

২০২৫-২৬
অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থ উপদেষ্টা
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
বাংলাদেশের
ইতিহাসে ৫৪তম এবং অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের এই
প্রথম বাজেটটি দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন (জিডিপি)’র ১২.৭ শতাংশের সমতুল্য।
অর্থ
উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আজ বিকাল ৩টা থেকে বাজেট বক্তৃতা উপস্থাপন শুরু করেছেন।
বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে পূর্বে ধারণকৃত সম্প্রচারের মাধ্যমে
এটি প্রচারিত হয়।
মোট
বাজেটের মধ্যে পরিচালন ব্যয় ও অন্যান্য খাতে ৫,৬০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে
এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাবদ ২,৩০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফুটবল ইতিহাসের
প্রথম বিশ্বকাপের ট্রফিটি নিয়ে বছরের পর বছর কম আলোচনা হয়নি। বারবার এটি চুরির চেষ্টা
হয়েছে। একবার জানা গিয়েছিল, ট্রফিটি গলিয়ে সেটি থেকে প্রাপ্ত সোনা নাকি বিক্রি করা
হয়েছে। ৬০ বছর পর ফিফা মিউজিয়ামে এর অংশবিশেষ পাওয়া গেছে।
ফরাসি শিল্পী
আবেল লাফ্লুরে তৈরি করেছিলেন জুলে রিমে ট্রফি। এটাকে গ্রিক দেবী নায়ক ‘নিকি’কে আকারে
ফুটিয়ে তোলা ছিল। ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে
এই ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্বাগতিকরা। ট্রফিটির উচ্চতা ছিল প্রায় ৩০ সেন্টিমিটার, ওজন প্রায়
চার কেজি এবং এটি সোনা দিয়ে মোড়ানো ছিল। বিশ্বকাপের পর থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত এই ট্রফি
নিয়ে নাটকীয়তা কম হয়নি।
বিশ্বযুদ্ধের
সময় নাৎসীদের হাত থেকে বিশ্বকাপ ট্রফি রক্ষা করতে ফিফার কর্মকর্তা এটিকে একটি পরিত্যক্ত
জুতার বাক্সে লুকিয়ে রেখেছিলেন। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে প্রদর্শনীর সময় এটি চুরি হয়েছিল।
পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি এবং তার কুকুর পিকলস ট্রফি উদ্ধার করে। ১৯৮৩ সালে ব্রাজিলের
রিও দে জেনেরিওতে এটি চুরি হলে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয় যে ট্রফিটি গলিয়ে স্বর্ণ বিক্রি
করা হয়েছে। যদিও ওই বিবৃতিতে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন।
যাই হোক, ফিফা
মিউজিয়ামের সাম্প্রতিক এক অনুসন্ধানে চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া গেছে। ট্রফির মূল চার-পাশের
লাপিস লাজুলি বেসটি ফিফার আর্কাইভে বহু বছর ধরে সংরক্ষিত ছিল! এটিকে কেউ চুরি করতে
পারেনি। আসলে ১৯৫৮ সালে ট্রফির বেস বদলানো হয়েছিল, এবং নতুন বেসে আটটি সাইড রাখা হয়েছিল
যাতে ভবিষ্যতের বিজয়ীদের নাম লেখা যায়। মূল বেসটি তখনই আর্কাইভে রাখা হয়েছিল, কিন্তু
সেটা দীর্ঘ সময় কারও নজরেই আসেনি।
এই মুহূর্তে
জুলে রিমে ট্রফির এই চার-পাশের বেসটি ফিফা মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হচ্ছে, যা ফুটবল ইতিহাসের
এক অমূল্য স্মারক। এটি আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় বিশ্বকাপের প্রাথমিক দিনগুলির উত্তেজনা,
চমক এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনার স্মৃতি। সময়ের সাথে বিশ্বকাপ ট্রফি আরও আধুনিক হয়েছে, আরও
মূল্যবান হয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের এই নিদর্শন মনে করিয়ে দেবে কিভাবে একটি বিশ্বকাপ
ট্রফি কীভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে।
মন্তব্য করুন


প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বৌদ্ধ ধর্মীয়
নেতৃবৃন্দের প্রতিনিধিদল।
আজ রোববার (৫ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন
যমুনায় এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতারা প্রবারণা
পূর্ণিমার মাহাত্ম্য বর্ণনা করে প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
তাঁরা প্রধান উপদেষ্টাকে বিহার পরিদর্শনেরও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
এসময় রাজধানীর উত্তরায় বৌদ্ধদের শেষকৃত্যের জন্য
জায়গা বরাদ্দ করে দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টাকে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বৌদ্ধ
নেতৃবৃন্দ।
বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দরা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারকে বিষয়টি অবহিত করার পর ১০ দিনের মধ্যে শ্মশানের জন্য স্থান বরাদ্দ করে
দেওয়া হয়েছে। এটা ইতিহাসে অনন্য। ঢাকায় বৌদ্ধধর্মের কেউ মারা গেলে শেষকৃত্যের জন্য
বহু পথ পারি দিয়ে চট্টগ্রামে যেতে হতো। এখন মৃত্যুর পরে একটা জায়গা হলো।
বৈঠকে এ বছর কঠিন চীবর দান উদযাপনের প্রস্তুতি
সম্পর্কেও প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া সার্বক্ষণিক সহযোগিতার জন্য
ধর্ম মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও
ধন্যবাদ জানিয়েছেন বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দ।
পাশাপাশি, তীর্থযাত্রার জন্য সরকারি
ব্যবস্থাপনা, বৌদ্ধ পন্ডিত, ধর্মগুরু ও দার্শনিক অতীশ দীপঙ্করের নামে সরকারিভাবে
একটি জ্ঞানচর্চা কেন্দ্র গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন দাবির বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত
করেন বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের
অধ্যক্ষ বুদ্ধপ্রিয় মহাথের, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু
সুনন্দপ্রিয়, পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের ভিক্ষু কল্যাণ জ্যোতি, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ
ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমা, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির ঢাকা অঞ্চলের সাধারণ
সম্পাদক স্বপন বড়ুয়া চৌধুরী, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব জয় দত্ত বড়ুয়া
এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড.
সুকোমল বড়ুয়া, মং হলা চিং, সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, অধ্যাপক ববি বড়ুয়া, রুবেল বড়ুয়া ও
রাজীব কান্তি বড়ুয়া।
পাশাপাশি ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন ও
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জন্য ঋণ সহায়তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক। এসময় বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান বলেন, চলতি অর্থবছরে তার সংস্থা বাংলাদেশের জন্য দুইশ’ কোটি মার্কিন ডলারের নতুন অর্থায়ন করতে পারবে। এই অর্থ অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন, বন্যা মোকাবিলা, দূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বায়ুর মান বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে সহায়তা করা হবে।
জরুরিভাবে আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে এমন ক্ষেত্রে সহায়তা করা হবে উল্লেখ করে আবদৌলায়ে সেক বলেন, আমরা যত দ্রুত সম্ভব এবং যতটা সম্ভব আপনাদের সহায়তা করতে চাই।
বৈঠকে নতুন ঋণ সহায়তার প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধের প্রেক্ষিতে সংস্থাটি সরকারের চলমান বিদ্যমান প্রকল্পে প্রায় একশ’ কোটি ডলারের অতিরিক্ত একশ’ কোটি ডলারের তহবিল পুনর্বিন্যাসের কথা উল্লেখ করা হয়।
বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান জানান, অতিরিক্ত ঋণ প্রদানের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক এবারের অর্থবছরে বাংলাদেশকে সহজশর্তে ঋণ এবং মঞ্জুরি মিলিয়ে প্রায় তিনশ’কোটি মার্কিন ডলার প্রদান করবে, যার মাধ্যমে বিদ্যমান প্রকল্পসমূহের তহবিল পুনর্বিন্যাসও করা হবে।
সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন বাংলাদেশের তরুণ সম্প্রদায় এবং দেশটির জন্য ‘মহৎ কাজ’হবে উল্লেখ করে বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান বলেন, প্রতিবছর যে ২০ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে, তারাও এর সুফল পাবে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরক্টেরকে উদ্দেশে করে বলেন, ১৫ বছরের অপশাসন থেকে ঘুরে দাঁড়াতে আমরা যে নতুন যাত্রার সূচনা করেছি তাকে এগিয়ে নিতে এবং সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে বিশ্বব্যাংকের ঋণ তহবিলসমূহের শর্তাবলী নমনীয় হতে হবে। আমাদের ধ্বংসাবশেষ থেকে নতুন কাঠামো তৈরি করতে হচ্ছে। আমাদের এখন বড় ধাক্কা দেওয়ার প্রয়োজন এবং ছাত্রদের যে স্বপ্ন রয়েছে তা পূরণে মনোযোগ দিতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন,
আমি আপনাদের বলবো- আমাদের সাহায্য করুন। আমাদের টিমের অংশীদার হোন। গত ১৫ বছরে শেখ
হাসিনার শাসন আমলে দুর্নীতিবাজরা অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে কয়েক বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে। পাচার হওয়া এসব অর্থ ফিরিয়ে আনতে তিনি বিশ্বব্যাংককে কারিগরি সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান।
বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সহায়তা করতে সম্মত হন। তিনি বলেন, আমরা আপনাদের সাহায্য করতে পেরে খুশি হবো। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে পরিসংখ্যানগত তথ্যের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তৈরি, কর আহরণে অটোমেশন চালু এবং আর্থিক খাত সংস্কারে সহায়তা করতে চায়। বাংলাদেশ তার প্রতিষ্ঠানগুলো মেরামত এবং মোটা দাগের সংস্কার করার এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না। একবার এ সুযোগ হারালে কখনো তা আর ফিরে আসবে না।
আবদৌলায়ে সেক জুলাই-আগস্টে ছাত্র আন্দোলনের শহিদদের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি ঢাকার দেয়ালে তরুণদের আঁকা বর্ণিল গ্রাফিতি ও ম্যুরাল দেখে মুগ্ধ হয়েছেন উল্লেখ করে বলেছেন, ৩০ বছরের চাকরি জীবনে অন্য কোথাও এমন দেখিনি।
মন্তব্য করুন


একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ।
এ দিনের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
রীতি অনুযায়ী রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে প্রধান উপদেষ্টা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে একুশের কর্মসূচি শুরু হয়।
পরে বিদেশি কূটনীতিক, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ভাষাসৈনিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা জানান।
একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার রাজপথ ও দেয়াল বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। চারুকলার শিক্ষার্থীরা রাত-দিন খেটে রং-তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেছেন প্রতিবাদের নানা ভাষা। শহীদ মিনারের বেদি, কালো রাজপথ, দেওয়াল সেজে উঠছে বর্ণিল আল্পনায়।
মন্তব্য করুন


আজ শনিবার (৩০ আগষ্ট) চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড
উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের ছিন্নমুল এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে একটি দেশীয় অস্ত্র তৈরীর কারখানার
সন্ধান পায়।
উক্ত কারখানা হতে চারজন সন্ত্রাসীসহ ৬ টি দেশীয়
অস্ত্র, খালি কার্তুজ ৩৫ রাউন্ড, তাজা কার্তুজ ৫ রাউন্ড, চাইনিজ কুড়াল ১ টি, ছুরি
২০ টি, ওয়াকিটকি চার্জারসহ ২ টি, মেগাফোন ১ টি, প্যারাসু্ট ফ্লেয়ার ৪টি এবং
অন্যান্য অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জামাদি ও যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত সদস্যদের নিকটস্থ থানায় পুলিশের নিকট হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শান্তি, নিরাপত্তা ও
স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং সন্ত্রাস দমনে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত
থাকবে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ক্লাস রুটিন প্রকাশ করেছে । ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এক শিফট ও দুই শিফটের স্কুলের জন্য আলাদা রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে।
২৮ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) মাউশি অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এস এম জিয়াউল হায়দার হেনরির স্বাক্ষরিত এ রুটিন প্রকাশ করা হয়, যা প্রণয়ন করেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি)।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এর আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রুটিন প্রকাশ করেছে ।
মাউশির প্রকাশ করা মাধ্যমিকের নতুন রুটিন অনুযায়ী, এক শিফটের স্কুলগুলো সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। আর দুই শিফটের স্কুলগুলো চলবে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৫টা পর্যন্ত। প্রথম শিফট সাড়ে ১২টায় শেষ হয়ে দ্বিতীয় শিফট শুরু হবে।
নতুন এ রুটিনে আরো বলা হয়েছে, বিশেষ প্রয়োজনে একই দিনের বিষয়গুলোর পিরিয়ড পারস্পরিক পরিবর্তন করা যাবে।
তবে রুটিনে দশম শ্রেণির অংশ ফাঁকা রাখা হয়েছে। স্কুলগুলোকে দশম শ্রেণির রুটিনের বিষয়গুলো নিজেদের মতো করতে হবে।
এদিকে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ধারাবাহিকতায় আগামী বছর অষ্টম ও নবম শ্রেণিতেও নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে।
আর নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ থেকে শিক্ষার্থীদের ছয় পিরিয়ড ক্লাস হবে। তবে আগের শিক্ষাক্রমের দশম শ্রেণি শিক্ষার্থীদের ক্লাস হবে ৭ পিরিয়ড।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনে ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং
৭২৩টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে।
গতকাল
রোববার ( ০৪ জানুয়ারি ) রাতে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ মহা-পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব)
ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক এ এস এম হুমায়ুন
কবীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অন্য দিকে নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার
কর্তৃক মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আজ সোমবার থেকে আপিল দায়ের করা যাবে।
৫
জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি বিকাল ৫টা পর্যন্ত সংক্ষুদ্ধ কোন প্রার্থী বা কোন ব্যাংক
বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা কোন সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অথবা প্রার্থী কর্তৃক লিখিতভাবে
ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি ইসিতে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
ইসি’র
তথ্য অনুযায়ী রংপুর অঞ্চলে ৩৩টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র ২১৯টি,
বাতিল করা হয়েছে ৫৯টি। রাজশাহী অঞ্চলে ৩৯টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র
১৮৫টি, বাতিল করা হয়েছে ৭৪টি। খুলনা অঞ্চলে ৩৬টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ
মনোনয়নপত্র ১৯৬টি, বাতিল করা হয়েছে ৭৯টি। বরিশাল অঞ্চলে ২১টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে
দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র ১৩১টি, বাতিল করা হয়েছে ৩১টি। ময়মনসিংহ অঞ্চলে ৩৮টি সংসদীয়
আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র ১৯৯টি, বাতিল করা হয়েছে ১১২টি। ঢাকা অঞ্চলে
৪১টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র ৩০৯টি, বাতিল করা হয়েছে ১৩৩টি।
ফরিদপুর অঞ্চলে ১৫টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র ৯৬টি, বাতিল করা
হয়েছে ৪৬টি। সিলেট অঞ্চলে ১৯টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র ১১০টি,
বাতিল করা হয়েছে ৩৬টি। কুমিল্লা অঞ্চলে ৩৫টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র
২৫৯টি, বাতিল করা হয়েছে ৯৭টি। চট্টগ্রাম অঞ্চলে ২৩টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত
বৈধ মনোনয়নপত্র ১৩৮টি, বাতিল করা হয়েছে ৫৬টি।
মনোনয়নপত্র
বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময়সীমা ৫ জানুয়ারি
থেকে ৯ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশন আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারির
মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে।এদিকে আপিল দায়ের করার জন্য রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন
কমিশন ভবনে একটি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রে অঞ্চাল ভিত্তিক
১০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে।
১নং
বুথে খুলনা অঞ্চলের জেলা সমূহ: মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা,
নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা।
২নং
বুথে রাজশাহী অঞ্চলের জেলা সমূহ: জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী,
নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা।
৩নং
বুথে রংপুর অঞ্চলের জেলা সমূহ: পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট,
রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা।
৪নং
বুথে চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেলা সমূহ: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান।
৫নং
বুথে কুমিল্লা অঞ্চলের জেলা সমূহ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী
ও লক্ষ্মীপুর।
৬নং
বুথে সিলেট অঞ্চলের জেলা সমূহ: সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।
৭নং
বুথে ঢাকা অঞ্চলের জেলা সমূহ: টাংগাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর,
নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ।
৮
নং বুথে ময়মনসিংহ অঞ্চলের জেলা সমূহ: জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা।
৯নং
বুথে বরিশাল অঞ্চলের জেলা সমূহ: বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর
।
১০নং
বুথে ফরিদপুর অঞ্চলের জেলা সমূহ: রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর এবং শরীয়তপুর
জেলার মনোনায়নপত্র বাতিল ও গ্রহণ আদেশের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল দায়ের করা যাবে।
এ
বিষয়ে ইসি’র এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র
গ্রহণ ও বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ কোন প্রার্থী বা কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান
বা কোন সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অথবা প্রার্থী কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত
কোন ব্যক্তি নির্বাচন কমিশনে আগামী ৫ জানুয়ারি হতে ৯ জানুয়ারি বিকাল ৫টা পর্যন্ত আপিল
দায়ের করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ‘আমীর’ নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অভ্যন্তরীণ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধান নির্বাচন কমিশনার সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম গতকাল ১ নভেম্বর (শনিবার) রাতে সংগঠনের ‘আমীর’ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, ৯ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশের সদস্যদের (রুকনদের) নিকট থেকে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোটগ্রহণের কার্যক্রম শেষে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত টিম ভোট গণনা শেষ করেন। গতকাল ১ নভেম্বর (শনিবার) রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংগঠনের ‘আমীর’ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ‘আমীর’ নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় পুলিশের গুলিতে
আহত রকিবুল সরদার (৩০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) ভোর ৬টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু
হয়।
নিহত রকিবুল মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার আলীনগর এলাকার দক্ষিণ কামাইপুর
গ্রামের কালু সরদারের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও এলাকা সূত্রে জানা গেছে, রকিবুলের পরিবারে স্ত্রী,
২ মেয়ে, বাবা, ৩ ভাই ও ১ বোন রয়েছে। তিনি ঢাকার উত্তর বাড্ডায় একটি ফার্নিচারের দোকানে
কাজ করতেন। দরিদ্র পরিবারের মাত্র ভরসা ছিলেন তিনি। তার উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল ছিল
পুরো পরিবার।
গত ২০ জুলাই বিকালে উত্তর বাড্ডা এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিল বের
হলে আ. লীগের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ মিছিল দেখতে বাসা থেকে রকিবুল
রাস্তায় বের হয়। এসময় দুই পক্ষের মিছিলের মাঝখানে পড়ে যান তিনি। তখন হঠাৎ পুলিশের একটি
ছোড়াগুলি রকিবুলের পেটের সামনে দিয়ে ঢুকে পিছন দিয়ে বের হয়ে যায়। মুহূর্তেই মাটিতে
লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আজ মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের স্ত্রী শাবনুর বেগম বলেন, আমার স্বামীর ওপর নির্ভরশীল ছিল আমাদের
সংসার। এখন আমাদের সংসার কে চালাবে। আমাদের সব শেষ হয়ে গেল। একটি গুলিতে সব স্বপ্ন
আজ মিথ্যা হয়ে গেল। এখন আমরা কীভাবে বাঁচবো।
নিহতের মামা এইচ এম মশিউর রহমান বলেন, রকিবুল ঢাকায় সোপা কাপড় সেলাইয়ের
কাজ করে তার সংসার চালাতো। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের ধাওয়া পালটা ধাওয়ার মধ্যে
থেকে একটি গুলি এসে লেগে রকিবুলকে শেষ করে দিল। তার সংসারে বাতি আজ নিভে গেল।
মন্তব্য করুন