

জাবিতে
(জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়) এক নারী শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার
অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার
(১২ মে) রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল সংলগ্ন সড়কে এই ঘটনা
ঘটে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের
মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী
শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা জানান, রাত ১১টার দিকে ওই শিক্ষার্থী রাস্তা দিয়ে একা যাচ্ছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পেছন থেকে তাঁকে অনুসরণ করতে শুরু করেন। ফজিলাতুন্নেছা হল সংলগ্ন
এলাকায় পৌঁছালে অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই শিক্ষার্থীর গতিরোধ করেন।
শিক্ষার্থী
তাঁর পরিচয় জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮তম ব্যাচের ছাত্র এবং
পাশের ‘বিশমাইল’ এলাকার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন।
কথা
বলার মাঝপথেই আচমকা কাপড় দিয়ে ভুক্তভোগীর গলা পেঁচিয়ে তাঁকে সড়কের পাশে অন্ধকার স্থানে
নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান তিনি। শিক্ষার্থীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত
ব্যক্তি পালিয়ে যান। পরে পথচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে
নিয়ে যান।
বিশ্ববিদ্যালয়
চিকিৎসাকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তানভীর হোসেন জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে
প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত হলেও
মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
ঘটনার
পর রাত ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা কার্যালয়ে প্রক্টোরিয়াল বডি, জাকসু
নেতৃবৃন্দ এবং নারী শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করেন।
ফুটেজে
একজন ব্যক্তিকে ওই এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। তবে অন্ধকারের কারণে
এবং দূরত্ব বেশি থাকায় এখনো তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ
বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত
ন্যাক্কারজনক ও দুঃখজনক ঘটনা। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছি। পুরো ক্যাম্পাস নজরদারির
আওতায় রয়েছে, আশা করছি দ্রুতই অপরাধীর পরিষ্কার ছবি ও পরিচয় পাওয়া যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়
প্রশাসন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে রয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া
শুরু হয়েছে।’
এদিকে,
ঘটনার বিচার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন সাধারণ
শিক্ষার্থীরা। তাঁরা ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত আলো এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি
অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


জাবিতে
(জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়) এক নারী শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার
অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার
(১২ মে) রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল সংলগ্ন সড়কে এই ঘটনা
ঘটে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের
মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী
শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা জানান, রাত ১১টার দিকে ওই শিক্ষার্থী রাস্তা দিয়ে একা যাচ্ছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পেছন থেকে তাঁকে অনুসরণ করতে শুরু করেন। ফজিলাতুন্নেছা হল সংলগ্ন
এলাকায় পৌঁছালে অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই শিক্ষার্থীর গতিরোধ করেন।
শিক্ষার্থী
তাঁর পরিচয় জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮তম ব্যাচের ছাত্র এবং
পাশের ‘বিশমাইল’ এলাকার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন।
কথা
বলার মাঝপথেই আচমকা কাপড় দিয়ে ভুক্তভোগীর গলা পেঁচিয়ে তাঁকে সড়কের পাশে অন্ধকার স্থানে
নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান তিনি। শিক্ষার্থীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত
ব্যক্তি পালিয়ে যান। পরে পথচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে
নিয়ে যান।
বিশ্ববিদ্যালয়
চিকিৎসাকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তানভীর হোসেন জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে
প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত হলেও
মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
ঘটনার
পর রাত ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা কার্যালয়ে প্রক্টোরিয়াল বডি, জাকসু
নেতৃবৃন্দ এবং নারী শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করেন।
ফুটেজে
একজন ব্যক্তিকে ওই এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। তবে অন্ধকারের কারণে
এবং দূরত্ব বেশি থাকায় এখনো তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ
বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত
ন্যাক্কারজনক ও দুঃখজনক ঘটনা। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছি। পুরো ক্যাম্পাস নজরদারির
আওতায় রয়েছে, আশা করছি দ্রুতই অপরাধীর পরিষ্কার ছবি ও পরিচয় পাওয়া যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়
প্রশাসন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে রয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া
শুরু হয়েছে।’
এদিকে,
ঘটনার বিচার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন সাধারণ
শিক্ষার্থীরা। তাঁরা ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত আলো এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি
অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রশিক্ষণার্থীদের
সঙ্গে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শিক্ষা, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিকভাবে
পার্বত্য অঞ্চলকে এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সম্পদে
পরিপূর্ণ পার্বত্য জেলাগুলো বাংলাদেশের সবচাইতে উন্নত অঞ্চল হতে পারতো, কিন্তু সবচেয়ে
পেছনে পড়ে আছে। এটা হওয়ার কথা না। আপনাদের ফসল, ফল-ফলাদি, ঐতিহ্যবাহী পণ্য দিয়ে অর্থনীতিতে
আপনাদের এগিয়ে যাওয়ার কথা। পার্বত্য এলাকাগুলো দুর্গম, সেজন্য যোগাযোগ করা কঠিন হয়।
আর এ কারণেই সেখানে প্রযুক্তির প্রসার দরকার। প্রযুক্তি দিয়ে এই দূরত্ব জয় করা যাবে।
পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও
সদস্যবৃন্দের জন্য আয়োজিত 'পার্বত্য জেলা পরিষদ ব্যবস্থাপনা' শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
রাজধানীর পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ
দিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
নারী ফুটবল টিমে পার্বত্য জেলা থেকে
আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৈঠকের স্মৃতিচারণ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের মেয়েরা ফুটবলে বিশ্বের
অন্যান্য দেশের টিমকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান হয়েছে। আপনাদের এলাকার মেয়েরা কী দুর্দান্ত
খেলল! কীভাবে বলবেন পিছিয়ে আছে? যারা আপনাদের এলাকা থেকে এসেছে তাদের সাথে আমি কথা
বলেছি। কী কঠিন পরিস্থিতি! কত কষ্ট করে পাহাড় ভেঙে বাড়িতে পৌঁছাতে হয়! বাবা মা ঢাকায়
আসলে কত কষ্ট করে তাদের আসতে হয়। এই প্রতিকূলতার মধ্যেই কিন্তু তারা বিশ্বজয় করে এসেছে।’
পার্বত্য এলাকার তরুণরা যেন বিশ্ব নাগরিক
হয়ে গড়ে ওঠে এ আশাবাদ ব্যক্ত করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আপনাদের মেয়েরা ফুটবলে বিশ্বজয়
এনে দিয়েছে। তরুণরা শুধু বাংলাদেশের নাগরিক না, বিশ্ব নাগরিক হতে হবে। দুর্গম এলাকা
বলে পিছিয়ে থাকলে হবে না। সীমাবদ্ধতা থাকবে, কিন্তু মনের সীমারেখাকে বাড়িয়ে দিতে হবে।
সারা দুনিয়ার মানুষের কাছে নিজ কৃতিত্ব দিয়ে পৌঁছে যেতে হবে।’ জানুয়ারিতে তারুণ্যের উৎসবে পার্বত্য
অঞ্চলের তরুণদের অংশ নেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, আপনাদের শিশুদের, তরুণদের
এ উৎসবে যোগ দিতে উৎসাহ দিন। স্থানীয় খেলা হোক, রচনা প্রতিযোগিতা, গান-নাচ তারা যা
পারে, যা চায় তা নিয়ে যেন অংশ নেয়। এটা সবার উৎসব। উৎসবটি বৈচিত্রময় হোক। সরকারি নির্দেশ
তাই অংশ নেবে এরকম না। তাদেরকে আপনারা উৎসাহ দিন, যেন নিজ থেকেই তারা উদ্যমী হয়ে এ
উৎসবে অংশ নেয়।
পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার
সংস্কার ও সঠিক পদ্ধতি, প্রশিক্ষণের গুরুত্ব নিয়েও কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি
আরও বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এক কঠিন সংকটে আছে। আপনাদের অঞ্চলে এটা আরও বেশি কঠিন।
শিক্ষকদের কষ্ট হয়, ছাত্র-ছাত্রীদের কষ্ট হয়। আপনাদের পড়াশোনার দিকে মনোযোগী হতে হবে।
আমরাও চেষ্টা করব রাষ্ট্রীয় দিক থেকে কীভাবে কী করা যায়। পার্বত্য জেলার তরুণরা দুর্গম
অঞ্চলে আছে বলে বড় শহর থেকে লেখাপড়ায় পিছিয়ে থাকবে সেটা হতে দেওয়া যাবে না। লেখাপড়ায়
তাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।
মন্তব্য করুন


আজ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছে।
সকাল ৯টায় আবেদন কার্যক্রম শুরু হয় এবং আবেদন কার্যক্রম চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত।
এনটিআরসিএর উপ-সচিব ওবায়দুর রহমান জানায় ,আবেদন করতে আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স ৩৫ বছরের মধ্যে থাকতে হবে। ৩৫ বছরের বেশি বয়সী কেউ আবেদন করতে পারবেন না।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, আগ্রহী প্রার্থীরা www.ntrca.gov.bd ও www.ntrca.teletalk.com এ ওয়েবসাইটে আবেদন করতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩ ধাপের বাছাইয়ের প্রথমেই দিতে হবে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের দ্বিতীয় ধাপে লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। লিখিত পরীক্ষায় প্রার্থীদের নির্ধারিত স্ব স্ব বিষয়ের ওপর পরীক্ষা দিতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
প্রার্থীদের প্রথম ধাপে ১০০ নম্বরের বহু নির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এ ধাপে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞানে ২৫ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এতে পাস নম্বর ৪০। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর পাবেন। ভুল উত্তর দিলে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত মোট নম্বর থেকে ০.২৫ নম্বর কাটা হবে।
প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ, স্থান ও সময়সূচি পরবর্তীতে জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।
মন্তব্য করুন


খুলনার
কয়রায় মহারাজপুরে আম খাওয়ার পর ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায়
একই পরিবারের আরও ৪ জন সদস্য অসুস্থ অবস্থায় কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি
হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মৃত
নারীর নাম লতিকা সানা (৫৫)। এছাড়া অসুস্থরা হলেন, একই পরিবারের তুলসি সানা (৪২), ইন্দ্রজিৎ
সানা (১৪), বিবেকানন্দ সানা (৬০) ও প্রকাশ সানা (৫১)। তারা সবাই মঠবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।
এলাকাবাসী
ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ৯ জুন রাতে পরিবারের ৫ সদস্য হায়াতখালী বাজার
থেকে কেনা আম খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন ভোর থেকে পেটের সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন তারা।
একপর্যায়ে অবস্থার অবনতি হলে ১০ জুন বিকেলে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
করা হয়।
মৃত
লতিকা সানার পরিবারের নিকট আত্মীয় নিতিশ সানা বলেন, রাতে আম খাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা
স্বাভাবিকভাবেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ভোর থেকে তাদের পেট খারাপ হয়। তবে হাসপাতালে নিয়ে
যাওয়ার আগেই ওই নারীর মৃত্যু হয়।
কয়রা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুজিত কুমার বৈদ্য জানান,
ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ৫ জনকে বুধবার বিকেলে হাসপাতালে আনা হলে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া
যায়। বাকি ৪ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।
তিনি
আরও বলেন, আমে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হতে পারে। অথবা বাড়িতে সংরক্ষণের
পর কোনোভাবে বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে আসতে পারে, যা খেয়ে তারা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত
হয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে যত টিম আছে, তার মধ্যে পুলিশ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিম বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ সোমবার (১৭ মার্চ) মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে খুব বেশি সময় নেই। আমরা ইতোমধ্যে সাত মাস পার করে এসেছি। আমরা বলছি, ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। কাজেই কী কী সংস্কার করতে চাই করে ফেলতে হবে।
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনারাও সংস্কারের কথা বলেছেন। কারও জন্য অপেক্ষা করে কোনো ফায়দা হবে না। কাজটা করতে হবে এবং সেটা আমাদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, দেশ বদলাতে হলে একক নির্দেশে নয়, বরং সবাইকে নিয়ে এক একটি টিম হয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশে যত টিম আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিম হলো পুলিশ। সরকার যা কিছুই করতে চায়, শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাত দিয়েই করতে হয়। তারা সব করে দেয় না, তারা পরিবশেটা সৃষ্টি করে। যে পরিবেশটা না থাকলে কোনো কাজই আর হয় না। পুলিশের কথা প্রসঙ্গে বারবার আমরা দুটো শব্দ বলছি- আইনশৃঙ্খলা। পুলিশের হাতেই এটাকে এক্সিকিউট করতে হবে। এই পরিবেশ সৃষ্টি করা না গেলে সরকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, মানুষের অধিকার, নাগরিকের অধিকার- কিছুই থাকে না। আমরা পুলিশকে অবহেলা করে দেশ গড়তে পারব না। তারাই সম্মুখসারির মানুষ। তারা ক্ষেত্র প্রস্তুত করলেই বাকি জিনিসগুলো হয়। আইনশৃঙ্খলা না থাকলে যত বড় বড় চিন্তাই হোক, যত টাকাই থাকুক, কোনো কাজে আসবে না।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, পুলিশ হবে বন্ধু। কারণ, আমি আইনের পক্ষের মানুষ। আমি আইন প্রতিষ্ঠা করার মানুষ। আইন হলো আমাদের সবার আশ্রয়। পুলিশ হলো আশ্রয়দাতা। আমরা এই ইমেজটা যদি প্রতিষ্ঠিত করতে পারি, মানুষ অতীতের সব কথা ভুলে যাবে।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রসচিব নাসিমুল গনি ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ ও রাজশাহী পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম। এ সময় আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা দেশের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলাসহ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিতে জরুরি বৈঠক করেছেন ।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন উপদেষ্টারা। পাশাপাশি বন্যা কবলিত এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম, ত্রাণ বিতরণসহ অগ্রাধিকার করণীয় নিয়েও আলোচনা হয় এবং দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
উল্লেখ্য, পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টিতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত হয়েছে দেশের নয়টি জেলা। বন্যাকবলিত জেলাগুলো হলো– ফেনী, নোয়াখালী, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর ও খাগড়াছড়ি। এসব জেলার কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি ও বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
এদিকে, বন্যা কবলিত এলাকা ফেনী-নোয়াখালীর উদ্দেশে ২৫০ উদ্ধারকারী নৌকা পাঠানোর বন্দোবস্ত করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ইতোমধ্যে ৫০-এর বেশি উদ্ধারকারী নৌকা রওনা দিয়েছে এবং সারাদিনে আরও দুইশ নৌকা যাওয়ার কথা রয়েছে।
এছাড়াও,
পদোন্নতি বঞ্চিত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনসহ বেশ কিছু বিষয়ে
বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, তিনি নিজেকে রংপুরের সন্তান বলে মনে করেন, কারণ তিনি জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে
শহিদ আবু সাঈদের সাহস ও আত্মত্যাগে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) প্রধান
উপদেষ্টা ঢাকায় তার কার্যালয়ে আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমাকে
রংপুরের একজন উপদেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করুন।
প্রধান উপদেষ্টা এসময় শহিদ আবু সাঈদ
ফাউন্ডেশনের সনদপত্র আবু সাঈদের পরিবারের হাতে তুলে দেন। আবু সাঈদের পিতা মকবুল হোসেন সনদপত্র গ্রহণ করেন।
আবু সাঈদের ভাতিজা মো. লিটন মিয়া এ
উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা শহিদ আবু সাঈদের পিতামাতার
স্বাস্থ্যর খোঁজখবর নেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তার আশ্বাস দেন।
মন্তব্য করুন


মাগুরা
সদর উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের কোদালিয়া শ্রীরামপুর গ্রামে কাকা-ভাতিজার সংঘর্ষে ইটের
আঘাতে আরব আলী সত্তর নামে প্রতিবেশী এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত আরব আলী ওই এলাকার মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে।
সোমবার
(১৫ জুন) বিকালে শ্রীরামপুর উত্তরপাড়ায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক
বিষয় নিয়ে কাকা ও ভাতিজার মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময়
উভয়পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। প্রতিবেশী ইয়াকুব সংঘর্ষ দেখতে
এসে ইটের আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
গুরুতর
আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রিন্স
মজুমদার মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, বাড়ির পাশে কাকা-ভাতিজার
মধ্যে মারামারি চলছিল।
ঘটনাস্থলে
প্রতিবেশী ইয়াকুব গেলে ইটের আঘাতে নিহত হন। মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ
(ওসি) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি।
মন্তব্য করুন


জুলাই
শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস
আলম বলেছেন, দুর্নীতিগ্রস্ত সিস্টেমগুলোর জন্য বিগত ১৬ বছরে মানুষ বিরক্ত হতে হতে দেয়ালে
পিঠ ঠেকে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের ১৬ বছরে সবচেয়ে বড় দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল
নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচন কমিশন সংস্কার না করলে কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা
যাবে না। শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য ২ হাজার মানুষ জীবন দেয়নি আর এ অভ্যুত্থানও হয়নি।
আজ
শনিবার (৯ নভেম্বর) সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যদের
হাতে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
সমন্বয়ক
সারজিস আলম বলেন, আমরা বলছি না রাষ্ট্রের সবকিছু সংস্কার করে নির্বাচনে যান। আমরা এটাও
বলছি না আগামী ৫-৬ বছর সংস্কার করেন। কিন্তু সংস্কারের জন্য ন্যূনতম একটা যৌক্তিক সময়
লাগবে। কোনো বিবেকবান মানুষ তার জায়গা থেকে চিন্তা করতে পারবে না যে এক বছরের মধ্যে
সবকিছু সংস্কার হয়ে যাবে। ১৬ বছর ধরে যে সিস্টেমগুলোকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করা হয়েছে,
সেই সিস্টেমগুলোকে সংস্কার করতে একটা যৌক্তিক সময় প্রয়োজন। বিগত ১৬ বছর এমনকি ৫৩ বছর
ধরে বাংলাদেশের সংবিধান পাঁচ বছরের জন্য দেশের মানুষকে একটি ‘জনতার সরকার’উপহার দিতে পারেনি।
আমাদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করতে পারেনি। সেই সাংবিধানিক সংস্কারও প্রয়োজন। প্রত্যেক পাঁচ বছরের জন্য বড় বড় ইশতেহার দিয়ে
প্রতিটি সরকার ক্ষমতায় আসে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরপরই তারা ইশতেহার ভুলে যায়। তারা
ভুলে যায় তারা যে জনতার সরকার। শুধু একটা নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে পারে
না। এর পাশাপাশি অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান জড়িত। এর মধ্যে অন্যতম হলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
একটা সিস্টেমের মধ্যে আনতে হবে। তা না হলে নির্বাচন দিলে আবার জবরদখলের ঘটনা ঘটতে পারে।
ক্ষমতার অপব্যবহার হতে পারে। আবার এ নির্বাচন ঘিরে কোনো সমস্যা দেখা দিলে সেজন্য একটা
বিচারিক প্রক্রিয়া প্রয়োজন। তাই বিচার ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন।
শহীদ
পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চেক বিতরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারা দেশ থেকে প্রায় ১ হাজার
৬০০ জনের বেশি শহীদ পরিবারের তালিকা আমাদের কাছে এসেছে। আপাতত যাচাই-বাছাই করে নির্বাচিতদের
পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক দেওয়া হচ্ছে। আমরা প্রতিটি বিভাগীয় পর্যায়ে গিয়ে
শহীদের পরিবারের হাতে অনুদানের চেক তুলে দিচ্ছি। এটা আমাদের দায়িত্ব। বাকি যারা রয়েছেন
তাদের কাগজপত্র সংগ্রহের কাজ চলছে। সেগুলো হাতে পেলে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হবে।
চেক
বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধসহ ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের মতো জাতীয়ভাবে বাংলাসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ একসঙ্গে উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৯ মার্চ) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে জানানো হয়,সরকার জাতীয়ভাবে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ ১৪৩২ উদ্যাপন উপলক্ষে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার আয়োজন করছে। এ বছর বাঙালি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি অন্তর্ভূক্তিমূলক নববর্ষ শোভাযাত্রার আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
দেশের
সকল মানুষ যেন উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষ উদযাপন করতে পারে সে লক্ষ্যে আগামী ২৩ মার্চ
রোববার দুপুর ১২টায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সভাপতিত্বে
মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন