

সীমান্তের
বিভেদ ভুলে এক বাংলাদেশি যুবকের সঙ্গে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন পাকিস্তানের
জনপ্রিয় নারী ব্লগার রুবিনা মারুফ। এই সুন্দর পরিণয়ের নেপথ্যে লুকিয়ে আছে এক ঐতিহাসিক
ও পারিবারিক টান। রুবিনা মারুফ পাকিস্তানি ব্লগার হিসেবে পরিচিতি পেলেও জন্মসূত্রে
বাংলাদেশের সঙ্গে তার সম্পর্ক বেশ গভীর।
১৯৬৮
সালে রুবিনার বাবা যশোর ছেড়ে পাকিস্তানের পাঞ্জাবে পাড়ি জমান। সেখানেই পরে স্থায়ী হয়ে
সংসার শুরু করেন। অনেক বছর পর বাবার সেই স্মৃতিবিজড়িত প্রিয় মাতৃভূমির এক যুবকের সঙ্গেই
বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন এ তরুণী ব্লগার।
ভালোবাসা
যে ভৌগোলিক সীমানারেখা কিংবা কাঁটাতারের বেড়া মানে না, সেই সত্যকে আবারও মনে করিয়ে
দিলেন এ তরুণী। সম্প্রতি জমকালো আয়োজনে তাদের শুভ পরিণয় সম্পন্ন হয়েছে। বিয়ের পর সামাজিক
মাধ্যমে বর-কনের একাধিক ছবি পোস্ট করে ভক্ত-অনুরাগীদের সেই আনন্দের খবরটি নিজেই নিশ্চিত
করেছেন রুবিনা মারুফ।
সামাজিক
মাধ্যমে নিজের জীবনের সবচেয়ে সেরা মুহূর্তের অনুভূতি প্রকাশ করে একটি পোস্ট দিয়েছেন
রুবিনা মারুফ। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন— ‘নিকাহর দিনে বাবা-মায়ের মুখে গর্ব
ও আনন্দের হাসি দেখতে পাওয়াটাই আমার জন্য সব থেকে বড় আশ্বাস ছিল।’
রুবিনা
মারুফ বলেন, ‘সীমান্তের গণ্ডি পেরিয়ে যাওয়া এ ভালোবাসা, নতুন সূচনা এবং একজন বাংলাদেশি
জীবনসঙ্গী পাওয়ার জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আমার হৃদয় আজ পরিপূর্ণ, আমার বাবা-মা অত্যন্ত
আনন্দিত এবং জীবনের বাকি দিনগুলোর জন্য আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত।’
এক
আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করে এ ব্লগার আরও বলেন, ‘একজন বাংলাদেশিকে বিয়ে করলাম। পুরো
প্রক্রিয়াটির ওপর ভরসা রাখা সবসময় সহজ ছিল না। তবে আমার জীবনের পথ যেদিকে যাওয়ার
কথা ছিল, তা মেনে নেওয়া আমাকে এমন এক আনন্দ দিয়েছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’
মন্তব্য করুন


আজ (৮ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামে যাবেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক
হাসনাত আবদুল্লাহ এবং মুন্সিগঞ্জ যাবেন সমন্বয়ক সারজিস আলম।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তারা এ তথ্য জানান।
গতকাল সমন্বয়ক ফেসবুকে হাসনাত আবদুল্লাহ
জানান, প্রিয় চট্টগ্রামবাসী! আগামীকাল (রোববার) ৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সফর। এ সফরের অংশ হিসেবে আমাদের একটি সমন্বয়ক
টিম প্রত্যেকটি জেলার অভ্যুত্থান ঘটানো ছাত্র-জনতার সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবে।
সফরের প্রথম জেলা হিসেবে আগামীকাল চট্টগ্রামে দুটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ছাত্র-জনতার
সঙ্গে মতবিনিময় নিয়ে প্রথম সভাটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।
একইদিনে ছাত্র-জনতার সঙ্গে মতবিনিময়
নিয়ে দ্বিতীয় সভাটি চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘির ময়দানে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে।
রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ ছাত্র-জনতার সঙ্গে আগামীকাল দেখা হবে, ইনশাআল্লাহ।
মুন্সিগঞ্জে’শিরোনামে আরেকটি স্ট্যাটাস
দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম।
তিনি ফেসবুকে লেখেন, আগামীকাল রোববার
(৮ আগস্ট) থেকে শুরু হচ্ছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সফর।
যেখানে আমাদের একটি সমন্বয়ক টিম প্রত্যেকটি জেলার অভ্যুত্থান ঘটানো ছাত্র-জনতার সঙ্গে
মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবে। ঢাকা বিভাগীয় সফরের প্রথম জেলা হিসেবে আগামীকাল মুন্সিগঞ্জে
সেই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ছাত্র-জনতার সঙ্গে মতবিনিময়
সভা হবে মুন্সিগঞ্জের সরকারি হরগঙ্গা কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে বিকেল ৩টায়। রক্তের বন্ধনে
আবদ্ধ ছাত্র-জনতার সঙ্গে আগামীকাল দেখা হচ্ছে ইনশাআল্লাহ।
মন্তব্য করুন


মাদকের
বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সামাজিকভাবে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন চট্টগ্রামের
মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যম সোনাপাহাড় দরবার টিলা এলাকার বাসিন্দারা।
মাদক সেবন, বিক্রি ও সরবরাহের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার অংশ
হিসেবে এলাকায় মাদকসেবীদের দাফন না করাসহ পাঁচটি কঠোর সামাজিক বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়েছে।
শুক্রবার
(২১ আগস্ট) জুমার নামাজ শেষে মধ্যম সোনাপাহাড় দরবার টিলা এলাকার বাইতুশ শরফ জামে মসজিদে
আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভা থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্থানীয় মসজিদ কমিটি, মুসল্লি
ও এলাকার সচেতন সমাজের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সভায়
স্থানীয়রা জানান, কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের মাধ্যমে পুরোপুরি মাদক নির্মূল
করা সম্ভব নয়; এজন্য পরিবার ও সমাজের প্রতিটি স্তর থেকে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে
হবে। একই সঙ্গে, যুবসমাজকে রক্ষা করতে মাদকসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য পেলে তা দ্রুত সমাজের
দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করতে হবে।
এ
বিষয়ে মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি আব্দুর আল রহিম বলেন, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও
মুসল্লিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাদকের সঙ্গে জড়িতদের সামাজিকভাবে পাঁচটি বিষয়ে
বর্জনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—
মৃত্যুর পর তাদের সামাজিকভাবে দাফন না করা, তাদের দাফনের কাজে মসজিদের খাটিয়া ব্যবহার
না করা, এলাকার ইমাম বা কোনো ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের তাদের বাড়িতে খাবার গ্রহণ না করা,
তাদের পরিবারের কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে এলাকাবাসীর অংশ না নেওয়া এবং মাদকের সঙ্গে জড়িত
প্রমাণিত হলে তাকে সমাজ থেকে পুরোপুরি বয়কট ও বহিষ্কার করা।
তিনি
আরও বলেন, এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য কাউকে ব্যক্তিগতভাবে অপমান করা নয়, বরং মাদকের বিরুদ্ধে
সমাজকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন করা এবং যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
সমাজকে বাঁচাতে সবাইকে দলমত নির্বিশেষে মাদকের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান
জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে বাংলাদেশে উদ্ভুত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সহায়তার লক্ষ্যে ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সহায়তা সমন্বয় সেল’ গঠন করা হয়েছে।
শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে আরো বলা হয়, জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্মসচিব মো. হারুন-অর-রশিদ সেলের দৈনন্দিন কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন।
‘দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা
সহায়তা সমন্বয় সেল’-এ জরুরি যোগাযোগের জন্য ০২-৪৭১১৮৭০০, ০২- ৪৭১১৮৭০১, ০২-৪৭১১৮৭০২, ০২-৪৭১১৮৭০৩, ০২-৪৭১১৮৭০৪ ও ০২-৪৭১১৮৭০৫ এবং ০১৩১৭৭৪৯৯৮০ ও ০১৮২০১১৭৭৪৪ নম্বরে ফোন করা যাবে।
সমন্বয় সেল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে সার্বক্ষণিক
যোগাযোগ রক্ষাসহ প্রাপ্ত তথ্যাদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন এবং সার্বক্ষণিক ফলোআপ করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে
উল্লেখ করা হয় ।
মন্তব্য করুন


কালীপূজা
উপলক্ষে দুই দিন বন্ধ থাকছে দেশের চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধা। ১২ এবং ১৩ নভেম্বর
কালীপূজায় ২দিন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকার তথ্যটি
নিশ্চিত করেছেন বাংলাবান্ধা সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম।
তিনি জানিয়েছেন, রবিবার ১২ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে
হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী কালীপূজা। পূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে উভয় দেশের
এক্সপোর্টার, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ওয়েলফেয়ার ও ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আলোচনা
সভার ভিত্তিতে এই দুদিন স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত চিঠি উভয় দেশের কাস্টমস,ব্যবসায়ী সংগঠন, ও বন্দর কর্তৃপক্ষসহ
সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক
থাকবে।
বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
নজরুল ইসলাম বলেছেন, পূজায় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ
থাকবে তবে স্বাভাবিক থাকবে ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত ।
মন্তব্য করুন


যা কিছুই ঘটুক না কেন, গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কাজে অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় সেনাপ্রধান তার কার্যালয়ে বসে রয়টার্সকে দেওয়া এক বিরল সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান।
তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৮ মাসের মধ্যে যেন নির্বাচন হতে পারে, সে জন্য তিনি যেকোনো পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দেবেন।
আগস্টের শুরুতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পদত্যাগ করেন। পরে নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান রয়টার্সকে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর তার পূর্ণ সমর্থন আছে। সামরিক বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করার একটি পথের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, আমি তাকে (মুহাম্মদ ইউনূস) সমর্থন করব। পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন। যেন তিনি তার কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।
মুহাম্মদ ইউনূস দেশের বিচার বিভাগ, পুলিশ, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্তরণ হওয়া উচিত। তবে ধৈর্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি।
সেনাপ্রধান বলেন, যদি আপনি আমাকে জিজ্ঞেস করেন, আমি বলব, এ সময়ের মধ্যে আমাদের একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যাওয়া উচিত।
বাংলাদেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ এবং প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এর আগে আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা নেওয়ার তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানায়।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সেনাপ্রধানের প্রতি সপ্তাহেই বৈঠক হচ্ছে। তাদের মধ্যে বেশ ভালো সম্পর্ক রয়েছে। অশান্ত পরিস্থিতির পর দেশকে স্থিতিশীল করতে সরকারের প্রচেষ্টায় সামরিক বাহিনীর সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।
তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত, যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি, তবে ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ নেই।
মন্তব্য করুন


চব্বিশের
গণঅভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য কেউ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য
দিয়ে সহায়তা করলে তার জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ (শনিবার, ২৯ আগস্ট) শেষ তিন মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা শেষে
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।
জুলাই
গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পেরিয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত থানাগুলো আবার সচল হয়েছে। স্বাভাবিক
হয়েছে অনেক কিছুই। কিন্তু সেসময় পুলিশের লুট হওয়া এক হাজার ৩২৬টি অস্ত্রের এখনো হদিস
মেলেনি।
অস্ত্রগুলো
কার হাতে, কোথায় আছে কিংবা কোনো অপরাধে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না সে তথ্যও নেই পুলিশের কাছে।
রাষ্ট্রীয় এসব অস্ত্রের অবস্থান অজানা থাকায় তা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদি
নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করছে। পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র সেই নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে।
এবার
সেই লুট হওয়া অস্ত্র ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের মধ্যে বিশেষ বাহিনী গঠিত হয়েছে
বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি
বলেন, ‘পুলিশ যেন জনপ্রত্যাশিত, জনবান্ধব বাহিনীতে পরিণত হয়, ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল
হয়, সেজন্য আমরা অনেক বক্তব্য দিয়েছি। আশা করি, ইনশা আল্লাহ আমরা ক্রমান্বয়ে জনপ্রত্যাশা
অনুযায়ী এগিয়ে যেতে পারবো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি করতে পারবো, আশা করি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, ‘লুঠ হওয়া অস্ত্র পুনর্বাসনের জন্য, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য আমরা বিশেষ একটা
ইউনিট গঠন করেছি। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট নিয়ে তারা এরইমধ্যে
কাজে নেমে গিয়েছে। আরও জোরদার করার জন্য আমরা পরামর্শ দিয়েছি। এক্ষেত্রে আমরা কিছু
পুরস্কার ঘোষণা করেছি। যারা হেভি ওয়েপনস উদ্ধার করার জন্য সহযোগিতা করবে, খবর দেবে—তাদেরকে
আমরা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কৃত করবো।’
মন্তব্য করুন


বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঢাকার মিরপুরে গুলিবিদ্ধ তাহের মোক্তার হোসেন এর ছেলে মোঃ রাফি হোসেন (১৪) এর ঢাকা সিএমএইচে সফল অস্ত্রপ্রচার করা হয়।
রাফি হোসেন গত ১৯ জুলাই ডান কাঁধে গুলিবদ্ধ হন এবং তার ডান কাঁধের হাড় ও ধমনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এপ্রেক্ষিতে, তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে অপারেশন করা হয়। পরবর্তীতে কিছু জটিলতা দেখা দিলে হৃদরোগ ইনিস্টিউট ও ঢাকা সিএমএইচ এর চিকিৎসকগণের আলোচনার ভিত্তিতে তাকে গতকাল (২৫ আগস্ট ২০২৪) দিবাগত রাতে ঢাকা সিএমএইচ এ আনা হয় এবং দ্রুততার সাথে দীর্ঘ ৬ ঘন্টা সময় ধরে সিএমএইচের ভাস্কুলার টিম কর্তৃক সফলভাবে কৃত্রিম রক্তনালী সংযোজনের মাধ্যমে অস্ত্র প্রচার করা হয়। বর্তমানে মোঃ রাফি হোসেন আশঙ্কা মুক্ত।
অপরজন মিরপুর কলেজের ছাত্র হারুন মিয়া এর ছেলে মোঃ মমিন হোসেন (২৩) গত ১৯ জুলাই ২০২৪ তারিখে গুলিবিদ্ধ হয় এবং গুলিটি তার মেরুদণ্ডের পিছনে আটকে যায়। পরবর্তীতে ২০ আগস্ট ২০২৪ তারিখে তাকে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি করা হয় এবং ল্যাপারস্কপির মাধ্যমে ২৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে অপারেশন করে গুলি বের করা হয়। বর্তমানে মোঃ মমিন হোসেন ভালো আছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও মাস্টাররোল স্টাফদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) সকালে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কুসিকের ৮৩২ জন কর্মীর হাতে মোট ৪১ লাখ ৬০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু। তিনি কর্মীদের হাতে ঈদ উপহারের অর্থ তুলে দেন এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নগর পরিচ্ছন্নতায় নিয়োজিত কর্মীদের জন্য এই ঈদ উপহার পাঠিয়েছেন। প্রত্যেক কর্মীকে ৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঈদুল আজহার সময় নগরবাসীর স্বস্তি নিশ্চিত করতে কুরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে কুসিক কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ১০ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের কথা থাকলেও কুসিক ৮ ঘণ্টার মধ্যেই সেই কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
ইউসুফ মোল্লা টিপু নগরবাসীর প্রতিও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে শুধু সিটি কর্পোরেশনের কর্মীদের একার প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নির্ধারিত স্থানে কুরবানির বর্জ্য রাখলে দ্রুত অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনা করা সহজ হবে।
ঈদ উপহার পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও। পরিচ্ছন্ন কর্মী আবুল হাসান বলেন, অতীতে তারা এমন ঈদ উপহার পাননি। তবে বর্তমান প্রশাসক দায়িত্ব নেওয়ার পর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে উপহার পেয়েছেন তারা। এজন্য প্রধানমন্ত্রী ও কুসিক প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। একই সঙ্গে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই কর্মী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়েম ভূঁইয়া, নির্বাহী প্রকৌশলী মাইন উদ্দিন চিশতীসহ কুসিকের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ রবিবার। সর্বোচ্চ
ভোট পেয়ে পরিচালক পদে বিজয়ী হয়েছেন তামিম ইকবাল খান। পরিচালকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৩
ভোট পেয়েছেন তিনি।
রবিবার
(৭ জুন) বিকালে মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভোট গণনা শেষে এই তথ্য
জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
প্রাপ্ত
ভোটে ঢাকার ক্লাব থেকে জিতেছেন তামিম ইকবাল, মাসুদুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম বাবু, ইয়াসির
আব্বাস, ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম, শাহনিয়ান তানিম, ফাহিম সিনহা, ইয়াসির ফয়সাল,
আসিফ রাব্বানি, ডা. মাহবুব শামীম, সাকেফ আহমেদ সালাম।
এই
ক্যাটাগরি থেকে লড়েছেন ১৬ জন। পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন ১২ জন। হেরে যাওয়া প্রার্থীরা
হলেন বোরহানুল পাপ্পু, আমজাদ হোসেন, ফরজুর মিতু এবং মেজর ইমরোজ আহমেদ।
যেখানে
সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়েছেন তামিম ইকবাল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ ভোট পেয়েছেন সাইদ ইব্রাহিম
আহমেদ এবং ইশরাফিল খসরু। মাসুদুজ্জামান ৭০ এবং ফয়সাল ইয়াসির পেয়েছেন ৬৮ ভোট। ফাহিম
সিনহা এবং শানিয়ান তানিম ৬৬টি করে ভোট পেয়েছেন। আসিফ রাব্বানী ৬৪, মির্জা ইয়াসির আব্বাস
৬৩ টি ভোট পেয়েছেন। রফিকুল ইসলাম ৫৩ এবং ড. শামীম ৪১ ভোট পেয়েছেন।
হেরে
যাওয়া ৪ প্রার্থীর প্রাপ্ত মোট ভোট–বোরহানুল পাপ্পু ৪০, আমজাদ হোসেন ৩২,
ফয়জুর মিতু ২৩ ও মেজর ইমরোজ আহমেদ ২০ ভোট।
ক্লাব
ক্যাটাগরিতে মোট ভোটার ছিল ৭৬ জন। এর মধ্যে ৭৪টি ভোট কাস্ট হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় রাজধানীসহ সারাদেশে এক হাজার ১৫১ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার এর আওতায় ২৯ ডিসেম্বর থেকে আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকাসহ সারাদেশের নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিজিবি টহল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।
ইসি জানিয়েছিল, ৩০০ সংসদীয় আসনে আগামী ৩ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগের জন্য আদেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।
এদিকে নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৩ জানুয়ারি থেকে সশস্ত্র বাহিনী মাঠে নামবে।
নির্বাচনকালীন সেনাবাহিনী মোতায়েনে গত ১৭ ডিসেম্বর নীতিগত অনুমোদন দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরদিন ১৮ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ও বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার লক্ষ্যে সেনা মোতায়েনে সশস্ত্র বাহিনীকে চিঠি দেয় ইসি।
গত ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের ৭ তারিখ রোজ রোববার ৩০০ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই হয় ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি করা হয় ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ছিল ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং অফিসাররা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয় ১৮ ডিসেম্বর।
মন্তব্য করুন