

সিরাজগঞ্জের
রায়গঞ্জ উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে মো. ইলিয়াস
খান (২৬) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
রবিবার
(১৯ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের কালিঞ্জা গ্রামে এ ঘটনা
ঘটে। ইলিয়াস ওই গ্রামের সাত্তার খানের ছেলে।
স্থানীয়
সূত্র জানায়, রবিবার বিকেলে কালিঞ্জা গ্রামে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ইলিয়াস খানের
সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা রাসেলের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পূর্বের
বিরোধের জেরে রাসেল ও তার কিশোর ছেলে সিয়াম আহমেদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইলিয়াসকে ছুরিকাঘাত
করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গুরুতর
আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে কালিঞ্জা এলাকার ইউপি সদস্য মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, ইলিয়াস নামের
এক যুবক মারা গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেছে। আমিও ঘটনাস্থলে রয়েছি। বিস্তারিত
পরে জানাতে পারব।
রায়গঞ্জ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে
এসেছি। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের
জন্য সিরাজগঞ্জ শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি
চলছে।
এ
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। এলাকায় বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও
অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ২৫ মার্চ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ২৫ মার্চ শুরু হওয়া অগ্রিম টিকিট বিক্রি চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
আগামী ১১ এপ্রিল ঈদের দিন ধরে হিসেব করে যাত্রা বিবেচনায় টিকিট বিক্রি শুরুর দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে রেলের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট আলাদা সময়ে বিক্রি করা হবে। সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে আর দুপুর ২টায় পশ্চিমাঞ্চলে টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, অগ্রিম ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে আগামী ৪ এপ্রিল। ১০ এপ্রিল পর্যন্ত অগ্রিম ফিরতি টিকিট বিক্রি হবে। সাধারণত যাত্রার ১০ দিন আগে অগ্রিম টিকিট শুরু করে রেলওয়ে। তবে এবার ঈদের ক্ষেত্রে সাত দিন আগে পাওয়া যাবে অগ্রিম টিকিট।
এছাড়া ৪ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৫ মার্চ, ৫ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৬ মার্চ, ৬ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৭ মার্চ, ৭ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৮ মার্চ।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সূত্র জানিয়েছে, এবারও ঈদযাত্রার কোনো টিকিট কাউন্টারে বিক্রি করা হবে না। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকেই শতভাগ টিকিট বিক্রি হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট, রেল সেবা অ্যাপ ও সহজ ডটকমের প্ল্যাটফর্ম থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
সাত জোড়া বিশেষ ট্রেন চলতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামীকালের বৈঠকে বিশেষ ট্রেনের সময়সূচি নির্ধারিত হবে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
উখিয়ায় টানা ভারী বৃষ্টিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একটি মাদরাসার ৫ শিক্ষার্থী
নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও অনেকে চাপা পড়েছে।
বুধবার
(৮ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সাব-ব্লক
এ-৩ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও
পান্না আক্তার।
তিনি
বলেন, উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে এ পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার
করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৫ জন আহত। উদ্ধার কাজ চলমান।
জানা
গেছে, বুধবার সকাল থেকেই টানা ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে উখিয়ার রোহিঙ্গা
ক্যাম্প-৫-এর একটি সাব-ব্লকে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনায় একটি মাদ্রাসার অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী
আটকা পড়েছে। স্থানীয় রোহিঙ্গারা তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
কুতুপালং
রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৫-এর ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ জানান, পাহাড় ধসে আটকা পড়া মাদরাসার
