

জাহ্নবী কাপুর, সুহানা খান, সারা আলি খান, অনন্যা পাণ্ডে, দীপিকা পাড়ুকোন, ক্যাটরিনা কাইফের মতো তারকাদের সঙ্গে একই ছবিতে দেখা গেছে তাকে। কিন্তু সিনেমার মানুষ নন তিনি। অবাক করা
বিষয় হলো- বিভিন্ন তারকার সঙ্গে ছবি তুলেই লাখ লাখ রুপি উপার্জন করছেন তিনি। এমনকি কিছু কিছু দিন তার আয় ৫০ লাখও
ছাড়িয়ে যায়।
ইন্ডাস্ট্রির নায়ক-নায়িকাদের নয়নের মণি হয়ে উঠেছেন ওরহান অবত্রমানি নামের এই তরুণ। তবে বলিউড স্টারদের কাছে ওরি নামেই বেশি পরিচিত তিনি।
বলিপাড়ার পার্টি, বিয়েবাড়ি কিংবা জন্মদিনসহ সব অনুষ্ঠানেরই ডাক পান ওরি। তিনি ছাড়া ওসব আয়োজন যেন অসম্পূর্ণই থেকে যায়। নেটিজেনদের কাছে বেশ পরিচিত তিনি। তার নিত্যনতুন দামি পোশাক, ফোনের কভার অথবা চুলের কাটিং নিয়ে নেটিজেনদের আগ্রহের কমতি নেই।
ওরি নিজেই আয়ের ফিরিস্তি জানালেন। সম্প্রতি একটি পডকাস্ট শোয়ে এসে জানিয়েছেন, ছবি তুলেই নাকি লাখ লাখ রুপি আয় করেন। তার এই কাজ দেখভাল করে করণ জোহরের এজেন্সি।
তবে তারকাদের সঙ্গে ওঠাবসা থাকলেও কোনো সিনেমা করতে রাজি নন ওরি। কারণ হিসেবে জানিয়েছেন, অত খাটাখাটনি করতে পারবেন না তিনি। তারকাদের সঙ্গে সেলফি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেই নাকি তিনি লাখ রুপি উপার্জন করেন। তাই বাড়তি খাটুনি খাটতে নারাজ ।
ওরির ভাষ্য, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে যেসব ছবি তোলেন, সেগুলো পোস্ট করার জন্য তিনি রুপি পান। এক রাতে সব ছবি পোস্ট করে ২০ থেকে ৩০ লাখ রুপি রোজগার করেন তিনি। তা ছাড়া বিয়েতে লোকজন তাকে ডাকে। তাদের বিয়েতে ছবি তোলার জন্য ১৫ থেকে ২০ রুপি পান তিনি। সেই ছবি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করলে রুপির অঙ্ক নাকি আরও বাড়ে। শুধু অর্থ উপার্জনই নয়, মানুষকে আনন্দ দিতেও সেলফি তোলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


ঝিনাইদহে
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকায় নিজের ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন এক
বাবা। গত সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে
হলফনামার মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন মো. আবু জাফর।
হলফনামা
সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটী ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ব্যবসায়ী
মো. আবু জাফর তার ছেলে মো. নাহিদ হাসান সবুজকে ত্যাজ্যপুত্র হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
অভিযুক্ত
নাহিদ হাসান সবুজ ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে
দায়িত্ব পালন করছেন।
হলফনামায়
মো. আবু জাফর উল্লেখ করেন, তার পুত্র দীর্ঘদিন ধরে তার অবাধ্য এবং অবান্তর জীবনযাপন
করে আসছিলেন। তিনি বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন না এবং নিজের খেয়ালখুশিমতো আলাদা
থাকেন।
তিনি
আরো উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও
নাহিদ হাসান এই সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে লিপ্ত ছিলেন। বিশেষ করে গত ২১ ফেব্রুয়ারি
ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের কার্যক্রম পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়ায় সবুজের
সক্রিয় অংশগ্রহণের সংবাদ পাওয়ার পর তাকে নিজ বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেন আবু জাফর।
হলফনামায়
স্পষ্ট বলা হয়েছে, আজ থেকে নাহিদ হাসান সবুজের কোনো প্রকার আয়-রোজগার, দায়-দেনা বা
কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পিতা বা তার পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের সম্পর্ক থাকবে না। তার কোনো
অপকর্মের দায়ভার পরিবার বহন করবে না। ভবিষ্যতে তার সঙ্গে পরিবারের সকল প্রকার রক্ত
সম্পর্কীয় ও আইনি বিচ্ছেদ বজায় থাকবে।
আবু
জাফর বলেন, ‘দেশের আইন ও নীতিমালার পরিপন্থী কোনো কাজ আমার সন্তান করুক তা আমি চাই
না।
বারবার
সতর্ক করার পরও সে শোধরায়নি, তাই বাধ্য হয়ে আমি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টা, মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর
অভিযোগে সাবেক স্ত্রী রিয়া মনির করা মামলায় গ্রেপ্তারের পর জামিন পেয়েছেন
কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম।
আজ
শনিবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাকিবুল হাসানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন
তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর বিকেল ৪ টা ১০
মিনিটের দিকে আদালতের এজলাসে তোলা হয়। এ সময় হিরো
আলমের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে শুনানি করেন। বাদীপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ২০০ টাকায় মুচলেকায় আদালত তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন। এ সময় মামলার
বাদী রিয়া মনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এর
আগে গত ১২ নভেম্বর
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামানের আদালত হিরো আলম ও তার সহযোগী
আহসান হাবিব সেলিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সেই পরোয়ানা পেয়ে শনিবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করে হাতিরঝিল থানার পুলিশ।
মামলার
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি হিরো আলম ও বাদী রিয়া
মনির মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়। এরপর হিরো আলম বাদীকে তালাক দিয়ে বাসা থেকে বের করে দেন।
গত
২১ জুন বাদীর পরিবারের সঙ্গে মীমাংসা করার জন্য হাতিরঝিল থানাধীন এলাকায় একটি বাসায় ডাকা হয়। সেই সময়ে হিরো আলমসহ ১০ থেকে ১২
অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বাদী ও তার পরিবারের
সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। পরে তারা বাদীর বর্তমান বাসায় বেআইনিভাবে প্রবেশ করে কাঠের লাঠি দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন
অংশে মারধর করে। এই হামলায় বাদীর
শরীরে জখম সৃষ্টি হয়। এ সময় তার
গলায় থাকা 'দেড় ভরি' ওজনের স্বর্ণের চেইন চুরি করে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
ওই
ঘটনায় গত ২৩ জুন
হাতিরঝিল থানায় রিয়া মনি বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি-ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরী জামিন পেয়েছেন।
আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন মডেল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই।
এর আগে পারিবারিক ব্যবসায় পার্টনার করার আশ্বাস দিয়ে ২৭ লাখ টাকা নেয়ার পর তা আত্মসাৎ ছাড়াও ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়ার অভিযোগে বাদী আমিরুল ইসলামের করা মামলায় ঢাকার একটি আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার নির্ধারিত তারিখে আসামিরা হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া মেহজাবীন ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একইসঙ্গে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাদী আমিরুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন তাকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার করার কথা বলেন। এ প্রতিশ্রুতিতে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা নেন অভিনেত্রী ও তার ভাই। কিন্তু দীর্ঘদিনেও তারা কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেননি। পাওনা টাকা চাইতে গেলে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ রয়েছে, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি টাকা ফেরত চাইতে গেলে ১৬ মার্চ বাদীকে হাতিরঝিল রোডের পাশের একটি রেস্টুরেন্টে দেখা করতে বলা হয়। ওইদিন সেখানে গেলে মেহজাবীন, তার ভাই এবং আরও কয়েকজন তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। সেই সঙ্গে তারা হুমকি দিয়ে বলেন, টাকা চাইতে আর বাসার সামনে দেখা গেলে মেরে ফেলব। এতে বাদী চরম আতঙ্কে পড়েন।
ঘটনার পর বাদী ভাটারা থানায় গেলে থানার পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়া হয়। পরে আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি নাকি প্রেমে মজেছেন- এমন গুঞ্জন ছড়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ফেসবুকে নায়িকা দীঘি সঙ্গে এক ছেলের বেশ কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ছবিগুলো প্রসঙ্গে দীঘির ভাষ্য ছিল,আমরা তো লুকোচুরি করছি না। ছবিগুলো বন্ধু হিসেবেই তোলা। যেহেতু সে মিডিয়ার কেউ নয়,তাই আমি চাই তাকে নিয়ে এ বিষয়ে কোনো আলোচনার সৃষ্টি না হোক। তার সঙ্গে আমার কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই। আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বের বাইরে কিছু নেই।
এদিকে ওই নায়িকার সঙ্গে ছেলের ছবিগুলো নিয়ে অনেক সংবাদমাধ্যমেই সংবাদ প্রচার হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নাটকের শুটিংয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুরের একটি রিসোর্টে একটি মডেলকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর গাজীপুর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পরিচালক নাসিরউদ্দীন মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) রাজধানীর উত্তরার বটতলা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়, নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর জেলা ডিবির পরিদর্শক হাসমত উল্লাহ।
তিনি জানান, “মামলার প্রধান আসামি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। আজ তার গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আশা করা যায়, অন্যান্য জড়িতদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।”
ভুক্তভোগী মডেল জানান, “সব আসামিকে গ্রেপ্তার করলে আরও ভালো লাগত। আমি এখনো হুমকির মুখে আছি। আশা করি ন্যায়বিচার হবে।”
ঘটনার পেছনের ইতিহাস অনুযায়ী, গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে মডেল শ্রীপুরের তেলিহাটি ইউনিয়নের উত্তর পেলাইদ গ্রামের একটি রিসোর্টে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই রাতেই তিনজন—নাসিরউদ্দীন মাসুদ, তাঁর সহযোগী বাবর এবং একজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি—তার উপর যৌন নির্যাতন চালান। পরের দিন বিকেলে মডেলকে রিসোর্ট থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং তার আইফোন, যার মূল্য ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা, কেড়ে নেওয়া হয়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগী মডেল নাটক সংক্রান্ত কাজের প্রস্তাব পাওয়ার কারণে ওই স্থানে গিয়েছিলেন। পরে জানা যায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামির নাম আবুল হাসেন। মামলায় নাসির (৩৫) ও বাবর (৩২) নামে দুই আসামির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ছোট ও বড় পর্দার অভিনেত্রী হুমায়রা হিমু আর নেই। জানা গেছে,তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রওনক হাসান। বর্তমানে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে রয়েছে অভিনেত্রীর মরদেহ।
লক্ষ্মীপুরের মেয়ে হুমায়রা হিমু অভিনয় জগতে পা রাখেন মঞ্চনাটকের মাধ্যমে ।
২০০৬ সালে টেলিভিশন নাটক ছায়াবীথি-তে প্রথম অভিনয় করেন। একই বছর পিআই (প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর) নামে একটি টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেন। তারপর বাড়ি বাড়ি সারি সারি, হাউজফুল, গুলশান এভিনিউ সহ অনেক জনপ্রিয় নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি।
ছোট পর্দার পাশাপাশি হিমু নাম লিখিয়েছেন চলচ্চিত্রেও। ২০১১ সালে আমার বন্ধু রাশেদ সিনেমার মাধ্যমে এই ভুবনে তার অভিষেক হয়। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এ চলচ্চিত্রে অরু চরিত্রে অভিনয় করে দারুণ প্রশংসা কুড়ান তিনি।
দেওয়ান নাজমুল পরিচালিত তোরে কত ভালোবাসি শিরোনামে একটি চলচ্চিত্রের কাজ শেষ করেছেন হিমু। সাওতালদের নিয়ে গড়ে উঠেছে এর গল্প। এ চলচ্চিত্র এখন মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
মন্তব্য করুন


‘অ্যানিম্যাল’
সিনেমায় উগ্র পৌরুষ ও নারীবিদ্বেষ রয়েছে বলে সমালোচনা রয়েছে। এ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও
কাজের জন্য দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছেন অভিনেতা রণবীর। এ সিনেমায় তার
সোথে জুটি বেঁধেছিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। দক্ষিণী বিনোদন জগতের পাশাপাশি এখন
বলিউডেরও জনপ্রিয় নায়িকা রাশমিকা মান্দানা।
‘অ্যানিম্যাল’-এর
সাফল্যের পর অভিনেত্রী রাশমিকা জানান, সিনেমাতে তার চরিত্র গীতাঞ্জলির কিছু কাজকর্ম
ও কথাবার্তা নিয়ে প্রশ্ন জেগেছিল তার মনে। তবে পরিচালক তাকে বোঝান, চরিত্রের প্রয়োজনে
গীতাঞ্জলির মতো করে ভাবতে।
সিনেমার
প্রযোজক জানালেন, ‘অ্যানিম্যাল’-এর সেটে নাকি রণবীরের গায়েও হাত তুলেছিলেন নায়িকা!
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রযোজক প্রণয় রেড্ডি বঙ্গা জানান, একটি দৃশ্যের মহড়ার সময় নাকি একাধিকবার অভিনেতা রণবীরের গায়ে হাত তুলেছিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা। ওই দৃশ্যকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে কোনো কমতি রাখেননি অভিনেত্রী রাশমিকা। রণবীরকে কমপক্ষে ২০-২৫ বার মেরেছিলেন তিনি। তারপর ওই দৃশ্য চূড়ান্ত করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


বলিউড
অভিনেতা রণিত রায় ২০তম বিবাহবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে নিজের স্ত্রীকেই ফের বিয়ে করেছেন।
বর
সেজে স্ত্রী নীলমকে নববধূ সাজিয়ে গোয়ার একটি মন্দিরে সেরেছেন তাদের বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা।
সোমবার
(২৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে বিয়ের ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন এই অভিনেতা।
অভিনেতা রণিত রায় ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমাকে বিয়ে করবে? আবারও?’ আরেকটি ভিডিওর ক্যাপশনে
লিখেছেন, ‘শুধু দ্বিতীয়বার কেন, হাজারবার তোমাকেই বিয়ে করব। ২০তম বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা
আমার ভালোবাসা।’
ভিডিওতে
বিয়ের সকল নিয়ম-কানুন পালন করতে দেখা গেছে এই দম্পতিকে। যেখানে নতুন করে আবারও সাত
পাকে ঘুরেছেন তারা। বিয়েতে রণিত রায় এর পরনে ছিল সাদা শেরওয়ানি ও লাল ওড়না। অন্যদিকে
রণিত রায় এর স্ত্রীর পরণে লাল রঙের লেহেঙ্গা।
রণিত
রায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন বলিউডে। তবে ‘আদালত’ নামের একটি সিরিয়াল তাকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা
এনে দেয় ভারতজুড়ে। সেখানে ‘কেডি পাঠক’ চরিত্রে পরিচিতি পান তিনি।
প্রসঙ্গত,
২০০৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর অভিনেত্রী-মডেল নীলম সিংয়ের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন রণিত
রায়।
মন্তব্য করুন


বলিউড ছেড়ে হলিউডে পোক্ত স্থান করে নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া । বিভিন্ন সিরিজের পাশাপাশি অভিনয় করেছে একাধিক সিনেমায়ও। আবারও দিলেন নতুন সিনেমার ঘোষণা।
ছবিটিতে এক ঝাঁক হলিউড তারকার পাশাপাশি দেখা যাবে প্রিয়াঙ্কাকেও। তার চরিত্রটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এমন চরিত্রে তাকে আগে দেখা যায়নি।
প্রিয়াঙ্কা ছাড়াও এই ছবিতে দেখা যাবে কার্ল আরবানকে। খবর অনুযায়ী, অনেকদিন পরে হলিউডে জলদস্যুদের নিয়ে তৈরি হচ্ছে সিনেমাটি। আর প্রিয়াঙ্কা এই প্রথম জলদস্যুর ভূমিকায় অভিনয় করতে চলেছেন। দেশি গার্ল নিজেও জানান, একটা সময় ছিল, যখন আমরা ভাবতাম, ভালো মানুষ হলে তাকে ঈশ্বর জলদস্যু হওয়ার সুযোগ করে দেন।
এই ছবির খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রিয়াঙ্কার বর নিক জোনাস কী বলেছেন, সেটা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। স্ত্রীর উদ্দেশ্যে কথা বলার শব্দ নেই তার। তাই তো, ইমোজি দিয়েই কাজ চালালেন। প্রিয়াঙ্কার উদ্দেশ্যে লিখছেন, আগুন!
মন্তব্য করুন


দিন কয়েক ধরেই গুঞ্জনটা শোনা যাচ্ছিল। বিবাহবিচ্ছেদ হতে চলেছে অভিনেত্রী মাহিয়া মাহির। যদিও প্রতি বারই জল্পনায় জল ঢালেন তিনি। কিন্তু শুক্রবার ফেসবুক লাইভে এসে আচমকাই কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী। তার পরই দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের খবর দেন নায়িকা।
এরই মধ্যে তাঁরা আলাদা থাকা শুরু করেছেন। এ অভিনেত্রী নিজেই আজ রাতে এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন।
নিজের ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় কেঁদে মাহি বলেন, আমরা দুজন মিলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে আমি সম্মান করি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদে যাচ্ছি। কবে আর কীভাবে হবে, সেটিও দুজন মিলেই ঠিক করব।
কিন্তু কী কারণে সন্তান জন্মের মাস কয়েকের মধ্যেই স্বামীর থেকে আলাদা হচ্ছেন তিনি তা নিয়ে কিছু বলেননি তিনি ।
তিনি জানান, অনেক দিন ধরে তাঁরা আলাদা থাকছেন।
সাথে আরো বলেন, একটা ছাদের নিচে দুটি মানুষ কেন ভালো নেই, সেটা তারাই ভালো জানে। এটা বাইরের থেকে বোঝা যাবে না। আসলে সংসার কেন ভাঙে, কেন হাজবেন্ডের সঙ্গে থাকতে পারল না বা হাজবেন্ড কেন তাঁকে সহ্য করতে পারছে না। অথবা তাঁর ওয়াইফটা কেন তাঁর হাজবেন্ডকে সহ্য করতে পারছে না। অথবা দুজন কেন ভালো নাই। দুজনের মধ্যে আসলে কী ঝামেলা হয়েছে—এগুলো তো আমরা আসলে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বুঝব না। তাই আমরা কাউকে নিয়ে যেন জাজ না করি।
মাহি বলেন, আমি জানি এই ভিডিওটি দেখার পর অনেকেই আমাকে গালি দিবেন, অনেক বাজে কথা বলবেন। বিশ্বাস করেন আপনাদের কমেন্ট গুলো আমার কাছে তীরের মত আমার বুকে লাগবে।
ভিডিওর একপর্যায়ে মাহি তাঁর সন্তানকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানান নেটিজেনদের প্রতি। মাহি বলেন,আমার ছেলেকে নিয়েও আপনারা অনেকে খারাপ কমেন্ট করেন, সেগুলো দেখে মা হিসেবে আমার বুকটা ফেটে যায়। কোনো বাচ্চাকে নিয়ে এমন খারাপ কমেন্ট করবেন না সে যেমনি হোক না কেনো দেখতে ।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ও হয়তো এখন এসব বুঝতে পারে না; কিন্তু একসময় এসব বুঝবে, তখন নিশ্চয়ই কষ্ট পাবে। দয়া করে এসব করবেন না। আপনারা আমার ছেলে ফারিশের জন্য দোয়া করবেন, যেন ওকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।
মন্তব্য করুন