

কক্সবাজার শহরের বাদশাঘোনা এলাকায় পাহাড়
ধসে মাটি চাপায় স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২১ জুন) ভোরে এ দুর্ঘটনা
ঘটে।
নিহত দুজন হলেন- ওই এলাকার নজির হোসেনের
ছেলে মো: আনোয়ার হোসেন (২৬) ও তার স্ত্রী মাইমুনা আক্তার (২০)।
আনোয়ার হোসেন স্থানীয় ওমর ফারুক জামে
মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন। তার স্ত্রী মাইমুনা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন
বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে কক্সবাজার শহরে থেমে থেমে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টি হচ্ছিল।
রাত ৩টার দিকে মুষলধারে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। এ সময় ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের ঘরের ওপর পাহাড়
ধ্বসে পড়ে। এতে স্বামী-স্ত্রী দুইজনই মাটি চাপা পড়ে মারা যান।
ঘটনার পর তাদের মায়ের চিৎকারে স্থানীয়রা
এগিয়ে এসে মাটি চাপা অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করে। পরে তাদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে
নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তাদের মরদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল
মর্গে রয়েছে বলে জানান হেলাল উদ্দিন।
মন্তব্য করুন


চাকরির ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে অর্থ আত্মসাৎকারী সংঘবদ্ধ এই প্রতারক চক্রের মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ।
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে চাকরির বিজ্ঞাপন প্রকাশের পর সক্রিয় হয়ে উঠতো একটি প্রতারক চক্র। চক্রের সদস্যরা মাঠকর্মী সেজে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছে গিয়ে বিভিন্ন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখিয়ে যে কোনো চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিতো। এভাবে প্রার্থীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্র দেওয়ার মাধ্যমে গত কয়েক বছরে চক্রটি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
ডিবি জানিয়েছে, রেলপথ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, কারা অধিদপ্তর, পররাষ্ট্র অধিদপ্তর, বিআরটিসি, বিএডিসি, সচিবালয়, ব্যাংক, মেট্রোরেল, এয়ারপোর্ট, তিতাস গ্যাস এবং বিশেষ বাহিনীর সিভিল পদে চাকরির বিজ্ঞাপন বিভিন্ন গণমাধ্যমে আসার পর একটি প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়ে উঠে। সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করত একটি চক্র। চক্রটি প্রত্যেক চাকরিপ্রত্যাশীর কাছ থেকে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিলেও এখন পর্যন্ত কাউকে চাকরি দিতে পারেনি। এভাবে গত কয়েক বছরে তারা কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।
গ্রেফতাররা হলেন- মো. ফরিদুল ইসলাম (২৯), মো. নাসির চৌধুরী (৪৫), মো. নাসিম মাহমুদ (৪৩) ও জুয়েল রানা (৪৫)। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত চারটি মোবাইল ফোন ও বেশ কিছু ভুয়া নিয়োগপত্র, চেক ও স্ট্যাম্প জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, গ্রেফতাররা বেশ কিছুদিন ধরে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে দেখিয়ে প্রদানের মাধ্যমে সাধারণ চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। অনুসন্ধানে এই চক্রের বিভিন্ন ধাপ লক্ষ্য করা যায়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, কোনো চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেই এই চক্রের সদস্যরা মাঠকর্মী সেজে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছে গিয়ে বিভিন্ন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখিয়ে যে কোনো চাকরি পাইয়ে দেওয়ার মতো তাদের হাতে লোক রয়েছে বলে আশ্বস্ত করতো। চাকরিপ্রার্থীরা তাদের প্রস্তাবে রাজি হলে ব্লু ব্যাংক চেক, ব্ল্যাংক স্ট্যাম্প ও সিভি সংগ্রহ করার পাশাপাশি প্রত্যেকের কাছ থেকে অগ্রিম হিসেবে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা নিতো।
ডিবিপ্রধান আরো বলেন, মাঠকর্মী তার কমিশনের নির্দিষ্ট টাকা রেখে বাকি টাকা ও সিভি ফিল্ড পর্যায়ের সাব-এজেন্টের কাছে পাঠাতো। এরপর সাব-এজেন্ট সেই টাকা ও সিভি গ্রহণ করে সব চাকরিপ্রার্থীকে নির্দিষ্ট দিনে ভাইভার কথা বলে ঢাকাস্থ এজেন্টের কাছে পাঠাতো। পরে ঢাকাস্থ এজেন্ট আবাসিক হোটেলের রুমে বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশপাশের কোনো একটি চায়ের দোকানে চাকরিপ্রার্থীদের ভাইভা পরীক্ষা নিতো। ভাইভাতে উত্তীর্ণ হয়েছে বলে প্রার্থীর কাছ থেকে ওইদিন চুক্তির ৫০ শতাংশ টাকা নিয়ে নিতো। এরপর চক্রের আরেক সদস্য চুক্তির বাকি টাকা গ্রহণ করে প্রার্থীকে নির্দিষ্ট চাকরিতে দিনে যোগদানের কথা উল্লেখ করে একটি ভুয়া নিয়োগপত্র এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একটি ভুয়া আইডি কার্ড দিয়ে পুরো টাকা আত্মসাৎ করে লাপাত্তা হয়ে যেতো। অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, পরবর্তী সময়ে চাকরিপ্রার্থীরা নিয়োগপত্রে উল্লেখিত তারিখে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগদান করতে গেলে জানতে পারেন, প্রতারক চক্রের দেওয়া নিয়োগপত্র আর আইডি কার্ডটি ভুয়া। ততোদিনে তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকার মতো। পরে চক্রটি নিজেদের মধ্যে চুক্তির টাকা ভাগাভাগি করে নিতো।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানায়, চক্রটি গত দু-তিন বছর ধরে এভাবে চাকরিপ্রত্যাশীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। তাদের ব্যবহৃত হোয়াটঅ্যাপ/মেসেঞ্জারে পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তারা বিভিন্ন চাকরিপ্রত্যাশীদের বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, কারা অধিদপ্তর, পররাষ্ট্র অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিআরটিসি, বিএডিসি, এলজিইডি, সচিবালয়, বিভিন্ন ব্যাংক, প্রাথমিকের পিয়ন, মেট্রোরেল, এয়ারপোর্ট, তিতাস গ্যাস ও ওয়াসার আউটসোর্সিং এবং বিশেষ বাহিনীর সিভিল পদে নিয়োগ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিতো।
গ্রেফতার এ চক্রে জুয়েল রানা ফিল্ড পর্যায়ে মাঠকর্মী, নাসিম মাহমুদ ফিল্ড পর্যায়ের সাব-এজেন্ট ও নাসির চৌধুরী ঢাকাস্থ সাব-এজেন্ট এবং চক্রের মূলহোতা হিসেবে ফরিদুল ইসলামের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।
১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর মামলা করেন এক ভুক্তভোগী । মামলার বাদীকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এমএলএসএস পদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে একটি ভুয়া নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। নিয়োগপত্র নিয়ে তিন মাস পরে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে যোগদানের জন্য গেলে জানতে পারেন নিয়োগপত্রটি ভুয়া। পরবর্তী সময়ে আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করতে গেলে তাদের ব্যবহৃত সব মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। মামলার বাদী প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে রাজধানীর চকবাজার থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
ডিবি-সাইবারের অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের টিম লিডার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. নাজমুল হক বলেন, চক্রটি গত কয়েক বছরে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা কারে নিলেও কারও চাকরি দিতে পারেনি। পত্রিকায় চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে শুধু সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করতে হবে। চাকরির ক্ষেত্রে কারও সঙ্গে কোনো লেনদেন করা যাবে না।
তিনি বলেন, গ্রেফতারদের বিরূদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আসামিদের ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন
মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গতকাল (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা গোয়েন্দা
শাখা, কুমিল্লার একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং থানার চড়ানল এলাকার কুমিল্লা-টু-কসবাগামী
রাস্তার উপর হতে ১২২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী ছাব্বির হোসেন শুভ ও মোঃ
সোহাগকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: কুমিল্লা
জেলার বুড়িচং থানার পাঁচোড়া (আসকার বাড়ী) এলাকার মৃত আলম খান এর ছেলে ছাব্বির হোসেন
শুভ (২৫) এবং মৃত কবির হোসেন এর ছেলে মোঃ সোহাগ (২৭)।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা
দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দেশের
বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ তথ্য জানানো
হয়েছে শুক্রবার (৩১ মে) পরবর্তী
২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে।
আবহাওয়া
অধিদপ্তর জানিয়েছে- রংপুর,
রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের
অনেক জায়গায়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের
কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের
দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে
দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি
হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের
কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এদিকে
শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে
বলা হয়েছে- রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের
অনেক জায়গায়, চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের
দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে
দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি
হতে পারে। সেই সাথে মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এছাড়া
রোববারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের
অধিকাংশ জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের
কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি
হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া (চাঁদপুর):
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল মডেল ও পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের সুন্দরী খাল কচুরিপানায় পরিপূর্ণ হয়ে এখন তা এলাকাবাসীর দূর্ভেগের কারণ।
ওই দু’ইউনিয়নটিতে ছোট বড় মিলেয়ে প্রায়ই অনেক খাল রয়েছে। তন্মধ্যে সুন্দরী খাল অন্যতম। এই খাল দিয়ে আগে নিয়মিত পরস্কিার পানি ও নৌকা যাতায়াত করত। এই খাল গুলোতে এলাকাবাসী গোসল সহ নানান রকম কাজ কর্ম করতো। কালের বিবর্তনে সেই দৃশ্য হারিয়ে গেছে এখন আর চোখে পড়ে না।
খাল গুলোতে এখন কচুরিপানায় দখলে চলে গেছে। এর ফলে পানি দুষিত হয়ে নানা ধরনের পানিবাহিত রোগ ছড়াচ্ছে। এছাড়া দুর্গন্ধে মানুষ বসবাস করতে পারে না।
জানা যায়, কচুয়া উপজেলার বক্সগঞ্জ হয়ে মালচোয়া গ্রামে অতিবাহিত হয়ে পাশ্ববর্তী মতলব উপজেলা সংযুক্ত রয়েছে। তাছাড়া কচুয়া উপজেলার পালাখাল মডেল ও পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে এ সুন্দরী খাল বয়ে গেছে। এই সুন্দরী খালের মাধ্যমে দুটি ইউনিয়নের ২০ থেকে ২৫ টি গ্রামের অভ্যন্তরে পানি প্রবেশ করায় কৃষক বিনা সেচে রবি শস্য অবাদ করত। আস্তে আস্তে কচুরিপানায় খালটিকে গ্রাস করে ফেলায় ছোট নৌকাও চলাচল করতে পারে না।
স্থানীয় অধিবাসী গোলাপ শাহ, মহিউদ্দিন ও তাজুল ইসলাম সহ একাধিক লোকজন জানায়, সুন্দরী খাল দুটি ইউনিয়নের সাথে সংযুক্ত রয়েছে। প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটির এখন কচুরিপানায় ভরা। সাপ-বিচ্ছু সহ নানা বিষধর পোকামাকড়ে আতংকিত থাকি সবসময়। এক সময় দুই ইউনিয়নের মানুষের জেলা ও উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল এটি।
এ ব্যাপারে পশ্চিম সহদেবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এই খাল গুলোতে কচুরিপানা পরিস্কারের জন্য সরকারি ভাবে কোন বরাদ্দ আসে না। এই খাল গুলোর কচুরিপানা পরিস্কারের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উদ্যোগ গ্রহন করা হবে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ততা করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সুন্দরী খালের কচুরিপানা পরিস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে কচুয়া থানার লুণ্ঠিত ৭.৬২ এমএম পিস্তলের ৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার সন্ধ্যায় চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিবের দিক নির্দেশনায় ও কচুয়া থানার ওসি এম. আব্দুল হালিমের তত্ত্ববধানে যৌথ বাহিনীর অভিযানে কচুয়া-রহিমানগর সড়কের কান্দিরপাড় সংযোগ রাস্তার দক্ষিণ পাশে পলিথিনে মোড়ানো ৭.৬২ এমএম পিস্তলের ৮ রাউন্ড গুলি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ক্যাপ্টেন খালেদুর রহমানের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর পৃথক একটি দল ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি টিম ও কচুয়া থানা পুলিশের সাথে সম্মিলিতভাবে উদ্ধার অভিযানে অংশগ্রহন করে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রামে বন্ধুদের সাথে সাঁতার কেটে নদী পার হতে গিয়ে নিখোঁজ কলেজছাত্র মোহাম্মদ
শিহাব (১৮)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে ডুবুরিরা। নিখোঁজের ১৭ ঘণ্টা পর ডাকাতিয়া নদী থেকে
তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
গতকাল
শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম ও নাঙ্গলকোট উপজেলার সংযোগস্থল জাগজোর-নারান্দিয়া
ব্রিজ সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীতে শিহাব নিখোঁজ হয়। সে পার্শ্ববর্তী নাঙ্গলকোট উপজেলার
ঢালুয়া ইউনিয়নের নারান্দিয়া গ্রামের জাফর আহমেদ শিফনের ছেলে। সে চট্টগ্রাম বি.এন
কলেজের এইচএসসি প্রথমবর্ষের ছাত্র।
সিহাবের মামা আসিফ করিম বিষয়টি নিশ্চিত
করে জানান, শুক্রবার দুপুরে শিহাব তার অপর দুই বন্ধুকে নিয়ে নারান্দিয়া গ্রাম থেকে
পার্শ্ববর্তী জাগজোর গ্রামে যায় তালের শাঁস খাওয়ার জন্য। জুমার নামাজের সময় হওয়ায়
সেখান থেকে দ্রুত সাঁতার কেটে মসজিদে আসার জন্য নদীতে নামে তিন বন্ধু। এসময় অপর দুই
বন্ধু সাঁতার কেটে নদী পার হলেও শিহাব নদীতে হারিয়ে যায়।
চৌদ্দগ্রাম
ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, আমরা চাঁদপুর জেলা থেকে ডুবুরি টিমকেও
খবর পাঠাই। মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে চাঁদপুরের ডুবুরি টিম এসে বিকেল থেকে আনুমানিক এক
ঘণ্টা চেষ্টা করেও নিখোঁজ শিহাবকে উদ্ধার করতে পারেনি। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার
কার্যক্রম স্থগিত রাখে তারা এবং শনিবার সকালে উদ্ধার কার্যক্রম ফের শুরু করে। এ সময়
শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর মরদেহ নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা
হয়।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি ॥
লিবিয়ার বেনগাজী শহরের আরবান এলাকায় দালালের খপ্পরে আটকে থাকা চাঁদপুরের কচুয়ার সফিবাদ গ্রামের শ্রমিক ইব্রাহিম ফকিরের (৩৫) মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টা (বাংলাদেশ সময় রাত ১টা) সময় লিবিয়ার মারা যান। তিনি ওই গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। লিবিয়ায় নেয়া দালালরা তাকে আটকে রেখে নির্যাতন ও মারধরের কারনে তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি তার পরিবারের। ইব্রাহীম ফকিরের মৃত্যুর বিষয়টি একই গ্রামের সহকর্মী আব্দুল হাকিম মুঠোফোনে জানিয়েছেন বলে তার পরিবার জানান।
নিহত ইব্রাহিম স্ত্রী রোজিনা বেগম আক্তার জানান, সফিবাদ গ্রামের দালাল চক্র খোরশেদ আলম আমার স্বামীকে ইতালি নেয়ার কথা বলে প্রায় ১ বছর আগে লিবিয়ায় নিয়ে কাজ না দিয়ে আমার স্বামীকে বদ্ধরুমে আটকে রেখে টাকার জন্য নানান ভাবে নির্যাতন করত। নির্যাতন সহ্য না করতে পেরে মারা যান তিনি। আমি দালাল খোরশেদ আলমের শাস্তির দাাবি জানাচ্ছি এবং আমার স্বামীর লাশ দেশে আনতে সরকারের প্রতি দৃষ্টি কামনা করছি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন মোল্লা বলেন, দালালের খপ্পরে এ এলাকার অনেকে নি:স্ব হয়ে গেছে। তবে খোরশেদ আলমের কারনে অনেকে ভিটে বাড়ি ছাড়া হয়ে গেছে। এদিকে শ্রমিক ইব্রাহিমের লাশ দেশে আনতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রবাসী কল্যান মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে প্রশাসনের নিকট হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
দালালের খপ্পরে থাকা লিবিয়া ২মাস আগে দেশে ফেরত আশা মো. কবির হোসেন জানান,দালালের কাছে আটকে থাকায় আমার চাচা ইব্রাহিম ফকির অনেক কষ্ট পেয়েছে। মর্মান্তিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরেই তিনি মারা যান।
মন্তব্য করুন


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ভবনের একটি অংশ আজ মঙ্গলবার ধসে পড়েছে আর এ ঘটনায় উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।
মূলত নিচে কেউ চাপা পড়ে আছেন কি না, তা দেখতেই এই উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে।
উদ্ধার এ কাজে যুক্ত আছে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট। তবে এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আজ সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডাকা হয়েছে। সভায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রকৌশল দপ্তর, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর, ভবন নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মজিদ সন্স কনস্ট্রাকশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখশ হলের সামনে নির্মাণাধীন এ এইচ এম কামারুজ্জামান হলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ১০ তলা ভবনের কাজ শেষের দিকে। এই হলের সামনে দুই পাশে শেড হচ্ছে। এর পূর্বপাশের একতলা শেডের সাটারিংসহ ঢালাই ধসে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে সাতজনের আহত হওয়ার কথা জানানো হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আহত ব্যক্তিদের তিনজন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। দুজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা নিয়েছেন।
বিকেল চারটার দিকেও ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট উদ্ধারকাজ করছিল। রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক মো. ওহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর শোনার পরই তাঁরা সেখানে উপস্থিত হন। উদ্ধারকাজ শেষ হতে আরও কিছু কাজ করতে সময় লাগবে। সাটারিংসহ ঢালাই পড়ে গেছে। এগুলো সরাতে সময় লাগছে।
জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনসংশ্লিষ্ট লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন । সহ–উপাচার্য মো. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, এখনো উদ্ধারকাজ চলছে। তবে তাঁর জানামতে সেখানে কেউ চাপা পড়েননি। আজ সন্ধ্যা ছয়টার দিকে একটি জরুরি সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে ভবন নির্মাণের সঙ্গে জড়িত সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হবে। পরে একটি তদন্ত কমিটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। জানতে হবে, নির্মাণাধীন ভবন কেন ধসে পড়ল।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি তিন শ্রমিক হলেন গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার আজাদুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জের অনুপনগর এলাকার সিফাত ও রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পাহাড়পুর এলাকার সিহাব। এ ছাড়া সুরেজ ও রাসেল নামে দুই শ্রমিক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক শ্রমিক জানিয়েছেন, তাঁরা ১১ জন নির্মাণাধীন ভবনটিতে কাজ করছিলেন।
মন্তব্য করুন


সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরায় সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি কোপের শিকার মেহেবুল হাসান ও মোছা. নাসরিন আক্তার ইপ্তির সম্পর্ক গণমাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে প্রকাশ করা হলেও মূলত তারা স্বামী-স্ত্রী নন।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) প্রকৃত স্ত্রী দাবি করে গণমাধ্যমে এমনটি জানিয়ে এক নারী সাংবাদিকদের বলেন, উত্তরায় হামলার শিকার মেহেবুল হাসান আমার স্বামী। পাশে থাকা ওই নারীকে (ইপ্তি) আমি চিনি না। তবে কিছুদিন ধরে বুঝেছি আমার স্বামী অন্য কারও সঙ্গে কথা বলেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় এ ঘটনা ঘটে। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। হামলায় আহতরা হলেন মেহেবুল হাসান (৩৬) ও মোছা. নাসরিন আক্তার ইপ্তি (৩০)। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মেহেবুলের আঘাত গুরুতর হলেও আশঙ্কামুক্ত।
আর হামলা করা নিয়ে নারী বলেন, যেহেতু ওখানে আমি ছিলাম না, সেহেতু ওই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আমার স্বামীর সঙ্গে কারও বিরোধের কথাও জানি না। কারণ তিনি (স্বামী) আমার কাছে কোনো কিছুই শেয়ার করতেন না।
নাসরিন আক্তার ইপ্তির সঙ্গে মেহেবুল হাসানের কোনো বিয়ের ঘটনা ঘটেনি জানিয়ে ওই নারী জানান, আমার স্বামী গোপনে ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। তবে ওই ঘটনার পর থেকে তারা নিজের স্বামী-স্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন। ওই ঘটনা যখন আমি ফেসবুকে দেখেছি, সঙ্গে সঙ্গে তাকে কল দিই। কিন্তু তিনি কোনো রেসপন্স করেনি। পরে হাসপাতালে গিয়ে তার সঙ্গে আমার কথা হয়। তিনি আমাকে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে নিষেধ করেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ওই নারী তার শাশুড়ির সঙ্গে লাউড স্পিকারে ফোনে কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, আমার শ্বশুর-স্বামী সবাই আমাকে ভয় দেখাচ্ছে। আমার স্বামী আমাকে বলছে, সে সুস্থ হলে আমাকে দেখে নেবে।
ওই দিন রাতেই ঘটনার বিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, মোটরসাইকেলে উচ্চশব্দ করে দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা একটি শিশুকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। পাশ দিয়ে আরেকটি মোটরসাইকেলে যাওয়া দম্পতি প্রতিবাদ করে। এরপর কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা তাদের লোকবল ডেকে দম্পতির ওপর রামদা দিয়ে হামলা চালায়।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় ওই নারীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে মো. মোবারক হোসেন (২৫) ও রবি রায় (২২) নামে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে স্থানীয়রা দুজনকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জে হারুন অর রশিদ (৩৬) নামে এক শিক্ষককে অপহরণ করে কুপিয়ে হত্যার ঘটনার শ্বশুরসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৪।
রোববার (৯ জুন) মধ্যরাতে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার (১০ জুন) দুপুরে র্যাব-৪, সিপিসি- ২ এর কোম্পানি কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান ঘটনাটির বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: শাহজাদপুর থানার বড়মহারাজপুর গ্রামের তার শ্বশুর ফখরুল মোল্লা, একই জেলার মো. ইদ্রিস মোল্লা (৪০) ও মো. মুকুল মোল্লা (৪৬)।
হত্যার শিকার হারুন অর রশিদ শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের হরিনাথপুর গ্রামের গাজী মো. আলাউদ্দিনের ছেলে।পাবনার আমিনপুর থানাধীন রতনগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন হত্যার শিকার হারুন অর রশিদ।
র্যাব-৪ জানায়, দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী রেখা খাতুন পরকীয়ায় লিপ্ত থাকায় তালাক দেন শিক্ষক হারুন অর রশিদ। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উপজেলার বড় মহারাজপুর গ্রামের হারুন অর রশিদ এর শ্বশুর ফখরুল মোল্লা, চাচা শ্বশুর দুলাল মোল্লা ও ইউপি সদস্য হাশেমের নেতৃত্বে কয়েকজন মিলে হারুন অর রশিদকে পিটিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর দিন নিহতের বাবা গাজী আলাউদ্দিন বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে সংশ্লিষ্ট থানায় হত্যা মামলা করেন।
র্যাব-৪, সিপিসি- ২ এর কোম্পানি কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান বলেন, শিক্ষক হারুন অর রশিদকে পিটিয়ে হত্যার পর আসামিরা পলাতক ছিল। দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরির সময় গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (৯ জুন) মধ্যরাতে আশুলিয়ার ডেইরি গেট বাসস্ট্যান্ড থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন