

নরসিংদীর
মনোহরদীতে নাতির অপকর্ম ও দেনার দায় থেকে বাঁচতে তার সঙ্গে কোনো প্রকার টাকা লেনদেন
না করার অনুরোধ জানিয়ে গ্রামজুড়ে ব্যতিক্রমী মাইকিং করেছেন এক দাদা।
শনিবার
(২২ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়নের পাইকান ব্যাপারীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মাইকিংয়ের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল
ও নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়।
মাইকের
ঘোষণায় বলা হয়, এলাকাবাসী লক্ষ্য করে শুনুন, দাদা করম আলী ব্যাপারীর পক্ষ থেকে ঘোষণা
করা হচ্ছে—নাতি মো. মাহাবুব মিয়ার সঙ্গে কোনো দোকানি বাকিসহ কেউ যেন
কোনো লেনদেন বা টাকা ধার না দেন। নিষেধ সত্ত্বেও কেউ লেনদেন করলে তার বিরুদ্ধে থানায়
লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে।
স্থানীয়
বাসিন্দারা জানান, মাহাবুব এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তি ও দোকানদারের কাছ থেকে টাকা ধার
নিয়ে পরিশোধ না করে দাদার ওপর দায় চাপিয়ে আসছিলেন। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পরিবার ও নিজের দায়
এড়াতে দাদা করম আলী প্রকাশ্যে এই সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নেন।
বড়চাপা
ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সুলতান উদ্দিন জানান, ঘটনাটি এলাকায় হাস্যরসের পাশাপাশি
কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে। মাহাবুবের অপকর্ম ও দেনার চাপে অতিষ্ঠ হয়েই তার দাদা ব্যতিক্রমী
এই উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই যুবকের ওপর মাদকের প্রভাব থাকতে
পারে।
মন্তব্য করুন


পেশাদারত্ব ও ধৈর্যের পরিচয় দেওয়ায়
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সাধুবাদ পেয়েছেন ক্যাপ্টেন
আশিক।
রোববার (১৮ আগস্ট) সেনাপ্রধানের কার্যালয়ে
এক সাক্ষাতে এই সাধুবাদ জানান সেনাপ্রধান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রতিকূল
পরিস্থিতিতেও পেশাদারত্ব বজায় রাখায় ক্যাপ্টেন আশিককে সাধুবাদ জানান সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।
ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজের জন্য অনুপ্রাণিত করেন তিনি।
এসময় আরও দুই সেনা কর্মকর্তা উপস্থিত
ছিলেন। সেনাপ্রধানের সঙ্গে এক ফটোসেশনে অংশ নিতেও দেখা গেছে আশিককে।
উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি
একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে শাহবাগ থানায় এক নারীকে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চবাচ্য করতে
দেখা যায়। এরকম পরিস্থিতিতে ক্যাপ্টেন আশিক অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতির
সামাল দেন এবং সেটির সমাধান করেন। ক্যাপ্টেন আশিকের এই ধৈর্য ও পেশাদারত্ব দেখে নেটিজেনরা
প্রশংসা করছেন।
মন্তব্য করুন


গত
২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে
হাম উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ২৬৫ জন।
বুধবার
(৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তর সূত্রে , হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৬০১ শিশুর মৃত্যু
হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯০ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে
মারা গেছে ৫১১ জন।
একই
সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৯ হাজার ১৯১ জন। আর হামের
উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৭৪ হাজার ৫৭২ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে
সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগের হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৬৪ জন ও আক্রান্ত ৪১ হাজার
৪৪৯ জন।
এই
হিসাব গত ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে আজ ৩ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি জেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির মাঝে ফারাক্কা বাঁধের ১০৯টি দরজা খুলে দিয়েছে ভারত।
বলা হচ্ছে প্রবল বৃষ্টির কারণে দেশটির বিহার ও ঝাড়খণ্ড রাজ্যে বন্যা ও পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় সোমবার এই বাঁধ খুলে দেওয়া হয়েছে।
প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্টি হওয়া বন্যা পরিস্থিতি ও ভূমিধসের বিষয়ে বাংলাদেশকে আগেই তথ্য জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছে ভারত। ফারাক্কা বাঁধ প্রকল্প সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮ বলছে, বিহার ও ঝাড়খণ্ডে বিপুল বৃষ্টি হওয়ায় ফারাক্কা বাঁধ প্রকল্পের জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কারণে পানির চাপ সামলাতে ফারাক্কা বাঁধের সব দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে একদিনে বাংলাদেশে ১১ লাখ কিউসেক পানি প্রবেশ করবে।
এর ফলে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের মুর্শিদাবাদসহ বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বন্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পে যে পরিমাণ পানি আসছে, সেই পরিমাণ পানি ছাড়া হয়েছে। ফারাক্কা বাঁধ এলাকায় পানি বিপৎসীমার ৭৭ দশমিক ৩৪ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফারাক্কা বাঁধে পানির অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে পানি বেশি হওয়ায় তা ছাড়তে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
কর্মকর্তারা আরো বলেছেন, পানি না ছাড়া হলে ফারাক্কা বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ফারাক্কা বাঁধ কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতিবেশি দুই রাজ্য—বিহার, ঝাড়খণ্ডে বন্যা দেখা দেওয়ায় ফারাক্কা বাঁধে পানির চাপ রয়েছে। তবে নেপালের পাহাড় থেকে এখনও কোনও পানি নেমে আসায় কিছুটা স্বস্তি রয়েছে। ফারাক্কা বাঁধ এলাকায় বিপৎসীমা থেকে ৭৭ দশমিক ৩৪ মিটার ওপরে পানি প্রবাহিত হওয়ায় গেট খুলতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। ফিডার ক্যানেলে পানির পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের মুর্শিদাবাদ জেলায় গঙ্গা নদীর ওপর ফারাক্কা বাঁধের অবস্থান। বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে ১৯৬২ সালে এই বাঁধের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রায় এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই বাঁধের কাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে। ফারাক্কা বাঁধের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯৭৫ সালের ২১ এপ্রিল।
দেশটির ওই সংবাদমাধ্যম বলেছে, ফারাক্কা বাঁধ প্রকল্পের পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় দৈনন্দিন পানি ছাড়ার পরিমাণ বাড়ছে। এদিকে এই পানি ছাড়ার ফলে গঙ্গা থেকে পানি ঢুকছে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায়। বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। বিহার, ঝাড়খণ্ড-সহ গঙ্গার উচ্চ অববাহিকায় ব্যাপক বৃষ্টিপাত হওয়ায় গঙ্গায় হু হু করে পানি বাড়ছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস লুটপাট হওয়া সম্পদ ও অর্থ পুনরুদ্ধারের পর সেই
সম্পদ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে একটি তহবিল গঠনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ
সোমবার (১৯ মে) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস বিফ্রিংয়ে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, লুটপাট হওয়া অর্থ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি তহবিল
গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা, যা জনকল্যাণে ব্যবহার করা হবে।
এর
আগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারের অগ্রগতি নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত
হয়।
সভায়
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সভাপতিত্ব করেন।
প্রেস
ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, এই তহবিল বর্তমান আইন অনুযায়ী
গঠিত হবে। তবে প্রয়োজনে তহবিল গঠনের জন্য আইন সংশোধন করা হবে।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের গভর্নর আরও বলেন, আমি আশা করি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে এই তহবিল গঠন
করা সম্ভব হবে। তবে পরবর্তী নির্বাচিত সরকারকে তা চালিয়ে নিতে হবে।
মন্তব্য করুন


শীতকে
উপেক্ষা করে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় নারী-পুরুষসহ সকল বয়সী মানুষের
ঢল নেমেছে। কেউ দাঁড়িয়ে, আবার কেউবা মাটিতে বসে উৎসবমুখর পরিবেশে উপভোগ করছেন ঘোড়দৌড়
প্রতিযোগিতা। গ্রামের একটি ফসলের মাঠে অতিথিদের বসার স্টেজ। তার সামনে মাঠের চারপাশে
দড়ি দিয়ে গোল চত্বর চিহ্নিত করে, তার চারপাশ দিয়ে ঘুরছে ঘোড়ার দল। মাঠের এক পাশে নানা
রকম খাবারের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা।
মঙ্গলবার
পড়ন্ত বিকালে এমন চিত্র দেখা যায় দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউনিয়নের শ্রীরামপুর
গ্রামে। সেখানে এলাকাবাসীর উদ্যোগে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
হয়। ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় ফুলবাড়ী উপজেলাসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে তিনটি
গ্রুপে ২০ জন খেলোয়াড় তাদের নিজ নিজ ঘোড়া নিয়ে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
দুপুরের পর থেকে দূর-দূরান্ত থেকে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতাকে ঘিরে ওই এলাকায়
তৈরি হয় উৎসবের আমেজ। খেলা দেখতে পেরেও খুশি দর্শকরা।
প্রধান
অতিথি হিসেবে প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান
ফিজার এমপি। খেলা শেষে এ প্রতিযোগিতায় তিনটি বিভাগে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারীদের
মাঝে পুরস্কার দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


২৬ আগস্ট ২০২৪ দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী।
এ দিনটিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বিবিধ অনুষ্ঠান ও উপাসনালয় সমূহের বিশেষ নিরাপত্তায় অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিনীর এ তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী জনগণ।
উল্লেখ্য যে, দেশব্যাপী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তায় কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সংঘর্ষ ও অন্যায়কে পরাভূত করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা। এই শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ একসাথে সোনার বাংলা গড়ে তুলবে এই সকলের প্রত্যাশা।
জনগণের এই প্রত্যাশা পূরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাশে আছে এবং থাকবে।
মন্তব্য করুন


ভারতের
বিহারের জেহানাবাদ জেলায় খাবার পরিবেশন করতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে নৃশংসভাবে
হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার দেবরের বিরুদ্ধে। হত্যার পর ওই নারীর মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন
করে বাড়ির সামনের একটি গাছে ঝুলিয়েও রাখেন। খবর এনডিটিভির।
নৃশংস
এ ঘটনাটি বিহারের জেহানাবাদের পার্স বিঘা থানা এলাকার ইমাদপুর গ্রামে ঘটেছে। নিহত ওই
নারীর নাম অংশু দেবী (২৫)। তিনি ইমাদপুর গ্রামের
বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র কুমারের স্ত্রী।
পুলিশের
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা মাঠে কাজ করতে গিয়েছিলেন।
বাড়িতে একা ছিলেন অংশু দেবী। এ সময় তার দেবর কুনাল কুমার বাড়িতে এসে খাবার চান। অভিযোগ,
খাবার দিতে কিছুটা সময় লাগায় ক্ষিপ্ত হয়ে কুনাল একটি কুড়াল দিয়ে তার ওপর হামলা চালান।
হামলার
ফলে ঘটনাস্থলেই অংশু দেবীর মৃত্যু হয়। এরপর অভিযুক্ত তার মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন
করে বাড়ির সামনে একটি গাছে ঝুলিয়ে রাখেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর পালিয়ে না গিয়ে
তিনি বাড়ির কাছেই বসে ছিলেন।
স্থানীয়দের
দাবি, কুনাল কুমার মাদকাসক্ত। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য
করেনি পুলিশ।
খবর
পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কুড়াল জব্দ করে।
অভিযুক্ত কুনাল কুমারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও
অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
বিসিক শিল্প নগরীতে ‘মর্ডান ড্রাগ’ নামক একটি কারখানায় মাঝরাতে ঝটিকা
অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে সরকারি লাইসেন্স ও অনুমোদন ছাড়া সম্পূর্ণ অবৈধ
ও মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ২১ পদের ভেজাল ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। এ সময় কোনো
বৈধ টেকনিশিয়ান ছাড়া নিজেই এসব ক্ষতিকর ওষুধ তৈরির অপরাধে কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলামকে
হাতেনাতে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শনিবার
(২০ জুন) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের একটি চৌকস দল বিসিক এলাকার
ওই কারখানায় এই বিশেষ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান।
জেলা
প্রশাসন ও ঔষধ প্রশাসন সূত্র জানায়, মর্ডান ড্রাগ নামের ওই প্রতিষ্ঠানটির সরকারিভাবে
মাত্র দুটি সাধারণ ওষুধ তৈরির বৈধ অনুমোদন ছিল। কিন্তু কারখানার ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে
দেখা যায়, সেখানে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে শিশুখাদ্য ও শিশুদের সিরাপসহ ২১ ধরনের জটিল রোগের
ভেজাল ওষুধ তৈরি ও বোতলজাত করা হচ্ছিল। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, কারখানায় ওষুধ তৈরির
জন্য স্বীকৃত কোনো ফার্মাসিস্ট বা ল্যাব টেকনিশিয়ান ছিল না। মালিক জুবায়ের ইসলাম নিজেই
ইচ্ছেমতো উপাদান মিশিয়ে এসব ক্ষতিকর ওষুধ তৈরি করতেন। অভিযানে সেখানে কেবল একজন নামমাত্র
শিক্ষানবিশ কেমিস্টের উপস্থিতি পাওয়া যায়। তৈরি করা এসব ভেজাল ওষুধ ডিলারের মাধ্যমে
দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের ফার্মেসিতে সরবরাহ করা হতো।
অভিযানে
অংশ নেওয়া কুমিল্লা ঔষধ প্রশাসনের অফিস সহকারী শাহ আলম সরকার বলেন, "জব্দ করা
ওষুধের তালিকায় বেশ কয়েকটি নামী বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল ওষুধও রয়েছে। ল্যাবে পরীক্ষা
ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি এই ওষুধগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং মানবদেহের জন্য
রীতিমতো বিষসদৃশ। এ ঘটনায় ওষুধ আইন অনুযায়ী কঠোর নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।"
আটকের
পর অপরাধের কথা স্বীকার করে কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলাম বলেন, "২১টির মধ্যে
১৫টিরও বেশি ওষুধ তৈরির কোনো বৈধ কাগজপত্র বা অনুমতি আমাদের ছিল না। আমরা মূলত বিভিন্ন
সাধারণ হারবাল কাঁচামাল এবং কেমিক্যাল ব্যবহার করে নিজেদের মতো করে এসব ওষুধ তৈরি করে
আসছিলাম।"
ভেজাল
ও নকল ওষুধের এই বড় আস্তানায় অভিযান পরিচালনার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক
কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা হাসান মাহমুদ এবং কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ারসহ পুলিশের একটি দল। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায়
বিসিকসহ কুমিল্লার সর্বত্র এই ধরনের ভেজালবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে
জেলা প্রশাসন।
মন্তব্য করুন


ফেনীতে
অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ দাফনের একমাত্র স্থান ফেনী পৌর কবরস্থান। সেখানে অজ্ঞাত ব্যক্তির
মরদেহ পৌরসভার ময়লার গাড়িতে করে কবরস্থানে নিয়ে গোসল-জানাজা ছাড়াই দাফন করা অভিযোগ
উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ
রয়েছে, ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে অজ্ঞাত
মরদেহগুলো নিয়ে যাওয়া হয় পৌর কবরস্থানে। মরদেহ বহনের উপযুক্ত যানবাহনের পরিবর্তে মরদেহ
নেওয়া হয় পৌরসভার ময়লার গাড়িতে। এরপর গোসল-জানাজা ছাড়াই দাফর করা হয়।
সরেজমিনে
দেখা যায়, কবরস্থানের পবিত্রতা রক্ষায় পুরো এলাকাজুড়ে নেই সীমানা প্রাচীর। নিরাপত্তার
জন্য পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও নেই। কবরস্থানের ভেতরে গরু ও ছাগলের অবাধ বিচরণ।
সন্ধ্যার
পর অনেকটা অন্ধকার ও নির্জন হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সুযোগে দিন-রাত
কবরস্থানে বসে মাদকসেবী ও তাসের আড্ডা বসে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, ফেনী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড সুলতান পুরো এলাকায় ১৯৬৬ সালে তৎকালীন
মহকুমা প্রশাসক সরকারি এই কবরস্থানের জায়গা নির্ধারণ করেন। নাম দেওয়া হয় মুসলিম
কবরগাহ। সে থেকে গত ৬০ বছরে এখানে হাজার হাজার পরিচিত-অপরিচিত মানুষের মরদেহের স্থান
হয়েছে।
বিশেষ
করে ফেনীর উপর দিয়ে রেল, সড়ক, মহাসড়ক বয়ে যাওয়ায় আশপাশের এলাকায় দুর্ঘটনায়
নিহত বেওয়ারিশ মরদেহের ঠিকানা এখানে। প্রতি বছর ৩৫ থেকে ৪০ জন অজ্ঞাত পরিচয়ের মানুষকে
দাফন করা হয় এই কবরস্থানে। ফেনী শহরতলীর সুলতানপুরে অবস্থিত এই পৌর কবরস্থানের রক্ষণাবেক্ষণ
ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে রয়েছে নানা অভিযোগ। সঠিকভাবে দাফন না করায় ক্ষোভ প্রকাশ
করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ।
স্থানীয়
জনসাধারণের দাবি, অজ্ঞাত মরদেহ পরিবহনে ময়লার গাড়ির ব্যবহার বন্ধ করে দ্রুত একটি আলাদা
ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি গোসল ও জানাজার মতো ধর্মীয়
ও মানবিক আনুষ্ঠানিকতাও যথাযথভাবে নিশ্চিত করার দাবি তাদের।
এদিকে
কবরস্থানের সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা ফেনী পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বলছে তাদের
সামর্থ্য যেটুকু সেটুকুর আলোকে তারা কাজ করছেন। প্রতি বছর ৩৫ থেকে ৪০ জন অজ্ঞাত পরিচয়
মানুষকে দাফন করা হয় এই গোরস্থানে। কবরস্থানটিকে আরো উন্নত করার জন্যও তাদের পরিকল্পনা
রয়েছে।
এ
বিষয়ে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সামছুদ্দিন কালের কণ্ঠকে জানান, ময়লার গাড়িতে একটি বেওয়ারিশ
লাশ নিয়ে দাফন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) পদক পেলেন ১২০ র্যাব সদস্য।
সেবা ও সাহসিকতা এবং পেশাগত কাজে অসামান্য অবদানের জন্য তারা এ পদক পেলেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলায় র্যাব সদর দপ্তরে আয়োজিত র্যাব মেমোরিয়াল ডে অনুষ্ঠানে এ পদক তুলে দেন র্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেন।
এ সময় পদক প্রদান ছাড়াও দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত ৩৩ র্যাব সদস্যের পরিবারের হাতে সম্মাননা ও আর্থিক অনুদান তুলে দেন র্যাব মহাপরিচালক।
এছাড়া র্যাবের মহাপরিচালক আভিযানিক কার্যক্রমে শহীদ র্যাব সদস্যদের স্মৃতি স্মরণে তাদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
মন্তব্য করুন