

চলছে
মাংস কাটার যন্ত্রপাতির শান দেওয়ার কাজ। নিচ্ছেন কসাইরা ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি।
দলগতভাবে
এসব কসাই দু-একদিনর মধ্যে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে। প্রতিবছর তারা এভাবে ঢাকায় গিয়ে থাকেন।
এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। স্থানীয় ট্রাভেল এজেন্সি থেকে তারা বিমান টিকিটও কিনেছেন।
সৈয়দপুর
মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাদিম ছোটুয়া জানান, প্রতিবছর নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে
বিপুলসংখ্যক কসাই কোরবানির মাংস কাটতে এবং বাড়তি আয়ের জন্য ঢাকামুখী হয়ে থাকেন। ঈদের
আগে বিমানগুলো ভাড়া কমিয়ে থাকেন। এ সুযোগটি নিয়ে থাকেন কসাইরা।
তিনি
জানান, সৈয়দপুরে এক লাখ টাকা দামের একটি গরু বানিয়ে সর্বোচ্চ আট হাজার টাকা পাওয়া যায়।
অথচ ঢাকায় একই কাজের জন্য পাওয়া যায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। একজন অভিজ্ঞ কসাই ঈদের
তিনদিনে অন্তত ১০টি গরুর মাংস কাটতে পারেন। ফলে তিনদিনের কাজ শেষে অনেকে ভালো আয় করে
বাড়ি ফেরেন।
সৈয়দপুর
থেকে ঢাকা চলাচলকারী নাবিল এন্টারপ্রাইজ, হানিফ এন্টারপ্রাইজ ও নাদের পরিবহনে ঢাকা
যাওয়ার জন্য টিকিট কেটেছেন কসাইরা। অনেকে টিকিট নিয়েছেন বিমানের। এভাবে যাতায়াতে কসাইরা
সৈয়দপুরের কসাই সমিতি থেকে টাকা-পয়সা ধার নিয়েছেন।
সৈয়দপুরের
উপকণ্ঠের কসাই আলাউদ্দিন জানান, আমাদের কসাইয়ের মোবাইলফোন নম্বর ঢাকার কোরবানিদাতার
কাছে রয়েছে। কয়জন লাগবে সে অনুযায়ী আমরা কসাই নিয়ে যাই। আমার দল মূলত গুলশান, বনানী
এলাকায় কাজ করে থাকেন।
ঈদ
শেষে আবার কেউ প্লেনে, কেউ বাস বা ট্রেনে করে ফিরে আসেন। শুরু হয় পুরোনো জীবনের ব্যস্ততা।
মন্তব্য করুন


আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) বৈঠকে বসবে আওয়ামী লীগ।
(২২ নভেম্বর) বুধবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন দলের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা শুরু হবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সভার প্রথম দিনে রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের সংসদীয় আসনগুলোর মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে।পর্যায়ক্রমে এ সভায় ৩০০ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।
বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, এবার নির্বাচনকালে প্রধানমন্ত্রী গণভবনে রাজনৈতিক কোনো কার্যক্রম করবেন না। মনোনয়ন বোর্ডের সভা ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে হবে বলেও জানান তিনি।
আসন্ন নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন মোট ৩ হাজার ৩৬২ জন। জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের বিপরীতে তারা মনোনয়ন ফরম কেনেন। প্রতি আসনে গড়ে ১১ জন এ ফরম কিনেছেন।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের উপপরিচালক মো. আলা উদ্দিন আল মামুন সব সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য পাঠানো নির্দেশনাটিতে আগামী ২ জানুয়ারির মধ্যে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন করার জন্য মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এতে বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ আগামী ২ জানুয়ারির মধ্যে অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে। সে পরিপ্রেক্ষিতে পরিবর্তিত তারিখ পাঠিয়ে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।
আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ১০৩টি। ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন ও নারী ভোটার ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৮৫২ জন।
নির্বাচনে ২৭টি দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮৯৬ জন। তবে উচ্চ আদালত থেকে নির্দেশনা এলে এ সংখ্যা আরও বাড়তে বা কমতে পারে।
চার লাখ ছয় হাজার ৩৬৪ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তাদের ভোটগ্রহণের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন , দুই লাখ ৮৭ হাজার ৭২২ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পাঁচ লাখ ৭৫ হাজার ৪৪৩ জন পোলিং কর্মকর্তা। মোট নয় লাখ নয় হাজার ৫২৯ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন।
ইসি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে স্কুল-কলেজের শিক্ষক, ব্যাংক কর্মকর্তাসহ সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের নিয়োগ করেছে ।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল
সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক চলে।
বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের গত এক মাসের
কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করা হয়। এ ছাড়াও আগামীতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করণীয় নিয়েও আলোচনা
করেন উপদেষ্টারা। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে
বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দুপুর পৌনে ৩টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মানুষের আস্থা ফেরাতে কাজ করবে নতুন সরকার।
এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আজকে আমার আবু সাঈদের (রংপুরে গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী) কথা মনে পড়ছে। যে আবু সাঈদের কথা দেশের প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশে দ্বিতীয় স্বাধীনতা এসেছে।’
দেশের কোথাও হামলা না করার আহ্বান জানিয়ে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, যদি আমাকে বিশ্বাস করেন তাহলে সারাদেশে চলমান হামলা বন্ধ না করেন। তা না করলে আমার এখানে প্রয়োজন নেই। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম সে বাংলাদেশ যেন পূর্ণতা পায়। এই স্বাধীনতার সুফল সবার ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।
এসময় তিনি তরুণ সমাজকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, তরুণ সমাজ যেন নিজেদের মতো করে দেশটা সাজাতে পারে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্তির পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে দেশের অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আজ বৃহস্পতিবার শপথ নিতে যাচ্ছে। এদিন রাত সাড়ে ৮টা শপথ অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। অলিম্পিক কমিটির আমন্ত্রণে বিশেষ অতিথি হিসেবে ফ্রান্সের প্যারিসে গিয়েছিলেন ড. ইউনূস। সেখানে তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন, তার একটি ছোট অস্ত্রোপচার হয়েছে। এরপর দেশে ফিরলেন।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় পশুর হাটে বেশি দামে বিক্রির আশায় ছাগলকে জোরপূর্বক পানি খাইয়ে
ওজন বাড়ানোর চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। এই অমানবিক ও প্রতারণামূলক ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে
ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে অভিযুক্ত
বাদশা মিয়া ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ।
জানা
যায়, বুধবার (২৪ জুন) উপজেলার রূপসদী উত্তর বাজারের পশুর হাটের পেছনের একটি গলিতে
এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন অসাধু ব্যক্তি একটি নলকূপের
সঙ্গে লম্বা পাইপ যুক্ত করে একের পর এক ছাগলকে জোর করে অতিরিক্ত পানি খাওয়াচ্ছেন।
সাময়িকভাবে ছাগলের ওজন বাড়িয়ে ক্রেতাদের ঠকিয়ে বাড়তি মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যেই
এমন নিষ্ঠুর পন্থা বেছে নেওয়া হয়েছিল।
স্থানীয়দের
অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযুক্ত বাদশা মিয়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আইয়ুবপুর
ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কড়ইকান্দি (ফেরিঘাট) এলাকার বাসিন্দা। ভিডিওটি ভাইরাল
হওয়ার পরপরই পুলিশ তদন্তে নামে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আবদুর রউফ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মূল অভিযুক্ত বাদশা
মিয়াসহ তার সহযোগীকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এই
অমানবিক প্রক্রিয়ার বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞরা।
তাদের মতে, জোর করে অতিরিক্ত পানি পান করানো পশুর স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
এতে পশুর শরীরে অস্বাভাবিক চাপ সৃষ্টি হয় ।
জেলা
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, 'পশুর ওজন বাড়ানোর
উদ্দেশ্যে জোর করে অতিরিক্ত পানি পান করানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।' তিনি আরও জানান,
এভাবে সাময়িকভাবে ওজন বাড়লেও সেটি প্রকৃত ওজন নয়, ফলে সাধারণ ক্রেতারা চরমভাবে প্রতারিত
হন।
এলাকাবাসী
ও হাটে আসা সাধারণ ক্রেতারা ঘটনাটিকে কেবল প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা নয়, বরং প্রতারণার
এক অভিনব কৌশল হিসেবে দেখছেন। তারা এই প্রতারক চক্রের সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে পশুর হাটে এ ধরনের অসাধু কর্মকাণ্ড করার
সাহস কেউ না পায়৷
মন্তব্য করুন


গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সারাদেশে ১ হাজার ২৯৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
আজ রোববার (২০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৯৬ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৮২ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৪২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২২৬ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৮ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪২ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৬ জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ছয়জন রয়েছেন।
চলতি বছরের ২০ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৪৯ হাজার ৮৮০ জন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক দুই শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক আট শতাংশ নারী রয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ২৪৭ জন।
২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি
পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর পরীক্ষার্থীদের দেওয়া হবে
বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার
(১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী
অধিবেশনে স্পষ্ট করে বলেন, পদার্থবিজ্ঞানের ভুল দুটি প্রশ্নে সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ
নম্বর দেওয়া হবে। কোনো শিক্ষার্থী যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য আন্তঃশিক্ষা বোর্ড
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি ইতোমধ্যে একটি গণবিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে।
তিনি
বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিয়েছিল। পরীক্ষা
চলাকালে সারাদিন সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের (স্টেকহোল্ডার) সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। তাদের
সবার মূল্যায়ন অনুযায়ী, পরীক্ষা সার্বিকভাবে ভালো হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী
জানান, শুধু কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রের মাঠে বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ায় কিছুটা
অসুবিধা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্রটিতে পরীক্ষা বিলম্বে শুরু করার
নির্দেশ দেওয়া হয়।
তিনি
আরও বলেন, এক পরীক্ষার্থীর পোশাক ভিজে যাওয়ায় তাকে বাড়ি থেকে পোশাক এনে পরিবর্তনের
সুযোগ দেওয়া হয়। পরে তার পরীক্ষা এক ঘণ্টা বিলম্বে নেওয়া হয় এবং সে অনুযায়ী পরীক্ষার
