

ঘূর্ণিঝড় রিমাল প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। তাই পায়রা-মোংলায় ১০ নম্বর, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার বন্দরে ৯ নম্বর মহাবিপৎসংকেত তোলা হয়েছে।
রোববার (২৬ মে) আবহাওয়া অফিস এ তথ্য জানিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এটি আজ সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৬০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ২৬ মে ২০২৪ সন্ধ্যা/মধ্যরাত নাগাদ মোংলার কাছ দিয়ে সাগর আইল্যান্ড (পশ্চিমবঙ্গ)-খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম করতে পারে। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি শুরু হয়েছে।
প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটার এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
এ অবস্থায় ‘পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৭ (সাত) নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপৎসংকেত (পুনঃ) ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকেও পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে।
এছাড়া কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ (ছয়) নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৯ (নয়) নম্বর মহাবিপৎসংকেত (পুনঃ) ০৯ (নয়) নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৯ (নয়) নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে।
এদিকে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নদী বন্দরসমূহকে ০৪(চার) নম্বর নৌ-মহাবিপৎসংকেত (পুন:) ৪ (চার) নম্বর নৌ-মহাবিপৎসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ০৮-১২ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ ভারী (৪৪-৮৮ মিমি / ২৪ ঘণ্টা) থেকে অতি ভারী (২৮৯ মিমি / ২৪ ঘণ্টা) 'বর্ষণ হতে পারে।
অতি ভারী বর্ষণের প্রভাবে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘সব দুর্যোগে-বিপদে মানুষের পাশে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিস
সদস্যরা। তাই তাদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ, জনবল বৃদ্ধি ও সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে
কাজ করছে সরকার।
আজ
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর পূর্বাচলে ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে
এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আরো বলেন, ‘ভূমিকম্পের আশঙ্কা আছে, এমন বাস্তবতায় ফায়ার সার্ভিসের সার্বিক উন্নয়ন ও
অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় জরুরি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, ‘সারা দেশে ৫৩৮টি ফায়ার স্টেশনের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সেবা
প্রদান করে যাচ্ছে যা চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট নয়। সেজন্য জনগুরুত্ব বিবেচনায় ২০টি ফায়ার
স্টেশন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে।
অ্যাম্বুলেন্স
সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১০০টি অ্যাম্বুলেন্স সংগ্রহের কাজও চলমান।
ফায়ার
সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গতি,
সেবা ও ত্যাগের মন্ত্রে উজ্জীবিত এ বাহিনীর প্রতিটি সদস্য যেকোনো দুর্যোগ-দুর্ঘটনা
ও সংকটময় মুহূর্তে সাধারণ জনগণের জান-মাল রক্ষায় নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন।
এদিন
পাসিংআউট করে বাহিনীতে যুক্ত হয়েছেন আড়াই শতাধিক সদস্য। তাদের মধ্যে বুনিয়াদী ৯ জনকে
পদক পরিয়ে দেন মন্ত্রী।
এ
ছাড়া রাষ্ট্রীয় বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ২০ জনকে পদক পরিয়ে দেন তিনি। গত তিন বছরের
জন্য পদক পাবেন আরো ১৩৮ জন।
মন্তব্য করুন


দেশে
আবারও পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ
এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এ
ঘোষণা দেন।
চলতি
জুন মাস থেকেই নতুন দর কার্যকর হবে।
নতুন
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে
গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুতের সঞ্চালন (ট্রান্সমিশন) চার্জ
২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
নতুন
ট্যারিফ অনুযায়ী, গ্রাহক পর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণির বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য ভিন্ন
হারে দাম বাড়ানো হয়েছে।
এর
মধ্যে লাইফলাইন গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১৫ শতাংশ এবং অন্যান্য শ্রেণিতে সর্বোচ্চ
১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।
গ্রাহক
পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের গড় দাম ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ
করা হয়েছে। বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য হার ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা
বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় বৃদ্ধি এবং খাতটির আর্থিক চাপ মোকাবেলায় এই মূল্য
সমন্বয় করা হয়েছে।
তবে
নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের বিদ্যুৎ ব্যয় বাড়বে, যা সামগ্রিকভাবে
জীবনযাত্রার ব্যয় ও উৎপাদন খরচে প্রভাব ফেলতে পারে।
গত
২০ ও ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিইআরসির গণশুনানিতে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কম্পানি খুচরা
পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।
বিপিডিবি ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮
পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব করে।
মন্তব্য করুন


হঠাৎ ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হলে শুক্রবার (১৪ মার্চ) ভোরে কর্মস্থল ত্যাগ করেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলার অবনতি ছাড়াও তার নানা ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছিল।
এদিকে ওসির কর্মস্থল ত্যাগের খবর দেরিতে পেয়ে কমপক্ষে ৩০ জন পাওনাদার বিচ্ছিন্নভাবে থানায় এসে না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রা জানান, নান্দাইল থানায় ওসি হিসেবে গত ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর যোগ দিয়েছিলেন ফরিদ আহম্মেদ। এর পর থেকে নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে তিনি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এক রাতেই তুচ্ছ ঘটনায় পাঁচটি অভিযোগ মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে রেকর্ডভুক্ত করার অভিযোগ ওঠে এ ওসির বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি চুরি ছিনতাইসহ আইনশৃঙ্খলার
মারাত্মক অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে পুরো উপজেলার আনাচে-কানাচে ইয়াবার কারবার, গ্রেপ্তার
বাণিজ্য চলছিল নির্বিঘ্নে।
বিভেদপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছিলেন না নান্দাইল থানার ওসি ফরিদ আহম্মেদ। অন্যদিকে মামলা নেওয়ার নামে বিচার প্রার্থীদের হয়রানি করা হচ্ছিল নিয়মিত।
এমন অবস্থায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সকালে তাকে প্রশাসনের নির্দেশে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠি পেয়ে ওসি ফরিদ সবকিছু গুছিয়ে আজ শুক্রবার ভোরে চলে যান জেলা শহর ময়মনসিংহে।
এসব বিষয়ে জানতে প্রত্যাহার হওয়া ওসি ফরিদ আহম্মেদের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করলেও ফোন রিসিভ করেননি তিনি।
জানতে চাইলে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) দেবাশীষ কর্মকার বলেন, ‘ওসির কাছে সাধারণ লোকজন টাকা পায়, এটি খুবই দুঃখজনক।’ এ বিষয়ে ওসির সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।
আর এক রাতে ৫টি মামলা রেকর্ডভুক্ত
হওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাকে তো দুটির কথা বলা হয়েছিল। বাকিগুলো তো
জানাননি।’
মন্তব্য করুন


অযৌক্তিক কারণে কেউ নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে, দেশের স্বার্থে তাদের প্রতিহত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধ ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।
আজ সোমবার (২৫ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
সমন্বয়ক সারজিস আলম লিখেছেন, সবার আগে দেশ, দেশের মানুষ, জনগণের সম্পদ। যদি কেউ অযৌক্তিক কারণে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, সে যে পরিচয়েরই হোক না কেন। তবে দেশের স্বার্থে তাদের প্রতিহত করে জনমানুষের নিরাপত্তা প্রদান করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধান কাজ ৷
মন্তব্য করুন


পরিবেশ,
বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা
হাসান বলেছেন, রাজধানীসহ সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারি
কর্মকমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৫ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার
(৪ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস
ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা জানান, রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আজ
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অতিরিক্ত দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তিনি
বলেন, গ্রামগঞ্জে মানুষ চিকিৎসা পায় না। তাদের তাদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসক
নিশ্চিত করার অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য।
সৈয়দা
রিজওয়ানা হাসান বলেন, পিএসসির মাধ্যমে ৩ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগের
প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এটার অতিরিক্ত হিসেবে আরও ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের
সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
প্রেস
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ডেপুটি প্রেস
সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, ডেপুটি প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর এবং সহকারী
প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি।
মন্তব্য করুন


বিচার বিভাগের মর্যাদা, ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকার এবং আইনজীবীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে কুমিল্লায় নবাগত বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেমায়েত উদ্দিন-কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নিয়েছে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) বিকেলে কুমিল্লা আইনজীবী সমিতি ভবনের দ্বিতীয় তলার ৭ নম্বর হলরুমে জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শুরু থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। নবীন-প্রবীণ আইনজীবীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং আন্তরিক অভ্যর্থনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ সহিদ উল্লাহ। সঞ্চালনায় ছিলেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ মাহাবুবুল হক খন্দকার, যিনি সুচারুভাবে পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই নবাগত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেমায়েত উদ্দিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত আইনজীবীরা করতালির মাধ্যমে তাঁকে স্বাগত জানান এবং তাঁর নেতৃত্বে কুমিল্লার বিচার বিভাগ আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান বলেন, বিচারক ও আইনজীবীরা একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেন—ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে পারস্পরিক সম্মান, আন্তরিকতা ও পেশাগত সৌহার্দ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নবাগত জেলা জজের সফল দায়িত্বপালন কামনা করেন।
ওই অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ মাহাবুবুল হক খন্দকার।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন- জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইসমাইলসহ সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে নবাগত জেলা জজের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, কুমিল্লার বিচারাঙ্গন দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নবাগত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজের অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও কর্মদক্ষতা বিচার বিভাগের কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে বিচারক ও আইনজীবীদের পারস্পরিক সহযোগিতা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অন্যতম ভিত্তি বলেও উল্লেখ করেন। তারা আরও বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমানো এবং বিচার ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে বিচারক ও আইনজীবীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
সংবর্ধনার জবাবে নবাগত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেমায়েত উদ্দিন জেলা আইনজীবী সমিতির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা অটুট রাখতে সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনই তাঁর প্রধান অঙ্গীকার। আইনজীবীদের সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে কুমিল্লার বিচার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে জেলা আইনজীবী সমিতির নবীন ও প্রবীণ আইনজীবীরা ছাড়াও বিভিন্ন আদালতের বিচারক, সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং বিচারাঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল সৌহার্দ্য, আন্তরিকতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের অনন্য এক পরিবেশ, যা কুমিল্লার বিচারাঙ্গনে নতুন কর্মউদ্দীপনা ও আশার বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় এবং স্মৃতিচারণমূলক আলোকচিত্র ধারণের মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। উপস্থিত আইনজীবীদের প্রত্যাশা, নবাগত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজের বিচক্ষণ নেতৃত্বে কুমিল্লার বিচার ব্যবস্থা আরও গতিশীল, স্বচ্ছ, মানবিক এবং ন্যায়ভিত্তিক হয়ে উঠবে।
মন্তব্য করুন


ফ্যামিলি
কার্ড কর্মসূচির তৃতীয় ধাপের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৭
জুন) দুপুরে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
করা হয়।
দুপুর
১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িবহর শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে
পৌঁছায়। এরপর নির্ধারিত মঞ্চে উঠলে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা
হয়।
এ
কর্মসূচির আওতায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫টি পরিবারের
মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
এর
আগে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বুধবার সকালে ঢাকা থেকে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। আকাশপথে সিলেট
পৌঁছানোর পর তিনি বাসে করে শ্রীমঙ্গলে পৌঁছান বেলা ১টার পর। তিনি ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়
মাঠের মঞ্চে পৌঁছানোর পর জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
শ্রীমঙ্গলের
অনুষ্ঠান শেষে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে
অংশ নেবেন সরকারপ্রধান। সেখানে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫২টি
পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
সেখান
থেকে বিকেলে দুসাই রিসোর্টের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পৌঁছে কিছুক্ষণ
বিশ্রাম নিয়ে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে এক সভায় যোগ দেবেন। সভা শেষে সন্ধ্যায় সিলেট ওসমানী
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।
এর
আগে সকাল সাড়ে ১০টায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নির্ধারিত বাসে চড়ে শ্রীমঙ্গলের
উদ্দেশে রওয়ানা হন তারেক রহমান। বিমানবন্দর সড়ক থেকে শহরের ভেতরে এবং জেলার বিভিন্ন
স্থানে উচ্ছ্বসিত হাজারো নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ তাকে স্বাগত জানান।
এমন
সময় বিমানবন্দর সড়কের পাশের চা বাগান এলাকায় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। চৌকিদেখি এলাকায়
সবুজ চা বাগানের পাশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যাওয়ার সময় গাড়িতে ফুলের মালা ও পাপড়ি
ছিটিয়ে দেন লাক্কাতুড়া ও মালনীছড়া চা বাগানের শ্রমিকরা। চা শ্রমিকদের পরেই সেখানে দাঁড়িয়ে
সরকার প্রধানকে স্বাগত জানিয়েছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
চৌকিদেখি
পয়েন্টে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান ৪, ৫, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবকদল-কৃষকদলসহ
অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এতে নেতৃত্ব দেন সিলেট মহানগর বিএনপি’র
সহ সভাপতি জিয়াউল গনি আরিফিন জিল্লুর, সাদিকুর রহমান সাদিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম
মজুমদার ও মাহবুবুল হক চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব।
এছাড়াও
সিলেট নগরোর আরও তিনটি পয়েন্টে সরকার প্রধানকে স্বাগত জানান বিএনপি’র
নেতা-কর্মীরা। বিএনপি’র নেতা-কর্মী ছাড়াও সিলেটের সাধারণ
মানুষ সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে হাত নেড়ে স্বাগত জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীও
হাত নেড়ে সবার অভিবাদন গ্রহণ করেন। সিলেট থেকে সেখান থেকে সড়ক পথে যাত্রা করে বেলা
একটায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে
যোগদান করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, নারীদের সম্ভাবনা ও কর্মদক্ষতাকে উৎপাদনমুখী কাজে সম্পৃক্ত করে উন্নত
বাংলাদেশ গড়ার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ
করে যাচ্ছে।
উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন
করতে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের নারীরা- এ কথা উল্লেখ করে
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের নারী সমাজের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এটাই
হোক আমাদের অঙ্গীকার।’
‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষ্যে
আজ দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘৮ মার্চ, আন্তর্জাতিক
নারী দিবস। ১৯৭৫ সালে ৮ মার্চকে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান
করে। নারী অধিকার রক্ষায় এই দিনটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রতি বছর
উদযাপিত হয়। এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়:‘অধিকার, সমতা, ক্ষমতায়ন-নারী ও কন্যার
উন্নয়ন’। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের আকাঙ্ক্ষায় ছাত্র-শ্রমিক-জনতা যে গণ-অভ্যুত্থান
সংগঠিত করেছিল গত জুলাই-আগস্টে তার সম্মুখ সারিতে ছিল নারী। লক্ষ লক্ষ ছাত্রী বিভিন্ন
ক্যাম্পাসে দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হয়েছে। একাধিক নারী এই গণ-অভ্যুত্থানে
শাহাদত বরণ করেছেন। আমি এই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারীদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি
এবং জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’ দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। তারা
এগিয়ে যাচ্ছে সর্বক্ষেত্রে। নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক
উন্নয়নসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে মহিলা
ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। নির্যাতিত, দুস্থ ও অসহায়
নারীদের জন্য শেল্টার হোম, আইনি সহায়তা দিতে
‘মহিলা সহায়তা কেন্দ্র’, কর্মজীবী মহিলাদের আবাসন ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থান
সৃষ্টির লক্ষ্যে সহায়তা ও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে
ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অদম্য মেয়েরা
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বমহিমায় এগিয়ে যাচ্ছে। নারীর অর্জনকে স্বীকৃতি
দিতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ ও ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদানসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বেড়াতে নিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার ফুফাতো ভাই সাকিব
উদ্দিনকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১।
রোববার
(৫ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার
ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত।
এর
আগে, শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার মাইজদী বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার
করা হয়।
গ্রেপ্তার
সাকিব হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম সোনাদিয়া গ্রামের মো.
সফিকের ছেলে।
র্যাব
সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত পরস্পরের মামাতো-ফুফাতো ভাইবোন। গত ৫ জুন ভুক্তভোগী
তার মায়ের সঙ্গে বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে যান। সেদিন ফুফাতো ভাই সাকিব তাকে গ্রাম দেখানোর
কথা বলে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি থেকে নিয়ে যান।
ঘোরাঘুরি
শেষে সন্ধ্যার দিকে সোনাদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চরচেঙ্গা বেড়িবাঁধ সংলগ্ন একটি নির্জন
স্থানে নিয়ে গিয়ে তাকে প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এরপর ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি
দেখিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান সাকিব।
স্বজনরা
পরে তাকে অভিযুক্তের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়লে ভুক্তভোগী স্বজনদের
কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানান।
র্যাব-১১,
সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত জানান, গ্রেপ্তার
আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুধারাম মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চাল বিক্রি করার জন্য এখন থেকে বস্তায় ধানের জাত ও মিল গেটের মূল্য লিখতে হবে। সেই সঙ্গে লিখতে হবে উৎপাদনের তারিখ ও প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের নাম। এমনকি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের অবস্থান (জেলা ও উপজেলা) উল্লেখ করতে হবে। থাকবে ওজনের তথ্যও। চালের উৎপাদনকারী মিল মালিকদের গুদাম থেকে বাণিজ্যিক কাজে চাল সরবরাহের প্রাক্কালে চালের বস্তার ওপর উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্য এবং ধান/চালের জাত উল্লেখ করতে হবে। বস্তার ওপর এসব তথ্য কালি দিয়ে লিখতে হবে।
চাল উৎপাদনকারী মিল মালিকের সরবরাহ করা সব প্রকার চালের বস্তা ও প্যাকেটে ওজন (৫০/২৫/১০/৫/১) উল্লেখ থাকতে হবে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা প্রতিপালন করতে হবে। এক্ষেত্রে মিল গেট দামের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান চাইলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করতে পারবে।
এ বিষয়ে গত ২১ ফেব্রুয়ারি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ শাখা থেকে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।
এমন নির্দেশনা সোমবার (১৪ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হবে।
ইতোমধ্যে নির্দেশনার কপি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, সব বিভাগীয় কমিশনার, সব জেলা প্রশাসক, সব জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, সব উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষর করা এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেশের চাল উৎপাদনকারী কয়েকটি জেলায় পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে বাজারে একই জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল ভিন্ন ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রি হচ্ছে।
চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে বা হঠাৎ বৃদ্ধি পেলে মিলার, পাইকারি বিক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। এতে ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পছন্দমতো জাতের ধানের চাল কিনতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এ অবস্থার উত্তরণের লক্ষ্যে চালের বাজারমূল্য সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে ধানের নামেই যাতে চাল বাজারজাতকরণ করা হয় তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এবং এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম মনিটরিংয়ের সুবিধার্থে নির্দেশনায় কয়েকটি বিষয় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
এর ব্যত্যয় ঘটলে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ, বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩-এর ধারা ৬ ও ধারা ৭ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনটির ধারা-৬-এর অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার সুযোগ রয়েছে। আর ধারা-৭-এর শাস্তি হিসেবে রয়েছে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান।
মন্তব্য করুন