

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার দহুলিয়া গ্রামে অবস্থিত তাওহীদ একাডেমী এন্ড ইসলামিক সেন্টারের জামিয়া দারুত তাওহীদ মাদ্রাসায় কম্পিউটার প্রশিক্ষন উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার মাদ্রাসায় মিলনায়তনে শিক্ষার্থীদের তথ্য ও প্রযুক্তিগত বিদ্যা অর্জনে কম্পিউটার প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. জামাল হোসেন সোহান মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পর থেকে সুনামের সাথে সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। মাদ্রাসায় আরবী শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা, গণিত, ইংরেজী ও হিফজ বিভাগের কার্যক্রম চালু রয়েছে।
মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দুলাল গাজী ও প্রধান শিক্ষক শায়েখ আকরামুজ্জামান বলেন, শুধুই আরবী শিক্ষা নয়, পাশাপাশি সকল ধরনের শিক্ষার ব্যবস্থা চালু করেছি। যাতে করে শিক্ষার্থীরা আরবী শিক্ষার পাশাপাশি তথ্য ও প্রযুুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করতে পারে। দুই বছর আগে এ মাদ্রাসাটি সমাজসেবক জামাল হোসেন প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সুনামের সাথে দক্ষ শিক্ষক দ্বারা মাদ্রাসাটি পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও ভালো ফলাফল অর্জন ও সার্বিক কার্যক্রমে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
এসময় তাওহীদ একাডেমী এন্ড ইসলামিক সেন্টারের সভাপতি আলহাজ্ব আবু তাহের, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দুলাল গাজী, সহ-সভাপতি মো. মিজানুর রহমান, প্রধান শিক্ষক আকরামুজ্জামান, সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী, সহকারী শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, আমির হামজা, ফরিদ হোসেন, সাকিব হাসানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
হাসনাত আবদুল্লাহ'র প্রতি হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কুমিল্লা দেবীদ্বারে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের আহত, শহীদ পরিবার ও ছাত্র-জনতা।
মঙ্গলবার (২০শে মে) দুপুরে দেবিদ্বার রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পরে দেবীদ্বার পৌর মার্কেট গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তারা হাসনাত আবদুল্লাহ'র কে হত্যার হুমকির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আওয়ামীলীগ দোসরদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ সময় বক্তারা বলেন, গতকাল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে হাসনাত আব্দুল্লাহ ভাইকে নিয়ে এই ধরনের কথা বলায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না হাসানাত আব্দুল্লাহ কে ছিলেন, আজকে তারা স্বাধীনভাবে প্রেস ক্লাবে কথা বলতেছে কার জন্য।
তারা আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে তারা ১৭ সেকেন্ডের জন্য তাদের স্থান প্রেস ক্লাবে হয় নাই। কিন্তু আজকে তারা স্বাধীনভাবে সবকিছু করতেছে এসব বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলপ্রসু। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না যে জাতি বিপ্লবীদের অমর্যাদা করে সে জাতি ভবিষ্যৎ অন্ধকার। তাদেরকে অনুরোধ করবো আপনারা আপনাদের সম্মান রক্ষা করুন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। গত ২১ মে এ সংক্রান্ত
গেজেট প্রকাশ করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে
বলা হয়, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৭৩ নং আইন) এর ধারা ৪-এর উপধারা
(১)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা
করল। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
গত
২৯ জানুয়ারি সরকার কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়ের করা একাধিক ফৌজদারি মামলার আসামিরা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরেই অধরা রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এসব আসামি ও তাদের সহযোগী একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র গড়ে তুলে ভুক্তভোগীকে ধারাবাহিকভাবে হুমকি, চাঁদাবাজি, অপহরণের চেষ্টা এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার মতো নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে।
মামলার বাদী পেশাজীবী ও জাতীয় অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জানান, তার দায়ের করা জি আর মামলা নং ৪১(৮৫০)/২৪ (তারিখ: ১৪ নভেম্বর ২০২৪)–এ আদালত নামীয় ও অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে বিচার প্রক্রিয়া বিঘ্নিত না করা এবং সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন কুমিল্লা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১।
তবে অভিযোগ রয়েছে, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীর দাবি, আসামিরা একটি সংগঠিত সিন্ডিকেট তৈরি করে বিভিন্নভাবে তাকে ও তার পরিবারকে টার্গেট করে আসছে। তারা কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে, কখনো আবার সরাসরি হুমকি দিচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এই চক্রটি ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত অনুভূতিতে আঘাত করে মানহানিকর তথ্য ছড়াচ্ছে এবং সাইবার মাধ্যমে হয়রানি চালাচ্ছে। এ বিষয়ে থানার মাধ্যমে তদন্তের জন্য বিষয়টি সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানান। এছাড়া ফেসবুকে আপত্তিকর ছবি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং মব তৈরি করার চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে।
ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, আসামিরা একটি ভুয়া প্রশাসনিক পরিচয় ব্যবহারকারী “স্যার চক্র” নামে একটি প্রতারক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। এমনকি মিথ্যা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কথা বলে তাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
এছাড়া, একাধিকবার অপহরণের চেষ্টা, হত্যার উদেশ্য আহত করা,অপহরণ, মুক্তিপন করে চাঁদা দাবি, এবং পেশাগত কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সকল কিছুর প্রমানিক প্রমাণিত নথি পাত্রাদি অপরাধ করা মুহুর্তে কালীন অপরাধী ছবি সি সি ক্যামেরার আওতায় স্থির চিত্র রয়েছে। ভুক্তভোগী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জানায়, তার পিছনে প্রায় সময় এবং আশে পাশে সিনয় সন্দেহজনক লোকজন অবস্থান নিয়ে রহস্যময় ভাবে চলাফেরা করা সহ পেশাদার এই অপরাধী বে- আইনি ভাবে বিরোধিতা করে প্রায় সময় প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ষরজন্ত্র লাগামহীন ভাবে করেই চলছে এবং প্রতিটি সময়ে তারা বিভিন্ন বে আইনি ভাবে ও আইন বিরোধী কাজ করে ও পরিকল্পিত পরিকল্পনা মাফিক অপরাধ করার লক্ষে আমার গতিবিধি প্রতিনিয়ত নজরদারি করেই সব ঘটে জাওয়া অপরাধ গুলো অতীতে সংগথিত করে, চলমান করছে এবং আগামীতে কোন আইন আদালত পুলিশ প্রশাসন পরোয়া না করে বেপরোয়া ভাবে চলমান অপরাধ এইটাই স্পষ্ট ভাবে ইংগিত করে তারা অপুরনীয় ক্ষতি বা প্রান নাশ বিভিন্ন ষরজন্ত্র করতেই থাকবে। একপর্যায়ে তার বাসায় গোপনে ক্যামেরা স্থাপন করে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করা হয়, তার মোবাইল, ফেসবুক আই ডি,whats app,imo,massenger আই ডি হ্যাকিং করে তথ্য পাচার ও তথ্য বিভ্রান্তি সামাজিক পরিসরে বিভিন্ন মহলে বেপরোয়া ভাবে করেই চলছে।একাধিক বার এই বিড়াট চক্রটি পুলিশ হাতে গ্রেফতার হয়। তারপর তাদের অপরাধ না থামিয়ে আরো আধুনিক ভাবে চক্রটি নগরীর বুকে পেশাগত ভাবে একটির পর একটি ধরাছোঁয়ার বাহিরে লোকজন দিয়ে করে চলছে ও চালাবে।তাদের সকল অপরাধ আলামত মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্রর দায়ের করা মামলার সুত্র ধরে সকল কিছুর আমলজোগ্য ও অধতব্য সাইবার অপরাধ সব কিছুর আলামত পুলিশ জব্দ তালিকা জব্দ করে বিশেষ অপরাধ তদন্ত বিভাগ ( সি আই ডি পুলিশ) নিকট প্রেরন করেন ইতিমধ্যে। পুলিশের মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে।
আরও উদ্বেগ প্রকাশ করার বিষয় হলো, ভুক্তভোগীর বাসার সামনে কাফনের কাপড় রেখে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, যদি তিনি সংবাদ প্রকাশ বন্ধ না করেন, তাহলে তাকে কাফন পরতে হবে। এ ঘটনায় তিনি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আসামিরা বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে তাদের আত্মীয়স্বজন বা পরিচিতজন থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের নিরাপদ রাখার চেষ্টা করছে। ফলে আইন প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে—কিভাবে এত অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পরও তারা গ্রেপ্তার এড়িয়ে যাচ্ছে।
এদিকে, দস্যুতা সংক্রান্ত আরেকটি মামলা (এফআইআর-৫১, জি আর-৮১২; তারিখ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫)–তেও আসামিরা পলাতক রয়েছে। ওই মামলার কোনো মালামাল এখনো উদ্ধার হয়নি। দুটি মামলাই আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য হওয়ায় দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্নের দাবি জানিয়েছেন বাদী।
এছাড়া, সম্প্রতি আরও একটি সিআর মামলা (নং-৬১৫/২৬; তারিখ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে। এতে দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ১৪৩, ৩২৩, ৩০৭, ৩৮৫, ৩৬৫, ৪২০, ৫১১, ৫০০, ৫১১,৩৭৯, ৫০৬(২) ও ৩৪ ধারায় সংলিস্ট সাইবার সংক্রান্ত অপরাধ অভিযোগ আনা হয়েছে। আমলী আদালত সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট -১ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আমলজোগ্য মামলাটি সরাসরি নথি পাত্রাদি সহ সকল অপরাধ আলামত উপর ভিত্তি করে আমলে নিয়ে পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বাদী জানান, এসব ধারাবাহিক অপরাধের মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে তার সামাজিক সম্মানহানি করা হয়েছে এবং তাকে মানসিকভাবে চাপে রাখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় তিনি বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টারে লিখিত অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে আইজিপির অভিযোগ সেল থেকে ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে একটি স্মারক জারি করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে কুমিল্লার পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে পুলিশ সুপার বিষয়টি গ্রহণ করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এর মাধ্যমে কোতোয়ালি থানাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদ আনোয়ার বলেন, “পুলিশ হেডকোয়ার্টারের নির্দেশে আমরা বাদীর বাসায় গিয়েছি এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলাগুলোর বিষয়েও তদন্ত চলছে আসামি সহ আসামিদের অপরাধ সহজোগিতাকারী অজ্ঞাত আসামীদের কে গ্রেপ্তার অভিজান অব্যাহত আছে।”
তবে ভুক্তভোগীর অভিযোগ, এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি বরং আসামিরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং বিভিন্ন ছদ্মবেশে ধারণ করে পুনরায় অপরাধ সংঘটনের সক্রিয় প্র চেষ্টা চালিয়ে একেক সময় একেক অপ করছে।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমার এবং আমার পরিবারের সদস্যদের জীবন হুমকির মুখে রয়েছে।”
মন্তব্য করুন


পার্বত্য খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার গোমতি ইউনিয়নের রংমিয়া পাড়ার মানুষ বিচিত্র পেশায় জড়িত।
তারা সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পাহাড়ে পাহাড়ে ঘুরে মাছের খাবার ও বড়শি দিয়ে মাছ ধরার টোপ হিসেবে ব্যবহার করা লাল পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ করে স্থানীয় পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন। সেই পাইকারদের হাত ধরেই এসব পিঁপড়ার ডিম বিক্রি হয় ঢাকা, চট্টগ্রাম,ফেনী ও কুমিল্লায়। সাধারণত মে থেকে নভেম্বর পর্যন্ত তারা পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ করেন।
পাহাড়ি বন-জঙ্গল থেকে পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ শেষে তা বিক্রি করে যা উপার্জন হয়, তা দিয়েই চলে সংসার।
প্রতিদিন ১ থেকে দেড় কেজি পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ করতে পারে বলে জানায় এ কাজের সাথে জড়িত মো. রুস্তম আলী । তিনি আরো বলেন, সকাল হলেই বাঁশ ও ঝুড়ি নিয়ে বের হয়ে গাছ থেকে ডিম সংগ্রহ করি। বিকেলে এসব ডিম পাইকারদের কাছে বিক্রি করি। প্রতি কেজি ডিম ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি করি।
ডিম সংগ্রহকারী মো. জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, সব পিঁপড়ায় ডিম পাওয়া যায় না। এ জন্য প্রয়োজন লাল পিঁপড়ার বাসা। লাল পিঁপড়ার বাসায় মেলে প্রচুর সাদা ডিম। সাধারণত মেহগনি, আম, লিচু, কনক ও কড়ইসহ দেশীয় গাছগুলোয় লাল পিঁপড়ার বাসা পাওয়া যায়।ডিম সংগ্রহ করতে অনেক কষ্ট হয়। পিঁপড়াগুলো সাধারণত মগডালে বাসা বাঁধে। ডিম সংগ্রহ করার সময় কমবেশি কামড় খেতে হয়। সারাদিন বনে-জঙ্গলে ডিমের আশায় ঘুরে বেড়াতে হয়। পিঁপড়ার বাসা খুঁজে পাওয়ার ওপর নির্ভর করে তার আয়।
লাল পিঁপড়ার ডিমের স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, স্থানীয় ২০-২৫ জন পাহাড়ি বন-জঙ্গল থেকে লাল পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ করে আমার কাছে বিক্রি করেন। পিঁপড়ার ডিম কিনে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী ও কুমিল্লায় বিক্রি করি।
মূলত মাছের খামারি ও সৌখিন মাছ শিকারীরা এ ডিম কিনে থাকেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ার হরিপুর গ্রামে শুক্রবার রাতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে নবীর হোসেন নামের এক প্রবাসীর ৪টি ছোট-বড় ঘর, ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর জন্য জমারাখা নগদ ৬ লক্ষ টাকা ও পাসপোর্ট সহ মূল্যবান মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রবাসীর স্ত্রী পারভীন বেগম জানান নগদ টাকাসহ প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে তাদের।
সরেজমিনে স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার মধ্যরাতে প্রবাসীর বসতঘরে আগুনের লেলিহান দেখে প্রবাসীর স্ত্রীর ডাক চিৎকার দিলে লোকজন ছুটে এসে প্রায় ঘন্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রন আনলেও ততক্ষনে নগদ টাকা, মূল্যবান কাগজপত্রসহ আসবাবপত্র পুড়ে যায়। আগুন নিভাতে গিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী পারভীন বেগম, প্রতিবেশী শওকত হোসেন সহ ৫জন গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে কচুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মীরা প্রায় ঘন্টা পর ঘটানাস্থলে পৌছানোর আগেই এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
অগ্নিকান্ডের সঠিক কারন জানা না গেলেও ক্ষতিগ্রস্থ প্রবাসীর স্ত্রী পারভীন বেগম একই বাড়ির সফিউল্যা’র স্ত্রী সায়েরা বেগমের গোয়াল ঘরে কয়েলের আগুন থেকে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে দাবি করেন। এদিকে সফিউল্লাহর স্ত্রী সায়েরা বেগম ওই রাতে তাদের গোয়াল ঘরে মশার কয়েল জ¦ালানোর কথা শিকার করলেও কিভাবে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়েছে তা বলতে পারেননি। তাদেরও একটি গরু ওই অগ্নিকান্ডে মারা যায় এবং অপর একটি গরু অগ্নিদগ্ধ হয় বলে জানান।
কচুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি এবং অগ্নিকান্ডের রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় মাছবাহী ট্রাক উল্টে ৪ ট্রাক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। মঙ্গলবার (১২ মার্চ) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বারেশ্বর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো, ভোলার মনপুরা এলাকার মনির হোসেন (২৮), একই এলাকার হাবীবুর রহমান (৩২) , সাতক্ষীরার সদর থানা এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম (২৩), এবং আক্তার হোসেন (৩৫)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল আলম জানান, মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে দাউদকান্দি অভিমুখে মাছ নিয়ে যাচ্ছিল একটি ট্রাক। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চান্দিনার বারেশ্বর এলাকার একটি পেট্রোল পাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অপর একটি ট্রাককে ধাক্কা দিয়ে মাছবাহী ট্রাকটি উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই ট্রাকের নিচে পড়েই ৪ শ্রমিক নিহত হন। এসময় আরও ৩জন আহত হন, আহতদের উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


১৭৫ জন বরযাত্রী নিয়ে বিয়ে করতে আসেন
বর। কিন্তু খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ে না করেই বিয়ের আসর থেকে চলে গেলেন বর।
গত শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের কালুয়ারকান্দ গ্রামে এ ঘটনা ঘটলেও আগামী
রোববার সবার উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসা করার সিদ্ধান্ত হয়।
বিয়েতে বর ছিলেন উপজেলার আয়ূবপুর ইউনিয়নের
ঘাসিরদিয়া গ্রামের আলতাব হোসেন সরকারের ছেলে সাব্বির হোসেন সরকার (৩০)।
কনের মা সেলিনা বেগম জানান, আলোচনা
করেই গত এক সপ্তাহ আগে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক হয়েছে। সময়মতো বর তার আত্মীয়স্বজনসহ ১৭৫
জন বরযাত্রী নিয়ে আসেন। খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের কাবিননামায় স্বাক্ষর করবে এমন সময় বরের
বড় বোন সাবিনা ও ছোট বোন নিপা বলেন, কনের আগে বিয়ে হয়েছে দুই বাচ্চা রয়েছে— এই বিয়ে হবে না। সেসময় কনের গায়ের
জামাকাপড় জোর করে খুলে নিয়ে বিয়ের আসর থেকে বরের লোকজন বরকে নিয়ে চলে যান। কনের আগে
বিয়ে হয়েছে এটা জানতো তারা; কিন্তু দুই বাচ্চা আছে এটা মিথ্যা কথা বলেছে। ঘটনার পরে
বরের বাড়ির এলাকার চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান সরকারকে জানালে তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি।
এ বিয়ে উপলক্ষে আড়াই লাখ টাকা খাওয়া-দাওয়া ও ডেকোরেশন বাবদ খরচ হয়।
বরের বড় বোন সাবিনা বলেন, কনের আগে
বিয়ে হয়েছে আর বাচ্চা আছে এটা আমরা আগে জানতাম না।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান সরকার
বলেন, আমি বর পক্ষের লোকজনকে বলেছিলাম বসে মীমাংসা করতে। তারা আসেনি।
শিবপুরের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্র
সমন্বয়ক আসিফ, রাকিব, সুমনা ও সাহেদের কাছে কনের মা অভিযোগ করলে তারা বরের বাড়িতে
গেলে বর ও বরের বাবাকে না পেয়ে বরের মামাকে থানায় নিয়ে আসেন। থানার ওসি উপস্থিত না
থাকায় আগামী রোববার সবার উপস্থিতিতে বসে মীমাংসা করা হবে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে শিবপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আফজাল হোসেন জানান, শিবপুরের ছাত্র সমন্বয়করা বরের বাড়িতে গেলে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


সুজন মজুমদার, বরুড়া:
কুমিল্লার বরুড়ায় আমড়াতলী চেরাগ আলী
উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে আমড়াতলী
চেরাগ আলী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজ
সেবক মোঃ সাইফুল ইসলাম (দুদু) এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা দঃ জেলা
আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও এস কিউ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের
সংসদ সদস্য আবু জাফর মোহাম্মদ শফিউদ্দিন শামীম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা মাধ্যমিক
উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ নিজামুল করিম, স্থানীয় সরকার,
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোঃ সাইফুল ইসলাম মজুমদার, বরুড়া উপজেলা
পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজ আহমেদ, বরুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র বাহাদুরুজ্জামান
বাহাদুর, বরুড়া উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিনুয়ারা বেগম, বরুড়া উপজেলা মাধ্যমিক
শিক্ষা অফিসার রতন কুমার সাহা, বরুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী।
বেগম জিয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ রুহুল
কুদ্দুছ সুমন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শিলমুড়ি উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোঃ আবদুস সালাম,
শিলমুড়ি দঃ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোঃ ফারুক হোসেন ভুইয়া, বরুড়া উপজেলা আওয়ামী
যুবলীগের আহবায়ক জিয়াউল কায়সার, আগানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাজহারুল ইসলাম
মিঠু, ঝলম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম, আদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের
চেয়ারম্যান রাকিবুল হাসান লিমন, আমড়াতলী সি আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীলিপ
চন্দ্র ঘোষ, আমড়াতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান মোঃ সোলেমান মিয়াসহ অভিভাবক,
সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি বার্ষিক
ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ কারী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার
বিতরণ করেন।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জে হেলিকপ্টারে চড়ে কর্মচারীর বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন সৌদি মালিক ও তার ছেলে।
২১ নভেম্বর মঙ্গলবার সকালে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় পৌঁছান সৌদি আরবের নাগরিক আহাম্মদ হলিবি (৬০) ও ছেলে আব্দুল লিল হলিবি (৪৫)। সৌদি আরবের দাম্মাম এর আল হাসার খালিদীয়া এলাকার অধিবাসী তারা।
জানাযায়, কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের সাহেবেরচর নয়াপাড়া এলাকার মৃত কৃষক চাঁন মিয়ার ৩ ছেলে খাইরুল ইসলাম (৪০), আব্দুল হামিদ (৩৫) ও সারোয়ার হোসেন সাহিদ (৩১)। খাইরুল ২০ বছর আগে সৌদি আরবে যান। আর ছোট ২ ভাই হামিদ ও সারোয়ার ৭ বছর আগে সৌদি আরবে যান। সৌদি আরবের দাম্মাম এর আল হাসার খালিদীয়া এলাকার শামীম আহাম্মদ হলিবির পরিবারে কাজ করতো তারা। সেখানে কাজ করতে গিয়ে মালিকদের সঙ্গে তাদের তিন ভাইয়ের হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই ভালোবাসার টানে মঙ্গলবার তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন সৌদি নাগরিক আহাম্মদ হলিবি ও তার ছেলে আব্দুল লিল হলিবি।
ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে হোসেনপুর সদরের ঢেকিয়া খেলার মাঠে আসেন। পরে সেখান থেকে মাইক্রোবাসে করে তারা সাহেবেরচর নয়াপাড়া এলাকায় যান।
মন্তব্য করুন


রবিবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে খুলনার রূপসা নদীতে রেল সেতুর পিলারে ধাক্কা লেগে সারবোঝাই একটি কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে। মোংলা বন্দর থেকে সার বোঝাই কার্গোটি নওয়াপাড়া যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে জাহাজের দুইজন কর্মচারি নিখোঁজ রয়েছেন।
রূপসা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. নুরুল ইসলাম শেখ জানান, সার বোঝাই এম ভি থ্রি লাইট-১ কার্গোটি রূপসা নদীর উপর নির্মিত রেলসেতু পিলারেড় সঙ্গে ধাক্কায় ডুবে যায়।
তিনি আরো জানান, কার্গোতে থাকা ১৩ নাবিকের মধ্যে ১১ জন সাঁতরিয়ে কূলে উঠতে সক্ষম হয়। বাকি দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের সন্ধানে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছেন।
মন্তব্য করুন