শিক্ষার্থীদের উদ্ধারকাজ চলমান রয়েছে। উদ্ধার অভিযান শেষ হলে ক্ষয়ক্ষতি ও অন্যান্য
বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক।।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর জন্মভূমি কুমিল্লায় ফিরলেন লন্ডনভিত্তিক ক্রিকেট টিম ‘কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স’-এর কর্ণধার ও প্রবাসী ক্রীড়া সংগঠক মো. আমিনুল ইসলাম সিহান। বুধবার (২০ মে) বিকেলে কুমিল্লা নগরীর নিজ বাসভবনে পৌঁছালে তাকে ঘিরে তৈরি হয় এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ। নগরীর প্রবেশমুখ থেকেই মোটরসাইকেল শোডাউনের মাধ্যমে তাকে বরণ করে নেন তার বন্ধুমহল, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্থানীয় ভাই-ব্রাদার্সরা। দীর্ঘদিন পর প্রিয় মানুষকে ফিরে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন এলাকাবাসীও।
নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্যরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে তাকে বরণ করে নেন। এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার মা মোসা. জুহরা বেগম। ছেলেকে জড়িয়ে ধরে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার ছেলে এতদিন আমার কাছে ছিল না, আমার বুক খালি ছিলো। আজ আমার ছেলেকে ফিরে পেয়ে আমি অনেক আনন্দিত।” মায়ের এমন আবেগঘন মুহূর্ত উপস্থিত সবাইকে নাড়া দেয়।
ছেলের দেশে ফেরা নিয়ে আবেগ প্রকাশ করেন তার বাবা মো. হাসানও। কুমিল্লা সিডি হাসপাতালের এই কর্মকর্তা বলেন, “দীর্ঘ ৩৬ বছর চাকরি করেছি মানুষের সেবা দিয়ে। জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্ট ছিলো ছেলেকে এত বছর দূরে রাখা। আজ ওকে নিজের চোখের সামনে দেখে মনে হচ্ছে জীবনের বড় একটা শূন্যতা পূরণ হয়েছে। একজন বাবা হিসেবে এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু হতে পারে না।”
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মো. আমিনুল ইসলাম সিহান। তিনি বলেন, “১৫ বছর ধরে দেশের বাইরে থাকলেও মন পড়ে ছিলো আমার প্রিয় জন্মভূমি কুমিল্লায়। এতদিন পর দেশে এসে সবাই যেভাবে আমাকে ভালোবাসা দিয়ে গ্রহণ করেছে, এতে আমি সত্যিই অভিভূত। এই ভালোবাসা আমার জীবনের বড় প্রাপ্তি।”
কুমিল্লার ক্রিকেটাঙ্গন নিয়ে নিজের স্বপ্নের কথাও জানান তিনি। সিহান বলেন, “আমি ক্রিকেটকে অনেক ভালোবাসি। কুমিল্লার ক্রিকেটকে আরও সমৃদ্ধ করতে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন কোচের সঙ্গে কথা বলেছি। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে পরিকল্পনা আছে। আমি চাই কুমিল্লা থেকে আরও ভালো মানের ক্রিকেটার তৈরি হোক এবং দেশের ক্রিকেটে কুমিল্লা আরও শক্ত অবস্থানে যাক।”
কুমিল্লা নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন চৌধুরীপাড়া উত্তর গাংচরের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম সিহান। তিনি মোসা. জুহরা বেগম ও মো. হাসান দম্পতির দ্বিতীয় পুত্র। ২০১১ সালে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে লন্ডনে পাড়ি জমান তিনি। দীর্ঘ প্রবাসজীবনের পর বর্তমানে তিনি একজন ব্রিটিশ নাগরিক। লন্ডনে বসবাস করলেও দেশের প্রতি ভালোবাসা ও কুমিল্লার প্রতি টান তাকে সবসময়ই নাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।
প্রবাসে থেকেও ক্রীড়াঙ্গনে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন সিহান। তিনি ‘কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স ক্রিকেট ক্লাব’-এর মালিক এবং সেন্ট্রাল লন্ডন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দেশে ফেরাকে ঘিরে কুমিল্লার ক্রীড়াঙ্গন ও পরিচিত মহলে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। অনেকেই মনে করছেন, তার এই প্রত্যাবর্তন কুমিল্লার ক্রিকেট উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।
মন্তব্য করুন


জামালপুরের
বকশীগঞ্জে গাছের সঙ্গে ঝুলে থাকা মোতালেব সরকার (৫৫) নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে
পুলিশ।
বৃহস্পতিবার
(২ জুলাই) সকালে সাধুরপাড়া ইউনিয়নের আইরমারী গ্রামের নিজ বাড়ির কামরাঙা গাছ থেকে ওই
মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মোতালেব
সরকার আইরমারী গ্রামের মৃত আবদুল হাই সরকারের ছেলে।
স্থানীয়
সূত্র ও পুলিশ জানায়, কৃষক মোতালেব সরকার বুধবার রাতে নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে
বাড়ির সামনের একটি কামরাঙা গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায় বাড়ির লোকজন। পরে বকশীগঞ্জ
থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
বকশীগঞ্জ
থানার ওসি মকবুল হোসেন জানান, মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা
ময়নাতদন্তের পর বলা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীরা নগরের আকবর শাহ থানা এলাকায় লাগেজভর্তি গাঁজা উদ্ধার করেছেন ।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সড়কে যানবাহন সামলানোর দায়িত্বপালনকালে তারা এই গাঁজা উদ্ধার করেন। পরে নৌ-বাহিনীর সহায়তায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
চট্টগ্রাম নৌ-বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, সন্ধ্যায় আকবর শাহ থানার সিটি গেট এলাকায় নৌ-বাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আফতাব উদ্দিনের নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের খবর দেয় লাগেজভর্তি গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে তারা আটক করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি সন্দেহজনকভাবে লাগেজ নিয়ে ঘোরাফেরা করছিল।
থানার নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তারাসহ আটক ব্যক্তি এবং মালামাল আকবর শাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়। ওজন করে দেখা গেছে জব্দ করা লাগেজে ১০ কেজি গাজা ছিল।
মন্তব্য করুন


গ্রেপ্তারের
এক দিন পর চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নুরুল আলম নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের
এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সকালে তার মৃত্যু হয়।
মৃত
নুরুল আলম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বলে
জানা গেছে।
কারাগার
সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে অসুস্থ বোধ করার পর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক)
হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর সনদে কারণ হিসেবে শ্বাসকষ্টজনিত
জটিলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম
কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ২০২৪
সালে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানায় হওয়া বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার
করে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তিনি অসুস্থ
হয়ে পড়েন। বুধবার সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত চমেক হাসপাতালে পাঠানো
হয়। সেখানে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি
আরও বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে নুরুল আলমকে যখন কারাগারে আনা হয়, তখন তিনি সুস্থ ছিলেন।
তার শরীরে কোথাও আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না। রাতেও কোনো অসুবিধার কথা তিনি জানাননি।
ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
সাতকানিয়া
থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার
করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। থানায় যতক্ষণ ছিলেন, তিনি সুস্থ–সবল
ছিলেন। তাকে কেউ মারধর করেনি। মঙ্গলবার বিকেলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
মন্তব্য করুন


একাত্তরের
মুক্তিযুদ্ধের সময় নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার মন্নাস আলী ছিলেন ২০ বছরের তরুণ। সেসময়
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে লক্ষ্য করে গুলি করলে সেটি তার পেটে লাগে। প্রচুর রক্তক্ষরণ
হয়; কিন্তু তিনি প্রাণে বেঁচে যান।
সেই
সময় থেকে গুলিটি তার পেটেই ছিল। সারাজীবন এজন্য তাকে অনেক ভোগান্তি ও কষ্ট পোহাতে হয়েছে।
কিন্তু টাকার অভাব আর ভয়ের কারণে গুলিটি আর বের করা হয়নি।
এখন
যন্ত্রণা অসহ্য পর্যায়ে এসে ঠেকেছে। ৫৫ বছর পর শনিবার দুপুরে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মন্নাস আলীর গুলিটি বের করেছেন।
মন্নাস
আলীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, তিনি সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন অস্ত্রোপচারে নেতৃত্ব
দেওয়া দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) তানজিরুল
ইসলাম রায়হান। মন্নাস আলীর বাড়ি উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের হরিয়াউন্দ গ্রামে।
স্বজনরা
বলেন, ১৯৭১ সালে দুর্গাপুরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী একটি ক্যাম্প স্থাপন করে। সে সময়
গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের এক বীর মুক্তিযোদ্ধা তিন পাকিস্তানি সেনাকে হত্যা করে মাটিচাপা
দেন।
এর
প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আশপাশের গ্রামগুলোতে ব্যাপকভাবে হামলা চালায়।
হামলার সময় তারা অর্ধশতাধিক মানুষকেও আটক করে। পরে তাদেরকে একটি ঘরের ভেতরে আটকে রেখে
বাইরে থেকে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় এবং নির্বিচারে গুলি করা হয়।
এতে
অধিকাংশই নিহত হন। মাত্র কয়েকজন দৌড়ে পালিয়ে প্রাণ রক্ষা করতে পারেন। মন্নাস আলীও তাদের
