

কক্সবাজার শহরের বাদশাঘোনা এলাকায় পাহাড়
ধসে মাটি চাপায় স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২১ জুন) ভোরে এ দুর্ঘটনা
ঘটে।
নিহত দুজন হলেন- ওই এলাকার নজির হোসেনের
ছেলে মো: আনোয়ার হোসেন (২৬) ও তার স্ত্রী মাইমুনা আক্তার (২০)।
আনোয়ার হোসেন স্থানীয় ওমর ফারুক জামে
মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন। তার স্ত্রী মাইমুনা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন
বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে কক্সবাজার শহরে থেমে থেমে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টি হচ্ছিল।
রাত ৩টার দিকে মুষলধারে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। এ সময় ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের ঘরের ওপর পাহাড়
ধ্বসে পড়ে। এতে স্বামী-স্ত্রী দুইজনই মাটি চাপা পড়ে মারা যান।
ঘটনার পর তাদের মায়ের চিৎকারে স্থানীয়রা
এগিয়ে এসে মাটি চাপা অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করে। পরে তাদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে
নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তাদের মরদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল
মর্গে রয়েছে বলে জানান হেলাল উদ্দিন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর বিনোদনকেন্দ্র ধর্মসাগর পাড়ে বেড়াতে গিয়ে বখাটেদের হামলার শিকার হয়েছেন দুই পুলিশ কনস্টেবল। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে মূল ঘাতকসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২ এপ্রিল বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত নারী কনস্টেবল জাকিয়া সুলতানা তার স্বামী চাঁদপুর জেলা পুলিশের কনস্টেবল কাজী আব্দুল্লাহ মো. জোবায়েরকে নিয়ে ধর্মসাগর পাড়ে বেড়াতে যান। এ সময় তিনজন যুবক জাকিয়া সুলতানাকে উদ্দেশ করে অশালীন মন্তব্য করে। এতে জোবায়ের প্রতিবাদ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।
দিনদুপুরে এমন ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম-এর নজরে এলে তিনি দ্রুত জড়িতদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।
এরপর ডিবি ও থানা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের শনাক্ত করে। টানা অভিযান চালিয়ে নগরীর বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকা দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো— মো. রিফাত (১৯), কালিয়াজুড়ী (মুন্সেফ কোয়ার্টার), কোতয়ালী মডেল থানা এবং সিয়াম (২০), ভুবনঘর, কোতয়ালী মডেল থানা, কুমিল্লা।
পুলিশ সুপার জানান, কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং বা বখাটেদের কোনো ধরনের অপতৎপরতা সহ্য করা হবে না। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিসা বৈদ্য বাজার এলাকা হতে ৫০ কেজি গাঁজা’সহ ৩জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ২৮ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিসা বৈদ্য বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা’সহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: কক্সবাজার জেলার সদর থানার পাহাড়তলী গ্রামের রশিদ আলম এর ছেলে মোঃ হাশেম (২০), একই গ্রামের মৃত ফয়েজ আহমেদ এর ছেলে মোঃ ফয়সাল (৩০) এবং একই থানার বৈদ্যঘোনা গ্রামের আব্দুল হাকিম এর ছেলে মোঃ জাহেদ হোসেন (২৭)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত মাইক্রোবাস ব্যবহার করে কক্সবাজার, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে আগুন লেগেছে।
রোববার (২৪ মার্চ) বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার লিমা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট।।
তিনি আরো বলেন, রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে বিকেল ৪টা ১০ মিনিটের দিকে আগুন লাগার খবর আসে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। যানজটের কারণে এখনো ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।
তবে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও হতাহতের কোনো তথ্য জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের চান্দনায় আজ সকালে নয়টার দিকে একটি পোষাক তৈরির কারখানায় শ্রমিকরা বেতন বাড়ানোর দাবিতে কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করেন।
এ ঘটনার পর নাওজোড় এলাকায়ও শ্রমিকরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন। ধীরে ধীরে আশপাশের আরো কয়েকটি এলাকায় ছড়িয়েছে এই শ্রমিক বিক্ষোভ।
এসময় মহাসড়কে টায়ার দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দেয়, শ্রমিক ও পুলিশ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
এছাড়াও কালিয়াকৈর, কোনাবাড়ী, বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর, জামগড়া, ছয়তলা ও নরসিংহপুরের একাধিক এলাকায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে।
এদিকে এ পরিস্থিতি বিবেচনায় গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর, কোনাবাড়ী, জরুন, ভোগরাসহ বেশ কিছু এলাকার কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে অন্য সব এলাকায় কারখানা স্বাভাবিকভাবে চলছে।
শ্রমিক বিক্ষোভ পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান আহম্মেদ বলেন, সকালে চান্দনা এলাকায় একটি কারখানায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করলে তাদেরকে বুঝিয়েসুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। পরবর্তীতে নাওজোর এলাকাসহ আশপাশের কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা ভাঙচুর করে এবং সড়কে কাঠ ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এর আগে সকালে বাসন থানাধীন জয়দেবপুর-শিববাড়ি রোডেও শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
নীলফামারী জেলার সদরে সম্পত্তির ভাগ না পাওয়ায় বাবার কবরে শুয়ে মরদেহ দাফনে বাধা দিয়েছে নিহত ব্যক্তির আপন ছেলে।
শুক্রবার দুপুরে সদরের চাওড়া সরঞ্জাবাড়ি ইউনিয়নের বাটুল টারি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মৃত ব্যক্তির তৃতীয় ছেলে নওশাদ আলী, বাবার মরদেহ দাফন ঠেকাতে কবরে শুয়ে পড়েন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, চাওড়া সরঞ্জাবাড়ি ইউনিয়নের বাটুল টারি গ্রামের বাসিন্দা চার সন্তানের জনক মজিবর রহমান। বৃহস্পতিবার রাতে হটাৎ মজিবর রহমান মারা যান। তবে মৃত্যুর পূর্বে নওশাদ আলী ছাড়া মজিবর রহমান বাকি তিন ছেলেকে সব সম্মত্তি লিখে দেন। ফলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃতীয় সন্তান নওশাদ। পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাবার মরদেহ দাফনে বাধা দেন তিনি। পরে পুলিশেই সহযোগিতায় মরদেহ দাফন করেন স্বজন ও স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে চাওড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম কবির শাহ বলেন, মৃত্যু মজিবর রহমান এর তৃতীয় ছেলেকে জমি লিখে না দেওয়ার কারণে তৃতীয় ছেলে বাবার দাফনে বাধা দেয়। পরে স্থানীয়রা সবাই মিলে পুলিশের সহায়তায় অন্য জায়গায় কবর খুড়ে মরদেহ দাফন করা হয়।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে অন্য জায়গায় কবর খুড়ে দাফন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় বাকি বিল্লাহ (৩৫) উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ফেরী করে বিক্রি করেন নানান জিনিসপত্র। খেলনা থেকে শুরু করে নারীদের বিভিন্ন প্রসাধনীসহ নানান বাহারী রকমের সামগ্রী বিক্রি করেন তিনি। বাকী বিল্লাহ জীবন সংগ্রামে জীবিকা নির্বাহের যুদ্ধে এখনো ঠিকে আছেন তিনি। প্রতিদিন ৪শ থেকে ৫শ টাকা বিক্রি করেন। যা আয় হয়,তাই দিয়ে সংসার চলে তার। সে হবিগঞ্জের বানিয়াচোং উপজেলার সুজাতপুর গ্রামের অধিবাসী মৃত. সফিক মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, কচুয়া উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গ্রামীন জনপদে ফেরিওয়ালাদের আনাগোনা খুবই কম। এক সময় উপজেলার প্রতিটা গ্রামেই ফেরিওয়ালাদের বিচরন ছিলো চোখে পড়ার মতো। ফেরি ওয়ালারা বিক্রি করত জিনিসপত্র। তবে ফেরিওয়ালারা বিভিন্ন জিনিসপত্রের বিনিময়ে ক্রেতাদের নিকট থেকে পুরাতন পরিত্যক্ত মালামাল নিয়ে যেতো। গ্রামের শিশু থেকে শুরু করে বয়বৃদ্ধরাও ফেরি ওয়ালাদের হাক ডাক শোনার সাথে সাথে পরিত্যক্ত প্লাষ্টিক এবং লৌহজাত পন্য নিয়ে ছুটে যেতো ফেরিওয়ালাদের নিকট। কালের বিবর্তনে গ্রামীন জনপদ থেকে সেই ফেরিওয়ালাদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। আধুনিক জীবন ব্যবস্থার সবকিছুর পরিবর্তন হলেও প্রত্যান্ত অঞ্চলের গ্রামগুলোতে আজও ফেরিওয়ালাদের দেখা যায়। যুবক বাকী বিল্লাহ ছুটে চলেছেন গ্রামের মেঠো পথ ধরে। কচুয়ার প্রতিটি গ্রামে প্রতিদিন এভাবেই তাকে ছুটে চলতে হয়। অকালে পিতাকে হারানোর পর তিনি ছোট বেলা থেকেই ফেরি করে সংসার চালান। বিবাহিত জীবনে তার স্ত্রী ও একটি পুত্র সন্তান রয়েছে ।
ফেরিওয়ালা বাকী বিল্লাহ জানান, গৌরিপুর থাকেন তিনি। প্রতিদিন গৌরিপুর থেকে কাধেঁ করে ফেরির মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় যান। তার বাশির ডাকে শিশু থেকে শুরু করে নানা বয়সী মানুষেরা ভিড় করেন। পরে কথার ধরনের ক্রেতারা মালামাল ক্রয় করেন। প্রতিদিন ৪শ থেকে ৫শ টাকা বিক্রি করলে তার ৩শ টাকা আয় হয়। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ফেরিওয়ালারা আরো ব্যাপক আকারে সুবিধা পাবেন বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


ঘূর্ণিঝড়
মিধিলির প্রভাবে কক্সবাজারে গতকাল (১৬ নভেম্বর) থেকে
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে।
উত্তাল হয়ে আছে সমুদ্র উপকূল
। জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় সেন্টমার্টিনে
দুই শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী
ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন ব্যাপক
প্রস্তুতি নিয়েছে।
কক্সবাজার
ও চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর এবং
মোংলা ও পায়রা বন্দরকে
৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে
যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
শুক্রবার
(১৭ নভেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে
জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরি সভায়
এই প্রস্তুতির কথা জানান জেলা
প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান।
জেলা
প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান জানান, জেলার ৫৭৬টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপকূলে
মাইকিং করা হয়েছে। সাগরে
মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে উপকূলে
নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা
হয়েছে। এছাড়া দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান
চলাচল বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাহাজ
মালিকদের সংগঠন স্কোয়াব এর সাধারণ সম্পাদক
হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর জানান, বুধবার ৩টি জাহাজে করে
৫১৯ জন পর্যটক সেন্টমার্টিন
ভ্রমণে যান। তার মধ্যে
২ শতাধিক পর্যটক সেন্টমার্টিনে অবস্থান করছেন। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জাহাজ চলাচল
শুরু হবে। তখন সেন্টমার্টিনে
থাকা পর্যটকদের ফিরিয়ে আনা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
ক্লুলেস শরীফ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, মূলহোতাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার এবং হত্যাকান্ডে
ব্যবহৃত মালামাল উদ্ধার করেছে বরুড়া থানা পুলিশ।
গত
২৭ মার্চ সকালে বরুড়া থানাধীন বরুড়া পৌরসভাস্থ শালুকিয়া এলাকায় শরীফ হোসেন(৩৫) এর মৃত
দেহ তার ঘরে মাটিতে পড়া অবস্থায় ছিলো।
মৃত
শরীফ হোসেন এর মা রৌশন আরা বেগম থানায় এজাহার দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন এসআই(নিঃ)
নাজিম উদ্দিন।
ভিকটিম
শরীফ হোসেন(৩৫) এর লাশ পাওয়ার পর হতে পুলিশ সুপার, কুমিল্লার সার্বিক দিক নির্দেশনায়
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এ,কে,এম এমরানুল হক মারুফ, সদর দক্ষিণ সার্কেল, কুমিল্লার
তত্ত্বাবধানে বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ, মোঃ রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী, এসআই(নিঃ) নাজিম
উদ্দিনসহ বরুড়া থানা পুলিশের একটি চৌকস টীম তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।
তবে
নিহতের পরিবার ও এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে হত্যাকান্ডের কোন যোগসূত্র পাওয়া যাচ্ছিল
না। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে হত্যাকান্ডে জড়িত ব্যক্তিদের
শনাক্তের জন্য বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জসহ টীম বরুড়া বারবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও
জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তদন্ত কার্যক্রমের একপর্যায়ে হত্যাকান্ডে জড়িত
আসামী ১। আরিফ হোসেন(২২), ২। মোঃ নাছির উদ্দিন(৪৩), ৩। মিসেস খুকী আক্তার(৩৫) কে গ্রেফতার
করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হত্যাকান্ডের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। ১নং আসামী মৃত
শরীফ হোসেন এর ছোট ভাই, ৩নং আসামী মৃত শরীফ হোসেনের বড় বোন এবং ২নং আসামী ৩নং আসামীর
স্বামী।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হত্যাকান্ডের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জানান, মৃত শরীফ হোসেন উচ্ছৃঙ্খল
জীবন যাপন করত। সে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত ছিল। এলাকার লোকজন তাকে
ভয় পেতো। মৃত শরীফ হোসেন তার মাকে প্রায় সময়ই গালিগালাজ ও মারধর করত। ছোট ভাই আরিফ
হোসেনের সাথেও তার ঝগড়াঝাটি ছিল। কিছুদিন আগে আরিফ হোসেন এর একটি অটোরিক্সা শরীফ হোসেন
জোরপূর্বক বিক্রি করে। ইহাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তাছাড়া
মৃত শরীফ হোসেন এলাকার লোকজনের বিভিন্ন রকম ক্ষতি করায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন তার বড় বোন
খুকি আক্তার এর নিকট বিচার প্রার্থী হলে বড় বোন শরীফ হোসেনকে শাসন করার জন্য বিভিন্ন
কথাবার্তা বলত। ফলে মৃত শরীফ হোসেন বোনকে শক্র মনে করত। এমনকি বোনকে বিভিন্ন রকম হুমকি
দিতো। মৃত শরীফ হোসেনের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে বড় বোন খুকি আক্তার, বোনের স্বামী মোঃ
নাছির উদ্দিন ও ছোট ভাই আরিফ হোসেন তাদের একজন প্রতিবেশীকে নিয়ে পরিকল্পনা করে যে,
শরীফ হোসেনকে মারপিট করে পঙ্গু করে ঘরে বসিয়ে খাওয়াইবে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আসামীগন
গত ২৬/০৩/২০২৪খ্রিঃ তারিখ দিবাগত রাত ১টায় ঘটিকার সময় বরুড়া থানাধীন বরুড়া পৌরসভাস্থ
শালুকিয়া সাকিনের শঙ্কু ডাক্তারের পুকুর পাড়ে নির্জনস্থানে শরীফ হোসেনকে একা পেয়ে আসামীদের
হাতে থাকা রড, দা ও টর্চ লাইট দিয়ে শরীফ হোসেনের মাথা, হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে
পিটিয়ে গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত ও ফুলা জখম করে। তারপর শরীফ হোসেনের হাত পা বেধে আসামী
নাছির উদ্দিনের বাড়ির উঠানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর শরীফ হোসেনকে আবারও মারপিট
করে। তারপর শরীফ হোসেন দুর্বল হয়ে গেলে আসামীগন হাত পা বাঁধা অবস্থায় শরীফ হোসেনকে
তার ঘরে মাটিতে ফেলে আসে। সকালে আসামীরা জানতে পারে শরীফ হোসেন মারা গেছে। সংবাদ পেয়ে
আসামীরা শরীফ হোসেনকে দেখতে যায়।
হত্যাকান্ডে
আসামীদের ব্যবহৃত দা, রড, টর্চ লাইট উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ
জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী ১।
আরিফ, ২। নাছির এর ১৬৪ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় মিশুক চালক সাব্বির হোসেনকে হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও গ্রেফতারকৃত আসামীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। রবিবার দুপুরে এলাকাবাসীর আয়োজনে কচুয়া-সাচার-গৌরিপুর সড়কের পালাখাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাব্বির হত্যার গ্রেফতারকৃত আসামীদের দ্রুত ফাঁসির কার্যকর দাবি জানাচ্ছি। কোনো ভাবে তারা যেন আইনের ফাঁকফোকড় দিয়ে জামিন না পায় তারও দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিহতের মা জাহানারা বেগম,উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ডা. মাসুদুর রহমান বাবুল,পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি করেজের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল কুদ্দুুস,যুবলীগ নেতা ইকবাল হোসেন,অহিদ রাজা প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি বুধবার বিকালে মিশুক নিয়ে সাব্বির বাড়ি থেকে বের হলেও আর বাড়ি ফিরেনি। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে পালাখাল-সেঙ্গুয়া সড়কের পাশে ডোবা থেকে মিশুক চালক সাব্বির হোসেনের হাত পা বাধা অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা জাহানার বেগম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করলে তারই প্রেক্ষিতে ৯জন আসামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
আজ
মঙ্গলবার (৩ জুন) কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় ভোক্তা অধিদপ্তর, কুমিল্লা অভিযান
পরিচালিত হয়েছে। এই সময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ ফুড কালার দিয়ে বেকারী
পন্য ও পার্টি কেক তৈরী করায় মাঈনউদ্দিন বেকারিকে ভোক্ত অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী
২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যকর
পরিবেশে বেকারি পণ্য তৈরী ও বাজারজাত করতে ভবিষ্যতে আরো সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দেয়া
হয়েছে।
ভোক্তাদের
স্বার্থে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন