

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষা কার্যক্রম ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের লক্ষে শ্রেনি পাঠদান কক্ষ ও সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও শিক্ষানুরাগী মো. মাহবুব আলম। সোমবার তিনি ওই বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেনি কক্ষ পরিদর্শন করেন এবং বৃক্ষ রোপন করেন। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান ও অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার মান নিয়ে আরো কীভাবে সমৃদ্ধি করা যায় এ নিয়ে সার্বিক আলোচনা করেন।
শিক্ষাথীদের উদ্দেশ্যে মো. মাহবুব আলম বলেন, ভালো শিক্ষার মাধ্যমে আমাদের মানসিক, সামাজিক, নৈতিক, মানবিক, সৃজনশীলতা পরিবর্তন করতে হবে। তাহলে উন্নত জীবনের স্বপ্নদর্শনে উদ্বুদ্ধ করার সম্ভব। আমাগী দিনগুলোর পরীক্ষাতে অসুদাপায়ের সম্ভবনা নেই। নকল মুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অংশগ্রহন করলে মানসম্মত শিক্ষা অর্জন করা সম্ভব। শিক্ষার মাধ্যমে একটি দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন করা যায়। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঠিক পাঠদানের পরামর্শ দেন শিক্ষকদের।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বগুড়ায় সহ-সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করা আহসান হাবিবের বাড়িতে দেয়ালে কে বা কারা লিখে রেখে গেছে—‘মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নাও সমন্বয়ক’।
আজ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বগুড়া সদর থানার এসআই মিজানুর রহমান।
তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়ে আহসান হাবিবের বাড়িতে আসি এবং ‘মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নাও সমন্বয়ক’ লেখাটি দেখতে পাই।
হুমকি পাওয়া আহসান হাবিব (২৪) বগুড়া সদরের নিশিন্দারা ইউনিয়নের নওদাপাড়া গ্রামের গফুর প্রামাণিকের ছেলে। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছোট। আহসান হাবিব সরকারি আজিজুল হক কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বগুড়া জেলার সহ-সমন্বয়ক।
সহ-সমন্বয়ক আহসান হাবিব বলেন, সোমবার রাতের কোনো এক সময় আমার ঘরের দেয়ালে ‘মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নাও সমন্বয়ক’ এমন লেখাটি দেখতে পেয়ে আমার ভাবি আমাকে জানান। বিষয়টি নিয়ে আমি ও আমার পরিবারের লোকজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। আজ আমাকে হুমকি দিয়েছে, কাল আমার অন্য ভাইকেও হুমকি দিতে পারে। আমি এর সুষ্ঠু বিচারে দাবি জানাচ্ছি।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া মুখপাত্র) সুমন রঞ্জন সরকার জানান, বিষয়টি জানার পর জেলা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ মাঠে কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


পঞ্চগড়ে ৭ কোটি টাকা মূল্যের ১টি কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবীগঞ্জ উপজেলার পামুলী ইউনিয়নের সরকার পাড়া বানুর হাট থেকে মূর্তিটি জব্দ করে ডিবি পুলিশ।
জানা যায়, জব্দ করা কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তিটির ওজন ১৭ কেজি। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ধরা হয়েছে ৭কোটি টাকা।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলো- তেঁতুলিয়ার উপজেলার কৃষ্ণ কান্ত জোত গামের মৃত আমানত আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান (৪৮) , দেবীগঞ্জের বন্দীরাম গ্রামের মৃত মোশারফ হোসেনের ছেলে শাহীন শাহ (৪০) ও তেঁতুলিয়া এলাকার একামুল হকের ছেলে শহিদুল (৫৫)।
পঞ্চগড় ডিবি পুলিশের পরিদর্শক রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, কষ্টি পাথরের মূর্তি ক্রয়-বিক্রয় হবে এবং বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে তিন ব্যক্তি বানুরহাট এলাকায় অবস্থান করছে এমন তথ্য আসে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে। খবর পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা বানুর হাটবাজারে আশপাশ ও দোকানে ওৎ পেতে থাকেন। পরে ১টি ফার্মেসিতে প্রবেশের সময় ১৭ কেজি ওজনের বিষ্ণু মূর্তিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জব্দকৃত কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তিটির উচ্চতা ২৯ ইঞ্চি, প্রস্থ ১১ ইঞ্চি এবং ওজন ১৭ কেজি। মূর্তিটির আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ কোটি টাকা।
তাদের বিরুদ্ধে পুরাকৃর্তি আইনে মামলা হবে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন উত্তর রামপুর ও কোতয়ালী মডেল থানাধীন পশ্চিম মাঝিগাছা এলাকা হতে ৯৮ বোতল ফেন্সিডিল ও ৩২ কেজি গাঁজা’সহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৯ নভেম্বর রবিবার দুপুরে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন উত্তর রামপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৯৮ বোতল ফেন্সিডিল’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার বাতানিয়া গ্রামের মৃত মোঃ আনোয়ার হোসেন এর ছেলে আলী হোসেন রতন (২২) এবং সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ার থানার দোয়ারগাঁও গ্রামের ইফসুফ আলী এর ছেলে আকির মিয়া রাকিব (২৫)।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৯ নভেম্বর রবিবার রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পশ্চিম মাঝিগাছা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৩২ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার উত্তর রামপুর গ্রামের মোঃ আনোয়ার হোসেন এর ছেলে মোঃ সোহেল রানা (৩৯) এবং একই জেলার কোতয়ালী মডেল থানার আড়াইউড়া গ্রামের শামসুল হক এর ছেলে মোঃ সোহাগ (২৬)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ নোয়াখালী, সুনামগঞ্জ, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিল, গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ ও কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় কলেজ শিক্ষার্থীকে রাস্তা
থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামী মোঃ সাকিব আহম্মেদকে গ্রেফতার করেছে
র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২০ থেকে
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ী থানাধীন মেম্বার
বাড়ীতে কলেজ শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই শিক্ষার্থীর পিতা
বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১ টি মামলা
দায়ের করেন। (যার মামলা নং-২৪, তারিখ-৩০/০৯/২০২৪)।
উক্ত ঘটনায়
জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায়
তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১১ এর অভিযানে
আজ (৫ অক্টোবর) ভোর রাতে নরসিংদী জেলার পলাশ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষক
মোঃ সাকিব আহম্মেদকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার হাসনাবাদ এলাকার মোঃ রিপন মিয়ার ছেলে মোঃ
সাকিব আহম্মেদ (২৪)।
স্থানীয় সূত্রে
জানা যায়, শিক্ষার্থীর পিতা একজন ব্যবসায়ী। দাউদকান্দি উপজেলার
স্থানীয় একটি কলেজে একাদশ শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ছিল ওই শিক্ষার্থী। কলেজে
যাওয়া আসার সময় গ্রেফতারকৃত আসামী সাকিবের সাথে পরিচয় হয়। এরই প্রেক্ষিতে সাকিব ওই
শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাবসহ বিবাহের প্রস্তাব
দেয়। উক্ত প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে আসামী সাকিব তাকে বিভিন্ন ধরণের হুমকি ধামকি সহ অপহরণের
ভয় দেখায় এবং গতিবিধি অনুসরণ করতে থাকে। পরবর্তীতে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ
আনুমানিক ৯ টায় ওই শিক্ষার্থী কিছু জিনিস কেনার জন্য কুমিল্লা জেলার
দাউদকান্দি থানাধীন হাসনাবাদ এলাকায় পৌছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আসামী সাকিব ও তার
সহযোগীরা ওই শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে মাইক্রোবাস যোগে গাজীপুর
জেলার কোনাবাড়ী থানাধীন মেম্বারবাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে পূর্ব থেকে আসামী সাকিব একটি
রুম ভাড়া করে রাখে এবং গত ২০/০৯/২০২৪ তারিখ হতে ২৭/০৯/২০২৪ ইং তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন
সময় ওই শিক্ষার্থীকে ঐ ভাড়া বাসায় আটকে রেখে তার ইচ্ছার
বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে আসামী সাকিব ঐ বাসা থেকে পলায়ন করে আত্নগোপনে
চলে যায় এবং ওই শিক্ষার্থী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার বাসায় যোগাযোগ
করলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে।
র্যাব জানান,
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী ধর্ষণের ঘটনার সাথে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে
তথ্য প্রদান করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীকে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায়
হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পাঁচটি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে অনিয়মের অভিযোগে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জেপি দেওয়ান ও তমালিকা পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
ইটভাটাগুলো হলো: ফাতেমা ব্রিকস, একতা ব্রিকস, মিরাজ ব্রিকস, সিটি ব্রিকস ও ইসলামিয়া ব্রিকস।
জানা গেছে, ভ্রাম্যমাণ আদালত উপজেলার ফাতেমা ব্রিকস, একতা ব্রিকস, মিরাজ ব্রিকস, সিটি ব্রিকস ও ইসলামিয়া ব্রিকসে অভিযান পরিচালনা করেন। এরমধ্যে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী তিনটি ইটভাটাকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন। এছাড়া ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ২টি ইটভাটা থেকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সহযোগিতায় ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লার পরিদর্শক চন্দন বিশ্বাস, জুবায়ের হোসেন, বিএসটিআই কুমিল্লার পরিদর্শক কাজী মোহাম্মদ শাহান, চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মেহেদী হাসান ও থানা পুলিশের একটি টিম।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জেপি দেওয়ান বলেন, বিভিন্ন অনিয়মের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অবস্থিত পাঁচটি ইটভাটাকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ইটভাটাগুলোতে অনিয়ম রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
সদর উপজেলার মির্জানগর গ্রামের মোতালেব মিয়া নামে এক প্রবাসীর বাড়ি থেকে ২০০ কেজি
গাঁজা জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় মোতালেব মিয়ার স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৩৭) এবং মেয়ে
ইসরাত জাহানকে (১৯) আটক করা হয়েছে। তাসলিমা ও ইসরাত সম্পর্কে মা ও মেয়ে।
আটকের
বিষয়ে কোতয়ালি থানা পুলিশ জানায়, বুধবার ভোর রাতে মির্জানগরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
অভিযান পরিচালনা করা হয় মালয়েশিয়া প্রবাসী মোতালেব মিয়ার বাড়িতে। এ সময় তার বাড়ি
থেকে পাঁচ মন গাঁজা জব্দ করে পুলিশ। আটক করা হয় ইসরাত জাহান ও তাসলিমা বেগমকে। এই
সময় ওমর ফারুক, হান্নান ও আমজাদ নামে তিন মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়।
তারা
সবাই মিলে মাদক পাচার ও ব্যবসার সাথে জড়িত বলে জানিয়েছে কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মাহিনুল ইসলাম।
গ্রেফতারকৃত
ইসরাত জাহান কোতোয়ালি থানাধীন মির্জানগর গ্রামের মোতালেব মিয়ার মেয়ে ও তাসলিমা আক্তার
মোতালেব মিয়ার স্ত্রী।
কোতয়ালি
থানা ওসি মাহিনুল ইসলাম জানান, তাসলিমা বেগমের বিরুদ্ধে আগেরও একটি মাদকের মামলা রয়েছে।
এবার মা-মেয়ে দুজনই আটক হলেন। অভিযানে মোতালেবের ঘরে লুকানো অবস্থায় ১০ টি বড় ধরনের
বস্তায় ভর্তি ৫ মন গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওমর ফারুক,
হান্নান ও আমজাদ পালিয়ে যায়। তারা তিনজন ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদকের
এই সিন্ডিকেট টি ওই বাড়িতে রেখে দীর্ঘদিন ধরে গাঁজার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলো।
এই ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃত মা-মেয়েকে
আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসছে ঈদে হবিগঞ্জ জেলায় প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার ভিজিএফ কার্ডধারী নারী-পুরুষকে ১০ কেজি করে সরকারি চাল দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং পৌরসভায় চাল বিতরণ কার্যক্রম চলছিল।
হবিগঞ্জের ৫টি পৌরসভায় ২৪ হাজার ৬৪৫ জন ভিজিএফ কার্ডধারীর মাঝে ২৪৬.৪৫০ মেট্রিক টন চাল দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া ৯ উপজেলার ৭৯ হাজার ৩৫৪ জন কার্ডধারী পাচ্ছেন আর ৭৯৩.৫৪০ মেট্রিক টন। প্রতিজনকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে।
ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির আওতায় এ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয় বলে জেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
তারা জানান, ৯ উপজেলার ৭৮টি ইউনিয়ন ও ৬ পৌরসভায় এ চাল বিতরণ করা হচ্ছে। জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এ চাল বিতরণ কার্যক্রম চলছে।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ৪ দোকানদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে এ জরিমানা করেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন বলেন, চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরে বাজার তদারকি অভিযান পরিচালনা করে অতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ বিক্রি ও মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় জরিমানা করা হয়। এ সময় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, অতিরিক্ত দামে জুতা বিক্রির অপরাধে ৪ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মিজানুর রহমান মিনু, কুমিল্লা :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে
দিন-দুপুরে গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় তিন চোরকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা।
উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের শিলরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী গরুর মালিক
কৃষক মোঃ ইয়াছিন বাদি হয়ে আটককৃত আন্তঃজেলা চোরচক্রের ৩ সদস্যের বিরুদ্ধে থানায়
একটি মামলা দায়ের করেছেন। রোববার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার
ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা।
থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে
উল্লেখ করা হয়, কৃষক ইয়াছিন দীর্ঘদিন ধরে সৌদিপ্রবাসী মমিনুল ইসলামের মালিকীয় একটি
গরু পালন করেন। গরুটি শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় শিল্পরী লতিফিয়া দারুল উলুম নূরানী
মাদরাসার মাঠে কাঁচা ঘাষ খাওয়ার জন্য বেধে রাখে। দুপুর আনুমানিক পৌনে দুই ঘটিকায়
কুমিল্লা কোতয়ালীর ধর্মপুর এলাকার ফয়সাল আহমেদ জামাল, মাসুদুর রহমান, শারমিন
আক্তার ও ফয়সালের স্ত্রী তামান্না আক্তার গরুটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় (কুমিল্লা-থ-১৩-১০০৫)
তুলে নিয়ে যাচ্ছে দেখে শিলরী গ্রামের রাজিয়া বেগম শোর-চিৎকার করে। তাৎক্ষনিক
অজ্ঞাত এক ব্যক্তি মোটর সাইকেল আরোহী অটোরিকশার পিছু নিয়ে ওই এলাকার লহ্মীপুর
ব্রিজের উপর গিয়ে আরও কয়েকজন লোকের সহায়তায় আটক করে। এ সময় কৌশলে তামান্না আক্তার
পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে লক্ষীপুর ব্রিজে গিয়ে গরুটি উদ্ধার করে ও আটককৃতদেরকে সিএনজি
অটোরিকশাসহ মাদরাসা মাঠে আনা হয়। পরে ৯৯৯-এ কল করলে চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক
মেহেদী হাসান মাদরাসা মাঠে গিয়ে গরু, আটককৃত তিনজন ও সিএনজি অটোরিকশাটি হেফাজতে
নেন।
এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম
থানার উপ-পরিদর্শক মেহেদী হাসান বলেন, স্থানীয় জনতা আটক করে ৯৯৯ ফোন করলে
আলকরা ইউনিয়ন শিলরী গ্রামের লতিফিয়া মাদ্রাসা মাঠ থেকে তাদেরকে
আটক করে থানা নিয়ে আসি, গরুর মালিক ইয়াছিন বাদি হযে ৩ জনকে আসামী করে একটি মামলা
দায়ের করেন। রবিবার দুপরে আদালতের মাধ্যমে জেলা হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
হোমনায় প্রেম সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ফয়সল (২২) কে প্রথমে শ্বাসরোধ পরে জবাই করে
হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
সোমবার
সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক মোঃ
জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।
মৃত্যু
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কুমিল্লা হোমনা উপজেলার রাজনগর গ্রামের মোঃ ফুল মিঞার ছেলে
মোঃ শামীম মিয়া (২৪) ও একই উপজেলার সাফলেজি গ্রামের মোঃ বেদন মিয়ার ছেলে মোঃ দুলাল
মিয়া (২০)।
মামলার
বিবরণে জানাযায়, হত্যাকাণ্ডের শিকার ফয়সল আসামি
মোঃ শামীম মিয়ার কলেজ পড়ুয়া বোন মেহেদী আক্তার (১৮) এর প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে পূর্ব
পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে ২০২০ সালের ৫ জুন ফয়সল তার মামা নজরুল মিয়ার ছাদে বন্ধুদের
সাথে আড্ডা দেওয়ার সময় তার মোবাইলে আসামি শামীম ফোন করে বলে আমিরুল ইসলাম উচ্চ বালিকা
বিদ্যালয়ের নির্মানাধীন বিল্ডিংয়ে যাওয়ার জন্য। তখন ফয়সাল কাউকে কিছু না বলে শামীরের
কথামতো মামা বাড়ীর ছাদ থেকে বের হয়ে বাড়ীতে ফিরে না আসায় স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন স্থানে
খোজাখুজি করে না পেয়ে নিহতের বৃদ্ধ পিতা মোঃ মকবুল হোসেন হোমনা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি
করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে প্রথমে
আসামি মোঃ শামীম মিয়াকে গ্রেফতার করার পর শামীম জানায় প্রথমে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ
করে এবং পরে ধারালো ছুরিকাঘাতে জবাই করে ফয়সলকে হত্যা করে লাশটি বিদ্যাময়ের মাঠে মাটিতে
পুঁতে রাখা হয়।
এ
ব্যাপারে ২০২০ সালের ১৩ জুন নিহত ফয়সলের বড় বোন হোমনা থানাধীন রাজনগর গ্রামের হারুন
মিয়ার স্ত্রী সালমা আক্তার বাদী হয়ে মোঃ শামীম মিয়াসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে হোমনা
থানায় মামলা দায়ের করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা
এসআই মোঃ শামীম সরকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে আসামি মোঃ
শামীম মিয়া ও মোঃ দুলাল মিয়াকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।
তারা
বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দির সময় শামীম জানান,
২০২০ সালের ৫ জুন দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার সময় ফয়সলকে প্রথমে শ্বাসরোধ পরে জবাই করে হত্যা
করে লাশ মাটির নিচে পুঁতে রাখে। ঘটনার ১২দিন পর গ্রেফতারকৃত আসামি শামীম এর দেখানো
মতে ভিকটিম ফয়সলের অর্ধ গলিত মরদেহ আমিরুল ইসলাম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠের মাটির
নিচ থেকে হোমনা থানাপুলিশ উদ্ধার করে সূরতাল রিপোর্ট তৈরি করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে
১০জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামিদ্বয়ের প্রদত্ত
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামি মোঃ শামীম মিয়া ও মোঃ দুলাল মিয়া'র
বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে
প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত।
রায়
ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ শামীম মিয়া ও মোঃ দুলাল মিয়া আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত
ছিলেন।
এ
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী অতিঃ পিপি এডভোকেট শেখ
মাসুদ ইকবাল মজুমদার ও মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত এ রায় বহাল
রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করবেন।
অপরদিকে,
আসামিপক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী এডভোকেট বিমল কৃষ্ণ দেবনাথ বলেন, এ রায়ে আসামিপক্ষ
অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ। রায়ের কপি হাতে পেলে শীঘ্রই উচ্চ আদালতে আপীল করবো।
মন্তব্য করুন