

খাগড়াছড়ির
দীঘিনালা উপজেলায় ৮ ফুট লম্বা একটি বার্মিজ প্রজাতির অজগর উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার
(২৯ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কবাখালী ইউনিয়নের উত্তর হাচিনসনপুর এলাকার একটি নালায়
মাছ ধরার জালে সাপটি আটকা পড়ে।
স্থানীয়
বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, জমির পানি নামার একটি নালায় মাছ ধরার জন্য তিনি জাল পেতেছিলেন।
পরে জাল তুলতে গিয়ে দেখতে পান, একটি বড় অজগর সাপ তাতে আটকা পড়েছে। বিষয়টি জানাজানি
হলে স্থানীয় লোকজন সেখানে ভিড় করেন।
খবর
পেয়ে ঘটনাস্থলে যান স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ন্যাচার কনজারভেশন অ্যালায়েন্স’-এর
সংগঠক হৃদয় বড়ুয়া। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তিনি সাপটি নিরাপদে উদ্ধার করেন। পরে অজগরটি
মেরুং রেঞ্জের বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মেরুং
রেঞ্জের উপবন সংরক্ষক কর্মকর্তা মো. জাফরুল্লাহ বলেন, উদ্ধার হওয়া বার্মিজ প্রজাতির
অজগরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮ ফুট এবং ওজন ৭ কেজি ৮০০ গ্রাম। প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণ শেষে
সাপটিকে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে।
বন
বিভাগ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মীরা জানান, বার্মিজ অজগর বিষধর নয়। এটি পরিবেশের ভারসাম্য
রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এমন বন্যপ্রাণী দেখা গেলে আতঙ্কিত না হয়ে
বন বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তারা।
মন্তব্য করুন


বাগেরহাটের
রামপাল উপজেলায় পচা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে দুই মাংস বিক্রেতাকে সাতদিনের বিনাশ্রম
কারাদণ্ড এবং মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার
(৭ জুন) সকালে, উপজেলার ফয়লা বাজারে, এ অভিযান পরিচালনা করেন রামপাল উপজেলা সহকারী
কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী। এ সময় ভেটেরিনারি সার্জন
ডা. অভিজিৎ কুমার উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা
হলেন, রামপাল উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের হারুনর রশিদ (৪৫) এবং বাগেরহাট সদর উপজেলার
খানপুর এলাকার ইয়ামিন হাওলাদার (৩০)।
এ
বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, ফয়লা বাজারে পচা গরুর মাংস বিক্রির
অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ভেটেরিনারি সার্জনের প্রসিকিউশনের
ভিত্তিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অভিযুক্ত দুই বিক্রেতাকে সাত দিনের
বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে মোট
২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


এমদাদুল হক সোহাগ:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার আহবায়ক মো: আনোয়ারুল হক-কে যুবদলের কুমিল্লা বিভাগীয় পর্যবেক্ষক টিমের সার্বিক সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন, এমপি’র যৌথ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুবদলের ‘সাংগঠনিক সপ্তাহ’ উপলক্ষে অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিবাদ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে এই বিভাগীয় পর্যবেক্ষক টিম গঠন করা হয়েছে। এদিকে, মো: আনোয়ারুল হক-কে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে নতুন
ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
রোববার
(২ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত
এক আলোচনা সভায় মোহাম্মদ সানাউল্লাহ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের
বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অতীতের ভঙ্গুর নির্বাচনী পরিস্থিতির কারণে জনগণের মধ্যে
ভোটবিমুখতা তৈরি হয়েছিল, তবে এখন তারা আবারও ভোটের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে।
সানাউল্লাহ
আরও বলেন, এবারের ভোটার তালিকা হতে হবে স্বচ্ছ, যাতে কেউ ভুয়া বা অস্বচ্ছ তালিকার অভিযোগ
তুলতে না পারে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং নারী ভোটাররা
যাতে বাদ না পড়ে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশন রাতের ভোট দেখতে চায়
না এবং কোনো পক্ষের কর্তৃত্বও মেনে নেবে না।
নির্বাচন
কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার স্বীকার করেন, অতীতের নির্বাচনগুলো ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং
এর দায় এড়াতে পারে না নির্বাচন কমিশন। তিনি বলেন, ভুলের দায় শুধু প্রধান নির্বাচন কমিশনারের
নয়, একজন সাধারণ কর্মচারী পর্যন্ত এ দায় বহন করে।
তিনি
আরও বলেন, কমিশন কঠিন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।
অন্যদিকে,
ইসি সদস্য আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, কেবল মুখের কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে নির্বাচন
কমিশন নিজেদের নিরপেক্ষতা প্রমাণ করবে।
ইসি
সদস্য তাহমিদা আহমদ বলেন, ভোট যেন আর আবদ্ধ কক্ষে না হয়, সেজন্য খোলা মাঠে ভোট আয়োজনের
কথা ভাবতে হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তিনি ৩৪তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, ভোর ৬টা ২২ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে তিনি ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। প্রথমে কুমিল্লা মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর আজ ভোর ৬টার দিকে মারা যান।
মোহাম্মদ সাইফুল মালিকের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায়। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালামের ছেলে। ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া সাইফুল মালিক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশে ৩৪তম বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন।
জুলাই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর তিনি কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হিসেবে যোগদান করেন।
এদিকে সাইফুল মালিকের অকাল মৃত্যুতে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানসহ জেলা পুলিশ শোক প্রকাশ এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


অনলাইনে
আইফোন অর্ডার করেও পার্সেলে দাড়ির তেল পাওয়ার ঘটনায় এক গ্রাহকের পক্ষে
রায় দিয়েছেন ভারতের মুম্বাইয়ের একটি ভোক্তা আদালত। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও মামলার ব্যয়সহ
প্রায় ১ লাখ ৮২
হাজার রুপি পরিশোধ করতে হবে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান
ফ্লিপকার্ট এবং সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাকে।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের অতিরিক্ত জেলা ভোক্তা বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন ফ্লিপকার্ট ও পণ্য বিক্রেতা
ইন্টারন্যাশনাল ভ্যালু রিটেইল প্রাইভেট লিমিটেডকে যৌথভাবে এই অর্থ পরিশোধের
নির্দেশ দিয়েছে।
মামলার
বিবরণে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২২ এপ্রিল মুম্বাইয়ের
পাওয়াই এলাকার এক বাসিন্দা ফ্লিপকার্ট
থেকে ১ লাখ ১১
হাজার ৭৯৩ রুপিতে ১২৮ জিবি স্টোরেজের একটি অ্যাপল আইফোন ১৪ প্রো অর্ডার
করেন। চার্জার ও মোবাইল কভার
ঠিকভাবে পেলেও আইফোনের পার্সেল খুলে তিনি দেখতে পান, সেখানে ফোনের পরিবর্তে দাড়ির তেল এবং কিছু প্যাকেজিং সামগ্রী রয়েছে।
এ
ঘটনায় তিনি এপ্রিল ও মে মাসজুড়ে
একাধিকবার ফ্লিপকার্টের গ্রাহকসেবা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও তার অভিযোগ বারবার ‘সমাধান হয়েছে’ উল্লেখ করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে তিনি না পান নতুন
ফোন, না ফেরত পান
অর্থ।
রায়ে
আদালত উল্লেখ করেন, কোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান
কেবল বিক্রির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না। গ্রাহক সম্পূর্ণ ভিন্ন পণ্য পাওয়ার অভিযোগ করার পরও যথাযথ তদন্ত না করা, ভুল
পার্সেল উদ্ধার না করা এবং
কার্যকর প্রতিকার না দিয়ে অভিযোগ
নিষ্পত্তি দেখানো সেবায় ঘাটতি ও অন্যায্য বাণিজ্যিক
আচরণের শামিল।
আদালত
ফ্লিপকার্ট ও বিক্রেতাকে ২০২৩
সালের ২২ এপ্রিল থেকে
বার্ষিক ৯ শতাংশ সুদসহ
১ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩
রুপি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি মানসিক ক্ষতির জন্য ৫০ হাজার রুপি
এবং মামলার ব্যয় হিসেবে আরও ২০ হাজার রুপি
পরিশোধ করতে হবে। রায় কার্যকরের জন্য ৪৫ দিনের সময়
বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে
মামলায় বিবাদী করা হলেও অ্যাপল ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ভুল পণ্য সরবরাহের ঘটনায় অ্যাপল ইন্ডিয়ার সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


পৃথিবীকে জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্য ‘শূন্য বর্জ্য ও শূন্য কার্বন’-এর ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন জীবনধারা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
বুধবার (১৩
নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ২৯-এর ওয়ার্ল্ড লিডারস ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি আহ্বান করেন।
একটি নতুন পৃথিবী গড়ার লক্ষে তিনটি শূন্যভিত্তিক তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের কথাও উপস্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, বেঁচে থাকার জন্য, আমাদের আরেকটি সংস্কৃতি গঠন করতে হবে। একটি ভিন্ন জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে আরেকটি পাল্টা সংস্কৃতি গড়তে হবে। এটি হবে শূন্য বর্জ্যের ওপর ভিত্তি করে। এ সংস্কৃতি নিত্য পণ্যের ব্যবহারকে সীমিত করবে, কোন বর্জ্য অবশিষ্ট রাখবে না। এ জীবনযাত্রাও হবে শূন্য কার্বনের ওপর ভিত্তি করে যেখানে কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি থাকবে না, শুধুমাত্র পুনঃনবায়নযোগ্য শক্তি থাকবে। এতে এমন একটি অর্থনীতি হবে যা প্রাথমিকভাবে সামাজিক ব্যবসার মতো ব্যক্তিগত পর্যায়ে শূন্য মুনাফার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। সামাজিক ব্যবসার একটি বিশাল অংশ পরিবেশ ও মানবজাতির সুরক্ষায় মনোযোগ দেবে। সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের জীবন কেবল সুরক্ষিতই হবে না, গুণগতভাবে উন্নত হবে। এটি যুবকদের জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজতর করবে। উদ্যোক্তা হওয়ার নতুন শিক্ষার মাধ্যমে তরুণরা প্রস্তুত হবে। চাকরিপ্রার্থী তৈরির শিক্ষা উদ্যোক্তা-কেন্দ্রিক শিক্ষা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে।
পরিবেশের সুরক্ষার জন্য একটি নতুন জীবনধারার প্রয়োজন উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন জীবনধারা চাপিয়ে দেয়া হবে না, এটি হবে পছন্দ বেছে নেওয়া। তরুণরা সে জীবনধারাকে পছন্দ হিসেবে বেছে নেবে। প্রতিটি যুবক তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে। এগুলো হচ্ছে- শূন্য নেট কার্বন নির্গমন, শুধুমাত্র সামাজিক ব্যবসা গড়ে তোলার মাধ্যমে শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ ও নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে পরিণত করার মাধ্যমে শূন্য বেকারত্ব। প্রত্যেক মানুষ তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে এবং সারাজীবন তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে থাকবে। এটি নতুন সভ্যতা গড়ে তুলবে। এটা করা যেতে পারে আমাদের যা করতে হবে তা হল এ গ্রহের নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নতুন জীবনধারা গ্রহণ করা যেখানে সবাই বসবাস করে। আজকের তরুণ প্রজন্ম বাকিটা করবে। তারা তাদের আমাদের গ্রহকে ভালোবাসে। আমি আশা করি আপনারা এ স্বপ্ন দেখায় আমার সাথে যোগ দেবেন। আমরা যদি একসাথে স্বপ্ন দেখি তবে তা সম্ভব হবে। জলবায়ু সংকট তীব্রতর হচ্ছে এবং সে কারণে মানব সভ্যতা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মানুষ আত্ম-বিধ্বংসী মূল্যবোধের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আত্ম-রক্ষাত্মক ও আত্ম-শক্তিবর্ধক একটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপনের জন্য আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক, আর্থিক ও যুব শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা, এই গ্রহের মানব বাসিন্দারা এই গ্রহের ধ্বংসের কারণ। মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করছে এবং তারা এমন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছে যা পরিবেশের বিরুদ্ধে কাজ করে। তারা এটিকে একটি অর্থনৈতিক কাঠামো দিয়ে ন্যায্যতা দেয়, যা এ গ্রহ ব্যবস্থার মতো প্রাকৃতিক হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অর্থনৈতিক কাঠামো সীমাহীন খরচের ওপর ভিত্তি করে চলছে। আপনি যত বেশি ব্যবহার করবেন তত বেশি প্রবৃদ্ধি পাবেন। যত বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবেন, তত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন। সর্বাধিক মুনাফা অর্জনকে সিস্টেমের সবকিছুকে আমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভূমিকা পালনের শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির
(এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে তার ৮০০ টাকা পাওনা রয়েছে।
ভাইরাল
হওয়া ভিডিওতে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, আমি এখনো হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে টাকা পাব,
৮০০ টাকা। ভার্সিটিতে গাড়ি নিয়ে বসতাম আমি। এসেই বলতো, ভাই চা খাওয়ান, মামা চা খাওয়ান,
খাওয়াইতাম।
ভিডিওর
আরেক অংশে তিনি হাসনাত আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন অভিযোগ ও সমালোচনামূলক মন্তব্য
করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্টের ঘটনার সময় শেখ হাসিনার বাসভবন থেকে মালামাল
নেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং বর্তমান রাজনীতিতেও এ ধরনের ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ
অবস্থানে রয়েছেন।
তার
ভাষ্যে, সেই চোরের ঘরে চোর ৫ আগস্টে শেখ হাসিনার বাড়ি থেকে বস্তা নিয়ে যায়। ওই চোরের
ঘরে চোরে সংসদে বড় বড় কথা বলে। চোর তো সংসদেই বসে আছে। পবিত্র জায়গাকে অপবিত্র করে
ফেলছে।
তবে
ভিডিওতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এছাড়া হাসনাত আবদুল্লাহ
বা তার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লেও এর বক্তব্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই
করা সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন


ছাত্র-জনতার
আন্দোলন চলাকালে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ মামলার ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দিতে একটি
হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে আইন মন্ত্রণালয়।
আইন,
বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে,
“যদি কোনো ব্যক্তি গত ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক
ফৌজদারি মামলার শিকার হয়ে থাকেন, তবে তাকে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার
লিগ্যাল এইড হেল্পলাইন কল সেন্টারের ১৬৪৩০ নম্বরের (টোল ফ্রি) মাধ্যমে ভিকটিম
সাপোর্ট বা আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।”
সমাজের
দরিদ্র ও দুঃস্থদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে ২০১৬ সালে এই হেল্পলাইন সেবার
কার্যক্রম উদ্বোধন করেছিলেন তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
গণ
আন্দোলনে সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দায়িত্ব
নিয়ে তার প্রথম কর্মদিবসে এই হেল্পলাইন নম্বর ব্যবহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত
নিয়েছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৯তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের
বৈঠকে যোগদানের জন্য তাঁর চার দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষ করে আজ ভোরে দেশে ফিরেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের
বহনকারী কাতার এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট ভোর ৩টা ৩২ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
এসে পৌঁছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম এ তথ্য জানান।
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় (নিউইয়র্ক
সময়) ফ্লাইটটি নিউইয়র্কের জেকেএফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট
জো বাইডেনসহ ১২টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের
সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সাইডলাইনে ৪০টি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।
প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্ক সময় শুক্রবার
(২৭ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেয়া ছাড়াও ২৪ সেপ্টেম্বর মার্কিন
প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেনের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
এছাড়া তিনি অন্যান্যের মধ্যে জাতিসংঘ
মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
শেহবাজ শরীফ, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি এবং নেদারল্যান্ডস’র প্রধানমন্ত্রী ডিক শুফের সাথে দ্বিপাক্ষিক
বৈঠক করেন।
নিউইয়র্ক অবস্থানকালে প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট
উরসুলা ভন ডের লেয়েন, জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক, মার্কিন পররাষ্ট্র
মন্ত্রী অ্যান্টনি জে ব্লিঙ্কেন, জাতিসংঘের হাইকমিশনারের শরণার্থী বিষয়ক কমিশনার ফিলিপ্পো
গ্র্যান্ডি, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ ও ইউএসএইডের প্রশাসক সামান্থা
পাওয়ার সাক্ষাত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্কে জাতিসংঘ
সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেন।
তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম
অধিবেশনে যোগ দিতে ২৩শে সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক পৌঁছান।
মন্তব্য করুন