

২০২৬
বিশ্বকাপ ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের সেই রোমাঞ্চকর মুহূর্ত কিংবা ফেরান তোরেসের জয়সূচক গোল; ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে এখনো তা একদম তরতাজা।
মাঠের সেই উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফুটবল
বিশ্বের দুই সেরা শক্তির মুখোমুখি লড়াই নিয়ে নতুন করে সুর ছড়িয়েছে। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের সামনে যখন আধিপত্য ধরে রাখার পরীক্ষা, আর্জেন্টিনার সামনে তখন বিশ্বকাপের হারের হিসাব চুকানোর মোক্ষম সুযোগ। বহুল আলোচিত উয়েফা-কনমেবল ‘ফিনালিসিমা’ ম্যাচটি ঘিরে আবারও সরগরম হয়ে উঠেছে ফুটবল প্রাঙ্গণ।
ইএসপিএন
আর্জেন্টিনার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মার্টিন আরেভালোর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী,
দুই মহাদেশের সেরা দুই দলের এই মহারণ এ
বছরের শেষেই মাঠে গড়াতে পারে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে কাতারের ঐতিহ্যবাহী লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনার এই
হাইভোল্টেজ দ্বৈরথ। শোনা যাচ্ছে, কাতার সরকার ইতোমধ্যেই এই কাঙ্ক্ষিত ম্যাচটি
আয়োজনের স্বত্ব বাগিয়ে নিয়েছে। তবে ইউরোপীয় ও দক্ষিণ আমেরিকান
ফুটবল সংস্থা (উয়েফা ও কনমেবল) এখনো
আনুষ্ঠানিকভাবে দিনক্ষণ ঘোষণা করেনি।
মূলত
২০২৬ বিশ্বকাপের মূল পর্ব শুরুর আগেই চলতি বছরের মার্চ মাসে কাতারে এই ম্যাচটি হওয়ার
কথা ছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি
ও নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বাধ্য হয়ে আয়োজকরা সূচি বাতিল করেন। পরবর্তীতে বিকল্প হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদের ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাবেউ কিংবা দুই দেশের মাটিতে হোম-অ্যান্ড-অ্যাওয়ে ভিত্তিতে খেলার প্রস্তাব উঠলেও দলগুলোর সম্মতির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি।
ভাগ্যচক্রে
সেই স্থগিত ম্যাচই দু দলকে এনে
দাঁড় করিয়েছিল বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ মঞ্চের ফাইনালে। যেখানে এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ডে ১০ জনের দলে
পরিণত হওয়া আর্জেন্টিনাকে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ১-০ গোলে
হারিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্পেন।
১৯৭০
ও ৮০-র দশকের
ঐতিহ্য ফিরিয়ে ২০২২ সালে উয়েম্বলিতে ইতালিকে ৩-০ গোলে
হারিয়ে নতুন সংস্করণের প্রথম ফিনালিসিমা ট্রফিটি জিতেছিল আলবিসেলেস্তারা। এবার যদি নভেম্বরে প্রস্তাবিত এই ম্যাচটি বাস্তবায়িত
হয়, তবে একদিকে যেমন থাকবে লা রোহাদের বিশ্বসেরার
তকমা আরও পোক্ত করার লড়াই, অন্যদিকে আর্জেন্টিনার সামনে থাকবে স্প্যানিশ কৌশলের জবাব দিয়ে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পুনরুদ্ধার করার মোক্ষম সময়।
মন্তব্য করুন


এখন
পর্যন্ত ১৪০টি দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সোমবার
(৮ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে
তিনি এ কথা বলেন।
ডেঙ্গু
রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের
এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) হস্তান্তর উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত
হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, ১৪০টি দেশে আমাদের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। এতে আমরা গর্বিত। এখন
দেশে টিকা তৈরি করতে পারলে সেটার পরিসর আরও বাড়বে। ওষুধ শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমরাও
সহযোগিতা করে যাব।
তিনি
বলেন, সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে আমরা নির্দেশনা পেয়েছি,
আমাদের শাখাগুলো বাড়াতে হবে। আমাদের অনেকগুলো জানালা খুলতে হবে। নাহলে একটি মন্ত্রণালয়
ভালোভাবে চলতে পারে না।
স্বাস্থ্য
প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, সামনে ডেঙ্গু মৌসুম আসছে, সে বিষয়ে আমরা সর্বাত্মক
প্রস্তুতি নিচ্ছি। পরিকল্পনা, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছি। পাশাপাশি
যারা আক্রান্ত হবেন, তারা যাতে যথাযথ চিকিৎসা পান, সেই ব্যবস্থা করছি।
প্রতিমন্ত্রী
বলেন, গত তিন মাসে স্বাস্থ্যখাতে কৌশলগত বড় পরিবর্তন এসেছে। আমরা সবাই দেশের স্বার্থে
একসঙ্গে কাজ করতে পারছি।
মন্তব্য করুন


২০২৫
সালের তুলনায় দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, পুলিশের কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষিত অপরাধচিত্রের পরিসংখ্যান
ও জেলাভিত্তিক সমন্বিত তথ্য বিশ্লেষণ করেই এ মূল্যায়ন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
(৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে
এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সাম্প্রতিক
সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,
খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, অস্ত্র মামলা, নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধের মাসিক পরিসংখ্যান
পুলিশ সদর দপ্তরে কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণ ও নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়। এসব তথ্যের সঙ্গে
আগের বছরের পরিসংখ্যান তুলনা করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন,
২০২৫ সালের তুলনায় আমাদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো, সংখ্যা দিয়ে দেখিয়েছি। এটা
হচ্ছে আমাদের সরকারি সূত্র। আপনারা চাইলে যাচাই করতে পারেন। অন্য কোনো সরকারি কর্মকর্তা
বা উপদেষ্টার বক্তব্যের সঙ্গে পুলিশের তথ্যের বিরোধ তৈরি না করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী
বলেন, কারও কাছে ভিন্ন কোনো পরিসংখ্যান থাকলে তা যাচাইয়ের জন্য পুলিশকে দিতে হবে।
শিশু
নিখোঁজের জিডি ১৫ হাজারের মতো হয়েছে এবং আগের সময়ের তুলনায় তা বেড়েছে সাংবাদিকদের এমন
প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওই তথ্যের সূত্র জানতে চান। তিনি বলেন, সেই কাগজটা
আমাদের দেন, তথ্যটা আমরা একটু যাচাই করে দেখি। আমাদের সূত্র এটা নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আরও বলেন, পুলিশ সদর দপ্তরে প্রতিটি জেলা থেকে মাসিক অপরাধের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে
সেগুলো কেন্দ্রীয়ভাবে সংকলন করে সারাদেশের অপরাধচিত্র তৈরি করা হয় এবং নিয়মিত তা পর্যবেক্ষণ
করা হয়। তিনি বলেন, আমি কথা বলব ডাটাভিত্তিক, প্রমাণভিত্তিক, আমাদের পুলিশের রেকর্ডভিত্তিক।
সে ডাটাটা আপনারা যাচাই করতে পারবেন।
আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি নিয়ে সরকার কতটা সন্তুষ্ট এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান চিত্রে সরকার
সন্তুষ্ট হলেও জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে সময় লাগবে। সাম্প্রতিক
ছিনতাইয়ের ঘটনায় এক শিক্ষিকার মৃত্যুর প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঘটনার
১২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। পরে
গোয়েন্দা পুলিশ আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করে তাদের কাছ থেকে মালামাল জব্দ করেছে এবং আদালতে
সোপর্দ করেছে।
ছিনতাইকারীরা
এখনো সক্রিয় সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আগে নোটিশ
দিয়ে অপরাধ সংঘটিত হয় না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের কারণে ছিনতাইয়ের প্রবণতা
এরই মধ্যে কমেছে এবং ভবিষ্যতে আরও কমবে। এ সময় বাহিনীর ভেতরে থাকা কিছু পুলিশ সদস্য
সরকারকে বিব্রত করতে বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে গোপনে বাধা দিচ্ছেন কি না এমন
প্রশ্নও করা হয়। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের কোনো তথ্য থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীকে দিতে হবে। বাহিনীর অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা কার্যক্রম চালু রয়েছে এবং সেখান থেকেও
বিষয়গুলো শনাক্ত করা হয়। আপনার কাছে তথ্য থাকলে দেন, আমরা যাচাই করবো। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
আরও ভালো হবে কি না এ প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই। আমরা দেশের মানুষের
প্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করতে পারবো।
মন্তব্য করুন


১৫
দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ শেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
আলোচিত ফুটপাতের খাবারের দোকানের মালিক ‘ভাইরাল মিজান’।
রোববার
(২৩ আগস্ট) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) জেলার সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন। তিনি জানান, দুপুরের আগেই কারা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার
পর মিজানকে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
কারাগার
থেকে মুক্তির পর নিজের দোকান ও ফুটপাতের ব্যবসা নিয়ে হুঁশিয়ারি দেন মিজানুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরের যদি একটা দোকান ফুটপাতে থাকে, মিজানেরটাও থাকতে হইবো। এইটাই
আমার চাওয়া। না হলে এই দেশে মানবতার কোনো দাম নাই।’
তিনি
আরও বলেন, তার ‘ভাইরাল’ পরিচিতিকে ব্যবহার করে কোনো চাওয়া-পাওয়া
নেই। নিজের দোকানটি যেভাবে ভেঙে দেওয়া হয়েছে, সেটি আবার করার জন্য অন্তত জায়গা দেওয়ার
দাবি জানান তিনি।
কারাগার
সূত্র জানায়, নির্ধারিত মেয়াদের সাজা শেষ হওয়ার পর রোববার সকালে মিজানকে কারাগার থেকে
মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় জেলগেটে তার স্বজন ও কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী উপস্থিত ছিলেন।
এর
আগে গত ৯ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগারগাঁওয়ে
নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন
করছিল বিদ্যুৎ বিভাগ। এরই ধারাবাহিকতায় মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন
করতে বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেখানে যান।
এ
সময় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিজানের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে ঘটনাস্থলে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আগারগাঁওয়ের
ফুটপাতে ছোট একটি ভাতের দোকান চালিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পান মিজানুর রহমান
মিজান। তার দোকানে মাত্র ১০০ টাকায় এক পিস গরুর মাংসের সঙ্গে ভাত, আলু ও ডাল খাওয়ার
সুযোগ থাকায় অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসে।
দোকানটির
নাম ছিল ‘নিজের হাতে লইয়া খাবেন, ১৪ বার নিয়ে খাবেন’। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি
‘গরিবের বুফে’ নামেও পরিচিতি পায়। দোকানে খাবার পরিবেশন ও খাওয়ার ব্যতিক্রমী
পদ্ধতির বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মিজানুর রহমান মিজান
‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
মন্তব্য করুন


বগুড়ায়
অজ্ঞাত এক যানবাহনের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা ও মেয়ে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর
আহত হয়েছেন আরও একজন।
সোমবার
(২৫ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে শাজাহানপুর উপজেলার বনানী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা
হলেন আনিছুর রহমান (৩৫) ও তার মেয়ে আয়শা খাতুন (৪)। আহত পুষ্পা আক্তার (২৮) নিহত আনিছুরের
স্ত্রী। তারা পাবনা জেলার সুজানগর থানার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা।
বগুড়া
ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম জানান, রংপুরে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকে কর্মরত
আনিছুর রহমান তার স্ত্রী আয়েশা বেগম এবং মেয়ে পুষ্পকে নিয়ে ঈদের ছুটিতে মোটরসাইকেলে
গ্রামের বাড়ি পাবনায় যাচ্ছিলেন। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার বনানী
এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাত এক যানবাহনের ধাক্কায় তারা মোটরসাইকেল থেকে মহাসড়কের ওপর ছিটকে
পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই বাবা ও মেয়ের মৃত্যু হয় এবং আয়েশা বেগম আহত হন।
খবর
পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা সকাল ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার
করেন এবং আহত পুষ্পা আক্তারকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি
করেন।
শাজাহানপুর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল বলেন, দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি
ফুটেজ দেখে অজ্ঞাত যানবাহনটি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী শপিং মল ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজায় অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে মেগা র্যাফেল ড্র-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। মার্কেটের পঞ্চম তলায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু। হাফেজ ইয়াকুব আলীর পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে মোট ১০১ জন ভাগ্যবান বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়, যার মধ্যে আকর্ষণীয় পুরস্কার হিসেবে ছিল পাঁচটি মোটরসাইকেল।
ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ মঞ্জুরুল আলম ভূইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট আবদুল মমিন ফেরদৌস, উপদেষ্টা আলহাজ্ব শাহ মোঃ আলমগীর খান এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব মোঃ নুরে আলম ভূইয়া। সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও সাংবাদিক মোঃ এমদাদুল হক সোহাগের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মালিক সমিতির উপদেষ্টা মোঃ মিজানুর রহমান।
অনুষ্ঠানে ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজা দোকান মালিক সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ জাকির হোসেন, সহসভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মামুনুর রশীদ মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাসান মোর্শেদ, অর্থ সম্পাদক মিয়া বাতেন এবং প্রচার সম্পাদক মোঃ মোতাহের হোসেন। এছাড়াও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুর রব ভূইয়া লিটন, জাকির হোসেন-১, মাহবুবুর রহমান মামুন, সোহাগ শেখ ও জাকির হোসেন-২ সহ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও বিপুল সংখ্যক ক্রেতা-সাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


শনিবার (২২ জুন) দিল্লির
হায়দ্রাবাদ হাউসে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ই-মেডিকেল ভিসা চালুর
ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে
অন্তত ১০টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।
দুই প্রধানমন্ত্রীর যৌথ সংবাদ
সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ই-মেডিকেল
ভিসা চালু করা হবে।
এছাড়া বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের
জনগণের সুবিধার্থে রংপুরে একটি নতুন সহকারী হাইকমিশন খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি আজ সন্ধ্যায়
ক্রিকেট বিশ্বকাপ ম্যাচের জন্য উভয় দলকে শুভ কামনা জানাই। বাংলাদেশ ভারতের বৃহত্তম
উন্নয়ন অংশীদার এবং আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেই।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান,
বাংলাদেশ ভারতের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ককে সর্বোচ্চ
অগ্রাধিকার দিই।
শেখ হাসিনা-মোদির বৈঠক
নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধন আরও গভীর করার লক্ষ্যে আলোচনা
করেছেন।
এই আলোচনায় উন্নয়ন অংশীদারত্ব,
জ্বালানি, পানিসম্পদ, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আরও অনেককিছুসহ দ্বিপাক্ষিক
সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এদিন সকালে ফোরকোর্টের রাষ্ট্রপতি
ভবনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় শেখ
হাসিনা সশস্ত্র সালাম গ্রহণ ও গার্ড অব অনার পরিদর্শন করেন। সকাল ৯টায় রাষ্ট্রপতি ভবনে
পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা সচিবালয়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর শেখ হাসিনা
রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সন্ধ্যা ৬টায়
প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে নয়াদিল্লি ত্যাগ করবেন। রাত ৯টায়
তিনি ঢাকায় অবতরণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সবশেষ, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে
শেখ হাসিনা দিল্লিতে শেষ দ্বিপক্ষীয় সফর করেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, তৈরি পোশাক শিল্পের পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের
নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সম্ভাবনাময়
পরবর্তী প্রধান এই চালিকা শক্তিকে বাস্তবে রূপ দিতে সরকার ইতিমধ্যে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ
সৃষ্টিসহ সর্বাত্মক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।’
আজ
শনিবার রাজধানীর নভোথিয়েটারে ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট
২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী
এ কথা বলেন।
বাংলাদেশকে
বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেক উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে দুই
দিনব্যাপী ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট-২০২৬ এর আয়োজন
করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যা
হবে স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ ও প্রযুক্তিনির্ভর।
সেমিকন্ডাক্টরকে
চতুর্থ ও পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের অন্যতম ভিত্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস, ডেটা সেন্টার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, চিকিৎসা প্রযুক্তি, মুঠোফোন
থেকে শুরু করে মহাকাশ প্রযুক্তি—সব ক্ষেত্রেই চিপ বা সেমিকন্ডাক্টর
অপরিহার্য।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যেই বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর বাজারের আকার প্রায় ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন
ডলারে পৌঁছাবে। এই বিশাল বাজারে বাংলাদেশের জন্যও উল্লেখযোগ্য সুযোগ আছে। তাঁর বিশ্বাস,
২০৩০ সালের মধ্যে এ খাত থেকে নির্ধারিত রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।
সেমিকন্ডাক্টর
শিল্পের বিকাশকে শুধু একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নয়, বরং একটি জাতীয় মিশন হিসেবে উল্লেখ
করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান, শিল্পমালিক,
উদ্যোক্তা এবং প্রবাসী বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
এ
খাতকে ত্বরান্বিত করতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
‘চলতি বাজেটে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর থেকে সব ধরনের কর
ও শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন সার্ভিসের রপ্তানি আয়ের
ওপর নগদ প্রণোদনা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সরকার প্রথমবারের
মতো বছরে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ অনুদান বরাদ্দ দিয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
