

সিলেট
বিভাগের স্বায়ত্তশাসন, 'সিলটি' ভাষাকে দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার
উন্নয়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে 'সিলটি পাঞ্চায়িত'।
শনিবার
(২৫ এপ্রিল) দুপুরে সিলেট নগরীর একটি হোটেলের কনফারেন্স রুমে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত
হয়।
সংবাদ
সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। তিনি জানান,
গত ১৮ এপ্রিল সিলেট বিভাগের স্বায়ত্তশাসন ও ভাষাগত দাবিসহ বিভিন্ন বিষয়ে জনসভা করতে
চাইলে পুলিশ শর্তসাপেক্ষে অনুমতির কথা জানায়। এর প্রতিবাদে তারা জনসভা স্থগিত করেন।
লিখিত
বক্তব্যে নাসির উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, ২০২২ সালে যাত্রা শুরু করা ‘সিলটি পাঞ্চায়িত’
এর অন্যতম দাবি সিলেট বিভাগের স্বায়ত্তশাসন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলা বাদে সিলেটের
নিজস্ব বর্ণমালা (সিলটি নাগরী লিপি) আছে। বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ এই ভাষায়
কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডার মতো দেশের উদাহরণ টেনে তিনি সিলটি ভাষাকে
বাংলাদেশের দ্বিতীয় অফিসিয়াল বা রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান।
সংবাদ
সম্মেলনে আরও বলা হয়, ‘সিলটি পাঞ্চায়িত’ কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন নয়। ১৮ এপ্রিল
জনসভার অনুমতি না দিয়ে পুলিশ তাদের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে। বর্তমান সরকার
তাদের এই ন্যায্য দাবি মেনে না নিলে তারা জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় এ
বিষয়ে আবেদন করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।
সংবাদ
সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাজ রীহান জামানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয়
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ভোট দিতে এ পর্যন্ত ৮ লাখ ৮৭২ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।
প্রবাসী বাংলাদেশি
ছাড়াও নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানরত
সরকারি চাকরিজীবীরা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করছেন।
শনিবার দুপুর
সোয়া ২টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ৮ লাখ ৮৭২ জন ভোটার
নিবন্ধন করেছেন। নিবন্ধনকারীর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ লাখ ২৮ হাজার ৬১৭ জন এবং নারী ভোটার
৭২ হাজার ২৫৩ জন।
প্রবাসী ভোটারদের
মধ্যে সৌদি আরব থেকে নিবন্ধন করেছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৯৯৩ জন, যা সর্বোচ্চ। এছাড়া, কাতারে
৫৯ হাজার ৫৮২, ওমানে ৪৬ হাজার ১৪৩, মালয়েশিয়ায় ৪৩ হাজার ৮২৯, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৩০
হাজার ৮৭৪২ এবং যুক্তরাষ্ট্রে ২৬ হাজার ৭৩ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।
দেশের ভিতরে
‘ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ভোট’ ক্যাটাগরিতে নিবন্ধন করেছেন ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৬১ জন ভোটার।
জেলাভিত্তিক
শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লা ৭১ হাজার ১৪৩ জন, ঢাকায় ৬৩ হাজার ৫৯৫, চট্টগ্রামে ৬১ হাজার ৭০৩,
নোয়াখালীতে ৪০ হাজার ৭৪১, সিলেটে ৩০ হাজার ৮৯ ও চাঁদপুরে ২৮ হাজার ৩১৫ জন।
আসনভিত্তিক
শীর্ষে ফেনী-৩ আসনে ১১ হাজার ৭৯৩ জন নিবন্ধন করেছেন, চট্টগ্রাম-১৫তে ৯ হাজার ৮১১, কুমিল্লা-১০-এ
৯ হাজার ৪৬৬ এবং নোয়াখালী-১ আসনে ৯ হাজার ৩৬৫ জন।
প্রবাসী ভোটার,
সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররা
‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন করতে পারবেন। ইসি
বুধবার এই সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে। ১৮ নভেম্বর উদ্বোধন হওয়া এই অ্যাপের মাধ্যমে ১৪৮টি
দেশ থেকে প্রবাসীরা নিবন্ধন করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপি’র সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের জানাজা
আগামীকাল বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে।
আজ
রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জাতীয় সংসদের স্পিকার
ও ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপি’র
সহধর্মিণী দিলারা হাফিজ শনিবার বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা ২৯ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
দিলারা
হাফিজ ১৯৪৯ সালের ২ জানুয়ারি সুনামগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
থেকে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।
দিলারা
হাফিজ সরকারি ইডেন কলেজের প্রভাষক হিসেবে চাকুরি জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে
সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
এর চেয়ারম্যান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন
করেন।
দিলারা
হাফিজের পিতার নাম মোহাম্মদ আবুল হোসেন চৌধুরী ও মাতার নাম করিমুন্নেছা খাতুন চৌধুরী।
তার
বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তিনি স্বামী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মন্তব্য করুন


গুরুতর
অসুস্থ মায়ের দেখাশোনার জন্য ছুটি না পাওয়ায় ছেড়ে দিয়েছেন চাকরি এক নারী কর্মী। ভারতের
একটি বেসরকারি ব্যাংকে এই ঘটনা ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রেডিটে করা একটি পোস্টে
সেই কর্মী অফিসের ম্যানেজারের উপর একটি অভিযোগ তুলেছেন।
তিনি
লিখেছেন, ছুটি চাওয়ায় ম্যানেজার তাকে বলেন তার মা যদি ‘অসুস্থ হন, তাহলে তাকে কোনো
মেডিক্যাল বা শেল্টার হোমে রেখে অফিসে চলে আসুন।
ম্যানেজারের
এই মন্তব্য ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে, একই সঙ্গে করপোরেটের কঠিন কর্মপরিবেশ ও ব্যক্তিগত
জীবনের ‘ওয়ার্ক লাইফ ব্যালান্স’ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।
পোস্টে
বলেন, ভুল ওষুধের কারণে তার মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে, তিনি কয়েক দিনের ছুটি চেয়েছিলেন।
তবে বসের কথা অমান্য করে অফিসে না গিয়ে থাকে মায়ের পাশে থাকেন তিনি। তাই কম্পানিতে
তিনি বহু বছর কাজ করলেও ছুটি না দেওয়ায় তাকে পদত্যাগ পথ বেছে নিতে হয়। পোস্টে
তিনি আরও বলেন, এমন কর্মক্ষেত্রে ‘সঠিক’ প্রতিক্রিয়া আসলে কী হওয়া উচিত,
সেটাই বুঝতে পারছি না, সে জন্যই আমি এখানে পোস্ট করছি।
পোস্টটি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রেডিটে দ্রুতই ছড়িয়ে পরে, ৬০০-এর বেশি আপভোট এবং অসংখ্য মন্তব্য,
সব মিলিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে করপোরেট সংস্কৃতি, ছুটি নীতি আর ওয়ার্ক লাইফ ব্যালান্স
আদৌ কতটা বাস্তব।
একজন
মন্তব্য করেন, এটা শুধু অসংবেদনশীল নয় বরং নিষ্ঠুরও। তার ভেতর দিয়ে কী কষ্ট গেছে,
আমি তা বুঝতে পারছি। এ ধরনের অমানবিক শোষণের বিরুদ্ধে আইনি সুরক্ষা থাকা উচিত।’
অন্য আরেকজন লেখেন, ‘এটা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক।
মন্তব্য করুন


মোবাইল ফোন আমদানির ওপর আরোপিত শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে সরকার। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, আমদানিকৃত মোবাইল ফোনে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের ওপর করহার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।
প্রেস সচিব বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের মোবাইল ফোন শিল্প আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের বাজার শক্তিশালী হবে এবং ভোক্তারাও উপকৃত হবেন।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বিপুল পরিমাণ ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বিদেশ থেকে দেশে আনা হচ্ছে, যা সামান্য সংস্কার করে পুনরায় বাজারে বিক্রি করা হয়। এতে সাধারণ ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন এবং সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কর কমানোর ফলে দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের চাহিদা বাড়বে এবং বাজারে ফোনের দামও তুলনামূলকভাবে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই সব বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে ইতোমধ্যে ১২৩টি পাঠ্যবইয়ের ভুল সংশোধন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, এ পর্যন্ত মোট পাঠ্যপুস্তকের প্রায় ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি বইগুলো পৌঁছে দিতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে । বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহার করা গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা বাড়িয়ে গেজেট জারি করা হয়েছে। নতুন এ দাম চলতি ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর ধরা হয়েছে।
এর আগে গত বছরের ১৮ জানুয়ারি আবাসিক, সিএনজিচালিত যানবাহন, সার ও চা শিল্পে ব্যবহার ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল, যা ওই বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কার্যকর হয়।
সরকারি, আইপিপি ও রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের জন্য গ্যাসের পূর্ব মূল্য ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা যা বাড়িয়ে বর্তমান মূল্য করা হয়েছে ১৪ টাকা ৭৫ পয়সা।
ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট, স্মল পাওয়ার প্ল্যান্ট ও বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ছিল প্রতি ঘনমিটার ৩০ টাকা। এক্ষেত্রেও ৭৫ পয়সা বাড়িয়ে সেটা ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভতুর্কি সমন্বয়ে বিদ্যুতের সঙ্গে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে । গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেছিলেন, গ্যাসের দাম সমন্বয় গ্রাহক পর্যায়ে হচ্ছে না। বিদ্যুতের পর্যায় হচ্ছে। গ্যাসের আবাসিক পর্যায়ে ব্যবহারের ক্ষেত্রে দাম বাড়ছে না। শিল্পেও গ্যাসের দাম বাড়ছে না। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে যে গ্যাস দেওয়া হয় সেখানে আমরা কিছুটা সমন্বয় করছি।
তিনি বলেন যে গ্যাস বিদ্যুতে দেওয়া হয় সেখানে প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা বাড়বে, অর্থাৎ এটা ইন্টারনাল।
এ বছর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি আসবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ক্ষেত্রে ৬ হাজার কোটি টাকার মতো ভর্তুকি আসবে। এগুলো আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আমরা সমন্বয়ে যাবো।
মন্তব্য করুন


আগামী
১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে দেশজুড়ে চলছে বিশেষ কর্মসূচির প্রস্তুতি।
বিজয়
দিবসের দিন সকাল ১১টা থেকে ঢাকার তেজগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী,
নৌ বাহিনী ও বিমানবাহিনী পৃথকভাবে ফ্লাই পাস্ট মহড়া পরিচালনা করবে। চলবে বিজয় দিবসের
বিশেষ ব্যান্ড-শো।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সকাল ১১টা ৪০ মিনিট
থেকে ‘টিম বাংলাদেশ’ এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার স্বাধীনতার
৫৪ বছর উদ্যাপনে পতাকা হাতে স্কাইডাইভিং করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, গতকাল বুধবার বিজয় দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতির খোঁজ নেন জাতীয়
নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


নারীর
ক্ষমতায়ন, অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে নারী প্রধান পরিবারের
নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। পাইলট কর্মসূচির
আওতায় প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মোট ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারী প্রধান পরিবার এই কার্ড
পাবে।
সোমবার
(৯ মার্চ) রাজধানীর সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।
তিনি
জানান, আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার
মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন শেখ হাসিনা।
মন্ত্রী
বলেন, পরিবারে নারীকে প্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁর নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’
দেওয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা সহজে পৌঁছে দেওয়া হবে।
পাইলট
প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে কর্মসূচিটি
বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ জন্য ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি
দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ওয়ার্ড
কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা,
বাসস্থান এবং ব্যবহৃত গৃহস্থালি সামগ্রীসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য
ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়।
পাইলট
পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে প্রক্সি মিনস
টেস্ট বা দারিদ্র সূচকের ভিত্তিতে পরিবারগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
যাচাই-বাছাই
শেষে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচন
করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি
বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ায় উপকারভোগী নির্বাচনে দুর্নীতি
বা স্বজনপ্রীতির সুযোগ নেই।
ফ্যামিলি
কার্ডের আওতায় প্রতিটি নারী প্রধান পরিবারকে একটি স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে। এতে কিউআর
কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারের
পাঁচজন সদস্য সুবিধা পাবেন।
পাইলটিং
পর্যায়ে যোগ্য উপকারভোগীরা মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। এই অর্থ জি-টু-পি
পদ্ধতিতে সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
এ
কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন ২০২৬ পর্যন্ত মোট ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা
হয়েছে বলেও জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণা অনুযায়ী আগামী
বছরের ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা
ড. আসিফ নজরুল।
আজ মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
নির্বাচনের সময় নিয়ে দলগুলোর বক্তব্য
রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ বলে মন্তব্য করে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠান কোনো দলের
দায়িত্ব না এটা সরকারের দায়িত্ব। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছি আগামী
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন সম্পন্ন হবে।
তিনি বলেন, এখন রাজনৈতিক দল তো বিভিন্ন
উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কথা বলে এবং ওইটা তো একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। আপনারা তো এটা সব
সময় দেখেছেন। বাংলাদেশে ট্রেডিশনালি এসব রাজনৈতিক কথাবার্তা হতো, এখনো ঠিক ওরকমভাবেই
কথাবার্তা হচ্ছে। কথাবার্তায় খুব বেশি গুণগত পরিবর্তন হয়নি। ফলে নির্বাচনের সময় নিয়ে
কে কী বলবেন এটা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দেখবেন।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, সরকারের
পক্ষ থেকে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ আছি। আমাদের স্যার (প্রধান উপদেষ্টা) সর্বজন স্বীকৃত একজন
বিশ্বপর্যায়ে নন্দিত মানুষ। উনি নিজে ঘোষণা করেছেন, তার এ ঘোষণা থেকে আমাদের পিছিয়ে
আসার বিন্দুমাত্র চিন্তা নেই। জমি অধিগ্রহণ নিয়ে অনেক সময় বেশি মূল্য ধরা হয়, এরপরে
পিডিবির বিষয় নিয়ে অনেক কথা হয়। আপনারা জানেন বালিশ কাণ্ডে কি হয়েছিল। আমরা আরো এরকম
বালিশ কাণ্ড চাই না। এজন্য দুদক সংস্কার কমিশন যে প্রস্তাব দিয়েছে সেগুলো আমরা আইনের
পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে একজন অভিজ্ঞ কনসালটেন্ট নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আজ
থেকে কাজ শুরু করবেন। প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে দুর্নীতি করা হয় এগুলো আসলে আমাদের বিষয়
না এটার জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় রয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের রয়েছে তারা এগুলো দেখবে।
আমরা সর্বোচ্চ দুর্নীতির বিষয়গুলো দেখতে পারবো। এজন্যই দুর্নীতি দমন কমিশনকে আরো শক্তিশালী
করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে যৌতুকবিহীন ৭২টি বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
বিয়ে পরিচালনা করেন ভারতের মাওলানা জুহাইরুল হাসান।
বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও বিশ্ব ইজতেমায় যৌতুকবিহীন বিয়ের আয়োজন করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বায়নের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শুরায়ে নিজাম অনুসারীদের বিশ্ব ইজতেমা।আজ বাদ আসর ৭২টি বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।
প্রতিবছর বিশ্ব ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতের আগের দিন যৌতুকবিহীন বিয়ের আয়োজন করা হয়। এ বছরও বিয়ের আয়োজন করা হয়।
এবার ১৪২ জন নারী-পুরুষের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
আগামী রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে শুরায়ে নিজাম অনুসারীদের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব।
মন্তব্য করুন


যথাসময়ে বিশ্ব ইজতেমা হবে,সেই সঙ্গে সহিংসতাকারীদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে মুন্সিগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ইজতেমা নিয়ে সহিংসতার বিষয়ে তদন্ত চলছে। সাদ এবং জুবায়ের দুই পক্ষই আমাদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে ছিল। অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আসতেই হবে। তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। কঠোর হস্তে তাদের দমন করা হবে। যে কোনো পরিস্থিতি
ও নির্বাচনের জন্য পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাত, পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকারসহ জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন