

বিশ্বের
অন্যতম বিরল ও দামি কফি ‘ব্ল্যাক আইভরি’ কিভাবে সাধারণ কফির তুলনায় কম তেতো
এবং মোলায়েম স্বাদের হয়, তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সামনে এসেছে। জাপানের ইনস্টিটিউট অব
সায়েন্স, টোকিওর গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই কফির স্বাদের পেছনে রয়েছে এশীয় হাতির পাচনতন্ত্রে
থাকা বিশেষ ধরনের ব্যাকটেরিয়া।
থাইল্যান্ডের
একটি হাতি অভয়ারণ্যে তৈরি হয় এই কফি। সেখানে হাতিদের আরাবিকা কফি চেরি খাওয়ানো হয়,
যার পর হাতির মল থেকে কফির বীজ সংগ্রহ করে পরিষ্কার ও ভাজা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে,
কফি চেরি খাওয়া হাতিদের অন্ত্রে পেকটিন ভাঙতে সক্ষম ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বেড়ে যায়।
পেকটিন হলো কফির বীজে থাকা একটি প্রাকৃতিক উপাদান, যা ভাজার সময় ভেঙে গেলে কফি তেতো
হয়। কিন্তু হাতির অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া পেকটিন কমিয়ে দেয়ার ফলে কম তেতো স্বাদ তৈরি
হয় এবং কফি হয়ে ওঠে মোলায়েম ও মৃদু।
গবেষণার
সহলেখক সহযোগী অধ্যাপক তাকুজি ইয়ামাদা বলেন, হাতির অন্ত্রের জীবাণুসমষ্টি কফির স্বাদের
গুণগত মানে কীভাবে প্রভাব ফেলে, তা বোঝার জন্য আমাদের এই গবেষণাটি একটি সম্ভাব্য দিক
নির্দেশ করেছে। ভবিষ্যতে কফি বীজের আগে ও পরে রাসায়নিক বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট
হবে।
এছাড়া,
গবেষণায় দেখা গেছে, কফি চেরি খাওয়া হাতিদের অন্ত্রে জীবাণুর বৈচিত্র্য বেশি থাকে, যা
পেকটিন ভাঙার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
গবেষকরা
বলছেন, এই ফলাফল প্রাণীর পাচন প্রক্রিয়া ও অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া খাবারের স্বাদ বদলে
দিতে পারেএটি কেবল কফি নয়, ভবিষ্যতে নতুন ধরনের কফি বা অন্যান্য গাঁজন করা খাবার তৈরির
ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।
মন্তব্য করুন


ইতালি প্রবাসী ফুটবলার ফাহমিদুল ইসলামকে প্রাথমিক ক্যাম্পে ডেকেও দেশে আনা হয়নি। এ নিয়ে দেশের ফুটবলে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে আর সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হওয়া এ ক্ষোভ গড়িয়েছে আন্দোলনেও।
এমন পরিস্থিতিতে
রাজধানীর নগর ভবনে আজ দুপুর আড়াইটায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ
মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ ফুটবলের নতুন সম্ভাবনা
হামজা চৌধুরী। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত হয়ে চলমান সঙ্কট নিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টার
সঙ্গে আলোচনায় বসেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল।
এসময় ক্রীড়া উপদেষ্টা
সমর্থকদের পক্ষ থেকে আসা অভিযোগ সম্পর্কে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘ফুটবল ফেডারেশনে
সিন্ডিকেট করার কোনো সুযোগ নেই। যোগ্যতা অনুযায়ী সবাই যার যার জায়গা করে নেবে, এমন
কোন কিছুর আভাস মিললে ব্যবস্থা নেবে ফেডারেশন। ফাহমিদুলকে আমরা বাদ দিয়ে দেইনি। তবে
ওকে আমরা আরও সময় দিতে চেয়েছি। আগামী জুনেই ঘরের মাঠে বাংলাদেশের ম্যাচ রয়েছে,
খুব শিগগিরই হয়তো তাকে আমরা মাঠে দেখতে পারি। সমর্থকদের এতটুকু বলবো, হতাশ হওয়ার
কিছু নেই।
আন্দোলনের
সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, স্বজনপ্রীতি ও সিন্ডিকেটের কারণেই নেওয়া হয়নি ফাহমিদুলকে।
আলোচনায় সিন্ডিকেট নিয়ে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আনা অভিযোগ এবং ফাহমিদুলের বাদ পড়া প্রসঙ্গে ক্রীড়া
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দেশের স্বার্থেই যোগ্য খেলোয়াড়দের বঞ্চিত করার কোনো
সুযোগ নেই। প্লেয়ার সিলেকশনে যেনো স্বজনপ্রীতি বা সিন্ডিকেটের শিকার কেউ না হোন সে
বিষয়ে বাফুফেকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এ বিষয়ে দুর্নীতির প্রমাণ পেলে জড়িতদের
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার। ’
যে কোনো সঙ্কট
মোকাবিলায় বাফুফেকে আরো সুদৃঢ় পদক্ষেপ নিয়ে দেশের ফুটবলকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার
আহ্বান জানান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আলোচনায় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের প্রতি আধুনিক ধারার দৃষ্টিভঙ্গি এবং আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসার প্রয়াসকে প্রশংসিত করে ক্রীড়া উপদেষ্টাকে সাধুবাদ জানান হামজা। বাংলাদেশ ফুটবলকে নিয়ে নতুন সম্ভাবনার কথা শুনিয়ে হামজা চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসায় আমি আপ্লুত, দেশের ফুটবলকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমার আপ্রাণ চেষ্টা থাকবে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা -৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে জামায়তে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য, ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. মোবারক হোসাইন বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হচ্ছে দুর্নীতি। এটা যদি আমরা বন্ধ করে দিতে পারি অটোমেটিক দেখবেন বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। কারণ হচ্ছে আমাদের দেশে রিসোর্সের অভাব নাই। আমরা কাজে লাগাতে পারছি না। মাটির নিচেও রিসোর্স আছে, মাটির উপরেও আছে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার নাগাইশ এলাকায় উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মোবারক বলেন, মাদক নির্মূল করা সময়ের ব্যাপার মাত্র। এটা ৫৪ বছরে কেউ পারেনি। আমরা পারব ইনশাআল্লাহ। যারা নিজেরা মাদকের সাথে জড়িত তারা কী মাদকমুক্ত করবে? সেটি সম্ভব না। মাদক মুক্ত করতে হলেমাদক মুক্ত ব্যক্তির দরকার। আমরা চাই এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে। তরুণরা যেন এলাকায় খেলাধুলা করতে পারে। আমার লক্ষ্য হলো ব্রাহ্মণপাড়ায় একটি বুড়িচংয়ে একটি মিনি স্টেডিয়াম করা।
শিবিরের সাবেক এই সভাপতি বলেন, আমরা যদি আমাদের তরুণদেরকে কাজে লাগাতে পারি, তাহলে আমরা অনেক এগিয়ে যেতে পারবো। সারা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তরুণ হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশে। তাদের যদি সুন্দর কর্মসংস্থান করতে পারি। আগে বিএনপি করলে, জামায়াত করলে তার চাকরি ছিল না। এদেশে অসংখ্য শিক্ষিত বেকার রয়েছে। রাজনৈতিক বিষম্যের শিকার হয়ে তারা চাকরি পায়নি। ইনশাআল্লাহ আমরা তাদের ধরে ধরে চাকরির ব্যবস্থা করব।
তিনি আরও বলেন, আজকের সকল জায়গায় একটা স্লোগান দাঁড়িপাল্লা। আজকের দুই বছর একটি শিশুও আমাদেরকে দেখলে দাঁড়িপাল্লা বলে। তারমানে তার ভেতর থেকে উজ্জীবিত হচ্ছে। গতকাল এক হিন্দু ভাই আমাকে বলেছেন, মাধবপুর কেন্দ্রে পাস করার জন্য আপনি আসা লাগবে না আমি একাই যথেষ্ট। আমার ৭৮০ টা ভোট আছে হিন্দু পুরোটাই আপনি পাবেন। এক টাকাও খরচ করা লাগবে না। মানুষের মধ্যে একটা উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য আমাদেরকে আগামী দিনে শক্ত থাকতে হবে।
এসময় ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নায়েবে আমীর শাহজালাল, ছাত্র শিবিরের বুড়িচং উপজেলা সভাপতি বর্তমান সৌদি প্রবাসী রাকিবুল হাসান, প্রবাসী জসিমউদ্দীনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


চালু হয়েছে ‘হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ’। স্থানীয় কাঁচামাল দিয়ে অবিকল হেলিকপ্টার তৈরি করেছেন স্থানীয় ওয়ার্কশপ মিস্ত্রি মো. মেহেদী হাসান ও তার বন্ধুরা।
তার এই হেলিকপ্টারে বসে পাখা ঘোরা অবস্থায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মুখরোচক খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন ভোজনরসিকেরা।
মহান বিজয় দিবসে পটুয়াখালীর ঝাউতলায় শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ‘হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ’র উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ও পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। উদ্বোধনের পরপরই বহুল আলোচিত রেস্তোরাঁটি দেখতে এর খাবারের স্বাদ নিতে ভিড় জমান স্থানীয়রা।
জানা যায়, পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন ছোটবিঘাই ইউনিয়নের কাজীর হাট বাজারের ওয়ার্কশপমিস্ত্রি মো. মেহেদী হাসান ও তার দুই বন্ধু আরিফ ও আল-আমিন প্রায় ২০ লাখ টাকা খরচ করে নিজেদের ওয়ার্কশপে দীর্ঘ ৭ মাসের প্রচেষ্টায় নির্মাণ করেন হেলিকপ্টারের আদলে এই রেস্তোরাঁটি।
তবে প্রতিকূল পরিবেশেই রেস্তোরাঁটি নির্মাণ করেছিলেন এ তিন যুবক।
মেহেদী হাসান বলেন, যখন এটির পরিকল্পনা করি তখন পরিবার সম্মতি দেয়নি। প্রতিবেশীরা অনেকেই আমাকে পাগল বলেছিলেন। কিন্তু ধীরে ধীরে এবং একটু একটু করে যখন কাজীর হাট বাজারের একটি মাঠে হেলিকপ্টারটি বানাতে ও আকৃতি দিতে শুরু করি, তখনই চারিদিকে সাড়া পড়ে যায়।
হেলিকপ্টারটির ভেতরে ২১ জনের আরাম করে বসার ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে থাকবে নানা ধরনের খাবারের আইটেম। তিনি এই রেস্তোরাঁ নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় যাবেন এবং মানুষকে খাবার পরিবেশন করবেন। শহরের ঝাউতলা চার লেন সড়কে মেহেদীর এই ‘হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ’ দেখতে শত শত মানুষ ভিড় করছে নিয়মিতই।
মেহেদীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, তিনি তার এই রেস্তোরাঁকে নিয়ে সারা দেশ ঘুরে বেড়াবেন। দেশের সব জেলার মানুষ যেন তার এই রেস্তোরাঁকে দেখেন।
স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী ও শিক্ষক ফরিদ উদ্দিন বলেন, একজন ওয়ার্কশপমিস্ত্রি যে এত সুন্দর করে সত্যিকারের হেলিকপ্টারের মতোই দেখতে একটি হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ বানিয়েছে - এতে আমরা অবাক হয়ে গেছি। মেহেদীর এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই।
পটুয়াখালী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ও পটুয়াখালী পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, মেহেদীর মতো এমন উদ্যোক্তাই আমরা চাই। এটি পটুয়াখালীর জন্য একটি গর্বের বিষয়। মেহেদীকে সব ধরনের সহযোগিতা আমরা অব্যাহত রাখব।
মন্তব্য করুন


আজ
মঙ্গলবার ( ১৭ ফেব্রুয়ারি ) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক
রহমান।
শপথ
গ্রহণ শেষে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিদায়ী
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আপনারা সবাই আমার মা’র
জন্য দোয়া করবেন।
তারেক
রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজ এক পোস্টে বলেন, ‘আমার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম
খালেদা জিয়া, সর্বশক্তিমান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন (ইন্না
লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।’
তিনি
বলেন, ‘অনেকের কাছে তিনি ছিলেন দেশনেত্রী, আপসহীন নেত্রী; অনেকের কাছে গণতন্ত্রের মা,
বাংলাদেশের মা। আজ দেশ গভীরভাবে শোকাহত এমন একজন পথপ্রদর্শককে হারিয়ে, যিনি দেশের গণতান্ত্রিক
পথযাত্রায় অনিঃশেষ ভূমিকা রেখেছেন।’
‘আমার কাছে খালেদা জিয়া একজন মমতাময়ী
মা, যিনি নিজের সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশ ও মানুষের জন্য। আজীবন লড়েছেন স্বৈরাচার,
ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে; নেতৃত্ব দিয়েছেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র
প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘ত্যাগ ও সংগ্রামে ভাস্বর হয়েও, তিনি ছিলেন পরিবারের সত্যিকারের অভিভাবক;
এমন একজন আলোকবর্তিকা যাঁর অপরিসীম ভালোবাসা আমাদের সবচেয়ে কঠিন সময়েও শক্তি ও প্রেরণা
জুগিয়েছে। তিনি বারবার গ্রেফতার হয়েছেন, চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, সর্বোচ্চ নিপীড়নের
শিকার হয়েছেন। তবুও যন্ত্রণা, একাকিত্ব ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থেকেও তিনি অদম্য সাহস,
সহানুভূতি ও দেশপ্রেম সঞ্চার করেছিলেন পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মাঝে।’
তিনি
বলেন, ‘দেশের জন্য তিনি হারিয়েছেন স্বামী, হারিয়েছেন সন্তান। তাই এই দেশ, এই দেশের
মানুষই ছিল তাঁর পরিবার, তাঁর সত্তা, তাঁর অস্তিত্ব। তিনি রেখে গেছেন জনসেবা, ত্যাগ
ও সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিক্রমায় চিরস্মরণীয়
হয়ে থাকবে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘আপনারা সবাই আমার মা’র জন্য দোয়া করবেন। তাঁর প্রতি দেশবাসীর
আবেগ, ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় আমি ও আমার পরিবার চিরকৃতজ্ঞ।’
মন্তব্য করুন


উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে কলার মোচা দেখিয়ে ট্রেন থামিয়ে নিশ্চিত
দুর্ঘটনার কবল থেকে রক্ষা করেছেন এনামুল হক (৬৫) নামে দিনমজুর। এতে কয়েকশ যাত্রী প্রাণে
রক্ষা পেয়েছেন।
ঈদের তৃতীয় দিন সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দিনাজপুরের
ফুলবাড়ী-বিরামপুর রেলওয়ের মধ্যবর্তী স্থানে এ ঘটনা ঘটে। এনামুল হক ওই এলাকার পূর্ব
চণ্ডীপুর গ্রামের মৃত ফজলুল হক সোনারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ফুলবাড়ী-বিরামপুর রেলওয়ের মধ্যবর্তী
স্থান পূর্ব চণ্ডীপুর এলাকায় এনামুল হক রেললাইনের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী-ঢাকা
