

রংপুরের
পীরগঞ্জ উপজেলায় চলন্ত অটোরিকশার ওপর রাস্তার পাশের একটি ইউক্যালিপটাসগাছ ভেঙে পড়ে
চালক মারা গেছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশার এক নারী যাত্রী আহত হয়েছেন। আজ বুধবার সকাল সাড়ে
১০টার দিকে উপজেলার খালাশপীর–কাচদহ সেতু সড়কের টিওরমারী ব্রিজ-সংলগ্ন
এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত
ব্যক্তি হলেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ভোটারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আবদুর গফুর মিয়া
(৫৫)। আহত নারী যাত্রীকে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
ভর্তি করেছেন।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাচদহ সেতু এলাকা থেকে খালাশপীরের দিকে যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিলেন
অটোরিকশাচালক আবদুর গফুর মিয়া। পথে টিওরমারী সেতু–সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে রাস্তার পাশে
দাঁড়িয়ে থাকা একটি ইউক্যালিপটাসগাছ হঠাৎ ভেঙে অটোরিকশার সামনের অংশের ওপর আছড়ে পড়ে।
এতে গাছের আঘাত ও অটোরিকশার ভাঙা কাচের আঘাতে ঘটনাস্থলেই চালকের মৃত্যু হয়। এ সময় অটোরিকশায়
থাকা এক নারী যাত্রী আহত হন।
দুর্ঘটনার
পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহত যাত্রীকে উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ থানা–পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে
পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন এবং সড়ক থেকে গাছ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।
পীরগঞ্জ
ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার নাজমুল সরকার জানান, নিহত চালকের মরদেহ পীরগঞ্জ
থানা–পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজমুল হক বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া
শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


ভারতের
রাজস্থানের যোধপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়ে দুই বোনের আত্মহত্যার
ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশের গাফলতি এবং অভিযুক্তদের
বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণেই প্রাণ হারাতে হয়েছে দুই বোনকে।
রোববার
(১৭ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই লোমহর্ষক ঘটনা উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে
বলা হয়, গত মার্চে বড় বোন আত্মহত্যা করেন। প্রায় দুই মাস পর ছোট বোনও আত্মহত্যার পথ
বেছে নেন। একাধিকবার পুলিশের দ্বারস্থ হলেও বিচার না পাওয়ায় ছোট বোন এমন চরম সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন বলে অভিযোগ পরিবারের। নিহত দুই বোনের বাবা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে
নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় দুই
অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ছোট বোনের দায়ের
করা অভিযোগ অনুযায়ী, স্থানীয় ই-মিত্র সেবা কেন্দ্রের পরিচালনাকারী মহিপাল গোপনে বড়
বোনের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে তাকে ফাঁদে ফেলেন।
গত
১১ এপ্রিল দায়ের করা অভিযোগে মোট আটজনের নাম উল্লেখ করে। তাদের মধ্যে শিবরাজ, গোপাল,
বিজারাম, দিনেশ, মনোজ ও পুখরাজের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হুমকির অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগে
বলা হয়, মহিপাল ও তার সহযোগীরা প্রায় চার বছর ধরে বড় বোনকে যৌন নির্যাতন করে আসছিল
এবং ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে নিয়মিত অর্থ আদায় করত। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত
২০ মার্চ আত্মহত্যা করেন তিনি। ছোট বোন অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, বিচার না পেলে তিনিও
আত্মহত্যা করবেন বলে পুলিশকে সতর্ক করেছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হলেও পরবর্তী
এক মাসে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।
বড়
বোনের মৃত্যুর পর অভিযুক্তরা ছোট বোনকেও টার্গেট করে বলে অভিযোগ রয়েছে। তারা বড় বোনের
ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে তাকেও যৌন নির্যাতন করে। মামলা হওয়ার পরও অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে
হুমকি দিতে থাকে এবং পুলিশ তাদের কিছুই করতে পারবে না বলে দম্ভ দেখায় বলে অভিযোগ করেন
ওই তরুণী। শুক্রবার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে একটি পানির ট্যাংকের ওপর উঠে প্রতিবাদ
জানান তিনি। পরে বিষপান করলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার
পর রাজস্থানের রাজপুত সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। যোধপুরের এমডিএম হাসপাতালের
মর্গের সামনে বিক্ষোভে জড়ো হন শত শত মানুষ। প্রথমে ময়নাতদন্তে আপত্তি জানালেও পরে নিহতের
পরিবার তাতে সম্মতি দেয়।
মারওয়ার
রাজপুত সমাজের সভাপতি হনুমান সিং খাংতা অভিযোগ করেন, তদন্তজুড়ে পুলিশ অভিযুক্তদের আড়াল
করার চেষ্টা করেছে। তাদের ব্যর্থতার কারণেই দুই বোনকে প্রাণ দিতে হয়েছে বলে মন্তব্য
করেন তিনি। সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দায়িত্বে অবহেলার
অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো
হয়েছে। যোধপুরের পুলিশ সুপার পি ডি নিত্য জানিয়েছেন, মহিপালসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে
এবং তাদের আনুষ্ঠানিক গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


ইসলামাবাদের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক এগিয়ে
নিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে ১৯৭১ সালের অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সমাধানের
আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
ডি-৮ সম্মেলনের সাইডলাইনে আজ বৃহস্পতিবার
(১৯ ডিসেম্বর) মিসরের রাজধানী কায়রোর একটি হোটেলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ
শরিফের সঙ্গে বৈঠকের সময় অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, বিষয়গুলো বারবার আসছে। আসুন আমরা সামনে
এগিয়ে যেতে সেই বিষয়গুলোর ফয়সালা করি।
জবাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ
শরিফ বলেন, ১৯৭৪ সালের ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত বিষয়গুলো মীমাংসা
করেছে, কিন্তু যদি অন্যান্য অমীমাংসিত সমস্যা থাকে, তবে সেগুলো দেখতে পেলে তিনি খুশি
হবেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের
জন্য বিষয়গুলো চিরতরে সুরাহা করে ফেলা ভালো হবে।
তারা ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং ক্রীড়া
ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে সম্মত
হন।
এখানে প্রাপ্ত এক বার্তায় বলা হয়, দুই
নেতা চিনি শিল্প এবং ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনার মতো নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারিত করার
ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার ঘোষিত বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য সার্কের
পুনরুজ্জীবনসহ পারস্পরিক স্বার্থ সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে শরিফের সঙ্গে আলোচনা করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস ২০২৬ সালের মধ্যভাগের
আগে ‘প্রয়োজনীয় সংস্কার’ এবং সাধারণ নির্বাচন করতে তার সরকারের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ
করেন। তিনি বলেন, তিনি সংস্কারের বিষয়ে সংলাপের জন্য একটি ঐকমত্য গঠন কমিশনের নেতৃত্ব
দিচ্ছেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ
ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানান। শরিফ বলেন, আমরা
সত্যিই আমাদের ভ্রাতৃপ্রতিম বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার অপেক্ষায় রয়েছি।
তিনি সার্কের পুনরুজ্জীবনে অধ্যাপক
ইউনূসের উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং আঞ্চলিক সংস্থার শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের সম্ভাবনা
নিয়ে কাজ করার জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান।
অধ্যাপক ড. ইউনূস শরিফকে বলেন, এটি
একটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
সার্ক বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, আমি সার্কের ধারণার একজন বড় অনুরাগী। আমি ইস্যুটি নিয়ে কথা বলেই যাব।
আমি সার্ক নেতাদের শীর্ষ সম্মেলন চাই। তিনি বলেন, যদিও তা কেবল একটি ফটোসেশনের জন্যেও
হয়, তবুও এটি একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করবে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের
রাষ্ট্র পরিচালিত চিনিকলগুলোকে আরও ভালোভাবে পরিচালনার জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তার প্রস্তাব
দেন। তিনি বাংলাদেশে ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবের কারণে মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন এবং বলেন,
ঢাকা এ রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা থেকে উপকৃত হতে পারে।
তিনি বলেন, প্রায় এক দশক আগে পাঞ্জাবে
ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই বিশ্বমানের বলে প্রশংসিত হয়েছিল। বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের
সঙ্গে আমাদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করার জন্য আমরা বাংলাদেশে প্রতিনিধিদল পাঠাতে পারি।
অধ্যাপক ড. ইউনূস, শেহবাজ শরিফকে তার
সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং আশা করেন পাকিস্তান ও বাংলাদেশ এই প্রচেষ্টা অব্যাহত
রাখবে।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে
সিদ্দিকী।
সিদ্দিকী পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দারকে ফেব্রুয়ারিতে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং তিনি সেই
প্রস্তাব গ্রহণ করেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফও
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসকে তার সুবিধামতো সময়ে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান।
মন্তব্য করুন


দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে জাতীয় স্বার্থে
সবাই যেন ঐক্যবদ্ধ থাকে সেজন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে
ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) রাতে রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ কয়েকজন উপদেষ্টা বৈঠকে ছিলেন। তাদের
সঙ্গে বিদ্যমান পরিস্থিতির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দেশ কীভাবে শান্তিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে
আগামীতে একটা কার্যকর নির্বাচনের দিকে এগোতে পারে, সে বিষয়ে কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, জাতি-ধর্ম, দল-মত নির্বিশেষে
এ দেশ আমাদের সবার। সবাই মিলেমিশে জাতীয় ঐক্য আরও কীভাবে সংহত করা যায়, প্রশাসনকে আরও কীভাবে গুছিয়ে আনা যায়, এসব বিষয়ে
আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, যেটাতে মানুষের কষ্ট হচ্ছে, সেটাকে
লাঘব করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামীতে রমজান মাস আসছে, এটাকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীরা
যেন কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে, সেসব নিয়েও কথা হয়েছে। আমরা পরামর্শ করেছি।
পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও অনেক আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কিছু
বিষয় নিয়ে আলাপ হয়েছে। এসব আলোচনায় আমরা একমত হয়েছি যে—দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়েই দেশকে সামনে
এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। আর দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে যারাই জড়িত থাকবে,
তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এর মাধ্যমে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে দিতে হবে। এরজন্য
প্রয়োজন সর্বোত জাতীয় ঐক্য। দল-মত-ধর্মের ভিন্নতা থাকতে পারে, তবে জাতীয় স্বার্থে আমরা
যেন ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি। আপনাদের মাধ্যমে আমরা সে আহ্বান জানাই। আমরা বৈঠকেও এ কথা
বলেছি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ন্যূনতম যে
সংস্কার দরকার, সেটা দ্রুত করে তারপর নির্বাচন আয়োজনের কথা বলে এসেছি আমরা।
বৈঠকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত
ছিলেন, দলটির দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, আব্দুল হালিম এবং
নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে সফররত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল।
রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায়
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে বৈঠকটি শুরু হয়।
এর আগে এদিন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা
মো. তৌহিদ হোসেন এবং অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক
করে প্রতিনিধিদলটি।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব দপ্তরের
ডেপুটি আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট নেইম্যান, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ডোনাল্ড লুসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় জানায়, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রবিষয়ক
উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে ভালো লেগেছে। আমরা আমাদের অংশীদার বাংলাদেশের সঙ্গে
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো, মানবাধিকার সমুন্নত
রাখা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অন্যদিকে অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের
পর বাংলাদেশ সরকার ও ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি)
মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে। যার আওতায় সুশাসন, সামাজিক, মানবিক ও অর্থনৈতিক খাতে বাংলাদেশকে
২০২.২৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
গত শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের
রাজস্ব ও অর্থ দপ্তরের আন্তর্জাতিক অর্থায়নবিষয়ক সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট
নেইম্যানের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা আসে। এই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে
যোগ দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট
সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু। দিল্লি সফর শেষে তিনি একই দিন বিকেলে ঢাকায় পৌঁছেন।
মন্তব্য করুন


যশোরের
শার্শা উপজেলার একটি ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক (সুপার) এর বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে
দীর্ঘদিন ধরে কু-প্রস্তাব দেওয়াসহ হুমকির অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার
(২ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক।
এ
ঘটনায় বুধবার (১ জুলাই) ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ
করেন।
অভিযোগে
উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার সামটা ছিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে
একই প্রতিষ্ঠানের সুপার মমিনুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি
নিয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রী ভয়ে দীর্ঘদিন পরিবারের কাছে বলতে পারেনি। পরে অভিযুক্তের আচরণ
অসহনীয় হয়ে উঠলে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান।
এতে
আরও বলা হয়, অভিযুক্তের প্রস্তাবে রাজি না হলে পরীক্ষায় অংশ নিতে না দেওয়া, বিভিন্নভাবে
ক্ষতি করার হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। এমনকি ১৮ জুন রাতে অভিযুক্ত বাড়িতে গিয়ে
ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে তিনি জোরপূর্বক ঘরে
প্রবেশের চেষ্টা এবং ছাত্রীর হাত ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলেও অভিযোগ করেন।
এরপর
২৯ জুন অভিযুক্ত মাদরাসা সুপার ছাত্রীর বাবার হাতে টিসি (স্থানান্তর সনদ) দিয়ে তার
মেয়ের নাম প্রতিষ্ঠান থেকে কেটে দেওয়া হয়েছে বলে জানান। বর্তমানে ভুক্তভোগী ছাত্রী
ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা
জানায়, এর আগেও একই সুপারের বিরুদ্ধে নিজ প্রতিষ্ঠানের দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ
নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত
হয়। এতে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। নতুন করে থানায় লিখিত অভিযোগ করায় বিষয়টি
আবারও আলোচনায় এসেছে।
শার্শা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।
বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.
শফিকুর রহমান বলেছেন, বর্তমান সময়ে আমাদেরকে নিয়ে চতুর্মুখী ষড়যন্ত্র চলছে তাই আমাদেরকে
আরও সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।
আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর
পূর্বাচলের সী শেল রিসোর্টে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সাবেক
ও বর্তমান সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত এক ‘প্রীতি সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
বলেন, মানুষের সেবা করার জন্য আমাদের মনকে সবসময় প্রস্তুত রাখতে হবে। গোটা জাতিকে আমাদের
ধারণ করতে হবে। নিজেদের সকল কাজের ব্যাপারে পরিশ্রমী ও সৎ থাকতে হবে এবং প্রজ্ঞার পরিচয়
দিতে হবে। আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় পাওয়া যাবে না।
প্রীতি সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক
ও ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখার সাবেক সভাপতি আবু সাঈদ মোহাম্মদ ফারুক অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন। এ সময় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী
ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করীম, সিলেট মহানগরীর আমির ফখরুল
ইসলাম, গাজীপুর মহানগরীর আমির অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয়
সভাপতি ডা. ফখরুদ্দীন মানিক, ইয়াসিন আরাফাত ও সালাউদ্দিন আইয়ূবী ও সাবেক কেন্দ্রীয়
দাওয়াহ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম শাহিন উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন,ৃ বাংলাদেশ জামায়াতে
ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, ঢাকা মহানগরী উত্তর
জামায়াতের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার
সম্পাদক ডা.সাদেক বিল্লাহসহ ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগরীর সাবেক সভাপতি ও সেক্রেটারি
।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরের
বীরগঞ্জে মাছবাহী পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায়
আহত হয়েছেন আরও একজন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নের
দিনাজপুর-পঞ্চগড় সড়কের পাঁচপীর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা
হলেন- দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার মালগ্রামের মো. নাজমুল ইসলামের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার
(২৮) ও তাদের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (৩)। এ ঘটনায় মো. নাজমুল ইসলাম আহত হয়ে হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন।
পুলিশ
জানায়, নাজমুল তার স্ত্রী ও ছেলেকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক দেখানোর জন্য নিজ বাড়ি থেকে
মোটরসাইকেলে করে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর থানার উত্তর গড়েয়া এলাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেন।
তারা বীরগঞ্জ উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নের পাঁচপীর নামক স্থানে পৌঁছালে পেছন থেকে একটি
মাছবাহী পিকআপ তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে নাজমুল রাস্তায় ছিটকে পড়লে পিকআপটি
দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার সময় তার স্ত্রী ও ছেলের শরীরের উপর তুলে দেয়। ঘটনাস্থলেই দুজনের
মৃত্যু হয়। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত নাজমুলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
বীরগঞ্জ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পিকআপটি
আটকের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যার ঘটনায় জড়িত আরও একজনকে গ্রেফতার
করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযান
পরিচালনার সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) শহিদ
হয়েছিলেন। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত মোঃ নাসির (৩৪) নামক একজনকে গতকাল (২৭
সেপ্টেম্বর ২০২৪) গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ১৭
জনের মধ্যে এ পর্যন্ত ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গ্রেফতারকৃত
ডাকাতদের নিকট হতে ৫টি দেশিয় তৈরি বন্দুক, বিভিন্ন ধরনের ১৪ রাউন্ড গুলি,
হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। ডাকাত দলের অন্যান্য জড়িত
সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতকে চকরিয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজবাড়ীর
দৌলতদিয়া ঘাটের মাছ বাজারের একটি আড়তে ৩৫ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ ৭৩ হাজার ৫০০
টাকায় বিক্রি হয়েছে।
রোববার
(৫ জুলাই) সকালে দৌলতদিয়া মাছ বাজারের মো. হালিমের আড়ত থেকে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে
প্রতি কেজি ২ হাজার টাকা দরে বিশাল আকৃতির মাছটি কেনেন দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ঘাট এলাকার
মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ।
জানা
গেছে, রোববার ভোরে জেলে জমির হালদার ও তার সহযোগীরা পদ্মা নদীর দৌলতদিয়া কলাবাগান
এলাকায় জাল ফেললে বিশাল আকৃতির কাতল মাছটি ধরা পড়ে। পরে বিক্রির জন্য মাছটি দৌলতদিয়া
মাছ বাজারের হালিমের আড়তে আনা হয়। সেখানে ওজন করে দেখা যায়, মাছটির ওজন ৩৫ কেজি।
বিশাল আকৃতির মাছটি একনজর দেখতে উৎসুক মানুষ ও স্থানীয়দের ভিড় জমে।
পরে
উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে প্রতি কেজি ২ হাজার টাকা দরে মোট ৭০ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি
হয়।
মাছ
ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ জানান, সকালে উন্মুক্ত নিলামে তিনি ৩৫ কেজি ওজনের কাতল
মাছটি ৭০ হাজার টাকায় কিনেছেন। পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে
খুলনায় বসবাসরত এক জার্মানপ্রবাসীর কাছে প্রতি কেজি ২ হাজার ১০০ টাকা দরে মোট ৭৩ হাজার
৫০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করেন।
তিনি
আরও জানান, একই ক্রেতার কাছে ১ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ মাছ প্রতি কেজি ৪ হাজার
৩০০ টাকা দরে মোট ৭ হাজার ৭৪০ টাকায় বিক্রি করেছেন। মাছটি তিনি প্রতি কেজি ৪ হাজার
১০০ টাকা দরে কিনেছিলেন।
মন্তব্য করুন


গ্রেপ্তার অভিযান
আরো জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব
ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা
কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও তিনি জানান।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর)
আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকার
উপদেষ্টা এ কথা জানান। সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা
সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, কমিটিতে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং
আমাদের সামনের যে ইভেন্ট আছে এই ইভেন্ট গুলোকে কিভাবে সুষ্ঠুভাবে শৃঙ্খলা বজায় রেখে
শেষ করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং আশা করি সামনের ইভেন্টগুলো শান্তিপূর্ণভাবেই পালন করা যাবে। এর
বাইরেও কিছু বিষয় নিয়ে যেমন গ্রেপ্তার অভিযান বৃদ্ধি করার জন্য, আমরা কিছু এক্টিভিটি
গত কিছুদিন লক্ষ্য করেছি। তার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার অভিযান আরো জোরদার করার ব্যাপারে
সিদ্ধান্ত হয়েছে তার ফলাফল হয়তো আপনারা দেখতে পাবেন।
মন্তব্য করুন