

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় ট্রাক্টর ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছেন। ঘটনা ঘটে উপজেলার বীরগঞ্জ-পীরগঞ্জ সড়কের সুজালপুর ইউনিয়নের কোমরপুর বটতলা মোড় সংলগ্ন এলাকায়।
নিহতরা হলেন ভোগনগর ইউনিয়নের রুহিলা গ্রামের তারিনী বর্মন (৪০) ও স্ত্রী ইতি বর্মন (৩৫)। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সকালে স্বামী-স্ত্রী মোটরসাইকেলে উপজেলা সদরে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীতমুখী ট্রাক্টরের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই তারিনী বর্মন মারা যান। গুরুতর আহত ইতি বর্মন প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আফরোজ সুলতানা জানিয়েছেন, ইতি বর্মনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তিনি মারা যান।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিপুলসংখ্যক ঘর-বাড়ি পুড়ে
যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এ
ঘটনায় অসংখ্য পরিবারের নিঃস্ব হয়ে যাওয়াকে ‘সকলের জন্য বেদনাদায়ক’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এক
বিবৃতিতে প্রধান উপদেষ্টা আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তিনি
বলেন, ‘কড়াইল বস্তির অগ্নিকাণ্ডে যেসব পরিবার গৃহহীন হয়েছেন, তাদের দুঃখ-কষ্ট আমাদের সকলের জন্য বেদনার। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা
নিশ্চিত করবে।’
তিনি
জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম
জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান করে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মন্তব্য করুন


নতুন নীতিমালার আওতায় যেসব গ্রাহকের নামে বর্তমানে ছয় থেকে ১০টি সিম নিবন্ধিত রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও ধাপে ধাপে সিমের সংখ্যা কমিয়ে সর্বোচ্চ পাঁচটিতে সীমাবদ্ধ করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো অনিয়ম ও অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনা। তবে মোবাইল ফোন অপারেটররা আগের মতোই এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসছে।বিশ্বব্যাপী সিম ব্যবহারের পরিসংখ্যানে বাংলাদেশ বর্তমানে নবম অবস্থানে রয়েছে। এ তালিকায় বাংলাদেশের নিচে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের মতো দেশ।বিটিআরসির সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের অক্টোবর মাস পর্যন্ত দেশে মোট মোবাইল সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজারে পৌঁছেছে। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৮ কোটি ৫৯ লাখ, রবির ৫ কোটি ৭৫ লাখ, বাংলালিংকের ৩ কোটি ৭৯ লাখ এবং টেলিটকের প্রায় ৬৬ লাখ ৭০ হাজার।বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত মোট সিমের সংখ্যা প্রায় ২৬ কোটি ৬৩ লাখ। এর মধ্যে সক্রিয় সিম রয়েছে আনুমানিক ১৯ কোটি, আর অবশিষ্ট সিমগুলো নিষ্ক্রিয় অবস্থায় আছে।এর আগে গত আগস্ট মাসে এক ব্যক্তির নামে ১০টির বেশি সক্রিয় সিম থাকলে সেগুলো ৩০ অক্টোবরের মধ্যে বাতিল অথবা মালিকানা হস্তান্তরের নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, সে সময় প্রায় ৬৭ লাখ সিম এমন অবস্থায় ছিল। পরবর্তী তিন মাসে প্রায় ১৫ লাখ সিম গ্রাহক স্বেচ্ছায় বাতিল করলেও এখনো আনুমানিক ৫০ থেকে ৫৩ লাখ সিম বাতিল প্রক্রিয়ার বাইরে রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব সিম নিষ্ক্রিয় না করায় সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


আজ
সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের
নিকলিতে। একদিন আগে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল নওগাঁর
বদলগাছীতে।
বৃহস্পতিবার
(১১ জানুয়ারি) পৌষ মাসের ২৭ তারিখ। আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা খুব বেশি কমার সম্ভাবনা
নেই বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে আগামী সপ্তাহে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন
তারা।
বৃহস্পতিবার
সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার
হোসেন বলেন, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত
থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং এটি কোথাও কোথাও দুপুর
পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক
যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। এসময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং অন্যত্র এটি অপরিবর্তিত
থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় ট্রলি উল্টে নদীতে পড়ে একই পরিবারের তিন নারী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে কড়িকান্দি রাজাপুর সড়কের তিতাস নদীর ঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, দুপুরের দিকে তিন নারী ঘাটে নেমে গোসল করছিলেন। এ সময় বালুভর্তি একটি ট্রলি কড়িকান্দি রাজাপুর সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ ট্রলিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায় এবং গোসলরত তিন নারীর ওপর সরাসরি চাপা পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রলিটি উদ্ধার করে এবং মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। ট্রলির চালক গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
নিহতরা হলেন তিতাস উপজেলার কড়িকান্দি রাজাপুর এলাকার শুক্কুর আলীর স্ত্রী রিনা আক্তার (৩৫), ইমন মিয়ার স্ত্রী রুজিনা আক্তার (৩০) এবং ফারুক মিয়ার স্ত্রী সামছুন নাহার (৪০)। এদের মধ্যে রুজিনা ও সামছুন নাহার আপন জা, আর রিনা আক্তার তাদের ভাগিনার স্ত্রী।
মন্তব্য করুন


যারা
জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে এবং ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে
'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষে প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত, শিল্প এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।
শনিবার
(১৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরি ও ইনস্টিটিউটের শহীদ সুভাষ
হলে আয়োজিত 'গণভোট ২০২৬ সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক সভায়' প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি
এ কথা বলেন।
জুলাই
সনদের গুরুত্ব তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, "আমরা এমন বাংলাদেশ চাই যেখানে জুলাই সনদের
মাধ্যমে আগামী ১০০ বছরের বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যাবে। জনতার কাফেলা 'হ্যাঁ'
ভোটের পক্ষে, জুলাই সনদের পক্ষে, নতুন বাংলাদেশের পক্ষে। প্রায় ১৪০০ ছাত্র-জনতা যে
লক্ষ্যে জীবন দিয়েছেন, হাজার হাজার আহত হয়েছেন তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য জুলাই
সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষের সকল রাজনৈতিক দলের উদ্যোগে। সেই সনদের
পক্ষেই এই গণভোট বাংলাদেশকে বদলে দেওয়ার জন্য।"
অতীতের
ধর্মীয় বৈষম্য ও দমন-পীড়নের কথা উল্লেখ করে আদিলুর রহমান খান বলেন, 'আগে একসময় সংখ্যাগরিষ্ঠ
মুসলমানরাই তাদের ধর্মীয় উৎসব পালনে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।' তিনি আরও বলেন, 'শাপলা চত্বরে
সমাবেশের ওপর হামলা, ম্যাসাকার হয়েছে। সেই দিনগুলো আর চাই না। অন্তবর্তী সরকার চায়
সমস্ত ধর্মের মানুষ, সমস্ত নৃগোষ্ঠীর মানুষ যেন তাদের ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক সমস্ত কিছু
চর্চা করতে পারেন।'
সভায়
উপদেষ্টা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে সপরিবারে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে 'হ্যাঁ'
ভোটে সিল দেওয়ার এবং নিজেদের পছন্দের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সংসদে পাঠানোর জন্য নির্বাচিত
করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে
গণভোটের গুরুত্ব নিয়ে একটি জনসচেতনতামূলক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। জেলা প্রশাসক
মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোহাম্মদ রেজাউল মাকছুদ জাহেদী। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি
প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।
সভা
শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে বেলুন উড়িয়ে জনসচেতনতামূলক 'ভোটের গাড়ি' কার্যক্রমের
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


১৮ জুলাই ২০২৪ এ ইন্টারনেট শাট ডাউনের প্রতিবাদে
এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালনের অংশ হিসেবে আজ শুক্রবার (১৮ জুলাই, ২০২৫) থেকে
৫ দিন মেয়াদে দেশের সব গ্রাহক বিনা মূল্যে ১ জিবি ইন্টারনেট ডেটা পাচ্ছেন।
১৮ জুলাই বিনা মূল্যে গ্রাহকদের ১ জিবি ইন্টারনেট
দেওয়া যায় কি-না, সে বিষয়ে বিটিআরসি দেশের সব মোবাইল ফোন অপারেটরকে একটি প্রস্তাব দেয়।
দেশের সব মোবাইল অপারেটর স্বপ্রণোদিত হয়ে এই
উদ্যোগে সাড়া দিয়ে নিজ নিজ গ্রাহকদের বিনা মূল্যে ৫ দিন মেয়াদে ১ জিবি ইন্টারনেট ডেটা
ফ্রি দিচ্ছে।
বিটিআরসি’র নির্দেশনায় অপারেটররা গ্রাহকদের
ফ্রি ডেটা দেওয়ার বিষয়টি আগেই এসএমএস-এর মাধ্যমে অবহিত করে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে প্রেস উইং আরও জানায়, সরকারি চাকরিতে
কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৭ জুলাই
রাতে মুঠোফোনে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পরদিন ১৮ জুলাই রাতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটও
বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে দেশ পুরোপুরি ইন্টারনেটবিহীন হয়ে পড়ে।
সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখেই গণ-অভ্যুত্থানের
এক বছর পূর্তি উপলক্ষে গ্রাহকদের বিনা মূল্যে ১ জিবি ইন্টারনেট ডেটা দেওয়ার উদ্যোগ
নেওয়া হয়েছে।
ডায়াল কোড-
গ্রামীণফোন: *১২১*১৮০৭#
বাংলালিংক: *১২১*১৮০৭#
রবি: *৪*১৮০৭#
টেলিটক: *১১১*১৮০৭#
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ার
সেলানগর রাজ্যের সেলায়াং বারু এলাকায় বাংলাদেশিসহ ৮৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার
(৬ ডিসেম্বর) রাত ৮টা থেকে সেলায়াং বাজার ও তানি মার্কেটে এ অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী।
মোট
১ হাজার ১১৬ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। বৈধ নথি না থাকায় ৮৪৩ জনকে আটক করা হয়। তাদের
মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তানের নাগরিকও আছেন। তবে কতজন বাংলাদেশি—
তা এখনো জানায়নি কর্তৃপক্ষ।
অভিযানে
নেতৃত্ব দেন সেলানগরের মুখ্যমন্ত্রী আমিরুদিন শারি। তিনি বলেন, রাজধানীর কাছে হওয়ায়
এলাকায় অনেক বিদেশি শ্রমিক অবৈধভাবে থাকছিলেন এবং অনেকে রাস্তার পাশে অনুমতি ছাড়া ব্যবসা
করছিলেন। জননিরাপত্তার জন্য ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করেই অভিযান চালানো হয়েছে।
আটকদের
মধ্যে ৩৫ জন নারী রয়েছেন। সবার বয়স ২১ থেকে ৫৩ বছরের মধ্যে। তাদের বিরুদ্ধে ওভারস্টে,
বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা ও জাল কাগজ ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে। ৩৫৮ সদস্যের সমন্বয়ে
পরিচালিত এ অভিযানে ইমিগ্রেশন, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের সদস্যরা
অংশ নেন। এছাড়া মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দু’জন মালয়েশীয়ও আটক হয়েছেন।
সব
আটক অভিবাসীকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সেমেনিহ ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, অবৈধ কর্মী নিয়োগকারীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং
ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


হাসপাতালের সাদা অ্যাপ্রন গায়ে, গলায় ঝোলা স্টেথোস্কোপ—দেখলে সাধারণ চিকিৎসকের মতোই মনে হয় তাঁকে। কিন্তু তাঁর চলাফেরা, চোখেমুখের উত্তেজনা এবং রোগীদের প্রতি আলাদা দায়িত্ববোধ তাঁকে বাকিদের থেকে খানিকটা আলাদা করে দেয়। গুজরাতের ভাবনগর জেলায় স্যার টি জেনারেল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে নতুন রোগী আনা মাত্রই ছোট্ট শরীরে দ্রুত পদক্ষেপে এগিয়ে গেলেন তিনি। স্ট্রেচারের পাশে দাঁড়িয়ে নিজে দেখার বদলে দুই ইন্টার্ন ডাক্তারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে দিলেন, তারপর ধীরগতিতে নিজের চেম্বারের দিকে রওনা হলেন।এই সময় রোগীর স্বজনদের মধ্যে কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে। কারণ সবার চোখে একই বিস্ময়—ডাক্তারটির উচ্চতা স্ট্রেচারের উচ্চতার চেয়েও কম! কিন্তু তাঁদের বিস্ময় বা সংশয়কে গুরুত্ব দেওয়ার ফুরসত না নিয়েই তিনি নিজের কাজে ফিরে যান। তিনি গণেশ বরইয়া—মাত্র ২৫ বছর বয়সী, উচ্চতা তিন ফুট, তবু নামের পাশে গর্বের সঙ্গে লেখা ‘এমবিবিএস’। জন্মগতভাবে শারীরিকভাবে ৭২ শতাংশ অক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি চিকিৎসা বিজ্ঞানে ডিগ্রি অর্জন করেছেন। নিরক্ষর কৃষক বাবার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন তিনি পূরণ করেছেন নিজের অধ্যবসায় ও মনোবলের জোরে।ভাবনগরের গোরখি গ্রামের দরিদ্র পরিবারে জন্ম গণেশের। বাবা-মায়ের অষ্টম সন্তান এবং পরিবারের প্রথম ছেলে হওয়ায় জন্মের পর থেকেই তাকে ঘিরে নানা আশা ছিল। কিন্তু জন্ম থেকেই তিনি বামনত্বে (dwarfism) ভুগছিলেন; গ্রোথ হরমোনের ঘাটতিতে হাঁটাচলাতেও ছিল সমস্যা। রোগ ধরা পড়ার পর অনেকে মনে করেছিলেন—গণেশের ভবিষ্যৎ হয়তো খুব সীমিত। তবু পরিবার তাঁকে কখনো ছাড়েনি, ভালোবাসায় আচ্ছন্ন রেখেছিল সবসময়।শৈশবের এক ভয়ংকর ঘটনাও আজও তাঁর মনে গেঁথে আছে। যখন তাঁর বয়স মাত্র ১০, কয়েকজন সার্কাসকর্মী এসে পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে তাঁকে কিনে নিতে চেয়েছিল। যুক্তি ছিল—গণেশের ভবিষ্যৎ সার্কাসেই সীমাবদ্ধ, অন্য কোথাও তার জায়গা নেই। কিন্তু তাঁর বাবা দৃঢ়ভাবে তা প্রত্যাখ্যান করেন। ছেলে যেন পৃথিবীর আলো ছায়ায় নিজের পথ তৈরি করতে পারে—এই বিশ্বাসেই তিনি সার্কাসদলকে তাড়িয়ে দেন। এরপর গণেশকে আরও বেশি আগলে রাখেন পরিবার। দিদিরা কোলে করে স্কুলে নিয়ে যেত, বাবা মাঝে মাঝে কাঁধে বসিয়ে পথ চলতেন। ছোট বয়সেই গণেশ বুঝে যায়—অক্ষমতা তার জীবনের অংশ হলেও তা তাকে থামাতে পারবে না। উচ্চতা না বাড়লেও তাকে ‘বড়’ হতেই হবে।তিনি নিজেই বলেন, “জীবনের পথে এগোতে অনেকের সহায়তা আমার প্রয়োজন ছিল, তা ছোটবেলাতেই বুঝেছিলাম। অনেকেই আমাকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁদের স্নেহ ও সাহায্য ছাড়া আমি এতটা দূর আসতে পারতাম না।”
আজ গণেশ বরইয়া সেই প্রমাণ যে শারীরিক সীমাবদ্ধতা নয়, মানুষের মনোবলই নির্ধারণ করে তার সাফল্যের পথ। তাঁর তিন ফুট শরীর হলেও স্বপ্নের বিস্তার আকাশছোঁয়া।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা মন্ত্রণালয় চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করেছে।
রোববার (২৮ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ২৯ হাজার ৭৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩ হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে।
২০২৪ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।
এসএসসি পরীক্ষা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলা প্রথম পত্র দিয়ে শুরু হবে। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
রুটিন অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলা প্রথম পত্র, সহজ বাংলা প্রথম পত্র ; ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলা দ্বিতীয় পত্র, সহজ বাংলা দ্বিতীয় পত্র ; ২০ ফেব্রুয়ারি ইংরেজি প্রথম পত্র; ২২ ফেব্রুয়ারি ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র; ২৫ ফেব্রুয়ারি গণিত; ২৭ ফেব্রুয়ারি ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্ট ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা; ২৮ ফেব্রুয়ারি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি; ২৯ ফেব্রুয়ারি গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, কৃষি শিক্ষা, আরবি, সংস্কৃত, পালি, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রিড়া, চারু