণীকে এমপির দ্বিতীয়
স্ত্রী বলে দাবি করেন। এমপি গাজী নজরুল ইসলামও একই দাবি করেন। ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তিনি
বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ভিডিওতে থাকা নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। আর এটা স্বামী-স্ত্রীর
সম্পর্ক। এ নিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক চক্রান্ত হচ্ছে।
বিষয়টি
নিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এমপি নজরুল ইসলাম আরও জানান, প্রিয় দেশবাসী, গত
১৩ জুলাই, ২০২৬ তারিখে আমার প্রথমা ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে
আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার ব্যবসায়িক অফিসে যাই। সেখানে আমরা আনুমানিক সোয়া এক
ঘণ্টা অবস্থান করি। আমরা উক্ত অফিসে অবস্থানকালে আমার গাড়িচালক ও আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর
মামা ওবায়দুল্লাহ গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যায়। পরবর্তীতে সে ৫/৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে
নিয়ে আমাদের কক্ষে প্রবেশ করে এবং আমাদের জিম্মি করে ১ লক্ষ টাকা আদায় করে।
এমপি
নজরুল আরও লিখেছেন, আমি চলাচলের জন্য যে ভাড়াকৃত গাড়িটি ব্যবহার করি, ওবায়দুল্লাহর
যোগসাজশে পরবর্তীতে সেটিও আটকে রেখে দফায় দফায় আমাদের কাছে কয়েক লক্ষ টাকা দাবি
করা হয়। আমরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়।
আমি এসময় জানতে পারি, আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর পূর্বশত্রুতা
ও পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এই ষড়যন্ত্রের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
তিনি
লিখেছেন, পরবর্তীতে, হিংসা ও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে ওবায়দুল্লাহ
আমাদের স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ও ফেসবুকসহ বিভিন্ন
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি রাজনৈতিক
উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিওটিকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ঘটনা হিসেবে প্রচার করছে,
যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এমপি
নজরুল বিবৃতিতে লিখেছেন, প্রকৃতপক্ষে, গত ১৭ জুন, ২০২৬ তারিখে পারিবারিকভাবে এবং আমার
প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে তার পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর বাসভবনে
আমাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। ফলে আমাদের বিরুদ্ধে প্রচারিত অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের
কোনো সত্যতা নেই।
তিনি
লিখেছেন, যারা আমাদের সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নৈতিক চরিত্র ক্ষুণ্ন
করার উদ্দেশ্যে এই ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ
তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত
ইউসেফ এস. ওয়াই. রামাদান। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার
অফিসকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে
দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের অনুকূলে ভিসা
ইস্যুকরণ সহজতর করাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করা
হয়।
সাক্ষাৎকালে
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সার্বভৌম রাষ্ট্র
প্রতিষ্ঠার পক্ষে অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়ে আসছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তৎকালীন
সময়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে জোরালো জনমত ও সমর্থন আদায়ে
অত্যন্ত বলিষ্ঠ ও অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের এই
নীতিগত ও নৈতিক সমর্থন সর্বদা অব্যাহত থাকবে।
আলোচনায়
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি ছাত্র-ছাত্রী উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন। তিনি ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের
বাংলাদেশে আগমন ও পড়াশোনা নির্বিঘ্ন করতে অন-অ্যারাইভাল ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষ
সহযোগিতা কামনা করেন। মন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সর্বাত্মক
সহযোগিতা করার জন্য তাৎক্ষণিক নির্দেশনা প্রদান করেন। একইসঙ্গে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি প্রেরণের জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ
জানান।
রাষ্ট্রদূত
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে ফিলিস্তিনের কোনো
নাগরিক বা শিক্ষার্থী বাংলাদেশের ভিসার জন্য আবেদন করলে, তা যথাযথ যাচাইয়ের লক্ষ্যে
আবেদনের একটি অনুলিপি ঢাকাস্থ ফিলিস্তিন দূতাবাসে প্রেরণের অনুরোধ করেন।
এ
সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একটি মুসলিম ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে আমরা ফিলিস্তিনকে
অন্তরের অন্তস্তল থেকে ভালোবাসি ও বিশ্বাস করি। ফিলিস্তিনের নাগরিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ
সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।
সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি প্রগতিশীল ও উদারপন্থি
মুসলিম রাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে আমাদের দেশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের যে কোনো অপচেষ্টা বা অপপ্রচার কঠোর হস্তে
দমন করা হবে।
সাইবার
অপরাধ ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত শনাক্ত করে
আইনানুগ ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা হবে।
বৈঠকে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
পশ্চিম এশিয়া বিষয়ক পরিচালক (ইন চার্জ) ফুয়াদ হাসান পরাগ এবং ঢাকাস্থ ফিলিস্তিন দূতাবাসের
প্রথম সচিব নূর এইচ. ও. আলাইদি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার।।
কুমিল্লাস্থ মনোহরগঞ্জ উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গত শনিবার (১৬ মে) রাতে কুমিল্লা টাউন হলের মুক্তিযোদ্ধা কর্নারে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য ৩৩ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
নতুন কমিটিতে মো. আবুল কালাম আজাদকে (নঈম আজাদ) সভাপতি, অধ্যাপক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলনকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, মো. জসীম উদ্দিন পাটোয়ারীকে সাধারণ সম্পাদক এবং প্রথম আলোর কুমিল্লা প্রতিনিধি মো. আবদুর রহমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, "কুমিল্লাস্থ মনোহরগঞ্জ উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির আজকের অনুষ্ঠান দেখে আমি অভিভূত। মনোহরগঞ্জের এত মানুষ কুমিল্লায় কর্মরত ও বসবাস করেন তা আজ জানতে পারলাম।"
তিনি আরও বলেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলা উন্নয়নের দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। কুমিল্লায় যারা প্রতিষ্ঠিত, তারা সুযোগ পেলেই যেন নিজ এলাকায় ছুটে যান এবং সবাই মিলে উপজেলাকে এগিয়ে নেন। এছাড়া মাদক, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি এবং বাল্যবিয়ে রোধে সকলকে অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সংগঠনের বিদায়ী সভাপতি এ. কে. এম মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. জসীম উদ্দিন, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবদুল হাকিম, সোনালী ব্যাংক পিএলসি-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহজাহান ভূঁইয়া, মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস পাটোয়ারী ও সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ সুলতান খোকন।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুস সালাম। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমিতির সাবেক সভাপতি মো. গোলাম ছরওয়ার মজুমদার, বর্তমান সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট দেওয়ান সামসুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম, কুমিল্লা এভারকেয়ার স্পেশালাইজড হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. বোরহান উদ্দিন প্রমুখ।
সভা শেষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী দুই বছরের জন্য অনুমোদিত পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্যান্য পদের দায়িত্বে আছেন— সহ-সভাপতি: অ্যাডভোকেট দেওয়ান সামসুল হক, মো. বদিউল আলম নাছির, মো. আবদুস ছালাম এবং মো. হারুনুর রশীদ ভূঁঞা। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম, ধীরেন্দ্র কিশোর মজুমদার এবং মো. মোখতার হোসেন। এছাড়া দপ্তর সম্পাদক মো. সেলিম রাজা, অর্থ সম্পাদক মো. ওমর ফারুক, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আশিকুর রহমান রব্বানী, শিক্ষা সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক ইঞ্জি. আবুল কালাম আজাদ, সমাজ ও ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক সাফায়েত হোসেন সজল, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক আবদুল বাশার, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মো. বেলায়েত হোসেন এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক পদে বেগম গুলশান বেগম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন— মো. গোলাম ছরওয়ার মজুমদার, আব্দুল খালেক মোল্লা, সিরাজুল ইসলাম, এ. কে. এম মাসুদুর রহমান, অ্যাডভোকেট আবদুল বাতেন মজুমদার, আমির হোসেন মন্টু, বিল্লাল হোসেন, বেগম তাহমিনা আক্তার ঝর্ণা, মো. নজরুল ইসলাম, বিধান কুমার মজুমদার, মো. ফারুক, মো. তোফায়েল হোসেন এবং মো. আমির হোসেন।
সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মো. গোলাম ছরওয়ার মজুমদারের স্বাক্ষরে এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি চূড়ান্ত করা হয়।
মন্তব্য করুন


জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দ্বিতীয় ধাপে জেলা প্রশাসক , পুলিশ সুপার এবং বিভাগীয় কমিশনারদের প্রশিক্ষণ দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করতেই প্রশিক্ষণের জন্য নতুন করে আগামী ১০ ও ১১ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। ইটিআই-এর মহাপরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠি সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়।
গতকাল ইসি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় পুলিশের গুলিতে
আহত রকিবুল সরদার (৩০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) ভোর ৬টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু
হয়।
নিহত রকিবুল মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার আলীনগর এলাকার দক্ষিণ কামাইপুর
গ্রামের কালু সরদারের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও এলাকা সূত্রে জানা গেছে, রকিবুলের পরিবারে স্ত্রী,
২ মেয়ে, বাবা, ৩ ভাই ও ১ বোন রয়েছে। তিনি ঢাকার উত্তর বাড্ডায় একটি ফার্নিচারের দোকানে
কাজ করতেন। দরিদ্র পরিবারের মাত্র ভরসা ছিলেন তিনি। তার উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল ছিল
পুরো পরিবার।
গত ২০ জুলাই বিকালে উত্তর বাড্ডা এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিল বের
হলে আ. লীগের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ মিছিল দেখতে বাসা থেকে রকিবুল
রাস্তায় বের হয়। এসময় দুই পক্ষের মিছিলের মাঝখানে পড়ে যান তিনি। তখন হঠাৎ পুলিশের একটি
ছোড়াগুলি রকিবুলের পেটের সামনে দিয়ে ঢুকে পিছন দিয়ে বের হয়ে যায়। মুহূর্তেই মাটিতে
লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আজ মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের স্ত্রী শাবনুর বেগম বলেন, আমার স্বামীর ওপর নির্ভরশীল ছিল আমাদের
সংসার। এখন আমাদের সংসার কে চালাবে। আমাদের সব শেষ হয়ে গেল। একটি গুলিতে সব স্বপ্ন
আজ মিথ্যা হয়ে গেল। এখন আমরা কীভাবে বাঁচবো।
নিহতের মামা এইচ এম মশিউর রহমান বলেন, রকিবুল ঢাকায় সোপা কাপড় সেলাইয়ের
কাজ করে তার সংসার চালাতো। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের ধাওয়া পালটা ধাওয়ার মধ্যে
থেকে একটি গুলি এসে লেগে রকিবুলকে শেষ করে দিল। তার সংসারে বাতি আজ নিভে গেল।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
টঙ্গী তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত
হয়। লাখো মুসল্লি এ জুমার নামাজে অংশ নেন।
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদ'র বড়
ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।
বৃহস্পতিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বের
আনুষ্ঠানিকতা।
আজ
লাখো মুসল্লির সঙ্গে শরিক হয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায় করতে সকাল থেকেই চারদিক
থেকে মুসল্লিরা ইজতেমার ময়দানে আসতে শুরু করেন। ময়দানে, সড়ক-মহাসড়ক, খালি জায়গাসহ
বিভিন্ন স্থানে পলিথিন, খবরের কাগজ ও চট বিছিয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।
যানজট
নিয়ন্ত্রণে ও মুসল্লিদের নিরাপত্তায় রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক
হাজার সদস্য।
আজ
বয়ান করেন যারা:
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) ফজরের পরে বয়ান করেন মাওলানা ইলিয়াস বিন সাদ। তার বয়ান বাংলায়
তর্জমা করেন মাওলানা মনির বিন ইউসুফ। জুমার আগে জুমার ফাজায়েল বয়ান করেন মাওলানা
মনির বিন ইউসুফ।
জুমার
পরে বয়ান করবেন- শেখ মোফলে (আরবি) এবং বাংলা তর্জমা করবেন মাওলানা শেখ আব্দুল্লাহ
মনসুর। আসরের পরে বয়ান করবেন মাওলানা মোশাররফ। মাগরিবের পরে বয়ান করবেন মাওলানা ইউসুফ
বিন সাদ। পরে তা বাংলায় তর্জমা করবেন মাওলানা জিয়া বিন কাশেম।
মুসল্লির
মৃত্যু-
বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আয়োজকরা জানান, শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৪ জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
তারা
হলেন, শেরপুর সদর থানার রামকৃষ্ণপুর এলাকার আবুল কালাম (৬৫), নেত্রকোনার কেন্দুয়া
থানার কুতুবপুর এলাকার হেলিম মিয়া (৬৫), দিনাজপুরের
নবাবগঞ্জ থানার শিবনগর এলাকার জহির উদ্দিন (৭০) ও জামালপুরের ইসলামপুর থানার গোয়ালের
চর এলাকার নবীর উদ্দিন (৬৫)।
রোববার
(১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের একটি টিমের ওপর হামলা ও পুলিশের পিকআপ ভাঙচুরের ঘটনায় ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্য।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে কুমিল্লা-ঢাকা মহাসড়কের নিমসার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর জেলা পুলিশের নির্দেশনায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও বুড়িচং থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে।
বুধবার দুপুর সাড়ে ৩টায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান বলেন, মহাসড়কে দায়িত্ব পালনকালে উল্টো পথে চলাচলের দায়ে একটি অটোরিকশা আটক করে হাইওয়ে পুলিশ। এ সময় অটোরিকশা চালক ও স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে পুলিশের বাগ্বিতণ্ডা হয়।
তিনি জানান, একপর্যায়ে অটোরিকশা চালকের ডাকচিৎকারে ১০০ থেকে ১৫০ জনের একটি দল ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় কনস্টেবল ইউসুফ আলী ও রাব্বি ইসলাম আহত হন। একই সঙ্গে পুলিশের একটি পিকআপ ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করা হয়।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, ঘটনার পরপরই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। পরে ডিবি ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং হামলার ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালনরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা কিংবা সরকারি সম্পদের ক্ষতিসাধনের ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের
সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে বর্ষা আক্তার (২০) নামের এক গার্মেন্টসকর্মীর
গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পূর্ব নিমাইকাশারী
এলাকার একটি বাসা থেকে অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
বর্ষা
আক্তার নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার বাজুরবাগ এলাকার বাসিন্দা ও আদমজী ইপিজেডের একটি
পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। তিনি স্বামী মামুনের সঙ্গে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। মামুনের
বাড়ি ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকায়।
পুলিশ
ও নিহত ব্যক্তির স্বজনেরা বলেন, দুই থেকে তিন দিন আগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বর্ষার
শেষবার কথা হয়। এর পর থেকে তাঁর মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। অন্যদিকে কয়েক দিন
ধরে ঘরটির বাইরে তালা ঝুলতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গতকাল সন্ধ্যায় ঘর থেকে দুর্গন্ধ
বের হলে তাঁরা বিষয়টি বর্ষার পরিবার ও পুলিশকে জানায়।
খবর
পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে
পায়। পরে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে বর্ষার মুখ ও পা বাঁধা অবস্থায় অর্ধগলিত গলাকাটা
মরদেহ উদ্ধার করে।
বর্ষার
মা সুলতানা বেগম বলেন, প্রায় দেড় মাস আগে মামুনের প্রথম স্ত্রীকে কেন্দ্র করে বর্ষার
সঙ্গে বিরোধ হয়। এর পর থেকে বাসাটিতে মামুনের আসা-যাওয়া কমে যায়।
সিদ্ধিরগঞ্জ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, বর্ষার স্বামীর কোনো খোঁজ
পাওয়া যাচ্ছে না। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের
মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ
করছে।
মন্তব্য করুন