

৪৬তম
বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ৯ মার্চ (শনিবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত
অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার
(১৮ জানুয়ারি) পিএসসি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পরীক্ষা
নিয়ন্ত্রক আনন্দ কুমার বিশ্বাসের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২৩
এর প্রিলিমিনারি যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক আগামী ৯ মার্চ (শনিবার) সকাল ১০টা
থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও
ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার হল, আসন ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট
গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাসমূহ যথাসময়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে
এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
৪৬তম
বিসিএসে মোট পদ ৩ হাজার ১৪০টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে।
এর পরপরই সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে।
২৩
সালের ১০ ডিসেম্বর থেকে ৪৬তম বিসিএসের আবেদন শুরু হয়। এ বিসিএসে ৩ লাখ ৩৮ হাজার আবেদন
জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


গ্যাস পাইপ লাইনের জরুরি
কাজের জন্য আগামীকাল সোমবার (১ এপ্রিল) আশুলিয়ার কিছু এলাকায় ১২ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ
বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
রোববার (৩১ মার্চ) তিতাস
থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়,
সোমবার (১ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মোট ১২ ঘণ্টা আশুলিয়ার কাঠগড়া,
আমতলাসহ জিরাবো-বিশমাইল সড়কের দুই পাশে সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেছে।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের
সোনারগাঁয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে চলার পথে উত্ত্যক্ত ও লাথি মারার ভিডিও সামাজিকযোগাযোগ
মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। স্কুল চলাকালীন বাইরে ঘোরাফেরা করায় ওই ছাত্রীসহ দুজনকে টিসি
দিয়ে বের করে দিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এক
মাস আগের ওই ঘটনার ভিডিও গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্ত বখাটের যথাযথ শাস্তির দাবি তোলেন জনতা। নির্যাতনের শিকার স্কুলছাত্রী
ও বখাটে কিশোরের বাড়ি সোনারগাঁর কাঁচপুর ইউনিয়নে।
খোঁজ
নিয়ে জানা গেছে, এক মাস আগে কাঁচপুরের একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ ও সপ্তম শ্রেণির দুই
ছাত্রী শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের ওয়াকওয়ের পাশে
হাঁটছিল। এ সময় বখাটে এক কিশোর পেছন থেকে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে পরপর দুইবার লাথি
মারে। ছেলেটির সঙ্গে থাকা কেউ একজন সেটি মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করে। গত বৃহস্পতিবার সেটি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়।
এদিকে
এ ঘটনায় অভিযুক্ত ওই কিশোরকে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে কান ধরে উঠবস করানোর আরেকটি
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ওই ছেলেকে বলতে শোনা যায়, ‘একটি মেয়েকে আমি লাথি মেরেছি, সেই
ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেজন্য আমি মাফ চাচ্ছি। এই ভুল আমার দ্বারা আর হবে না, আমি কাঁচপুর
ছেড়ে চলে যাচ্ছি।’
এ
বিষয়ে স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, ‘আমার মেয়েকে লাথি মারার ভাইরাল ভিডিওটি আরও এক মাস
আগের। স্কুল চলাকালীন বাইরে ঘোরাফেরা করায় স্কুলের স্যাররা বিচার করে আমার মেয়েকে টিসি
দিয়ে বের করে দিয়েছে। তবে বখাটে ছেলের কী বিচার করেছে তা আমার জানা নেই।’
তিনি
বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। অল্প উপার্জনে কর্ম করে খাই। এখন এই স্কুলে পড়তে পারবে না।
মেয়েকে অন্য স্কুলে ভর্তি করতে হবে।’
কাঁচপুরের
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিন সরকারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,
স্কুল কমিটির সিদ্ধান্তে ওই দুই ছাত্রীকে টিসি দেওয়া হয়েছে। যেহেতু ঘটনাটি স্কুলের
বাইরে তাই স্থানীয় লোকজন ছেলে ও ছাত্রীদের বিচার করেছে।
সোনারগাঁও
থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, ভাইরাল ভিডিও আমাদের নজরে এসেছে। তবে পরিবারের
পক্ষ থেকে কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।
মন্তব্য করুন


