

নেকবর হোসেন
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৮০ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সোমবার (২৪ আগস্ট) ভোরে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)–এর আমানগণ্ডা বিওপির টহল দল আদর্শ গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব গাঁজা উদ্ধার করে।
১০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ জানান, সীমান্তে চোরাচালান ও আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় এ অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার করা গাঁজা আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য চৌদ্দগ্রাম থানায় জমা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) আবাসিক এলাকায় একটি পুরোনো ভবনের ছাদের অংশ ধসে পড়ার
ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার
(২২ জুন) ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় রাত ৯টা ২৯ মিনিট মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর
প্রভাবেই ভবনটির ছাদের কার্নিশের একটি অংশ ভেঙে নিচে পড়ে যায়।
বিষয়টি
নিশ্চিত করে পলাশী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ওয়্যারহাউস কর্মকর্তা অপু কুমার মণ্ডল জানান,
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকম্পের কারণে ভবনের ছাদের কার্নিশের একটি অংশ
ভেঙে নিচে পড়ে যায়। ঘটনার পরপরই এলাকাটি ঘিরে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা
হয়।
তিনি
আরও জানান, ভবনটিতে যেহেতু মানুষ বসবাস করছেন, তাই বাসিন্দাদের সার্বিক নিরাপত্তার
বিষয়টি বিবেচনা করে বুয়েট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ
দেওয়া হয়েছে। ভবনটির দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রকৌশলীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং তিনি দ্রুত
প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ শুরু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থল
পরিদর্শন করে কোনো গুরুতর আহত ব্যক্তিকে পায়নি।
ভূমিকম্প
পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ভলকানো ডিসকভারের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল
রিখটার স্কেলে ৪। এর কেন্দ্রস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার (১০ মাইল) গভীরে,
যা তুলনামূলকভাবে অগভীর হিসেবে বিবেচিত।
ভূমিকম্প
পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২২ জুন) ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল
রিখটার স্কেলে ৪। এর কেন্দ্রস্থল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার গভীরে, যা তুলনামূলকভাবে
অগভীর ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত।
ঘটনার
পর বুয়েটের প্রো-ভিসি ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরী এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক
ও খ্যাতিমান স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার ড. খান মুহাম্মদ আমানত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
তারা ভবনের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের
নির্দেশনা দেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি ভবনটির নিরাপত্তা মূল্যায়ন ও সংস্কার কার্যক্রম
দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মন্তব্য করুন


দেশের
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা ও মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং
সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য
মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রবিবার
(২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-২ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট
জেলা প্রশাসকদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে
বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল,
শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে
বলে আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং জানমালের ব্যাপক
ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ
অবস্থায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার
স্বার্থে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুর মহানগর এলাকা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর
জেলায় ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের
জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের চাহিদার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়েছে।
চিঠির
সঙ্গে ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পাঠানো সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত
চাহিদাপত্রও সংযুক্ত করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলোর কর্মসূচিকে
কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি
সেনাবাহিনীকে মাঠে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেনাসদস্যরা বেসামরিক প্রশাসনকে
সহায়তার অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার তৃতীয় দিনে ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষায় দুই হাজার ৩৩৬ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল| এছাড়াও অসদুপায় অবল¤^নের দায়ে ৮ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে| সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সালাহ&উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন|
তিনি জানান, বোর্ডের অধীন কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোট ৮৫ হাজার ১৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮২ হাজার ৭৯৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়| অবশিষ্ট ২ হাজার ৩৩৬ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল| অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৭৪ শতাংশ|
এদের মধ্যে কুমিল্লায় ৭৪৬ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৫০ জন, চাঁদপুরে ২১৪ জন, ফেনীতে ১৮০ জন, নোয়াখালীতে ৫৮২ জন এবং লক্ষ্মীপুর জেলায় ২৬৪ জন|
উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সালাহ&উদ্দিন আরও বলেন, অসদুপায় অবল¤^নের দায়ে কুমিল্লা জেলায় ৩ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ৩ জন, নোয়াখালী জেলায় এক জন এবং ফেনী জেলায় এক জনসহ মোট ৮ জন পরীক্ষার্থীকে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে|
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, এই প্রজন্মই দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের
রক্ষাকবচ।
তিনি
তার ভেরিফাইড ফেসবুকে ‘কয়েকটি কথা’শিরোনামে
আজ (৯ মে) একটি পোস্টে এই কথা বলেছেন।
তিনি
সেখানে লিখেছেন, একটি দলের এক্টিভিস্টরা বারবার লীগ নিষিদ্ধের আইনি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে
ছাত্ররা রাজি ছিল না, এটা বলে বেড়াচ্ছেন। মিথ্যা কথা। ক্যাবিনেটে প্রথম মিটিং ছিল আমার।
আমি স্পষ্টভাবে এই আইনের অনেকগুলো ধারা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলাম। নাহিদ-আসিফও আমার পক্ষে
ছিল স্বভাবতই। দল হিসেবে বিচারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হলে একজন উপদেষ্টার জবাব ছিল
ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের মত পশ্চাৎপদ উদাহরণ আমরা আমলে নিতে পারি কি-না। এই যুক্তি যিনি
দিয়েছিলেন, একটি দলের এক্টিভিস্টরা আজ সমানে তার পক্ষে স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন ছাত্রদের
কুপোকাত করতে। অথচ, উনার সাথে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। মিছে বিরোধ লাগানোর অপচেষ্টা
করে কোনো লাভ নেই।
বলে
রাখা ভালো, দু’জন আইন ব্যাকগ্রাউন্ডের
উপদেষ্টা (একজন ইতোমধ্যে মারা গিয়েছেন) ও আমাদের বক্তব্যের পক্ষে ছিলেন। সংস্কৃতি উপদেষ্টাও
পক্ষে ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে কথা হয়েছে। দল হিসেবে লীগের বিচারের প্রভিশন
অচিরেই যুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন উক্ত উপদেষ্টা। উনাকে ধন্যবাদ।
মিথ্যা
বলা বন্ধ করুন। ঘোষণাপত্র নিয়ে আপনাদের দুই মাস টালবাহানা নিয়ে আমরা বলব। ছাত্রদের
দল ঘোষণার প্রাক্কালে আপনারা দলীয় বয়ানের একটি ঘোষণাপত্র নিয়ে আলোচনা শুরু করেছিলেন।
সমস্যা নেই, আমরাও চাই সবাই স্বীকৃত হোক। কিন্তু, এখন সেটাও হতে দিবেন না। দোষ আমাদেরও
কম না। আমরা আপনাদের দলীয় প্রধানের আশ্বাসে আস্থা রেখেছিলাম।
পুনশ্চ:
আমরা নির্বাচন পেছাতে চাইনা। ডিসেম্বর টু জুনের মধ্যে নির্বাচন হবেই।
আপনারা
যদি মনে করেন, ছাত্ররা নিজেদের আদর্শ ও পরিকল্পনা নিতে পারে না বরং এখান থেকে ওখান
থেকে অহি আসলে আমরা কিছু করি। তাহলে আপনারা হয় ছাত্রদের খাটো করে দেখছেন, নয়তো ছাত্রদের
ডিলেজিটিমাইজ করার পরিকল্পনায় আছেন। সেই আগস্ট থেকেই আমরা জাতির জন্য যা ভালো মনে করেছি,
সবার পরামর্শ নিয়েই করেছি। বরং, উক্ত দলকেই আমরা বেশি ভরসা করেছি। সবার আগে উনাদের
সাথেই পরামর্শ করেছি। ভরসার বিনিময়ে পেয়েছি অশ্বডিম্ব। সব দোষ এখন ছাত্র উপদেষ্টা নন্দঘোষ!
আমরা
উক্ত দলকে বিশ্বাস করতে চাই। উক্ত দলের প্রধানকে বিশ্বাস করতে চাই। উনি আমাদের বিশ্বাসের
মূল্য দিয়ে লীগ নিষিদ্ধ প্রশ্নে ও ঘোষণাপত্র প্রকাশে দেশপ্রেমিক ও প্রাগমাটিক ভূমিকা
রাখবেন বলেই আস্থা রাখি। উক্ত দলকে নিয়ে কে কি বলবে জানি না কিন্তু আমরা চাই উক্ত দল
ছাত্রদের সাথে নিয়ে দেশের পক্ষে, অভ্যুত্থানের শত্রুদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ঐকমত্যের
নেতৃত্ব দিক। দেশপ্রেমিক ও সার্বভৌমত্বের পক্ষের শক্তি হিসাবে নেতৃত্ব দিলে ছাত্ররা
রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় উনাদের সাথে চলবেন।
ঐক্যবদ্ধ
হোন। নেতৃত্ব দিন। এই প্রজন্মকে হতাশ করবেন না।‘এই
প্রজন্ম দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ।’
মাহফুজ
আলম ২০২৪ এর জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম
সংগঠক ছিলেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটির একজন সমন্বয়ক ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলন থেকে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মাহফুজ আলম।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই দিনে অনুষ্ঠিত তিনটি বিষয়ের পরীক্ষায় মোট ২ হাজার ১০৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল সোয়া ৩টায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সালাহউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, এদিন কুমিল্লা বোর্ডের অধীনে পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র এবং ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ১৯৩টি কেন্দ্রে মোট ৭২ হাজার ২৬৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭০ হাজার ১৫৯ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। বাকি ২ হাজার ১০৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৯১ শতাংশ।
উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরও জানান, অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কুমিল্লায় ৭০৯ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩০১ জন, চাঁদপুরে ১২৮ জন, ফেনীতে ১৮২ জন, নোয়াখালীতে ৫৭২ জন এবং লক্ষ্মীপুরে ২১৩ জন ছিলেন।
এ ছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে কুমিল্লায় একজন, নোয়াখালীতে তিনজন এবং ফেনীতে একজনসহ মোট পাঁচ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কপ ২৯ সম্মেলনের আগে ন্যায়সংগত জলবায়ু
অর্থায়নের জন্য উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
আজ রাজধানীর পরিবেশ অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত
‘রোড টু বাকু: কপ ২৯ - বাংলাদেশে সিএসওগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত অবস্থান’ শীর্ষক
এক সেমিনারে এ আহ্বান জানান তিনি।
পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
বলেন, জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন ও প্রশমন কৌশলগুলো ন্যায়সংগত হতে হবে এবং সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ
জনগোষ্ঠীকে প্রাধান্য দিতে হবে। আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সংকট মোকাবেলায় একশ’ বিলিয়ন ডলার
প্রদানের প্রতিশ্রুতি বাড়াতে হবে। উন্নত দেশগুলোর অর্থ সাহায্য কিছু আর্থিক সমস্যার
সমাধান করলেও প্রকৃত জলবায়ুর ক্ষেত্রে ন্যায় বিচার হবে না।
পরিবেশ উপদেষ্টা বাংলাদেশ বৈশ্বিক উষ্ণতা
১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার বিষয়ে দৃঢ় অবস্থানের আশাবাদ পুন:ব্যক্ত
করেন।
তিনি অভিযোজন পদক্ষেপের ওপর গুরুত্বারোপ
করেন এবং তরুণদের এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার আহ্বান জানান।
এছাড়াও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জগুলো স্পষ্টভাবে
তুলে ধরা এবং উচ্চাভিলাষী প্রশমন উদ্যোগ নিয়ে কথা বলার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন
তিনি।
তিনি কপ ২৯ সম্মেলনের আগে বাংলাদেশে
নাগরিক সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্বও তুলে ধরেন।
উক্ত সেমিনারে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
ড. আবদুল হামিদ, এনএসিওএমের নির্বাহী পরিচালক
ড. এস এম মুনজুরুল হান্নান খান, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ
কবির বক্তব্য রাখেন। এতে বিভিন্ন সিএসও, জলবায়ু কর্মী এবং নীতি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
সেমিনারের মূল লক্ষ্য ছিল কপ ২৯ সম্মেলনের
আগে বাংলাদেশে নাগরিক সমাজের একটি একক অবস্থান গঠন করা।
পরে কপ ২৯ সম্মেলনে জোরালো এডভোকেসির
আহ্বান জানানো হয়, যাতে বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর
কণ্ঠস্বর শোনা যায়।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, পরিবেশ এবং বন সংরক্ষণ ও উন্নয়নে পরিবেশ ও বন
অধিদপ্তরের কোনো কর্মকর্তা কোনো প্রকার দুর্নীতি, অনিয়ম ও অবহেলা প্রদর্শন করলে তাদের
বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিকেলে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৪
আগস্ট) প্রথমবারের মতো বন অধিদপ্তর পরিদর্শন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায়
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
রাজধানীর কাটাবনের পাখি মার্কেটে বিদ্যমান
অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন
মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, দেশের বনকে বনের মতো রাখতে হবে এবং
দেশের পরিবেশের মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিকভাবে নিবেদিত হয়ে কাজ
করতে হবে। বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটকে এখানে নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে।
এখানে সকল প্রকার অবৈধ পাখির ব্যবসা বন্ধে এবং পাখির প্রতি নিষ্ঠুর আচরণকারী ব্যবসায়ীদের
বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এ কাজে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা নেওয়ার আহ্বান
জানান তিনি।
বনের ওপর আগ্রাসন বন্ধে অগ্রাধিকার
ভিত্তিতে বনের সীমানা নির্ধারণ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান পরিবেশ উপদেষ্টা।
মতবিনিময় সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু
পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক, বিভাগীয়
বন কর্মকর্তা, বন অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (১৪ আগস্ট) সকালে পরিবেশ উপদেষ্টা
পরিবেশ অধিদপ্তর পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি পাহাড়
ও টিলা কর্তন, নদীর দূষণ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের
কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, জনগণের
অভিযোগ দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে।
কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান
জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, দৃশ্যমান ফলপ্রসূ কাজের মাধ্যমে মানুষের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে
আনতে হবে।
মতবিনিময় সভায় পরিবেশ উপদেষ্টা পরিবেশ
ও বন অধিদপ্তরের সমস্যা, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জসমূহ শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের
আশ্বাস দেন।
মন্তব্য করুন


জুলাই
শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস
আলম বলেছেন, দুর্নীতিগ্রস্ত সিস্টেমগুলোর জন্য বিগত ১৬ বছরে মানুষ বিরক্ত হতে হতে দেয়ালে
পিঠ ঠেকে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের ১৬ বছরে সবচেয়ে বড় দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল
নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচন কমিশন সংস্কার না করলে কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা
যাবে না। শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য ২ হাজার মানুষ জীবন দেয়নি আর এ অভ্যুত্থানও হয়নি।
আজ
শনিবার (৯ নভেম্বর) সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যদের
হাতে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
সমন্বয়ক
সারজিস আলম বলেন, আমরা বলছি না রাষ্ট্রের সবকিছু সংস্কার করে নির্বাচনে যান। আমরা এটাও
বলছি না আগামী ৫-৬ বছর সংস্কার করেন। কিন্তু সংস্কারের জন্য ন্যূনতম একটা যৌক্তিক সময়
লাগবে। কোনো বিবেকবান মানুষ তার জায়গা থেকে চিন্তা করতে পারবে না যে এক বছরের মধ্যে
সবকিছু সংস্কার হয়ে যাবে। ১৬ বছর ধরে যে সিস্টেমগুলোকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করা হয়েছে,
সেই সিস্টেমগুলোকে সংস্কার করতে একটা যৌক্তিক সময় প্রয়োজন। বিগত ১৬ বছর এমনকি ৫৩ বছর
ধরে বাংলাদেশের সংবিধান পাঁচ বছরের জন্য দেশের মানুষকে একটি ‘জনতার সরকার’উপহার দিতে পারেনি।
আমাদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করতে পারেনি। সেই সাংবিধানিক সংস্কারও প্রয়োজন। প্রত্যেক পাঁচ বছরের জন্য বড় বড় ইশতেহার দিয়ে
প্রতিটি সরকার ক্ষমতায় আসে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরপরই তারা ইশতেহার ভুলে যায়। তারা
ভুলে যায় তারা যে জনতার সরকার। শুধু একটা নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে পারে
না। এর পাশাপাশি অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান জড়িত। এর মধ্যে অন্যতম হলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
একটা সিস্টেমের মধ্যে আনতে হবে। তা না হলে নির্বাচন দিলে আবার জবরদখলের ঘটনা ঘটতে পারে।
ক্ষমতার অপব্যবহার হতে পারে। আবার এ নির্বাচন ঘিরে কোনো সমস্যা দেখা দিলে সেজন্য একটা
বিচারিক প্রক্রিয়া প্রয়োজন। তাই বিচার ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন।
শহীদ
পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চেক বিতরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারা দেশ থেকে প্রায় ১ হাজার
৬০০ জনের বেশি শহীদ পরিবারের তালিকা আমাদের কাছে এসেছে। আপাতত যাচাই-বাছাই করে নির্বাচিতদের
পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক দেওয়া হচ্ছে। আমরা প্রতিটি বিভাগীয় পর্যায়ে গিয়ে
শহীদের পরিবারের হাতে অনুদানের চেক তুলে দিচ্ছি। এটা আমাদের দায়িত্ব। বাকি যারা রয়েছেন
তাদের কাগজপত্র সংগ্রহের কাজ চলছে। সেগুলো হাতে পেলে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হবে।
চেক
বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধসহ ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে যানবাহনসহ ৯২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকার অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের শাড়ি ও থ্রিপিস উদ্ধার করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)। রোববার ভোরে কুমিল্লা সীমান্তবর্তী চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও সদর উপজেলা থেকে এসব মালামাল উদ্ধার করা হয়। রোববার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বিজিবি।
বিজিবি জানায়, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আওতাধীন শিবেরবাজার বিওপি'র বিশেষ টহলদল এবং আদর্শ সদর উপজেলার আওতাধীন কটকবাজার পোস্টের বিশেষ টহল দল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে সীমান্তের ৬ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চৌয়ারা বাজার এবং ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পালপাড়া নামক স্থানে বিজিবি টহল দল কর্তৃক মালিকবিহীন অবস্থায় যানবাহনসহ অবৈধ ভারতীয় শাড়ি, থ্রিপিস, রেডবুল এবং মুভ মলম আটক করে। আটককৃত মালামালের সর্বমোট মূল্য ৯২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা। জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমসে জমা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


উন্নত চিকিৎসার জন্য
শিগগিরই যুক্তরাজ্যে যাবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি
ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে।
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত
চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, বিএনপি
চেয়ারপারসনের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে লন্ডনের কয়েকটি হাসপাতালে যোগাযোগ করা হয়েছে।
খালেদা জিয়ার বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা রয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাকে যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে
বিদেশে পাঠানো হবে, সেখানে সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাজ্যে
তীব্র শীত পড়ার আগেই তাকে সেখানে নিতে চান চিকিৎসকরা। খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে বিশেষায়িত
এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন