

যশোর জেলা যুবলীগের নেতা ও যশোর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলার জাহিদ হোসেন মিলন, যিনি ‘টাক মিলন’ নামে পরিচিত, তাকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।শুক্রবার গভীর রাতে ঢাকার রামপুরা এলাকা থেকে যশোর ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল তাকে আটক করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ আলী। মিলন যশোর শহরের পুরাতন কসবা এলাকার বাসিন্দা এবং রোস্তম আলীর ছেলে।ডিবির ওসি মোহাম্মদ আলী জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মিলনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের একাধিক অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি তার নামে একাধিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির একটি দল ঢাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। বর্তমানে তাকে যশোরে নিয়ে আসা হচ্ছে।এর আগে ২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় দুবাই থেকে স্ত্রী ও সন্তানসহ দেশে ফেরার পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।এছাড়া ২০২৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মাঝপথে তিন সহযোগীসহ আবারও আটক হন মিলন। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে অন্তত ১৪টি মামলা রয়েছে। ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে যশোর শহরের পুরাতন কসবা কাজীপাড়া এলাকায় যুবলীগ কর্মী শরিফুল ইসলাম সোহাগকে গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা মামলাতেও তিনি আসামি।পুলিশের তদন্তে আরও উঠে আসে, ২০১৯ সালের ২৭ জানুয়ারি রাতে যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের বাড়িতে বোমা হামলার ঘটনায় মিলনের সম্পৃক্ততা ছিল এবং তার নেতৃত্বেই ওই হামলা সংঘটিত হয়।এছাড়াও পালবাড়ির রয়েল কমিউনিটি সেন্টারে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ক্যাসিনো বা জুয়ার ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ককসিট উৎপাদনকারী এক কারখানা ও গুদামে হঠাৎ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুর প্রায় ২টার দিকে লক্ষণখোলা এলাকায় মোর্শেদ খন্দকারের মালিকানাধীন আয়েশা ইপিএস ইনসোলেশন লিমিটেড-এ এ আগুন দেখা দেয়।খবর পাওয়ার পর বন্দর ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। সৌভাগ্যবশত এ ঘটনায় কেউ আহত হননি।
বন্দর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সঞ্জয় খান জানান, দুপুরে কারখানার উৎপাদন এলাকা ও গুদামের ভেতরে আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই অগ্নিকাণ্ড শুরু হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আগুনে ঠিক কতটা ক্ষতি হয়েছে বা চূড়ান্তভাবে আগুন লাগার কারণ কী—তা তদন্ত শেষ হলে জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেছেন, পিআর খায় না পিআর গায়ে মাখে এ পদ্ধতি জনগণ আর মানে না, জনগণ চায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবে। পি আর দিয়ে নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে। বিগত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে এদেশে লুটপাটের মহারাজ্য সৃষ্টি হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে নির্বাচিত সরকার ছাড়া এসব টাকা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, তাই অচিরেই পি আর পদ্ধতি বাদ দিয়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচন দেন।
তিনি আরও বলেন, যারা একাত্তর এর মুক্তিযোদ্ধাকে স্বীকার করে না, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া উর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকে স্বীকার করে না।,শহীদ প্রেসিডেন্টকে জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকার করে না,তারা ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তদেয়াকে স্বীকার করেনা, তাদের বাংলাদেশে ভোট চাওয়ার অধিকার নেই,তাদের রাজনীতি করার অধিকার নাই। তিনি বলেন কোন হাইব্রীড যেন বিএনপির নেতা না হতে পারে সেজন্য তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে গতকাল রোববার ২৪ আগস্ট বিকেলে ভগবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ জাকারিয়া তাহের সুমন।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মোস্তাক মিয়া।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সদস্য এডভোকেট সাবেরা আলাউদ্দিন হেনা, বুড়িছং উপজেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির বাবুল।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী জসিম উদ্দিন জসিম এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাজী আমির হোসেন।আরও যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম, এডভোকেট মনিরুল হক সরকার, কেন্দ্রীয় বিএনপি, জেলা বিএনপি, উপজেলা বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শেষে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন হাজী জসিম উদ্দিন জসিম, সাধারণ সম্পাদক হাজী আমির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুল হক ভূঁইয়া রিপন ও শাহ জাহান সাজু।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন সার্টিফিকেট গ্রহণ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলের
পক্ষে এই সনদ গ্রহণ করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। দলটির জন্য বরাদ্দকৃত প্রতীক
হচ্ছে ‘শাপলা কলি’।
আজ
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের
(সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান নাহিদ ইসলাম।
নাহিদ
ইসলাম নির্বাচন সংক্রান্ত আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) সংশোধনীকে সাধুবাদ জানান। একইসঙ্গে,
তিনি এই সংস্কার বাতিলে চাপ সৃষ্টি এবং আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
নিবন্ধনের
শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল নেতারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন বলে জানান এনসিপি নেতা
নাহিদ। নির্বাচন কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, অনেক চড়াই উৎরাই পার
হওয়ার পরে অবশেষে প্রতীক বরাদ্দ হয়েছে। শাপলা কলি প্রতীকে এনসিপি এবারের নির্বাচনে
অংশ নেবে।
নাহিদ
উল্লেখ করেন, প্রত্যেক দলকে স্ব স্ব প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে এই প্রস্তাবনা থেকে
ইসিকে সরে না আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। একটি বিশেষ দল সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে
চাপ দিয়েছে এক মার্কায় নির্বাচনের জন্য এবং আদালতকে ব্যবহার করে এখন এই সংস্কার প্রস্তাবনা
বাতিলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এনসিপি এই বিষয়ে ইসিকে শক্ত অবস্থানে থাকার জন্য বলেছে।
গণভোটের
প্রশ্ন যেন সঠিক প্রচার হয়, সেই বিষয়েও ইসিকে সতর্ক করেছে এনসিপি। নাহিদ ইসলাম বলেন,
গণভোটের প্রশ্ন সঠিকভাবে প্রচার না হলে জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছাবে না। এছাড়া নির্বাচনে
অপতথ্য বা ভুল তথ্যের বিস্তার রোধে নির্বাচন কমিশনকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান
জানানো হয়েছে।
নির্বাচনে
অর্থ ও ক্ষমতার প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এনসিপি। নাহিদ বলেন, হলফনামায়
প্রার্থীর তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য ইসিকে বলা হয়েছে। এছাড়া অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে ইসি
যেন কঠোর অবস্থান নেয়। যারা কালো টাকা ছড়াবে, তাদের বিরুদ্ধে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া
হয়, সে বিষয়ে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামী ৩ থেকে ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৪।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩ মার্চ সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের শাপলা হলে তিন দিনের এ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন । মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন। আর কর্মঅধিবেশনগুলো ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ডিসি সম্মেলন উপলক্ষ্যে ব্যস্ততম সময় পার করছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাঠ প্রশাসন) আমিন উল আহসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নতুন সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী মাঠ কর্মকর্তাদের নতুন করে নির্দেশনা দেবেন। তার বক্তব্য এবং নির্দেশনা মাঠ প্রশাসনে দায়িত্বপালন অধিক প্রেরণা হিসাবে কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ডিসিরা মুক্ত আলোচনায় অংশ নেবেন। জানাবেন তাদের সমস্যাগুলো। কাজ করতে গিয়ে কী ধরনের সংকট মোকাবিলা করতে হয় তাও তারা জানাবেন প্রধানমন্ত্রীকে।
তিনি আরো বলেন, নতুন সরকারের মন্ত্রীরা মাঠ প্রশাসনে কর্মরত ডিসিদের নির্দেশনা দেবেন। মন্ত্রণালয়ের কাজে ডিসিদের গাইডলাইন দেবেন। তাদের পরামর্শ এবং নির্দেশনায় ডিসিদের দায়িত্ব পালনে নতুন করে প্রেরণা পাবেন। সমস্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করবেন। ডিসিরা কাজ করতে গিয়ে নানা ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। সেগুলো তারা তুলে ধরবেন সম্মেলনে। মাঠের কাজে অনেক সমস্যা ডিসিদের নজরে আসে। সেগুলো যাচাই-বাছাই কর সম্মেলনের বিভিন্ন কর্ম অধিবেশন আলোচনা করা হয় এবং সমাধানের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।
তিন দিনের সম্মেলনের পর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণ এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন। সমাপনী দিবসে মন্ত্রিপরিষদ সচিব গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনের ১৬টি টিকিটসহ মো. মানিক মিয়া নামে এক স্টুয়ার্ডকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ১১টার দিকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার মানিক মিয়া নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার ছালিপুর গ্রামের আ. মতিনের ছেলে। তিনি মোহনগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনে স্টুয়ার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
রেলওয়ে পুলিশ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়—হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনের ওই স্টুয়ার্ডের কাছে একাধিক ট্রেনের টিকিট রয়েছে। এমন তথ্যের পর ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানা পুলিশ তাকে আটক করে তল্লাশি চালায়। এ সময় তার কাছ থেকে ১৬টি ট্রেনের টিকিট উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে টিকিটগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় তাকে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানের মাধ্যমে টিকিটগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে আজ থেকে উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণ শুরু।
শিক্ষকদের সাত দিনের এ প্রশিক্ষণ চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ।
এ প্রশিক্ষণ পরিচালনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে ডিসেমিনেশন অব নিউ কারিকুলাম স্কিম। এতে প্রশিক্ষণ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
প্রথম ধাপে ৪৭৭টি উপজেলায় ৫০৮টি ব্যাচে শিক্ষক প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হবে। আর এ প্রথম পর্যায়ে প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন ইআইআইএন-ধারী (এডুকেশনাল ইনস্টিটিউট আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ।
নির্ধারিত দিনে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে এ শিক্ষক প্রশিক্ষণ।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের মতলব পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরমুকন্দি এলাকায় একটি উন্মত্ত কুকুরের কামড়ে শিশুসহ অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের বেশিরভাগই শিশু হওয়ায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে।
হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে চরমুকন্দি এলাকার বিভিন্ন স্থানে ওই কুকুরটি শিশু, কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কদের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ১৮ জন আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সবাই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন—রাফি (৭), ফরহাদ (৮), আশরাফুল (৬), শান্ত (৬), হোসাইন (৬), নাফিজা আক্তার (১২), অর্পণ (৬), জাহিদ (২৬), নবীর (২২), হোসাইন (৩), আমির হামজা (৭), জিহানা (৮), জারা (৩) ও শাফায়াত (৫)। এছাড়াও আরও কয়েকজন চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মিজান পাটোয়ারী ও শামীম দেওয়ানসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে নিয়মিত নিয়ন্ত্রণ বা নিধন কার্যক্রম না থাকায় কুকুরের উপদ্রব ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। তারা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান।
এ বিষয়ে মতলব পৌরসভার সচিব সাইফুর রহমান বলেন, ঘটনাটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসনের নজরে এসেছে। তিনি বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা গোলাম রায়হান জানান, উপজেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন না থাকলেও আহতদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


সারাদেশে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্র উত্তম ও সেলিম সিন্ডিকেটের মূলহোতাসহ ১৪ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ।
কয়েকটি চক্র রেলস্টেশনে কর্মরত অসাধু কর্মচারী, সহজ ডটকমের অসাধু কর্মকর্তা, সার্ভার রুম ও আইটি সদস্যদের সহযোগিতায় ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি করতো । এছাড়া সংরক্ষণ করা জনসাধারণের এনআইডির তথ্য ব্যবহার করে এমনকি সার্ভার ডাউন করে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করতো এসব চক্র।
বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর কমলাপুর ও বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে র্যাব -৩।
গ্রেফতাররা হলেন- ট্রেনের টিকেট কালোবাজারির সেলিম সিন্ডিকেটের মূলহোতা মো. সেলিম (৫০), তার প্রধান সহযোগী মো. আনোয়ার হোসেন ওরফে কাশেম (৬২), অবনী সরকার সুমন (৩৫), মো. হারুন মিয়া (৬০), মো. মান্নান (৫০), মো. আনোয়ার হোসেন ওরফে ডাবলু (৫০), মো. ফারুক (৬২), মো. শহীদুল ইসলাম বাবু (২২), মো. জুয়েল (২৩) ও মো. আব্দুর রহিম (৩২)।তাদের তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উত্তম সিন্ডিকেটের মূলহোতা উত্তম চন্দ্র দাস (৩০), তার প্রধান সহযোগী মো. মোর্শিদ মিয়া ওরফে জাকির (৪৫), আব্দুল আলী (২২) ও মো. জোবায়েরকে (২৫) গ্রেফতার করা হয়।
এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় এক হাজার ২৪৪টি আসনের টিকিট, ১৪টি মোবাইল ফোন এবং টিকিট বিক্রির নগদ ২০ হাজার টাকা।
শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।তিনি বলেন, অনলাইনে বা রেল স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে টিকিট পাওয়া না গেলেও কালোবাজারে বেশি দামে টিকিট বিক্রি হতে দেখা যায়। টিকিট কালোবাজারিরা বিভিন্ন কৌশলে ট্রেনের টিকিট অগ্রিম সংগ্রহ করে অবৈধভাবে নিজেদের কাছে মজুত করে রেখে সাধারণ যাত্রীদের কাছ দেড় থেকে দুই গুণ বেশি দামে টিকিট বিক্রি করছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে সরাসরি ট্রেন চলাচল শুরু হয় এবং এই রুটে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস নামের দুটি ট্রেন যাত্রা শুরু করে। দীর্ঘ এই ভ্রমণে নিরাপদ ও আরামদায়ক যাত্রার জন্য এ রুটে ট্রেনের টিকিটের ব্যাপক চাহিদা দেখা দেয়। টিকেটের চাহিদা বেশি থাকায় টিকিট কালোবাজারিদের দৌরাত্ম্যও বেড়ে যায়; অনলাইনে বা কাউন্টারে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে যায় এই রুটের ট্রেনের টিকিট। কিন্তু কালোবাজারিদের কাছে ২-৩ গুণ দামে টিকিট বিক্রি হতে দেখা যায়।চাহিদা অনুযায়ী টিকিট না পাওয়ার এবং টিকিট কালোবাজারিরা বেশি দামে টিকিট বিক্রির বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচিত হয়। ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধ ও কালোবাজারিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে ১৪ জনকে গ্রেফতার করে র্যাব ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে কিছু তথ্য প্রদান করেছে ।
স্টেশনে কুলি, টোকাই, রিকশাওয়ালা ও দিনমজুরদের লাইনে দাঁড় করিয়ে টিকিট সংগ্রহ:
কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, কমলাপুর রেলস্টেশনে সেলিম সিন্ডিকেটের মূলহোতা সেলিম এবং বিমানবন্দর রেলস্টেশনে উত্তম সিন্ডিকেটের মূলহোতা উত্তমের নেতৃত্বে এ চক্রটি সংঘবদ্ধভাবে দীর্ঘদিন ধরে মহানগর প্রভাতী, তূর্ণা নিশিথা, চট্টলা এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস, মহানগর এক্সপ্রেস, পারাবত এক্সপ্রেস, উপকূল এক্সপ্রেস, জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, কালনী এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি করে আসছিল। গ্রেফতার সেলিম এবং উত্তমের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা প্রথমত ট্রেনের কাউন্টারে বিভিন্ন ভ্রাম্যমাণ যাত্রী, রেলস্টেশনের কুলি, স্টেশনের আশেপাশের এলাকার টোকাই, রিকশাওয়ালা ও দিনমজুরদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে টিকিট সংগ্রহ করত।
যাত্রীদের এনআইডি সংগ্রহ করে পরবর্তীতে সেগুলো ব্যবহার করে কাটা হতো টিকিট:
এক্ষেত্রে তাদের প্রত্যেককে চারটি করে টিকিট সংগ্রহ করার বিনিময়ে ১০০ টাকা করে দেওয়া হতো। এছাড়াও কাউন্টারে থাকা কিছু অসাধু টিকিট বুকিং কর্মচারীদের দিয়ে বিভিন্ন সাধারণ যাত্রীদের টিকিট কাটার সময় এনআইডি সংগ্রহ করে রাখে এবং পরবর্তীতে সেগুলো ব্যবহার করে সংরক্ষণকৃত প্রতিটি এনআইডি দিয়ে চারটি করে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করে থাকে।
প্রতিদিন ৫০০ টিকিট সংগ্রহ করতো তারা:
এভাবে তারা প্রতিদিন প্রায় পাঁচ শতাধিক টিকিট সংগ্রহ করতো। অনেক ক্ষেত্রে টিকিট কাউন্টারে নিজেরা লাইনে দাড়িয়ে এবং কৌশলে লাইনে অপেক্ষমান টিকিটপ্রত্যাশী সাধারণ যাত্রীদের এনআইডি ব্যবহার করে চারটি টিকিট কিনে তিনটি টিকিট নিজেরা তার কাছ থেকে টাকা দিয়ে টিকিটগুলো কিনে নিতো।
সার্ভার ডাউন করে তারা অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ:
র্যাবের মুখপাত্র বলেন, ঈদ, পুজা, সাপ্তাহিক ছুটিসহ বিশেষ ছুটির দিনকে উপলক্ষ করে গ্রেফতাররা রেলস্টেশনে কর্মরত কিছু অসাধু কর্মচারী এবং অনলাইনে টিকিট ক্রয়ের জন্য ব্যবহৃত ভেন্ডর প্রতিষ্ঠান সহজ ডটকমের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও সার্ভার রুম ও আইটি সদস্যদের সহযোগিতায় তাদের কাছে সংরক্ষিত জনসাধারণের এনআইডির তথ্য ব্যবহার করে এমনকি সার্ভার ডাউন করে তারা অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করতো।
শিক্ষার্থীদের দিয়ে অনলাইনে টিকিট কাটানো হতো:
কমান্ডার মঈন বলেন, পাশাপাশি গ্রেফতাররা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দিয়ে অনলাইনে টিকিট কেটে সেগুলো তাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করতো। গ্রেফতাররা স্টেশনে থাকা তাদের সিন্ডিকেটের সদস্যদের দিয়ে কাউন্টার থেকে স্ট্যান্ডিং টিকেট সংগ্রহ করতো। এসব টিকিটের মূল্য কাউন্টারের বুকিং কর্মচারীদের সঙ্গে তারা ভাগ করে নিতো। ফলে রেলওয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এভাবে গ্রেফতাররা অবৈধভাবে বিভিন্ন পন্থায় বিপুল সংখ্যক ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করতো।
গ্রেফতারকৃত সেলিম ও উত্তমের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা উপযুক্ত সময় বুঝে সংগ্রহকৃত টিকিট নিয়ে রেলস্টেশনের ভেতরে অবস্থান করে। রেলস্টেশনে এসে টিকিট না পাওয়া সাধারণ যাত্রীদের কাছে গ্রেফতাররা টিকিট বিক্রির জন্য ঘুরাঘুরি করে এবং বেশি দামে টিকিট বিক্রি করে। এছাড়াও ট্রেন ছাড়ার সময় যত সন্নিকটে আসতে থাকে তাদের মজুত করা কালোবাজারি টিকিটের দাম তত বাড়তে থাকে এবং সুযোগ বুঝে অনেক ক্ষেত্রে টিকিটের দাম দিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে দেয়।
ঈদের সময় ৪ গুণ দামে টিকিট বিক্রি:
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক বলেন, ঈদের ছুটিসহ বিভিন্ন ছুটিকে কেন্দ্র করে গ্রেফতাররা প্রতিটি টিকেট ৩-৪ গুণ বেশি মূল্যে বিক্রি করে। প্রতিটি টিকিট তারা দেড় গুণ থেকে দুই গুণে বিক্রি করে এই লভ্যাংশের ৫০ শতাংশ পায় গ্রেফতাররা নিতো এবং বাকি ৫০ শতাংশ কাউন্টারে থাকা বুকিং কর্মচারী ও তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সহজ ডটকমের কর্মচারী-কর্মকর্তা ও আইটি বিশেষজ্ঞদের দেওয়া হতো।
৩৫ বছর ধরে টিকিট কালোবাজারি করেছে সেলিম:
কমান্ডার মঈন জানান, গ্রেফতার সেলিম দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর ধরে টিকিট কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত। তিনি কমলাপুর রেলস্টেশনে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি সেলিম সিন্ডিকেটের মূলহোতা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় টিকিট কালোবাজারির দায়ে সাতটি মামলা রয়েছে এবং এসব মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগও করেছেন তিনি। সে জামিনে মুক্তি পেয়ে পুনরায় আবার টিকিট কালোবাজারির কার্যক্রমে লিপ্ত হয়।
১৫ বছর ধরে টিকিট কালোবাজারিতে জড়িত কাশেম:
তিনি বলেন, গ্রেফতার আনোয়ার হোসেন ওরফে কাশেম প্রায় ১৫ বছর ধরে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত। তিনি গ্রেফতার সেলিমের অন্যতম প্রধান সহযোগী। মূলত তার দায়িত্ব ছিল কাউন্টার থেকে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করা। এর আগে তিনি মাদক মামলাসহ একাধিক মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করেছেন।
এছাড়াও গ্রেফতার অবনী সরকার ও হারুন মিয়ার দায়িত্ব ছিল চট্টগ্রাম এলাকার কাস্টমার সংগ্রহ করা। একইভাবে মান্নান এবং আনোয়ার ওরুফে ডাবলুর দায়িত্ব ছিল সিলেট এলাকার কাস্টমার সংগ্রহ করা। ফারুক এবং শহীদুল ইসলাম বাবুর দায়িত্ব ছিল ভৈরব ও কিশোরগঞ্জের কাস্টমার দেখাশোনা করা। জুয়েল এবং আব্দুর রহিমের দায়িত্ব ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও আখাউড়ার যাত্রী সংগ্রহ করা। এছাড়াও গ্রেফতারদের সবার বিরুদ্ধে টিকিট কালোবাজারির মামলা রয়েছে।
১৫ বছর ধরে টিকিট কালোবাজারি করেছে উত্তম:
কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, গ্রেফতার উত্তম প্রায় ১৫ বছর ধরে ট্রেনের টিকেট কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত। তিনি বিমানবন্দর রেলস্টেশনের টিকিট কালোবাজারি চক্র উত্তম সিন্ডিকেটের মূলহোতা। তার সহযোগী গ্রেফতার আলী ও ফারুকসহ রাজধানীর আশকোনা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় অবস্থান করে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করত। তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং এই সহানুভূতিকে কাজে লাগিয়ে রেলস্টেশন এলাকায় সবসময় অবস্থান করে টিকিট কালোবাজারি চক্র গড়ে তোলে।
উত্তমের বিরুদ্ধে টিকিট কালোবাজারির দায়ে চারটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তিনি বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করেছেন।পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও টিকিট কালোবাজারির কাজে লিপ্ত হন।
মন্তব্য করুন


আগামী ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা
বাংলাদেশে আসবেন এবং ৭ ডিসেম্বর থেকে গণকবরের শহীদদের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া শুরু করবেন।
আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) রায়েরবাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন কবরস্থানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবর জিয়ারত শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এ তথ্য জানান।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক
ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে রায়েরবাজারে অস্থায়ী মর্গ ও ক্যাম্প স্থাপন করে কার্যক্রম
পরিচালনা করা হবে।
এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে সিআইডি কাজ করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের সব জেলা ও মহানগরে দলটির নতুন আমিরের নাম ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের বৈঠকে নতুন আমিরদের নাম ঘোষণা করা হয়। ঢাকায় মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনিই নতুন আমিরদের নাম ঘোষণা করেছেন।
এ সময় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাড়ে ১৫ বছর ধরে আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে হাজারো প্রাণের বিনিময়ে দেশ স্বৈরশাসনের কবল থেকে মুক্তি লাভ করেছে। হাজার হাজার মানুষ আহত ও পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। এখনো চিকিৎসা চলা অবস্থায় অনেকের মৃত্যু হচ্ছে। তিনি হতাহতদের স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। পাশাপাশি আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার লক্ষ্যে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
জেলা ও মহানগরে আমির হলেন যারা :
পঞ্চগড়ে মো. ইকবাল হোসাইন, ঠাকুরগাঁওয়ে বেলাল উদ্দিন প্রধান, দিনাজপুরে আনিছুর রহমান, নীলফামারীতে আব্দুস সাত্তার, লালমনিরহাটে আবু তাহের, রংপুর মহানগরে মাওলানা এ টি এম আযম খান, রংপুর জেলায় মো. গোলাম রব্বানী, কুড়িগ্রামে মাওলানা মো. আবদুল মতিন ফারুকী, গাইবান্ধায় মো. আব্দুল করিম সরকার, জয়পুরহাটে ডা. ফজলুর রহমান সাইদ।
বগুড়া শহরে মাওলানা আবিদুর রহমান সোহেল, বগুড়া জেলায় মাওলানা আবদুল হক সরকার, সিরাজগঞ্জে মাওলানা মো. শাহিনুর আলম, পাবনায় মো. আবু তালেব মন্ডল, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাওলানা মো. আবুজর গিফারী, নওগাঁয় মো. আব্দুর রাকিব, রাজশাহী মহানগরে মো. কেরামত আলী, রাজশাহী জেলায় আবদুল খালেক, নাটোরে মীর নুরুল ইসলাম, মেহেরপুরে মো. তাজউদ্দীন খান, কুষ্টিয়ায় মো. আবুল হাশেম, চুয়াডাঙ্গায় মো. রুহুল আমিন।
ঝিনাইদহে আলী আজম মো. আবু বকর, যশোরে মো. গোলাম রছুল, মাগুরায় এম বি বাকের, নড়াইলে মো. আতাউর রহমান, বাগেরহাটে মাওলানা রেজাউল করিম, খুলনা মহানগরে মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, খুলনা জেলায় মাওলানা মুহা. এমরান হুসাইন, সাতক্ষীরায় শহীদুল ইসলাম।
বরগুনায় মাওলানা মো. মহিববুল্লাহ, পটুয়াখালীতে নাজমুল আহসান, ভোলায় মুহা. জাকির হোসেন, বরিশাল মহানগরে জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল জেলায় মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, ঝালকাঠিতে হাফিজুর রহমান, পিরোজপুরে তাফাজ্জল হোসাইন।
জামালপুরে মাওলানা আব্দুস সাত্তার, শেরপুরে মাওলানা হাফিজুর রহমান, ময়মনসিংহ মহানগরে মাওলানা কামরুল আহসান, ময়মনসিংহ জেলায় আবদুল করিম, নেত্রকোনায় ছাদেক আহমাদ।
কিশোরগঞ্জে মো. রমজান আলী, ঢাকা মহানগর উত্তরে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণে নূরুল ইসলাম বুলবুল, টাঙ্গাইলে আহসান হাবিব, মানিকগঞ্জে মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম, ঢাকা জেলায় মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন, গাজীপুর মহানগরে মুহা. জামাল উদদীন, গাজীপুর জেলায় মো. জাহাঙ্গীর আলম, মুন্সিগঞ্জে মাওলানা আ জ ম রুহুল কুদ্দুস, নারায়ণগঞ্জ মহানগরে মুহাম্মদ আবদুল জব্বার, নারায়ণগঞ্জ জেলায় মো. মমিনুল হক সরকার, নরসিংদীতে মাওলানা মো. মোছলেহুদ্দিন, রাজবাড়ীতে মো. নূরুল ইসলাম, ফরিদপুরে মাওলানা মুহাম্মদ বদরুদ্দীন, গোপালগঞ্জে রেজাউল করিম, মাদারীপুরে মাওলানা মোখলিসুর রহমান, শরীয়তপুরে মাওলানা আবদুর রব হাশেমী।
সুনামগঞ্জে মাওলানা তোফায়েল আহমদ খান, সিলেট মহানগরে মো. ফখরুল ইসলাম, সিলেট জেলায় মাওলানা হাবীবুর রহমান, মৌলভীবাজারে মো. শাহেদ আলী, হবিগঞ্জে মাওলানা মোখলিসুর রহমান।
চট্টগ্রাম মহানগরে শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তরে আলাউদ্দিন শিকদার, চট্টগ্রাম দক্ষিণে আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, কক্সবাজারে মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী, খাগড়াছড়িতে সৈয়দ মো. আব্দুল মোমেন, রাঙামাটিতে মোহাম্মদ আবদুল আলীম এবং বান্দরবানে এস এম আবদুছ
ছালাম আজাদ।
কুমিল্লা মহানগরে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, কুমিল্লা উত্তরে মো. আবদুল মতিন, কুমিল্লা দক্ষিণে মো. শাহজাহান, চাঁদপুরে মাওলানা বিলাল হোসেন মিয়াজী, ফেনীতে মুফতি আবদুল হান্নান, নোয়াখালীতে মো. ইছহাক খন্দকার, লক্ষ্মীপুরে রুহুল আমিন ভূঁইয়া।
মন্তব্য করুন