

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা গেছে।
তাই সোমবার (২২ জানুয়ারি) থেকে দেশে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে। সেই অনুযায়ী আগামী ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবে মিরাজ উদযাপিত হবে।
আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
১৪৪৭ হিজরি সনের রজব মাসের চাঁদ দেখা বিষয়ে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায়।
মন্তব্য করুন


১১৫ বছর বয়সী মোয়াজ্জিন চোখে দেখতে পান না। তবুও দড়ি ও বাঁশ ধরে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত মসজিদে গিয়ে নামাজের জন্য ডাকেন সবাইকে।
অন্ধ মোয়াজ্জিন আব্দুর রহমান মোল্লার বাড়ি নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের বড়দেহা গ্রামে। ২০ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি হারান। এর ৬ বছর পর বড় ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে হজ পালন করেন। দেশে ফিরে নিজ গ্রামে তৈরি করেন একটি মসজিদ। এরপর নিজেই সেই মসজিদের মোয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
কিন্তু চোখে দেখতে না পাওয়ায় মসজিদে আসা-যাওয়া নিয়ে জটিলতা দেখা দেয় । সমাধানের জন্য বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত টেনে নিয়েছেন রশি ও বাঁশ।
আব্দুর রহমান মোল্লার ছেলে স্কুল শিক্ষক মো: শফিকুল ইসলাম সাইফুল জানান, বাবার বয়স ১১৫ বছর। হজ থেকে আসার পর বাবা যে মসজিদটি স্থাপন করেছেন সেখানে আজান দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু বাড়ি থেকে মসজিদের দূরত্ব প্রায় ২০০ মিটার। তখনই জটিলতা দেখা দেয় আসা-যাওয়া নিয়ে। পরে বাবা বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত রাস্তায় রশি ও বাঁশ টাঙিয়ে দিতে বলেন।
বাবার দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ী রশি ও বাঁশ টাঙিয়ে দেন ছেলেরা। এরপর প্রথম দিকে কয়েকদিন তার ছেলে ও নাতিরা রশি ও বাঁশের সাহায্যে মসজিদ পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে তাকে যাতায়াত ও রাস্তা পার হতে অভ্যস্ত করে তোলেন।
মোয়াজ্জিন আব্দুর রহমান বলেন, ১০ কাঠা জমি বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে মসজিদটি নির্মাণ করেছি। এখন টিউবওয়েলে পানি না ওঠায় অজু করতে সমস্যা হয়। মসজিদের পাশে একটা পানির পাম্পের ব্যবস্থা হলে খুব ভালো হতো।
মন্তব্য করুন


মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে আজ শুরু হয়েছে সার্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসবের। কাঁসর, ঘণ্টা, শঙ্খ আর উলুধ্বনিতে ভোর থেকেই মন্দিরগুলোতে চলছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। পাঁচ দিনের এ উৎসব শেষ হবে আগামী ২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শ্রীপঞ্চমীতে দেবীর বোধন (জাগ্রত) সম্পন্ন হওয়ার পর আজ রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) শুরু হয়েছে মহাষষ্ঠী।
গতকাল ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বোধনের নিয়মাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করে এই বন্দনা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বোধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন তিনজন পুরোহিত। তারা হলেন, মন্দিরের উপদেষ্টা পুরোহিত প্রণব চক্রবর্তী এবং অন্যতম পুরোহিত বরুণ চক্রবর্তী ও ধর্মদাস মুখোপাধ্যায়।
পুরোহিত প্রণব চক্রবর্তী বলেন, দেবীর বোধন হয় ষষ্ঠীতে সায়ংকালে অর্থাৎ সূর্যাস্তের পরে, এটাই নিয়ম। শনিবার সকাল ৯টা ১৮ মিনিট পর্যন্ত পঞ্চমী ছিল। এরপর থেকে ষষ্ঠী শুরু হয়েছে এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত আছে। তা ছাড়া রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) ষষ্ঠী শেষ হয়ে যাবে বেলা ১১টা ১২ মিনিটে। তারপর সপ্তমী শুরু হয়ে যাবে। ফলে রোববার সন্ধ্যাকালে আর ষষ্ঠী পাওয়া যাবে না। সেজন্যই আজকে দেবীর বোধন সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বোধনের নিয়মটা হচ্ছে বিল্ববৃক্ষ তলে পূজাটা হয়। কারণ, বিল্ববৃক্ষে দেবী দুর্গা ছোট্ট শিশু কুমারীরূপে অবস্থান করেন। দক্ষিণায়নের কারণে দেবী যেহেতু নিদ্রিত থাকেন, তা থেকে তাকে জাগরিত করার জন্য এই বন্দনা পূজা করা হয়। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে বেলগাছের তলে দুর্গাপূজার বোধনের নিয়মাবলি অনুসরণ করে এই পূজাটা করা হয়েছে।
নিয়মঅনুযায়ী, আজ ষষ্ঠীতে দুর্গা দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাস সম্পন্ন হয়েছে। সকালে বেলগাছ তলে (বিল্ববৃক্ষের নিচে) দেবীর আবাহন, সংকল্প এবং ‘ত্রিনয়নী’ দুর্গা দেবীর নিদ্রা ভাঙিয়ে পূজার্চনার মাধ্যমে তাকে বরণ করা হয়। এ বছর দেবী দুর্গা এসেছেন গজে (হাতি) চড়ে। গজে আগমনের অর্থ শান্তি, সমৃদ্ধি ও শস্য-শ্যামলার প্রতীক। পূজা শেষে দেবীর প্রস্থান হবে দোলায় (পালকি) চড়ে, যা মহামারী বা মড়কের ইঙ্গিত বহন করে। আগামীকাল মহাসপ্তমীর দিন থেকে শুরু হবে দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা।
ঢাকায় এবার ৭টি বেড়ে মোট ২৫৯টি মন্দির-মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর সারা দেশে মোট মন্দির-মণ্ডপের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৩৫৫টি, যা গতবারের তুলনায় হাজারখানেকের বেশি।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব ইজতেমা গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হতে যাচ্ছে ।
বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা আগামী ২ ফেব্রুয়ারি আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হবে। আর ইজতেমায় আগত মুসুল্লিদের সুবিধার্থে স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে ময়দানের প্রস্তুতির কাজ।
মুসলমানদের বৃহত্তম এই সম্মেলন সুষ্ঠু, সুন্দর করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ বছর দুইপর্বে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। প্রথম পর্ব হবে ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি, দ্বিতীয় পর্ব হবে ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি।
টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানের সম্পূর্ণ মাঠ ইতোমধ্যেই খুঁটি বসানো শেষ হয়েছে। নামাজে দাগ কাটাও প্রায় শেষের দিকে। বিভিন্ন খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে ময়দানটি। ইজতেমা ময়দানের পশ্চিম পাশের সামিয়ানা টাঙানোর কাজ প্রায় শেষ। মাইকের জন্য বৈদ্যুতিক তার স্থাপনের কাজও শুরু হয়েছে। তুরাগ তীরের প্রায় ১৬০ একর জমি বিস্তৃত ইজতেমা ময়দানে প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুসুল্লিরা এসে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কাজ করছেন। স্বেচ্ছাশ্রমে এরই মধ্যে প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ করেছে মুসুল্লিরা। প্রতি বছরের মতো ইজতেমার নিরাপত্তায় আশপাশে সিসি টিভি বসানোসহ ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হবে। এছাড়া বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠের ভেতর ও বাইরে কাজ করবেন।
মুসুল্লিরা বলছেন, বিশ্বের লাখ লাখ দেশি-বিদেশি মেহমান আসবে ইজতেমা ময়দানে। তাদের থাকা-খাওয়া ও বসার জন্য তারা স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছেন।
জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন মিয়া বলেন, অন্যান্য বছরের মতো সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ইজতেমা করার জন্য প্রয়োজনীয় টয়লেট, পানি সরবরাহ এবং ওজু-গোসলের নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইজতেমা সফল করার লক্ষ্যে এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, দপ্তরের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলছেন, নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ইজতেমা আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, পুলিশ প্রশাসন, সিটি করপোরেশন আলাদাভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে আরাফার ময়দান মুখরিত হয়ে উঠেছে। নানা বয়সের মানুষ আল্লাহর ঘরে হাজিরা দেওয়ার জন্য পবিত্র মক্কা নগরীতে জড়ো হয়েছেন। তাদের মধ্যেই এমন এক দম্পতি আছেন, যারা বিয়ের পর নিজেদের প্রথম বিদেশ সফরে হজ করতে এসেছেন। হানিমুনের পরিবর্তে হজ করতে আসা এই দম্পতি, এই মুহূর্তকে স্মৃতি হিসেবে রেখে দিতে চাইছেন।
হেরা গুহায় জড়ো হয়েছেন একদল হজযাত্রী। কেউ কেউ তুলছেন ছবি। আবার দাঁড়িয়ে আছেন কেউ কেউ। তাদের মধ্যে দেখা মিলল এক দম্পতি। এক নারী গুহার ভেতর থেকে বের হচ্ছেন। পেছন পেছন তার স্বামী বের হচ্ছেন। এই দম্পতির নাম সুআইবা ও মোহাম্মদ আকমল রাজা। বিয়ের পর যখন সবাই হানিমুনে ছোটে, তখন এই দম্পতি এসেছেন আল্লাহর ঘরের মেহমান হয়ে।
সুআইবা জানান, আমরা একসঙ্গে এবারই প্রথম হজ করতে এসেছি। আমরা একে অপরকে উৎসাহ দিতে পেরেছি। বিবাহিত দম্পতি হিসেবে আমাদের প্রথম ভ্রমণ এটি। তাই এটা আমাদের কাছে খুবই বিশেষ। এটা আমাদের জন্য স্মৃতিময় একটি সফর হবে।
আকমল রাজা জানান, পাহাড়ের উপরে উঠতে ১ থেকে ২ ঘণ্টা লাগে। সম্প্রতিই আমাদের বিয়ে হয়েছে। এটা আমাদের ধর্মীয় এবং বৈবাহিক জীবনের আধ্যাত্মিক সংযোগ। মানুষ বিয়ের পর হাইকিংয়ে যায়। আমাদের এটাই এক ধরনের হাইকিং, তবে এটা আধ্যাত্মিক প্রকৃতির। এটা দারুণ অনুভূতি।
ভারতের গণমাধ্যম নিউজ১৮ উর্দু এক ভিডিও নিউজে জানিয়েছে, সুআইবা ও আকমল রাজা পাকিস্তানের বাসিন্দা। তারা বিয়ের পর হজ করতে এসেছেন। তবে কোনো আন্তর্জাতিক বা পাকিস্তানের স্থানীয় গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি। তাদের কবে বিয়ে হয়েছে বা ভিডিওটি এ বছরের কি না তা-ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব ইজতেমা মুসল্লিদের জন্য ১১ জোড়া স্পেশাল ট্রেন চালানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
মঙ্গলবার(২৩ জানুয়ারি)
রাজধানীর রেল ভবনে রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিশ্ব ইজতেমা ১ম পর্ব
২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি এবং ২য় পর্ব ৯, ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
এরমধ্যে ২ ও ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-টঙ্গী-ঢাকা রুটে জুম্মা স্পেশাল-২ নামে ১
জোড়া ট্রেন চলাচল করবে।
৩ ও ১০ ফেব্রুয়ারি
জামালপুর-টঙ্গী রুটে স্পেশাল-১ জোড়া ট্রেন চলাচল করবে। আখেরি মোনাজাতের দিন (৪ ও
১৯ ফেব্রুয়ারি) বিভিন্ন রুটে যে স্পেশাল ট্রেন গুলো চলাচল করবে সগুলো হল:
ঢাকা-টঙ্গী-ঢাকা রুটে ৫ জোড়া স্পেশাল, টঙ্গী-ময়মনসিংহ-টঙ্গী রুটে ১ জোড়া ও
টঙ্গী-টাঙ্গাইল-টঙ্গী রুটে ১টি স্পেশাল ট্রেন। আর ঈশ্বরদী-টঙ্গী-ঈশ্বরদী রুটে ২ট
জোড়া স্পেশাল ট্রেন চলবে।
ট্রেনের যাত্রাবিরতি:
১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪
ফেব্রুয়ারি এবং ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা অভিমুখী সকল আন্তঃনগর, মেইল
ও কমিউটার ট্রেন টঙ্গী স্টেশনে ৩ (তিন) মিনিট করে থামবে।
আগামী ৪ ও ১১
ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের দিন (সুবর্ণ, সোনারবাংলা, কক্সবাজার ও পর্যটক
এক্সপ্রেস ব্যতিত) সকল আন্তঃনগর, মেইল ও কমিউটার ট্রেন সমূহ (আপ ও ডাউন) টঙ্গী
স্টেশনে ৩ (তিন) মিনিট করে থামবে।
মন্তব্য করুন


ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
বলেছেন, দেশের দুর্যোগ দুর্দিনে এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশবাসীর কল্যাণে পাশে আছে
এবং থাকবে। বন্যায় যাদের ঘর ভেসে গেছে, তাদের নতুনভাবে ঘর করে দেওয়া হবে।
আজ (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে লক্ষ্মীপুর
জেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমটুয়া আল আরাবিয়া দারুল উলুম মাদরাসা মাঠে বানভাসিদের
মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, বন্যায় যারা অত্যন্ত
ক্ষতিগ্রস্ত, যাদের ঘর পানিতে মিশে গেছে, যারা রাস্তার ওপর থাকছেন তাদের ছোটখাটো বাড়ি
করে দেওয়া হবে।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, লক্ষ্মীপুর,
ফেনী ও নোয়াখালীতে বন্যাদুর্গতদের সাহায্যে আলেম সমাজ ঝাঁপিয়ে পড়েছে। তারা মাঠে ময়দানে
গিয়ে সাহায্য করছেন। ফেনী মুহুরি নদীর দিকে বেসরকারি উদ্যোগে এক কোটি টাকা খরচ করে
বাঁধ তৈরি করা হচ্ছে। সরকারি উদ্যোগেও কাজ চলছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা এ বিপদ থেকে উদ্ধার
হতে পারবো। আমরা আল্লাহর সাহায্য কামনা করি।
আল-মানাহিল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ আয়োজন
করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রামের জামিয়া ইসলামিয়া জিরির মুতামিম মাওলানা
খোবাইন বিন তৈয়ব, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ
তারেক বিন রশিদ ও কমলনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ
প্রমুখ।
আয়োজকরা জানায়, আল-মানাহিল ফাউন্ডেশনের
উদ্যোগে বন্যায় দুর্গত ৫০০ পরিবারে মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে দুই শতাধিক
মানুষের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
টঙ্গী তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত
হয়। লাখো মুসল্লি এ জুমার নামাজে অংশ নেন।
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদ'র বড়
ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।
বৃহস্পতিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বের
আনুষ্ঠানিকতা।
আজ
লাখো মুসল্লির সঙ্গে শরিক হয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায় করতে সকাল থেকেই চারদিক
থেকে মুসল্লিরা ইজতেমার ময়দানে আসতে শুরু করেন। ময়দানে, সড়ক-মহাসড়ক, খালি জায়গাসহ
বিভিন্ন স্থানে পলিথিন, খবরের কাগজ ও চট বিছিয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।
যানজট
নিয়ন্ত্রণে ও মুসল্লিদের নিরাপত্তায় রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক
হাজার সদস্য।
আজ
বয়ান করেন যারা:
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) ফজরের পরে বয়ান করেন মাওলানা ইলিয়াস বিন সাদ। তার বয়ান বাংলায়
তর্জমা করেন মাওলানা মনির বিন ইউসুফ। জুমার আগে জুমার ফাজায়েল বয়ান করেন মাওলানা
মনির বিন ইউসুফ।
জুমার
পরে বয়ান করবেন- শেখ মোফলে (আরবি) এবং বাংলা তর্জমা করবেন মাওলানা শেখ আব্দুল্লাহ
মনসুর। আসরের পরে বয়ান করবেন মাওলানা মোশাররফ। মাগরিবের পরে বয়ান করবেন মাওলানা ইউসুফ
বিন সাদ। পরে তা বাংলায় তর্জমা করবেন মাওলানা জিয়া বিন কাশেম।
মুসল্লির
মৃত্যু-
বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আয়োজকরা জানান, শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৪ জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
তারা
হলেন, শেরপুর সদর থানার রামকৃষ্ণপুর এলাকার আবুল কালাম (৬৫), নেত্রকোনার কেন্দুয়া
থানার কুতুবপুর এলাকার হেলিম মিয়া (৬৫), দিনাজপুরের
নবাবগঞ্জ থানার শিবনগর এলাকার জহির উদ্দিন (৭০) ও জামালপুরের ইসলামপুর থানার গোয়ালের
চর এলাকার নবীর উদ্দিন (৬৫)।
রোববার
(১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে রমজান মাস শুরু।
সোমবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে এ কথা জানান ধর্মমন্ত্রী
ফরিদুল হক খান।
আজ
রাতেই এশার নামাজের পর ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা তারাবির নামাজ আদায় শুরু করবেন এবং শেষরাতে
সাহরি খাবেন।
তার
আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে বৈঠক
করে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী ও কমিটির সভাপতি
মো. ফরিদুল হক খান। সভায় ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র
রমজান মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়,
বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন
প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে চাঁদ দেখার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
মন্তব্য করুন


ফেনীর
সোনাগাজীতে জোহরের নামাজের আজান দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাওলানা সায়েদুর রহমান
নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
রোববার
(৯ জুন) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার লন্ডনীপাড়া জামে মসজিদে এ দুর্ঘটনা
ঘটে।
নিহত
ব্যক্তি হলেন- চরচান্দিয়া ইউনিয়নের লন্ডনীপাড়া গ্রামের হাশেম লন্ডনী বাড়ির
মৃত মাওলানা মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে সায়েদুর রহমান (৬০)।
মৃতের
পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়,
দুপুর ১টার দিকে লন্ডনীপাড়া জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন ছুটিতে
থাকায় মসজিদে আজান দিচ্ছিলেন মাওলানা সায়েদুর রহমান। এ সময় আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর
সঙ্গে সঙ্গে মাইক্রোফোনে বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। স্থানীয়রা
তাকে উদ্ধার করে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক
তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতের
ছোট ভাই এম ফখরুল ইসলাম জানান,
তার ভাই দীর্ঘ দিন যাবত সৌদি আরবে ছিলেন। দুই বছর পূর্বে দেশে ফিরে আসেন। তিনি
ওই মসজিদের নিয়মিত একজন মুসল্লি ছিলেন।
মন্তব্য করুন


খ্রিষ্টান সম্প্রদায়সহ সকলকে মানবতার মহান ব্রতে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আগামীকাল (২৫ ডিসেম্বর) ‘বড়দিন’ উপলক্ষ্যে দেওয়া আজ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) এক বাণীতে তিনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ উপলক্ষ্যে এ সম্প্রদায়ের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, খ্রিষ্টান ধর্মের প্রবর্তক যীশু খ্রিষ্ট এই দিনে বেথেলহেমে জন্মগ্রহণ করেন। পৃথিবীতে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে শোষণমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রবর্তন ছিল যীশু খ্রিষ্টের অন্যতম ব্রত। মহামতি যীশু বিপন্ন ও অনাহারক্লিষ্ট মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেন। তার জীবনাচরণ ও দৃঢ় চারিত্রিক গুণাবলির জন্য তিনি মানব ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।
মন্তব্য করুন