মধ্যে একজন ছিলেন। পালিয়ে যাওয়ার সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ছোড়া একটি গুলি তার পেটে
বিদ্ধ হয়।
মন্নাস
আলীর ছেলে আবুল হোসেন বলেন, “বাবা বেশিরভাগ সময়ই অসুস্থ থাকতেন। টাকার অভাবে আমরা চিকিৎসা
করাতে পারিনি। বাবাও গুলি বের করা নিয়ে ভয় পেতেন। সবার সহযোগিতায় বাবার শরীর থেকে গুলিটি
বের করা হয়েছে। আমরা সবার কাছে দোয়া চাই।”
মন্নাস
আলীর পুত্রবধূ হামিদা খাতুন বলেন, “আমার শ্বশুর সব সময় বলতেন, তার শরীরে গুলি রয়েছে।
আজ গুলি বের করার পর আমরা নিজের চোখে সেটি দেখলাম। বাবা বলতেন, মৃত্যুর পর যেন গুলি
বের না করে তাকে দাফন করা হয়। আল্লাহ আমাদের দিকে মুখ তুলে তাকিয়েছেন, আজ গুলিটি বের
হয়েছে।
দুর্গাপুর
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও তানজিরুল ইসলাম রায়হান বলেন, “টাকার অভাবে তিনি
এতদিন চিকিৎসা নিতে পারেননি। আমরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারটি করেছি।”উদ্ধার
হওয়া গুলির বিষয়ে থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে বলে জানান চিকিৎসক।
মন্তব্য করুন


মাদকের
বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার
(২৮ জুলাই) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক
সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি
বলেন, আমরা দলমত নির্বিশেষে, সকল মানুষকে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে
তুলতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি, যথাযথভাবে মাদক নিরসন করতে পারলে সমাজের বহু সমস্যার
সমাধান হয়ে যাবে।
মাদক
নির্মূলে সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টাকে তুলে ধরে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বর্তমান সরকার
দেশ থেকে চিরতরে মাদককে বিদায় করতে আন্তরিকতার সাথে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
আজ
অনুষ্ঠিত মাদক বিরোধী সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক রফিকুল হক। অন্যান্যের মধ্যে
উপস্থিত ছিলেন-পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, ৫০ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আখলাক
হোসেন, জেলা বিএনপি সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


দ্রুত
ধনী হওয়া এবং বিলাসবহুল জীবনযাপনের চরম লোভে অন্ধ হয়ে নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকাকে
নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগে দশম শ্রেণির দুই ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের তেলেঙ্গানা
রাজ্যের নালগোন্ডা জেলা পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন কোন্ডামাল্লেপল্লির
নাগার্জুনা পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ও পরিচালক কাল্লু রুপা রেড্ডি (৪৮)।
গত
১২ আগস্ট সকালে নিজ বাড়ি থেকে রুপা রেড্ডির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের শরীরে
মোট ২৭টি ছুরিকাঘাতের ক্ষত পাওয়া যায়। ঘটনার সময় তাঁর স্বামী রাজ্যের রাজধানী হায়দরাবাদে
অবস্থান করছিলেন। ফোনে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তিনি বিষয়টি প্রতিবেশীদের
জানান। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
ঘটনার
তদন্তে নেমে পুলিশ পাঁচটি বিশেষ দল গঠন করে। সিসিটিভি ফুটেজ, ফরেনসিক আলামত, আঙুলের
ছাপ ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণের পাশাপাশি ৮০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা
হয়। তদন্ত চলাকালে পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
একটি ক্লু পায়। জানা যায়, ফোন বন্ধ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এক আত্মীয়ের সঙ্গে কথা বলছিলেন
রুপা রেড্ডি এবং ওই আলাপে তাঁর উচ্চারিত শেষ শব্দটি ছিল ‘বাবু।
বুধবার
এক সংবাদ সম্মেলনে জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা শরৎ চন্দ্র পাওয়ার জানান, ফোনে রেকর্ড হওয়া
এই ‘বাবু’ শব্দটি কাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতে
গিয়েই সন্দেহের তির যায় স্কুলের ছাত্রদের দিকে।
এরপর
তদন্ত দল ছাত্রদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে এবং ঘটনার দিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকা দশম
শ্রেণির পাঁচজন শিক্ষার্থীকে চিহ্নিত করে। এদের মধ্যে দুজনকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে
অস্বাভাবিকভাবে অর্থ খরচ করতে এবং পার্টি উদযাপন করতে দেখা যায়। বুধবার সকালে ওই দুই
ছাত্রকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড
ঘটানোর কথা স্বীকার করে।
পুলিশের
তদন্তে জানা যায়, কিছুদিন আগে হোস্টেলে ওই দুই ছাত্রের ব্যাগে বিপুল নগদ টাকা ও মোবাইল
ফোন পাওয়ায় প্রধান শিক্ষিকা তাদের শাসন করেছিলেন এবং বিষয়টি তাদের অভিভাবকদেরও জানিয়েছিলেন।
পরবর্তীতে তাদের হোস্টেল থেকে সরিয়ে বাড়ি থেকে স্কুলে আসা-যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনার পর থেকেই প্রধান শিক্ষিকার ওপর তীব্র ক্ষোভ জন্মায় তাদের
মনে।
হত্যাকাণ্ডের
অন্তত পাঁচ দিন আগে থেকে চুরির ছক কষে তারা এবং রুপা রেড্ডির বাড়ির আশপাশে নজরদারি
চালায়। আঙুলের ছাপ বা কোনো শারীরিক প্রমাণ যাতে পুলিশের হাতে না পড়ে, সে জন্য আগে থেকেই
ছুরি ও গ্লাভস কিনে রাখে তারা।
পরিকল্পনা
অনুযায়ী ঘটনার দিন এক ছাত্র পুরো মুখ ঢাকা মাঙ্কি টুপি ও গ্লাভস পরে প্রধান শিক্ষিকার
ঘরে প্রবেশ করে। শোবার ঘর থেকে আড়াই লাখ রুপি হাতিয়ে নিয়ে পালানোর সময় দুর্ঘটনাবশত
তার মুখের টুপি খুলে যায় এবং রুপা রেড্ডি তাকে চিনে ফেলেন। পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার
আতঙ্কে সে সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে রুপা রেড্ডিকে উপর্যুপরি ২৭ বার কুপিয়ে হত্যা
করে।
হত্যাকাণ্ড
শেষ করে নগদ টাকা লুট করে রক্তমাখা পোশাক ও টুপি মাটিতে পুঁতে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা
করে তারা। এরপর সেই টাকায় তারা সরাসরি গোয়া ভ্রমণে চলে যায়। পুলিশ গ্রেপ্তারকৃতদের
কাছ থেকে ১ লাখ ৫৪ হাজার রুপি (যার কিছু নোটে রক্তের দাগ রয়েছে), তাদের কেনা একটি নতুন
আইফোন এবং নিহত রুপা রেড্ডির ব্যবহৃত ফোনটি উদ্ধার করেছে। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, অপরাধ
সংগঠনের আগে অভিযুক্ত দুই ছাত্র ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে ‘কীভাবে দ্রুত টাকা আয়
করা যায়’ লিখে একাধিকবার সার্চ করেছিল।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত
ইউসেফ এস. ওয়াই. রামাদান। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার
অফিসকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে
দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের অনুকূলে ভিসা
ইস্যুকরণ সহজতর করাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করা
হয়।
সাক্ষাৎকালে
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সার্বভৌম রাষ্ট্র
প্রতিষ্ঠার পক্ষে অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়ে আসছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তৎকালীন
সময়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে জোরালো জনমত ও সমর্থন আদায়ে
অত্যন্ত বলিষ্ঠ ও অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের এই
নীতিগত ও নৈতিক সমর্থন সর্বদা অব্যাহত থাকবে।
আলোচনায়
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি ছাত্র-ছাত্রী উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন। তিনি ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের
বাংলাদেশে আগমন ও পড়াশোনা নির্বিঘ্ন করতে অন-অ্যারাইভাল ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষ
সহযোগিতা কামনা করেন। মন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সর্বাত্মক
সহযোগিতা করার জন্য তাৎক্ষণিক নির্দেশনা প্রদান করেন। একইসঙ্গে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি প্রেরণের জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ
জানান।
রাষ্ট্রদূত
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে ফিলিস্তিনের কোনো
নাগরিক বা শিক্ষার্থী বাংলাদেশের ভিসার জন্য আবেদন করলে, তা যথাযথ যাচাইয়ের লক্ষ্যে
আবেদনের একটি অনুলিপি ঢাকাস্থ ফিলিস্তিন দূতাবাসে প্রেরণের অনুরোধ করেন।
এ
সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একটি মুসলিম ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে আমরা ফিলিস্তিনকে
অন্তরের অন্তস্তল থেকে ভালোবাসি ও বিশ্বাস করি। ফিলিস্তিনের নাগরিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ
সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।
সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি প্রগতিশীল ও উদারপন্থি
মুসলিম রাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে আমাদের দেশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের যে কোনো অপচেষ্টা বা অপপ্রচার কঠোর হস্তে
দমন করা হবে।
সাইবার
অপরাধ ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত শনাক্ত করে
আইনানুগ ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা হবে।
বৈঠকে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
পশ্চিম এশিয়া বিষয়ক পরিচালক (ইন চার্জ) ফুয়াদ হাসান পরাগ এবং ঢাকাস্থ ফিলিস্তিন দূতাবাসের
প্রথম সচিব নূর এইচ. ও. আলাইদি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন