

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার শিদলাই ইউনিয়নের পুমকারা গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
নিহত ২ শিশু হলো পুমকারা গ্রামের ইউসুফ মিয়ার ছেলে ইমরান (৮) এবং একই গ্রামের আবদুল আওয়ালের ছেলে জোনায়েদ (৮)। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই এবং একই সঙ্গে খেলাধুলা ও চলাফেরা করত বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে ইমরান, জোনায়েদ ও তাদের সমবয়সী আরেক শিশু বাইজিদ বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে যায়। একপর্যায়ে ইমরান ও জোনায়েদ পানিতে ডুব দেওয়ার পর আর ওপরে ভেসে না উঠলে সঙ্গে থাকা বাইজিদ চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে ডাকতে থাকে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াসিন মিয়া দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পুকুরে নেমে দুই শিশুকে উদ্ধার করেন।
পরে স্বজন ও স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর অবস্থায় তাদের ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুই শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. জ্যোতি প্রকাশ বিশ্বাস বলেন, 'পানিতে ডুবে যাওয়া দুই শিশুকে স্বজনরা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।'
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ডিএমএ মজিদ বলেন, 'খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলি এবং পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে জানা গেছে। একসঙ্গে দুটি শিশুর মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক।'
এদিকে একসঙ্গে চাচাতো দুই শিশুর অকাল মৃত্যুতে পুমকারা গ্রামে শোকের মাতম চলছে। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে উঠেছে। প্রতিবেশীরা জানান, কয়েক মুহূর্ত আগেও একসঙ্গে খেলাধুলা করা দুই শিশুর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আগামী ১৯ ও ২০ নভেম্বর এর (রবিবার ও সোমবার) সব পরীক্ষা স্থগিত
করা হয়েছে।
১৮
নভেম্বর (শনিবার) দুপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো
হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনিবার্য কারণে ওই দুদিনের সব
পরীক্ষা স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। স্থগিত এসব পরীক্ষার সংশোধিত তারিখ
সংশ্লিষ্ট সবাইকে পরে জানানো হবে। এ ছাড়া পূর্ব ঘোষিত অন্যান্য পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি
অপরিবর্তিত থাকবে।
মন্তব্য করুন


ভেনেজুয়েলায়
ভয়াবহ ভূমিকম্পে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিখোঁজ আর্জেন্টাইন ফুটবলারের। এমন সংবাদ ছাপা
হয়েছিল দু’দিন আগে। অবশেষে খবর এলো, আর্জেন্টিনার সেই ফুটবলারের স্ত্রী
এবং সন্তানরা আর বেঁচে নেই। ভূমিকম্পে নিহত হয়েছে তারা।
আর্জেন্টাইন
ডিফেন্ডার লুকাস ত্রেহোর স্ত্রী ও দুই সন্তানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ভেনেজুয়েলার
শীর্ষস্থানীয় ক্লাব দেপোর্তিভো লা গুয়াইরা। ভূমিকম্পে নিহত হয়েছেন ত্রেহোর স্ত্রী ইয়ানিনা
মারানেয়া এবং তাদের দুই সন্তান অ্যারন ও আইনহোয়া ত্রেহো।
ভেনেজুয়েলার
ইয়ারাকুই অঞ্চলে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানলে তাদের অ্যাপার্টমেন্ট ভবনটি
ধ্বসে পড়ে। ভবন ধ্বসের পর পরিবারটিকে নিখোঁজ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে উদ্ধারকারী দল তাদের
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে।
ঘটনার
সময় ত্রেহো ঘটনাস্থলে ছিলেন না। ভেনেজুয়েলা লিগে খেলেন ত্রেহো। সামনের ম্যাচের প্রস্তুতির
জন্য ক্লাবের সঙ্গে রাজধানী কারাকাসে অবস্থান করছিলেন।
এক
বিবৃতিতে দেপোর্তিভো লা গুয়াইরা জানায়, ‘ক্লাবের পক্ষ থেকে আমরা খেলোয়াড় লুকাস ত্রেহোর
স্ত্রী ইয়ানিনা মারানেয়া এবং তার সন্তান অ্যারন ও আইনহোয়া ত্রেহোর মর্মান্তিক প্রয়াণে
গভীর শোক প্রকাশ করছি। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং লুকাস ও তার সকল প্রিয়জনের
প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।
ত্রেহোর
পরিবার উপকূলীয় এলাকা প্লায়া গ্রান্দেতে অবস্থান করছিল, যা দুটো ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি। সেখানেই তাদের বসবাস করা আবাসিক ভবনটি ধ্বসে পড়ে।
পরিবারের
সদস্য, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক এবং পেশাদার উদ্ধারকর্মীদের সহায়তায় স্ত্রী ও সন্তানদের
খুঁজে পেতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছিলেন অভিজ্ঞ এই আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার। কিন্তু শেষ
পর্যন্ত সেই অনুসন্ধান শেষ হয় শোকাবহ পরিণতিতে।
মৃত্যুর
খবর নিশ্চিত হওয়ার আগে ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন এক পোস্টে তিনি পরিবারের খোঁজ চেয়ে লিখেছিলেন,
‘প্লায়া গ্রান্দেতে আমাদের ভবনটি ধ্বসে পড়েছে। আমার পরিবারের কোনো খোঁজ পাচ্ছি না।
দয়া করে তাদের জন্য প্রার্থনা করুন এবং কেউ যদি তাদের দেখে থাকেন, তাহলে এই বার্তাটি
ছড়িয়ে দিন। আমি বিশ্বাস করতে চাই, তারা ভবনের ভেতরে ছিল না। দয়া করে আমার পরিবারের
জন্য প্রার্থনা করুন।
শনিবার
জাতিসংঘের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা এই ডাবল ভূমিকম্পে প্রায়
৭০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। এ পর্যন্ত ১৪০০’রও
বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
জাতিসংঘের
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, জনসংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য বিশ্লেষণ করে
তারা ধারণা করছে, ২৪ জুন ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা এই ভয়াবহ ভূমিকম্পে সর্বোচ্চ ৬৭ লাখ
৬০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারেন।
মন্তব্য করুন


বরিশালে
ইয়াবাসহ আটক এক যুবকের গায়ে থাকা আর্জেন্টিনার জার্সি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি
ব্যবহার করে ব্রাজিলের জার্সিতে পরিবর্তন করার অভিযোগ উঠেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের
(বিএমপি) মিডিয়া উইংয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার পাশাপাশি ব্রাজিল
সমর্থকদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
জানা
গেছে, সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে বরিশাল নগরীর পলাশপুর কলোনিতে অভিযান চালিয়ে রাসেল হাওলাদার
(৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে কাউনিয়া থানা পুলিশ। আটকের সময় তার
গায়ে আর্জেন্টিনার জার্সি ছিল। পরে থানার পক্ষ থেকে তোলা ছবি বিএমপির মিডিয়া সেলে পাঠানো
হলে সেখানে ডিজিটালভাবে জার্সির নকশা পরিবর্তন করে ব্রাজিলের জার্সি যুক্ত করা হয় বলে
অভিযোগ ওঠে।
বিএমপির
মিডিয়া সেল থেকে ওই ছবি প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিতর্কের
সৃষ্টি হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে সংশোধিত ছবি ও তথ্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ
এবং ই-মেইলের মাধ্যমে পুনরায় পাঠানো হয়।
বিএমপির
মিডিয়া সেলের উপ-পরিদর্শক (এসআই) তানজিল আহমেদ বলছেন, বিষয়টি ‘দুষ্টুমির ছলে’
করা হয়েছিল।
কাউনিয়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ গণমাধ্যমকে জানান, গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাসেল হাওলাদারকে আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা
উদ্ধার করা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরেক অভিযুক্ত আঁখি (৩২) পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। মামলায় আটক রাসেল ও পলাতক আঁখিকে
আসামি করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শহীদ
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে দীক্ষিত হয়ে দেশ গঠনের কাজে সবাইকে সম্পৃক্ত হওয়ার
আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার
(৩০ মে) রাজধানীর ইসিবি চত্বর ও কুড়িল এলাকায় দুস্থ মানুষদের মধ্যে বস্ত্র ও শুকনো
খাবার বিতরণ কর্মসূচির আগে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, 'শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল দেশের সেবা
করা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একই সঙ্গে তিনি আমাদের দীক্ষা দিয়ে গেছেন কীভাবে দেশের
জন্য কাজ করতে হয় এবং দেশকে গঠন করতে হয়।'
তিনি
বলেন, 'সেই আদর্শের অংশ হিসেবেই আমরা আজ দুস্থ মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত নিয়ে দাঁড়িয়েছি।'
তারেক
রহমান বলেন, 'গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে মহান আল্লাহ আমাদের যে সুযোগ দিয়েছেন
দেশ গঠন করার ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর, আমরা যাতে সেই কাজটি সুন্দরভাবে করতে পারি-
সেজন্য আমরা আল্লাহর রহমত কামনা করি। এটাই হোক আজকের দিনের আমাদের শপথ, এটাই হোক আমাদের
অঙ্গীকার।'বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী দুস্থ মানুষের মধ্যে বস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণ
করেন।
এর
আগে সকালে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে শেরেবাংলা নগরে তার মাজারে
পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ
সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র
রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ দলের জ্যেষ্ঠ
নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
কবরে
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের টিঅ্যান্ডটি স্কুল মাঠে দুস্থ
মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা মহানগরীর ১৭টি স্পটে বস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
মন্তব্য করুন


সেনেগালের
প্রেসিডেন্ট বাসিরু দিওমায়ে ফায়ে কয়েক মাসের রাজনৈতিক উত্তেজনার পর প্রধানমন্ত্রী
ওসমান সোনকোকে বরখাস্ত করেছেন এবং সরকার ভেঙে দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সোনকোর পশ্চিমা
দেশগুলোর প্রতি সমকামিতা নিয়ে তীব্র সমালোচনার মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে, এক আকস্মিক
অধ্যাদেশের মাধ্যমে এ খবর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানানো হয়। পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটি
ইতোমধ্যে ব্যাপক ঋণের বোঝার মধ্যে থাকায় ঘটনাটি রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়িয়েছে।
সোনকো
সম্প্রতি পশ্চিমা বিশ্বের তীব্র সমালোচনার জবাবে বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো অন্য দেশের
ওপর সমকামিতার 'চাপ' তৈরি করার চেষ্টা করছে। সমকামিতার অপরাধের জন্য শাস্তি কঠোর করার
একটি নতুন আইন সেনেগালে পাশ হওয়ায়, সোনকো এই মন্তব্য করেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে
বরখাস্ত করা হয়।
তিনি
ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের সমালোচনার কথা উল্লেখ করে বলেন, 'যদি তারা এই পথ বেছে নেয়,
সেটা তাদের সমস্যা। এ বিষয়ে আমাদের শিক্ষার প্রয়োজন নেই।'
প্রেসিডেন্ট
কার্যালয়ের কর্মকর্তা ওমর সাম্বা অধ্যাদেশটি পড়ে শোনান এবং জানান, প্রেসিডেন্ট ফায়ে
সোনকোকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন, যার ফলে সরকারের অন্যান্য মন্ত্রীরাও পদত্যাগ
করেছেন। তবে নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
বরখাস্ত
হওয়ার পর সোনকো সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, 'আলহামদুলিল্লাহ। আজ রাতে আমি কুয়ের গরগুইয়ে
শান্তিতে ঘুমাব।' কুয়ের গরগুই সোনকোর নিজ এলাকা, যা ডাকারের মধ্যে অবস্থিত। এ সময়
তার শত শত সমর্থক তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন।
প্রেসিডেন্ট
ফায়ে মূলত সোনকোর সমর্থনের ওপর ভর করে ক্ষমতায় এসেছিলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে সোনকোই
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সবচেয়ে সম্ভাবনাশীল ব্যক্তি ছিলেন, তবে মানহানির মামলায় দোষী
সাব্যস্ত হওয়ায় নির্বাচনে দাঁড়াতে পারেননি। সোনকো এবং ফায়ে একসময় পাস্তেফ পার্টি গঠন
করেছিলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে দুর্নীতি রোধ এবং অর্থনীতি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে
প্রথম ধাপের ভোটেই তারা জয়লাভ করেন।
সেনেগালের
তরুণদের মধ্যে সোনকো ব্যাপক জনপ্রিয়, বিশেষ করে তাঁর প্যান-আফ্রিকান মনোভাব এবং সাবেক
ঔপনিবেশিক ফ্রান্সের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তরুণদের আকৃষ্ট করে। তবে সব ক্ষমতা প্রেসিডেন্ট
ফায়ের হাতে থাকায়, তিনি চাইলে অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে সরাতে পারেন।
সাম্প্রতিক
মাসগুলোতে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী দুইজনের সম্পর্ক তিক্ত হয়ে উঠেছে। গত মে মাসে
এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ফায়ে প্রকাশ্যভাবে সোনকোর একক আধিপত্যের সমালোচনা করেন। সরকার
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নতুন প্রশাসন বিশাল ঋণের বোঝার মধ্যে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক
মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুযায়ী, সেনেগালের ঋণের পরিমাণ মোট জিডিপির ১৩২ শতাংশে
পৌঁছেছে, যা সাব-সাহারা আফ্রিকার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
সম্প্রতি
পার্লামেন্টে পাশ হওয়া একটি নতুন বিলের মাধ্যমে ২০২৯ সালের নির্বাচনে সোনকো অংশগ্রহণ
করতে পারবে। এই আইনি সংস্কার পূর্বের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে, যা মানহানির মামলায় দণ্ডিত
ব্যক্তিদের নির্বাচনে দাঁড়াতে বাধা দিত।
মন্তব্য করুন


৩ বছর বিরতির পর অনেকটা নীরবেই হয়ে গেল ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০২৩’-এর আয়োজন। গেল ২৮ জানুয়ারি বসেছিল এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আসর।
সেখানে ২০ প্রতিযোগীর মধ্যে থেকে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০২৩’ এর মুকুট উঠেছে ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার, মডেল ও টিকটকার শাম্মি ইসলাম নীলার মাথায়।
এছাড়া প্রথম রানারআপ হয়েছেন আকলিমা আতিকা কণিকা ও দ্বিতীয় রানারআপ শাকিরা তামান্না।
জানা যায়, মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন শাম্মি ইসলাম নীলার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা ঢাকায়। দুই ভাই-বোনের মধ্যে ২৩ বছর বয়সী নীলা বড়। রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএতে পড়াশোনা করছেন তিনি।
নীলার ছোটবেলা থেকেই তার ইচ্ছা ছিল ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার। তিন বছর ধরে মডেলিং করছেন তিনি। ফ্যাশন আর বিউটি নিয়ে কয়েকটি বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের সঙ্গে ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে নিয়মিত কাজ করছেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমেও তার পরিচিতি বেশ। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম আর টিকটক - তিন মাধ্যমেই জনপ্রিয় নীলা। বিশেষ করে টিকটকে তার কয়েকটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ফেসবুকে তার ৫৬ হাজার অনুসারী। ইনস্টাগ্রামে তা ছাড়িয়ে গেছে এক লাখ ১০ হাজার।
ভবিষ্যতে মডেলিং ও অভিনয় করতে চান নীলা। পাশাপাশি প্রাণীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করবেন তিনি।
প্রসঙ্গত, বিজয়ী নীলা বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন মিস ওয়ার্ল্ডের ৭১তম আসরে। এবারের মূল আয়োজনটি হবে ভারতে। এই আসরে যোগ দিতে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লি যাবেন নীলাসহ বিভিন্ন দেশের বিজয়ী সুন্দরীরা। আগামী ৯ মার্চ ভারতে অনুষ্ঠিত হবে ‘মিস ওয়ার্ল্ড-২০২৩’ প্রতিযোগিতা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বড় ধর্মপুর এলাকার লালমাই পাহাড়ে অনেক বছর ধরে একটি গুঞ্জন প্রচলিত–এখানে তেল-গ্যাসের সন্ধান মিলেছিল, বিদেশি কোম্পানি এসে খননও করেছিল; কিন্তু একটি অদৃশ্য হেলিকপ্টার এসে কূপ সিলগালা করে দেয়। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসায় এলাকাজুড়ে আবারও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশে এখনও বড় আকারের খনিজ তেলের মজুত আবিষ্কৃত হয়নি। দেশের প্রধান জ্বালানি নির্ভরতা প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর। সিলেটের হরিপুর ও মৌলভীবাজারের বরমচাল ছাড়া উল্লেখযোগ্য তেল উৎপাদনের ইতিহাসও সীমিত। ফলে দেশের অধিকাংশ জ্বালানি তেল এখনও বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-১৮ সালের দিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স) লালমাই এলাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রম চালায়। সেখানে ‘লালমাই-১’ ও ‘লালমাই-২’ নামে দুটি কূপ খনন করা হয়। অনুসন্ধানের শুরুতে কিছু পরিমাণ তেলের অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও পরীক্ষামূলক উত্তোলনে উৎপাদন খুবই কম ছিল। লালমাই-১ কূপ থেকে দৈনিক মাত্র ২০ থেকে ২৫ ব্যারেল তেল উত্তোলন সম্ভব হচ্ছিল। লালমাই-২ কূপে চাপ কম থাকায় সেটিও বাণিজ্যিক উৎপাদনের উপযোগী হয়নি।
কথিত আছে–প্রতিদিন অন্তত কয়েকশ ব্যারেল তেল উত্তোলন সম্ভব হলে একটি তেলকূপকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক ধরা হয়। সেই তুলনায় লালমাইয়ের উৎপাদন ছিল খুবই সীমিত। এ ছাড়া তেলের সঙ্গে অতিরিক্ত পানি উঠে আসা, চাপ কমে যাওয়া এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্পটি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ঝুঁকি এড়াতে নিয়ম অনুযায়ী কূপগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ বা ‘প্লাগ অ্যান্ড অ্যাবানডন’ করা হয়।
মো. সিরাজ নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এখানে তেল-গ্যাস পাওয়া গিয়েছিল। আমরা নিজের চোখে দেখেছি। ২০০২ সালে কোরিয়ান কোম্পানি খনন করতে আসে। পরে তারা চলে যায়। হাজার-হাজার মিটার খনন করা হয়েছিল। এক সময় হেলিকপ্টার এসে এটি সিলগালা করে দেয়।
বড় ধর্মপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শহীদ বলেন, এ জায়গাটা আমাদের বাড়ির পাশে। ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি এটা সিসা ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। কিন্তু কেন বন্ধ করা হলো, কে করল আজও জানি না। সরকার চাইলে আবার অনুসন্ধান করতে পারে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিত্যক্ত তেল বা গ্যাসকূপ খোলা অবস্থায় রেখে দিলে গ্যাস লিক, অগ্নিকাণ্ড কিংবা ভূগর্ভস্থ পানি দূষণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসরণ করে অলাভজনক কূপগুলো সিলগালা করা হয়।
পেট্রোবংলার উপব্যবস্থাপক সৈকত মাহমুদ বলেন, লালমাই এলাকায় অনুসন্ধান চালানো হলেও সেখানে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক তেলের মজুত পাওয়া যায়নি। ফলে কূপগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


গণভবনকে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের
জাদুঘর নির্মাণের জন্য উপদেষ্টাদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) গণভবন পরিদর্শনের
সময় এই নির্দেশ দেন তিনি।
‘‘গণভবনে ক্ষমতাচ্যুত ‘স্বৈরশাসক’ শেখ
হাসিনা গত ১৫ বছর ধরে বাস করেছিলেন, যা দমন ও তার নৃশংস শাসনের প্রতীক হয়ে উঠেছে’’
বলে উল্লেখ করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
গণভবনের ধ্বংসাবশেষ পরিদর্শনকালে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘তার (শেখ হাসিনা) দুঃশাসনের স্মৃতি এবং জনগণ যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল, যখন তারা তাকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করেছিল, সেসব জাদুঘরের রাখা উচিত হবে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার কয়েক মুহূর্ত পর ৫ আগস্ট গণভবনে কয়েক লাখ বিক্ষোভকারী হামলা চালায়। বিক্ষোভকারীরা গণভবনের দেয়াল ও কক্ষে গ্রাফিতি এঁকে এবং খুনি হাসিনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী নোট লিখে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আয়নাঘর, যেখানে হাসিনার কুখ্যাত নিরাপত্তা সংস্থাগুলো গোপনে শত শত ভিন্নমতাবলম্বী ও বিরোধী কর্মীকে আটক করেছিল, তার একটি রেপ্লিকাও গণভবনের জাদুঘরে নির্মাণ করা উচিত। আয়নাঘরের উচিত দর্শকদের গোপন বন্দিদের নির্যাতনের কথা মনে করিয়ে দেওয়া।
গণভবন পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ।
এসময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী
মাহফুজ আলমও উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক ইউনূস উপদেষ্টাদের জাদুঘর বিশেষজ্ঞদের
সঙ্গে পরামর্শ করতে বলেন। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জাদুঘরের জন্য প্রস্তাব চূড়ান্ত
করতে বলেন তিনি।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০০৯ সাল
থেকে শুরু হওয়া হাসিনার শাসনের অপকর্মগুলো জাদুঘরে যত্নসহকারে সংরক্ষণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


অক্সিজেন
না দেওয়ায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে
চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষ, বিক্ষোভ এবং মরদেহ হস্তান্তর নিয়ে জটিলতার
অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মৃত নারীর ছেলেকে মায়ের মরদেহ ফেরত পেতে চিকিৎসকদের সামনে
কান ধরে উঠবস করতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যে কান ধরে উঠবসের ভিডিও সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
শনিবার
(১৩ জুন) ভোরে নগরীর জুম্মাপাড়া এলাকার নূর নাহার বেগমকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের
হৃদরোগ বিভাগে ভর্তি করা হয়।
স্বজনদের
দাবি, ভর্তির মাত্র ১৫ মিনিটের মাথায় তিনি মারা যান। এসময় অক্সিজেনের অভাব ও চিকিৎসায়
অবহেলার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পরিবারের সদস্যরা।
প্রত্যক্ষদর্শী
ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে রোগীর
স্বজনদের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে মেডিক্যাল অফিসার ডা. রাকিব
হাসান ও ইন্টার্ন চিকিৎসক নাইম বকশী মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এদিকে,
চিকিৎসকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন।
তারা ঘটনার বিচার দাবি করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ রাখেন।
শনিবার
বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত
হয়। একইসঙ্গে মরদেহ মর্গে নিয়ে রাখা হয়।
অন্যদিকে,মরদেহ
দ্রুত হস্তান্তরের দাবিতে রোগীর স্বজনরা হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে রংপুর-দিনাজপুর
মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল বিঘ্নিত হয় এবং উত্তেজনা ছড়িয়ে
পড়ে।
মৃতের
বড় ছেলে নুরুজ্জামান রিন্টু অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মা শনিবার ভোরে মারা গেছেন।
প্রায়
১০ ঘণ্টা হয়ে গেছে, আমরা মায়ের মুখ দেখতে পারিনি। মায়ের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে
মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা বারবার ক্ষমা চেয়েছি, কিন্তু মরদেহ ফেরত পাইনি।’
স্বজনদের
দাবি, চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনার জেরে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মরদেহ হস্তান্তরে বিলম্ব
করেন এবং নানা শর্ত জুড়ে দেন।একপর্যায়ে মৃতের ছোট ছেলে রিফাত হোসেনকে হাসপাতালের পরিচালকের
কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে চিকিৎসকদের কাছে কানধরে উঠবস করে ক্ষমা চাইতে বলা হয়।
এ
বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রংপুর
মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানান, হাসপাতালের
সিসিটিভি ফুটেজে চিকিৎসকদের মারধরের ঘটনা দেখা গেছে। চিকিৎসকের ওপর হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়
ও অমানবিক।ঘটনার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় নিরাপত্তার স্বার্থে মরদেহটি মর্গে
সরিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা
হয়।
মন্তব্য করুন


শান্তিতে নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বঙ্গভবনের দরবার হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন । শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাত ৯টা ২০ মিনিটে শপথ নেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ২৮ মিনিটে তিনি তার গাড়িবহর নিয়ে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।
এর আগে বিএনপির নেতারা, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।
তার আগে দুপুর ২টা ১১ মিনিটে ড. ইউনূসকে বহনকারী ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনীর প্রধান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী, ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
এরপর বিমানবন্দরে ড. ইউনূস বলেন, আমার ওপর যদি আস্থা এবং বিশ্বাস রাখেন তাহলে এটা নিশ্চিত করতে হবে কারও ওপর কোনো প্রকার হামলা করা যাবে না, বিশৃঙ্খলা করা যাবে না। যদি বিশৃঙ্খলা করা হয় তাহলে আমি এই দায়িত্বে থাকব না।
নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। যারা এটি করেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, তারা (সমন্বয়করা) দেশকে রক্ষা করেছে।
শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরো বলেন, দেশবাসী কাছে আমার ওপরে বিশ্বাস রাখেন, ভরসা রাখেন, দেশে কারও ওপর কোনো হামলা হবে না।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি করাকে স্বাভাবিক করাকে গুরুত্ব দিয়ে ইউনূস বলেন, যেজন্য আন্দোলন হয়েছে সেটার ফলাফল যেন ব্যর্থ না হয়। পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম সে বাংলাদেশ যেন পূর্ণতা পায়। যে বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ নতুন করে বিজয় পেল তা যেন পূর্ণতা পায়।
মন্তব্য করুন