

কক্সবাজারের
মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নে এক প্রবাসীর বাড়িতে সংঘটিত দুর্ধর্ষ ডাকাতির
ঘটনায় মা ও তার স্কুলছাত্রী কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান
চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে ভুক্তভোগীরা শনাক্ত করেছেন বলে
জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার
(৮ জুন) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার সিকদারপাড়া ডলুনিঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মাতামুহুরী
তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মোহাম্মদ মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো
এলাকা ঘিরে ফেলে। মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে ছয়জনকে
গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা
হলেন, রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন ওরফে বাবু (২৩), কেফায়েত হোসেন ওরফে পুইত্যা
(২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), মেহেদী হাসান (২৪) এবং মোহাম্মদ তারেক (২৬)।
পুলিশ
পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদ জানান, খবর পেয়ে মাতামুহুরী তদন্ত কেন্দ্র ও চকরিয়া থানা পুলিশের
একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মা ও মেয়েকে উদ্ধার
করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি
হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে
(ওসিসি) ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়রা
জানান, ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল গভীর রাতে বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে
প্রবেশ করে। পরে তারা ঘরের মূল দরজা খুলে অন্য সদস্যদের ঢুকতে সহায়তা করে। ডাকাতরা
পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান মালামাল
লুট করে নেয়। একপর্যায়ে বাড়িতে থাকা এক নারী ও তার দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত কন্যাকে সংঘবদ্ধভাবে
ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী
স্কুলছাত্রীর মামা সাইদুল ইসলাম মারুফ বলেন, “আমার ভাগ্নির শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে চিকিৎসকরা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।”
স্থানীয় বাসিন্দা মো. রকিব জানান, ডাকাতরা প্রথমে গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে এবং পরে
অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাট চালায়। এরপর তারা পরিবারের সদস্যদের ওপর পাশবিক নির্যাতন
চালিয়ে পালিয়ে যায়।
সহকারী
পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাস বলেন, “প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে একদল ব্যক্তি বাড়িতে
প্রবেশ করে ডাকাতি সংঘটিত করে এবং ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান
শুরু করে। এ পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত
রয়েছে।”
চকরিয়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ
চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীদের
ডাক্তারি পরীক্ষা, চিকিৎসা ও অন্যান্য আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলা দায়েরের কার্যক্রম
এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।
এদিকে, জড়িতদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একই
সঙ্গে এলাকায় পুলিশি টহল বৃদ্ধি, রাতের নিরাপত্তা জোরদার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে
বিশেষ অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নে এক প্রবাসীর বাড়িতে সংঘটিত দুর্ধর্ষ ডাকাতির
ঘটনায় মা ও তার স্কুলছাত্রী কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান
চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে ভুক্তভোগীরা শনাক্ত করেছেন বলে
জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার
(৮ জুন) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার সিকদারপাড়া ডলুনিঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মাতামুহুরী
তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মোহাম্মদ মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো
এলাকা ঘিরে ফেলে। মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে ছয়জনকে
গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা
হলেন, রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন ওরফে বাবু (২৩), কেফায়েত হোসেন ওরফে পুইত্যা
(২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), মেহেদী হাসান (২৪) এবং মোহাম্মদ তারেক (২৬)।
পুলিশ
পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদ জানান, খবর পেয়ে মাতামুহুরী তদন্ত কেন্দ্র ও চকরিয়া থানা পুলিশের
একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মা ও মেয়েকে উদ্ধার
করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি
হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে
(ওসিসি) ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়রা
জানান, ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল গভীর রাতে বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে
প্রবেশ করে। পরে তারা ঘরের মূল দরজা খুলে অন্য সদস্যদের ঢুকতে সহায়তা করে। ডাকাতরা
পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান মালামাল
লুট করে নেয়। একপর্যায়ে বাড়িতে থাকা এক নারী ও তার দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত কন্যাকে সংঘবদ্ধভাবে
ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী
স্কুলছাত্রীর মামা সাইদুল ইসলাম মারুফ বলেন, “আমার ভাগ্নির শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে চিকিৎসকরা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।”
স্থানীয় বাসিন্দা মো. রকিব জানান, ডাকাতরা প্রথমে গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে এবং পরে
অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাট চালায়। এরপর তারা পরিবারের সদস্যদের ওপর পাশবিক নির্যাতন
চালিয়ে পালিয়ে যায়।
সহকারী
পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাস বলেন, “প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে একদল ব্যক্তি বাড়িতে
প্রবেশ করে ডাকাতি সংঘটিত করে এবং ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান
শুরু করে। এ পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত
রয়েছে।”
চকরিয়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ
চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীদের
ডাক্তারি পরীক্ষা, চিকিৎসা ও অন্যান্য আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলা দায়েরের কার্যক্রম
এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।
এদিকে, জড়িতদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একই
সঙ্গে এলাকায় পুলিশি টহল বৃদ্ধি, রাতের নিরাপত্তা জোরদার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে
বিশেষ অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জের
কামারখন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মনকে খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলা কৃষি
কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা করা হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার কৃষকদের মাঝে ভেজাল সার বিতরণের
ঘটনায় আলোচনায় আসেন এই কর্মকর্তা।
সোমবার
(২৯ জুন) সকালে বিষয়টি তাকে বদলির নিশ্চিত করেছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের
উপপরিচালক এ কে এম মনজুরে মাওলা।
এর
আগে রোববার এক অফিস আদেশে রতন চন্দ্র বর্মনকে খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা
হিসেবে বদলির আদেশ জারি করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম।
অফিস
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কামারখন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মনকে আগামী
১লা জুলাইয়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল হতে অবমুক্ত হয়ে বদলি করা কর্মস্থলে যোগদান করতে
হবে অন্যথায় ২ জুলাই থেকে তিনি স্ট্যান্ড রিলিজ বলে গণ্য হবেন।’
গত
বুধবার প্রধানমন্ত্রীর ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের
কামারখন্দে গাছের চারা ও সার বিতরণে জৈব সারের পরিবর্তে পলিথিন মেশানো মাটি, ময়লা-আবর্জনা
বিতরণের অভিযোগ তোলেন কৃষকরা। এই ঘটনায়, ‘২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পলিথিন মেশানো
ভেজাল সার বিতরণ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে ইত্তেফাক
অনলাইন।
পরদিন
বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জহুরুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট
তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের
অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) আনোয়ার সাদাত, সদর উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মেরাজ হোসেন
মিসবাহ। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বেধে দেয়
জেলা প্রশাসন।
মন্তব্য করুন


আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ স্বাক্ষরিত
এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম
অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে
অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
রোববার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ
নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রশিক্ষণার্থীদের
সঙ্গে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শিক্ষা, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিকভাবে
পার্বত্য অঞ্চলকে এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সম্পদে
পরিপূর্ণ পার্বত্য জেলাগুলো বাংলাদেশের সবচাইতে উন্নত অঞ্চল হতে পারতো, কিন্তু সবচেয়ে
পেছনে পড়ে আছে। এটা হওয়ার কথা না। আপনাদের ফসল, ফল-ফলাদি, ঐতিহ্যবাহী পণ্য দিয়ে অর্থনীতিতে
আপনাদের এগিয়ে যাওয়ার কথা। পার্বত্য এলাকাগুলো দুর্গম, সেজন্য যোগাযোগ করা কঠিন হয়।
আর এ কারণেই সেখানে প্রযুক্তির প্রসার দরকার। প্রযুক্তি দিয়ে এই দূরত্ব জয় করা যাবে।
পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও
সদস্যবৃন্দের জন্য আয়োজিত 'পার্বত্য জেলা পরিষদ ব্যবস্থাপনা' শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
রাজধানীর পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ
দিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
নারী ফুটবল টিমে পার্বত্য জেলা থেকে
আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৈঠকের স্মৃতিচারণ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের মেয়েরা ফুটবলে বিশ্বের
অন্যান্য দেশের টিমকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান হয়েছে। আপনাদের এলাকার মেয়েরা কী দুর্দান্ত
খেলল! কীভাবে বলবেন পিছিয়ে আছে? যারা আপনাদের এলাকা থেকে এসেছে তাদের সাথে আমি কথা
বলেছি। কী কঠিন পরিস্থিতি! কত কষ্ট করে পাহাড় ভেঙে বাড়িতে পৌঁছাতে হয়! বাবা মা ঢাকায়
আসলে কত কষ্ট করে তাদের আসতে হয়। এই প্রতিকূলতার মধ্যেই কিন্তু তারা বিশ্বজয় করে এসেছে।’
পার্বত্য এলাকার তরুণরা যেন বিশ্ব নাগরিক
হয়ে গড়ে ওঠে এ আশাবাদ ব্যক্ত করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আপনাদের মেয়েরা ফুটবলে বিশ্বজয়
এনে দিয়েছে। তরুণরা শুধু বাংলাদেশের নাগরিক না, বিশ্ব নাগরিক হতে হবে। দুর্গম এলাকা
বলে পিছিয়ে থাকলে হবে না। সীমাবদ্ধতা থাকবে, কিন্তু মনের সীমারেখাকে বাড়িয়ে দিতে হবে।
সারা দুনিয়ার মানুষের কাছে নিজ কৃতিত্ব দিয়ে পৌঁছে যেতে হবে।’ জানুয়ারিতে তারুণ্যের উৎসবে পার্বত্য
অঞ্চলের তরুণদের অংশ নেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, আপনাদের শিশুদের, তরুণদের
এ উৎসবে যোগ দিতে উৎসাহ দিন। স্থানীয় খেলা হোক, রচনা প্রতিযোগিতা, গান-নাচ তারা যা
পারে, যা চায় তা নিয়ে যেন অংশ নেয়। এটা সবার উৎসব। উৎসবটি বৈচিত্রময় হোক। সরকারি নির্দেশ
তাই অংশ নেবে এরকম না। তাদেরকে আপনারা উৎসাহ দিন, যেন নিজ থেকেই তারা উদ্যমী হয়ে এ
উৎসবে অংশ নেয়।
পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার
সংস্কার ও সঠিক পদ্ধতি, প্রশিক্ষণের গুরুত্ব নিয়েও কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি
আরও বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এক কঠিন সংকটে আছে। আপনাদের অঞ্চলে এটা আরও বেশি কঠিন।
শিক্ষকদের কষ্ট হয়, ছাত্র-ছাত্রীদের কষ্ট হয়। আপনাদের পড়াশোনার দিকে মনোযোগী হতে হবে।
আমরাও চেষ্টা করব রাষ্ট্রীয় দিক থেকে কীভাবে কী করা যায়। পার্বত্য জেলার তরুণরা দুর্গম
অঞ্চলে আছে বলে বড় শহর থেকে লেখাপড়ায় পিছিয়ে থাকবে সেটা হতে দেওয়া যাবে না। লেখাপড়ায়
তাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
লাকসামে সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে এবং অবিকল ছাপা অক্ষরের মতো করে নিজ হাতে পবিত্র কুরআন মাজিদ লিখে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন সুরাইয়া জান্নাত নামের এক শিক্ষার্থী। তিনি
লাকসাম উপজেলার কান্দিরপাড় ইউনিয়নের চাঁদগাঁও গ্রামের সৌদি প্রবাসী নুর হোসেন লিটন ও জান্নাতুল ফেরদৌস
দম্পতির মেয়ে এবং মুদাফরগঞ্জ এ.ইউ ফাজিল
ডিগ্রি মাদ্রাসার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। মাত্র আট মাসের চেষ্টায়
১১৪টি সূরা সংবলিত ৩০ পারার এই
কুরআন মাজিদ হাতে লিখে শেষ করেছেন তিনি।
সুরাইয়া
জানান, সমবয়সীরা যখন মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
অযথা সময় নষ্ট করে, তখন তিনি সেই সময়টি পবিত্র কুরআন লেখার কাজে ব্যয় করেছেন। মাদ্রাসার নিয়মিত ক্লাস ও পড়াশোনার ফাঁকে
ফাঁকে তিনি এই কাজ করতেন।
২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে
লেখা শুরু করে আগস্ট মাসের শেষের দিকে তিনি পুরো কুরআন মাজিদের অনুলিপি সম্পন্ন করেন। এই দীর্ঘ সময়ে
তিনি প্রায় ৫৫টি কলম ব্যবহার করেছেন এবং মোট ১ হাজার ১২৯
পৃষ্ঠায় পুরো কুরআন লিপিবদ্ধ করেছেন। সুরাইয়া জানান, পবিত্রতা বজায় রাখতে লেখার আগে তিনি সবসময় অজু করে নিতেন এবং নবীজির (সা.) ওপর দরূদ পাঠ করে লেখা শুরু করতেন।
কুরআন
লেখার পেছনে অনুপ্রেরণা সম্পর্কে এই শিক্ষার্থী বলেন,
মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও রাসুলের (সা.)
শাফায়াত লাভের পবিত্র উদ্দেশ্যেই তিনি এই কষ্টসাধ্য কাজটি
করেছেন। তার ছোট ভাই আবেদনগর দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্র নাহিদ হাসান তাকে এই কাজে সার্বক্ষণিক
উৎসাহ জুগিয়েছে। ভবিষ্যতে হাদিসের বিখ্যাত গ্রন্থ 'সহিহ বুখারি'ও নিজ হাতে
লেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন সুরাইয়া। পাশাপাশি তিনি গরিব-দুঃখী ও অসহায় মানুষের
কল্যাণেও কাজ করতে চান।
মেয়ের
এমন বিরল কীর্তিতে মা জান্নাতুল ফেরদৌস
উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানান, ছোটবেলা থেকেই সুরাইয়ার আরবি ভাষা ও লেখার প্রতি
বিশেষ ঝোঁক ছিল। মেয়ের এই মহৎ কাজে
খুশি হয়ে প্রবাসী বাবা নুর হোসেন লিটন তাকে এক লাখ টাকা
পুরস্কার দিয়েছেন।
এদিকে
লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নার্গিস সুলতানা সুরাইয়ার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, বয়সের এই উত্তাল সময়ে
নিজ হাতে সম্পূর্ণ কুরআন সম্পন্ন করা একটি অসাধারণ দৃষ্টান্ত এবং তার হাতের লেখাও একেবারে ছাপা অক্ষরের মতো। ইতিমধ্যেই স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের উপস্থিতিতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুরাইয়া জান্নাতকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চলমান বন্যায় দেশে ১১ জেলায়িই হয়েছে। এ ছাড়াও ৫৬ লাখ ৩৭৫ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে
চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা ফারুক ই আজম এ তথ্য জানান।
ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, এখন
পর্যন্ত বন্যা আক্রান্ত জেলার সংখ্যা ১১টিই আছে। ১১ জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা
৫৬ লাখ ১৯ হাজার ৩৭৫ জন। পানিবন্দি পরিবার ১২ লাখ ৭ হাজার ৪২৯টি। এখন পর্যন্ত বন্যায়
মোট ২৭ জন মারা গেছে। এর মধ্যে কুমিল্লায় ১০ জন, ফেনীতে একজন, চট্টগ্রামে ৫ জন, খাগড়াছড়িতে
একজন, নোয়াখালীতে ৫ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া একজন, লক্ষ্মীপুরে একজন এবং কক্সবাজারে তিনজন
মারা গেছেন।
মন্তব্য করুন


মেহেরপুরে
পাবজি ও ফ্রি ফায়ার গেম খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুকে হত্যার দায়ে দুই কিশোরকে ১০ ও ৭
বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অর্থদণ্ড আদায়ে তাদের পরিবারের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে নিহতের পরিবারকে
দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার
(৬ আগস্ট) দুপুরে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলী মাসুদ
শেখ এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- গাংনী উপজেলার মিনাপাড়া গ্রামের মিরাজুল ইসলামের
ছেলে মোস্তফা আল মুজাহিদ (১৫) এবং সাবেক ইউপি সদস্য নুহু নবীর ছেলে জুনায়েদ ইসলাম হামিম
(১৪)। রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন রায় বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন।
মামলার
এজহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে ২৬ জুন বিকালে রেজোয়ান আল আবির তার দুই বন্ধু মুজাহিদ
ও হামিম তার বাড়িতে ডেকে নেয়। পরে রেজোয়ান আল আবির তার মায়ের ব্যবহৃত মুঠোফোন সঙ্গে
নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি থেকে বের হয়ে। সন্ধ্যায় ওই ফোন থেকে আবিরের
বাবা মালয়েশিয়া প্রবাসী আসাদুজ্জামানের কাছে ইমু নাম্বার থেকে হিন্দি ভাষায় এক লাখ
টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না পেয়ে তার ছেলেকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেয় হত্যাকারী
দুই কিশোর বন্ধু।
বিষয়টি
দ্রুত আবিরের বাবা পরিবারকে মুঠোফোনে জানায়। জানানো হয় পুলিশকেও। ঘটনাস্থলে দ্রুত পুলিশ
গিয়ে আবিরের দুই বন্ধু মুজাহিদ ও হামিমকে হেফাজতে নেয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা
পাবজি ও ফ্রি ফায়ার গেম খেলা নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কথা স্বীকার করে। পরে তারা
আবিরকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশকে জানায়। রাতেই মানিকদিয়া বালিয়া গাড়ির মাঠ থেকে
আবিরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ
ঘটনার নিহতের মা রোজিনা খাতুন ওই দিন রাতেই গাংনী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত নিহত আবিরের দুই বন্ধু মুজাহিদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড
ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা আর হামিমকে ৭ বছরের জেল ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেন।
রায়ে
আরও বলা হয়েছে, দণ্ডপ্রাপ্তদের পরিবারের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে
জরিমানা আদায় সাপেক্ষে সেই অর্থ নিহতের পরিবারকে প্রদান করতে জেলা প্রশাসককে প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে যৌতুকবিহীন ৭২টি বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
বিয়ে পরিচালনা করেন ভারতের মাওলানা জুহাইরুল হাসান।
বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও বিশ্ব ইজতেমায় যৌতুকবিহীন বিয়ের আয়োজন করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বায়নের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শুরায়ে নিজাম অনুসারীদের বিশ্ব ইজতেমা।আজ বাদ আসর ৭২টি বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।
প্রতিবছর বিশ্ব ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতের আগের দিন যৌতুকবিহীন বিয়ের আয়োজন করা হয়। এ বছরও বিয়ের আয়োজন করা হয়।
এবার ১৪২ জন নারী-পুরুষের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
আগামী রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে শুরায়ে নিজাম অনুসারীদের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব।
মন্তব্য করুন


যশোরের
শার্শা উপজেলার একটি ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক (সুপার) এর বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে
দীর্ঘদিন ধরে কু-প্রস্তাব দেওয়াসহ হুমকির অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার
(২ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক।
এ
ঘটনায় বুধবার (১ জুলাই) ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ
করেন।
অভিযোগে
উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার সামটা ছিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে
একই প্রতিষ্ঠানের সুপার মমিনুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি
নিয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রী ভয়ে দীর্ঘদিন পরিবারের কাছে বলতে পারেনি। পরে অভিযুক্তের আচরণ
অসহনীয় হয়ে উঠলে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান।
এতে
আরও বলা হয়, অভিযুক্তের প্রস্তাবে রাজি না হলে পরীক্ষায় অংশ নিতে না দেওয়া, বিভিন্নভাবে
ক্ষতি করার হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। এমনকি ১৮ জুন রাতে অভিযুক্ত বাড়িতে গিয়ে
ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে তিনি জোরপূর্বক ঘরে
প্রবেশের চেষ্টা এবং ছাত্রীর হাত ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলেও অভিযোগ করেন।
এরপর
২৯ জুন অভিযুক্ত মাদরাসা সুপার ছাত্রীর বাবার হাতে টিসি (স্থানান্তর সনদ) দিয়ে তার
মেয়ের নাম প্রতিষ্ঠান থেকে কেটে দেওয়া হয়েছে বলে জানান। বর্তমানে ভুক্তভোগী ছাত্রী
ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা
জানায়, এর আগেও একই সুপারের বিরুদ্ধে নিজ প্রতিষ্ঠানের দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ
নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত
হয়। এতে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। নতুন করে থানায় লিখিত অভিযোগ করায় বিষয়টি
আবারও আলোচনায় এসেছে।
শার্শা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।
বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের দাউদকান্দির টামটা এলাকায় একটি অদ্ভুত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৬
আগস্ট) সকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়া একটি মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেকটি
মাইক্রোবাস বাসের চাপে খাদের কিনারে পড়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, প্রথম মাইক্রোবাসটি খাদে পড়ার পর পেছনের মাইক্রোবাসের চালক ভিডিও করার চেষ্টা
করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে একটি যাত্রীবাহী বাস ধাক্কা দিলে দ্বিতীয় মাইক্রোবাসটিও
দুর্ঘটনার শিকার হয়। তবে গাড়িতে যাত্রী না থাকায় বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, চালকদের অসাবধানতার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং গাড়ি দুটি
উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন