

বাংলাদেশ
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র
জানিয়েছে, দেশে টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও মারাত্মক
পাহাড়ধসে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের
সাত জেলা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত তিন দিন
বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও আগামী সপ্তাহে উত্তরাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা রয়েছে।
শুক্রবার
(১৭ জুলাই) দেওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, আগামী সপ্তাহে সাত জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।
সতর্কীকরণ
কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যবর্তী সময়ে (১৯-২৩ জুলাই)
উজানের ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের
পানি বাড়তে পারে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলায়
স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা রয়েছে।
বন্যা
পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র
জানিয়েছে, আগামী তিন দিন তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদ-নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে এবং কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর প্রবাহিত হবে। এ কারণে লালমনিরহাট,
নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার
নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে
ব্রহ্মপুত্র নদ ও যমুনা
নদী কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার
কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র। এ কারণে নদীসংলগ্ন
নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে।
এদিকে
আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট
ও সুনামগঞ্জ জেলায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির স্থিতিশীল থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


তারে
এক সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের পাঁচজনই বাংলাদেশি।
স্থানীয়
সময় শনিবার ( ২০ জুন )সকালে দেশটির শাহানিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত
প্রবাসীরা হলেন—সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের
জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
তারা
একটি পিকআপ ভ্যানে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। এসময় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারালে ঘটনাস্থলেই
ছয়জন প্রাণ হারান। নিহত অপর ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক।
নিহতদের
মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
জালালাবাদ
অ্যাসোসিয়েশন কাতারের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ মালেক বলেন, দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে
পাঁচ প্রবাসরি মরদেহ দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বিশেষ
চাহিদাসম্পন্ন তরুণ ওয়াকিমুল ইসলাম উদ্ভাবিত 'স্মার্ট কার'-এ চড়ে তাকে উৎসাহ দিলেন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ
শনিবার (০৯ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ
করেন ওয়াকিমুল ইসলাম। এ সময় তার বানানো ছোট বাহনটি প্রধানমন্ত্রীকে দেখান। পরে প্রধানমন্ত্রীকে
নিয়ে স্মার্ট কারটি চালিয়ে দেখান ওয়াকিমুল। ব্যাটারিচালিত বিশেষ এই যানের নাম দেওয়া
হয়েছে 'এ টু আই স্মার্ট কার'। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন
এ তথ্য জানান।
তিনি
বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই বাহন তৈরি করায় ১৭
বছরের ওই তরুণের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি কম খরচে আরও আধুনিক ও সহজে ব্যবহারযোগ্য
স্মার্ট কার তৈরির পরামর্শও দেন। পাশপাশি এই ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগে সরকারি সহযোগিতার
আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।
সাক্ষাতকালে
তারেক রহমানকে স্মার্ট কার তৈরির পুরো গল্পটি শোনান ওয়াকিমুল ইসলাম। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন
এই তরুণ জানান, এক সময় তিনি সারাদিন বাসায় বসে থাকতেন, বাইরে বের হতে পারতেন না। কীভাবে
বাইরে একা চলাফেরা করা যায়, সেই চিন্তা থেকে কারটি বানানো শুরু করেন।
ওয়াকিমুল
ইসলাম যশোরের চৌগাছা সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়েন। বিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষার্থীর
বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।
ওয়াকিমুল
জানান, সহযোগিতা পেলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আরও উন্নতমানের স্মার্ট কার বানানো
সম্ভব। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ছাড়াও প্রবীণরাও সেটি ব্যবহার করতে পারবেন।
ওয়াকিমুলের
সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির (বিপিকেস) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক
আবদুস সাত্তার দুলাল। তিনি জানান, গাড়িটি বৈদ্যুতিক চার্জে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে
পারে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ গতি ৪৫ কিলোমিটার।
এ
সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
(অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং অতিরিক্ত প্রেস
সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে মঙ্গল শোভাযাত্রা থেকে শুরু করে পান্তা-ইলিশ শোভা পায় বাঙালির পাতে।
ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবকে কেন্দ্র করে মাছের বাজারে রুপালি ইলিশের কদর থাকে বরাবরই তুঙ্গে।
এবারও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে যথারীতি বাজারে ইলিশের চাহিদা রয়েছে। তবে সে তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় বেশি দামেই ইলিশ মাছ কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
মাছ ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, অন্যান্য সময়ের চাইতে এখন ইলিশ ধরা পড়ছে কম। এজন্য বাজারে সরবরাহ কম, ফলে দাম বেশি। সাধারণত সরবরাহ বেশি হলেই দাম কম হয়। কিন্তু এবার পাইকারি বাজারেও ভিন্ন চিত্র।
বড় আকারের ইলিশের দেখা খুব একটা মিলছে না। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক কেজির নিচে, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে, সঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে জাটকা। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা প্রতিকেজি জাটকা বিক্রি করছেন সাড়ে ৬ শ' থেকে ৭ শ' টাকায়। ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ দাম ১২০০ টাকা, ৮০০ গ্রাম ইলিশের দাম ১৩৫০ থেকে দেড় হাজার টাকার মতো। ১ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ৫৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ।
এবার ঈদের ছুটির সঙ্গে এবার পহেলা বৈশাখের ছুটি একসঙ্গে হওয়ায় অনেক মানুষ শহরে নেই ফলে অন্যান্যবারের পহেলা বৈশাখের মতো ইলিশ বেচাবিক্রির ধুম সেভাবে চোখে পড়ছে না।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচাবাজারগুলোতে ক্রেতা কম থাকায় বেশিরভাগ দোকানি অলস সময় পার করছেন। ঈদে শাকসবজির দাম বাড়েনি। অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়েছে। সোনালি বা লেয়ার মুরগির দামও বেড়েছে ২০-৩০ টাকা। এছাড়া বেশিরভাগ দোকানে গরুর মাংসের দাম ৮০০ টাকা, আর খাসির মাংসের দাম ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা। সার্বিকভাবে বাজার স্বাভাবিকই আছে। তবে ঈদের ছুটির কারণে চাহিদা কম, ফলে সরবরাহও কম। একই প্রভাব পড়েছে ইলিশের বাজারে, যার ফলে বড় আকারের ইলিশেরও দেখা মিলছে না।
মন্তব্য করুন


কৃষি
ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, ভারত-পাকিস্তান
যুদ্ধ ভয়ের কোনো কারণ নেই, আমাদের সীমান্ত সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে। এখানে কোন ধরনের
সমস্যা নেই। কৃষকরা ভালোভাবে ধান কাটতে পারবেন।
আজ
বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুরে বিরল উপজেলার মোকলেছপুর ইউনিয়নের ঢেলপীর ব্লকে বোরো ব্রি
ধান-৮৮ কাটার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
কৃষি
উপদেষ্টা বলেন, দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। যখন আমাদের সাড়ে ৭ কোটি
মানুষ ছিল; সেই সময়ে কৃষিজমির সংখ্যা বেশি ছিল। কিন্তু এখন লোকসংখ্যা ১৮ কোটি, ফলে
কৃষি জমি কমে গেছে। উন্নত জাত এবং কৃষকদের কঠোর ও বিজ্ঞানীদের কঠোর পরিশ্রমের কারনে
ধানের উৎপাদন ভালো।
কৃষি
জমির ব্যাপারে কৃষি উপদেষ্টা বলেন, নতুনভাবে আইন করা হবে। ভূমি ব্যবহার নীতিমালা, কৃষি
জমি সুরক্ষা আইন নতুনভাবে করার চিন্তা-ভাবনা আছে, কিছুদিনের মধ্যেই তা করা হবে। ভাটা
যেন না চলে; সেজন্য আমরা নতুনভাবে চিন্তাভাবনা করছি।
এ
সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন
কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) তরিকুল ইসলাম, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার
শহীদুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ
আলীসহ রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামী ৩ থেকে ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৪।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩ মার্চ সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের শাপলা হলে তিন দিনের এ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন । মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন। আর কর্মঅধিবেশনগুলো ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ডিসি সম্মেলন উপলক্ষ্যে ব্যস্ততম সময় পার করছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাঠ প্রশাসন) আমিন উল আহসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নতুন সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী মাঠ কর্মকর্তাদের নতুন করে নির্দেশনা দেবেন। তার বক্তব্য এবং নির্দেশনা মাঠ প্রশাসনে দায়িত্বপালন অধিক প্রেরণা হিসাবে কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ডিসিরা মুক্ত আলোচনায় অংশ নেবেন। জানাবেন তাদের সমস্যাগুলো। কাজ করতে গিয়ে কী ধরনের সংকট মোকাবিলা করতে হয় তাও তারা জানাবেন প্রধানমন্ত্রীকে।
তিনি আরো বলেন, নতুন সরকারের মন্ত্রীরা মাঠ প্রশাসনে কর্মরত ডিসিদের নির্দেশনা দেবেন। মন্ত্রণালয়ের কাজে ডিসিদের গাইডলাইন দেবেন। তাদের পরামর্শ এবং নির্দেশনায় ডিসিদের দায়িত্ব পালনে নতুন করে প্রেরণা পাবেন। সমস্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করবেন। ডিসিরা কাজ করতে গিয়ে নানা ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। সেগুলো তারা তুলে ধরবেন সম্মেলনে। মাঠের কাজে অনেক সমস্যা ডিসিদের নজরে আসে। সেগুলো যাচাই-বাছাই কর সম্মেলনের বিভিন্ন কর্ম অধিবেশন আলোচনা করা হয় এবং সমাধানের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।
তিন দিনের সম্মেলনের পর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণ এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন। সমাপনী দিবসে মন্ত্রিপরিষদ সচিব গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন।
মন্তব্য করুন


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশজুড়ে চলমান শৈত্যপ্রবাহের কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম সকাল ১০টায় শুরু হবে ।
সোমবার (২২ জানুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পাঠদান কর্মসূচি পরিবর্তন করে অফিস আদেশ জারি করেছে।
এতে বলা হয়, সারা দেশে চলমান শৈত্যপ্রবাহের কারণে শিক্ষার্থীদের অসুবিধার কথা বিবেচনায় সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে আর ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা হলে ইতোপূর্বে জারি করা নির্দেশনা যথারীতি বহাল থাকবে।
গত ১৬ জানুয়ারি মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়, চলমান শৈত্যপ্রবাহে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বিধায় যেসব জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে (সংশ্লিষ্ট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়ার পূর্বাভাসের প্রমাণক অনুযায়ী) নেমে যাবে, সেসব জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালকরা সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের একাডেমিক কার্যক্রম শীতের তীব্রতা ও স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করতে পারবেন (সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি না হওয়া পর্যন্ত)। আর এ আদেশের কার্যকারিতা ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
এর আগে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে আদেশ জারি করে জানানো হয় যে, তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে হলে স্কুল ও কলেজ বন্ধ রাখা যাবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ‘হামের টিকার বিষয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যথেষ্ট গাফিলতি ছিল। তাদের সাতবার এ বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। তারা চেয়েছিল প্রাইভেটলি, টাকা খেতে। তবে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে হাম নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। বর্তমানে টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ১২২ শতাংশে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত দুই কোটিরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে যে ১৮টি উপজেলায় টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছিল, সেখানে হামের সংক্রমণের হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষা করা এবং আর যেন কোনো মায়ের বুক খালি না হয়, তা নিশ্চিত করা।’
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা সদর হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
হাম সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ে সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে স্বাধীন তদন্ত চেয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যদি ১০ জনকে ফাঁসি দিয়েও হাম সংক্রমণে মায়ের বুক খালি হওয়া থামাতে না পারি, তাহলে কি আমি রক্ষা পাব? আসলে শুধু শাস্তি দিলেই সমস্যার সমাধান হয় না।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের টিকা প্রসঙ্গে বলেন, ‘দুই কোটির বেশি শিশুদের টিকা দেওয়ার পরও আমরা বসে থাকিনি, সারাদেশে মেডিকেল সেন্টারগুলোতে বলেছি, যে বাচ্চারা হামের টিকা পায়নি তাদের ডেকে ডেকে টিকা দিতে। এই দেশের পরিসংখ্যান ও পৃথিবীর সবদেশের পরিসংখ্যান ভুল আছে। পরিসংখ্যানের ওপর নির্ভর না করে যারা টিকা পায়নি তাদের সবাইকে দেব।’
এর আগে মন্ত্রী কুমিল্লার সদর হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সংকট ও সমস্যার কথা শোনেন। খাবারের মান যাচাই করেন। এছাড়াও রোগীদের বিভিন্ন অভিযোগের কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ‘আমরা ১০টি জেলায় পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর সেবা, অক্সিজেন কনসেনট্রেটরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সাপ্লাই করেছি, আগামী কয়েকদিনের ভেতরে আমরা সেখানেই নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিও) চালু করব, পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকটি জেলায় আমরা পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর (আইসিও) চালু করব। চিকিৎসকরা আগের থেকেও এখন বেশি উপস্থিত থাকছেন, আগে তো আসতেন না। আজকে এখানে সবার উপস্থিতি দেখলাম। এখানে জরুরি বিভাগ খোলা আছে, লেবার ওয়ার্ডে ডাক্তার আছে, সারাদেশব্যাপী উন্নত হইছে, তিন মাসে তো সব করতে পারব না। দোয়া করেন, আমাদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই।’
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘পাঠ খেত যখন পরিচর্যা শুরু করেন, কামলা নেন, শুরু করেই কি খেতের শেষ মাথায় যাইতে পারে? আস্তে আস্তে যেতে হবে। আমরা কাজ শুরু করেছি।’
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রত্যেকটি উপজেলায় স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত করব, বেড সংখ্যাও আমারা বৃদ্ধি করব, যাতে মানুষ সঠিক চিকিৎসা পায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা জেলা প্রশাসক রেজা হাসান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মির্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলাম, জেলা সিভিল সার্জন আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ, ডেপুটি সিভিল সার্জন রেজা মো. সারোয়ার আকবর, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের (ভারপ্রাপ্ত) পরিচালক ডা. মো. শাহজাহান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


শনিবার (১৩ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে রমনায় নিরাপত্তার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে ব্রিফিংকালে বর্ষবরণ ঘিরে হামলার শঙ্কা নেই জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে আয়োজিত উৎসবে নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন,পহেলা বৈশাখের উৎসব বাঙালি সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ কিন্তু সেই আয়োজনে অতীতে হামলা হয়েছে। তাই নিরাপত্তার জন্য আমরা শতভাগ প্রস্তুত রয়েছি। তবে সন্ধ্যার আগে সব অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, মানুষে পহেলা বৈশাখ পালনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। রাজধানীতে বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্ন আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছে। যেসব জায়গায় অনুষ্ঠান হবে, ডিএমপির পক্ষ থেকে সেসব জায়গা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ডিবি, এসবিসহ গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
হাবিবুর রহমান বলেন, ঢাকার বিভিন্ন স্পট ওয়াচ টাওয়ার, ড্রোন ক্যামেরা, সিসি ক্যামেরা দ্বারা পর্যবেক্ষণ রাখবে ডিএমপি।
যানবাহন চলাচলের জন্য কিছু জায়গায় ডাইভার্শন দেওয়া থাকবে উল্লেখ করেও তিনি বলেন, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা হবে আজ সন্ধ্যা থেকেই। আগামীকাল রোববারও (১৪ এপ্রিল) যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


শীত শেষ বাড়ছে দিনের তাপমাত্রা।
শুক্রবার রাতে দেওয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরেরে এক পূর্বাভাসে জানা গেছে আগামী ৫ দিনে বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। আর মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপের অবস্থান দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে।
এ অবস্থায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
আর বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই সময়ের শুরুতে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।
মন্তব্য করুন