

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় নাগরিক এম বাবুকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল চলাকালে তাকে আটক করা হয়। পরে বিকেল ৪টার দিকে বিজিবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে।
আটক এম বাবু ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গা থানার সারগাছি আশ্রম গ্রামের বাসিন্দা, মৃত আব্দুল আজিজ শেখের ছেলে। বিজিবি জানায়, কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীনস্থ চরচিলমারী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় তাকে আটক করা হয়। বর্তমানে তাকে দৌলতপুর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি জানান, সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মাদক পাচারসহ সব ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। দৌলতপুর থানার ওসি আরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শুনেছি, তবে এখন পর্যন্ত আটক ব্যক্তিকে থানায় হস্তান্তর করা হয়নি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংস্কার-নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা
হলে সংশয় কেটে যাবে।
আজ
শনিবার (২৪ মে) রাত ৮টার দিকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ও নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ
আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রবেশ করেন। পরে রাত সাড়ে ৯টার
দিকে প্রেস ব্রিফিং করেন।
সেখানে
তিনি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশে কিছুটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। তার
ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের একটা বৈঠক হয়। সেই বৈঠক থেকে প্রধান
উপদেষ্টা একটি মেসেজ জাতিকে দিতে চেয়েছিলেন।
জামায়াতের
আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি (প্রদান উপদেষ্টা) সেটা দেননি। কিন্তু এটা খুব দ্রুত
সমাজে ছড়িয়ে পড়ে। যে কারণে এক ধরনের আশঙ্কা বিরাজ করে। আমরা সেটাকে আমলে নিয়েছি।
একই সময়ে একজন রাজনৈতিক নেতা তার জনপ্রতিনিধিদের দাবি নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন। আরেক
জায়গায় অন্যরা গুরুত্বপূর্ণ দাবি নিয়ে অবস্থান নিয়েছে। সব মিলিয়ে বিষয়টা কিছুটা
কষ্টের ও বিরক্তির। যে কারণে তিনি তার দায়িত্বের ব্যাপারে বিবেচনা করবেন এমনটি প্রকাশ
করেছিলেন।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দেশ ভালো থাকলে আমরা সবাই ভালো থাকবো। দেশে একটা পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু এই পরিবর্তনে এখন যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে সরকারের তাদের পরিচয় হলো তারা কোনো দলকে ধারণ করবে না। এটাই হওয়া উচিত নয়। আমাদের সবার দাবি ছিল অর্থবহ একটি সংস্কার হবে। এই সংস্কার ও বিচারের মধ্য দিয়েই একটা অর্থবহ নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনের সুস্থ মাঠ থাকবে, যারা অংশগ্রহণ করবে তারা ষড়যন্ত্রের শিকার হবে না, পেশী শক্তির প্রবণতা থাকবে না। সাড়ে ১৫ বছর জনগণ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে, এবার তারা ভোট দিতে পারবে সেটা নিশ্চিত হবে এটাই ছিল আমাদের দাবি।
জামায়াতের
আমির আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ইতোমধ্যে কয়েকবার বলেছেন, নির্বাচন তিনি দিতে চান
এ বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে। কিন্তু সুনির্দিষ্ট কোনো রোডম্যাপ
দেননি। দিন মাস ঘোষণা করেননি এটাকে কেন্দ্র করে। আমরা বলেছি, দুটি বিষয় স্পষ্ট করা
দরকার- গ্রহণযোগ্য সংস্কার হতে হবে, এবং সুষ্ঠু নির্বাচন হতে হবে। আমরা মনে করি, সংস্কার
ও নির্বাচনী রোডম্যাপের ঘোষণা হলে অনেকটাই সংশয় কেটে যাবে।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির
দাফন সম্পন্ন হয়েছে। হাদির জানাজার নামাজ পড়িয়েছেন তার বড় ভাই
আবু বকর সিদ্দিক।
আজ শনিবার
সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল
ইসলামের কবরের পাশে তাকে সমাহিত
করা হয়।
এর আগে দুপুর আড়াইটার
দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ
প্লাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে
শহীদ ওসমান হাদির নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার বড়
ভাই আবু বকর সিদ্দিকের
ইমামতিতে এ জানাজা আদায়
করা হয়। জানাজা শেষে
তাকে দাফনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
কেন্দ্রীয় কবরস্থানের দিকে নিয়ে যাওয়া
হয়।
শহীদ
ওসমান হাদির নামাজে জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস,
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, তিন বাহিনীর প্রধানসহ
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ
নেন।
জানাজার
আগে প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন,
ওসমান হাদি নির্বাচনে অংশ
নিতে চেয়েছিলেন এবং নির্বাচন কীভাবে
করা উচিত, তার একটি প্রক্রিয়াও
তিনি দেখিয়ে গেছেন।
তিনি
বলেন, হাদি যে নির্বাচনী
প্রক্রিয়ার শিক্ষা দিয়ে গেছেন, সেটি
আমাদের সবাইকে গ্রহণ করতে হবে। কীভাবে
প্রচারণা চালাতে হয়, কীভাবে মানুষের
কাছে যেতে হয়- সবকিছুরই
শিক্ষা তিনি দিয়ে গেছেন।
আমরা সেই শিক্ষা গ্রহণ
করেছি।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, হাদি কোথাও হারিয়ে
যাবে না। কোনোদিন তোমাকে
কেউ ভুলতে পারবে না। তোমাকে আমাদের
সবার পক্ষ থেকে আল্লাহর
কাছে আমানত রাখলাম। আমরা সবসময় তোমার
কথা রেখে জাতির অগ্রগতির
পথে চলতে থাকব।
ড. ইউনূস বলেন, আজ লাখ লাখ
মানুষ হাজির হয়েছেন। রাজপথে ঢেউয়ের মতো লোক আসছে।
এই মুহূর্তে কোটি কেটি মানুষের
চোখ এখানে। তারা তাকিয়ে রয়েছে
হাদির বিষয়ে জানার জন্য। প্রিয় ওসমান হাদি তোমাকে আমরা
বিদায় দিতে আসিনি। তুমি
আমাদের বুকের ভেতরে আছ। বাংলাদেশ যতদিন
আছে, ততদিন তুমি সব বাংলাদেশির
বুকে থাকবে। এটা কেউ সরাতে
পারবে না।
হাদির
কাছে ওয়াদা করে এসেছেন জানিয়ে
ড. ইউনূস বলেন, তুমি যা বলে
গেছ, সেটা যেন আমরা
পূরণ করতে পারি। সে
ওয়াদা করার জন্য আমরা
একত্রিত হয়েছি। সেই ওয়াদা শুধু
আমরা নয়, পুরুষানুক্রমে দেশের
সব মানুষ পূরণ করবে। তোমার
যে মানব প্রেম তোমার
যে ভঙ্গি, তোমার যে ওঠাবসা এবং
রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, তা নিয়ে সবাই
প্রশংসা করছে। সেটা যেন আমাদের
মনে সবসময় জাগ্রত থাকে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দোষারোপের রাজনীতিতে মানুষের পেট ভরে না। মানুষের পাশে
গিয়ে দাঁড়ানো সব থেকে বড় রাজনীতি। রাজনীতি হওয়া উচিত দেশের মানুষের জন্য। আমরা অতীতে
দেখেছি মঞ্চে দাঁড়িয়ে এক রাজনৈতিক দল অন্যদলের বিভিন্ন কাজের সমালোচনা করছে, দোষারোপ
করছে। বহুবছর ধরে রাজনীতির এই ধারাবাহিকতা চলে আসছে। তবে, একটি পরিবর্তন প্রয়োজন- বিএনপি
সেই পরিবর্তনের শুরুটা করেছে।
সোমবার
(১৯ জানুয়ারি) দুপুরে যশোরের আলোচিত শিশু আফিয়ার পরিবারের কাছে ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে
ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। যশোর সদর উপজেলার বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামে এই
আয়োজন করে যশোর জেলা বিএনপি।
তারেক
রহমান বলেন, আফিয়ার মতো দেশে এমন অসংখ্য অসহায় পরিবার আছে। বিএনপি প্রচলিত রাজনীতির
বাইরে এমন আফিয়াদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা সব সময় করে আসছে। তবে, শুধু একটি রাজনৈতিক
দল হিসেবে এই বিশাল দায়িত্ব বহন করা বিএনপির জন্য অত্যন্ত কঠিন। সেজন্য আমরা বলেছি,
বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন পেলে আগামীতে সরকার গঠন করতে পারলে আমরা ফ্যামিলি কার্ডের
মাধ্যমে এই সেবাগুলো নিশ্চিত করব।
তিনি
বলেন, কৃষকদের জন্য আমরা কৃষিকার্ডের কথা বলেছি। শহরাঞ্চল থেকে শুরু করে গ্রামের প্রত্যন্ত
মানুষের সঠিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের জন্য এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কথা বলেছি।
ভারি
বর্ষণ কিংবা সীমান্তের ওপার থেকে পানি ছেড়ে দিলে বাংলাদেশের অনেক অঞ্চল প্লাবিত হয়।
এজন্য শহীদ জিয়াউর রহমানের খাল খনন প্রকল্প ফের চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে
তারেক রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কিংবা প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম জিয়া সবসময়ই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে কাজ করেছেন। আমিও সেই ধারা
অব্যাহত রাখতে চাই। এজন্য বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে আবারও খাল খনন প্রকল্প শুরু
করা হবে। বেগম জিয়া নারীদের শিক্ষার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন তার সুফল ইতোমধ্যে বাংলাদেশের
নারী সমাজ পেয়েছে। সেই শিক্ষিত নারীদের আর্থিকভাবে সাবলম্বী করার জন্য আমাদের বৃহৎ
পরিকল্পনা রয়েছে।
এ
সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, বিএনপির
খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট
সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
আলোচনাপর্ব
শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে আফিয়ার পরিবারের কাছে ঘর হস্তান্তর করেন বিএনপি নেতারা।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ঠুঁঠাপাড়া সীমান্ত এলাকা থেকে দুই ভারতীয় ও এক বাংলাদেশি গরু চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে মনাকষা ইউনিয়নের ঠুঁঠাপাড়া গ্রামে বাংলাদেশি চোরাকারবারি মারুফের বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন বিষয়টি নিশ্চিত করে।
আটক ভারতীয়রা হলেন—মালদহ জেলার পার বৈদ্যনাথপুর গ্রামের আব্দুল কাদির (৩০) ও দেলোয়ার হোসেন (৩৪)। বাংলাদেশি আটক চোরাকারবারির নাম মো. মারুফ।
বিজিবি জানায়, ৩ ডিসেম্বর ভোরে কাঁটাতারবিহীন ফতেহপুর সীমান্ত দিয়ে চারটি গরু নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন ওই দুই ভারতীয়। স্থানীয় চোরাকারবারি ফজেলের কাছে গরুগুলো হস্তান্তর করলেও ভোর হয়ে যাওয়ায় তারা ভারতে ফিরতে পারেননি। সারাদিন পদ্মার চরে লুকিয়ে থাকার পর মারুফের সহায়তায় ঠুঁঠাপাড়ায় আশ্রয় নেন।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল
ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে বলে নিশ্চিত
করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মত অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির
বৈঠক হতে চলেছে।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বাসসকে বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সরকার প্রধানের
মধ্যে আগামীকাল বৈঠক হবে। ব্যাংককে আজ বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই নেতার সাক্ষাৎ
হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন। নৈশভোজে উভয় নেতাকে বেশ কিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে
কথা বলতে দেখা গেছে। বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ
সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন। ২
থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ব্রেকআপের
পর অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। তখন মনে হয় যেন জীবনের সব আনন্দ শেষ হয়ে গেছে, চারপাশের
সবকিছুই হঠাৎ ফাঁকা হয়ে গেছে। প্রিয় মানুষটিকে হারানোর কষ্ট সহজে মেনে নেওয়া কঠিন,
তাই অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে সেই স্মৃতির ভেতরেই আটকে থাকেন। তবে অতীতের স্মৃতি আঁকড়ে
ধরে নিজেকে কষ্টে ডুবিয়ে রাখা কোনো সমাধান নয়। জীবনে এগিয়ে যেতে হলে সেই দুঃখকে ধীরে
ধীরে ছেড়ে দিতে হয় এবং নতুনভাবে নিজেকে গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হয়। ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা
নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে নতুন সম্ভাবনা।
সোমবার
(০৯ মার্চ) বিশ্বজুড়ে অনেকেই দিনটিকে পালন করেন ‘ব্যর্থ প্রেম ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর দিন’
হিসেবে। প্রেমে ব্যর্থতার বেদনাকে পেছনে ফেলে নতুন করে জীবন সাজানোর অনুপ্রেরণা দিতেই
দিনটির প্রচলন হয়েছে।
প্রেম
জীবনের স্বাভাবিক একটি অনুভূতি। কিন্তু সব ভালোবাসার গল্প শেষ পর্যন্ত পূর্ণতা পায়
না। সম্পর্ক ভেঙে গেলে অনেকেই ভেঙে পড়েন, জীবনকে শূন্য মনে হয়। প্রিয় মানুষ হারানোর
কষ্টে কেউ কেউ অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন, স্বাভাবিক জীবনযাপনেও ব্যাঘাত ঘটে। অনেকে আবার
দীর্ঘ সময় ধরে বিচ্ছেদের যন্ত্রণা ভুলতে পারেন না।
তবে
জীবন তো থেমে থাকে না। সেই বাস্তবতাই মনে করিয়ে দেয় ৯ মার্চের এই দিনটি। ‘ব্যর্থ প্রেম
ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর দিন’ মূলত তাদের জন্য, যারা সম্পর্ক ভাঙার
কষ্টে হতাশ হয়ে পড়েছেন। দিনটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয়- একটি সম্পর্কের সমাপ্তি মানেই
জীবনের সমাপ্তি নয়। বরং এটি নতুন করে নিজেকে গড়ে তোলার সুযোগ। অনেকে বলেন, ভ্যালেন্টাইনস
ডে এবং এপ্রিল ফুল ডে’র মাঝামাঝি সময় হওয়ায় ৯ মার্চকে এই
দিবস হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। কারণ ভালোবাসার উচ্ছ্বাসের পর এবং মজার এক দিবসের আগে
এই সময়টিকে ধরা হয়েছে আত্মবিশ্লেষণ ও নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার প্রতীক হিসেবে।
এই
দিবসটির সূচনা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। এর পেছনে রয়েছেন আটলান্টার বাসিন্দা জেফ গোল্ডব্ল্যাট
নামের এক তরুণ। তিনিও একসময় ব্যর্থ প্রেমের কষ্টে ভেঙে পড়েছিলেন। প্রেমিকা তাকে ছেড়ে
চলে যাওয়ার পর তিনি দীর্ঘ সময় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। কোনো কিছুতেই তার আগ্রহ
থাকত না। জীবনটাই তার কাছে অর্থহীন মনে হতে শুরু করে। কিন্তু একসময় তিনি উপলব্ধি করেন,
তিনি একা নন। পৃথিবীতে এমন অসংখ্য মানুষ রয়েছেন যারা প্রেমে ব্যর্থ হয়ে মানসিক কষ্টে
ভুগছেন। তখনই তার মনে হয়, যদি এমন একটি দিন থাকে যা মানুষকে ব্যর্থতার পর আবার ঘুরে
দাঁড়ানোর সাহস জোগাবে।
এই
ভাবনা থেকেই জেফ একটি কবিতা লেখেন এবং একটি ওয়েবসাইট চালু করে সেখানে তা প্রকাশ করেন।
তার সেই উদ্যোগ অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলে। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে
আলোচনা শুরু হয়। ধীরে ধীরে দিনটি মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে ওঠে। সময়ের সঙ্গে
সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে এই দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিচিত হয়ে
উঠছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে দিনটি নিয়ে আগ্রহ দেখা যায়।
বিশেষজ্ঞরা
মনে করেন, সম্পর্ক ভাঙা জীবনের স্বাভাবিক একটি ঘটনা। এটি মানুষকে হতাশ করলেও একই সঙ্গে
শেখায় নতুন অভিজ্ঞতা। তাই অতীতের দুঃখে ডুবে না থেকে সামনে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের
কাজ।
আজকের
দিনটি তাই মনে করিয়ে দেয়— অতীতের কষ্ট ভুলে নিজেকে নতুনভাবে
গড়ে তোলার সময় এসেছে। জীবনের সম্ভাবনা অসীম। নতুন স্বপ্ন, নতুন পরিকল্পনা আর ইতিবাচক
চিন্তা নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।
তাই
পুরোনো কষ্টকে বিদায় জানিয়ে নিজেকে ভালো রাখার প্রতিজ্ঞা করার দিন আজ। ব্যর্থ প্রেম
ভুলে নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর দিন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৯তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের
বৈঠকে যোগদানের জন্য তাঁর চার দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষ করে আজ ভোরে দেশে ফিরেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের
বহনকারী কাতার এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট ভোর ৩টা ৩২ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
এসে পৌঁছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম এ তথ্য জানান।
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় (নিউইয়র্ক
সময়) ফ্লাইটটি নিউইয়র্কের জেকেএফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট
জো বাইডেনসহ ১২টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের
সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সাইডলাইনে ৪০টি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।
প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্ক সময় শুক্রবার
(২৭ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেয়া ছাড়াও ২৪ সেপ্টেম্বর মার্কিন
প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেনের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
এছাড়া তিনি অন্যান্যের মধ্যে জাতিসংঘ
মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
শেহবাজ শরীফ, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি এবং নেদারল্যান্ডস’র প্রধানমন্ত্রী ডিক শুফের সাথে দ্বিপাক্ষিক
বৈঠক করেন।
নিউইয়র্ক অবস্থানকালে প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট
উরসুলা ভন ডের লেয়েন, জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক, মার্কিন পররাষ্ট্র
মন্ত্রী অ্যান্টনি জে ব্লিঙ্কেন, জাতিসংঘের হাইকমিশনারের শরণার্থী বিষয়ক কমিশনার ফিলিপ্পো
গ্র্যান্ডি, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ ও ইউএসএইডের প্রশাসক সামান্থা
পাওয়ার সাক্ষাত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্কে জাতিসংঘ
সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেন।
তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম
অধিবেশনে যোগ দিতে ২৩শে সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক পৌঁছান।
মন্তব্য করুন


গতকাল ০৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে তাঁর বসুন্ধরাস্থ কার্যালয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
অত্যন্ত আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও শিক্ষা-বান্ধব পরিবেশসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচন-পূর্ব সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের ধারাবাহিক অগ্রগতি, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে সম্মানিত উপাচার্য মহোদয় বিস্তারিতভাবে আলোকপাত করেন।
এ প্রসঙ্গে সম্মানিত আমীরে জামায়াত বলেন, জাতীয় জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষা, গবেষণা ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়—এটি আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে গঠনমূলক ও ইতিবাচক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ। দেশ, শিক্ষা ও তরুণ প্রজন্মের কল্যাণে সকল পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা তিনি প্রত্যাশা করেন।
মন্তব্য করুন


বিশ্বব্যাপী আলোচিত এবং সমাদৃত প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’ এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি
বাস্তবায়নে সমবায় অধিদপ্তর অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভুঁইয়া।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) ঢাকায় সমবায়
অধিদপ্তর পরিদর্শন এবং পায়রা সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা জানান। উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী
গৃহীত ‘থ্রি জিরো তত্ত্ব’ একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যার ভিত্তি হচ্ছে
শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য কার্বন নিঃসরণ। এ সময় ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’
এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি বাস্তবায়নে কাজ করতে সমবায় অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
নির্দেশ দেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, সমবায় অধিদপ্তরের
প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম এবং পারফরম্যান্স নিম্নমুখী বলে মনে হচ্ছে, কিন্তু তা ঊর্ধ্বমুখী
করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সমবায় আইন সংশোধন এবং যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের
নির্দেশনা দেন তিনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্যপদ পূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার
বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন উপদেষ্টা। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সমবায় অধিদপ্তরের সদস্যদের
নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে পাইলটিং প্রকল্প গ্রহণ এবং দ্রুত বাস্তবায়ন করার নির্দেশনা দেন
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা। এছাড়াও দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং সুষম সম্পদের বণ্টনের
জন্য সমবায় অধিদপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মতবিনিময় সভার শুরুতে সমবায় অধিদপ্তরের
নিবন্ধক ও মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে সমবায় কার্যক্রম সম্পর্কে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন
দেন যুগ্ম নিবন্ধক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. মোখলেছুর রহমান। সভায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বয়স
মাত্র ৯ বছর, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী অরিনা। দুই মাসের চেষ্টায় নিজের হাতে নির্ভুলভাবে
লিখেছে পবিত্র কোরআন শরিফ। ১১৪টি সুরা সংবলিত ৩০ পারার কোরআন শরিফটি দেখে বোঝার উপায়
নেই, এটি ছাপা না হাতে লেখা।
খুলনা
মহানগরীর খালিশপুরের গোয়ালখালী এলাকার ব্যবসায়ী মো. শুকুর আলী খান ও রাশিদা বেগম দম্পতির
ছোট মেয়ে অরিনা সাফা খান। তার বয়সী শিশুরা যখন খেলাধুলা আর মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত, সেই
সময়ে নিজের হাতে কোরআন লিখেছে অরিনা। সমগ্র কোরআন শরিফ লেখা শেষ করেছে মাত্র ২ মাসে।
হাতে
লেখার কারণে এ কোরআন যেন আরও যত্ন, ভক্তি ও আন্তরিকতায় মোড়া। শিশু অরিনা কাজটি করেছে,
আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায়।
খুলনার
বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিনা। ৪র্থ শ্রেণিতে
পড়ার সময়ও নিজের হাতে পবিত্র কোরআন লিখে বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছিল। কোরআনের হাফেজ না হয়েও
সুরেলা কণ্ঠে অসংখ্য সুরা মুখস্ত তেলাওয়াত করে অরিনা। ইসলামী গান গেয়েও অনেক পেয়েছে
পুরস্কার অরিনা।
অরিনার
মা রাশিদা বেগম বলেন, ছোটবেলা থেকেই অরিনার বড় বোন আরবি ভাষা লিখতে ও শিখিয়েছে তাকে।
সেই থেকে আরবি লেখা প্রিয় হয়ে ওঠে তার। বড় হয়ে গরিব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়
অরিনা, আসতে চায় সবার উপকারে।
মন্তব্য করুন