ও কারুকলা; ৩ মার্চ পদার্থ বিজ্ঞান, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং; ৫ মার্চ রসায়ন, পৌরনীতি ও নাগরিকতা, ব্যবসায় উদ্যোগ; ৬ মার্চ ভূগোল ও পরিবেশ; ৭ মার্চ জীব বিজ্ঞান, অর্থনীতি; ১০ মার্চ বিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত; ১১ মার্চ হিসাব বিজ্ঞান এবং ১২ মার্চ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৩ মার্চ থেকে ২০ মার্চ স্ব স্ব পরীক্ষা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ১৮ কোটি মানুষের বিজয় নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, আন্দোলনরত ৮ দলের ৫ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের লড়াই অব্যাহত থাকবে। ইসলামি দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ ঐক্য আমাদের জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নিয়ে যাবে। প্রয়োজনে আরও একবার ৫ আগস্ট সংঘটিত হবে।
আজ সোমবার (১ ডিসেম্বর) বিকেলে আন্দোলনরত ৮ দলের উদ্যোগে খুলনা নগরীর শিববাড়ী মোড়ে বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা ৮ দলের বিজয় চাই না, আমার বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। আমরা দুর্নীতিমুক্ত সমাজ, ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, তাঁবেদারি নয়- স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যেতে চাই। ৫ আগস্ট বিপ্লবের পরদিন থেকে একটি গোষ্ঠী প্রভাব বিস্তারের জন্য জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে। প্রশাসনিক ক্যু করার চেষ্টা করছে। চাঁদাবাজি, দুর্নীতি অরাজকতা অব্যাহত আছে। আগামী নির্বাচনে ছলে-বলে কৌশলে ক্ষমতায় যেতে কেউ কেউ ষড়যন্ত্রের জাল বিচ্ছাচ্ছে।
তরুণদের ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন এবং আগামীতে ইসলামী দলগুলোর হাতে দেশ তুলে দেওয়ার আহ্বান জানান জামায়াতের আমির।
যারা বিগত তিনটি সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি তাদের উদ্দেশ্য করে জামায়াতের আমির বলেন, এবার তোমাদের ভোট নিয়ে কেউ ছিনিমিনি করতে চাইলে আমরা তা হতে দেব না। সেদিন আমারও যুবক হয়ে তোমাদের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করব। তরুণ ভোটারদের উদ্দেশ্য করে বলেন, তোমাদের হাতে আমার দেশটা তুলে দিতে চাই। সেজন্য নিজেদের প্রস্তুত করো। তোমরা চাকরি করবে না, চাকরি দেবে।
তিনি বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী ৫৪ বছরে জনগণের লালিত স্বপ্ন অনেকাংশেই বাস্তবায়ন হয়নি। দৃশ্যমান কিছু উন্নয়ন হলেও এটা প্রকৃত উন্নয়ন নয়। দেশ ও জাতির মধ্যে ন্যায়বিচার ও সামাজিক সুশাসন আছে কিনা সেটা বিবেচ্য।
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা দুই ধারায় চলমান উল্লেখ করে আমির বলেন, এক ধারায় রয়েছে মাদ্রাসাশিক্ষা। অন্য ধারায় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা। মাদ্রাসায় খুনোখুনি হয় না। অস্ত্রবাজি হয় না। জ্ঞানের চর্চা হয়। পক্ষান্তরে ৫৪ বছরে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্তানদের লাশ পড়েছে। মদ-গাঁজার আসর বসেছে। মেয়েদের ইজ্জত লুট হয়েছে। অস্ত্রের ঝনঝনানি হয়েছে। সভ্য হতে হলে আমাদের দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে। কিছু দল ও ব্যক্তি দফায় দফায় দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করে ভাবমূর্তি বিনষ্ট করেছে।
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, অনেক স্থানে আমাদের ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। তবে জনগণ এখন আর পোস্টার দেখে ভোটের সিদ্ধান্ত নেয় না। তারা আমাদের ভালোবেসে বুকের মধ্যে স্থান দিয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির পীরসাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিম বলেন, অনেকে বলেন আমার নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নই। কিন্তু আমার নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। কিন্তু তারাই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে হিসাব নিকাশ করে দেখেছেন তাদের পায়ের তলে মাটি সরে গেছে। এবার নির্বাচন নিয়ে আপনারাই ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। গুন্ডামি করে, সেন্টার দখল করে, সন্ত্রাসী চালিয়ে ক্ষমতার চেয়ারে বসবেন। সেদিন ভুলে যান। সে সুযোগ আর আপনারা পাবেন না।
সমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশে দেখতে পাচ্ছি, বাংলাদেশ আজ দুই ভাগে বিভক্ত। ৭২ বাকশালপন্থি আর এক ভাগ ২০২৪ সালের বিপ্লবপন্থি শক্তি।
তিনি আরও বলেন, রক্তের সাগর পেরিয়ে ২৪-এর জুলাই বিপ্লবের পর যেই ফ্যাসিবাদ বিতাড়িত করা হয়েছে, সেই ফ্যাসিবাদ বাংলার মাটিতে আসবে না। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি কার্যকরে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলাম। জুলাই সনদকে চূড়ান্ত আইনি ভিত্তি দিতে গণভোটের আয়োজন করতে হবে। একসঙ্গে তালগোল পাকিয়ে এ মাহাত্ম্যকে নষ্ট করবেন না। জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন করা হোক।
মামুনুল হক বলেন, ব্যর্থ হলে ইন্টেরিম সরকার ইতিহাস আপনাদের ক্ষমা করবে না। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না। কলঙ্ক নিয়ে আপনাদেরও বিদায় নিতে হবে। বাংলার মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। দলীয় প্রতীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি হ্যাঁ ভোটের বাক্স ভরতে হবে। নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা দেখা দিলে সরকারকে তার দায় নিতে হবে।
তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় থেকে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে। তারা চেয়েছিল ৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে। ৮ দল ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজ থাকবে না। জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, এটাকে কেউ ভাঙতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।
বাংলাদেশ নেজামী ইসলামী পার্টির মহাসচিব মুফতি মুসা বিন ইজহার বলেন, খান জাহান আলীর শহর খুলনা, রূপালী শহর খুলনা। যারা সংস্কারের বিরুদ্ধে থাকবে, আগামী নির্বাচনে জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করবে। যারা এদেশে শরীয় আইন চায়না তাদের লাল কার্ড দেখাবে। সিসা ঢালা এই ঐক্য ধরে রেখে আমরা ইসলামী সংসদ গড়ে তুলব।
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানী বলেন, এ দেশের সংবিধান হবে আল্লাহর কোরআন। সংসদে হবে কোরআনের আইন। যে কোনো ষড়যন্ত্র আমরা মোকাবিলা করব। মানুষকে বোঝাতে হবে আল্লাহর আইন ছাড়া শান্তি সম্ভব না।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেছেন, যারা বলেছিলেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিবকে খুলনায় আসতে দেবে না। তারা এসে দেখে যান বাবরী চত্বর ইসলামি দলে ভরে উঠেছে। জাতীয় নির্বাচন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। ৫ আগস্টে জনগণ দেখেছে এ দেশের জনগণ হিন্দুত্ববাদ কায়েম করতে চায় না। বাংলাদেশের জনগণ চাঁদাবাজি দেখতে চায় না।
গণভোটের প্রশ্নে তিনি বলেন, গণভোটকে হ্যাঁ বলুন, ৮ দলের প্রতীকে সিল মারুন।
বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টি বিডিপির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন বলেন, আমরা দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছি। এদেশের মানুষ অন্য দেশের দালালি করতে চায় না। মানুষ দালালি নয়, মুক্তি চায়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির পীরসাহেব চরমোনাই মুফতী সৈয়দ মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুফতি মুসা বিন ইজহার।
খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টি বিডিপির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল আউয়াল ও মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আজাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন ও খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন।
মন্তব্য করুন