ভারতের
গুজরাটের মেহসানায় এক চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে সামনে এসেছে রোমহর্ষক তথ্য। স্ত্রী ও
শিশুকন্যাকে হত্যার পর নিজ ঘরেই মাটিচাপা দিয়ে সাত মাস একই বাড়িতে বসবাস করেন এক ব্যক্তি।
পরে আত্মহত্যার আগে লেখা চিঠি থেকেই ফাঁস হয় পুরো ঘটনা।
চলতি
মাসের ৪ মে মেহসানা জেলার একটি সরকারি হাসপাতালের ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেন গিরিশ
নামের এক ব্যক্তি। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ তার পকেট থেকে একটি চিঠি উদ্ধার করে।
চিঠিতে
গিরিশ স্বীকার করেন, প্রায় সাত মাস আগে তিনি তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা এবং দুই বছর বয়সী
মেয়ে পরীকে হত্যা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, তাদের মরদেহ নিজের বাড়িতেই পুঁতে রেখেছেন।
পরদিন
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ গিরিশের বাড়িতে গিয়ে নির্দিষ্ট স্থান খুঁড়ে
মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে। প্রায় চার ফুট গভীর থেকে হাড়ের নমুনা সংগ্রহ করা হয়,
যা বিশ্লেষণে প্রিয়াঙ্কা ও তার মেয়ে পরীর বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।
পুলিশ
জানায়, হত্যার পর গিরিশ মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে তার ওপর সিমেন্টের প্লাস্টার করে দেয়।
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয়, তিনি তার আরেক কন্যাকে নিয়ে একই বাড়িতে সাত মাস বসবাস করেছেন।
এমনকি যেখানে মরদেহ পুঁতে রাখা হয়েছিল, সেখানেই বসে নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া করতেন।
গিরিশের
বয়স ছিল ৩০ বছর এবং প্রিয়াঙ্কার বয়স ২৯ বছর। তারা একসময় সহপাঠী ছিলেন এবং পরে আদালতের
মাধ্যমে বিয়ে করেন। শুরুতে পরিবারের আপত্তি থাকলেও পরে তা মেনে নেওয়া হয়।
গিরিশ
একটি কারখানার ডায়মন্ড পলিশ বিভাগে কাজ করতেন এবং প্রিয়াঙ্কা স্থানীয় একটি হাসপাতালে
চাকরি করতেন। বিয়ের পর তাদের যমজ কন্যাসন্তান জন্ম নেয়।
পরিবারের
সদস্যদের দাবি, সন্তান জন্মের পর থেকেই দাম্পত্য কলহ বাড়তে থাকে। আর্থিক সংকটও পরিস্থিতিকে
জটিল করে তোলে। প্রিয়াঙ্কা চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর সংসারের খরচ বাড়ায় তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব
বাড়ে।
২০২৫
সালের ১৮ সেপ্টেম্বর প্রিয়াঙ্কা শেষবার তার দাদাকে ফোন করেন। পরদিন গিরিশ জানান, প্রিয়াঙ্কা
সন্তানকে নিয়ে কোথাও চলে গেছেন।
দীর্ঘ
সময় যোগাযোগ না পেয়ে চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল প্রিয়াঙ্কার পরিবার থানায় নিখোঁজের অভিযোগ
করে। পুলিশ গিরিশকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে।
তদন্তের
একপর্যায়ে সন্দেহ ঘনীভূত হলে তাকে আবারও ডাকা হয়। তবে থানায় আসার আগেই তিনি হাসপাতালের
ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেন।
পরে
তার লেখা চিঠির সূত্র ধরেই উদ্ধার হয় স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ এবং বেরিয়ে আসে পুরো ঘটনার
ভয়াবহ চিত্র।
মন্তব্য করুন


দেশে
বিয়ে, গায়েহলুদসহ সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত অপচয় রোধ এবং খাদ্যসংকট মোকাবিলায়
১৯৮৪ সালে জারি করা ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ’ (দ্য গেস্ট কন্ট্রোল অর্ডার, ১৯৮৪)
আবারও আলোচনায় এসেছে।
সম্প্রতি
জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম বিয়ে ও
গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় কমাতে এ আদেশ কার্যকরের আহ্বান জানান।
এরপর থেকেই বহু বছর ধরে কার্যত অপ্রয়োগে থাকা এই আইনটি নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।
১৯৮৪
সালের ৩ জুলাই খাদ্য মন্ত্রণালয় ‘দ্য কন্ট্রোল অব এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট, ১৯৫৬’-এর
আওতায় এ আদেশ জারি করে। এতে বিয়ে, জন্মদিন, আকিকা কিংবা সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক
অনুষ্ঠানে আয়োজক পরিবারের বাইরে সর্বোচ্চ ১০০ জন অতিথিকে চাল বা গম দিয়ে তৈরি খাবার
পরিবেশনের অনুমতি দেওয়া হয়।
বিশেষ
প্রয়োজনে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে আপ্যায়ন করতে হলে জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তার কাছ থেকে পূর্বানুমতি নিতে হতো। পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রতিটি অতিথির জন্য
সরকারি কোষাগারে নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার বিধানও ছিল। শুরুতে এ ফি ১০ টাকা হলেও পরে
তা বাড়িয়ে ২৫ টাকা করা হয়।
আদেশ
বাস্তবায়নে খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক, পুলিশের গেজেটেড কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসন
মনোনীত কর্মকর্তাদের অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ ও তল্লাশির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। আইন লঙ্ঘন
করলে আয়োজক ও অনুষ্ঠানস্থলের মালিকের বিরুদ্ধে জরিমানা এবং প্রয়োজনে কারাদণ্ডের বিধানও
রাখা হয়।
তবে
২০০৩ সালের সংশোধনীতে মিলাদ মাহফিল, ইফতার, কুলখানি, চেহলাম, ওরস ও শ্রাদ্ধের মতো ধর্মীয়
অনুষ্ঠানকে এই বিধিনিষেধের বাইরে রাখা হয়।
যদিও
আদেশটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি, দীর্ঘদিন ধরে এর কোনো কার্যকর প্রয়োগ বা নজরদারি
নেই। বর্তমানে রেস্তোরাঁ, কমিউনিটি সেন্টার কিংবা কনভেনশন হলে শত শত বা হাজারো অতিথির
উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান হলেও অনুমতি নেওয়া বা অতিরিক্ত ফি দেওয়ার বিধান বাস্তবে আর অনুসরণ
করা হয় না।
মন্তব্য করুন


জয়পুরহাটের
পাঁচবিবিতে বজ্রপাতে রাশেদ (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। রোববার (১২ জুলাই) রাত
১০টার দিকে উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত
রাশেদ উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের বাঁশখুর দক্ষিণ পাড়ার মোজাফফর হোসেনের ছেলে।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শালাইপুর বাজার থেকে বাইসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন
রাশেদ। পথে বড় পুকুরিয়া বিদ্যুৎ সাব-স্টেশনের কাছাকাছি পৌঁছালে বজ্রপাত হয়। এতে তিনি
গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে
কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পাঁচবিবি
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাফিজ মো. রায়হান বলেন, মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালে
রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


ইসির আইন শাখার উপ-সচিব মো. আব্দুছ সালামের ২৩ নভেম্বর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে জানা গেছে,আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পূর্ব অনিয়মের তদন্ত করতে ৩০০ বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধান কমিটি নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রতি জেলার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এবং সিনিয়র সহকারী জজদের নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে ৩০০ আসনের জন্য ৩০০ নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি গঠন করল ইসি।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম সংঘটিত হলে তা অনুসন্ধানপূর্বক তৎমর্মে প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে পাঠাবেন এবং সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসার ওই অনুসন্ধান প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে পাঠাবেন। এর পর তা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি কর্তৃক দায়িত্ব পালনকালে ০১(এক) জন বেঞ্চ সহকারী/ স্টেনোগ্রাফার/অফিস সহকারীকে সহকারী হিসেবে সঙ্গে নিতে পারবেন।
এদিকে জেলা প্রশাসককে ইসি নির্দেশ দিয়েছে , কমিটির কর্মকর্তাদের চাহিদা এবং প্রয়োজন অনুসারে সার্বক্ষণিকভাবে জিপগাড়ি বা মাইক্রোবাস বা স্পিডবোট এবং ক্ষেত্রমতো প্রয়োজনীয় যানবাহন সরবরাহের ব্যাবস্থা রাখার।
একইসঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে নিরাপত্তার স্বার্থে অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে পুলিশ বাহিনীর ০২(দুই) জন অস্ত্রধারী সদস্যকে নিয়োগ করার জন্য সব পুলিশ কমিশনার/পুলিশ সুপারকেও নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৫ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনি প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


ঢাক-ঢোল ও বাঁশি বাজিয়ে বাংলা নববর্ষ বরণে অনুষ্ঠিত হলো আজ শোভাযাত্রা। সকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড এ এস এম মাকসুদ কামালের নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রাটি শুরু হয়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী দীপু মনি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও ডিএমপি কমিশনার শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন।
এর
আগে সকালে মঙ্গল শোভাযাত্রায়
প্রদর্শনীর জন্য বিভিন্ন মুখোশ, পেঁচা, ঘোড়া, মূর্তি, ট্যাপা পুতুল, নকশি পাখি, বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিকৃতি শোভাযাত্রার জন্য প্রস্তুত করা হয়।
আজ
মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য ছিল ‘আমরা তো তিমিরবিনাশী।তার সাথে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রার ৩৫ বছর পূর্তি হলো ।
চারুকলা অনুষদের
উদ্যোগে প্রথমবারের মতো বের হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা
১৯৮৯ সালে । বাঙালি এ উৎসব
সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয়। এরপর থেকে বাংলা বর্ষবরণের অপরিহার্য অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে ।
ইউনেস্কোর
বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি লাভ করে ২০১৬
সালের ৩০ নভেম্বর এ
শোভাযাত্রা।
মন্তব্য করুন


চলমান বন্যায় দেশে ১১ জেলায়িই হয়েছে। এ ছাড়াও ৫৬ লাখ ৩৭৫ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে
চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা ফারুক ই আজম এ তথ্য জানান।
ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, এখন
পর্যন্ত বন্যা আক্রান্ত জেলার সংখ্যা ১১টিই আছে। ১১ জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা
৫৬ লাখ ১৯ হাজার ৩৭৫ জন। পানিবন্দি পরিবার ১২ লাখ ৭ হাজার ৪২৯টি। এখন পর্যন্ত বন্যায়
মোট ২৭ জন মারা গেছে। এর মধ্যে কুমিল্লায় ১০ জন, ফেনীতে একজন, চট্টগ্রামে ৫ জন, খাগড়াছড়িতে
একজন, নোয়াখালীতে ৫ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া একজন, লক্ষ্মীপুরে একজন এবং কক্সবাজারে তিনজন
মারা গেছেন।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এক সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। উক্ত অভিযানে গোমস্তাপুর থানা এলাকা থেকে ১ কেজি ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ০৬ মে ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৬:১০ ঘটিকা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি চৌকস দল গোমস্তাপুর থানাধীন রহনপুর পৌরসভার নুনগোলা কেডিসিপাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে আসামিদের হেফাজত থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত দুই আসামি সম্পর্কে আপন বোন। তারা হলেন:১. মোসাঃ সাজেদা বেগম (৫৪), স্বামী- আঃ সাত্তার, সাং- নুনগোলা কেডিসিপাড়া, রহনপুর পৌরসভা, গোমস্তাপুর ২. মোসাঃ শাহিদা বেগম (৫৮), স্বামী- মৃত শামসুল আলম, বর্তমান ঠিকানা- নুনগোলা কেডিসিপাড়া (সাজেদার বাড়ি), স্থায়ী ঠিকানা- গ্রাম: মহাডাঙ্গা, পোরশা, নওগাঁ।
অভিযান শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে গোমস্তাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিস্তার রোধে এবং জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।
মন্তব্য করুন


নির্মাণকাজ পরিদর্শন ও কোনো ত্রুটি আছে কি-না যাচাই করতে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাচ্ছে একটি ট্রেন।
রোববার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টায় আটটি বগি ও একটি ইঞ্জিন নিয়ে ট্রেনটি চট্টগ্রাম স্টেশন ছেড়ে গেছে।
ট্রেনটিতে রয়েছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার নাজমুল ইসলাম ও রেলের পরিদর্শন অধিদফতরের কর্মকর্তারা।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, রোববার ট্রেনটি সকাল ১০টায় দোহাজারী স্টেশনে পৌঁছবে।
এরপর সেখান থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেবে। ট্রেনটি বিকেল সাড়ে ৫টায় কক্সবাজার পৌঁছার কথা রয়েছে। রেলের পরিদর্শন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কক্সবাজারে অবস্থান করবেন। ৬ নভেম্বর ওই টিম কক্সবাজার রেলস্টেশন ইয়ার্ড পরিদর্শন করবে। ৭ নভেম্বর সকাল ৭টায় ওই টিম চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেবে।
সরকারি রেল পরিদর্শক (জিআইবিআর) রুহুল কাদের আজাদ বাংলানিউজকে বলেন, আজ ট্রেনযোগে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে যাচ্ছেন রেলের পরিদর্শন দফতরের টিম। এসময় নির্মাণাধীন দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন ও বিভিন্ন স্টেশন পরিদর্শন করা হবে। এতে কোনো ত্রুটি আছে কি না যাচাই করা হবে।
দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের পরিচালক সুবক্তগীন বাংলানিউজকে বলেন, ১১ নভেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে আসবেন। ওখানে সুধী সমাবেশ হবে। আইকনিক স্টেশন দেখবেন এবং একটা অংশ থাকবে উদ্বোধনের।
তিনি আরও বলেন, ১১ নভেম্বর কক্সবাজারের পথে ট্রেন চলাচল উদ্বোধনের পর বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলবে ২০ বা ২৫ নভেম্বর থেকে। কক্সবাজার রুটে ঢাকা এবং চট্টগ্রাম থেকে ছয় জোড়া ট্রেন চলাচলের পরিকল্পনা আছে। তবে ইঞ্জিন ও বগি সংকটের কারণে এখনই তা হচ্ছে না। পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার নাজমুল ইসলাম বলেন, এটি আমাদের রুটিন কাজ। এটিকে ট্রায়াল রান বলা যাবে না। আমাদের সঙ্গে আছেন রেলের পরিদর্শন অধিদফতরের কর্মকর্তারা। তারা এ রেল পরিদর্শন করবেন সেখানে কোন ত্রুটি আছে কিনা দেখবেন। ইন্টারলকিং সিগন্যালিং ব্যবস্থা, প্লার্টফর্ম উঁচু সঠিক কিনা, কালভার্ট, লেভেল ক্রসিং গেট এসব দেখবেন। পরে রেলের পরিদর্শন অধিদফতরের কর্মকর্তারা সার্টিফাই করবেন। এরপর ট্রেন চলবে।
দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প ২০১০ সালের ৬ জুলাই একনেকে অনুমোদন পায়। ২০১৮ সালে এই রেলপথ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের ৩০ জুন। পরে এক দফা বাড়িয়ে প্রকল্পের মেয়াদ করা হয় ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। এতে ব্যয় ধরা হয় ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। প্রকল্পে ঋণ সহায়তা দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। তবে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও ব্যয় বাড়েনি। এ প্রকল্পের কাজ পুরোদমে চলায় নির্ধারিত সময়ের আগেই তা সমাপ্ত হতে যাচ্ছে।
২০১৬ সালের ২৭ এপ্রিল প্রকল্পটি ‘ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। রেলপথটি নির্মিত হলে মিয়ানমার, চীনসহ ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের করিডোরে যুক্ত হবে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন