

কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ২৪ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় মাদক ট্যাপেন ট্যাডল ট্যাবলেট আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ গোলাবাড়ী পোষ্টের টহলদল সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালায়। অভিযানে সীমান্ত পিলার ২০৮১/৮-এস থেকে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কেরানীনগর এলাকায় চোরাচালানকৃত মাদকদ্রব্যগুলো জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, আটককৃত মাদকদ্রব্যের সংখ্যা ২,৪০০ পিস এবং বাজারমূল্য প্রায় ২৪ লাখ টাকা। এগুলো সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হচ্ছিল।
উল্লেখ্য, বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে, যা সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আটককৃত মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী জান্নাতুন নাঈম ফারিহার (২৩) মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনায় থানায় মামলা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে ফারিহার বাবা মো. হানিফ বাদী হয়ে হত্যার অভিযোগ এনে ৫ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দাখিল করেন। এতে ফারিহার স্বামী মেহেদী হাসান হৃদয়, বাবা আবদুর রহিম, মা আফরোজা বেগম, ননদ রীমা আক্তার ও তার স্বামী জাকারিয়াসহ ৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার। তিনি বলেন, ফারিয়ার বাবার অভিযোগ আপাতত আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে হত্যার আলামত আসলে তখন বিধি মোতাবেক মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে তদন্ত হবে।
ওসি জানান, ঘটনার পর থেকে ফারিহার স্বামীসহ অন্যরা পলাতক রয়েছে। তাকে আটক করতে পারলে ঘটনার রহস্যের জট খুলবে। পুলিশের অভিযান চলছে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ফারিহা ও হৃদয় একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক হয়। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার আবদুর রহিমের ছেলে মেহেদী হাসান হৃদয়ের সাথে ১৫ লাখ টাকার দেনমোহরে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিবাহের পর থেকে তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে। ফারিহা তার স্কুলশিক্ষক বাবার নিকট থেকে টাকা এনে দিতে না পারায় পরিবারে আরও কলহ দেখা দেয়। এ নিয়ে একাধিকবার তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফারিহার বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে আসামিরা হত্যার পর সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়ে ৯৯৯-এ কল করে পুলিশ ডেকে আনে। থানায় মরদেহ নেওয়ার পর আমাদের জানানো হয় ফারিয়া আত্মহত্যা করেছে। তিনি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানান।
এদিকে মেয়ে হারানোর শোকে এখনও আহাজারি করছেন ফারিহার মা। তাদের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, মেয়েকে হারিয়ে এখনো অনবরত কান্না করছেন তিনি।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি (মুন্সেফবাড়ি) এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামের একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ ফারিহার মরদেহ উদ্ধার করে। ফারিহা কুমিল্লা সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আজ
কুমিল্লায় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী বাজার পরিস্থিতি ও সরবরাহ চেইন তদারক
ও পর্যালোচনার জন্য জেলা পর্যায়ে গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
বিকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে অংশগ্রহণ করেন জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ক্যাবের প্রতিনিধি এবং জেলা পুলিশের একটি টিম।
মন্তব্য করুন


এক্সিম ব্যাংক ৩৫তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে কুমিল্লা জেলা হ্যান্ডবল দল।
সোমবার (৩ জুন) এক্সিম ব্যাংক ৩৫তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা-২০২৩ এর উদ্বোধন হবে ঢাকায়।
১২ সদস্যের কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দল রবিবার কুমিল্লা থেকে ঢাকার উদ্দ্যেশে যাত্রা করে।
রবিবার সকালে কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দলকে বিদায় জানান কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাদক্ষ আল আমিন ভূইয়া ও সদস্য দেলোয়ার হোসেন জাকির।
নারী হ্যান্ডবল দলকে শুভেচ্ছা জানান, নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন, তিনি শৃংখলার সাথে খেলায় অংশ নিয়ে নিজেদের ও কুমিল্লা জেলার সুনাম বয়ে আনতে মনোযোগী হতে বলেন।
কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দলের ম্যানেজার হিসেবে রয়েছেন রোকসানা বেগম ও কোচ আলমগীর আলম রাজু।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের (১০ বিজিবি) বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ২৫ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় বিভিন্ন প্রকারের ২৫,৮০০ পিস বাজি জব্দ করেছেন।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ কটকবাজার পোস্টের বিশেষ টহলদল, হাবিলদার মোঃ মাহাবুবুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করে।
অভিযানে, সীমান্ত পিলার ২১০০/২-এস থেকে প্রায় ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কেকে নগর নামক স্থান থেকে ভারত থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা এই বিপুল পরিমাণ বাজি জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার:
ভাই-বোনের
সম্পর্ককে মজবুত করতে রাখইর থালায় রাখি, মিষ্টি, প্রদীপ, সিঁদুর, লাল সুতো, ধান ও দূর্বা
দিয়ে সাজিয়ে বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান রাখি বন্ধন উৎসব পালিত হয়।
সোমবার
(১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরীতেও জেলা ঐক্য পরিষদ
নেতা এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এর একমাত্র মেয়ে অর্পিতা সরকার এভাবেই রাখি বন্ধনের
মাধ্যমে তাঁর ছোট ভাই অরন্য সরকার প্রিন্স এর দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করেন। তদ্রুপ
ভাইও বোনের রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। ঐদিন পরিবারের সকলে একত্রে মিলিত হয়ে
বিশেষ খাবার দাবার ও উপহার এর ব্যবস্থা করা হয় এবং সকলে মিলে আনন্দ ফুর্তিতে মেতে ওঠে।
এই বিশেষ দিনে পরিবেশে “যম” তত্ত্ব বেশি থাকে, এতে ভাইয়ের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে
কিন্তু রাখি বন্ধনের ফলে তা দূর হয়ে যায়।
জানা
যায়- রাখি বন্ধন বা রাখি পূর্ণিমা উৎসবটি ভাই-বোনদের পবিত্র সম্পর্কের এক নিবিড় উদযাপন।
রাখি পূর্ণিমার ঠিক পাঁচদিন আগে ঝুলন পূর্ণিমা শুরু হয় এবং রাখি পূর্ণিমার সাতদিন পর
জন্মাষ্টমী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর শ্রীকৃষ্ণের এই দুই লীলার মাঝে শ্রাবণ মাসের
পূর্ণিমা তিথিতে রাখি পূর্ণিমা অনুষ্ঠিত হয় বলে এর আরেক নাম শ্রাবণী পূর্ণিমা। এই দিনটির
জন্য প্রত্যেক ভাইবোন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে। বোন ভাইয়ের হাতে রাখি পরিয়ে দেয়
আর ভাই বোনকে রক্ষার অঙ্গীকার বদ্ধ হয়। এই ভাবেই এই অনুষ্ঠিত যুগের পর যুগ ধরে পালিত
হয়ে আসছে। রাখি বন্ধন মূলত বিহারী সংস্কৃতি হলেও পরবর্তীকালে এই অনুষ্ঠান বাঙালি সংস্কৃতির
সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে পরে।
মন্তব্য করুন


মো. মিজানুর রহমান মিনু :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচল নিষিদ্ধ সিএনজি অটো-রিকসা, থ্রি-হুইলার ও অযান্ত্রিক যানবাহনের বিরুদ্ধে হাইওয়ে পুলিশের নিয়মিত অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উদ্যোগে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন, মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম লোকমান হোসাইন। এ সময় থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক, সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শকবৃন্দ সহ পুলিশের পৃথক দু’টি টিম। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত মিয়াবাজার হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার ও মিয়াবাজার এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে সিএনজি অটো-রিকসা, থ্রি-হুইলার সহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আটক করে। এ সময় আটককৃত গাড়ীগুলোর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লা সদর দক্ষিণে জমিজমা নিয়ে বিরোধের
জের ধরে মোঃ গিয়াস উদ্দিন ও মোঃ জামাল হোসেন নামের দুই চাচাতো জ্যেঠাতো ভাইকে ধারালো
দা, ছেনী ও হকিস্টিক দ্বারা কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৭ জনকে যাবজ্জীবন
কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। সেই সাথে প্রত্যককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড
এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামী প্রত্যেককে অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
প্রদান করেন।
সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায়
কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ
রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কুমিল্লা
সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরী গ্রামের মোঃ হাজী আতর আলীর ছেলে তোফায়েল আহমেদ তোতা,
মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে কামাল হোসেন, হাজী আব্দুর রহিমের ছেলে আলমগীর হোসেন, মোঃ ফরিদ
উদ্দিনের ছেলে মোঃ মামুন, মৃত আনোয়ার আলীর ছেলে মোঃ বাবুল ও মৃত আনোয়ার আলীর হারুনুর
রশিদ।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা
হলেন- কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরীর মৃত জুনাব আলীর ছেলে হায়দার আলী, হাজী
আব্দুর রহিমের ছেলে আঃ মান্নান, মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে জামাল হোসেন, মৃত আঃ খালেক
এর ছেলে আবুল বাশার, মৃত আঃ রশিদ এর ছেলে জাকির হোসেন, মৃত আঃ খালেক এর ছেলে আব্দুল
কাদের ও মৃত ইউসুফ মিয়া'র ছেলে আব্দুল কুদ্দুস।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞ জেলা পিপি
এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্র পক্ষে
নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম ও অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট
মোঃ মজিবুর রহমান বাহার এবং বাদীপক্ষে প্রাইভেট ল'ইয়ার এডভোকেট মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন
আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।
মন্তব্য করুন


অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস
ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে জেলা আইনজীবী
সমিতি ভবনের দ্বিতীয় তলায় সকাল ১১টায় ক্যাটাগরিতে আইনজীবীদের সন্তানদের চিত্রাঙ্কন
প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন, কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেলাল উদ্দিন।
কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র
সহ-সভাপতি এডভোকেট মোঃ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে রিক্রিয়েশন, কালচারাল এন্ড সোশ্যাল
ওয়েলফেয়ার সেক্রেটারি এডভোকেট কাজী আবদুল কাইয়ুম মিন্টু'র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম, জেলা আইনজীবী সমিতির
সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ আবু তাহের। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা
জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট কাজী নাজমুস সা'দাত, আসন্ন জেলা আইনজীবী
সমিতির নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন ও এডভোকেট মোঃ
কামরুল হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া ও এডভোকেট
খন্দকার মোঃ মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন পদে পদপ্রার্থী আইনজীবীরা। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন,
কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দসহ আইনজীবীদের সন্তানসন্ততিরা।
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা শেষে প্রতিযোগিতায়
অংশগ্রহণকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা
ও দায়রা জজ মোঃ হেলাল উদ্দিন এবং বিশেষ অতিথি জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম
ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ আবু তাহের প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মোঃ হেলাল উদ্দিন
বলেন- এধরনের অনুষ্ঠান দেখে সত্যি আমি অভিভূত। আমি আশাবাদী এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত
থাকবে। এরফলে আইনজীবীদের সন্তানদের সুন্দর মনমানসিকতা গড়ে ওঠবে।
এদিকে, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
করতে প্রভাত ফেরিতে সামিল হলেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির শতাধিক আইনজীবী। এরপর
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী
সমিতি ও বিজ্ঞ আইন কর্মকর্তারাসহ অন্যান্য আইনজীবীরা। এরআগে কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে
নির্মিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যূরালে ফুলেল শুভেচছা জানান কুমিল্লার
বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেলাল উদ্দিনসহ কুমিল্লা জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসির
অন্যান্য বিজ্ঞ বিচারক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং জেলা আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞ আইনজীবীগণ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্যতম ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ।
গত
১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে র্যাবের অভিযানে মাদারীপুর জেলার সদর থানাধীন শহরস্থ হোটেল সার্বিক
ইন্টারন্যাশনাল এর সামনে অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িত অন্যতম আসামী
মোঃ আব্দুল হাকিম জোমাদ্দার (৪৮), পিতা-মৃত ইউসুফ জোমাদ্দার, সাং-মহেশপুর, থানা-বাকেরগঞ্জ,
জেলা-বরিশাল’কে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব
জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে
তথ্য প্রদান করে। গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার
চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য,
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি মামলা সহ মোট ১০ টি মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় আইজিপি কাপ ও চট্ট্রগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের আয়োজনে ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় কুমিল্লা জিমনেসিয়ামে কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুমিল্লা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার)।
কাবাডি প্রতিযোগিতায় চট্ট্রগ্রাম বিভাগের ৮টি জেলা পুলিশ দল অংশ নিচ্ছে। দুটি গ্রুপে লীগ পর্যায়ে খেলবে।
গ্রুপ-ক দলে কুমিল্লা জেলা, চাঁদপুর খাগড়াছড়ি ও লক্ষীপুর জেলা দল। গ্রুপ-খ দলে বান্দরবান জেলা, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও আর আর এফ চট্ট্রগ্রাম।
১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুর ৩ টায় কাবাডি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন করা হবে।
উদ্বোধনী খেলায় ৫০/১৫ পয়েন্টে চাঁদপুর জেলাকে হারায় কুমিল্লা জেলা।
কুমিল্লায় আইজিপি কাপ ও চট্ট্রগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার মংনে খোয়াই মারমা।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, মতিউল ইসলাম, কামরান হোসেন, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন জাকির।
মন্তব্য করুন