সময়ও বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


টিকিট
না থাকায় ১০০ টাকা জরিমানার জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা রেলওয়ে স্টেশনে স্টেশন মাস্টারকে
মারধর ও সরকারি সম্পদ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সুমন মিয়া নামে এক ব্রাজিল ফুটবল
সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার
(২১ জুন) সকাল সোয়া ৯টার দিকে উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন কসবা স্টেশনে পৌঁছালে টিকিটবিহীন
যাত্রী সুমন মিয়ার কাছ থেকে ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পরে তিনি স্টেশন মাস্টার
মোহাম্মদ শফিকুর রহমানের কক্ষে গিয়ে জরিমানার ব্যাখ্যা দাবি করেন।
স্টেশন
মাস্টার তাকে জানান, টিকিট পরীক্ষা ও জরিমানা আদায়ের দায়িত্ব ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক
ও রেলওয়ে পুলিশের, স্টেশন মাস্টারের এতে কোনো ভূমিকা নেই। এ কথা শুনে সুমন মিয়া ক্ষিপ্ত
হয়ে ওঠেন এবং স্টেশন মাস্টারকে বেধড়ক মারধর করেন। এ সময় তিনি স্টেশনের অ্যানাউন্সমেন্ট
মাইক, কম্পিউটার, টেলিফোন, ওয়াকিটকি-সহ বিভিন্ন সরকারি সরঞ্জাম ভাঙচুর করেন।
পরে
স্থানীয় জনতার সহায়তায় তাকে আটক করে কসবা থানায় সোপর্দ করা হয়। আটক সুমন মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
গোপীনাথপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা।
কসবা
থানার ওসি নাজনীন সুলতানা জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর
করা হবে। আখাউড়া রেলওয়ে থানার ওসি আব্দুল কুদ্দুস বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন এবং
তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আহত
স্টেশন মাস্টারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি
রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


পুশির
হাতে কামড় দিয়ে ও ধস্তাধস্তি করে হাতকড়া নিয়েই দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেও লাভ হয়নি
এক ডাকাতের।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
নাসিরনগরে ছদ্মবেশে জীবন মিয়া নামে এক ডাকাতকে ধরে কাঁধে করে থানায় নিয়ে আসেন পুলিশ।
ডাকাত জীবন মিয়া ছাড়া পাওয়ার জন্য পুলিশের হাতে কামড় দিতে থাকলেও হাল ছাড়েননি এসআই
রুপন নাথ।
শুক্রবার
(২৩ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের একটি জমি থেকে তাকে গ্রেফতার করা
হয়।
গ্রেফতারকৃত
জীবন মিয়া হরিপুর গ্রামের হুরন আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে থানায় একাধিক ডাকাতি
মামলা রয়েছে। সম্প্রতি সে মাধবপুর-হরিপুর সড়কে ডাকাতি করে আসছিলেন।
পুলিশ
জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবন মিয়ার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে পুলিশ। জীবনকে
গ্রেফতারের দায়িত্বে থাকা নাসিরনগর থানা পুলিশের এসআই রুপন নাথ আরও একজন কর্মকর্তা
ও তিন পুলিশ কনস্টেবলকে নিয়ে হরিপুরে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন জীবন তার সঙ্গীদের
দিয়ে একটি জমিতে বসে ইয়াবা সেবন করছিলেন। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে জীবন ও তার
সঙ্গীদের কাছে ইফতার করার জন্য পানি চান। তখন একপর্যায়ে জীবনকে আটক করে পড়ানো হয় হাতকড়া।
এসময় জীবন মিয়া পুলিশ কনস্টেবল রানার হাতে কামড় দিয়ে ও ধস্তাধস্তি করে হাতকড়া নিয়েই
দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ সদস্যরাও ছুটে গিয়ে আবার তাকে আটক করে। একপর্যায়ে
এএসআই মো. কামরুল ডাকাত সদস্যকে কাঁধে তুলেনেন। কিছুদূর আনার পর তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায়
করে কড়া পুলিশ পাহারায় থানায় নিয়ে আসা হয়।
এ
ব্যাপারে এসআই রূপন নাথ সাংবাদিকদের জানান, পাঁচজন মিলে এ অভিযান চালানো হয়। ডাকাত
জীবন খুবই চতুর। সে পালানোর চেষ্টা করেছিল। একপর্যায়ে তাকে বাধ্য হয়ে কাঁধে তুলে নিয়ে
আসা হয়। এ ঘটনায় রানা নামে এক পুলিশ কনস্টেবল আহত আহত হন।
এ
ব্যাপারে নাসিরনগর থানার ওসি মো. সোহাগ রানা বলেন, ডাকাত জীবন খুবই চতুর প্রকৃতির।
তাকে গ্রেফতার করা যাচ্ছিল না। শনিবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
মন্তব্য করুন


ভারতের
বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত মুম্বাইয়ে অল্পের জন্য বড় ধরনের এক ট্র্যাজেডি এড়াতে
সক্ষম হয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। গত শুক্রবার (২৬ জুন) তাজিয়া মিছিলে বিষাক্ত ক্যাপসুল
বিতরণের সময় পুলিশ হাতেনাতে এক ব্যক্তিকে আটক করে। পরে ফাইয়াজ প্রেমজি নামের ওই ব্যক্তি
জানায়, মিছিলে বিষাক্ত ক্যাপসুল বিতরণ করে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল তার।
পুলিশ
সূত্রে জানা যায়, মুম্বাইয়ের বাইকুল্লা এলাকায় তাজিয়া মিছিলের সময় ফাইয়াজের দেয়া ক্যাপসুল
সেবন করে প্রায় ডজনখানেক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে পরীক্ষায় দেখা যায়, ক্যাপসুলগুলোতে
জিঙ্ক ফসফাইড ছিল, যা ইঁদুর মারার বিষ ও অন্যান্য রোডেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত অত্যন্ত
প্রাণঘাতী রাসায়নিক। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ফাইয়াজ জিজ্ঞাসাবাদে হাজারও মানুষকে
বিষপ্রয়োগে হত্যার পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন। শনিবার (২৭ জুন) স্থানীয় আদালত
তাকে দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছেন।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, রেয়ে রোডের রেহমতাবাদ কবরস্থানের কাছে
আশুরার শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ফাইয়াজকে ক্যাপসুল বিতরণ করতে দেখা যায়।
ভিড়ের সুযোগ নিয়ে সেগুলোকে ব্যথানাশক ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিকারী ওষুধ বলে প্রচারের
চেষ্টা করেন তিনি। সূত্র জানায়, অন্তত ১১ জন ওই ক্যাপসুল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
তাদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সবাই আশঙ্কামুক্ত। আক্রান্তদের
একজন সালমান সাইয়েদ ক্যাপসুল খাওয়ার পর পেটব্যথা ও বমির অভিযোগ করেন।
পুলিশের
উপকমিশনার (ডিসিপি) জয়ন্ত মীনা জানান, ক্যাপসুলে জিঙ্ক ফসফাইড মিশিয়েছিল ফাইয়াজ।
এ ধরনের ক্যাপসুল বিতরণের জন্য তার প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছিল না। দ্রুত অভিযান চালিয়ে
পুলিশ অভিযুক্তের কাছে থাকা বিপুল পরিমাণ ক্যাপসুল জব্দ করে। জব্দ করা ক্যাপসুলের সংখ্যা
ছিল অন্তত ১৪ হাজার ৯০০টি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক
ক্যাপসুল বিতরণ করা হয়েছিল। আরও ৩০ হাজার খালি ক্যাপসুল এবং ৫০ কেজি ফসফরাসের অর্ডার
দিয়েছিল ফাইয়াজ।
পুলিশ
সূত্রে জানা গেছে, সেদিন তিন নারী স্বেচ্ছাসেবকের তৎপরতায় হাজারও মানুষের জীবন রক্ষা
পেয়েছে। তাদের একজন প্রথমে অভিযুক্তকে সন্দেহজনকভাবে ক্যাপসুল বিতরণ করতে দেখে। এরপর
তারা দ্রুত তাকে বাধা দিয়ে পুলিশকে খবর দেন। একই সঙ্গে লাউডস্পিকারে ঘোষণা দিয়ে সবাইকে
ওই ক্যাপসুল না খাওয়ার অনুরোধ করা হয়।
পুলিশ
জানিয়েছে, তাজিয়া মিছিলে অংশ নেয়া হাজারো মানুষকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এই পরিকল্পনা
করেছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন ফাইয়াজ। পুলিশকে তিনি বলেন, ‘আমি অন্তত ১৫
হাজার মানুষকে হত্যা করতে চেয়েছিলাম।’
তার
বিরুদ্ধে বাইকুল্লা থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১২৩ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ধারায় বিষ বা অনুরূপ উপায়ে ক্ষতি সাধনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায়কে শাস্তিযোগ্য
অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফাইয়াজের এই পরিকল্পনার পেছনে কোনও সন্ত্রাসী সংগঠনের
যোগসাজশ আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন