

সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির
(এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে তার ৮০০ টাকা পাওনা রয়েছে।
ভাইরাল
হওয়া ভিডিওতে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, আমি এখনো হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে টাকা পাব,
৮০০ টাকা। ভার্সিটিতে গাড়ি নিয়ে বসতাম আমি। এসেই বলতো, ভাই চা খাওয়ান, মামা চা খাওয়ান,
খাওয়াইতাম।
ভিডিওর
আরেক অংশে তিনি হাসনাত আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন অভিযোগ ও সমালোচনামূলক মন্তব্য
করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্টের ঘটনার সময় শেখ হাসিনার বাসভবন থেকে মালামাল
নেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং বর্তমান রাজনীতিতেও এ ধরনের ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ
অবস্থানে রয়েছেন।
তার
ভাষ্যে, সেই চোরের ঘরে চোর ৫ আগস্টে শেখ হাসিনার বাড়ি থেকে বস্তা নিয়ে যায়। ওই চোরের
ঘরে চোরে সংসদে বড় বড় কথা বলে। চোর তো সংসদেই বসে আছে। পবিত্র জায়গাকে অপবিত্র করে
ফেলছে।
তবে
ভিডিওতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এছাড়া হাসনাত আবদুল্লাহ
বা তার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লেও এর বক্তব্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই
করা সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রেসিডেন্ট ও ডা. জুবাইদা রহমানকে ভাইস প্রেসিডেন্ট করে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) এর বোর্ড অব ডাইরেক্টরস কমিটি গঠন করা হয়।
আজ বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিএনপির ফেসবুক পেইজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) গঠনতন্ত্র মোতাবেক কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির পরিবর্তে নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি বোর্ড অব ডাইরেক্টরস কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির
তালিকা-
• তারেক রহমান (প্রেসিডেন্ট)
• ডা. জুবাইদা রহমান (ভাইস প্রেসিডেন্ট)
• অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর
• অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান ডাইরেক্টর (এডমিন)
• অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম ডাইরেক্টর (ফাইন্যান্স)
• ডা. সৈয়দা তাজনীন ওয়ারিস সিমকী ডাইরেক্টর (প্ল্যানিং)
ডাইরেক্টর
(প্রোগ্রাম)
• ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ
• ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন
• প্রকৌশলী মো. মাহবুব আলম
• কৃষিবিদ ড. খন্দকার মাহফুজুল হক বাচ্চু
• অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান
• অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী
• আমিরুল ইসলাম কাগজী
ডাইরেক্টর
• ব্যারিস্টার জাইমা রহমান
• অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম
• কৃষিবিদ আনোয়ারুননবী মজুমদার বাবলা
• কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম
• ব্যারিস্টার মীর হেলাল
• অধ্যাপক ড. শেখ মনির উদ্দিন
• প্রকৌশলী একেএম জহিরুল ইসলাম
• কৃষিবিদ শফিউল আলম দিদার
• প্রকৌশলী উমাশা উমায়ন মনি চৌধুরী
• সাংবাদিক হাফিজ আল আসাদ সাঈদ খান।
মন্তব্য করুন


যেখানেই অন্যায়, সেখানেই প্রতিবাদ করুন।
আগামী দিনে কেউ যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করে, অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি করে ও সুদ, ঘুষ
ও মাদকের সাথে জড়িত থাকে তাহলে তার গঠনমূলক প্রতিবাদ করুণ। সরাসরি না হলে সামাজিক যোগাযোগের
মাধ্যমে করুন। এটি না করলে আবারও দেশে একই সংস্কৃতি তৈরি হবে বলে জানান সমন্বয়ক সারজিস
আলম।
রবিবার (২০ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় সরকারি
বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এসব কথা বলেন তিনি।
সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, ‘প্রতিবাদ
করতে গিয়ে যদি আপনারা কোনো সমস্যার সম্মুখীন হন পুরো বাংলাদেশে আপনাদের জন্য ফাইট করতে
যা যা করা দরকার আমরা তা করব। তবে গুজবে কান দেওয়া যাবে না। বিগত ১৬ বছরে দেশের পরিস্থিতি
নিয়ে, রাজনীতি ও প্রশাসন নিয়ে কথা বলতে অনেকবার ভাবতে হত। আন্দোলনে অংশ নেওয়া কারো
হাত নেই কারো পা নেই। কেউ আর কখনো পৃথিবীর আলো দেখবে না। কেউ কোনোদিন আর হাঁটতে পারবে
না। শহীদের সংখ্যা দুই হাজারেরও বেশি। আহতের সংখ্যা প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার। জনগণের
সরকার ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য জনগণের ওপর অত্যাচার করতে পারে না। কিন্তু জনগণের চেয়ে
তাদের কাছে ক্ষমতার মূল্যটা অনেক বেশি ছিল।
এ ছাড়া ভালোভাবে পড়াশুনা করা ও প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার আগে স্মার্ট ফোন ব্যবহারে সতর্ক
হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় বক্তব্য প্রদান করেন, বিদ্যালয়ের
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খায়রুল আনাম মো. আফতাবুর রহমান হেলালী, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক
শহীদুল ইসলাম, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন পঞ্চগড়ের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী। পরে পঞ্চগড়
বিপি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিয়ম করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল মাঠে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় পর্দায় ফুটবল খেলা দেখার চমৎকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন চৌদ্দগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাৎ হোসেন। তাঁর এই দ্রুত ও প্রশংসনীয় উদ্যোগের ফলে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও যুবসমাজের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি চৌদ্দগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল মাঠ পরিদর্শনে যান। ঐ সময় মাঠে থাকা ফুটবলপ্রেমী তরুণেরা ইউএনও মহোদয়কে কাছে পেয়ে একসাথে বড় পর্দায় খেলা দেখার জন্য একটি প্রজেক্টরের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আবদার জানান।
তরুণদের এই সুস্থ বিনোদন ও ক্রীড়ামুখী আবেগকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন ইউএনও শাহাদাৎ হোসেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে প্রজেক্টর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
মুখের কথার মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকেনি এই প্রতিশ্রুতি; পরিদর্শনের ঠিক পরদিনই প্রজেক্টরের সম্পূর্ণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। বর্তমানে চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুলে ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ দলবেঁধে, আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে বড় পর্দায় ফুটবল খেলা উপভোগ করছেন।
ইউএনও মহোদয়ের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে স্থানীয় তরুণ ও ফুটবলপ্রেমীরা বলেন, "আমাদের ছোট একটা আবদারকে ইউএনও স্যার এত দ্রুত মূল্যায়ন করবেন তা ভাবিনি। প্রজেক্টরের ব্যবস্থা হওয়ায় আমরা সবাই মিলে খেলার আসল আনন্দ উপভোগ করতে পারছি। আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।"
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, যুবসমাজকে মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রেখে মাঠমুখী করতে এবং সুস্থ বিনোদনের সুযোগ তৈরি করে দিতেই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের
দাম ১ হাজার ৩৭৭ টাকা থেকে ৪৪ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ এনার্জি
রেগুলেটরি কমিশন নতুন এ দাম ঘোষণা করে। সিলিন্ডারের নতুন দাম সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর
হবে।
এর আগে ভোক্তাপর্যায়ে আগস্ট মাসের জন্য
১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম জুলাই মাসের তুলনায় ১১ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৭৭ টাকা
নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর আগের মাসে এ দাম বাড়ানো হয়েছিল ৩ টাকা। সে সময় ১২ কেজির সিলিন্ডারের
দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৩৬৬ টাকা।
প্রতি মাসে এলপি গ্যাসের দাম বাজার
অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এ দাম নির্ধারণ করে।
মন্তব্য করুন


প্রায় ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা সেবা শুরু হয়েছে। চিকিৎসকদের কর্মবিরতির জেরে এ দীর্ঘসময় সেবা বন্ধ ছিলো ।
চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় তাই হাসপাতালে সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়।
চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় হাসপাতালে ২ প্লাটুন বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। হাসপাতালে আসা রোগীদের সঙ্গে দুইজন প্রবেশ করতে পারবেন। নিরাপত্তার স্বার্থে হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজন ও দর্শনার্থীদের তল্লাশি করে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। লাঠি, ধারালো অস্ত্র বা জীবনহানি হয় এমন কোনো জিনিস নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
রাতে ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে গিয়ে দেখা যায়, চিকিৎসকরা হাসপাতালে আসা রোগীদের সেবা দেওয়া শুরু করেছেন। হাসপাতালে আসা রোগীরা টিকিট কেটে জরুরি বিভাগে গিয়ে ডাক্তার দেখাতে পারছেন।
জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক জানান, শর্ত সাপেক্ষে আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাসে সেবা দেওয়া শুরু করেছি। আমাদের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি দাবি জানানো হয়েছে এবং মূল দাবি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকদের মারপিট করা দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি আমাদের নিরাপত্তায় হাসপাতালে সেনাবাহিনী এবং বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। আশা করব, এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে।
প্রসঙ্গত
যে, গতকাল শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের অবহেলায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি
অব বিজনেস টেকনোলজির (বিইউবিটি) শিক্ষার্থী আহসানুল হক দীপ্তর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে।
পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের তিন চিকিৎসককে মারধরের ঘটনা
ঘটে। এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দেন চিকিৎসকরা।
এরই জেরে আজ দিনভর জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন ঢামেকের চিকিৎসকরা।
মন্তব্য করুন


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ২০২৩ সালের লিখিত পরীক্ষা আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত।
সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৩এর প্রথম গ্রুপের (রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ) আওতাধীন জেলাসমূহের লিখিত পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত জানান, সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ সংক্রান্ত সকল প্রকার সামগ্রী ইতোমধ্যে জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন জানান, তিনটি বিভাগের ১৮টি জেলায় (রংপুর ৮, বরিশাল ৬, সিলেট ৪) এবারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৭ জন। কেন্দ্রের সংখ্যা ৫৩৫টি ও কক্ষের সংখ্যা ৮ হাজার ১৮৬টি।
পরীক্ষা সংক্রান্ত জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের ০২৫৫০৭৪৯৬৯ নাম্বারে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে।
মন্তব্য করুন


ই-পাসপোর্ট পরিষেবায় পুলিশ ভেরিফিকেশন পদ্ধতি বাতিল করা
হয়েছে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এক পরিপত্র জারির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
সুরক্ষা সেবা বিভাগ। এর মাধ্যমে এখন থেকে কোনো প্রার্থীকে তার জাতীয় পরিচয়পত্র বা ন্যাশনাল
আইডি (এনআইডি) কার্ডে থাকা তথ্য অনুযায়ী সরাবরাহ করা হবে ই-পাসপোর্ট।
এদিকে
অপ্রাপ্তবয়স্ক ও প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের অধিকাংশ সময়ই জাতীয় পরিচয়পত্র করার সুযোগ
থাকে না। এ জন্য এই দুই শ্রেণির নাগরিকদের পাসপোর্টের ক্ষেত্রে তাদের আবেদন নিরীক্ষার
মাপকাঠি হবে অনলাইনে নিবন্ধনকৃত জন্ম নিবন্ধন সনদ। এবার তাহলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ছাড়া
ই-পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া জেনে নেয়া যাক।
কাদের জন্য কোন নথি
প্রয়োজন
ই-পাসপোর্ট পেতে আবেদনকারীদের বয়স
অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথি দিতে হবে:
১৮ বছরের নিচে: অনলাইনে নিবন্ধিত জন্ম নিবন্ধন সনদ (BRC,
ইংরেজি ভার্সন)।
১৮-২০ বছর: এনআইডি কার্ড বা
অনলাইনে নিবন্ধিত জন্ম নিবন্ধন সনদ (BRC, ইংরেজি ভার্সন)
২০ বছরের বেশি: শুধুমাত্র এনআইডি কার্ড। তবে বিদেশি
মিশনের মাধ্যমে আবেদনকারীরা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ জমা দিতে পারবেন।
শিশুদের ক্ষেত্রে: পিতা-মাতার এনআইডি কার্ড।
ঠিকানার প্রমাণ: সাম্প্রতিক ইউটিলিটি বিল (গ্যাস, বিদ্যুৎ
বা পানি)।
বিশেষ পরিস্থিতি: দত্তক বা অভিভাবকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের অনুমোদন।
পেশাভিত্তিক প্রয়োজনীয় নথি
ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার: সংশ্লিষ্ট কারিগরি
সনদপত্র।
শিক্ষার্থী: সর্বশেষ শিক্ষাগত
যোগ্যতার সনদ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র/স্টুডেন্ট আইডি
বেসরকারি চাকরিজীবী: প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক প্রত্যয়নপত্র।
সরকারি চাকরিজীবী: সরকারি আদেশ (জিও), অনাপত্তি পত্র (এনওসি),
প্রত্যয়নপত্র, পিআরএল অর্ডার বা পেনশন বই।
কৃষক: জমির পর্চা।
ব্যবসায়ী: ট্রেড লাইসেন্স।
আবেদনের সময় জমা দিতে হবে
বায়োমেট্রিকের জন্য
নির্ধারিত সময়সহ আবেদনপত্রের সারাংশ (প্রিন্ট কপি)।
অনলাইনে নিবন্ধিত পূর্ণ
আবেদনপত্র (প্রিন্ট কপি)।
পাসপোর্ট ফি জমার রশিদ।
৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য
ল্যাব-প্রিন্টেড সদ্য তোলা ছবি (গ্রে ব্যাকগ্রাউন্ডে)।
ধারাবাহিকভাবে
ই-পাসপোর্টের আবেদনের নিয়ম :
অনলাইনে আবেদন ফর্ম পূরণ : প্রথমেই ইন্টারনেট ব্রাউজার
ওপেন করে সরাসরি www.epassport.gov.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। তারপর
‘অ্যাপ্লাই অনলাইন’ ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। এবা আঞ্চলিক ই-পাসপোর্ট কার্যালয় নির্ধারণ
করতে হবে। স্ক্রিনে ড্রপ ডাউন লিস্ট থেকে প্রার্থীর অবস্থানরত জেলা ও থানার নাম নির্বাচন
করতে হবে। ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অধিভুক্ত ই-পাসপোর্ট কার্যালয়ের নাম নির্ধারিত হবে।
এছাড়া
আলাদাভাবে নিকটস্থ ই-পাসপোর্ট কার্যালয় চেনার জন্য প্রবেশ করতে পারেন এই লিঙ্কে- https://dip.gov.bd/site/page/4d4ea063-50df-46ee-a326-492d8ef2dbb0/-।
পাসপোর্ট
অফিস নির্ধারণের পর ই-পাসপোর্ট অনলাইন নিবন্ধন পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এ জন্য
প্রয়োজন একটি ই-মেইল ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন ও মোবাইল নম্বর দিয়ে
একটি ব্যতিক্রম পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে। তারপর অ্যাকাউন্ট খোলা হলে পরবর্তীতে ই-মেইল
বা মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে পারবেন।
আবেদন
ফর্মের প্রতিটি তথ্য অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী উল্লেখ করতে হবে। ন্যূনতম তারকা
চিহ্নিত তথ্যগুলো অবশ্যই সফলভাবে প্রদানের পর পাসপোর্ট ফি প্রদানের অপশন আসবে। ফি তাৎক্ষণিকভাবে
অনলাইনে পরিশোধ করা হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রশিদ নম্বর সংযুক্ত হবে। পরবর্তীতে বায়োমেট্রিক
নিবন্ধনের জন্য দিনক্ষণ নির্ধারণ করতে হবে। স্ক্রিনে প্রদর্শিত ক্যালেন্ডার থেকে উপলব্ধ
তারিখগুলো থেকে পছন্দসই একটি তারিখ নির্ধারণ করতে পারবেন প্রার্থী। এরপরই চূড়ান্ত পর্যায়,
যেখানে সাবমিট সম্পন্ন করার পর অ্যাপয়েনমেন্টসহ পুরো আবেদনের একটি সামারি প্রদর্শিত
হবে। এই সামারি এবং সাবমিটকৃত পুরো অনলাইন নিবন্ধনের প্রিন্ট কপি অন্যসব কাগজপত্রের
সঙ্গে সংযুক্তি হিসেবে জমা দিতে হবে।
ই-পাসপোর্ট ফি পরিশোধ: ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করে
ফি পরিশোধের জন্য পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের অনুমোদিত কিছু পেমেন্ট সিস্টেম রয়েছে।
এসব হচ্ছে- ভিসা, মাস্টার ও অ্যামেরিকান এক্সপ্রেস কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেট, ইউপে,
ডিমানি, ওকে ওয়ালেট এবং এমবিএল রেইন্বো। আর অনুমোদিত ব্যাংকগুলো হচ্ছে- ব্যাংক এশিয়া,
ব্র্যাক ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, আরব-বাংলাদেশ
ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক এবং মিডল্যান্ড ব্যাংক।
৫ বছর ও ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট আবেদনের খরচ: পাসপোর্ট বইয়ের পৃষ্ঠা, পাসপোর্টের
মেয়াদ ও বিতরণের সময়সীমার ভিত্তিতে ফি ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। মূলত রেগুলার, এক্সপ্রেস
এবং সুপার এক্সপ্রেস, এই তিন ক্যাটাগরিতে সরবরাহ করা হয় ই-পাসপোর্ট।
অধিকতর
দ্রুত সময়ে পাসপোর্ট পাওয়ার মাধ্যম হচ্ছে সুপার এক্সপ্রেস মাধ্যম। এতে বায়োমেট্রিক
সংগ্রহের তারিখ থেকে মাত্র ২ কার্যদিবসের পাসপোর্ট পাওয়া যায়। এক্সপ্রেস ক্যাটাগরিতে
বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের তারিখ থেকে ৭ থেকে সর্বোচ্চ ১০ কার্যদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া
যায়। আর রেগুলার ক্যাটাগরিতে সর্বাধিক সময়সীমা লাগে, যেখানে বায়োমেট্রিক প্রদানের দিন
থেকে ন্যূনতম ১৫ কার্যদিবস বা ২১ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়।
আবেদনপত্রসহ নথিপত্র জমা ও বায়োমেট্রিক নিবন্ধন প্রক্রিয়া: উল্লেখিত সব কাগজপত্র
নিয়ে পূর্বনির্ধারিত দিন উপস্থিত থাকতে হবে পাসপোর্ট অফিসে। এদিন আবেদনকারীর ছবি তোলা,
হাতের আঙুলের ছাপ নেয়া হয়। বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়ার জন্য ছবি উঠাতে প্রার্থীকে অবশ্যই
রঙিন পোশাক পরে আসতে হবে পাসপোর্ট অফিসে। সব কাজ শেষে প্রার্থীকে বিতরণের সম্ভাব্য
তারিখ সম্বলিত একটি স্লিপ দেয়া হবে। স্লিপটি আবেদনকারীর বায়ো নিবন্ধনের প্রমাণপত্র,
এ জন্য এটি পাসপোর্ট সংগ্রহের দিন অবশ্যই সঙ্গে করে নিয়ে আসতে হবে।
অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা যাচাইয়ের উপায়: বায়ো নিবন্ধনের দিন
থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহের সম্ভাব্য দিনটির আগে পাসপোর্ট আবেদনের অবস্থা অনলাইনের মাধ্যমে
যাচাই করা যায়। এ ক্ষেত্রে পাসপোর্ট কোন প্রক্রিয়ায় রয়েছে, তা দেখা থেকে শুরু করে পাসপোর্ট
প্রিন্ট এবং তা সরবরাহ করার জন্য প্রস্তুত কিনা, সেটিও দেখা যায়। এ জন্য প্রবেশ করতে
হবে এই লিঙ্কে- https://www.epassport.gov.bd/authorization/application-status- লিঙ্কে।
পাসপোর্ট
অফিস থেকে দেয়া বিতরণ স্লিপে ১৩ সংখ্যার একটি অ্যাপ্লিকেশন আইডি রয়েছে। আবেদনের বর্তমান
অবস্থা যাচাইয়ের জন্য এই আইডি বা আবেদন ফর্মে থাকা ওআইডি (অনলাইন রেজিস্ট্রেশন আইডি)
ব্যবহার করতে হবে।
আগে
বায়োমেট্রিক দেয়ার কিছুদিন পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আবেদনকারীকে ফোন করা হতো। কিন্তু
এখন থেকে এই কার্যক্রম থাকছে না। ই-পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য একদম প্রস্তুত হলে যথারীতি
আবেদনপত্রে উল্লেখিত ফোন নম্বর ও ই-মেইলে নির্দিষ্ট তারিখ সম্বলিত বার্তা পাঠানো হবে।
আর সেই তারিখে বিতরণ স্লিপ ও জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে
হাজির হতে হবে।
মন্তব্য করুন


ভারতের
বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত মুম্বাইয়ে অল্পের জন্য বড় ধরনের এক ট্র্যাজেডি এড়াতে
সক্ষম হয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। গত শুক্রবার (২৬ জুন) তাজিয়া মিছিলে বিষাক্ত ক্যাপসুল
বিতরণের সময় পুলিশ হাতেনাতে এক ব্যক্তিকে আটক করে। পরে ফাইয়াজ প্রেমজি নামের ওই ব্যক্তি
জানায়, মিছিলে বিষাক্ত ক্যাপসুল বিতরণ করে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল তার।
পুলিশ
সূত্রে জানা যায়, মুম্বাইয়ের বাইকুল্লা এলাকায় তাজিয়া মিছিলের সময় ফাইয়াজের দেয়া ক্যাপসুল
সেবন করে প্রায় ডজনখানেক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে পরীক্ষায় দেখা যায়, ক্যাপসুলগুলোতে
জিঙ্ক ফসফাইড ছিল, যা ইঁদুর মারার বিষ ও অন্যান্য রোডেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত অত্যন্ত
প্রাণঘাতী রাসায়নিক। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ফাইয়াজ জিজ্ঞাসাবাদে হাজারও মানুষকে
বিষপ্রয়োগে হত্যার পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন। শনিবার (২৭ জুন) স্থানীয় আদালত
তাকে দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছেন।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, রেয়ে রোডের রেহমতাবাদ কবরস্থানের কাছে
আশুরার শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ফাইয়াজকে ক্যাপসুল বিতরণ করতে দেখা যায়।
ভিড়ের সুযোগ নিয়ে সেগুলোকে ব্যথানাশক ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিকারী ওষুধ বলে প্রচারের
চেষ্টা করেন তিনি। সূত্র জানায়, অন্তত ১১ জন ওই ক্যাপসুল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
তাদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সবাই আশঙ্কামুক্ত। আক্রান্তদের
একজন সালমান সাইয়েদ ক্যাপসুল খাওয়ার পর পেটব্যথা ও বমির অভিযোগ করেন।
পুলিশের
উপকমিশনার (ডিসিপি) জয়ন্ত মীনা জানান, ক্যাপসুলে জিঙ্ক ফসফাইড মিশিয়েছিল ফাইয়াজ।
এ ধরনের ক্যাপসুল বিতরণের জন্য তার প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছিল না। দ্রুত অভিযান চালিয়ে
পুলিশ অভিযুক্তের কাছে থাকা বিপুল পরিমাণ ক্যাপসুল জব্দ করে। জব্দ করা ক্যাপসুলের সংখ্যা
ছিল অন্তত ১৪ হাজার ৯০০টি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক
ক্যাপসুল বিতরণ করা হয়েছিল। আরও ৩০ হাজার খালি ক্যাপসুল এবং ৫০ কেজি ফসফরাসের অর্ডার
দিয়েছিল ফাইয়াজ।
পুলিশ
সূত্রে জানা গেছে, সেদিন তিন নারী স্বেচ্ছাসেবকের তৎপরতায় হাজারও মানুষের জীবন রক্ষা
পেয়েছে। তাদের একজন প্রথমে অভিযুক্তকে সন্দেহজনকভাবে ক্যাপসুল বিতরণ করতে দেখে। এরপর
তারা দ্রুত তাকে বাধা দিয়ে পুলিশকে খবর দেন। একই সঙ্গে লাউডস্পিকারে ঘোষণা দিয়ে সবাইকে
ওই ক্যাপসুল না খাওয়ার অনুরোধ করা হয়।
পুলিশ
জানিয়েছে, তাজিয়া মিছিলে অংশ নেয়া হাজারো মানুষকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এই পরিকল্পনা
করেছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন ফাইয়াজ। পুলিশকে তিনি বলেন, ‘আমি অন্তত ১৫
হাজার মানুষকে হত্যা করতে চেয়েছিলাম।’
তার
বিরুদ্ধে বাইকুল্লা থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১২৩ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ধারায় বিষ বা অনুরূপ উপায়ে ক্ষতি সাধনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায়কে শাস্তিযোগ্য
অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফাইয়াজের এই পরিকল্পনার পেছনে কোনও সন্ত্রাসী সংগঠনের
যোগসাজশ আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমাদের লড়াই এখনো চলমান রয়েছে। আমরা
অবশ্যই আমাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করব এবং মাতৃভূমিকে নতুন করে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু
করে দাঁড় করাব।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় যুব
পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জাতীয় যুব দিবস- ২০২৪ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে যুব ও ক্রীড়া
মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।
উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের তরুণ, যুবক ও ছাত্ররা
জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পৃথিবীকে একটি নতুন পথ দেখিয়েছেন। পুরো পৃথিবী এখন দেখতে
চায়, এই তারুণ্য, এই যুবশক্তি বাংলাদেশকে এরপর কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। আমরা আশাবাদী। আমরা
বলি, তারুণ্য হবে দেশের চালিকাশক্তি। আমরা বলেছিলাম বৈষম্যহীন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন
আমরা দেখছি। সেই স্বপ্ন আজ বাংলাদেশের সবাই দেখছে। এবং তরুণদের এ স্বপ্ন বাংলাদেশে
পূরণ হবে, সেটিই সবার প্রত্যাশা। যুব অধিদপ্তর এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অনেক
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। আমরা আশা করব, নতুন বাংলাদেশে সেই ভূমিকা তারা পালন করবে।তরুণরা
বাংলাদেশকে নতুন করে পথ দেখিয়েছেন। ফলে বাংলাদেশের সব ক্ষেত্রে তরুণরা নেতৃত্বে আসবেন,
সেটিই সবার প্রত্যাশা। রাজনীতি, সমাজ, অর্থনীতি সব কিছুতেই তরুণরা নেতৃত্বে আসার জন্য
প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যে প্রজন্ম রক্ত দিয়েছে, স্বপ্ন দেখিয়েছে, সেই প্রজন্ম স্বপ্নও
পূরণ করতে পারে, তা প্রমাণ করতে হবে। আমাদের এ সামষ্টিক অগ্রযাত্রায় সবার সহযোগিতা
পাব, সবাই তরুণদের জায়গাটি করে দেবেন, আমাদের এমন প্রত্যাশা থাকবে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদীর সভাপতিত্বে
ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান স্বাগত বক্তব্য
দেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম
ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে সফল যুব উদ্যোক্তাদের
হাতে পদক তুলে দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


সারা
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরো ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ১ হাজার ৪৩৪ জনের
শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।
রবিবার
(২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গেই ১৬ জন মারা গেছে।
হামের উপসর্গে ঢাকায় সর্বোচ্চ ১০, ময়মনসিংহে ২ এবং রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল ও সিলেটে
একজন করে মারা গেছে।
এতে
আরো বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে রবিবার পর্যন্ত এ নিয়ে সন্দেহজনক হাম রোগে মোট ৪৪২ জন
ও নিশ্চিত হামে ৮৬ জন মারা গেছে।
একই
সময়ে সারা দেশে হাম সন্দেহে ৫০ হাজার ৫৫৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ
পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৪৬ হাজার ২১৪ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন