

প্রধানমন্ত্রীর
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা
মাহদী আমিন বলেছেন, দেশের সর্ববৃহৎ উচ্চশিক্ষা নেটওয়ার্ক হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
কেবল ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকবে না। বরং জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা
উন্নয়ন এবং সুনাগরিক তৈরির অন্যতম সূতিকাগারে পরিণত হবে।
রোববার
(৭ জুন) সকালে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে
দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা বিষয়ক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর
এই উপদেষ্টা বলেন, গত সাড়ে তিন মাসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যে কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে,
তার ভিত্তি প্রধানমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী ভিশন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনি
ম্যানিফেস্টো। আমরা বিশ্বাস করি, উচ্চশিক্ষাকে শুধু সনদ নির্ভর না করে কর্মমুখী, দক্ষতাভিত্তিক
এবং জীবনঘনিষ্ঠ করতে হবে।
তিনি
বলেন, সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ,
ক্যারিয়ার সেন্টার ও জব প্লেসমেন্ট কার্যক্রম চালু, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কলাবোরেশন
শক্তিশালীকরণ, এপ্রেন্টিসশীপ ও ইন্টার্নশীপের সুযোগ বৃদ্ধি, ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার প্রতিষ্ঠা
ও তৃতীয় ভাষা শিক্ষার প্রসার, ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’
কর্মসূচি, ‘ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান ট্রি’ উদ্যোগ এবং পরিবেশ ও জনকল্যাণমূলক
কর্মকাণ্ড হিসেবে খাল খননসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব
উদ্যোগের উদ্দেশ্য একটি যোগ্য, দায়িত্বশীল এবং আত্মনির্ভরশীল তরুণ প্রজন্ম গড়ে তোলা।
প্রতিমন্ত্রী
পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়,
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্বে রয়েছেন।
মাহদী
আমিন বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
অতি স্বল্প সময়ে যে অগ্রগতি ও অর্জনের স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছে, তা অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই পরিবর্তনের বার্তা নতুন আশার সঞ্চার করছে এবং উচ্চশিক্ষা
ব্যবস্থায় ইতিবাচক সংস্কারের অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, ধারাবাহিকতা বজায়
থাকলে এই অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে।
তিনি
বলেন, প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক, নির্বাচিত সরকারের কাছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কেন এতো
গুরুত্বপূর্ণ? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের
ব্যাপ্তি ও বিস্তৃতির মধ্যে। দেশের সর্বাধিক শিক্ষার্থী, অর্থাৎ ৩০ থেকে ৪০ লাখ ছাত্র-ছাত্রী
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ ২,২৮৫টি কলেজে অধ্যয়ন করে। নারীর ক্ষমতায়নকে প্রস্ফুটিত
করে, কেবল এই বছরে বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হয়েছে ৪ লক্ষেরও বেশি ছাত্রী। প্রতিবছর সর্বাধিক
সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েট হিসেবে বের হয়ে আসে। এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে,
সেই গ্র্যাজুয়েটদের বড় একটি অংশ কর্মসংস্থান খুঁজে পায়না, ফলে শিক্ষিত বেকারত্বের বেড়াজালে
বন্দি হয়ে পড়ে। তাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তন মানে কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তন
নয়; বরং সমগ্র বাংলাদেশের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং লক্ষ-লক্ষ পরিবারের
ভাগ্যের পরিবর্তন। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পুরো জাতির বিনির্মাণ ও অগ্রগতির প্রশ্ন।
মাহদী
আমিন বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় রাজধানীকেন্দ্রিক কোনো
প্রতিষ্ঠান নয়। এটি সারা দেশজুড়ে বিস্তৃত একটি বিশাল উচ্চশিক্ষা নেটওয়ার্ক। শহর থেকে
মফস্বল, জেলা থেকে উপজেলা, একদম তৃণমূল পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং সাধারণ
মানুষের ক্ষমতায়নের অন্যতম প্রধান বাহন হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে যাচ্ছে।
তাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তিশালীকরণ মানে
প্রধানমন্ত্রীর যে রাজনৈতিক দর্শন, অর্থাৎ তৃণমূলের শক্তিশালীকরণ, স্থানীয় সম্ভাবনার
বিকাশ এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথকে সুদৃঢ়
করা।
প্রধানমন্ত্রীর
এই উপদেষ্টা বলেন, জনগণের সরকার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট সমস্যার দ্রুত সমাধান
এবং মানসম্মত শিক্ষার সম্প্রসারণে বেশ কিছু যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের
পরীক্ষা ও ফলাফল প্রক্রিয়ায় ডিজিটাইজেশন, এবং বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে নিরাপদ
ক্যাম্পাসে সেশনজট অপসারণকে প্রাধান্য দিয়ে একটি গৌরবময়, আধুনিক ও মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয়ে
রূপান্তরের লক্ষ্যে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। যার ইতিবাচক ফল শিগগিরই পাওয়া যাবে।
তিনি
বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও পরিকল্পনায় আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা বিনির্মাণ
করতে চাই, যেখানে উদ্দীপ্ত শিক্ষার্থীরা একদিকে যেমন দেশপ্রেম, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং
মানুষের প্রতি মমত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হবে। অন্যদিকে কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং
চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা, সক্ষমতা ও ব্যবহারিক
জ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। প্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে ক্লাব
ভিত্তিক সহশিক্ষা কার্যক্রম যেমন- বিতর্ক, বিজ্ঞান মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সাহিত্যচর্চাকে
উৎসাহিত করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ
নিশ্চিতকরণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও টুর্নামেন্ট নিয়মিত আয়োজন করা হবে। শিক্ষা শুধু সার্টিফিকেট
অর্জনের মাধ্যম হবে না। বরং তা হবে প্রশিক্ষিত, কর্মদক্ষ, সৃজনশীল ও আত্মমর্যাদাসম্পন্ন
নাগরিক তৈরির প্রধান ভিত্তি।
তিনি
বলেন, মানবসম্পদ উন্নয়নের সেই পথযাত্রায়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের কাছে শুধুই একটি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়। বরং গণমানুষের আবেগ, আকাঙ্ক্ষা ও অনুভূতির প্রতীক। কারণ, ১৯৯২
সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দূরদর্শী নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত
এই বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য ছিল উচ্চশিক্ষাকে দেশের প্রতিটি প্রান্তে, সাধারণ মানুষের
দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, শিক্ষায় বৈষম্যহীনতার মাধ্যমে সমতা নিশ্চিত করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক
শিক্ষার মাধ্যমে জাতির অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করা।
দেশনেত্রীর
পরিকল্পনার যথার্থতা আমরা আশেপাশের দেশগুলোর দিকে তাকালেই দেখতে পাই। বিভিন্ন দেশের
ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি তাদের ন্যাশনাল ডেভলপমেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
National শব্দটি সেখানে কেবল নামের অংশ নয়; বরং জাতীয় উৎকর্ষ, চরিত্র গঠন ও নেতৃত্বের
প্রতীক।
তিনি
বলেন, ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ সময়ে রাষ্ট্র কাঠামোর অন্যান্য অংশের মতো শিক্ষা ব্যবস্থাকেও
ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, ধুলিস্যাৎ করা হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্যকেও।
দেশের সর্ববৃহৎ এ বিশ্ববিদ্যালয়কে এমনভাবে অবহেলা করা হয়েছে, যেখান থেকে কর্মসংস্থান
ও স্বনির্ভরতার সুযোগ ছিল অনেকটাই বিচ্ছিন্ন ও হতাশাজনক। সেই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে
জাতীয় ঐতিহ্য, তারুণ্যের অপার সম্ভাবনা ও গণমানুষের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে
নিয়ে গণতান্ত্রিক বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে একটি টেকসই, বাস্তবসম্মত ও যুগান্তকারী
কর্মপরিকল্পনা। আমরা বিশ্বাস করি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নতুনভাবে তার ঐতিহাসিক দায়িত্ব
পালন করবে। দেশের প্রান্তিক জনপদ থেকে উঠে আসা লক্ষ-লক্ষ শিক্ষার্থী শুধু ডিগ্রিধারী
নয়; বরং কর্মদক্ষ, সৃজনশীল, প্রযুক্তিবান্ধব ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে
তুলবে। তারা হবে আগামীর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং
জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক,
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এএসএম আমানুল্লাহ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


২০২৪ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে আজ।
বেলা ১১টায় ফল স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফল প্রকাশিত হবে।
এ বছর ভিন্ন এক পরিস্থিতিতে ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। কয়েকটি পরীক্ষা হওয়ার পর কোটা সংস্কার আন্দোলনের কারণে কয়েক দফায় স্থগিত করা হয়। পরে সংশোধিত সময়সূচি করেও পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে বাকি পরীক্ষাগুলো বাতিল করা হয়। এরপর শুরু হয় বাতিল পরীক্ষাগুলো ফলাফল নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা। শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি ও জেএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে ফল নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা পরিমার্জন করে দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে শুধু এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে বাতিল হওয়া পরীক্ষাগুলোর ফল নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফলাফল এবার নতুন আঙ্গিকে প্রকাশ করা হবে। তাছাড়া ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষ্যে কলেজ ছুটি থাকায় ফলাফল জানতে শিক্ষার্থীদের অনেকটা অনলাইন-নির্ভর থাকতে হবে।
শিক্ষা বোর্ড থেকেও অনলাইনে, এসএমএসে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কীভাবে ফলাফল পাওয়া যাবে, তা জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণার কোনো অনুষ্ঠান না থাকায় সবার নজর অনলাইনের দিকে।
তবে এবার এসএমএসে ফল জানানোর প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়েছে। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী—ফল প্রকাশের আগেই শিক্ষার্থীরা প্রি-রেজিস্ট্রেশন অর্থাৎ, আগেই এসএমএস পাঠিয়ে রাখতে পারবেন। যে যত আগে এসএমএস পাঠাবেন, তিনি তত আগে ফলাফল পাবেন।
যেকোনো অপারেটরের সিম ব্যবহার করা মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC<>Board Name (First 3 Letter) <> Roll <> Year টাইপ করে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। যেমন: ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের জন্য HSC <>DHA<> Roll <> 2023 লিখে 16222 নম্বরে সেন্ড করতে হবে।
জেএসসির ২৫, এসএসসির ৭৫ নম্বরের সমন্বয়ে তৈরি করা হবে ফল।
এইচএসসির ফল তৈরিতে সাবজেক্ট ম্যাপিং শুরু
ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করা পরীক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বরে ফলাফল পৌঁছে যাবে।
ফল প্রকাশের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষ্যে কলেজ ছুটি। দুর্গাপূজার যে ছুটি চলমান তা এদিনও থাকবে। ফলে কলেজে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি থাকবে না। সেদিক বিবেচনায় অনলাইনে কীভাবে ফলাফল জানা যাবে, তা বিস্তারিত জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।
স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের ফল বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে Result sheet download করা যাবে। যেমন, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd, www.educationboardresults.gov.bd ও www.eduboardresults.gov.bd-এ Result কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক Result sheet download করা যাবে এবং রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে Result sheet download করতে পারবে। সেখানে থাকা ফলাফল অপশনে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থীরা তার পুরো রেজাল্ট শিট দেখতে পাবেন।
এছাড়া SMS-এর মাধ্যমেও নিম্নোক্ত উপায়ে ফল সংগ্রহ করা যাবে: HSC Board name (first 3 letters) Roll Year টাইপ করে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।
উদাহরণ: HSC Dha 123456 2024 লিখে 16222-তে পাঠাতে হবে।
এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থীর ফলাফলের শিট পাবে, সেটাও জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে বলা হয়, স্ব স্ব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ঢুকে ইংরেজি অক্ষরে লেখা রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করতে হবে। সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বর অ্যান্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল শিট ডাউনলোড করা যাবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, ‘ঠিক বেলা ১১টায় সব বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গেলেও শিক্ষার্থীরা ফল পাবেন। আর ১১টি বোর্ডের সমন্বিত যে ফল, তার সংক্ষিপ্তসার ঢাকা বোর্ড থেকে দেওয়া হবে। কোনো সংবাদ সম্মেলন বা ব্রিফিং করবো না আমরা। শুধু ফলাফলের সারসংক্ষেপটা আমরা সাংবাদিকদের দিয়ে দেবো।
গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। এতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন। প্রথম প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী—৮ দিন পরীক্ষা হওয়ার পর কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ১৮ জুলাইয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এরপর তিন দফায় পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার।
সূচি অনুযায়ী—মোট ৬১ বিষয়ের পরীক্ষা গ্রহণ বাকি ছিল। বিভিন্ন বিভাগের (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য) বিভিন্ন বিষয় থাকায় এতগুলো পরীক্ষা স্থগিত এবং পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে তা বাতিল করা হয়।
এতে কারও পাঁচ বিষয়, আবার কারও ছয় বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল হয়েছে। সেগুলোতে এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে গ্রেড পয়েন্ট নির্ধারণ করা হবে। আর যে বিষয়গুলোর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেগুলোর খাতা মূল্যায়ন করে নম্বর ও গ্রেড পয়েন্ট নির্ধারণ হবে।
মন্তব্য করুন


মন্ত্রীর নির্দেশনা এবং গ্রাহকদের অসন্তোষ মধ্যে মোবাইল অপারেটরগুলো ইন্টারনেটের খরচ কমিয়েছে।
কোনো অপারেটর তিন দিনের দামে সাত দিনের প্যাকেজ ডিজাইন করেছে, আবার কোনোটি সরাসরি দামও কমিয়ে ফেলেছে।
গত ১৫ অক্টোবর থেকে মোবাইল ইন্টারনেটের নতুন প্যাকেজ কার্যকর হওয়ায় তিন দিনের প্যাকেজ তুলে দেওয়া হয়। অপারেটররা বলে আসছিল, তিন দিনের প্যাকেজ তুলে দিলে দাম বেড়ে যাবে। কারণ, তিন দিনের প্যাকেজটির চাহিদাই সব থেকে বেশি।
তিন দিনের প্যাকেজ তুলে দিয়ে নতুন নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার পর দাম বেড়ে যাওয়ায় গ্রাহক এবং অপারেটরদের মধ্যেও অস্বস্তি ছিল। পরে মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ১০ নভেম্বরের মধ্যে দাম কমানোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন।
ইন্টারনেট প্যাকেজের খরচ কমানোর নির্দেশনায় প্রথমেই সাড়া দেয় রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটক। এরপর অন্যান্য অপারেটরও প্যাকেজ রিডিজাইন করছে বলে জানিয়েছে অপারেটরগুলো।মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) ইন্টারনেটের দাম কমানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এক বিবৃতিতে এমটব জানায়, গত ১৫ অক্টোবর নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশাবলী অনুযায়ী নানাবিধ প্রতিকূলতা সত্ত্বেও অপারেটররা তাদের ইন্টারনেট প্রোডাক্ট পোর্টফোলিও আপডেট করে। দুর্ভাগ্যবশত এর মাত্র ১৫ দিন পরে আবারও প্রোডাক্ট পোর্টফলিও পরিবর্তন করতে নতুন নির্দেশনাবলী দেওয়া হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমরা ইতোমধ্যেই এই জটিল পোর্টফোলিও পরিবর্তন করেছি।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে কোটি কোটি বাংলাদেশির জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করে এমটব।
মন্তব্য করুন


কৃষিতে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেয়ার
জন্য ২০১৯ সালের নীতিমালা অনুযায়ী কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে
সিআইপি'র সমমর্যাদায় Agricultural Important
Person এআইপি প্রবর্তন করেন সরকার।
২০২১ সালের এআইপি খেতাবে
ভূষিত হয়েছেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার
আদমপুর গ্রামের রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রাপ্ত
কৃষি পরিবেশ সমাজ উন্নয়ন সংগঠক, অধ্যাপক এম এ মতিন (মতিন সৈকত)।
২০২১ সালের পদকটি আগামী ৭
জুলাই ২০২৪ইং তারিখে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে মতিন সৈকত সহ অনান্য এআইপিদের
সন্মাননা সংবর্ধনা প্রদান করা হবে।
তিনি চার দশক ধরে কৃষি পরিবেশ
সমাজ উন্নয়নে বৈপ্লবিক অবদান রাখছেন। কৃষি উদ্ভাবন জাত/প্রযুক্তি বিভাগে মতিন সৈকত-কে
এআইপি সম্মাননা দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত হয়।
এআইপিগণ সিআইপিদের মতো সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে-
মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রশংসাপত্র, বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশ পাশ, বিভিন্ন
জাতীয় অনুষ্ঠানে নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ, বিমান, রেল, সড়ক ও জলপথে ভ্রমণকালীন সরকার
পরিচালিত গণপরিবহনে আসন সংরক্ষণ অগ্রাধিকার, ব্যবসা/দাফতরিক কাজে বিদেশে ভ্রমণের জন্য
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা প্রাপ্তির নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে উদ্দেশ্য করে
Letter of Introduction ইস্যু করবে, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্য সরকারি
হাসপাতালের কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার
সুবিধা পাবেন।
মতিন সৈকত একজন বহুমুখী সৃজনশীল
উদ্ভাবক-উদ্যোক্তা। সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতি
স্বরূপ তিনি ১৯৮৭ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির
অভিনন্দন পত্র পেয়েছেন। পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ব্যাবহার এবং সম্প্রসারণে
অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১০ এবং ২০১৭ সালে মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী মতিন সৈকত-কে দুইবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যাক্তিগত ক্যাটাগরিতে
২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক প্রদান করেন।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে
মতিন সৈকত ছয়বার সরকারিভাবে চট্টগ্রাম বিভাগে শীর্ষ স্থান অর্জন করেন। বিষমুক্ত ফসল,
নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে মতিন সৈকত নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।
বেকারত্ব দূরীকরণ, কর্মসংস্থান
সৃষ্টিতে সমবায় ভিত্তিতে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মতিন সৈকত সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে তুলেন
আপুসি, আপুবি, বিসমিল্লাহ, আদমপুর আদর্শ মৎস্য চাষ প্রকল্প।
প্লাবন ভূমিতে মৎস্য চাষে
দাউদকান্দি মডেল এবং নিরাপদ খাদ্য উপজেলা দাউদকান্দি মডেলের অন্যতম অংশীজন তিনি। সারাদেশে
বোরোধান উৎপাদন করতে সেচের পানির জন্য কৃষককে যখন ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা বিঘাপ্রতি সেচ
খরচ দিতে হয়। সেখানে মতিন সৈকত বিঘাপ্রতি এককালীন
মৌসুমব্যাপী মাত্র দুইশ টাকার বিনিময়ে ত্রিশ বছর যাবত বোরোধান লাগানো থেকে পাকা ধান
কাটা পর্যন্ত যার যতোবার সেচের পানির প্রয়োজন ততোবারই সেচের পানি সরবরাহ করে জাতীয়
দৃষ্টান্ত স্হাপন করেন।
বোরোধানের জমিতে ধান উৎপাদনের
পাশাপাশি মৎস্য চাষ করে বিঘাপ্রতি ১০/ ১৫ হাজার
টাকা মুনাফা পাচ্ছেন কৃষক। মতিন সৈকতের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে সরকার কালাডুমুর নদী পূনঃখনন
করে দিয়েছেন।
এছাড়া মতিন সৈকত খাল-নদী
পূনঃখনন জলাভূমি সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী, পাখি
প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা
হয় -
তিনি নিজ এলাকা দাউদকান্দি কুমিল্লায় ২০০৬ সালে ১০,০০০ কৃষক নিয়ে আইপিএম-আইসিএম
ক্লাব গঠন করেন। তার এ উদ্যোগের ফলে ২০১৭ বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) দাউদকান্দি
উপজেলাকে বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করে। তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ
তিনি ২০১০ ও ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক এবং ২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে যুক্ত হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক সি আর আবরার
(চৌধুরী রফিকুল আবরার)।
তিনি
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন ।
মঙ্গলবার
(৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
অধ্যাপক
সিআর আবরার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক নামকরা শিক্ষক ছিলেন উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন,
কাল (বুধবার) উনি শপথ নেবেন। প্রফেসর ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ অনেক দিন ধরেই বলছিলেন, উনি
একসঙ্গে দুটি মন্ত্রণালয় কাজ করতে পারছেন না। যেহেতু উনি অ্যাডভান্সড স্টেজে, প্ল্যানিং
মিনিস্ট্রিতে অনেক বড় দায়িত্ব ওনার। এজন্য অধ্যাপক সি আর আবরার যুক্ত হচ্ছে উপদেষ্টা
পরিষদে।
প্রসঙ্গত,
বর্তমান শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ এই মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি পরিকল্পনা
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করে আসছেন।
তবে
নতুন কতজন উপদেষ্টা শপথ নেবেন সেটি তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
শফিকুল আলম বলেন, উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন
মাহমুদ অনেকদিন যাবত বলে আসছিলেন, তার পক্ষে একই সঙ্গে পরিকল্পনা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে তার বদলে অধ্যাপক আবরারকে সম্ভবত শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’ এর প্রভাবে নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চল হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ ও সুবর্ণচর সহ বিভিন্ন স্থানে বৃহস্পতিবার রাত থেকে হালাকা থেকে মাঝারি ধরনের বর্ষন হচ্ছে। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সৃষ্ট বৈরি আবহাওয়ার কারণে হাতিয়ার সাথে সারাদেশের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
শুক্রবার ভোর থেকে হাতিয়ার মেঘনা নদীতে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েক ফুট জোয়ার বেড়েছে। গতকাল বিকেল থেকে মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরে থাকা মাছ ধরা ট্রলারগুলো তীরে ফিরে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের সাথে ভার্চুয়ালি মিটিং করেছেন জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান।
জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান জানান, দূর্যোগ মোকাবেলার জন্য জেলায় ৪৮৫টি আশ্রয়ন কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছিলো। যেখানে ৩ লাখ ৪৮ হাজার উপকূলীয় এলাকার লোকজন আশ্রয় নিতে পারতেন। এছাড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিপিপি ৮৩৮০ জন, দুই শতাধিক রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবী, ১০১টি মেডিকেল টিম ও দূর্যোগ পরবর্তী সময়ের জন্য ৪৭৯ মেট্রিকটন চাল ও নগদ ২৪লাখ টাকা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের ঘুষ নেওয়া
নিয়ে সর্তকবার্তা দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের
ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের হুশিয়ারী দিয়ে একটি পোস্ট দেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ভূমি অফিসে
ঘুষ দেওয়ার মাত্রা কমে যাওয়ায় সেখানে কর্মীদের কাজে অনীহা দেখা যাচ্ছে এবং কাজ স্লো
করে দেওয়া হয়েছে। ভূমি অফিসের কর্মীরা যদি ঘুষের অভ্যাসের অভাবে কাজে অনীহা দেখান এবং
কাজ স্লো করে দেন, তাহলে এটি তাদের পেশাগত দায়বদ্ধতার অভাবকেই প্রকাশ করে। যাদের পেশাগত
দায়বদ্ধতার অভাব রয়েছে, তাদের বিকল্প চিন্তা করা সরকারের দায়িত্ব। আপনারা যারা কাজ
স্লো করে দিয়েছেন, এখনো সময় আছে, সাবধান হয়ে যান। না-হয় আপনাদের রিপ্লেসমেন্টও চলে
আসবে।
মন্তব্য করুন


মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আজহাকে
কেন্দ্র করে কোরবানির পশু পালন এখন প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের বছরের অন্যতম বড় আয়ের
উৎসে পরিণত হয়েছে।
আজ
মঙ্গলবার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নেউরা পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে
মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রাণিসম্পদ
মন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশু পালন ও বিক্রির মাধ্যমে দেশের লাখো পরিবার আর্থিকভাবে উপকৃত
হচ্ছে। ধীরে ধীরে এই খাত শিল্পভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকা-ে রূপ নিচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতিতেও
গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক গবাদিপশু কোরবানি হয়, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ
কোরবানির আয়োজন। এই ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষক ও খামারিরা এক থেকে
দুই বছর ধরে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ লালন-পালন করে বাজারজাত করেন। ফলে কোরবানির মৌসুম
প্রান্তিক খামারিদের জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
মন্ত্রী
বলেন, সরকার প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা
করছে। গবাদিপশু পালন সম্প্রসারণে প্রশিক্ষণ, কারিগরি সহায়তা ও খামারভিত্তিক উৎপাদন
বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেশে বাণিজ্যিকভাবে পশুপালনের প্রবণতা বাড়ছে
এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি আরও গতিশীল হচ্ছে।
কোরবানির
পশুর হাটে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও বাজার ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের
জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রাণিসম্পদ
বিভাগের সমন্বয়ে নিবিড় নজরদারি চলছে। হাটগুলো পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
নেওয়া হয়েছে।
তিনি
জানান, প্রতিটি পশুর হাটে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম দায়িত্ব পালন করছে। তারা পশুর স্বাস্থ্য
পরীক্ষা, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করছেন। একইসঙ্গে খামারি ও ব্যাপারিদের সেবা
নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন।
মন্ত্রী
বলেন, চাঁদাবাজি, অনিরাপত্তা কিংবা অব্যবস্থাপনা নিয়ে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অভিযোগ
পাওয়া যায়নি। প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কোরবানির সময় জাল নোটের ঝুঁকি
মোকাবিলায় বিভিন্ন পশুর হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যাতে ক্রেতা
ও বিক্রেতারা নিরাপদে লেনদেন করতে পারেন।
তিনি
আরও বলেন, ঈদের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে থেকে পশুর হাট পরিস্থিতি তদারকি অব্যাহত
থাকবে, যাতে ক্রেতা-বিক্রেতারা নির্বিঘ্নে কোরবানির পশু কেনাবেচা করতে পারেন।
এ
সময় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
মো. সামছুল আলম, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ
কর্মকর্তা ডা. মো. মাহে আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দেশবাসীর
উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির পায়তারা
চলছে, সতর্ক থাকুন।’
তিনি
বলেন, ‘আজকে যারা দেশে এই অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক
থাকতে হবে। কারণ, দেশে এই মুহূর্তে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড
বাধাগ্রস্ত হবে। দেশের মানুষ বিপদে পড়বে।’
আজ
শনিবার ( ২৩ মে ) দুপুরে ত্রিশালের বৈলর এলাকার ‘ধরার খাল’
পুনঃখননের পর উপস্থিত নেতা-কর্মীসহ গ্রামবাসীদের এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা
বলেন।
পল্লবীতে
শিশু রামিসা হত্যার ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তিন-চার দিন আগে এই অত্যন্ত দুঃখজনক,
হৃদয় বিদারক একটি ঘটনা ঘটছে। এই ছোট্ট বাচ্চাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। প্রথম থেকে
আমরা বলে এসেছি যে, আইনের দৃষ্টিতে কোন ব্যক্তি যদি অপরাধ করে তাকে শাস্তি পেতে হবে।
আইনের শাসন আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। তবে সব কিছু নিয়ম কানুন মেনেই করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘যে কোন অন্যায়কারীকে শাস্তি দিতে হলে, তার বিচার করতে হলে সরকারের কতগুলা নিয়ম
কানুন আছে। অথচ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে কিছু সংখ্যক মানুষ একটা ঘোলাটে
পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে। রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিচ্ছে, যান বাহন চলাচল বন্ধ
করে দিচ্ছে, এখানে আগুন ধরাচ্ছে, ওখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে। এই কাজগুলো যারা করে
তারা আইনের শাসনকে বাধাগ্রস্ত করছে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যখন ক্ষমতায়
ছিল সেই সময় আমরা দেখেছি দেশে কয়েকটি দুঃখজনক এরকম অন্যায় ঘটেছে, সেই অন্যায় যখন ঘটেছে
আমি নিজে সেই সকল বাচ্চার মায়েদের সাথে কথা বলেছিলাম, আমাদের দলের আইনজীবী, আমাদের
দলের চিকিৎসকরা গিয়ে চিকিৎসা দিয়েছে, আইনজীবীরা গিয়ে সেই আইনি সহায়তা করেছিল। আজকে
যেই ব্যক্তিরা হৈচৈ করছে, রাস্তা অবরোধ করছে, বড় বড় কথা বলছে, সেদিন কিন্তু তাদেরকে
আমরা মাঠে দেখিনি, সেদিন কিন্তু আমরা দেখিনি তারা অবরোধ করেছে।’
তিনি
প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘তাহলে কি আমরা ধরে নেব ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ
যেহেতু বিএনপিকে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করতে ক্ষমতা দিয়েছে সেই জন্যই কোনো মহলের মনে জ্বালা
হচ্ছে এবং এই জ্বালার কারণেই তারা এসব ষড়যন্ত্র করছে?’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘আমাদেরকে সতর্ক হতে হবে। গত ৫ আগস্ট যাদেরকে বাংলাদেশের মানুষ এই দেশ থেকে বিতাড়িত
করে দিয়েছিল, এখন যারা অরাজগতা সৃষ্টি করতে চাইছে তাদের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে। যেভাবে
‘৯৬ সালে করেছিল, যেইভাবে ’৮৬ সালে করেছিল,
তাদের সাথে নতুন কয়েকটি লেজও গজিয়েছে। সুন্দর
ছোট ছোট লেজেও গজিয়েছে।’
তিনি
বলেন, ‘আমরা এই দেশ থেকে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছি। যেই স্বৈরাচার বাংলাদেশের মানুষের
ভোটের অধিকার, মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, খেটে খাওয়া মানুষ, গ্রামে বাস
করা মানুষের সকল প্রকার উন্নয়ন বন্ধ করে দিয়েছিল সেই স্বৈরাচারকে এই বাংলাদেশের মানুষ
ছাত্র-জনতা রাজপথে একত্রিত হয়ে তাদেরকে এই দেশ থেকে বের করে দিয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘এখন বাংলাদেশের মানুষ দেশ গঠন করতে চায়। বাংলাদেশের মানুষ তার ভাগ্যের পরিবর্তন
করতে চায়। ভাগ্যের পরিবর্তন যদি করতে হয় আমাদের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে সক্রিয়
করে তুলতে হবে, আমাদের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে ব্যবহার করতে হবে, তাহলেই
আমরা এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারব।’
জনগণের
ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা রুখতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলে, ‘আজকে সময় এসেছে
মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য কাজ করার। অন্যদিকে যারা ন্যায় বিচারকে, সঠিক বিচারকে,
বাধাগ্রস্ত করার জন্য বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, মানুষের জন্য গৃহীত কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্তের
জন্য বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদের ব্যাপারে বাংলাদেশের মানুষকে সজাগ থাকতে হবে।’
তিনি
বলেন, ‘মনে রাখতে হবে এদেশের মালিক জনগণ। কিছু সংখ্যক মানুষ দেশে বিভ্রান্তি ছড়াবে
আর তারা সফল হয়ে যাবে,মানুষের ভাগ্যে নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে এই কাজ আর হতে দেওয়া যাবে
না। যারা জনগণের সাথে থাকবে জনগণের পাশে থাকবে, জনগণের জন্য কাজ করবে বাংলাদেশের জনগণ
তাদেরকেই সাথে নিয়ে এই দেশকে রক্ষা করবে যে কোন ষড়যন্ত্রের হাত থেকে।’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘আমার ঘর আমাকেই দেখতে হবে। আমাদের দেশ আমাদেরকেই দেখতে হবে। আমাদের দেশের স্বাধীনতা,
আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব, আমাদের দেশের মানুষের স্বার্থ আমরাই দেখব এবং যে কোন ষড়যন্ত্র
প্রতিহত করব আমরা ইনশল্লাহ।’
ময়মনসিংহ-৭
আসনে সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে সমাবেশে দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী
আসাদুল হাবিব দুলুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
এর
আগে প্রধানমন্ত্রী খাল পূনঃখনন স্থলে এসেই ফলক উন্মোচন করেন। এরপর তিনি নিজে খালের
কাছে গিয়ে কোদাল দিয়ে ‘ধরার খাল’ পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। তিনি
খালের পাশে একটি তাল গাছের চারাও রোপণ করেন।
মন্তব্য করুন


চিকিৎসা
নিতে গিয়ে ভারতে মৃত্যুবরণ করা অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের মরদেহ
ভারত থেকে দেশে আনার দায়িত্ব নিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। বেসরকারি বিমান সংস্থাটি
বিনা খরচে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
কারিনা
কায়সারের পারিবারিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তার পরিবার জানায়, গতকাল অন্য একটি
এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে মরদেহ আনার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স
বিনা খরচে মরদেহ বহনের দায়িত্ব নেয়। ফ্লাইটটি রোববার বিকেলে চেন্নাই থেকে কারিনার মরদেহ
ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
দেশে
আনার পর প্রথমে মরদেহ নেওয়া হবে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসের বাসায়। পরে বনানী ডিওএইচএস
মসজিদে জানাজা হবে।
কারিনার
বাবা কায়সার হামিদ জানান, সোমবার মরদেহ নেওয়া হবে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় তার নানার
বাড়িতে। সেখানেই দাফন করা হবে এই কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে।
লিভারজনিত
জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১১ মে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে কারিনাকে ভারতের
চেন্নাই নেওয়া হয়। ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসা
চলছিল। শুক্রবার গভীর রাতে সেখানেই মৃত্যু হয় তার।
কারিনার
বাবা কায়সার হামিদ জানান, হঠাৎ করেই তার রক্তচাপ কমে যায় এবং চিকিৎসকদের সব চেষ্টা
সত্ত্বেও তা আর নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
এর
আগে রাজধানীর একটি হাসপাতালে এক সপ্তাহের বেশি সময় চিকিৎসাধীন ছিলেন কারিনা। অবস্থার
অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়া হয়।
চেন্নাই
থেকে কারিনার মা লোপা কায়সার জানিয়েছিলেন, লিভার প্রতিস্থাপন বা বড় ধরনের অস্ত্রোপচারের
ধকল নেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থায় ছিলেন না কারিনা।
চিকিৎসকদের
বরাতে তিনি বলেন, কারিনার ফুসফুসে তরল ও কফ জমে সংক্রমণ তৈরি হয়েছিল। চিকিৎসকেরা তাকে
স্থিতিশীল করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত অস্ত্রোপচারের পর্যায়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
‘এ’ লেভেল শেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যাওয়ার
আগে-এর ইংরেজি বিভাগে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করেছিলেন কারিনা। দেশে ফিরে তিনি কনটেন্ট
ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পান। পরে অভিনয় ও চিত্রনাট্য রচনাতেও যুক্ত হন। তার উল্লেখযোগ্য
কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।
মন্তব্য করুন


আজ (৮ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামে যাবেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক
হাসনাত আবদুল্লাহ এবং মুন্সিগঞ্জ যাবেন সমন্বয়ক সারজিস আলম।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তারা এ তথ্য জানান।
গতকাল সমন্বয়ক ফেসবুকে হাসনাত আবদুল্লাহ
জানান, প্রিয় চট্টগ্রামবাসী! আগামীকাল (রোববার) ৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সফর। এ সফরের অংশ হিসেবে আমাদের একটি সমন্বয়ক
টিম প্রত্যেকটি জেলার অভ্যুত্থান ঘটানো ছাত্র-জনতার সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবে।
সফরের প্রথম জেলা হিসেবে আগামীকাল চট্টগ্রামে দুটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ছাত্র-জনতার
সঙ্গে মতবিনিময় নিয়ে প্রথম সভাটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।
একইদিনে ছাত্র-জনতার সঙ্গে মতবিনিময়
নিয়ে দ্বিতীয় সভাটি চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘির ময়দানে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে।
রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ ছাত্র-জনতার সঙ্গে আগামীকাল দেখা হবে, ইনশাআল্লাহ।
মুন্সিগঞ্জে’শিরোনামে আরেকটি স্ট্যাটাস
দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম।
তিনি ফেসবুকে লেখেন, আগামীকাল রোববার
(৮ আগস্ট) থেকে শুরু হচ্ছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সফর।
যেখানে আমাদের একটি সমন্বয়ক টিম প্রত্যেকটি জেলার অভ্যুত্থান ঘটানো ছাত্র-জনতার সঙ্গে
মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবে। ঢাকা বিভাগীয় সফরের প্রথম জেলা হিসেবে আগামীকাল মুন্সিগঞ্জে
সেই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ছাত্র-জনতার সঙ্গে মতবিনিময়
সভা হবে মুন্সিগঞ্জের সরকারি হরগঙ্গা কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে বিকেল ৩টায়। রক্তের বন্ধনে
আবদ্ধ ছাত্র-জনতার সঙ্গে আগামীকাল দেখা হচ্ছে ইনশাআল্লাহ।
মন্তব্য করুন