এর বিতরণপ্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
বিদেশি
ও দেশীয় বিনিয়োগ আকর্ষণে বন্ডেড সুবিধা এবং বিশেষায়িত অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগের
কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান হাইটেক পার্কগুলোর আধুনিকায়নের পাশাপাশি
নতুন একটি বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর
সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ ঢাকার
নভোথিয়েটারে
ন্যাশনাল
সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান। আন্তর্জাতিক বাজারের কঠিন প্রতিযোগিতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় আশাবাদ
ব্যক্ত করে বলেন, ‘নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অদম্য ইচ্ছা
রয়েছে। আমাদের মেধা, দক্ষ তারুণ্য এবং উদ্ভাবনী শক্তির ওপর ভর করেই আমরা এই লক্ষ্য
অর্জন করব। সরকার আপনাদের স্বপ্ন ও অদম্য ইচ্ছাকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাধ্যের
সবটুকু দিয়ে পাশে থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রী
আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘এই সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন অংশীদারত্ব, গবেষণা উদ্যোগ এবং বিনিয়োগের
সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।’
অনুষ্ঠান
শেষে প্রধানমন্ত্রী ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট ২০২৬’-এর
উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।
‘বৈশ্বিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের
সেমিকন্ডাক্টর ভবিষ্যৎ নির্মাণ’—প্রতিপাদ্যে দুই দিনের এ সামিটের আয়োজন
করেছে সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
এবং সিলিকন রিভার বাংলাদেশ।
সামিটের
পাশাপাশি আয়োজিত বিইএআর ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬-এ ৩৫টি স্টলে শিক্ষার্থী ও স্টার্টআপ উদ্যোক্তারা
সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস, স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি ও অন্যান্য ডিপ-টেক
উদ্ভাবন প্রদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রী প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।
মন্তব্য করুন


নেপাল
ও তিব্বতের সীমান্ত এলাকায় আকস্মিক বন্যায় এখন পর্যন্ত ৬৭৫ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। ভয়াবহ
এ দুযোর্গের ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পর
আজ রোববার (৩০ আগস্ট) পঞ্চম
দিনেও জোরালোভাবে চলছে উদ্ধার অভিযান।
নেপালের
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে অন্তত ৬৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো ২ হাজার ৪০০
জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে ১৮ হাজার ৭০০-এর বেশি উদ্ধারকর্মী
কাজ করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের
ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের
ধারণা, একটি হিমবাহ ধসে পড়ার কারণে এই ভয়াবহ পানির
স্রোত সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।
এদিকে,
নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২৬১ জন বিদেশি নাগরিককে
উদ্ধার করা হয়েছে। তবে আরও ৩২০ জন বিদেশি নাগরিকের
কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
উদ্ধার
হওয়া বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে রয়েছেন— ভারতের ১৬৭ জন, চীনের ৪০ জন, ইউক্রেনের
৮ জন, জার্মানির ৪ জন, মাল্টার
৪ জন যুক্তরাষ্ট্রের ৩
জন, ইতালির ২ জন, রাশিয়ার
২ জন, স্পেনের ২ জন, সুইজারল্যান্ডের
২ জন, তুরস্কের ২ জন, বেলজিয়ামের
১ জন, বুলগেরিয়ার ১ জন, ওমানের
১ জন, পর্তুগারের ১ জন এবং অন্যান্য/পরিচয় শনাক্ত হয়নি ২১ জন রয়েছেন।
অন্যদিকে, চীনের
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতে এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু
হয়েছে। সেখানে আরও ৫৫৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
ভয়াবহ
এই দুর্যোগের পর সীমান্তবর্তী দুর্গম
এলাকাগুলোতে উদ্ধার অভিযান চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তারপরও নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধারকারী দলগুলো সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সরকারি এবং বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে।
আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের অনলাইন আবেদন ফরম পূরণের সময়সীমা ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
গত ২৪ অক্টোবর শুরু হয়ে ১৪ নভেম্বর আবেদনের শেষ সময় ছিল।
আবেদন ফরম পূরণের পর রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে।
মন্তব্য করুন