রেলপথের প্রায় এক ফুট অংশ ভাঙা দেখতে পান। তাৎক্ষণিক তিনি আশপাশের লোকজনকে ডেকে রেলওয়ের
অফিসে ফোন করতে বলেন। সেই সঙ্গে দ্রুত পাশের একটি কলাবাগান থেকে কলার মোচা ভেঙে এনে
পাপড়ি (মোচার অংশ) লাঠিতে বেঁধে রেললাইনে দাঁড়িয়ে যান। পরে মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যেই
ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী আন্তঃনগর পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনটি কাছাকাছি চলে আসে।
কিন্তু এনামুলের হাতে ‘লাল পতাকা’ ভেবে ট্রেনটি দুর্ঘটনার আশঙ্কায় নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে
যায়।
প্রতিদিন ওই পথে ঢাকা, রাজশাহী, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, পার্বতীপুর,
চিলাহাটিসহ উত্তরাঞ্চলে ১৫-২০টি ট্রেন যাতায়াত করেন। এনামুলের উপস্থিত বুদ্ধিতে কয়েকশ
যাত্রী ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে যান।
এদিকে এনামুল হকের কথায় ওই গ্রামের একরামুল হকের ছেলে শাহিনুর পার্বতীপুর
রেলওয়ে অফিসে ফোন করেন। খবর পেয়ে ৩০ মিনিট পর রেলওয়ের প্রকৌশলী টিম ও শ্রমিকরা এসে
বিকল্প ব্যবস্থায় ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে রেললাইন সম্পূর্ণ মেরামত সম্পন্ন
হয়েছে এবং রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আবহাওয়া অফিস
জানিয়েছে, জানুয়ারি মাসে দেশের তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে।
বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহের কারণে শীতের তীব্রতা বাড়াতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের
পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম বলেছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে
যেতে পারে। এর মধ্যে ২-৩টি শৈত্যপ্রবাহ হবে মৃদু থেকে মাঝারি তাপমাত্রার (৮-১০ ডিগ্রি
থেকে ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং ১-২টি শৈত্যপ্রবাহ হবে মাঝারি থেকে তীব্র (৬-৮ ডিগ্রি
থেকে ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস)।
আবহাওয়া অফিসের
পূর্বাভাস অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা
নেই। জানুয়ারিতে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ থাকবে। দেশের দৈনিক
গড় বাষ্পীভবন ১.৫০ থেকে ৩.৫০ মিমি এবং গড় সূর্যকিরণকাল ৩.৫০ থেকে ৫.৫০ ঘণ্টার মধ্যে
থাকবে।
সাধারণ মানুষ
শীতের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন কারণ জানুয়ারি মাস শৈত্যপ্রবাহের কারণে বেশ ঠান্ডা
হবে বলে আবহাওয়া অফিস সতর্ক করেছে।
এদিকে গত শুক্রবার
(২ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘন
কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে
ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব
আরও বিস্তৃত হতে পারে। এ ছাড়া, আগামী দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও
কমার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
প্রথম দিন
(২ জানুয়ারি) অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও
দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন
এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা,
পঁঞ্চগড়, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসমূহের উপর দিয়ে মুদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে
এবং কিছু কিছু জায়গা থেকে তা প্রশমিত হতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য
বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আজ শনিবার
(৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্যরাত
থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও
তা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এদিনও কুয়াশার কারণে যোগাযোগব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে
পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে
পারে।
রোববার (৪ জানুয়ারি)
থেকে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত
থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।
অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য
কমতে পারে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি)
এবং পঞ্চম দিন মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) একই ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময়ও
সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী
অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। পঞ্চম দিনে রাতের তাপমাত্রা
সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এ ছাড়া বর্ধিত
পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী দিনগুলোতে সারাদেশে তাপমাত্রা
আরও কমতে পারে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমে সমর্থন দেওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাপানি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে তাদের অবস্থান অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে জাপানি রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত কিমিনোরি অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, জাপান সরকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক— এই তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করবে।
কিমিনোরি বলেন, ‘আমরা এই তিনটি স্তম্ভের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’
তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্বাচনী ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সংস্কার কার্যক্রমে টোকিওর ‘দৃঢ় সমর্থনের’ কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে অবদান রাখায় জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের প্রশংসা করে বলেন, ‘এই সম্পর্ক সবসময় খুব শক্তিশালী ছিল।’
সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে আরও জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি আমাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা দেয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ থেকে জাপানি কোন কোম্পানিও চলে যায়নি। তারা এখানে থাকতে আগ্রহী।’
তিনি নিক্কেইয়ের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ওই সম্মেলনে অধ্যাপক ইউনূস জাপানের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন এবং তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানাতে পারবেন।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনে প্রধান উপদেষ্টার পদক্ষেপের প্রশংসা করে জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, টোকিও এই বৈঠককে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।
অধ্যাপক ইউনূস মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিসংঘের গ্যারান্টিযুক্ত একটি নিরাপদ এলাকা তৈরির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন, যেখানে সংঘাত শেষ হওয়ার পর বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে তাদের বাড়িতে ফেরার পূর্বে সাময়িকভাবে পুনর্বাসিত করা যেতে পারে।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) খুলনা বিভাগীয় প্রধান ও শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোতালেব শিকদারকে গুলির ঘটনার পর যশোর সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
হামলায় জড়িতরা যেন সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতে না পারে, সে লক্ষ্যে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) সীমান্তজুড়ে ব্যাপক তল্লাশি ও টহল কার্যক্রম শুরু করেছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী।
এর আগে সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার সামনে প্রকাশ্যে মোতালেব শিকদারের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে তিনি মাথার বাঁ পাশে, বাম কানে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, ঘটনার পরপরই যশোর সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়। অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব সীমান্ত অংশে কাঁটাতারের বেড়া নেই, সেসব এলাকা সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছে। জোরদার করা হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারিও।
৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, “এনসিপি নেতার ওপর হামলায় জড়িত কেউ যেন কোনোভাবেই সীমান্ত অতিক্রম করতে না পারে, সে জন্য বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তের প্রতিটি পয়েন্টে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে।”
এদিকে, হামলার পেছনের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


হযরত
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ
রোববার ( ২২ ফেব্রুয়ারি ) সচিবালয়ে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে ।
মন্তব্য করুন